• Home
  • অন্যান্য (U P)
  • এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তার প্রবাসী ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
অন্যান্য (U P)

এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তার প্রবাসী ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা কর্মকর্তার প্রবাসী ভাইয়ের কাছে, ক্ষমা চাওয়া উচিত।

বাংলাদেশ খুব ধীর গতিতে হলেও কিছুটা অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছে। সেই অগ্রগতির পুরো কৃতিত্ব কিন্তু বেসরকারী উদ্দ্যাগের তথা প্রবাসীদের। সরকারের এই উন্নতির পিছনে প্রত্যক্ষ তেমন কোন ভুমিকা নেই। সত্যি বলতে কি? আমাদের দেশের সরকারের নীতি নির্ধারকরা যদি দুরদর্শী হতেন। বা তারা যদি দক্ষ এবং সৎ হতেন?তাহলে দেশ আরোও বেশী লক্ষণীয় উন্নতি করতে সক্ষম হতো। স্বাধীনতার প্রায় ৪৫ বছর মোটামুটি একটা লম্বা সময়। এই সময়ের ভিতরে, উন্নতি না করতে পারাটা,আমাদের জাতি হিসেবে, খুবই দু:খ করার অবকাশ আছে। কারণ আমাদের দেশের সরকার গুলো দেশের উন্নয়নের কথা বলে, বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ঋন নেন। সেই টাকা পরিশোধ করার দায়িত্ব আমাদের সকল মানুষের উপরে পড়ে। আমরা যদি মালয়েশিয়া বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে আমাদের উন্নতির কথা তুলনা করি। তাহলে দেখতে পাবো। তাদের এই স্বল্প সময়ে অভাবনীয় উন্নতির পিছনে রয়েছে, সেই সব দেশের সরকারের গতিশীল নেতৃত্ব। আমাদের অত্যন্ত দুর্ভাগ যে, আমরা খুব ভালো কোন দায়িত্বশীল ও স্থিতিশীল সরকার পাইনি। যার নেতৃত্বে আমরা উন্নতির অভীষ্ট লক্ষ্যে আরোহন করতে সক্ষম হতে পারতাম। তবে, আমাদের সরকারের ব্যাবস্থাপনা যতোই অগোছালোই হোক না কেন? আমাদের পরিশ্রমী জনগণ তো আর পরিকল্পনাহীন ভাবে বসে থাকতে পারে না। তাই তো আমরা দেখতে পাই। আমাদের বিপুল জনসংখ্যার প্রায় ১ কোটি লোক প্রবাস জীবন বেছে নিয়েছেন। সেই ১৯৭৬ সাল থেকে প্রথম সৌদি আরবে লোক যাওয়া শুরু। এর পর থেকে আর থেমে নেই। বর্তমানে একক দেশ হিসেবে, শুধু সৌদি আরবেই বাংলাদেশী রয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ। যেইটা একক কোন দেশে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশীদের অবস্থান। আর লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো, সৌদি আরব বা মধ্য প্রাচ্যের অন্যান্য দেশ যেমন, ইউনাইটেড আরব আমিরাত,কুয়েত, কাতার ইত্যাদি দেশ, কখনো কোন বিদেশী লোককে স্থায়ী ভাবে বসবাসের অনুমতি দেয় না। যার কারনে, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীরা, সেসব দেশে কোন টাকা বিনিয়োগ না করে, সেসব দেশে উপার্জিত সকল অর্থই বাংলাদেশে পাঠিয়ে থাকেন। সেই কারণেই দেখা যায়,মধ্য প্রাচ্য থেকে বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশী রেমিটেন্স আসে। তাদের পাঠানো টাকা বাংলাদেশ সরকারের বাজেট তৈরীর একটা বড় অংশ জোগান দিয়ে থাকে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স ই আমাদের ইকোনোমির মূল বিত্তি। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যে প্রবাসী ভাইদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পাঠানো টাকার মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। সরকারের কিছু অসাধু কর্মচারী আছেন, যাদের বেতন ভাতা, বোনাস সব কিছুই যোগান আসে প্রবাসী ভাইদের পাঠানো ডলারের কারণে, সেই প্রবাসী ভাইদের তারা মনে করেন, তাদের শিকার হিসেবে? তাদেরকে নানান ভাবে হেনস্থা করে, পয়সা উপার্জনের ধান্ধা করেন। আমাদের প্রতিটি প্রবাসী ভাই হলেন স্বার্নের ডিম পাড়া হাঁসের মতো। অথচ আমাদের অভাগা দেশ, সেই স্বার্নের ডিম পাড়া হাঁস কে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে গালি দেই। অযোগ্য লোক বলে হেয় প্রতিপন্ন করি। আমরা যথাযথ ভাবে তাদের মূল্যায়ন করি না। এয়ারপোর্টে আসতে,যেতে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করি। আমরা একবারও নিজের মনে এমন চিন্তা আনয়ন করি না। আমি যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হয়ে, এই কথা বলতেছি, আমার বেতন, বোনাস এবং ভাতা এসব কোথা থেকে আসে? আমাদের দেশের কিছু কিছু সরকারী কর্মচারী ভাইরা, নিজেদেরকে কি যে মনে করেন? আল্লাহ সোবহান আল্লাহ তায়ালাই ভালো বলতে পারবেন? তবে তারা যে ধরনের বা যে মানের সেবা জনগণকে প্রদান করে, চাকুরীতে বহাল তবিয়তে আসীন থাকেন। তা দেখে অবাক না হয়ে পারা যায় না। কিন্তু বাস্তব সত্যি হলো, এই মানের সার্ভিস প্রদান করে, বাংলাদেশের মতো, দেশে ছাড়া পৃথিবীর কোন দেশে এদের চাকুরী হবে না। এইটা আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারবো। প্রবাসে আমাদের যে সকল ভাই কাজ করেন। তারা সবাই পরিশ্রমী। তাদের অনেকের বেতন আর যোগ্যতা এতোটাই উপরে, তারা প্রতিমাসে যেই পরিমান বেতন পান, সেই পরিমান টাকা বেতন হিসেবে,আমাদের সরকার প্রধান দুই-চার মাসেও পান না। অতি সম্প্রতি ঢাকা বিমান বন্দরে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকতার দৃস্টিকটু মন্তব্য, আমাকে খুব কস্টো দিয়েছে। তিনি নিজেকে কি মনে করেন? সেইটা আমরা জানতে চাই না। তবে তাকে আমরা যেটা ভাবী, তিনি হলেন আমাদের ১৬ কোটি মানুষের চাকর। কারণ তাদের কাজঁই হলো জনগণের সেবা প্রদান করা। যিনি আমাদের সোনার ডিম পাড়া হাঁসের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন? তিনি নিজে দেশের অন্ন ধ্বংস করা ছাড়া, কয় টাকার ফরেন কারেন্সি দেশে আনতে সক্ষম হয়েছেন? অথচ তিনি নিজের লাজ লজ্জার কঁথা মাথায় না এনে, কিভাবে?আমাদের প্রবাসী ভাইয়ের সমালোচনা করেন? একজন প্রবাসী সাধারণ শ্রমিক দেশের অর্থনীতিতে যে ভুমিকা রাখেন। সেই ভুমিকা আমাদের দেশের খুব কম সরকারী কর্মচারীই পালন করেন। আমি এখানে প্রবাসে অপেক্ষাকৃত অল্প শিক্ষিত বা মধ্যম শিক্ষিত লোকেদের তাদের ভুমিকা পালনের জন্য। ধন্যবাদ দেই। কারণ যারা অপেক্ষাকৃত বেশী আয় করেন এবং নিজের ফ্যামিলি নিয়ে বিদেশে থাকেন, তারা তাদের পুরো টাকাটা নিজ দেশে পাঠান না। বা পাঠাতে পারেন না। অথচ যারা কম টাকা আয় করেন, বা নিজ পরিবার নিয়ে বিদেশে থাকেন না। তারা তাদের আয়ের বেশীর ভাগ টাকাই নিজ দেশে পাঠান। তাই সেই স্বর্নের ডিম পাড়া হাঁসের অধিকারটা বা সম্মানটা, নিশ্চয় একজন ধনী স্থায়ী ভাবে প্রবাসে থাকা প্রবাসীর চেয়ে বেশী হওয়া দরকার।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

ইয়োরু-সান নি তোদোকে অথবা রাত্রিনামা

রাফাত

সরকারী পদে বা কাজে সাজা প্রাপ্তদের সুযোগ না দেওয়া।

Mohammad Abubakker Mollah

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের প্যাটার্ন লক ভুলে গেলে যেভাবে খুলবেন

Md. Shakil Hossain

Login

Do not have an account ? Register here
X

Register

%d bloggers like this: