সন্ত্রাসবাদ ও দমন

বড় ধরনের একটি জেনেটিক ভুলের মাশুল গুনছে বাংলাদেশ!

অন্য ১০ দিনের মতই অতি সাধারণ একটি দিন। বাংলাদেশ নামক দেশটির ১৭ কোটি মানুষের জন্য একটি সাধারণ দিন হলেও একদল মানুষের জন্য এই দিনটি অসাধারণ। কারন আজকের পর থেকে তাদের প্রতিটি দিনই হবে অসাধারণ। Their life is about to change in a big way.

বছরের পর বছরের গবেষণার ফল আজ পাওয়া যাবে। তাদের অনেক সাধনার ফসল। বহুদিনের নিরলস পরিশ্রমের ফসল। নিজেদের অজান্তেই তারা ভুল ক্রমে তৈরি করে ফেলেছে নতুন ধরনের এক অদ্ভুত প্রজাতির প্রাণী। যে প্রাণীর মূল অংশ ব্রেইন বা মস্তিষ্ককে তারা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। গবেষণার জন্য বিদেশ থেকে এসেছে লক্ষ – কোটি টাকার ফান্ড। কাড়ন তাদের স্পন্সর বুঝতে পেরেছিল, বাংলাদেশে এই নতুন আবিষ্কার খুব বড় অবদান রাখবে কিছু বিশেষ ব্যাপারে। এখন তাদের অপেক্ষা একটি ফোন কলের।

উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছে সেই কাঙ্গখিত ফোনের জন্য। আসতে পারে যেকোন সময়ে। তর যেন সইছেনা।

ক্রিং ক্রিং

শেষ হল অপেক্ষার। আসল সেই বহুল পরীক্ষিত ফোন।

“হ্যালো স্যার”

ফোনের অপর প্রান্ত থেকে একটি কণ্ঠ ভেসে আসল

“তাদের ছেড়ে দাও রাস্তায় মানুষের মত করে”

বসের আদেশ পেয়ে তাদের শরীরে যেন শিহরন বয়ে গেল। বজ্রকণ্ঠের মত শোনাল সেই আদেশ।

এবার শুরু করার পালা। বহু বছরের গবেষণা এবার বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে। তাদের বানানো সেই অদ্ভুত প্রাণীগুলোকে তারা ছেড়ে দিবে রাস্তায়, মিশিয়ে দিবে ১৭ কোটি মানুষের সাথে।

কিনত সামনে আছে বিশাল এক চ্যালেঞ্জ। প্রাণীগুলোর মাঝে বোর ধরনের জেনেটিক পরিবর্তন করতে হবে। মানুষের সমাজে মিশিয়ে দেয়াড় জন্য তাদের মানুষের মত দেখতে হবে। এত অল্প সময়ে এটি কিভাবে সম্ভব।

প্রজেক্ট ম্যানেজার জরুরী মিটিং ডাকল সবাইকে নিয়ে। বড় একটি সমস্যার সমাধান করতে হবে। চলল রাতদিন গবেষণা। জেনেটিক মডিফিকেশনের কাজ প্রায় শেষ। এবার জেগে উঠার পালা।

কিন্তু, একটা ভুল করে ফেলল তারা। and its a major Fundamental Mistake.

তার সেই ভুলটি হল – তাদের তৈরির প্রথম ধাপে যখন তাদের DNA কে পরিবর্তন করা হচ্ছিল। মুল প্ল্যান ছিল সাপের সাথে কুকুরের মিশ্রণে তৈরি করা হবে নতুন প্রাণীটির জেনেটিক কোড কিন্তু একজন গবেষকের লালসার শিকার হল সেই গবেষণার সেই কুকুর। প্রাণিতই তৈরি হল কুকুর আর মানুষের মিশ্রণে। বদলে গেল সম্পূর্ন জেনেটিক কোড।

ভুল সহ ছেড়ে দেয়া হল তাদের ১৭ কোটি মানুষের মাঝে। অবিকল মানুষের মত দেখতে প্রাণীগুলোকে। কেউ বুঝতেও পারল না তারা যে মানুষ না।

শুরু হল তাদের কার্যক্রম।

প্রাণীগুলোকে দুটি ভাগ্যে ভাগ করে দেয়া হল দুটি বিশেষ ক্ষমতা।
তার মধ্যে একটি ভাগকে দেয়া হল , তাপ সংবেদনশীলতা। অর্থাৎ, তারা আগুনকে ভয় পায় না। আগুন তাদের কিছু করতে পারে না। তারা যেকোন কিছু শুধু আগুন দিয়ে করতে পারে। তাদের সবকিছু তাপ-আগুন এগুলোর মিশ্রণ থাকে।আরেকটি ভাগকে দেয়া হল আঙ্গুলের বিশেষ ক্ষমতা। তাদের ১০টি আঙ্গুল অন্যান্য যেকোন প্রাণীর আঙ্গুলের চাইতে আলাদা। তাদের এই আঙ্গুলগুলোতে কখনও কোন ব্যাথা অনুভূত হবে না। কখনও ক্লান্ত হবে না। এই ক্ষমতাটি দেয়া হল তাদের একটি বিশেষ কারণে। শুরু হল তাদের আসল কার্যকরম – তাদের প্রথম অপারেশন – “অপারেশন ফায়ার” ।

এরপর কি হলো তা দেখতে চলে যান এই লিঙ্কে https://www.youtube.com/embed/o7LwlUQoAjg

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

সুপারহিরো সোয়াত

MP Comrade

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি যখন কোচিং বাণিজ্য নির্ভর

Tanvir Hasan

সিরিয়ায় খেল দেখাল আমেরিকা

MP Comrade

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy