Now Reading
তুরস্ক ও ইরান নামছে যৌথ অভিযানে সম্মুখে থাকবে কুর্দি মিলিশিয়া……



তুরস্ক ও ইরান নামছে যৌথ অভিযানে সম্মুখে থাকবে কুর্দি মিলিশিয়া……

কুর্দি মিলিশিয়া গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে তুরস্ক ও ইরান। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান পর্যায়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিগত কয়েক দশক ধরে কুর্দি বিদ্রোহীদের সংগঠন কুর্দিশ ওয়ার্কাস পার্টির (পিকেকে) বিরুদ্ধে লড়াই করছে তুরস্ক। আর ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী পিকেকে সমর্থিত গ্রুপ পার্টি অব ফ্রি লাইফ অব কুর্দিস্তান (পিজেএকে) এর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এই দুটি গ্রুপেরই প্রতিবেশি ইরাকে ঘাঁটি রয়েছে।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলাইমান সোইলু রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা ইরানের সঙ্গে পিকেকে’র বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালাবো। তুরস্ক ও এর পশ্চিমা অনেক মিত্র পিকেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
২০১৭ সালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান ইরাকে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। ওই সময়ে তিনি বলেছিলেন, কুর্দি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তুরস্ক-ইরানের যৌথ অভিযান সবসময়ই আলোচনায় রয়েছে। তিনি জানান, দুই দেশের সেনাপ্রধান এই অভিযান নিয়ে আলোচান করছেন। তবে ওই সময়ে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের তরফ থেকে ওই খবর অস্বীকার করা হয়।

তুরস্কের কাছ থেকে স্বাধীনতার দাবিতে ৩৫ বছর ধরে লড়াই করছে পিকেকে। এই লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছে উভয়পক্ষের হাজার হাজার মানুষ। সম্প্রতি তারা তুরস্কের কুর্দি সংখ্যালঘুদের জন্য বৃহত্তর সায়ত্ত্বশাসনের দাবি করেছে। ইরাকের পার্বত্য এলাকায় পিকেকে’র ঘাঁটিতে প্রায়ই বোমাবর্ষণ করে তুরস্কের সেনাবাহিনী।
সিরিয়ার সংঘাতে তুরস্ক ও ইরান পাল্টাপাল্টি গ্রুপকে সমর্থন করলেও নিজের এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক শক্তি দাবি করা দেশ দুটি সিরিয়ায় একটি রাজনৈতিক সমাধানের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করছে। তুরস্ক সিরিয়ার বিদ্রোহীদের সমর্থন করলেও সিরিয়ার সরকারের মূল বিদেশি মিত্রদের মধ্যে অন্যতম রাশিয়া ও ইরান।

About The Author
salma akter
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment