অন্যান্য (U P) বিদেশী সিনেমা রিভিউ

সেভেনটি ওয়ান ইনটু দ্যা ফায়ার

দক্ষিণ কোরিয়ার War Drama Film ’71 into the fire’ জন. এইচ. লি পরিচালিত। দক্ষিণ কোরিয়ার মুক্তিযুদ্ধে ছাত্র-সৈনিকদের অবদান ও তাদের সম্মান জানাতে এই মুভিটি নির্মান করা হয়।
এই ছবিটি কোরীয় যুদ্ধের সময় দক্ষিণ কোরিয়ার ৭১ জন নিরস্ত্র ছাত্রদের একটি গ্রুপের সত্যিকারের গল্পের উপর ভিত্তি করে নির্মিত, যারা ১১ই আগস্ট ১৯৫০ সালে পোহাং-দং যুদ্ধের সময় নিহত হয়েছিল। ১১ ঘন্টা ধরে তারা স্থানীয় পোহ্যাং মাধ্যমিক স্কুলকে রক্ষা করেছিল, যা উত্তর কোরিয়ার বাহিনীকে বিশেষ করে ভয়ঙ্কর ৭৬৬ তম ইউনিটকে আক্রমণ করে হারিয়েছিল।
মুভিটির শুরু ৭১ জন নিরস্ত্র স্কুল ছাত্রদের নিয়ে যারা সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স হিসেবে যুদ্ধে সহায়তার জন্য নিযুক্ত ছিল। তাদের মূল কাজ ছিল যুদ্ধে সৈনিকদের সরঞ্জাম সরবরাহ করা। কিন্তু এক পর্যায়ে সৈন্যবাহিনী উত্তর কোরিয়ান সৈন্যদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নাকডং নদীর তীরে অবস্থান নেয় এবং সেই ৭১ জন ছাত্রদের স্থানীয় পোহ্যাং মাধ্যমিক স্কুলকে রক্ষা করার দায়িত্ব দেয়। যদিও তারা এখানে আক্রমনের সম্ভাবনা নেই বলেই ধরে নিয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা তাদের অবস্থান বুঝতে পেরে নিজেদের পথ পাল্টে সেই স্কুলের পথ ধরে প্রবেশ করে। অসম্ভব সাহসী সেই ছাত্ররা এর বড় সেনাবাহিনী দেখে ভয়ে পালিয়ে যায়নি বরং পিছু ও হটেনি। টানা ১১ ঘন্টা ধরে যুদ্ধ চালিয়ে তারা সেই বিশাল সৈন্যবাহিনীকে দমিয়ে রেখেছিল। যা দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীকে যথেষ্ট সময় করে দিয়েছিল পাল্টা আক্রমন করার।

মুভিটি দুর্দান্ত, কারণ তারা এটিকে বিশাল করার চেষ্টা করনি। এটি সত্যিকারের যুদ্ধে প্রায় ৭১ তরুণ শিক্ষার্থীর শেখার এবং সংগ্রামের সহজ গল্প বলেছিল।

প্রধান অভিনেতা: Choi Seung Hyeon (বিগ ব্যাং মধ্যে শীর্ষ হিসাবে পরিচিত হয়) সুন্দর একটি কাজ করেছেন। তিনি তার চোখ দিয়ে চিত্তাকর্ষকভাবে কাজ করেন, আমাদের দেখিয়েছেন যে কীভাবে ছাত্ররা কিছুই জানেনা, কিন্তু তা স্বত্বেও নিজের দেশের জন্য লড়াই করতে হয়। অন্যান্য অভিনেতা তাদের সেরা, বিশেষত Kwon Sang Woo দেখাতে পারেননি। তিনি তার চেয়েও ভাল করতে পারেন, কিন্তু আমি মনে করি যে তিনি যে চরিত্রটি অনুসরণ করেছেন তা পুরোপুরি বর্ণিত হয়নি। সঙ্গীতটি আমার কাছে খুব চিত্তাকর্ষক ছিল না, তবে এটি একটি এশিয়ান যুদ্ধ চলচ্চিত্রের জন্য বেশ বাস্তব এবং ভাল কাজ ছিল। যেহেতু এটি একটি সত্য গল্পের উপর ভিত্তি করে, শেষটি সহজেই পূর্বাভাস দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে এটি একটি বিরক্তিকর শেষ। তারা আমাদের দেখায় যে যুদ্ধে লোকেরা কিভাবে মারা যায়। তাদের বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থাকতে পারে কিন্তু প্রয়োজনে বাস্তব সৈনিক হতে তাদের বেশি বেগ পেতে হয়না।
মুভিটি অবশ্যই দেখতে পারেন। একটি নতুন মাত্রার যুদ্ধের মুভির স্বাদ পাবেন আশা করি।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

জীবন ছায়াহ্ন

ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জ এর টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে।

shatil al arab

পৃথিবী ধ্বংসের কিছু ভবিষ্যৎ বাণী

Sajib Chandra Das

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy