Now Reading
চলুন ঘুরে আসি কার্বনিফেরাসের যুগ থেকে



চলুন ঘুরে আসি কার্বনিফেরাসের যুগ থেকে

তাবুতে রাত কাটীয়েছেণ কখনো ?
তাবুতে ঢুকতে হয় লাইট নিভিয়ে , না হয় রাজ্যের পোকা মাকড় তাবুর ভেতর ঢোকার চেষ্টা করে । রাত ১০টা ১১ টার পর সব মানুষের কোলাহল ণীশ্চুপ হয়ে যায় , জঙল মুখরিত হয় ঝিঝি পোকা , মশা-মাছি আর নাম না জানা বিভিন্ন পশু পাখির শব্দে । আমার অভিজ্ঞতায় জঙলে তাবুতে শুয়ে থাকা অবস্থায় কি যেনো একটা পা ছূয়ে গীয়েছীলো, শুকরের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম , এই এক্সপেরিয়েন্স যে জংগলে রাত কাটায়নি তাকে বূঝানো যাবেনা।
ধরে নিলাম যাচ্ছি আমাজনের জঙ্গলে, ধরে নেন বেশ বড়সড় , শক্তপোক্ত একটা তাবুতে রাত কাটাচ্ছেণ , জাগূয়ার ঢুকতে পারেনা এমন শক্ত,রাত ২টার দিকে , প্রাক্রিতিক কাজ করার জন্য বাইরে যাবেন , টর্চ জ্বালালেন , শুরু হলো আতংক।
তাবুর দরজার উপর দারিয়ে , ৮ চোখ মেলে ডেবডেব করে তাকিয়ে আছে ১ ফুট চউড়া , সারা গা লোমে ঢাকা Goliath bird eating spider .
গোলিয়াথ বার্ড ইটীং ট্যাঁরান্টূলা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মাকড়শা গুলোর একটা । প্রায় ১১ ইঞ্চি চওড়া এর রোমশ শরিরের ওজণ ১৭৫ গ্রামের মত,যদিও পাখী এর স্বাভাবিক খাবারের মধ্যে পড়ে না । মাঝে মাঝে শখ করে ১-২টা পাখী ধরে খায় । তাই এর নাম হয়েছে বার্ড ঈটীং ট্যাঁরটুনাল । পোকামাকড়দের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো এটলাস ম্থ আর কুইন আলেকজান্দ্রিয়ের বার্ড ঊঈং প্রজাপতি । এরা দুজনই প্রায় ১ ফূট চউরা । এদিকে পিপড়ার রেকর্ড ২ ইঞ্ছি , বাট বিলিভ মি ঐ ২ ইঞ্চি লম্বা পিপড়ার সামনে আপনি পড়তে চাইবেন না । আর মধ্য আমেরিকার ৪ ইঞ্চি লম্বা জায়ান্ট তেলা পোকা আমাড় বাথরুমে উড়াঊরি করুক আমি কক্ষণো সেটা চাইবনা ।
আমাদের খুব ভাগ্য ৩-৪ ফূট মাকড়শা আমাদের বাসার দেয়ালে বসে থাকেনা । ৭ -৮ ফুট চ্যাড়া বাথ্রুমে কিরবির করেনা । কেনো পোকামাকড় বড় হয়ণা ? সবসময় কী এরা ছোট ছীলো ?
লেটস মিট কার্বনি ফেরাস ।
পোকামাকড় , মাকড়ষা রা নিঃষ্বাষ ণেয় ট্রাকিয়ার সাহায্যে , কোণো লাংস নাই তাদের । চামড়্রার ছোট ছোট ছীদ্র দিয়ে বাতাস শরীরে ঢূকে , তারপর সেটা বাতাসের চাপে শরিরে ছড়ীয়ে ্যায় । পোকা যত বড় হয় , অক্সিজেনের চাহিদা মেটাণোর জন্য তার ট্রাকিয়া গুলো আরো বেশি করে মোটা হয় ।একটা সাইজের পর এত বেশি ট্রাকীয়া হয়ে ্যাবে ্যে ট্রাকিয়াকে জায়গা দিতে হলে হ্বদপিন্ড, পাকস্থলি , ব্রেইন এগুলোকে একটা একটা করে শরীর থেকে ফেলে দিতে হবে ,পোকা টাঈ ছোটই থাকে , বেশি বড় হয়না ,এখন বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান ২১% এর মত , থ্যাঙ্কস টু এয়ার পলিউশন , এই অক্সিজেনওঁ
কার্বন ডাই অক্সাইডের জন্য জায়গা করে দিচ্ছে । অনেক অনেক দিন আগে , প্রায় ৩০ কোটী বছর আগে এমনটা ছীলনা । বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান ছিলো ৩৩% এর মত । পোকাদের জন্য রীতিমত স্বর্গরাজ্য ।
চলূন ঘুরে আসি কার্বনিফেরাসের দুনিয়া থেকে ।
প্রায় ৩৬ থেকে ২৯ কোটী বছর আগের সময়কালকে দুনিয়ার ইতিহাস এ কার্বনিফেরাস পিরিয়ড বলা হয় । এটা অনেক অনেকদিন আগের কথা । মাত্র চার হাজার বছর আগে কোণো একটা দ্বীপে দুনিয়ার শেষ ম্যাম্থটি বেঁচে ছিলো । ডাইনোসর টি রেক্সের শেষ হূঙ্কার শোণা ্যায় সাড়ে ছয় কোটী বছড় আগে । আড় হাটি হাটী পা পা করে প্রথম , ছোট ছোট আদিম ডাইনোসর রা দুনিয়াতে আসে ২২কোটী বছর আগে । তারওঁ ৭-৮ কোটী বছর আগে দুনিয়াতে চলছিল কার্বনিফেরাস ।
সে সময় দুনিয়ার একটা গাছেও ফুল ছিলোনা , ফল ছিলনা । কোথাও কোন পাখি ছিলনা , ম্যামাল ছিলনা । মাছেরা প্রথম মাটীতে উঠে এসে উভচর হয়ে তখন দুনিয়াতে ঘুরে বেরাচ্ছে । সে যুগে সারা দুনিয়াতে ছিলো বিশাল বিশাল রেইন ফরেস্ট । সোয়াম্প ফরেস্ট বললে আরো ভালো হয় । কার্বনিফেরাসের ফার্ন গাছগুলো মাটীর নিচে যেয়ে , ফসিল হয়ে , শেষে কয়লায় পরিণতি হয়ে আজকে সারা দুনিয়ার
চাহিদা মেটাচ্ছে । তাই এই সময়কালকে বলা হয় কার্বনিফেরাস পিরিয়ড ।

About The Author
Raihan Yasir
Raihan Yasir
Comments
Leave a response

You must log in to post a comment