বিজ্ঞান

মহাশূন্যের কয়েকটি চমকপ্রদ তথ্য

আগে  গ্রিকরা  আকাশের  দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে  তারা তাদের মস্তিস্ককে নিঃশেষ করে তুলেছিল যে সেখানে কি ঘটছে। তারা বছরের পর বছর গবেষণা করে  অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে .

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব

এটি  খুবই  জটিল। আমি যদি  আপনার সামনে একটি ঘড়ি রাখি তাহলে , সেকেন্ডের কাটা স্বাভাবিকভাবে  ঘুরবে , যদি  ঘড়ি দূরে দূরে সরাই ,তাহলে   সেকেন্ড , মিনিট,আপনার দৃষ্টিকোণ থেকে  ধীরে ধীরে ঘুরবে । আসলে চোখে এরকম তা দেখলেও , এটার গতি   কিন্তু  সত্যিই  কমে যাবে  না।সকল  বস্তুর দিকে তাকালে ঠিক এমণতটাই দেখা যায়  । যেমন আমি যদি আপনার সামনে নীল রঙ এর আলো রাখি তাহলে  আপনি ওই আলোর দিকে তাকালে নীলই দেখতে পাবেন , আমি যদি আলোটা আস্তে আস্তে সরিয়ে নেই  তাহলে আপনি এটা লাল দেখতে শুরু করবেন ।  তবে এটি আরও দূরে এবং আরও দূরে চলে গেলে এটি আরও  লাল দেখতে শুরু করবেন।   কারণ লাল রঙ এর  তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক বড় । এই একই  কারণে শ আপনি যখন কাছাকাছি থেকে     একটি ট্রেন এর শব্দ  শুনেন চান, পরিবর্তন  তখন এই শব্দের   তরঙ্গদৈর্ঘ্য সঙ্কুচিত হয় , তাই ফ্রিকোয়েন্সি  বেশী শোনা যায়  ।আপনি যখন দূর থেকে ট্রেন এর শব্দ  শুনেন তখন  শব্দ এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনেক বেশি থাকে  এবং ফ্রিকোয়েন্সি কম  হয়।  এই আপেক্ষিক পার্থক্যগুলি অতিসূক্ষ  এবং গুরুত্বহীন   । এইসব বিষেয়ে সুন্দর ধারণা দিতে স্কুল ও কলেজ গুলিতে  আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব   এবং    নিউটন এর সুত্র এর স্কুলে ব্যবহার   শেখানো হয়।  পৃথিবীর উপরের উপগ্রহগুলির সময়  আমাদের কাছে  ধীর গতিসম্পন্ন । প্রকৃতপক্ষে  উপগ্রহগুলি ধীর গতিসম্পন্ন নয় ।আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং নিউটনের  তত্ত্বগুলি থেকে  এসবের পরিষ্কার ধারণা পাও্যা যায়  ।তাছাড়া এই বিষয়গুলোর উপর বেশ কিছু বই‍  রয়েছে  ।

ব্ল্যাক হোল

ব্ল্যাক হোল    এখনও একটি  রহস্য হয়ে আছে। তাদের খুব প্রকৃতি তাদের বুঝতে এত কঠিন করে তোলে কি। আপনি  তাদের দেখতে পারবেন  না। তাদের মাধ্যাকর্ষণ এত শক্তিশালী হয় যে আলো ও  এর মধ্য দিয়ে  অতিক্রম করতে পারে না । বস্তুকে এর মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হলে  ওই বস্তুকে  আলোর  গতির গতির চেয়ে দ্রুততর গতিতে যেতে হবে, যা অসম্ভব। এইজন্য  তারা ব্ল্যাক হোল   তাদের হিসেবে নামকরণ  হয়েছে  ।কারণ  আলোও  এর মদ্য দিয়ে অতিক্রম করতে পারে না ।আলো এর  মধ্য দিয়ে অতিক্রম না করার কারণেই আমরা এটাকে দেখতে পাই না।

এছাড়া এটার  গঠন কিন্তু সরল নয় ।ব্ল্যাক হোলগুলি হল এক ধরণের স্ফুলিঙ্গ মৃত্তিকা ।যখন  আকাশের  একটি  বিশাল তারকা খসে  যায়, তখন এই খসে যাওযা তারকারা  একটি সুপারনোভাতে আঘাত করে যা পরবর্তীতে একটি তারকা সম্পূর্ণরূপে অসদৃশ হয়ে যায়  । এরপর  একটি নিউট্রন তারকা কিংবা  একটি ব্ল্যাক হোলের ভিতরে প্রবেশ করে , যা পরবর্তীতে একটি তারকা সম্পূর্ণরূপে অসদৃশ হয়ে যায়  । ব্ল্যাক হোলগুলির   মাধ্যাকর্ষণ  অনেক বেশি। এর ভিতরে  অসীম ঘনত্ব আছে । যেখানে  সকল ভর  শুন্য হয়ে যায়  এবং যেখানে সময় সম্পূর্ণভাবে থেমে যায় । ব্ল্যাক হোলগুলির ভিতর দিয়ে ফিরে আসতে পারে না আলোর মতো দ্রুতগতিস্পন্ন তরঙ্গ ।অনেক বিজ্ঞানীরা এটা নিয়ে গবেষণা চালীয়ে যাচ্ছেন ।এর রহস্য আজও বের করতে পারে নি  ।শুধু অল্প কিছু  তথ্য তারা জানতে পেড়েছেন ।এর উপরে ভিত্তি করে কিছু বই ছাপা হয়েছে।

ছায়াপথে অনেক কিছু আছে যা দেখতে পাওয়া যায় না বা সনাক্ত করা যায় না।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

একটি ভেড়া এবং কৃত্তিম গর্ভাশয়

Jannatul Firdous

বিশ্বের সেরা কয়েকটি Animal Robot

Kongkon KS

পৃথিবী ধ্বংসের যত কারণ

MP Comrade

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy