Now Reading
এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স হতে পারে একটি জাতির অস্তিত্ব বিনাশকারী



এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স হতে পারে একটি জাতির অস্তিত্ব বিনাশকারী

এন্টিবায়োটিক বা এন্টিব্যাক্টেরিয়াল হলো এমন একটি ওষুধ যা কাজ করে ব্যাকটেরিয়ার উপর। ইনফেকশন বা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমনে ব্যবহার করা হয় এই জাতীয় ওষুধ। এই এন্টিবায়োটিক যেমন জীবন বাঁচাতে কাজে লাগে, তেমনি এর প্রভাব কিন্তু জীবন বিনাশে ও থাকতে পারে। কি চমকে উঠলেন? হ্যাঁ, এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার না হলে দেহে তৈরী হতে পারে এন্টিবায়োটিক রেসিসট্যান্স! আর এই এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স এর কারনে সামান্য অসুখ ও হতে পারে প্রাণঘাতী।

World Health Organisation (WHO) এর মতে, এন্টিবায়োটিক রেসিসট্যান্স এখন গোটা জাতির জন্য হুমকিস্বরুপ। এটি যেকোন সময়, যেকোন দেশের মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। মানুষ ও অন্যান্য জীবের দেহে এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার না করার ফলে এই এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এন্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স কি?
সামান্য সর্দি-জ্বর থেকে মৃত্যু! ভাবা যায়? আপনার শরীরে সামান্য ঘা, সারছে না কোন ওষুধেই! আপনার শরীরে কোন ওষুধই কাজ করছে না?
এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাওয়াকে বলা হয় এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর থেকেই চিকিৎসা ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়েছে এবং অনেক মানুষ মারাত্মক কিছু রোগের কবল থেকে নিষ্কৃতি পেয়েছে। কিন্তু অপ্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক সেবনের ফলে দেহে সৃষ্টি হচ্ছে এন্টিবায়োটিক রেসিসট্যান্স অর্থাৎ এন্টিবায়োটিকের বিরূদ্ধে ব্যাকটেরিয়া তাদের নিজস্ব গঠনশৈলী পরিবর্তন করে ফেলছে। এতে করে পরবর্তীতে এই সব ওষুধ আর ওই ব্যক্তির দেহে কাজ করছে না। এর মানে হল, একটি এন্টিবায়োটিকের বিরূদ্ধে কোন ব্যাক্টেরিয়া যদি রেসিসট্যান্স গঠন করে তখন ওই ব্যক্তির শরীরে ওই এন্টিবায়োটিক আর কখনই কাজ করবে না।

এন্টিবায়োটিক রেসিসট্যান্স এর হাত থেকে বাঁচতে যা করতে হবেঃ

১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা।

২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা।

৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ধারনা নেয়া।

৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা।

About The Author
Upama Tisha
Upama Tisha
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment