• Home
  • খেলাধূলা
  • রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবে থাইল্যান্ডের গুহা হতে উদ্ধার হওয়া কিশোর ফুটবলাররা!
খেলাধূলা

রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবে থাইল্যান্ডের গুহা হতে উদ্ধার হওয়া কিশোর ফুটবলাররা!

দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার বরাতে জানা যায়, থাইল্যান্ডে গুহা থেকে বেচে আসা বাচ্চাদের কাছে সৌভাগ্য ধরা দিচ্ছে রাশিয়ায় গিয়ে স্টেডিয়ামে ফুটবল বিশ্বকাপ দেখার। বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের উৎসাহ ও মনোবল যোগাতে এক চিঠিতে তিনি এই আমন্ত্রণ পত্র পাঠান। যদিও তিনি থাইল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে চিঠিটি পাঠান বাচ্চাগুলোকে উদ্ধার হওয়ার পূর্বেই। চিঠিতে তিনি আশা প্রকাশ করেছিলেন ১৫ জুলাইয়ের পূর্বেই ওয়াইল্ড বোর নামের ঐ কিশোর দলটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

চিঠিতে ফিফা সভাপতি আরো আশা প্রকাশ করেছেন যে, গুহায় আটকে পরা কিশোর ফুটবলাররা সুস্থভাবে নিজেদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবে এবং তারা যদি অতিথি হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে উপস্থিত থাকে তবে ফিফা খুবই আনন্দিতবোধ করবে। তিনি ফাইনালে তাদের উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে বেশ আগ্রহই প্রকাশ করেছেন। মূলত জিয়ান্নি তার এই আমন্ত্রণের মাধ্যমে গুহায় আটকে পরা কিশোর ফুটবলারদের মনোবল বাড়ানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। কিন্তু দুঃসংবাদ হচ্ছে, হয়ত ফিফার দেয়া এই সুযোগ কিশোররা কাজে লাগাতে পারবেননা। থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য সচিব সংবাদ মাধ্যমে জানান যে, উদ্ধার হওয়া সকল কিশোরদের প্রাথমিক রক্ত পরীক্ষায় সংক্রমণের চিহ্ন পাওয়া গেছে। হাসপাতালে কমপক্ষে তারা এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে থাকবে। দীর্ঘদিন অন্ধকারে থাকার ফলে তাদের মধ্যে এক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে ফলে তাদের এখন সানগ্লাস পরিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়া সংক্রমণের ফলে দুই কিশোরের এক্স-রেতে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গেছে বলে স্বাস্থ্য সচিব জানান।

গত ২৩ জুন ফুটবল অনুশীলন শেষে ১২ কিশোর ফুটবলার তাদের ২৫ বছর বয়সী কোচসহ ওই গুহাটির ভেতরে তাদের এক সহপাঠীর জন্মদিনে সারপ্রাইজ পার্টি করতে গিয়েছিল। কিন্তু অতি বৃষ্টির ফলে গুহার প্রবেশমুখ বন্ধ হয়ে তারা আর বের হয়ে আসতে পারেনি। ক্রমশ তারা ভেতরের দিকে চলে যায় এবং একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূত্র ধরে টানা ৯ দিন পর গুহার ভেতরে জীবিত অবস্থায় তাদের শনাক্ত করতে সমর্থ হয় ব্রিটিশ ডুবুরি দল।

কিশোরদের উদ্ধারে কোনরূপ ঝুঁকি নিতে নারাজ থাইল্যান্ড সরকার, তাই বৃষ্টি বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বেই গত ৮ জুলাই দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় উদ্ধার অভিযান পরিচালিত করেন। টানা তিনদিনের উদ্ধার অভিযানে ওয়াইল্ড বোর এর প্রত্যেক সদস্যকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে ফিফা সভাপতির এত বড় এক আমন্ত্রণের পরও চিকিৎসকদের অনুমতি না পাওয়াটাই সেই কিশোর ফুটবলারদের স্বপ্ন পূরণে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিশোরদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টিকে আমলে নিয়ে কোনরূপ হেলাফেলা করতে নারাজ থাই কর্তৃপক্ষ। এমনকি কিশোরদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের উপরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সবার আশা অসুস্থ কিশোররা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠুক। ফিফার এই উদ্যোগ বিশ্ববাসীর কাছে তাদের ভাবমূর্তি অনেকটাই উজ্জ্বল করে দিয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করছেন যে, হয়ত ফিফা সভাপতির এই আমন্ত্রণের কথা গুহায় আটকে থাকা কিশোরদের কানে পৌছার ফলে তাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বাড়াতে সহায়তা করেছে। এখন অপেক্ষা চিকিৎসকদের ছাড়পত্র, তবেই কেবল পূরণ হবে কিশোরদের সেই স্বপ্ন।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

তামিম কি তবে অদৃশ্য শক্তির চাপে সত্য গোপন করলেন?

Rohit Khan fzs

মুশফিকুর রহিম মিতু – একটি ভরসার নাম

Atikur Rahman Titas

বাংলাদেশ ক্রিকেট – এক আবেগের নাম

Ahmmed Abir

Login

Do not have an account ? Register here
X

Register

%d bloggers like this: