Now Reading
২০২০ সালের মধ্য আসছে যাত্রীবাহী সুপারসনিক জেট প্লেন বুম!



২০২০ সালের মধ্য আসছে যাত্রীবাহী সুপারসনিক জেট প্লেন বুম!

সম্প্রতি ভার্জিন গ্যালাক্টিকের রিচার্ড ব্র্যান্সন বুম টেকনোলজিস এর সাথে অংশীদারিত্ব করেন একটি সুপারসনিক বিমান নির্মাণের জন্য। বুম টেকনোলজি তাদের এক বক্তব্যে জানান তাদের বিমান কনকর্ড বা যেকোন যাত্রীবাহী বিমান থেকে দ্রুত গতীতে চলবে।

শব্দের থেকে দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম বিমান প্রথম তৈরী হয়েছিল বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু প্রবিধান ও প্রযুক্তিগত চ্যলেঞ্জ এর ধারনা ও বিস্তার কে স্থগিত করেছে। কোম্পানি টি জানায় যে তারা একটি অত্যাধুনিক যাত্রীবাহী সুপারসনিক বিমান নির্মানের লক্ষ্যে কাজ করছে। তাদের মতে বিমানটি মাক ২.২ গতিতে চলতে সক্ষম হবে। যা শব্দের গতির দ্বিগুন অর্থাৎ বিমানটি ১৪৫১ মাইল প্রতি ঘন্টায় বা ২৩৩৫ কিলমিটার প্রতি ঘন্টায় উড়তে সক্ষম হবে। কনকর্ড যা এখন একটি অবসরপ্রাপ্ত সুপারসনিক যাত্রীবাহী জেট ঘন্টায়  ১৩৫০মাইল বা ২১৮০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে সক্ষম ছিল।

বুম এর প্রতিষ্ঠতা ও সি ই ও ব্লেক শল এর একটি ব্লগ পোস্ট থেকে জানা যায়, তারা বেসামরিক বিমান হিসেবে নতুন গতির রেকর্ড স্থাপন করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

কোমপানি টি জানান মাক ২.২ গতিতে নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডন যেতে লাগবে মাত্র ৩ ঘন্টা ১৫ মিনিট। সান ফ্রান্সিস্কো ও টোকিওতে যাতায়াত করতে সময় লাগবে  সাড়ে ৫ ঘন্টা এবং সিডনি ও লস এ্যঞ্জেলস এ যাতায়াত করতে সময় লাগবে ৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট।

শল বলেন”সুপারসনিক জেট বানানো সহজ নয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।মানুষের উপকার এর চিন্তায় তাদের কাজটি করার অনুপ্রেরণা যোগায়।” তিনি আরও বলেন যে দ্রুত গতিতে চলাচলের ফলে সময় কে মানুষ জয় করতে পারবে।কেননা পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে মানুষ নিমিষেই পৌছাতে পারবে।

বুম তাদের প্রজেক্টের জন্য সম্প্রতি ৩৩ মিলিয়ন ডলার তুলতে সক্ষম হয়েছে। কোম্পানিটি প্রথমে “বেবি বুম” নামের একটি প্রোটোটাইপ উড়োজাহাজ তৈরী করবে যা বুম এর ই একটি ছোট মডেল।

বেবি বুমের প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্লাইট অনুষ্টিত হবে ২০১৮ সালে। এবং পরিপূর্ণ আকৃতির বুম যা ৫৫ টি যাত্রী পরিবহন করতে সক্ষম হবে,সেটির পরিক্ষামূলক ফ্লাইট শুরু হবে ২০২০ সাল থেকে।

About The Author
Nafiz Zaman