Now Reading
কেন এই পতিতালয় ?



কেন এই পতিতালয় ?

মানব সভ্যতা বিভিন্ন ভাবে বিনিষ্ট হচ্ছে । কেননা এই মানবি তার একমাত্র সহযোগী, মানব সভ্যতাকে ধংসে রুপ প্রদান করার জন্য।অাজ সমাজের সকল স্থানে পতিতা নামটি হরে হরে শোনা । ছোট কিংবা বড়,যুবক কিংবা বৃদ্ধ সকলের মুখে যেন পতিতার নামটি শোভা পায় । তবে কেন এই পতিতার সৃষ্টি ? কেন এর ভিন্ন পথ ? কেউতো পতিতা নিয়ে ভাবে না ? পতিতা তো জন্ম থেকে সৃষ্টি হয় না । বিভিন্ন কারণ বা বিভিন্ন পরিস্থির শিকার হয়ে একজন নারীকে পতিতা হতে হয় ।এই অাধুনিক সভ্যতাই একজন নারীকে পতিতা নামটি প্রদান করে । তারা শোষনের শিকার হয়ে পতিতা হয় । যাইহোক, সকলে যাকে হীন নীচ বলে আখ্যা দিয়েছে ,তাহাকে অামি মাথায় করে রাখিলাম । সে সকলের চোখে ব্যভিচারি বা সোজা বাংলা কথায় বেশ্যা হলেও অামার কাছে একজন নারী ।বেশ্যা বলতে অর্থের প্রয়োজনে নিজের দেহ টাকার বিনিময়ে বিক্রয় করার মাধ্যম । কেউ কি সাধ করে বেশ্যা হয় ? এই প্রশ্নের সম্মুখ হলে অাপনি কি বলবেন? হয়তো মুখ বুজে অানন্দ উপভোগ করবেন । তবে কেন অাপনিয়ো তো সত্যটা বলতে পারেন ।সমাজে অমর্যাদা, শোষন ও যন্ত্রনায় পড়ে সে বেশ্যা হয়েছে হসমাজে তথা সারাবিশ্বে তারাই শোষিত বা নির্যাতিত হয়,যাদের দিকে কারো চোখ নেই । তারাই শোষিত হয়,I know that Man is powerful,on chinless and helpless. গ্রামে বা শহরে  যেকোন স্থানে মহিলারা কোন বিপদে পড়ে ,কোন ব্যক্তির নিকট শরাপন্ন হয় এবং সাহায্য কামনা করে । ঠিক তখনি অাধুনিক সভ্যতার সাহায্যকারী ব্যক্তি সাহায্যের বিপর ঈতে কুপ্রস্তাব প্রদান করিয়া থাকে। মানবতার যে কত বড় ক্ষয় তা তাহারা ঠিক তথনি প্রমাণ করিয়া দেয় । ঐব্যক্তি ভাবে না বা ভাবার প্রযোজনো মনে করে না যে ঐবয়সের কোন অাত্মীয় তাহার ঘরে বিদ্যামান রয়েছে । ঐব্যক্তি অসহায় দূর্বল মহিলার প্রতি রাক্ষুসে হইয়া উঠে এবং তাহাকে নষ্ট করে । ঠিক তখনি অামাদের জাতি ধর্মের সম্রাট যথা: ঈমাম, পুরহিত,ফাদার বা সমাজের বিচারকগণ  তাহাকে বেশ্যা নাম দিয়া গ্যাম হইতে বিতাড়িত করে । তখন সে বাধ্য হইয়া বলিতে থেকে …

অামি চায়না মান,চায়না খ্যাতি

চায়না ধর্মের চাবিকাঠি

চায়না অামি অধিকার

যেথা নেই মানুষ হয়ে থাকার কোন অধিকার !

যে সভ্যতা মানুষকে মানুষ হয়ে থাকার মত পথ দিতে পারে না,মর্যাদা দিতে পারে  না; শুধুমাত্র অপবাদ দিতে পারে ,সেই সভ্যতার কি দরকার ?

যাইহোক, সকলে যাহাকে বেশ্যা বলিয়া সমন্ধনা দিয়েছে ,তাহাকে অামি ফুলদানি বলিয়া নীচ করিবো না । কেননা ফুলদানিতে একটা কিংবা দুইটা  ফুল থাকিতে পারে । তাহার সৌরভ ঐ দুই প্রকার ।তাই অামি তাহাকে পুষ্পবাগিচা বলিতে দিধা করিলাম না । যেথা হাজারো ফুলের সমাগম,তাহাকে দেখতে এক অপরুপ সৌন্দর্যে ভরপুর । যাহার গন্ধে সমস্থ পথচারি সতেজ সুগন্ধ নিয়া দিনের প্রথমাংশ শুরু করে ।কয়জনের  কপালে জোটে এই সুগন্ধ ? হাজারো পর্যটক যেমন পুষ্পবাগিচা দেখতে মালিককে অর্থ দিয়া পুষ্প না নিয়া পুষ্পবাগিচা হয়তে বাহির হইয়া যায়,সুগন্ধ নইয়া । কোন লাভ লোসের দিধা করে না  তবে, কেন অামার নাম দেওয়া পুস্প বাগিচা গিয়া ফুল নিতে সাধ জাগে ?কেন তাহাকে স্পর্য করিতে মন চায়? পার্ক দেখিবার মত কইরা বাহির হওয়া যায়  না! বাস্তবতা প্রমাণ করিতে গিয়া একথা  বলিতে হয় যে, অাধুনিক সভ্যতার হাতে গড়া বেশ্যা পল্লীতে তাহারা ঘর বরাদ্ধ করিয়া গ্রাম হইতে বিতাড়িত মহিলার সঙ্গে সঙ্গমে অাকৃষ্ট হইয়া পড়ে । তবে তাহারা কেন গ্রাম হইতে বিতাড়িত হয়না ?  নিজের কাল্পনিক বা মনের আবেগ দিয়া বলিনাই । নিজের চোখ এড়িয়ে না যাওয়া ঘটনা হইতে বলিলাম । সমাজে যাহারা মানুষকে অমানুষ হিসেবে খ্যাতি প্রদান করে,তাহারা  কেন ঐ অমানুষের সঙ্গে সঙ্গমে লিপ্ত হয় ? তাহারা বিভিন্ন বেশভূষার কারণে দোষটি গোপন করিয়া রই  এবং অাতপ চাউলের ময়দা ও গোল অালুর মত সমাজে ঠাই কইরা নেই ।মর্যাদায় রাজসিংহাসন লাভ করে । তাহাদের কাছে সভ্যতা হইলো ছাগলের মাংস ও চিতই পিঠার মত মূল্যবান ।সভ্যতার নাম ব্যবহার  করিয়া সভ্যতাকে ধংসে পরিনত করা এই অাধুনিক সভ্যতার মূলনীতিতে রুপ নিতে বিন্দুমাত্র বাকি অাছে কিনা সন্দেহ ! অামার এই লেখনি সত্য না ভাবিয়া মিথ্যা ভাবিয়া বাস্তবতা দিয়া প্রমাণ করিয়া সত্য হইলে সত্য মিথ্যা হইলে মিথ্যা বলিলে অামি নিজেকে সার্থক বলিয়া মানিয়া নিতে পারিবো ।

যদি অামার পুষ্পবাগিচাকে পতিতালয় বলিয়া খ্যাতি প্রদান করেন ,তাহলে এই অাধুনিক সভ্যতাকে কি বলিবেন ?পরিশেষে, সমাজের সকল মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করিয়া সকলকে মানুষ বলিয়া শিকার করায় মানুষের নৈতিক দায়িত্ব  ।কেননা মানুষ তো মানুষই । যাহার দ্বিতীয় কেন পরিচয় হইতে পারে না । নারীর প্রতি এমন দৃষ্টি যত দ্রুত পরিবর্তন করা যায় ,এই বিশ্বের সকল  পরিস্থি মোকাবেলা করা সম্ভব । অামি অামার কলমের এটাই বলতে চায় “নারীর যোগ্য অধিকার চায় ” ।  নারীর প্রতি সকলকে সহনশীল  দায়িত্বশীল হবার জন্য আনুরোধ করছি । কেননা ঐ নারীই কারো মা, কারো বোন. খালা,ফুফু ইত্যাদি  ।তাই একটাই কথা বলতে চায় , নারীর  অধিকার চায় ।IMG_17364753510291.jpeg

 

 

About The Author
Md.Biplab Hossain
Md.Biplab Hossain
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment