আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নেতৃত্ব পরিবর্তন অতঃপর নতুন মোড়কে কিউবা

কিউবার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে মনোনীত হলেন দিয়াজ কানেল। তিনি রাউল কাস্ত্রোর ঘনিষ্টজন বা ডান হাত হিসেবেই পরিচিত। ৮৬ বছর বয়সে অবসরে যাচ্ছেন রাউল কাস্ত্রো তাই তাঁর ঘনিষ্টজন বা ডান হাত হিসেবেই পরিচিত এই দিয়াজ কানেল এর উপর ভরসা করছেন তিনি। ২০০৮ সালে কিউবার দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন রাউল। আর এবার সে রীতি ভাঙছে বলা যায়, বেশ কয়েক যুগ পর নতুন নেতৃত্ব আসছে কমিউনিস্ট শাসিত কিউবায় যা ফিদেল কাস্ত্রো পরিবারের বাইরের কেউ।

FIDEL CASTRO: DEC. 2, 1976 – FEB. 24, 2008

১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে কিউবায় বিপ্লব সংগঠিত হয় । ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে একদলীয় শাসন ব্যাবস্থা প্রবর্তনের মাধম্যে পশ্চিমা প্রথম কম্যুনিস্ট দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে কিউবা। তাঁর শারিরীক অসুস্থতায় এক দশক আগেই ক্ষমতা হস্তান্তর করেন ছোট ভাই রাউল কাস্ত্রোর হাতে।

RAÚL CASTRO: FEB. 24, 2008 – FEB. 24, 2018

এবার রাউল কাস্ত্রোও অবসরে গেলেন তাঁর বিশ্বস্ত দিয়াজ কানেলকে স্থলাভিষিক্ত করে। নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কানেলকে অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পার্লমেন্ট।

নতুন প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল ২০১৩ সাল থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাউল কাস্ত্রো এখন তাঁর হাতে নেতৃত্ব হস্তান্তর করে নিশ্চিন্ত হতে চাইছেন। কাস্ত্রো পরিবারের বাইরের নেতৃত্বের কিউবা কিভাবে এগুবে, তা নিয়ে এখন অনেক আলোচনা রয়েছে। রাউল কাস্ত্রো প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কিউবার বৈরি সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করেছিলেন। এখন দেখার পালা কিউবার নতুন প্রেসিডেন্ট সে সম্পর্ক কত দূর এগিয়ে নিতে পারেন। ৫৭ বছর বয়সী মিগুয়েল দিয়াজ কানেল এর উদারপন্থী হিসেবে বেশ পরিচিতি আছে। দ্বীপরাষ্ট্রটির আধুনিকায়নের পক্ষে তাঁর সরব অবস্থান লক্ষণীয়। দিয়াজ কানেলের রাজনৈতিক মতাদর্শ কী, তা এখনো ধোঁয়াশার মধ্যেই রয়েছে। তিনি কিউবায় ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও নিজেকে সেভাবে কখনো প্রকাশ করেননি। বিশ বছর পূর্বে কিউবার কমিউনিস্ট পার্টির যুব সংগঠনের মাধ্যমে রাজনীতিতে যুক্ত হন। কিউবার অন্যতম প্রধান মিত্র সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ৯০ এর দশকে কিউবার অর্থনৈতিক সংকটকালে ভিলা ক্লারা অঞ্চলের পার্টিপ্রধান নির্বাচিত হন দিয়াজ।

MIGUEL DÍAZ-CANEL: FEB. 24, 2018

ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে তিনি দেশের ভিতরে বেশ কিছু সংস্কার কর্যক্রম শুরু করেছিলেন। নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দেশটির নাগরিকদের অনেকের শংকা আছে। তবে নতুন নেতৃত্বের মাধম্যে ক্যারিবীয় দেশটি যে একদলীয় শাসন থেকে বেরিয়ে আসবে, এমনটা হয়ত কেউ ভাববেননা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন-  কিউবা হয়ত একদলীয় গণতন্ত্রের পথে হাটতে পারে। আলোচনায় কেন্দবিন্দুতে আছে যে, নতুন নেতৃত্বের উপর রাউল কাস্ত্রোর সম্পূর্ণ প্রভাব থাকবে। কেননা রাউল কাস্ত্রো প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়লেও কিউবার ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টিতে তাদের প্রভাব আগের মতই বহাল থাকবে।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

শেষ পর্যন্ত পর্ন তারকার পিছনে টাকা খরচের কথা স্বীকার করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

MP Comrade

সিরিয়ায় খেল দেখাল আমেরিকা

MP Comrade

যুদ্ধে রাশিয়াকে প্রস্তুত থাকার চ্যালেঞ্জ আমেরিকার

MP Comrade

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy