বাংলাদেশের ক্রিকেটে উন্নতির ইতিহাস

Please log in or register to like posts.
News

বাংলাদেশ বর্তমানে ক্রিকেটে ভালই উন্নতি করেছে। অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বর্তমানে খুব ভাল বল করছে। অন্য দিকে সাকিবের সাথে স্পিনার হিসাবে ভালই করছে মেহেদী মিরাজ।  টেষ্ট ক্রিকেট ভালই খেলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ তাই  অনকে খেলায় তার দুর্দান্ত ব্যাটং দেখে মুগ্ধ হতে হয়। যা হোক বাংলাদেশকে জিততে হলে যা করতে হবে বলি, বাজে শর্ট খেলা যাবে না, যার ফলে ক্যাচ আউটের সম্ভনা থাকে। ব্যাট করার সময় পার্টনারকে সাপোর্ট দিতে হবে এবং তাকে সতর্ক করতে হবে যেনো কোন অবস্থাতে দ্রুত রান করার জন্য অপজিট স্ট্যাম্প থেকে আগেই দৌড় না দেয়।

মেহেদী মিরাজ বলিং এর পাশাপাশি ব্যাটও ভালই করে।  খেলায় ভাগ্য ভাল ও হয় আবার খারাপও হয় সবারই  তবে  সবচেয়ে ভাল খেলে মুশিফিকুর রহিম এবং সে জিনিয়িাস একটি প্লেয়ার। মাঝমোঝে সাব্বির কোন একটি শর্টে ভুল করে বসে তবে বড় কথা হল  সে ভাল খেলে। অষ্ট্রেলিয়ার সাথে খেলায় দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বল কোথায় যায় না দেখেই দৌড়াতে শুরু করে কিন্তু বল গিয়ে ব্যাটিং স্ট্যাম্পের অপজিট স্ট্যাম্পে গিয়ে লাগে এবং সে আউট হয়। আউটটা দেখার মত। যা হোক বাংলাদেশ যা ভুল করেছে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাক তাই আমরা চাই। বাংলাদেশ অনেক কিছু ইতোমধ্যে শিখেছে এবং আরো শিখতে হবে। গতবারের খেলায়,   অষ্ট্রেলিয়া যখন ব্যাটিং শুরু করে তখন সৌভাগ্য জনক ভাবে একটি উইকেটও পেয়ে যায়  বাংলাদেশ । গুড জব বাংলাদেশ, মনে হচ্ছে বাংলাদেশ জিতবে।

মেহেদী ১ম বারের মত তখোনো মানে ডে ২ তেও  ভালই বল করছে। আউট হতে হতে হচ্ছে না। হঠাৎ দেখি সবাই খুব উচ্ছসিত, কি ব্যাপার দেখিতো। যা হোক দেখলাম অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দুই হাত দুইদিকে প্লেনের মতো দেখাতে দেখাতে সামনে দৌড়াচ্ছেন তার মানে বাংলাদেশ ২য় উইকেট শিকার করল, অজি ব্যাটস ম্যানদের হতাশ মনে হলো। বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার রান এসেছে মোট ২৮ এবং ২ টি উইকেট তাদের হারাতে হয়েছে। ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্মিথ খেলছেন। স্মিথ নতুন নেমেছে ব্যাটিং করার জন্য। মুশফিক একটি স্ট্যাম্প আউট করার সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে তা হয়ে উঠে নাই। ডেভিড ওয়ার্নার ভাল রান করতে পারেন । কাজেই বাংলাদেশের এখন টার্গেট ওয়ার্নারকে আউট করা।

যেটা অনেকটা কঠিন কাজ কারন অজিরা বাংলাদেশে বলিং কৌশল প্রায় বুঝে ফেলেছিল। অষ্ট্রেলিয়ার ৭ উইকেটের পতন হলেও ভয় আছে, কারন তারা যেকোন সময় দাবার গুটি পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।  সেটা ছিল তখনকার সময়ের বর্তমান চিত্র কিন্তু সে চিত্র বাংলাদেশের বোলাররা যেকোন সময় পরিবর্তন করতে পারে। টেষ্ট ক্রিকেটে রানের থেকে উইকেট এর গুরুত্ব অনেক বেশী। সেই দিনকার খেলা কোন দিকে গড়ায় সেটা বুঝা মুশbangladesh-england-pictured-rahman-celebrates-taking-teammates_a2f70eba-49b0-11e7-88f6-6a3facb665a5.jpgকিল তবে ওয়ার্নার যতক্ষন আছে ভয় তত বাড়ছে। অনেকটা ভয়ংকর হয়ে উঠছেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার ব্যাক্তিগত রান এখন ৫০।

মোস্তাফিজ মাঝে মাঝে ভাল খেলে । সে বল করছে কিন্তু কি কারনে যেন সেই সময়ে  কাজ হচ্ছিল না। আসলে তারও পারফরম্যান্স ততটা ভাল হচ্ছেল না যদিও পরের খেলায় সে ঘুরে দাড়ায়। বর্তমানে বাংলাদেশের যে কয় জন প্লেয়ার আছেন তার মধ্যে তামিম, সাকিব, সাব্বির এবং মুশফিক এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ তুলনামূলক ভাবে ভাল ব্যাট করে। শুধু তাই নয় তাদের এই সাহসীকতার কারনে অনেক সময় ম্যাচ ও জিতে যায়।

যাহোক আমি  আর্টিকেল লিখছি  ৩০ আগষ্ট ২০১৭ ইং সকাল ১০ঃ৩০ মিনিট এর সময়কার কথা।  ডেভিড ওয়ার্নার তখন ৯৯ রান করে ফেলেছে এবং স্মিথ করেছ ২৯ রান।  তার কিছুক্ষণ পরেই দেখি ওয়ার্নারের একটি চার এর মার এবং সাথে সাথে ওয়ার্নার লাফিয়ে উঠে হেলমেট খুলে এবং ব্যাট ঘুরিয়ে জানান দিল তার ১০৩ রান হয়েছে। আর তারা বুঝেছিল তাদের আর  হারানোর চিন্তা ও করতে পারবে না। অবশ্য তখনও বলা যাচ্ছিল না শেষ পর্যন্ত কি হয় এবং সিদ্ধান্ত হবে আসলে সেদিনের বাংলাদেশের বোলিং পারফরম্যান্সের উপর। সবার একটি জিনিস খেয়াল করছেন, সেই দিন  কিন্তু আকাশে আর মেঘ নেই। তার মানে বৃষ্টি হবে না। সেই  সকালে  আমরা দেখলাম আকাশে কটকটা রোদ।  প্রথম দিকে যেভাবে ভাবছিলাম বাংলাদেশ জিতবে কিন্তু এখন মনে হচ্ছে হারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ । ওয়ার্নার এবং স্মিথ দুরন্ত গতিতে ব্যাট চালাচ্ছেন।  মেহেদী মিরাজ চেষ্টা করছেন উইকেট নেয়ার কিন্তু সফল হতে পারছেন না। এর কারন হিসাবে আমার মনে হয় তারা আমাদের বোলিং কৌশল ধরে ফেলেছেন, তাই নতুন করে আর কোন ভুল তারা করছেন না। খুব সতর্ক হয়ে খেলছেন। সাকিবের বলে মুশফিক স্ট্যাম্প আউট করার চেষ্টা করছেন। কারন বাংলাদেশের বোলারদের এখন টার্গেট যেভাবে হোক উইকেট নেওয়া।

তাই তাদেরকে ভাল বোলিং করার পাশাপাশি স্ট্যাম্প আউট, ক্যাচ আউট, রান আউট ইত্যাদীতে মনোযোগ দিতে হবে। এই মাত্র ডেভিড ওয়ার্নার আউট হয়েছেন ১১২ রান করে। সাকিব আল হাসানের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হন। সেই দিনের খেলায় যদি অষ্ট্রেলিয়ার কয়েকটি উইকেট পড়ে যায় তাহলেই একমাত্র সম্ভব হতো বাংলাদেশের ম্যাচে ঘুরে দাড়ানোর এছাড়া সম্ভব না। যাহোক শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র হয়। দুই অধিনায়ক ট্রফি ভাগাভাগি করে নেন। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিততে পারে নি তবে বাংলাদেশ ভাল খেলে প্রথম বার জিতেছে এবং পরের বার হেরে খেলা ড্র হয়।

Reactions

0
0
0
0
0
0
Already reacted for this post.

Reactions

Nobody liked ?