Now Reading
রুমানিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের জবাবে ক্রিমিয়ায় পরমাণু অস্ত্রবাহী বোমারু বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার।



রুমানিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের জবাবে ক্রিমিয়ায় পরমাণু অস্ত্রবাহী বোমারু বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত রাশিয়ার।

২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রাশিয়া। তখন থেকেই দুই দেশের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। উত্তেজনার মধ্যেই ১০১৮ সালের ডিসেম্বরে ক্রিমিয়ায় রুশ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে রাশিয়া। সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে অঞ্চলটিতে পরমাণু অস্ত্রবাহী বোমারু বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিলো মস্কো।

রুমানিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের জবাবে ক্রিমিয়ায় পরমাণু অস্ত্রবাহী বোমারু বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া। রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ভিক্তোর বোন্দারেভ দেশটির এমন সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। মস্কোয় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ক্রিমিয়ার ভারদিস্কোই বিমান ঘাঁটিতে দূরপাল্লার তোপোলেভ টিইউ-২২এম৩ বোমারু বিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভিক্তোর বোন্দারেভ বলেন, ‘রুমানিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন রাশিয়ার জন্য একটি মারাত্মক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলার জন্যই ক্রিমিয়ায় পরমাণু অস্ত্রবাহী বোমারু বিমান মোতায়েনের পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রাশিয়ার এ পদক্ষেপের ফলে এ অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্যে আমূল পরিবর্তন আসবে।’

রাশিয়ার এই আইনপ্রণেতা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ক্রিমিয়ায় মোতায়েন হতে যাওয়া কৌশলগত এসব বোমারু বিমান ইউরোপের যে কোনও স্থানে থাকা আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।

About The Author
salma akter
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment