Now Reading
আবারো জেলে ঢুকছেন সুপারস্টার সালমান



আবারো জেলে ঢুকছেন সুপারস্টার সালমান

বিপন্ন প্রজাতির হরিণ শিকারের একটা মারাত্মক অভিযোগে ৫বছরের জেল হয়ে গেল বলিউড সুপার স্টার সালমান খানের। ১৯৯৮ সালে দুটি কৃষ্ণসার প্রজাতির হরিণ ‘ব্ল্যাকবাক ও চিনকারা’ শিকার মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দিয়েছে ভারতের একটি আদালত, একই সঙ্গে দশ হাজার রুপিও জরিমানা করা হয়েছে তাকে। মামলার রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাকে জেলে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সালমানের আপিল করার সুযোগ থাকলেও তাকে অন্তত পাঁচদিন জেলে থাকতে হবে, এমনটাই সংবাদ মাধ্যমে শুনা যাচ্ছে। বিশ বছর পূর্বের পুরনো এই মামলার রায় দিয়েছেন যোধপুরের ডিসট্রিক্ট প্রিজাইডিং অফিসার দেবকুমার খাত্রী। মামলার অপরাপর আসামী বলিউড তারকা সাইফ আলী খান, সোনালি বান্দ্রে, নিলম ও টাবুকে খালাস দিয়েছে আদালত। আদেশ দেয়ার সময় আদালতে তারা স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন। এ মামলার আরও দুজন অভিযুক্ত হচ্ছে,  ট্রাভেল এজেন্ট দশায়ন্ত সিং ও সালমানের দেহরক্ষী দিনেশ গাউরে। তাদের মধ্যে গাউরে এখনো পলাতক।

১৯৯৮ সালে ভারতের যোধপুরে একটি হিন্দি ছবির শুটিং চলাকালীন সময় কানকানি গ্রামে দুটি বিরল প্রজাতির হরিণ শিকার করেছেন বলে মারাত্মক অভিযোগ আছে সালমান খানের বিরুদ্ধে। বাকী অভিযুক্ত অভিনেতা অভিনেত্রীরা তার সাথে ছিল। সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগটি ছিল, তিনি লাইসেন্সবিহীন অস্ত্র বহন করেছেন এবং তা দিয়ে হরিণ শিকার করেছেন। বিপন্ন চিংকার শিকার ভারতে পুরোপুরি নিষিদ্ধ। ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে বিষ্ণু সম্প্রদায়ের মানুষ সালমান খান সহ তার শুটিং ইউনিটের আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুটি কৃষ্ণ হরিণ হত্যার অভিযোগে মামলা করে। এমনকি ২০বছর পর্যন্ত এই মামলার পেছনে তারা ক্রমাগত লেগে ছিল। 

তবে ৫২ বছর বয়সী সালমান শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এ মামলা থেকে অব্যহতি চেয়েছেন, তিনি দাবী করেছেন হরিণ দুটি প্রাকৃতিক কারণেই মারা গেছে। এর পূর্বে যোধপুরের আদালতের দেয়া ১০২ পাতার দীর্ঘ রায়ে তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট শক্তিশালী সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে তাকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছিল। তার ভক্তরাও বিশ্বাস করেছেন, বিপন্ন ব্ল্যাকবাক শিকারের মামলায় শেষ পর্যন্ত হয়ত তার কোনও সাজাই হবে না। কিন্তু সবকিছুকে মিথ্যে প্রমাণ করে দিয়ে সালমানের জেল-জরিমানা হয়েই গেল, যদিও আপিলের সুযোগ থাকছে তার।

 

About The Author
MP Comrade
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment