কেইস স্টাডি

জীবনে সফল হওয়ার কৌশল

মানুষের জীবনে সময় অতী মূল্যবান তাই সময়ের সৎ ব্যাবহার করা প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর জন্য অপরিহার্য। একজন ভাল ছাত্র বা ছাত্রী হতে হলে প্রথমে একজন ভাল মানুষ হওয়া দরকার। ছাত্রছাত্রীদের উচিৎ সর্বদা সত্য কথা বলা, সৎ কাজ করা এবং অসৎ কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং সময়মত নামাজ কায়েম করা অপরিহার্য।

ছাত্রছাত্রীদের ভাল বন্ধু অতী জরুরী কারন একজন ভাল বন্ধু যেভাবে একজন ছাত্রকে প্রভাবিত করে একজন অভিভাবকও অনেকসময় তা পারে না। পড়াশুনার পাশাপাশি প্রথম থেকে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার যেমন প্রচুর পড়াশুনা করা, সময় অনুযায়ী সকল কাজ সম্পন্ন করা, বড়দের শ্রদ্ধা করা, ছোটদের স্নেহ করা, বড়দের কথা শোনা, ভাল কাজে আগ্রহী হওয়া, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং দুর্বলদের সাহায্যে এগিয়ে আসা।

রেজাল্ট খারাপ হয়েছে এই জন্য মন খারাপ না করে বরং ভাল করে পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়া দরকার। এবং যেই অংশটি আপনি বুঝতে পারছেন না যেই অংশটি অন্য কারো কাছ থেকে ভালকরে বুঝে নেওয়া দরকার।  এর পাশাপাশি শিক্ষকদের সহোযোগীতা নেওয়া অতী জরুরী। শিক্ষকদেরও উচিৎ যারা ভাল বুঝে তাদের জন্য সময় বরাদ্দ করার পাশাপাশি যারা কম বুঝে তাদেরকেও যথাসম্ভব সাহায্য করা।

অপরদিকে ছাত্রছাত্রীদের বয়স কম বিধায় খারাপ জিনিসের প্রতি আসক্তি হওয়ার সম্ভবনা থাকে তাই অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে। যখন একজন ছেলে বা মেয়ের টাকার দরকার হয় তখন অভিভাবকদের উচিৎ প্রয়োজনে টাকা দিয়ে সাহায্য করা। এবং কি কারনে টাকা দরকার সেই বিষয়টি জানা। এছাড়া পড়াশুনা চলাকালীন তার হাত খরচ দিতে হবে। অনেক সময় ছোট ছেলে মেয়ে কিছু কিনতে চাইলে অভিভাবকরা এড়িয়ে চলেন এটা ঠিক না বরং যতদুর সম্ভব তাকে কমের মধ্যে কিছু কিনে সান্তনা দেওয়া উচিৎ তানাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে এবং   সন্তুানেরা বিপথে যেতে পারে তাই সময় থাকতেই সাবধান।

মাঝে মাঝে ছেলে মেয়েদের শাসন করাও দরকার কারন তারা বুঝে না। না বুঝে বোকার মত একটি কাজ করে বসে। তারা গেমস খেলতে চায়, গান দেখতে চায়, গান শুনতে চায়, বাহিরে বেরাতে যেতে চায়, মোবাইলে বন্ধুর সাথে কথা বলতে চায়, সিনেমা দেখতে চায়, ইন্টারনেটে ইউটিউব ভিডিও দেখতে চায়, নাটক দেখতে চায়, মারামারি করতে চায় ইত্যাদি আরো কত কিছু যে করতে চায় তা বলে বুঝানো যাবে না।  সবকিছুর জন্য একটি সময় বেঁধে দিন যেমন তুমি বিকাল বেলায় বন্ধুদের সাথে খেলতে পারবে কিন্তু সন্ধ্যার সময় পড়তে বসতে হবে। আবার অনেকের দুপুরে না ঘুমালে রাতে পড়তে পারে না তবে বেশী রাত জাগা উচিৎ না। বেশিী রাত জাগলে একজন ছাত্র বা ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার স্বরনশক্তি লোপ পেতে থাকে। তাই রাত ১২ টার আগে বিছানায় যাওয়া অতী জরুরী একটি বিষয়। সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়লে পড়াটা মনে থাকে। তাই কেউ যদি ১০ টায় ঘুমিয়ে ৫ টায় উঠে পড়তে পারে তাহলে খুব ভাল হয়। তবে অনেকে আছে রাত ১০ টায় ঘুমালেও সকাল ৮ টার আগে ঘুম থেকে উঠতে পারে না, এটা ঠিক নয়।

ছাত্রছাত্রীদের বেশী জোরে না পড়ে মিডিয়াম আওয়াজে পড়াশুনা করার অভ্যাস গড়ে তোলা দরকার। কারন বেশী জোরে পড়াশুনা করলে ব্রেনের উপরে বেশী চাপ পড়ে এবং আসে পাশের লোকজন বিরক্ত হয়। বেশীক্ষন কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকলেও চোখের উপর চাপ পড়ে এবং পরিশেষে চশমা ব্যাবহার করতে হতে পারে। এমনকি অতিরিক্ত চাপে ছাত্রছাত্রীদের চোখও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই সময় থাকতেই সাবধান হতে হবে। খারাপ কাজের প্রতি আসক্তি পরিত্যাগ করতে হবে।

পরীক্ষার জন্য ছাত্রছাত্রীদের রুটিন মাফিক পড়াশুনা করা উচিৎ। এর পাশাপাশি প্রতিদিন কি কাজ বা পড়াশুনা করবে তার একটি রুটিন করে সেই অনুযায়ী কাজ করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। যেমনঃ সকালে ইংরেজী গ্রামার পড়বো, বিকালে কম্পিউটারে কাজ করব বা বাংলা টাইপ শিখব, রাতে অংকের ২ নম্বর অধ্যায় রিভাইজ দিব ইত্যাদী।

Success-Story-Bjpg-816x459.jpg

ছাত্রছাত্রীদের মোবাইলে বেশীক্ষণ কথা বলা উচিৎ না বরং তারা গ্রুপ গ্রুপ করে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারে।কয়েকজন ভাল ছাত্র বা ছাত্রী মিলে পড়াশুনা করলে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে তবে কোন আড্ডাবাজি চলবে না পড়ার সময় শুধু পড়াশুনা চালিয়ে যেতে হবে। শিক্ষকদের সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজন হলে তা জরুরী ভিত্তিতে করা উচিৎ কারন একজন শিক্ষক যেভাবে বুঝাতে পারবেন অন্য কেউ সেভাবে নাও বুঝাতে পারেন। তবে হাল ছেড়ে দেওয়া উচিৎ হবে না সবসময় চেষ্টা করে যেতে হবে। চেষ্টা করলে সোনার হরিণ একদিন না একদিন ধরা পড়বেই।

পরিশ্রম করতে হবে বুঝেশুনে অর্থ্যাৎ না বুজে তোতা পাখির মত মুখস্থ করলেও তেমন কাজ হবে না প্রতিটি জিনিস সম্পূর্নভাবে বুঝতে হবে তবেই সফলতা আসবে। ভাল নোট সংগ্রহ করতে হবে। সমসময় অভিভাবকদের সাথে কথা বলতে হবে এবং নানা বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। কোন কিছু না বুঝলে শিক্ষকদের কাছে বারবার জিজ্ঞাসা করতে হবে এবং পড়া আদায় করে নিতে হবে। কোচিং এ না বুঝলে বাসায় শিক্ষক রেখে বুঝতে হবে। এই বিষয়ে অভিভাবকদের এগিয়ে আসা দরকার। তবে বেশী চাপ দেওয়া উচিৎ হবে না। অভিভাবকরা যতই চাপ দিক না কেন ছাত্র কতটুকু বুঝল সেটা হচ্ছে আসল বিষয়।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

বাসে বা ট্রেনে কোন কিছু খাওয়ার আগে সতর্ক বার্তা, সাবধান বন্ধু সাবধান নচেৎ মৃত্যু অবধারিত

Muhammad Uddin

প্রসংগ: লেনদেনের মাধ্যম-কারেন্সী ।

Md Salman Arefin Shimun

আমি পতিতা বলছি । শেষ পর্ব

Rohit Khan fzs

1 comment


Warning: trim() expects parameter 1 to be string, object given in /nfs/c12/h08/mnt/215533/domains/footprint.press/html/wp-includes/class-wp-user.php on line 208

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, object given in /nfs/c12/h08/mnt/215533/domains/footprint.press/html/wp-includes/class-wp-user.php on line 208

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, object given in /nfs/c12/h08/mnt/215533/domains/footprint.press/html/wp-includes/class-wp-user.php on line 208

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, object given in /nfs/c12/h08/mnt/215533/domains/footprint.press/html/wp-includes/class-wp-user.php on line 208
Footprint Police October 23, 2017 at 1:04 am

Spelling Error. Please transfer into unpaid category.

Login

Do not have an account ? Register here
X

Register

%d bloggers like this: