Now Reading
ধুমপান ছারার অনুপ্রেরনা !



ধুমপান ছারার অনুপ্রেরনা !

ধুম্পান কি ক্ষতিকারক ? জাস্ট আ বীট ।

কিন্তু যদি আপনি ১৪ ধরণের ক্যান্সার এর কথা বিবেচনা করেন, যা আপনি করতে পারেন ।
ধূমপান এর কারনে মুখ, আন্ত্রিক, মূত্রাশয়, এবং অবশ্যই ফুসফুস ক্যান্সারের সম্ভাবনা বিরল থাকে । আমি জানি না এগুলোর মধ্যে কে খারাপ, কিন্তু এগুলো সবই ভয়ানক শব্দ। ক্যান্সার সবচেয়ে খারাপ শব্দ, যাইহোক, আপনি ধূমপান ছেড়ে দেওয়া উচিত কেন সম্পর্কে কথা বলা যাক। শরীরের কিছু ভিন্ন পরিবর্তন !
কত রাসায়নিক! অনেক রাসায়নিক? তিনটি রাসায়নিক? হয়তো চার? আমাদের শরীরের মধ্যে ৫০০০ রাসায়নিক ছড়িয়ে দে একটি সিগারেট পাণ করার মাধ্যমে , প্রথম প্রথম সিগারেট ফূকাড় ব্যাপারটা আমরা ধরি হীরো হীরো লাগার জন্য যা দিন দিন বদঅভ্যাসের তালিকার প্রথম দিকেই থাকে . ধূমপান আপনাকে- আমাকে সুপারহিরো তৈরি করবে না, তবে এটি আমাদের মৃত করে তুলতে পারে।

ওয়েল সিগারেট একদমি কুল ব্যাপারনা ! তাহলে কেনো প্রতিটা মূভী এক্টর সীণ গূলো তে দিব্বি সিগারেট টানতে দেখা যায় ! এটা কী সিগারেটের প্রচারণা নয় ? সিগারেট ব্যাপারটায় যারা অভ্যস্ত তাদের জন্য ছেরে দেওয়াটা ব্যাপক কঠীণ কাজ । রাসায়নিক আসক্তি ছাড়াও, বিভিন্ন ধরণের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ট্রিগার রয়েছে যা একজণ কে ধুমপান করার জন্য বাধ্য রাখে অনেক ক্ষেত্রে ।
ধুমপান ছেরে দেওয়ার পর আপনি বুঝতে পারবেন আপনার বডীর পোস্ট – ইনহালেশন । ধূমপান থেকে বিরত থাকায় শরীরের রিফ্রেশিং ব্যাপারটা বুঝতে পারা যায় খুব দ্রুত । নিরাময় প্রক্রিয়াটি বোঝা এবং কীভাবে আপনার শরীরের উন্নতি হবে তা জানার পদ্ধতি হল ক্যান্সারের লাঠিগুলি নিরসনে আপনি যে প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারেন।
সিগারেট ধূমপান করার প্রায় ২০ মিনিটের জন্য, আপনার রক্তচাপ এবং হার্ট রেট স্পাইক যেমন নিকোটিন আপনার সিস্টেমে প্রবেশ করে। হার্ট রেট এবং স্বাভাবিক রক্তচাপ ফিরে সিগারেট শেষ করার পরে।
সিগারেট ছারার ৮ ঘণ্টা পর নিকোটিন এবং কার্বোণ মণোক্সাইড শরীরে আর থাকেনা এবং অক্সিজেন লেভেল নরমাল পজীসনে ফিরে আসে । আর হ্যাঁ আপনি যখন ধুমপান করছেন সেই মুহুর্তে কার্বন মনোক্সাইড নামক এক বিশ আপনি ইনহ্যাল করছেন নিজের অজান্তেই । যেটা খুবি ভয়াবহ আমাদের শরীরের জন্য ।
২৪ ঘন্টা পর ঃ একদিন ক্রমাগত সিগারেট না পান করার পর শরিরের শ্বাসনালি পুরোপুরি ভাবে কাজ করতে থাকবে ।
যদি আপনি ধূমপায়ী হন, আপনার ফুসফুসে মৃৎশিল্প এবং ধ্বংসাবশেষ জমা হয়, এবং ২৪ ঘণ্টা পর, শরীর থেকে সব রকম ধ্বংসাবশেষ ক্লীণ হতে থাকে ।
তাই আপনি যদি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন, তাহলে এটি সক্রিয়ভাবে ধূমপান এড়ানোর সময় , কফি খেতে পারেন । Irritability আশা করি।
দুই দিন পর আপনার ইন্দ্রিয় উন্নতি শুরু করবে । আপনার গন্ধ এবং স্বাদ আরও বেশি তীব্র হয়ে যাবে খাবারের স্বাদ আরো ভালোভাবে পেতে পারেণ । এটি ঘটে যখণ শরীর ত্যাগ করে । এটা ঠিক ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার অর্থ আক্ষরিক খাদ্য স্বাদকে আরও ভাল করে তোলে।
৭২ ঘণ্টা চলে গেলো আপনি ধুমপান করছেন না । আপনার ধুমপান এর প্রতি আসক্ততার কন্ট্রোল টা তখন ই মেইন্টেণ করতে হবে । খাবারের প্রতি আপনার আসক্ততা বারিয়ে দিতে হবে । মাথা ব্যাথা করলে বেশি বেশি চকোলেট খাওয়ার অভ্যাস করুন । হয়তোবা আপণার কফ হতে পারে , যেটা ভালো দিক , কফের সাথে নিকোটীণ অথবা টাড় বের হয়ে আসতে সাহায্য করবে ।
১ মাস পর আপনি দেখতে পাবেন আপনার শরিরের পজীটীভীটী গূলো ।
আপনার ক্ষুধা বৃদ্ধি এবং আপনার বিপাক স্বাভাবিকীকরণ শুরু হবে ।
আপনার রক্ত সঞ্চালন উন্নত, এবং শারীরিক কার্যকলাপ সহজ মনে করা শুরু হবে।
আপনার অন্ত্র নিকোটিন ছাড়াই জীবনের সাথে সামঞ্জস্য করতে পারবে , যেমন আপনি অনেক কিছু করতে পারেন।
দির্ঘ ৯ মাস পর আপনার শরীরের ইম্প্রুভমেন্ট আপনি খেয়াল করতে পারবেন ।
খেয়াল করবেন কাশি এবং ময়লা চলে গেছে, এবং এই সময় ফুসফুসের স্বাভাবিক চলাচল সত্যিই অনুভব করতে পারেন । ক্ষুদ্র কণা সৃষ্ট ক্ষতির থেকে শ্বাসযন্ত্র পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
আপনার সাইনাসগুলিও পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং আপনার ফুসফুসের সংক্রমণগুলি আরও ভাল হতে থাকবে ।

About The Author
Raihan Yasir
Raihan Yasir
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment