Now Reading
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাবে (এনআইডি)



প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাবে (এনআইডি)

জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) যেকোনো দেশের নাগরিকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এনআইডি একজন ব্যক্তির পরিচয় বহন করে। আপনার পরিচয় কি, আপনি কোন দেশের নাগরিক ইত্যাদি তথ্য এনআইডি বহন করে।তাই এনআইডি প্রত্যেকটি মানুষের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশি তাদেরকে জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়। কিন্তু আমরা যখন বিদ্যালয়ে ভর্তি হই তখন আমাদের বয়স থাকে ১৮ বছরের অনেক কম। যখন আমাদের ১৮ বছর পূর্ণ হয়ে যায়, তখন সাধারণত আমরা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ফেলি। তারপর জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) পাওয়ার পর অনেক সময় দেখা যায় আমাদের স্কুল কলেজের নাম বা বয়সের সাথে জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) তে দেয়া নাম ও বয়সের মিল থাকে না। এর ফলে আমাদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

তাই জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী যাতে সবাই স্কুলে ভর্তি হতে পারে সেই উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০ বছর বয়সের শিশুদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিবে (ইসি)।

২০১৫ সালে নেওয়া শূন্য বছর বয়স থেকে এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলো (ইসি)। সেই পরিকল্পনা অংশ হিসেবে প্রথমে ছিল ১৬ বছর বয়সীদের জাতীয় পরিচয় (এনআইডি) নিবন্ধন কার্যক্রম, যা বর্তমানে ১০ বছর বয়সীদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে তাদের অস্থায়ী এনআইডি দেওয়া হবে। তবে ভোটার তালিকায় যুক্ত হবে বয়স ১৮ হলেই।
২০১৫ সালের ২৫ জুলাই থেকে প্রথমবারের মতো ১৮ বছরের কম বয়সীদের তথ্য নেয় কমিশন। সে সময় ১৬ বছর বয়সীরাও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. আবদুল বাতেন এ বিষয়ে বলেন, ‘’চলতি বছর ১০ বছর থেকে বয়স থেকে নাগরিকদের নিবন্ধন করে অস্থায়ী লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে’’। এনআইডি দেওয়া হলেও তারা ভোটার তালিকায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবেন বয়স ১৮ হলেই।
তিনি আরও বলেন, অস্থায়ী কার্ডের পরিবর্তে তাদেরকে স্মার্টকার্ড দেয়া হবে। এ কাজের জন্য ইসির প্রস্তুতি আছে।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ এর ৫(২) অনুযায়ী-ভোটার নয়, এমন নাগরিককে নির্ধারিত পদ্ধতি ও শর্ত সাপেক্ষে জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে পারবে কমিশন। এ আইনের বলেই কমিশন এ উদ্যোগ নিয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০ বছর বয়সের শিশুদের জাতীয় পরিচয়পত্র দিতে প্রতিটি স্কুলে যাবে ইসি। আব্দুল বাতেন বলেন, স্কুলের শিক্ষকদের তথ্য সংগ্রহের জন্য কাজে লাগানো হবে। কেননা, প্রাথমিক বিদ্যালয়েই অধিকাংশ দশ বছর বয়সী এবং হাইস্কুলে দশের বেশি বয়সীদের তথ্য চলে আসবে। এজন্য স্কুলে নিবন্ধন ফরম পাঠিয়ে দিলে শিক্ষকদের মাধ্যমেই পূরণ করিয়ে নেওয়া যাবে। আর আঙুল ও চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় তো সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। এবং আর যেসব শিশুরা পড়াশুনা করে না তাদেরকে নির্দিষ্ট দিনে উপজেলা/থানা নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে নিবন্ধন করা হবে। কাজেই উদ্যোগটি বাস্তবায়নে সমস্যা হবে না।
এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন হয়ে গেলে আমাদের স্কুল কলেজের কাগজ পত্রের সাথে প্রাপ্ত জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) যে অমিল গুলো হয়, সেগুলা আর হবে না এবং বিভিন্ন সমস্যা গুলো দূর হয়ে যাবে।

About The Author
MD BILLAL HOSSAIN
MD BILLAL HOSSAIN
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment