চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের মিরসসরাই হতে পারে আপনার ভ্রমনের পছন্দসই জায়গা

এই কর্মব্যস্ত জীবনে একটু প্রশান্তি কে না চায়? বর্তমানে মানুষের বিনোদের চাহিদা বেড়েছে পূর্বের তুলনায়, একটু ফাঁক পেলেই মানুষ নিরিবিলি, শান্ত, সুন্দর ও মোহনীয় কোন জায়গার নিবিড় সান্নিধ্যে যেতে চায়। আমাদের তরুনরা এখন হয়ে উঠছে ভ্রমন পিপাসু, এতে করে সমৃদ্ধ হচ্ছে তাদের জ্ঞানের পরিধি। অজানাকে জানার প্রত্যয় নিয়ে এখন বেশিরভাগ তরুনরাই ছুটছে বিভিন্ন ট্রেকিং এর দিকে। এই ভ্রমনকে কেন্দ্র করে নানা পেজ এবং গ্রুপ খুলে তারা ট্রেকিং এ যাচ্ছে এবং পরিচিত হচ্ছে একে অপরের সাথে।নতুন কোথাও বেড়াতে যাওয়া আপনার মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানোর পাশাপাশি আপনাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। চলতি পথে অপরিচিত পরিবেশে বিভিন্ন কঠিন সমস্যার মুখোমুখি হওয়া, নতুন সব মানুষের সাথে মিলেমিশে চলার ফলে আপনি অনেক কিছুর সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে শিখবেন।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি আমাদের প্রাণপ্রিয় চট্টগ্রাম।চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার মীরসরাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিশাল এক ভান্ডার ।
মিরসসরাইয়ে আছে মহামায়া লেক এবং আট স্তরের খৈয়াছড়ার ঝর্না যা ইদানীংকালে ভ্রমনপিপাসুদের পছন্দের তালিয়ায় মোটামুটি শীর্ষে অবস্থান করছে।

মহামায়া লেকঃ
মহামায়া লেক চট্টগ্রামের মিরসসরাইয়ে অবস্থিত দ্বিতীয় বৃহত্তম একটি কৃত্রিম লেক।এই লেকের দৈর্ঘ্য প্রায় ১১ বর্গ কিলোমিটার।ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মিরসসরাইয়ের ঠাকুরদীঘি বাজার থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।মহাসড়কের পাশেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাইনবোর্ড। ঠাকুর দীঘি এলাকা থেকে পূর্ব দিকে ১ কিলোমিটার রাস্তার পরেই মহামায়া লেক। মহামায়া ইকো পার্কে গেলেই এই লেকটির দেখা মেলে।এই অসাধারন সুন্দর লেকটি পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলে অনেকেই দূর দুরান্ত থেকে এখানে ভ্রমন করতে আসেন। এর নীলাভ সুন্দর জলরাশি আর দু-ধারে সারি করা পাহাড় মন ছুঁয়ে যাবে যে কারোর। ছোট ছোট কিছু ইঞ্জিন চালিত বোট এখানে পাওয়া যায়। পিকনিক স্পট হিসেবে জায়গাটি অনেক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।

চট্টগ্রাম থেকে কিভাবে যাবেন মহামায়া লেকে?
কদমতলী অথবা মাদারবাড়ী বাস স্টপেজ থেকে মিরসসরাই যাবার জন্য বাস, মাইক্রোবাস কিংবা সি এন জি তে উঠতে পারেন। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার ও সিটি গেইট থেকে কিছু লোকাল বাস পেতে পারেন যেগুলো ঠাকুরদীঘি পর্যন্ত যায়। জনপ্রতি ভাড়া ৪০-৬০ টাকা আসতে পারে। এরপর ঠাকুরদীঘি থেকে লোকাল সি এন জি তে চড়ে চলে যেতে পারেন সরাসরি মহামায়া ইকো পার্কের মূল গেইটে, এক্ষেত্রে জনপ্রতি ভাড়া পড়তে পারে ১৫-২০ টাকা।

খৈয়াছড়া ঝর্ণাঃ
নয় স্তরের সুবিস্তৃত জলপ্রপাত এই খৈয়াছড়া । অনেকেই এর সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য রাতে তাঁবু টাঙ্গিইয়ে থেকে যান। চাঁদের আলোয় যেন এর সৌন্দর্য আরো দ্বিগুন বেড়ে যায়।পর্যটকরা ভিড় জমায় এর সুবিশাল জলধারা নিজ চোখে অবলোকন করতে।মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছরা ইউনিয়নের বড়তাকিয়া বাজারের উত্তর পার্শ্বে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪.২ কিলোমিটার পূর্বে এই ঝর্ণা অবস্থিত। এর মধ্যে ১ কিলোমিটার পথ গাড়ীতে যাওয়ার পর বাকী পথ যেতে হবে পায়ে হেঁটে। বাঁশের সাঁকো, ধানক্ষেত, আঁকা-বাকা পাহাড়ী পথ, ছরা এবং ৪টি সুউচ্চ পাহাড় পেরিয়ে যেতে হবে প্রকৃতির এই বিস্ময়ের সান্নিধ্যে

চট্টগ্রাম থেকে কিভাবে যাবেন খৈয়াছড়া ঝর্ণায়?
চট্টগ্রামের অলংকারের মোড় থেকে লোকাল বাসে চড়ে চলে যেতে পারেন বড়তাকিয়া বাজারের সামনে। সেখানেই আছে খৈয়াছড়া আইডিয়াল স্কুল। এর পর থেকে মূল গন্তব্যে যেতে আপনাকে হেটেই পেরুতে হবে বাকিটা পথ।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

চাটগাঁয়ের ঐতিহ্যবাহী মেজবান

MP Comrade

প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহক বৃদ্ধি

Sharmin Boby

বহু প্রবীণ নেতার ভিড়ে এক উজ্জ্বল তরুণ নেতৃত্ব

MP Comrade

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy