Now Reading
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৯টি ক্যাটাগরিতে কর্মী নিয়োগ



সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৯টি ক্যাটাগরিতে কর্মী নিয়োগ

বাংলাদেশ থেকে ১৯ টি ক্যাটাগরিতে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে দুবাইয়ে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে । বিগত কয়েক মাসের আলাপ আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের আন্ডার সেক্রেটারী সাইফ আহমেদ আল সুআইদি। স্বাক্ষরের পরবর্তী সমঝোতা স্মারকটি কার্যকর হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।

দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের দফতরেই এই সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করে উভয় দেশের আগ্রহও সম্মতির ভিত্তিতে তা স্বাক্ষরিত হয়। সমঝোতা স্মারকটি সুষ্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উভয় দেশের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি জয়েন্ট কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে যাতে কমিটির সদস্যদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব প্রদানের কথা উল্ল্যেখ আছে। এ সমঝোতা স্মারকটির উন্মোচনের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কন্নোয়ন সহ সেখানে শ্রমিক বা কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হতে যাচ্ছে।

এখন থেকে সমঝোতা স্মারক এর চুক্তিনুযায়ি বাংলাদেশ থেকে ১৯টি ক্যাটাগরিতে কর্মী নিয়োগ, পদ্ধতি, রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি ও উভয় দেশের সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য, এমপ্লয়ারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, কর্মীদের অধিকার, সুযোগ সুবিধা, নিয়োগ চুক্তির বিধান ও পৃথক একটি বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাসহ বিবিধ উল্লেখ আছে।

শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার্থে ২০১৭ সালে কার্যকর হওয়া আইন মোতাবেক সমঝোতা স্মারকটিতে শ্রমিক, মালিক ও উভয় দেশের সরকারের দায়িত্ব এর ব্যাপারে উল্ল্যেখ আছে । তাই উক্ত আইনের আলোকেই শ্রমিকদের নিরাপদ, সুশৃংখল ও দায়িত্বশীল শ্রম অভিবাসনের লক্ষ্য অর্জনের বিষয়ের কথা বিবেচনায় রেখে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।

তবে তুলনামূলক কম বেতনের চাকরী গুলাতেই এ নীতি কার্যকর হবে। এই ১৯টি ক্যাটাগরির চাকরীতে বেতন  সাধারণত ৭০০– ১০০০ দিরহাম হয়ে থাকে এবং এসব চাকরীও খুব একটা সম্মানজনক নয়। বর্তমানে যারা নির্দিষ্ট চাকরীর ভিসায় রয়েছেন তাদের ভাল জায়গায় কাজ করার সুযোগ থাকলেও ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় তারা অল্প বেতনের চাকরী করছেন। সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশীদের দাবী-  সংযুক্ত আরব আমিরাতে ট্যাকনিকেল কাজ জানা ব্যক্তিদের প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সেই ভিষাগুলা চালু করতে সরকার খুব একটা উদ্দ্যেগী নয়। তারা আশা করছেন সরকার যেন সেসব ভিসার বন্দনীতি তুলে নিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

About The Author
MP Comrade
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment