সাধারন জ্ঞান

ব্ল্যাক স্যুটের আড়ালে দুর্ধর্ষ এক সুপুরুষ “জেমস বন্ড”

“মাই নেম ইজ বন্ড, জেমস বন্ড”

জেমস বন্ড নামটির সাথে পরিচিত নন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। নামটি মুখে নিলেই চোখের সামনে ভেসে উঠে একজন তুখোড় গোয়েন্দা এজেন্ট এর প্রতিছবি। আমার ছোট বেলা অর্থাৎ স্কুল লেভেল হতেই এই নামটির সাথে বেশ সখ্যতা। বলা যায় নিজের নামের সাথে ০০৭ জুড়ে দিতাম পাঠ্য বইয়ের কাভারে এবং খাতায়। বলা যায় বাল্যজীবনের সেই সময় হতে এখনো অবধি জেমস বন্ড এর পুরোদুস্তুর একজন ভক্ত। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ‘ ডাই হার্ড ফ্যান’, জেমস বন্ড সিরিজের প্রতিটি পর্বই কমপক্ষে ৪-৫বার দেখা হয়েছে। চলচিত্রে জেমস বন্ড চরিত্রটিকে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের একজন এজেন্ট হিসেবে রুপ দেয়া হয়েছে যে কিনা নিজের বুদ্ধি ও কৌশলগুণে অসাধ্যকে সাধন করে ফেলতে পারেন অনায়াসে এবং যেকোন মিশন সফলভাবে সমাপ্ত করতে পারেন। জেমস বন্ড ছেলে-বুড়োদের কাছে এতটাই জনপ্রিয় যে সকলেই চরিত্রটিকে সত্যিকার ভাবেন, কিন্তু আসলে এটি কোন বাস্তব চরিত্রের আলোকে নির্মিত চলচিত্র নয় বা জেমস বন্ড বাস্তবের কোন হিরো নন। মূলত বিখ্যাত উপন্যাসিক ইয়াং ফ্লেমিং ১৯৫৩ সালে তার গোয়েন্দা উপন্যাসে জেমস বন্ড চরিত্রটি সৃষ্টি করেন যা পরবর্তীতে চলচিত্র রুপে প্রকাশ পায়। ইয়াং ফ্লেমিং এর উপন্যাসকে কেন্দ্র করেই জেমস বন্ড সিরিজের প্রতিটি চলচিত্র নির্মিত। ইয়াং ফ্লেমিং বেঁচে থাকা অবস্থায় ১৪টি বই লিখে গেছেন যার প্রতিটি জেমস বন্ড চরিত্রের উপর ভিত্তি করে। বাকি সিরিজগুলো অন্য লেখকদের হাত ধরে প্রকাশ পায়। প্রথম উপন্যাসে জেমস বন্ডকে একজন রয়েল নেভির কমান্ডার হিসেবে দেখানো হলেও পরবর্তী উপন্যাসে সেই চরিত্র বদলে ব্রিটিশ সিক্রেট এজেন্ট এর রুপ দেয়া হয়। রুপ দেয়ার কথা বললে কিছুটা ভুল হবে কেননা তাকে নেভি হতে সিক্রেট সার্ভিসে রিক্রুট করা হয়। মূলত সেই পরিবর্তনের ফলে জেমস বন্ড সিরিজের প্রতিটি উপন্যাসই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়। ১৯৯৫ সালে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসের নাম পরিবর্তন হয়ে MI6 (Majesty’s Secret Service) নাম ধারণ করে। জেমস বন্ড এর কোড 007 নিয়ে অনেকের কৌতূহল কাজ করে। আসলে এই কোডটি হচ্ছে এজেন্ট কোড অর্থাৎ সিক্রেট সার্ভিস কর্তৃক নিযুক্ত এজেন্টরা তাদের প্রতিটি মিশনে খুন করার লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়, যাদের কোড সিরিজ শুরু হয় 00 দিয়ে । ইয়াং ফ্লেমিং এর উপন্যাসে তার সৃষ্ট ১৩জন এমন এজেন্টের মধ্যে জেমস বন্ড হচ্ছেন ৭ নাম্বারে তাই তার কোড 007। যদিও জেমস বন্ড ছাড়া বাকি এজেন্টদের নাম উপন্যাস এবং চলচিত্রে ভিন্নভাবে ব্যবহত হয়েছে, এ নিয়ে কারো কারো দ্বিমত ও থাকতে পারে। উপন্যাস ও বিভিন্ন অফিসিয়াল সাইট হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী চলুন দেখে নেই সেই ১৩জন এজেন্ট কারা?

১। এডওয়ার্ড ডন (কোড 001)

২। বিল ফেয়ারব্যাংকস জন (কোড 002)

৩। জেক ম্যাসন (কোড 003)

৪। স্কারলেট পাপাভা (কোড 004)

৫। স্টূয়ার্ট থমাস (কোড 005)

৬। এলেক ট্র্যাভেলিয়ান (কোড 006

৭। জেমস বন্ড (কোড 007)

৮। বিল টিমুথি (কোড 008)

৯। পিটার স্মিথ (কোড 009)

১০। জন উলফগ্রাম (কোড 0010)

১১। (কোড 0011) নাম অজানা এই এজেন্ট সিঙ্গাপুরে হারিয়ে যায়

১২। স্যাম জনস্টন (কোড 0012)

১৩। ব্রাইয়নি র্থন (কোড 0013)

যদিও ইয়াং ফ্লেমিং শুধুমাত্র ৫জন এজেন্টের নাম উল্ল্যেখ করেছেন আর বাকি এজেন্টদের নাম ফ্রান্সাইসি কর্তৃক এসেছে।  কোড বিহীন অন্যান্য এজেন্টদের মধ্যে আরো রয়েছে- রাউল সিল্ভা, দাউস, হ্যামিলটন, বেইনেস, মিরাণ্ডা ফ্রস্ট, এজেন্ট ইয়র্ক, সুজি কেউ, হ্যানরি ফ্রেসার, ক্লাইব উডস্লো। যদিও চলচিত্র নির্মাণ হয়েছে কেবল জেমস বন্ডকে প্রাধান্য দিয়ে এবং অন্য এজেন্টদের ভুমিকা এখানে লক্ষ্য করা যায়না। শুধু মাত্র ‘গোল্ডেন আই’ সিনেমাতে 006 কে অল্প সময়ের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। ইয়াংফ্লেমিং জেমস বন্ডকে কোন বয়সের উল্ল্যেখ না করলেও চলচিত্রে জেমস বন্ড চরিত্রের নায়ক নির্বাচন করা হয় চল্লিশোর্ধ্ব হ্যান্ডসাম পুরুষকে। জেমস বন্ড এমন একজন পুরুষ যিনি বেশ আকর্ষণীয় এবং আবেদনময়ী। যার কথায় এবং আচার-আচরণে আছে ব্যাক্তিত্বের চাপ, যিনি অনায়াসেই সুন্দরী নারীদের নিজের প্রতি আকর্ষিত করতে পারেন। এলকোহলের মধ্যে ভদকা মার্টিনি ককটেল বেশি পছন্দ করেন বন্ড, উপন্যাস ও চলচিত্রের প্রায় সবখানে তার প্রমান পাওয়া যায়। সবসময় হাতে রোলাক্স ব্র্যান্ড এর ঘড়ি ব্যবহার করেন এবং পোশাকের মধ্যে ডিনার জ্যাকেটই তার সবচেয়ে প্রিয়।

 

এ পর্যন্ত জেমস বন্ড সিরিজের মুক্তি পাওয়া চলচিত্র হচ্ছে ২৬টি, চলুন দেখে নিই চলচিত্রগুলার নাম এবং সেই সাথে জেমস বন্ড চরিত্রে অভিনয়কারী আকর্ষণীয় নায়কদের নাম।

১. “ড নো” মুক্তির সালঃ ১৯৬২, পরিচালকঃ টেরেন্স ইয়ং জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৫৯.৫মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২. “ফ্রম রাশিয়া ইউথ লাভ” মুক্তির সালঃ ১৯৬৩, পরিচালকঃটেরেন্স ইয়ং জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৭৮.৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৩. “গোল্ড ফিঙ্গার” মুক্তির সালঃ ১৯৬৪, পরিচালকঃ গাই হেমিল্টন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১২৪.৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৪. “থান্ডারবল” মুক্তির সালঃ ১৯৬৫, পরিচালকঃ টেরেন্স ইয়ং জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৪১.২ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৫. “ক্যাসিনো রয়াল” মুক্তির সালঃ ১৯৬৭, পরিচালকঃ জন হাস্টন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ ডেভিড নিভেন, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৪১.৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৬. “ইউ অনলি লিভ টোয়াইস” মুক্তির সালঃ ১৯৬৭, পরিচালকঃ লুইস গিলবার্ট, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১১১.৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৭. “অন হার মেজিস্টে’স সিক্রেট সার্ভিস” মুক্তির সালঃ ১৯৬৯, পরিচালকঃ পিটার আর হান্ট, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ জর্জ লাজেনবাঈ, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৮২ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৮. “ডায়মন্ডস আর ফরেবার” মুক্তির সালঃ ১৯৭১, পরিচালকঃ গাই হেমিল্টন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১১৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

৯. “লিভ এন্ড লেট ডাই” মুক্তির সালঃ ১৯৭৩, পরিচালকঃ গাই হেমিল্টন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৬১.৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১০. “দ্যা ম্যান উইথ দ্যা গোল্ডেন গান” মুক্তির সালঃ ১৯৭৪, পরিচালকঃ গাই হেমিল্টন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৯৭.৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১১. “দ্যা স্পাই হু লাভড মি” মুক্তির সালঃ ১৯৭৭, পরিচালকঃ লুইস গিলবার্ট, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৮৫.৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১২. “মুনরেকার” মুক্তির সালঃ ১৯৭৯, পরিচালকঃ লুইস গিলবার্ট, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ২১০.৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৩. “ফর ইউর আইস অনলি” মুক্তির সালঃ ১৯৮১, পরিচালকঃ জন গ্লেন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৯৫.৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৪. “অক্টোপূসি” মুক্তির সালঃ ১৯৮৩, পরিচালকঃ জন গ্লেন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৮৭.৫ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৫. “নেভার সে নেভার এগেইন” মুক্তির সালঃ ১৯৮৩ পরিচালকঃ আরভিন কার্সনার, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ শ্যেন কনারি, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৬০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৬. “অ্যা ভিউ টু এ কিল” মুক্তির সালঃ ১৯৮৫, পরিচালকঃ জন গ্লেন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ রজার ম্যুর, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৫২.৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৭. “দ্যা লিভিং ডে লাইটস” মুক্তির সালঃ ১৯৮৭, পরিচালকঃ জন গ্লেন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ টিমুথি ডাল্টন, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৯১.২ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৮. “লাইসেন্স টু কিল” মুক্তির সালঃ ১৯৮৯, পরিচালকঃ জন গ্লেন, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ টিমুথি ডাল্টন, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১৫৬.১৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

১৯. “গোল্ডেন আই” মুক্তির সালঃ ১৯৯৫, পরিচালকঃ মার্টিন ক্যাম্পবেল, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ পিয়ার্স ব্রুসনান, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৩৫৬.৪২ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২০. “টুমোরো নেভার ডাইস” মুক্তির সালঃ ১৯৯৭, পরিচালকঃ রজার সপটিসউড, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ পিয়ার্স ব্রুসনান, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৩৩৯.৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২১. “দ্যা ওয়ার্ল্ড ইস নট এনাফ” মুক্তির সালঃ ১৯৯৯, পরিচালকঃ মাইকেল এপটেড, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ পিয়ার্স ব্রুসনান, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৩৬১.৭৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২২. “ডাই এনাদার ডে” মুক্তির সালঃ ২০০২ পরিচালকঃ লি তামাহুরি, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ পিয়ার্স ব্রুসনান, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৪৩১.৯৪ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২৩. “ক্যাসিনো রয়াল” মুক্তির সালঃ ২০০৬ পরিচালকঃ মার্টিন ক্যাম্পবেল, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ ড্যানিয়েল ক্রেগ, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৫৯৪.৪২ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২৪. “কোয়ান্টাম অব সোলেস” মুক্তির সালঃ ২০০৮, পরিচালকঃ মার্ক  ফরস্টার, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ ড্যানিয়েল ক্রেগ, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৫৯১.৬৯ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২৫. “স্কাই ফল” মুক্তির সালঃ ২০১২, পরিচালকঃ স্যাম মেন্ডেজ, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ ড্যানিয়েল ক্রেগ, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ১.১১০ বিলিয়ন ইউএস ডলার।

২৬. “স্পেকট্রি” মুক্তির সালঃ ২০১৫, পরিচালকঃ স্যাম মেন্ডেজ, জেমস বন্ড চরিত্রে ছিলেনঃ ড্যানিয়েল ক্রেগ, বক্স অফিসে ছবিটি আয় করেছিলঃ ৮৭৯.৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার।

২৭. “বন্ড টুয়েন্টি ফাইভ” মুক্তির সালঃ ২০১৯ (প্রস্তাবিত), পরিচালকঃ ক্যারি জজি ফুকুনাগা, জেমস বন্ড চরিত্রে থাকবেঃ ড্যানিয়েল ক্রেগ। ২৪তম সিরিজের এই ছবিটির বাজেট এখনো প্রকাশ করেনি তবে ২০১৯ সালের মার্চে শুরু হচ্ছে জেমস বন্ড সিরিজের “বন্ড টুয়েন্টি ফাইভ” ছবিটির শুটিং। যদিও ছবিটি মুক্তির কথা ছিল ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে কিন্তু সময় পাল্টে ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সেটি মুক্তির সময় পুনরায় নির্ধারণ করা হয়। সিরিজে সৃজনশীল পরিবর্তন আনতে গত আগস্টে পরিচালক ড্যানি বয়েলকে সিরিজ থেকে বাদ দেওয়া হয়।

এরপর পরিচালক খুঁজতে শুরু করেন ছবিটির প্রযোজক মাইকেল জি উইলসন ও বারবারা ব্রোকলির। শেষ পর্যন্ত পরিচালক হিসেবে তারা দায়িত্ব দিয়েছেন এইচবিওর ‘ট্রু ডিটেকটিভ’ সিরিজের পরিচালক ক্যারি ফুকুনাগাকে, ‘জেমস বন্ড’ সিরিজের টুইটার পেজ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।। জেমস বন্ড সিরিজের পূর্বের দুই খ্যাতিমান চিত্রনাট্যকার নিল পারভিস ও রবার্ট ওয়েডকেও পুনরায় সিরিজে ফিরিইয়ে আনা হয়েছে। সুতরাং ধরে নেয়াই যাচ্ছে জেমস বন্ড সিরিজের পরবর্তী ভার্সন দর্শক মহলে বেশ আশা জাগিয়েছে। এখন অপেক্ষা কেবল মুক্তির…

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

“Haunting of hill house” এর মত জীবন কাটানো কিছু পরিবার

Kazi Mohammad Arafat Rahaman

গবেষণা বলে- খাদ্যের কারণে মানুষের বক্তৃতা বিকাশ ঘটেছে

Sharmin Boby

পেরুর রহস্যময় ‘ফুটন্ত নদী’ নামলেই মৃত্যু অনিবার্য

Sharmin Boby

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy