প্রযুক্তি বাংলাদেশ পজিটিভ

আধুনিক ই-পাসপোর্টের নব যুগে বাংলাদেশ

২০১৮ এর জুলাই মাস থেকেই বাংলাদেশে চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট। শক্তিশালী একটি ‘চিপ’ এর মাধম্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ই-পাসপোর্টটি সহজ করে দেবে বিশ্বভ্রমণ। এই ইপাসপোর্টের আরেক নাম বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট যাতে নিরাপত্তা চিহ্ন হিসেবে যুক্ত থাকবে আঙুলের ছাপের পাশাপাশি চোখের মণির ছবিও। এটি দেখতে অনেকটা এটিএম কার্ড এর মতই হবে আর এতে থাকা চিপসে সন্নিবেশিত থাকবে পাসপোর্টধারীর পাসপোর্টধারীর সকল তথ্য। ইপাসপোর্ট চালু হলে পাসপোর্টধারীদের কঠিন হয়ে পরবে তার পরিচয় গোপন করা, সুযোগ থাকবেনা জালিয়াতির। আধুনিক প্রযুক্তির এই ই-পাসপোর্ট চালু রয়েছে বিশ্বের ১১৮টি দেশে, আর ১১৯ নম্বর দেশ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ।

২০১৬ সালে এমআরপির পাশাপাশি ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান সরকার। আর সেই মোতাবেক ইপাসপোর্ট কার্যক্রমের দিকে এগুচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ই-পাসপোর্টের নমুনা কপি (Specimen copy)’র অনুমোদন দিয়েছেন। ই-পাসপোর্টের যুগে ঢুকে পড়া নিঃসন্দেহে এগিয়ে রাখবে বাংলাদেশকে। জার্মানির একটি কোম্পানির সঙ্গে এরইমধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। জার্মানির প্রযুক্তিতে জিটুজির মাধ্যমে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট হবে।  এই পরিষেবা চালু হলে বাংলাদেশ ঢুকে পড়বে নতুন যুগে। প্রতিটি ইমিগ্রেশন ষ্টেশনে ই-গেট স্থাপন করা হবে যাতে ই-পাসপোর্টধারী ব্যক্তি লাইনে না দাঁড়িয়েই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমিগ্রেশন শেষ করতে পারেন। বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্নকালে কেবল পাসপোর্ট নম্বর বললেই তা হয়ে যাবে। এতে সময়ের সাশ্রয় ঘটবে এবং ভোগান্তিও কমে যাবে পুরোপুরি।  ই-পাসপোর্ট চালু হলে সাথে করে এমআরপি পাসপোর্ট বহন করা লাগবে না অথবা বিদেশে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলেও বিড়ম্ভনার শিকার হতে হবে না।

বর্তমানে দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ব্যাবহার করছেন। আর প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজারের মত আবেদন জমা পড়ছে এমআরপি এর জন্য। চাহিদার এই বিশালত্বকে সামাল দিতে এবং দ্রুত করতে ইপাসপোর্ট কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সরকার, নতুন এই পাসপোর্ট সেবা চালু হলে এর মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চালু হওয়ার পর কেউ এমআরপি পাসপোর্ট রিনিউ করতে গেলেই ই-পাসপোর্ট এর আওতাভুক্ত হবেন । অর্থাৎ তাকে ইপাসপোর্ট প্রদান করা হবে। বর্তমানে পাঁচ বছর মেয়াদে সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট এর বিপরীতে তিন ৩,৪৫০ ও ৬,৯০০ টাকা ফি দিতে হয়।

আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদিচ্ছায় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বাংলাদেশে এগিয়ে যাবে বিশ্বের উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন “সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মা”

MP Comrade

আসছে “অ্যান্ড্রয়েড ও”।কি থাকছে নতুন এই আপগ্রেডে?

Abdul Mueez

ডার্ক ওয়েব: ইন্টারনেটের নিষিদ্ধ জগত!! (পর্ব-১) ডার্ক ওয়েব কি?

Kanij Sharmin

Login

Do not have an account ? Register here
X

Register

%d bloggers like this: