ভ্রমন কাহিনী

ওয়ার্ল্ড স্কেয়ারিস্ট ব্রীজ “ঝাংজিয়াজি গ্র্যান্ড ক্যানিয়ান”

আজব এই দুনিয়ায় বিস্ময়ের শেষ নেই। প্রতিদিন বিস্ময়কর কোনো না কোনো ঘটনা আমাদের চারপাশে ঘটেই যাচ্ছে। আর এই ঘটনাগুলোর খুব কম সংখ্যকই বিশ্বের সকল মানুষ জানতে পারে। যেমন ধরা যাক, পৃথিবীতে যে কাচের তৈরি সেতু আছে সেটাই বা কজন মানুষ জানে। আর যদি কাচের সেতুর কথা জেনেও থাকে কিন্তু কাচের কোন সেতুটি সবচেয়ে দীর্ঘ এবং উচু তা নিশ্চিতভাবে অনেকেরই জানে না।

বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশ চীন। শুধু অর্থনৈতিক শক্তিই না বরং দেশটি এখন পর্যটকবান্ধব দেশ হিসেবেও বহু পরিচিতি পেয়েছে। এমনিতেই ব্যবসার কাজে প্রতিবছর বহু বিদেশী চীন ভ্রমণ করেন। এসব পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান তৈরি করেছে চীন যা খুবই ভয়ংকর। আপনার বুকের পানি শুকিয়ে দিতে যথেষ্ট এরকমই কিছু ভয়ঙ্কর জায়গাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ঝাংজিয়াজি গ্র্যান্ড ক্যানিয়ান।

PC: Zhangjiajie national forest

ঝাংজিয়াজি গ্র্যান্ড ক্যানিয়ান সেতুটি ঝাংজিয়াজি, চীনের Wulingyuan এলাকার উপর অবস্থিত। পর্যটকদের আকর্ষণ হিসাবে নির্মিত এই সেতুটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ কাচের উপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম এবং লম্বা কাচের সেতু। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪৩০ মিটার এবং প্রশস্ত ৬মিটার এবং মাটি থেকে ৩০০ মিটার উপরে স্থগিত করা হয়। এই সেতুটি চীনের কেন্দ্রীয় হুনান প্রদেশের ঝাংজিয়াজি ন্যাশনাল ফরেস্ট পার্কের দুটি পাহাড়ের খিলানগুলির মধ্যে ক্যানিয়ন বিস্তৃত করে । এটি একসাথে ৮০০ দর্শনার্থী বহন করতে পারবে এভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

চীনের হুনান প্রদেশের জাতীয় উদ্যানে সম্প্রতি তৈরি করা বিশ্বের সবেচেয়ে দীর্ঘ এবং উঁচু কাচের এই পায়ে হাটা সেতুটি মাত্র কদিন আগেই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে চীন সরকার। তুলনামূলক দিক দিয়ে গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের স্কাইওয়াক এবং কানাডার গ্লেসিয়ার স্কাইওয়াকের চেয়েও দীর্ঘ এই সেতুটি। কানাডার সেতুটি উন্মুক্ত করা হয়েছিল গত বছর এবং পর্বতগাত্র থেকে প্রায় ৩৫ মিটার উচুতে এর অবস্থান।

PC: Wikipidia

চীনের এই সেতুটির নকশা করেছেন ইসরায়েলি স্থাপত্যবিদ হাইম দোতান। অবশ্য তার জন্য এটাই প্রথম চ্যালেঞ্জিং কাজ নয়। এর আগে চীনের সাংহাইয়ে এক্সপো ২০১২ প্যাভিলিয়নের নকশাটিও তিনি করেছিলেন। তার মতে, নতুন এই কাচের সেতুটিতে একসঙ্গে আটশ’ মানুষ চলাচল করতে পারবে এবং ফ্যাশন শো’র জন্য এই কাচের রাস্তাটিকে ব্যবহার করা যেতে পারে। শুধু তাই নয়, এই সেতু থেকে বাঙ্গি ঝাপ দেয়া যাবে। এর আগে বাঙ্গি ঝাপ দেয়ার জন্য বিখ্যাত ছিল ম্যাকাও টাওয়ার।

সেতুটি খুলে দেওয়ার মাত্র ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ২সেপ্টেম্বর কর্তৃপক্ষ একটি নোটিশ দেয়, যে তারা দর্শকদের অপ্রতিরোধ ট্র্যাফিকের কারণে সেতুটি বন্ধ করছে। এই সেতুটিতে একসঙ্গে ৮০০জন পরিদর্শন করতে পারবে এভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল এবং প্রতি দিন প্রায় ৮০০০ মানুষ পরিদর্শন করার প্রত্যাশিত ও প্রতি দিন ৮০০০০ এরও বেশি দর্শককে আকৃষ্ট করেছিল।

কর্তৃপক্ষ বলেছে যে, “পার্কের উন্নতি ও আপডেট করার জরুরিতা” এর কার পার্কগুলি, টিকিট বুকিং সিস্টেম এবং গ্রাহক সেবা সহকারে সরকার অপারেশন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেতুটি আবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে পুনরায় চালু হয়।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

ভারত ভ্রমনের ৩য় দিন(আগ্রা)

FAHAD BIN HUSNE ALI

সেন্ট মার্টিন যেতেও এখন ভিসা লাগবে…

salma akter

সবুজের উদ্যান ‘জিন্দা পার্ক’

Mehedi Hasan

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy