অন্যান্য (U P)

বাজরীগার পোষা পাখি

আদি নিবাসঃ প্যারোট জাতীয় পাখিদের মধ্যে যেসব পাখির শারীরিক গঠন টিয়া পাখির মত এবং লেজ লম্বাটে  হয় সেসব পাখিকে প্যারোকিট প্রজাতির অন্তরভুক্ত করা হয় । বাজরীগার সেই প্যারকিট প্রজাতির পাখি । এদের আদি নিবাস প্রধানত অষ্ট্রেলিয়ার পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল অঞ্চল । এছারাও  আর কিছু অঞ্চলে এদের দেখা যায় । বাজরীগার ইঊরোপ পাখি না হলেও ‘জনগোল্ড’ নামক এক শৌখিন পাখি প্রেমিক ১৮৪০ সনে অনেক ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রগামী জাহাজে করে অষ্ট্রেলিয়া থেকে বেশ কয়েক জোড়া  বন্য বাজরীগার প্রথম  ইংল্যান্ড নিয়ে আসেন। বাজরিগার প্রজনন  বেশ সহজ ও ঘন-ঘন প্রজনন করা যায় বলে কয়েক বছররে মধ্যেই তার মাধ্যমে বাজরীগার  সমস্ত ইউরোপ ছড়িয়ে পড়ে ।এটির গায়ের রঙ সবুজ হওয়ার কারণে পাখি পালকদের মধ্যে এটি সেরা হইয়ে উঠে। বন্য এটির রঙ সবুজ হলেও খাঁচায় প্রজনন এর মাধ্যমে অনেক রঙ আসে এর পালকে যেমনঃ সাদা, হলুদ, নীল, বেগুনী, অলিভ, গ্রে, ফিরোজা সহ আর অনেক রঙ।এই বাজরীগার এর অনেক মিউটেশন আছে যেমনঃ ড্যানিস পাইড,স্পেঞ্জেল,ক্রেস্টেড ইত্যাদি ।
বৈশিষ্টঃ বাজরীগার প্যারোকিট প্রজাতির পাখির মধ্যে সবচেয়ে ছোট এবং অত্যান্ত চঞ্চল। এই  সাধারণ বাজরীগার থেকেই বিভিন্ন প্রজননকারি (এভিকালচারিষ্ট)  তাদের দীর্ঘ গবেষণা ও উন্নত প্রযুক্তির  মাধ্যমে বের করেছেন ক্রেস্টেড বাজরীগার। পরবর্তীতে আর প্রস্থ মাথাওলা এবং শারীরিক আকার দিগুণ করা সহ ইংলিশ বাজরীগার নামে নতুন প্রজাতির আবির্ভাব ঘটান । সাধারণত বাজরীগার লম্বায়ঃ ১৮ সেঃমিঃ পর্যন্ত হয় এবং ইংলিশ বাজরীগার ২৫ সেঃমিঃ হয়ে থাকে। বন্য মাত্র ৪-৫বছর বাঁচলেও খাঁচায় ১৫ বছরের উপর বেঁচে থাকার রেকড আছে ।
স্ত্রী-পুরুষ চিনার উপায়ঃ বাজরীগার পাখি ৩ মাস বয়স হলেই  স্ত্রী-পুরুষ চিনা যায় । সাধরনত সাদা, হলুদ, কিছু পাইড পাখি ছাড়া অন্যসব গাঢ় রঙের পাখির পুরুষ পাখির বেলায় ঠোঁটর উপর নাকের অংশ (Cere) চকচকে নীল রঙ থাকে আর মহিলা পাখির ক্ষেত্রে বাদামী রঙ থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে রঙ আরও গাঢ় হয়।
খাদ্যাভ্যাসঃ বাজরীগার পাখির সমস্ত খাবার উপকরন আমদের হাটে বাজারে পাওয়া যায়। খাবারগুলোর নাম হলঃ কাউন,চিনা,তিল, তিশিদানা,পোলাও
এর চাউলের ধান ,সূর্যমুখী ফুল এর বীজ ইত্যাদি । এর পাসাপাশি এরা সবুজ শাকসবজি যেমনঃ পালংশাক,কলমিশাক,গাজর,বরবটি ইত্যাদি খেয়ে থাকে। এদেরকে ভেজা পাউওয়া রুটি, ভেজা ছোলা,সিদ্ধ ভুট্টা দিতে হয় বিশেষ করে বাচ্চা ফোটার পর পর। খাঁচার ভিতর যেকোন একটা জায়গায় এক টুকরো সমূদের ফেনা (Cuttle Fish Bone) বেঁধে দিতে হবে।
পাখির খাঁচার মাপঃ বাজরীগার পাখির জন্য ২ ফিট এর খাঁচা দেওয়া উত্তম । এরা বড় খাঁচা পেলে উড়াউরি করে বেশী যা এদের সাস্থের জন্য খুবই ভাল ।ছোট খাঁচা দিলে এরা উড়তে না পাড়ায় একটা সময় খুব চর্বি জমিয়ে ফেলে যার ফলে  বাচ্চা উৎপাদ এর সমস্যা তৈরি হয় এবং অনেক সময় পাখি হিট-স্টক করে মারা যায়। তাই ব্রিডিং খাঁচা ২ ফিট হওয়া ভালো।পরবর্তীতে প্রজনন এবং রোগ নিয়ে আলোচনা  করা হবে।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

একটি ভ্রমণের নেপথ্যে

Zahid Hasan

প্রতিশোধ -পর্বঃ ৪

Tondra Bilashi

ফেসবুকে প্রতারক চক্রের যে ফাঁদে ফেসে যাচ্ছেন আপনিও

Md Motiar Rahaman

Login

Do not have an account ? Register here
X

Register

%d bloggers like this: