Now Reading
কিছু ছবিরমত স্থান যেগুলো সত্যিই আছে



কিছু ছবিরমত স্থান যেগুলো সত্যিই আছে

দ্য রিড ফ্লুট কেভ- গুয়াংজি, চীন

মাটির নিচে তৈরি এ গুহায় বাতাসের খেলায় নানা সুরের মূর্ছনা তোলে। তাই এর নাম ‘ফ্লুট কেভ’ রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে সূর্যের আলোতে স্ট্যালামাইট আর পাথরের পিলারগুলোকে হাল্কা নীল রঙের মনে হয়। দূর থেকে এ গুহাকে নীল রঙে আঁকা একটি ক্যানভাস বলে অনেকেরই ভুল হবে।

 

বৈকাল হ্রদ : রাশিয়া

 

বৈকাল হ্রদ রাশিয়ার সর্ব-উত্তরের অঞ্চল সাইবেরিয়ার দক্ষিণে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন হ্রদ। এটির চারদিক পাহাড় ঘেরা। ধারণা করা হয়, ২৫ থেকে ৩০ মিলিয়ন বছর আগে ‘বৈকাল ফাটল এলাকা’র ভূগর্ভে তীব্র আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠে একপ্রকার ফাটলের সৃষ্টি হয়; আর তারই ফলে এই বিশাল জলাশয়— বৈকাল হ্রদের সৃষ্টি। আয়তনের মতো গভীরতার বিচারেও এটি পৃথিবীর সর্ববৃহত্ হ্রদ।
৫ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার বা ২ লাখ ১৬ হাজার বর্গমাইল এলাকা জুড়ে এর অবস্থান। এই হ্রদ লম্বায় ৬৩৬ কিলোমিটার বা ৩৯৫ মাইল; চওড়ায় সর্বোচ্চ ৭৯ কিলোমিটার বা ৪৯ মাইল। এর গড় গভীরতা ৭৪৪.৪ মিটার বা ২ হাজার ৪৪২ ফুট; আর সর্বোচ্চ গভীরতা ১ হাজার ৪৪২ মিটার বা ৫ হাজার ৩৮৭ ফুট। সৈকত বা বেলাভূমির দৈর্ঘ্য ২ হাজার ১০০ কিলোমিটার (১ হাজার ৩০০ মাইল)। বৈকাল হ্রদ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১ হাজার ১৮৬.৫ মিটার বা ৩ হাজার ৮৯৩ ফুট নিচে।
এই হ্রদে রয়েছে ছোট-বড় ২৭টি দ্বীপ। সবচেয়ে বড় দ্বীপটির নাম ওলখন, যা লম্বায় ৭২ কিলোমিটার। বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর মধ্যে সর্ববৃহত্ স্বচ্ছ পানির হ্রদ। বিশালতার কারণে প্রাচীন চীনা পাণ্ডুলিপিতে এই হ্রদকে ‘উত্তর সাগর’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রকৃতির বিস্ময় বৈকাল হ্রদে সারা পৃথিবীর অনুসন্ধানী গবেষক আর সৌন্দর্যপিপাসু পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে সারাবছর।

 

টানেল অফ লাভঃ ইউক্রেন

“আরও দূরে চল যাই/ ঘুরে আসি/ মন নিয়ে কাছাকাছি তুমি আছো আমি আছি”। আপনিও কি চান ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে রোম্যান্টিক মুহূর্ত কাটাতে? হাতে হাত রেখে পথ চলতে? এমনই এক আদর্শ ঠিকানা “টানেল অফ লাভ”। ইউক্রেনের ক্লেভ্যান শহরে রয়েছে অসাধারণ সুন্দর এই জায়গাটি। জায়গাটি প্রেমের জুটিদের জন্য অন্যতম রোম্যান্টিক জায়গা।ক্লেভ্যান শহরের অদূরে জংগলের মাঝে অবস্থিত এই প্রাকৃতিক টানেল ইউক্রেন এবং পোল্যান্ড বাসী প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য এক পবিত্র স্থান। ক্লেভ্যান শহরের অদূরে জংগলের মাঝে অবস্থিত এই প্রাকৃতিক টানেল ইউক্রেন এবং পোল্যান্ড বাসী প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য এক পবিত্র স্থান। এ টানেলের সৌন্দর্য তিন ঋতুতে তিন রকম যেমন শীত কালে টানেলের সকল গাছ ঢেকে যায় বরফে ফলে এই সময় বরফে ঢাকা টানেলের সৌন্দর্য বিমোহিত করে সকল দর্শনার্থীদের। আবার বসন্ত কালে একই রূপে দেখা দেয় ভিন্নতা! এসময় সম্পূর্ণ টানেলে দেখা দেয় সবুজের আবহ ফলে টানেলটিকে মনে হয় সবুজ দুর্গ! এসময় টানেলের ভেতর দিয়ে হেঁটে বেড়ানো এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা। একই টেনেলের আরেক রূপ দেখা যায় যখন গ্রীষ্ম কাল আসে! এসময় টানেলের আশেপাশে সকল গাছ পালা হয়ে যায় পাতা শূন্য শুষ্ক!
৩ কিলোমিটারের এই রেলপথটি সবুজে ঢাকা। সারাদিনে সেই রেলপথে ৩বার ট্রেন চলাচল করে। রেললাইনের দু’পাশে শুধুই সবুজ গাছ। সেই পথ দিয়ে পথ চলার অভিজ্ঞতা অসাধারণ।

স্পটেড লেকঃ কানাডা

 

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার ওসোয়ো তে অবস্থিত এই লেক। বছরের নির্দিষ্ট কিছু সময়ে রূপ বদলায় লেকটি। গ্রীষ্মে প্রখর রৌদ্রে লেকের পানি বাষ্পীভূত হতে শুরু করে। পানি অনেক কমে আসে। লেকের জায়গাটিতে তৈরি হয় ছোট ছোট অসংখ্য পুল, আর সেগুলো হয় নানান বর্ণে বর্ণিল। এই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটে কারণ লেকের পানিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রার খনিজ পদার্থ। আছে ম্যাগনেশিয়াম সালফেট, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম সালফেটস। যে পুলের পানিতে যে খনিজ বেশি থাকে সেই অনুযায়ী কোন পুলের রঙ হয় সাদা, কোনটা হলুদ, কোনটা নীল আর কোনটা সবুজ।
চোখজুড়ানো সৌন্দর্যের পসরা সাজিয়ে ভূপৃষ্ঠে অবস্থান করা এই লেক প্রকৃতির অপরূপ রূপসুষমার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। লেকটির বিস্ময়কর সৌন্দর্যে বিমোহিত হতে আপনিও ঘুরে আসতে পারেন কানাডা থেকে!

দ্য ডার্ক হেজেসঃ নর্দান

18 তম শতাব্দীতে স্টুয়ার্ট পরিবার দ্বারা বীচ গাছের বিরোধিতামূলক সারিগুলি তাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রেসহিল হাউস পর্যন্ত একটি চিত্তাকর্ষক, সুন্দর রাস্তা তৈরির উদ্দেশ্যে ছিল। তবে গাছগুলি পরিপক্ক হয়ে যাওয়ার ফলে তারা রাস্তার উপরে বাঁকতে শুরু করে এবং তাদের উপরের শাখাগুলি একটি ছায়াপথীয় মেরুদণ্ডের সুড়ঙ্গ তৈরি করে।একবার আপনি আপনার গাড়ী থেকে বেরিয়ে আসেন এবং একবার নজর রাখেন, আপনি দেখতে পারেন কেন এটি কয়েক দশক ধরে ফটোগ্রাফার, চিত্রশিল্পী এবং উত্সাহী পর্যটকদের আকর্ষণ করেছে। জনমতে জানা যায় এই পথটিতে দেখা মেলে ‘গ্রে লেডি’ নামক একটি অতৃপ্ত আত্মার।

About The Author
MD BILLAL HOSSAIN
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment