সাফল্যের গল্প

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সম্পূর্ণ মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের

অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ এই যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর সম্পূর্ণ মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের কাছেই। বাংলাদেশের জন্য এ এক ঐতিহাসিক অর্জন। গত ১১ মে ২০১৮ রাত সোয়া ২টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সফলভাবে উৎক্ষেপণ হয়। বিশ্বের অন্যান্য স্পেস স্যাটেলাইট অধিকারী দেশের বহরে যুক্ত হল বাংলাদেশের নাম। বিএস-১ উৎক্ষেপণের ৬ মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ তার প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে পেয়েছে। এরই মধ্য দিয়ে বিএস-১ এর রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনাসহ সব দায়িত্ব বাংলাদেশের হস্তগত হয়েছে।

গত ৯নভেম্বর ২০১৮ইং শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টায় ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের হস্তান্তর’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) কার্যালয়ে এই দায়িত্ব আনুষ্ঠানিক বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস হতে বাংলাদেশের পক্ষে দায়িত্ব বুঝে নেয় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) এবং তারাই আবার বিসিএসসিএল এর কাছে এই দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন।

আজ একটু পেছনে ফিরে যাব কবে হতেই বাংলাদেশ স্যাটেলাইট ব্যবহার ও অর্জনের ভিত রচিত হয়। দেশ স্বাধীনের পরবর্তীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইটের আওতাভুক্তির। ফলশ্রুতিতে ১৯৭৫ সালের ১৪ই জুন তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের বেতবুনিয়ায় প্রথম দেশের উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপন করেন।  শুরুতে আমাদের অংশগ্রহণ ব্যবহারকারী হিসেবে থাকলেও বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং বর্তমান বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের একটি উপগ্রহ স্যাটেলাইট প্রয়োজনীয়তা উপলব্দি করলেন। সেই প্রয়োজনীয়তার তাগিদে বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালের ১১ই নভেম্বর ‘’থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস’’ নামক এক ফরাসি কোম্পানির সাথে যাবতীয় যন্ত্রপাতি ও ডিজাইনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। স্পেস এক্স-এর তৈরি ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটের স্পেস শাটলের কার্গো বে’র মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডাতে অবস্থিত ক্যাপ ক্যানাভেরাল-এর ‘কেনেডি স্পেস সেন্টার লঞ্চ প্যাড ৩৯এ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কে উৎক্ষেন করা হয়। ১৬০০ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন স্যাটেলাইটটির ওজন ১৩০০ কেজি এবং বয়ে নিয়ে যাওয়া ফ্যালকণ রকেটসহ এর উৎক্ষেপণ ওজন ছিল প্রায় ৩৬০০ কেজি । কৃত্রিম উপগ্রহটির সর্বমোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার ব্যান্ড আছে। চলবে…

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

তবু ভালোই চলছে দিন…খারাপ কি !

Fatematuz Zohora ( M. Tanya )

একটি পজিটিভ ইমোশন জীবনে অনেক কিছুই পাল্টে দিতে পারে (২)

Mitun747

নিজের বোকামিতে ‘অ্যাপল’ এর মালিকানা ছেড়ে দিলেন যিনি

MP Comrade

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy