Now Reading
প্রবীণরা নয়, অনলাইন জরিপে তরুণরাই রয়েছেন এগিয়ে



প্রবীণরা নয়, অনলাইন জরিপে তরুণরাই রয়েছেন এগিয়ে

বাংলাদেশের আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু করে দিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।  বলা যায় গোটা দেশেই বইতে শুরু করে দিয়েছে নির্বাচনী হাওয়া। এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের আদিক্য দেখা যাবে। এদিকে নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন বেসরকারি অনলাইন জরিপে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আওয়ামীলীগ ও ঐক্যফ্রন্ট এর মধ্যে কে বেশি জনপ্রিয় এরুপ একটি অনলাইন জরিপে দেখা গেছে আওয়ামীলীগ এগিয়ে রয়েছে। দেশের জনগণ পূর্বের মত আওয়ামীলীগ উপরই পুনরায় আস্থা রাখতে চায়।

অপরদিকে অন্য আরেকটি জরিপে দেখা গেছে প্রবীণ নেতৃত্ব এর চাইতে তরুণ নেতৃত্বকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে জরিপে অংশগ্রহণকারীরা। যেহেতু অনলাইনে বেশিরভাগ সময় পার করে তরুণরা সুতরাং জরিপের শীর্ষে অবস্থান করছে এসব তরুণ রাজনীতিবিদরা। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মতে মেধাসম্পন্ন তরুণ নেতৃত্বের উপর ভর করে দেশের উন্নয়ন এবং পরিবর্তন দ্রুত সময়ে সম্ভব।

এক্ষেত্রে তরুণদের আবেগ অনুভূতি এবং চাহিদার সন্নিবেশ ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন এসব তরুণ রাজনীতিবিদরা যাদের মধ্যে সিংহভাগই আবার আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তেমনই একজন তরুণ রাজনীতিবিদ হচ্ছেন ফরিদ মাহমুদ যিনি যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী-যুবলীগের।

রাজনীতিতে ক্লিন ইমেজের অধিকারী হিসেবে যথেষ্ট পরিচিতি আছে ফরিদ মাহমুদের। জনাব ফরিদ একাধারে একজন সাহসি,অন্যায়ের প্রতিবাদকারী, প্রজ্ঞাবান, বিনয়ী, স্বহৃদয়বান ব্যাক্তি হিসেবে যুব সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। চট্টগ্রামে তাঁকে বলা হচ্ছে তরুণ রাজনীতির ট্রেন্ড। ফরিদ মাহমুদ প্রথম চট্টগ্রামে বর্তমান আওয়ামী সরকারের উন্নয়ন চিত্রগুলি পোস্টার আকারে নগরীর অলিতে গলিতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি সরকারের এ সফলতার চিত্র লিফলেট আকারে প্রকাশ করে কখনো মসজিদের মুসল্লিদের, কখনো মানুষের দুয়ারে, কখনো বাজারে, কখনোবা ওয়ার্ডের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে বিতরণ করছেন। চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে তিনি রোদ বৃষ্টি এবং শীতকে উপেক্ষা করে ছুটেছেন মানুষের ধারে ধারে। রাজনীতিতে একটা সময় ছিল যখন দলীয় প্রবীণ নেতা কিংবা কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সহমর্মিতা জানাতে ছুটে যেত দলের নেতারা, সেটা দিন দিন যখন অনেকটাই লোপ পেতে শুরু করে তখন ফরিদ মাহমুদ সেই ধারাটি পুনরায় ফিরিয়ে আনেন মহানগরের রাজনীতিতে। দলের নেতা কর্মীদের খোঁজ খবর রাখার পাশাপাশি তাদের বিপদে আপদে এবং অসুস্থতার খবর পেয়ে চট জলদি ছুটে গিয়েছেন তাদের কাছে। এতে করে কর্মীদের ভেতর স্তমিত হয়ে থাকা আত্মবিশ্বাস পুনর্জীবিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে তাঁকেই চট্টগ্রামে প্রথম এই ধারাটির আইকন ধরা যায় কেননা তাঁর দেখাদেখিতে নিজ দলসহ বিরোধী শিবিরের নেতারাও একই পদাঙ্ক অনুসরণ করছে। কর্মী বান্ধব ফরিদ মাহমুদের আরেকটি বিশেষ গুণ লক্ষ্যনীয় যে তিনি সহজেই সকলকে আপন করে নিতে পারেন ফলে আজকের দিনে পরিচয় হওয়া কর্মী সমর্থকও সহজেই তাঁর সাথে মানিয়ে যায় সহজে। তরুণদের কাছে ফরিদ মাহমুদ নামটি একটি অনুপ্রেরণার নাম। আগামী সংসদ নির্বাচনে ফরিদ মাহমুদ চট্টগ্রাম ১০ আসন থেকে নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করায়  কর্মীদের ভেতর উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম ১০ আসনের এমন কোন এলাকা বাকী নেই যেখানে ফরিদ মাহমুদের বিচরণ হয়নি। আওয়ামীলীগ সরকারের শাসনামলে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডেই প্রায় প্রতিদিনই কোননা কোন অনুষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগতভাবে হাজির হয়েছেন। কর্মীদের কাছে তিনি এতটা প্রিয় হওয়ার কারন, সহজেই তাঁকে আপন করে পাওয়া যায়। যেখানে অন্য নেতাদের সাক্ষাৎ পেতে বেগ পেতে হয় উল্টো ফরিদ মাহমুদ নিজেই হাজির হয়ে যান কর্মীদের কাছে। দলীয় কর্মীদের ভেতর তাঁর প্রতি এক বিশেষ আস্থা আছে যে, অন্য কেউ নিজ স্বার্থে দলের বিরুদ্ধে যেতে পারেন কিন্তু ফরিদ মাহমুদ সম্পূর্ণ বিপরীত। দলীয় এই আস্থাভাজন নেতার উপর আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে তাই আস্থা রাখতে চান উজ্জীবিত দলীয় কর্মীগণ। নগরীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলা এই সাহসী তরুণ নেতার সাথে সার্বক্ষণিক সহযোগীতা করছেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের চৌকষ একটি শক্তিশালী টিম। কর্মীদের এই নিরন্তর ভালবাসাই জনাব ফরিদ মাহমুদকে সামনে এগিয়ে যেতে প্রেরণা যোগাচ্ছে যা তাঁকে পৌঁছে দেবে সাফল্যের শীর্ষে।

About The Author
MP Comrade
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment