Now Reading
আজকের বাংলাদেশ আমাদের এক দশকের প্রচেষ্টার বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী



আজকের বাংলাদেশ আমাদের এক দশকের প্রচেষ্টার বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আজকের বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন বিশ্ববাসী বাংলাদেশের নাম শুনলে সম্মানের চোখে দেখে। এটুকুই আমার তৃপ্তি। তিনি আরো বলেন আজকের বাংলাদেশ আমাদের এক দশকের প্রচেষ্টার বাংলাদেশ। তিনি বলেন আমাদের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার অর্জন করতে যাচ্ছি। আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধি এ অর্থবছরে আট ভাগ অর্জন করতে যাচ্ছি। আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত স্বাধীনতা পদক-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। এ দিবস আমরা আগামীকাল উদযাপন করব। বাংলাদেশের মানুষের একেবারে গ্রামের প্রতিটি মানুষের ঘরে যেন স্বাধীনতার সুফল পৌঁছায়, প্রতিটি মানুষ যেন উন্নত জীবন পায়। একটি মানুষও ক্ষুধার্ত থাকবে না, গৃহহারা থাকবে না। বিনা চিকিৎসায় কষ্ট পাবে না। তাদের জীবনটা অর্থবহ হবে, সুন্দর হবে, উন্নত হবে- সেটাই আমাদের লক্ষ্য।
শেখ হাসিনা বলেন, সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা রাষ্ট্র পরিচালনা করে যাচ্ছি। আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জীবনে এ স্বাধীনতার সুফল পৌঁছাক। যেটা জাতির পিতার লক্ষ্য ছিল, স্বপ্ন ছিল। তিনি বেঁচে থাকলে আমরা স্বাধীনতার পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যেই তা অর্জন করতে পারতাম। কিন্তু ১৫ই আগস্ট আমাদের সেই সম্ভাবনা কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু আজকে যখন আমরা সেই সুযোগ পেয়েছি তার আদর্শ বুকে ধারণ করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা জানি, এরকম আরও অনেক জন রয়ে গেছেন। সকলকে হয়ত আমরা দিতে পারছি না। আমি আহ্বান করব, আজকের বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে, এর পিছনে যাদের অবদান রয়েছে, এমনকি গ্রাম বাংলায় ছড়িয়ে আছে অনেকে। যারা তাদের ক্ষুদ্র বা অল্প সম্পদ দিয়েও একটু সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তাদেরকে সহযোগিতা করে। এই ধরনের যারা অবদান রাখে দেশের কল্যাণে, জনগণের কল্যাণে, মানুষের কল্যাণে, মানুষের জন্য; আমি মনে করি তাদেরকেও আমাদের খুঁজে খুঁজে বের করা প্রয়োজন। তারা যে মানবকল্যাণে অবদান রেখে যাচ্ছেন, সেজন্য তারা পুরস্কারপ্রাপ্তির যোগ্য।
’আজকে ২৫শে মার্চ, গণহত্যা দিবস। ইতিমধ্যে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল, আমরা লাখো মানুষ হারিয়েছি। কাজেই এ দিনটি গণহত্যা দিবস হিসেবে যেন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় সেটার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা চালাতে হবে বলে বলেছেন শেখ হাসিনা।
২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন উদযাপনের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘ইনশাল্লাহ, এর মধ্যেই এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং স্বাধীনতার সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে প্রতিটি মানুষ উন্নত সুন্দর জীবন পাবে।

About The Author
Md Meheraj
Md Meheraj
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment