Now Reading
“Justice” এর নামে “Injustice”? | দেশের নতুন ফেসবুক কেলেঙ্কারি ! ! !



“Justice” এর নামে “Injustice”? | দেশের নতুন ফেসবুক কেলেঙ্কারি ! ! !

ফেসবুকে এই মুহুর্তে একটি কেলেঙ্কারী ব্যাপক ভাইরাল। সেটি হলো বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান যারা দাবী করে তারা নারী অধিকার আদায়ে কাজ করে। বেশ মহত উদ্যোগ। কিন্তু উক্ত প্রতিষ্ঠান নিয়ে ফেসবুক এখন রীতিমত উত্তাল। কারণ কিছু স্ক্যান্ডাল বা কেলেঙ্কারি ধরা পড়ে গেছে। আর অনলাইনে কোন কিছু প্রমাণ সহ চলে আসলে তো আর কথাই নেই।

তবে এই ব্যাপারে লেখা শুরু করার আগে ফুটপ্রিন্টের মডারেটরদের একটি অনুরোধ, যদি ঠিক মরে করেন আশা করি ফুটপ্রিন্ট তথা বাংলাদেশীজম (যতটুকু জানি, ফুটপ্রিন্ট বাংলাদেশীজমের একটি প্রজেক্ট) এই ব্যাপারে যেন একটু দৃষ্টি দেয় কারণ বাংলাদেশীজম প্রজেক্টকে দেখেছি নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে অনেক আন্দোলন প্রতিবাদ করতে।

যাই হোক, পুরো ব্যাপারটি শুরু হয়েছে ফেসবুকে কিছু স্ক্যান্ডাল বা কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়ে যাইয়ার পর। প্রতিষ্ঠানটির নাম Justice For Women, Bangladesh বা JFWBD। শুরুতেই বলে রাখি এধরনের কোন প্রতিষ্ঠানের কোন রেজিস্ট্রেশন আছে কিনা তা নিয়ে একটু গবেষণা করে কিছু খুঁজে পাইনি। সম্ভবত প্রতিষ্ঠানটি কোন রেজিস্টার্ড কোন প্রতিষ্ঠান না। ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে তাদের “কার্যক্রম” পরিচালনা করে। তাছাড়াও এই প্রতিষ্ঠানের কোন অফিশিয়াল ওয়েবসাইটও নেই। অন্তত ৩০ মিনিট খোজার পরেও পাওয়া যায়নি। ফেসবুক ছাড়া আর কোথাও তাদের অস্তিত্ব নেই। এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মানুষ কতটা জানে তাও জানিনা। বা সঠিক তথ্য কেউ অন্তত দিতে পারেনি।

এখন কথা হলো, কি ধরনের কেলেঙ্কারি ফাঁস হলো? এই কেলেঙ্কারি ফাঁস করল অনুরূপ আরেকটি সেবাদানকারী বা এনজিও (সম্ভবত) প্রতিষ্ঠান। তাদের অভিযোগ কতটা সত্য সেটাও যাচাই করে দেখেছি একই সাথে। কিন্তু প্রমাণ সহ থাকার কারণে খুব বেশী কষ্ট করতে হয়নি। অভিযোগটি মূলত হলো Justice for woman এর কোন পরিচালক বা টিম মেম্বার অথবা ফেসবুক গ্রুপের এডমিনকে নিয়ে মূলত। তাই পুরো প্রতিষ্ঠানকে দোষারোপ করার কোন মানে নেই। অবশ্যই সেই প্রতিষ্ঠানে মহত লোকজনও আছেন। সেই গ্রুপের এডমিন ইফরিত জাহান কুঞ্জর কোন একটি অসহায় নারীকে ঠকানোর ব্যাপেরি কেলেঙ্কারি হয়েছে। বিষয়টা টাকা জনিত। আর ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে টাকা হাতানোর কত কথাই না আছে যেমন অনেক ফুড গ্রুপ রেস্টুরেন্ট গুলো থেকে এতদিন টাকা হাতিয়ে নিত ডিফেইমিং করার জন্য। অভিযোগটি করেছে SCAWBD নামের আরেকটি সমাজসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান থেকে যার সরামর্ম নিম্নরূপ –

 ফেসবুক ভিত্তিক সমাজসেবামূলক গ্রুপ JUSTICE FOR WOMEN, BANGLADESH – JFWBD এর বিরুদ্ধে চাদাবাজি করে অসহায় এক নারীর কাছ থেকে ১৬০০০০ টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে খুলনার এমপি মুন্নুজান সুফিয়ান সাহেবের দৃরতার প্রশংসা না করে উপায় নেই। উনার হস্তক্ষেপেই এই শালিস মামলাতে পরিনত হয়।
গত ২৪/০৮/২০১৭ তারিখ রাত ৮ টায় এক শালিসি বৈঠক বসানো হলে সেখানে সকল তথ্যপ্রমান সাপেক্ষে তাহান আর আলামিন ( যারা Justice for Women Bangladesh এর খুলনা বিভাগের ভলান্টিয়ার) কে থানায় সোপর্দ করা হয় এবং রাতেই মামলা গ্রহন করে ২৫/০৮/২০১৭ তারিখ এ কোর্টে চালান করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। এ ব্যাপারে Ifreet Zahin Kunjo এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি তাদের চিনেন না বলে জানায়। কিন্তু আমাদের কাছে সকল তথ্য প্রমান থাকায় তার এ বক্তব্যকে আমরা মিথ্যা বলেই সবাইকে জানাতে চাচ্ছি।
কিছুদিন পর তাহান এবং আলামিনকে জুনায়েদ এবং মাহাবুবুর রহমান আরমানের মতো তাদেরকে গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হবে। তাদের উপর সকল দোষ চাপিয়ে। তবে আমরা তাদের পক্ষে থাকবো তখন যদি এমমন হয়। তবে আপাতত আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সেই নারীকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছি আর দেবো।
খুলনা এর কোন পরিচিত আইনজীবি থাকলে সেই নারীকে ফ্রিতে আইনি সহায়তা দিয়ে সাহায্য করলে খুশি হবো।
কেসের সত্যতা জানতে ফোন করুন খুলনা জোনের ওসি খালিশপুর এর কাছে। নম্বর খুজে নেবেন দয়া করে।

এই অভিযোগের সাথে যুক্ত হয়েছে আর অনেক তথ্য প্রমাণ যা আমরা এই পোস্টে দিয়ে দিচ্ছি নীচের দিকে। অবাক লাগে, নারীদের যারা বাঁচানোর কথা বলে তারা নিজেরাই ধোঁকাবাজিতে ব্যস্ত। এখন কাদের বিশ্বাস করব এই দেশে! প্রমাণ তো বলছে সবকিছু সত্য বলছে। তবে আমি আবারো বলছি, এখানে সবাইকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে ছদ্মনামে নানা ধরনের ক্রাইম করার ঘটনা আমরা আগেও দেখেছি। কিন্তু এধরনের প্রতিষ্ঠান কখনও এভাবে যুক্ত হবে তা ভাবিনি। যে অসহায় নারীর কাছ থেকে ১,৬০,০০০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে সেই নারীর প্রতি আমাদের সমবেদনা। কারণ যারা তাকে রক্ষা করার কথা বলে তারা নিজেরাই চাদাবাজি করল। এর চাইতে লজ্জার আর কিই বা হতে পারে। ফেমিনিস্ট মুভমেন্টেকে এরা অযথাই কলঙ্কিত করছে আর কিছু না।

এছাড়া আর নানা ধরনের অভিযোগ অনেক জায়গার কমেন্ট সেকশন এবং ফেসবুক গ্রুপে এখন ভাইরাল। নানা ধরনের স্ক্রিনশট, ভিডিও এবং ফোনালাপ।

এই ইফ্রিত জাহান কুঞ্জের নামে আর যে অভিযোগগুলো অনলাইনে সবাই করছে সেগুলো হলো

  • মানুষের নামে ভুয়া নারী নির্যতন কেস করা বা কেস করার হুমকি দেয়া।
  • বড় বড় মন্ত্রী – মিনিস্টার বা সরকারী কর্মকর্তার নাম ভাঙিয়ে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা।
  • নিরীহ, নির্দোষ মানুষদের নামে অযথা পুলিশ কেইস করে হয়রানী করা।
  • চাঁদাবাজি করা যেটার প্রমাণ ইতিমধ্যে আপনারা পেয়েছেন।

সব কিছু এরকম খোলাখুলি অনলাইনে বিচরণ করছে কিন্তু প্রশাসন এখনও কোন একশন নিচ্ছে না কেন? এধরনের প্রতিষ্ঠান আর সেই এডমিনকে এখনও ধরা হচ্ছে না কেন? যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসবের সত্যতা যাচাই করা উচিত। সেই সাথে আমি ফুটপ্রিন্টের ইনবক্সে কিছু অডিও ফাইল এবং ভিডিও ফাইল এবং সেই সাথে কিছু ছবি পাঠাচ্ছি যেগুলো আমি ফেসবুকের নানা গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করেছি। খুঁজলে আপনারাও পাবেন। সেই সাথে আমি কয়েকজন ইউটিউবারকেও এসব ফুটেজ পাঠিয়ে দিচ্ছি। যদি তারা এগুলো নিয়ে কোন ক্রাইম ডকুমেন্টারি করতে চাই।

সেই অসহায় নারীর জন্য খুব খারাপ লাগছে। একজন নারী হয়ে কিভাবে আরেকজন নারীকে যিনি অলরেডি ভিক্টিম, তাকে ঠকাতে পারে কেউ। আসলেই, আমাদের সমাজ কোনদিকে যাচ্ছে। কোথায় যাচ্ছে আমাদের মানসিকতা বা বিবেগ।

যেসমস্ত প্রমাণগুলো এখন অনলাইনে ভাইরাল, তা নীচে দেয়া হলো

About The Author
Shadow of Life
Shadow of Life
I have decided to be an unknown Footprinter to hide my public identity with the permission from the Footprint Authority. Please don't ask me who I am as I am unable to answer that. I just want to write some of the stories of my life to make myself lighter. But I have to hide my identity as I am a Public Figure. Please don't guess who I am as well. Its a request. The Admin knows who I am and that's enough. All my post will be in UNPAID category as well as I don't want to earn money expressing my feelings.
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment