কারেন্ট ইস্যু

জঙ্গি দমন পরবর্তী মাদক নির্মূলেও কঠোর হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জঙ্গি দমনের পর সরকার তথা রাষ্ট্র এবার মনযোগী হয়েছে মাদক নির্মূলে। এ বছর অন্তত তিনটি বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর মাদকের শিকড় উপড়ে ফেলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্তা ব্যাক্তিগণ।

গণভবনের এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন “আমরা যেমন জঙ্গিবাদকে দমন করেছি। আমরা অঙ্গীকার করেছি, এই মাদক থেকে দেশকে উদ্ধার করব।” তিনি আরো বলেছেন, “আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করছেন যে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। মাদকের জন্য একেকটা পরিবার যে কষ্ট পায়, যেভাবে একেকটা পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়…। কাজেই এবার মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান। আমরা সমস্ত আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং র‌্যাবকে আমরা বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছি। যেখানেই মাদক, সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সেই কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখবে, সুন্দর জীবন পাবে, সুন্দরভাবে বাঁচবে। তারা কেন বিপথে গিয়ে নিজের জীবন ও পরিবারকে ধ্বংস করবে?”

সমাজের বিভিন্ন স্তরে মাদক এর ছোবল গ্রাস করে নিয়ে গেঁড়ে বসেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে বলা হচ্ছে। সম্প্রতি র‌্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে র‌্যাব ও পুলিশের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এই অভিযানে গত ১মাসে নিহতের সংখ্যা ১০০ এরও অধিক ছাড়িয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাষ্যতে বন্দুকযুদ্ধে এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন নিহত হয়েছে তার কোন হিসেব নেই। এসব অভিযানে বিভিন্ন পরিমাণে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের কথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে। পুলিশ এবং র‍্যাব সূত্রগুলো বলছে,তারা তাদের স্ব স্ব বাহিনীর তালিকা নিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু অন্য আরেকটি সূত্র বলছে সমন্বিত তালিকার মাধ্যমেই অভিযান চলছে। এদিকে মাদক বিরোধী যুদ্ধে বিনা বিচারে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো তাদের পক্ষ সমর্থন করে বলছে মাদক ব্যবসায়িদের প্রতিরোধের মুখেই কেবল তারা অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। তাছাড়া যেসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ আছে। বাংলাদেশ সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যেকোন মূল্যেই মাদকের উৎসকে উৎপাটন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

অন্যদিকে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দফতর ‘অফিস ফর ড্রাগস এন্ড ক্রাইম’ (ইউএনওডিসি) বলেছে, বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর তারা গভীর মনযোগ রাখছে এবং মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মানবাধিকার ভিত্তিক কৌশল অবলম্বনের জন্য সব সদস্য দেশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

বাংলাদেশ ৭৪তম উদার দেশের তালিকায়

Sharmin Boby

আমরা মারাত্মক আধুনিক

Mrinmoyi Jahan

অবশেষে জামিনে মুক্তি পেল সালমান খান

MP Comrade

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy