• Home
  • প্রযুক্তি
  • নিকোলা টেসলার হারিয়ে যাওয়া সেই আবিষ্কারগুলো
প্রযুক্তি বিজ্ঞান

নিকোলা টেসলার হারিয়ে যাওয়া সেই আবিষ্কারগুলো

বিজ্ঞানের জগতে নিকোলা টেসলা এক অদ্ভুত ব্যক্তির নাম।কারণ তিনি যে সকল যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তা মানুষের জীবনকে একেবারে বদলে দিতে পারতো। আর বিপদে পড়তে হতো সমাজের এলিট শ্রেণীর লোকদের।তার এরকম কয়েকটি অদ্ভুত আবিষ্কারের কথা নিচে বর্ণনা করা হলো-

 

১। Death beam-

১৯৩০ সালে নিকোলা টেসলা দাবি করেন যে সে একটা ‘death beam’ আবিষ্কার করেছেন, যেটাকে তিনি ‘teleforce’ বলেন। ডিভাইসটি প্রচন্ড শক্তিশালী একটি আলোকরশ্মি তৈরি করতে পারত যার মাধ্যমে শত্রুর যুদ্ধ বিমান, আর্মি বা যে কোনো কিছু ধংস করে দিতে পারত।

কিন্তু এই তথাকথিত ‘death beam’ পরে আর আবিষ্কৃত হয়নি কারণ তিনি (নিকোলা টেসলা) জানতেন, এটা বিভিন্ন দেশ-প্রদেশে বা জাতীর জন্য একে অপরকে ধংস করা খুব সহজ হবে।টেসলা বলেছেন, এটার মাধ্যমে যে কোনো কেউ ২০০মাইলের ভিতরে যে কোনো কিছু খুব সহজেই ধ্বংস করে দিতে পারবে। আর এটা যেকোনো দেশকে ছোট অথবা বড় রাখেতে শক্তিশালী দেয়াল হিসেবে কাজ করবে। আর এটা শত্রুদের সেনাবাহিনী, আকাশযান ইত্যাদি যেকোনো ধরনের আক্রমনর বিরুদ্ধে দুর্ভেদ্য দেয়ালের মত কাজ করবে। তিনি আরো বলেন- তার এই আবিষ্কার চুরি করে নেয়ার জন্য চোরেরা চেষ্টা চালিয়েছিল, তারা কক্ষে প্রবেশ করেছিল এবং কাগজ-পত্র খুটিয়ে খুটিয়ে দেখেছিল, কিন্তু চোরেরা বা গোয়েন্দারা শুন্য-হাতে ফিরে গিয়েছিল।

 

২।Free Electricity System-

১৯০১-১৯০২ সালে নিউ ইয়র্কে টেসলা বিশাল আকারের একটি ওয়ারলেস ট্রান্সমিশন স্টেশন তৈরি করেন।যদিও কেউ মনে করেন, টেসলা এটার মাধ্যমে wireless communication এর কোনো ব্যবস্থা করবেন।

যাইহোক, তার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। টেসলা চেয়েছিলেন তার থিওরি ব্যবহার করে পৃথীবির মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে তথ্য, ফোনালাপ, অবিকল ছবি প্রেরণ করবেন। যদি প্রজেক্টটি কাজ করত, তাহলে যেকোনো কেউ খুব সহজেই কোনো রড মাটিতে পুতে এর থেকে free electricity নিতে পারত।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এটা লাভজনক হত না। আর এটি বিশ্বের এলিট শ্রেণীর লোকদের জন্য অবিশ্বাস্যভাবে বিপদজনক হত। কারণ এটি energy industry তে অনেক পরিবর্তন আনত।

চিন্তা করুন, দুনিয়াটা কেমন হত যদি কোনো কিছু চালনা করার জন্য কোনো ফুয়েল বা তেল-কয়েলের কোনো দরকার না হত!!

অবশেষে ১৯০৬ সালে এটাকে প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং কখনও এর দিকে মন দেয়া হয় না।

 

৩।The Flying Saucer-

১৯১১ সালে টেসলা নিউ ইয়র্ককে বলেছিলেন তিনি একটি anti gravity “flying machine” নিয়ে কাজ করতেছেন।

তিনি বলেন, তার উড়ন্ত এই মেশিনের কোনো পাখা বা প্রপেলার থাকবে না। কেউ এটাকে মাটিতে দেখবে এবং কখনও ভাববে না যে এটা একটা flying machine (উড়ন্ত যন্ত্র / যানবাহন)। এটা এমনকি বাতাসের মধ্যে যেকোনো ডিরেকশনে ইচ্ছামত নিরাপদে নড়া-চড়া করতে পারবে। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলে যেতে পারবে। এটার উত্তরণে কোনো প্রকার সাধারণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে না যেভাবে পাখি ডানার মাধ্যমে করে থাকে। কিন্তু এটা মেকানিক্যাল এ্যাকশন এর উপরই নির্ভর করবে।

টেসলার এই flying machineও free energy পদ্ধতি ব্যবহার করবে। যেখানে অন্যান্য motor-car industry-গুলো জালানির উপর নির্ভর্শীল।

 

*এক মুহূর্তের জন্য চিন্তা করুন, তার এই আবিষ্কারগুলো যদি আজও সত্যিই থাকতো তাহলে আমাদের জীবনযাত্রারর মান কোথায় থাকত!?

-বিজ্ঞানীরা তো আজ পর্যন্ত গবেষণা করে যাচ্ছেন কিভাবে কোনো বস্তুকে শুন্যে ভাসিয়ে রাখা যায় ‘এলিয়েনের’ মত।কিন্তু তারা এখনও সম্পূর্ণরূপে সফল হতে পারেন নি, যা কিনা নিকোলা টেসলা প্রায় ১০০ বছর আগেই আবিষ্কার করেছিল।

 

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি জগত ভাবনা

Muhammod Saikot

কিভাবে জানবেন আপনার কম্পিউটারটি হ্যাক হয়েছে?

Kanij Sharmin

Earthquake জানি কিন্তু, Moonquake কি ?

Jannatul Firdous

Login

Do not have an account ? Register here
X

Register

%d bloggers like this: