Now Reading
বিশ্বের ১০৭ দেশে বাংলাদেশের তৈরী খেলনা ! ! !



বিশ্বের ১০৭ দেশে বাংলাদেশের তৈরী খেলনা ! ! !

শৈশব কালে প্রতিটা শিশুরই ঝোঁক থাকে খেলাধুলার প্রতি। আপনার শিশু সন্তান যখন খেলনা এর জন্য বায়না করে তখন আপনি এবাক্যাস ফ্রেম, বারবি ডল বা বিভিন্ন ধরনের এনিমেল ডল কিনে দেন। আপনি অবশ্যই চান আপনার শিশুর খেলনা তার মেধা বিকাশে যেন গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে। সেজন্যই আপনি চান তার চাহিদা মোতাবেক বাজারের সেরা মান সম্পন্ন খেলনা টা যেন তার হাতে থাকুক। তাই প্রতিটি অভিভাবকের প্রথম চাহিদা থাকে বিদেশি খেলনাগুলো যেগুলো দেশীয় খেলনাগুলো থেকে বেশি মানসম্পন্ন।

বিশ্বের খেলনা বাজার মার্কেটে অন্যতম প্রধান রপ্তানী কারন হলো চাইনিজরা। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই মার্কেটে নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। প্রোডাক্ট কোয়ালিটি ভাল বলে তাদের তৈরীকৃত খেলনার চাহিদাও অনেক বেশী। সারা বিশ্বে ২০১৬-১৭ সালে ৮৭.৪ বিলিয়ন ইউ এস ডলার মুল্যমানের খেলনা বিক্রি হয়েছে আর চাহিদা ছিল প্রায় ৯০ বিলিয়ন ইউ এস ডলারের বেশি।

আপনি জানেন কি এখন বাংলাদেশে তৈরী হচ্ছে বিশ্বমানের খেলনা যা বিশ্বের উন্নত দেশ গুলোতে রপ্তানী করা হচ্ছে? জ্বী হ্যা, বাংলাদেশ সত্যিই বিশ্বমার্কেটে এগিয়ে নিজের অবস্থান তৈরী করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং এই লক্ষ্য অর্জনে অনেক বড় ভুমিকা পালন করছে চট্টগ্রামের গোল্ডেন সন লিমিটেড। তাদের তৈরী খেলনা উন্নত বিশ্বের মোট ১০৭ টি দেশে রপ্তানী করা হচ্ছে। যখন আমরা মেইড ইন চায়না লেখা খেলনা কিনে দিচ্ছি আমাদের শিশুদের তখন উন্নত বিশ্বের অভিভাবকেরা তাদের সন্তানের হাতে তুলে দিচ্ছে মেইড ইন বাংলাদেশ লেখা খেলনা।

ভাবতেই গর্বোবোধ হয় , তাইনা? জ্বী গর্ব করার মতই ব্যাপার।

গোল্ডেন সন প্লাস্টিক , ইলেকট্রিক, ফেব্রিক – নানা ধরনের খেলনা উৎপাদন যা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটা ধাপ তাদের কারখানাতেই সম্পন্ন হয়। কাঁচামাল আমদানি করে একদম স্ক্র্যাচ থেকে ফিনিশিং লাইন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরের কাজ তাদের ফ্যাক্টরিতে করা হয়। একদম ১০০% মেইড ইন বাংলাদেশ।

শুধু গর্বের কথা না, আমদের রপ্তানী খাতেও গত অর্থ বছরে খেলনা রপ্তানী করে আয়ের মুল্যমান ২.২ মিলিয়ন ইউ এস ডলার। যদি সরকারের সু- নজর এবং সবার সহযোগিতা পাওয়া যায় তাহলে একদিন বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরী করা খেলনা অনেক শক্ত অবস্থান গড়ে নিবে ।

এটি নিয়ে নাহিদরেইন্স এর তৈরি করা একটি ভিডিও রয়েছে। ভিডিওটি দেখুন নিচে –

About The Author
Footprint Editorial
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment