Now Reading
প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহক বৃদ্ধি



প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহক বৃদ্ধি

চট্টগ্রামে ১,৩৯,০০০ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। প্রি পেইড মিটার হল একধরনের বিশেষ বৈদ্যুতিক মিটার যে মিটারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপর সাথে সাথেই টাকা কেটে নেওয়া হয় এবং মিটারের জমা ক্রিত টাকা শেষ হয়ে গেলেই মিটার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়। পুনরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে মিটারটিতে নতুন করে টাকা রিচার্জ করতে হয়। দুই ধরণের প্রি পেইড মিটার রয়েছেঃ স্মার্ট কার্ড মিটার ও কী-প্যাড প্রি পেইড কার্ড মিটার।
প্রিপেইড মিটারের ইনস্টলেশন কাজটি ২০১৬ সালের নভেম্বরে শুরু হয়েছিলো। নগরীর চারটি বিদ্যুৎ বিতরণ এলাকা আগ্রাবাদ, খুলশী, পাহাড়তলী এবং স্টেডিয়ামের আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভোক্তাদের পর্যায়ক্রমে প্রিপেইড মিটারিং সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছে।


es-es.facebook.com

বিপিডিবি সূত্র জানায়, প্রিপেইড মিটারিং প্রকল্প দেশ জুড়ে ২.২ মিলিয়ন মিটার ইনস্টল করার একটি অংশ, বিদ্যুৎ বিলিং সিস্টেম আধুনিকায়ন করতে এবং বিদ্যুৎ সেবা সমগ্র দেশে নিশিত করতে ও গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সাশ্রয়ী বৃদ্ধি করতে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন বাংলাদেশ সরকার ।
২০০৯ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে অনুমোদিত প্রকল্পটি বিভিন্ন জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত ছিল। এ পর্যন্ত, প্রকল্প সময়সীমা তিনবার বাড়ানো হয়েছে।
বিপিডিবি বিগত বছরে চীনা ফার্ম ‘হেক্সিং ইলেকট্রিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য ‘দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের প্রাক-পেমেন্ট মিটারিং প্রকল্পের প্রকল্প (চট্টগ্রাম ফেজ -1)’ এর সাথে একটি চুক্তি সই করেছে, যার ব্যয় হবে প্রায় ১.৩৭কোটি টাকা। প্রকল্পটির মোট খরচ থেকে ১০০ কোটি টাকা প্রাক-প্রদেয় মিটার এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সংগ্রহের জন্য ব্যয় করা হবে, বাকি অর্থ ব্যয় বিকাশের জন্য ব্যয় করা হবে। প্রিপেইড মিটার প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন আহমেদ জানান, চীনের কাছ থেকে প্রায় ১.৭মি প্রিপেইড মিটার ইতিমধ্যেই প্রথম কনস্যিনমেন্ট হিসাবে পৌঁছেছে।

cplusbd.net

“বাকি বছরের প্রাক-প্রদত্ত মিটারগুলি এই বছরের শেষ নাগাদ পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।
২০১০ সালের ডিসেম্বরে বন্দর নগরীতে প্রিপেইড মিটারিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে, “প্রকল্প পরিচালক বিজিবিবির প্রধান প্রকৌশলী মো আজহারুল ইসলাম।
চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় পর্যায়টি এর পর পরই শুরু করেছিলেন ১.৫০ লক্ষ প্রচলিত মিটার প্রিপেইড মিটার দ্বারা প্রতিস্থাপিতক্রা হয়। এর আগে ২০০৭ সালে পোর্ট সিটির আগ্রাবাদ ও খুলশী এলাকায় ২০ হাজার বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রিপেইড বিলিং সিস্টেমের আওতায় আনা হয়েছিল।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সংসদ অধিবেশনে জানায় যে, ২০২১ সালের মধ্যে দেশের সব শহর এলাকা জুড়ে এবং ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রাম এলাকার সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
আওয়ামী লীগের এমপি ওয়ারেসাত হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদকে এই তথ্য দেন নসরুল হামিদ।
সরকারের পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের মোট গ্রাহক সংখ্যা সোয়া তিন কোটি। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯৩ শতাংশ বর্তমানে বিদ্যুত সুবিধা পাচ্ছে।

About The Author
Sharmin Boby
Sharmin Boby
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment