Now Reading
আত্মহত্যা করেছেন মেক্সিকোর রকস্টার আর্মান্দো ভেগা ঘিল



আত্মহত্যা করেছেন মেক্সিকোর রকস্টার আর্মান্দো ভেগা ঘিল

মি টু হ্যাশটাগটি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল ২০০৬ সালে। তারানা বার্কে নামের একজন মার্কিন সমাজকর্মী ও সংগঠক এটি ব্যবহার করেছিলেন। যৌন নিপীড়নের ভয়াবহতাকে নজরে আনতে ‘মি টু’ কিংবা ‘আমিও বলতে চাই’ হ্যাশট্যাগে বিশ্বের সব নারীর প্রতি নিপীড়নের ঘটনা ফাঁস করতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় গত বছর মার্কিন অভিনেত্রী আলিসা মিলানো একই হ্যাশট্যাগে একজন প্রযোজকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলেন। তারই প্রেরণায় প্রথমে হলিউড এবং পর্যায়ক্রমে বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত নারীরা ‘মি টু’ হ্যাশট্যাগটিকে হাতিয়ার করেন।

‘‌মি টু মেক্সিকান মিউজিশিয়ান্স’‌ শীর্ষক আন্দোলনে দেশের জনপ্রিয় রক ব্যান্ড বোতেল্লিতা ডি জেরেজের প্রতিষ্ঠাতা আর্মান্দোর বিরুদ্ধে এক নারী কিশোরী বয়সে যৌন নিপীড়নের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, ১৩ বছর বয়সী অবস্থায় তিনি আর্মান্দোর নিপীড়নের শিকার হন। ওই অভিযোগের পর রীতিমতো ভেঙে পড়েন ৬৪ বছরের রক শিল্পী। টুইটার পোস্টে সুইসাইড নোটে তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা মি টু–র অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। অপরাধবোধে নয় অত্যন্ত অপমানিত হয়েই তিনি আত্মঘাতী হচ্ছেন। কারণ এই অভিযোগের পর তাঁর ছেলে কীভাবে সমাজে মুখ দেখাবে তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত তিনি।

এদিকে আর্মান্দোর মৃত্যু প্রশ্নে দুই ধারায় বিভক্ত হয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মতামত। একপক্ষ প্রশ্ন তুলেছে, নির্দোষ হয়ে থাকলে কেন তার প্রমাণ দিলেন না আর্মান্দো। অপর পক্ষের অভিযোগ, আদালতের আগেই সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মে আর্মান্দোকে দোষী সাব্যস্ত করে ফেলেছিল নেটিজেনরা। অসহায় হয়েই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন।

বোতেল্লিতা ডি জেরেজের আরেক সদস্য পাওলা হার্নানডেজ বলেছেন, সোমবার ভোররাত দুটো নাগাদ ফোনে কথা বলার সময়ই আর্মান্দোকে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত লেগেছিল তার। নিজেকে বারবার নির্দোষ বলে দাবি করলেও কীভাবে তা প্রমাণ করবেন তা বুঝতে পারছিলেন না শিল্পী। আত্মহত্যার জন্য কাউকে দায়ীও করে যাননি আর্মান্দো। পুলিস তাঁর সুইসাইড নোট উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।

About The Author
salma akter
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment