প্রযুক্তি

নতুন প্রযুক্তি Augmented Reality (AR)

Virtual Reality ( VR) এর পরের ধাপ হল Augmented Reality যাকে সংক্ষেপে AR বলা হয়। ১৯৯০ সালে শুরুর দিকে এর যাত্রা শুরু হয়। এটি VR এর থেকে বেশি উন্নত ও এর দামও বেশি এবং অনেক অনেক বেশি মজাদার। VR এ আমরা সম্পূর্ণ কাল্পনিক জগতে থাকি এবং AR এর মাধ্যমে আমরা

এই বাস্তব জগতে কাল্পনিক বস্তুকে আনতে পারি। আরো সহজে বলা যায়,বাস্তব জগতে থেকে নতুন কিছু তৈরি করার নাম AR অথবা কল্পনা এবং বাস্তবতা একত্রে মিলে যা সৃষ্টি হয় তাকেই Augmented Reality বলে। বর্তমানে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ‘নাসা’ তাদের বিভিন্ন কাজে এর ব্যাবহাব করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এডভান্স যুদ্ধ বিমানে এর ব্যাবহার রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি এই প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা করছে। এছাড়া আইফোন ৮ এ এই প্রযুক্তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।*এখন উদাহরণে আসি, ধরুন আমি একটা টেবিল কিনব। কিন্তু আমি জানিনা আমার রুমে কোন ডিজাইন  ভালো লাগবে।

AR এর সাহায্যে আমি আমার ফোনের ক্যামেরায় বা নির্দিষ্ট চশমায় ঠিক একই মাপের একটি টেবিল দেখাবে। এতে আমি আমার রুমে কাল্পনিক ভাবে টেবিল বসিয়ে দেখতে পারি কোন ডিজাইন ভালো লাগবে।আবার আমি যদি কোন গেমস খেলি Augmented Reality এর মাধ্যমে আমি আমার প্রতিপক্ষের ফাইট করতে পারব। কিন্তু এই ফাইট হবে এই বাস্তব জগতে। হতে পারে আমার সামনের দেওয়াল ভাঙে এক যোদ্ধা আসল এবং যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। VR এর মত চোখ আটকে না অর্থাৎ বাস্তবতা দেখার সাথে নতুন কিছু উপভোগ করা। এখানে আমরা সব দেখতে পাই এবং আমাদের দেখার মধ্যেই চারপাশ থেকে ভার্চুয়াল ভাবে সব তৈরি হবে।এছাড়া আমরা সবাই pokemon go গেমস খেলেছি। এখানেও AR এর  ব্যাবহার হয়েছে। আমরা যখন পোকিমন ধরার জন্য ক্যামেরা অন করি তখন আমরা যেখানেই থাকি সেখানে পিকাচু চলে আসে। তখন আমরা ক্যামেরার ডিসপ্লে থেকে পোকিবল নিক্ষেপ করে পিকাচু কে ধরতে পারি।AR technology এর সাহায্যে কিছু মজার কাজ করা যায়। গুগোল,  লেনেভো ফোনের camera তে কিছু মজার ফিচার আ্যাড করেছে। যেমন ক্যামেরা অন করলাম এবং একটা গাছের চারা লাগালাম। এরপর পানি দিলাম। সূর্যের আলোতে চারা বড় হয়ে গাছে পরিনিত হল। অথাবা ডায়নাসর আমার সামনে এসে হাটছে অথবা বসে আছে ইত্যাদি।>কোন ডিভাইসের মাধ্যমে আমরা AR ব্যাবহার করতে পারব?
→google glass:-  গুগল চশমা হল চশমার মত চোখে পরে থাকার উপযোগী খুব  হাল্কা কম্পিউটার যা গুগল কোম্পানির একটি নতুন গবেষণা উদ্ভাবন। এটাতে AR এর প্রাথমিক সব ফিচার দেওয়া হয়েছে।

Microsoft hololens:- ‘Project Baraboo’ এর আওতায় এই প্রযুক্তি গবেষণা করা হয়। এটি সব থেকে বেশি জনপ্রিয় হয় উইন্ডোজ মিক্সড রিয়েলিটির মাধ্যমে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যাবহারের ফলে। এর মধ্যে অনেক বেশি এবং উন্নত সব ফিচার দেওয়া আছে যা গুগল গ্লাস এ নাই। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয় অর্থাৎ শুধু মাত্র ডেভেলপার বা ইঞ্জিনিয়ার অথবা টেক রিভিউয়ার যারা আগে অর্ডার দিয়েছে তারাই পাবে। এর মুল্য প্রায় ৩০০০$ যা অনেক বেশি।

sony smart eye glass:-  AR technology তে সনির বিশেষ ভুমিকা রয়েছে। মাইক্রোসফট হলোলেন্সের মত এটাও AR এর কিছু এডভান্স ফিচার রয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন প্রিমিয়াম স্মার্ট ফোনেও AR থাকে। যেমন সনির কিছু প্রিমিয়াম ফোনে ক্যামেরার সাথে AR অপশন থাকে যার মাধ্যমে ক্যামেরায় AR এর বিভিন্ন ইফেক্ট দেখতে পাওয়া যায়।*আমারা AR technology তে আর কী কী  যুক্ত করতে পারি? অর্থাৎ ভবিষ্যতে আর কি কি নতুন আসতে পারে বলে আমি মনে করি ?

→ AR technology এর অগ্রগতি দেখার মত। প্রথমে শুধুমাত্র গেমস থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে সকল স্তরে এর ভূমিকা দিন দিন বেড়েই চলছে। এখন আমরা একটু ভাবনার জগতে যাই।> কোনো জায়গা খুঁজতে এর ব্যাবহার হতে পারে। অর্থাৎ ক্যমোরা অন করার সাথে সাথে আমরা দেখতে পারব ভালো কাপড়ের দোকান কোথায় বা ভালো রেস্টুরেন্ট কোনটা।>বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন গবেষণাতে অনেক সাহায্য করতে পারে। অর্থাৎ কোন কিছু নিয়ে ভাবার সাথে সাথে  তা স্ক্রিনে দেখাতে পারবে। ফলে সেই গবেষণার ফল কেমন হবে তা সহজে জানা যাবে।>পুলিশ অন্যরুপধারি ক্রিমিনালকে AR এর মাধ্যমে আসল রুপে আনতে পারবে।> চশমাতে AR ব্যাবহার হলে আমরা আমাদের দৈনিক সকল কাজের কথা রিমাইন্ডারের মাধ্যমে মনে রাখতে পারব.

সব মানুষের নাম তাদের মাথার উপর লেখা দেখাবে ফলে নাম ভুললে খুব সহজে মনে।>দুরের জিনিস যতটুকু দেখতে ইচ্ছে করবে বড় করে দেখতে পারব। অর্থাৎ সংক্রিয় ভাবে বড় বা ছোট হবে।> একা একা থাকলে যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে পাশাপাশি কথা বলতে পারব। বলতে পারেন ভিডিও কলের মাধ্যমেই।>আমরা অবহাওয়ার অবস্থা জানতে পারি।>যেকোনো অজানা কিছুকে ক্যামেরা বা বিশেষ চশমার সাহায্যে জানতে পারি।>চিকিৎসা ক্ষেত্রে এটির ব্যাবহার হতে পারে।>এর সবথেকে বড় কাজ হতে পারে কাজ বিল্ডিং বানাতে। বিল্ডিং বানানোর সময় ওয়ার্কারদের মথায় AR ডিভাইস থাকে যার ফলে তারা সহজে বুঝতে পারে কোথায় কতটুকু রড বা সিমেন্ট লাগবে। ইত্যাদি।

একই রকম আরো কিছু ফুটপ্রিন্ট

মহাকাশে যাচ্ছে বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট

MP Comrade

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপনাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিপরীতে চীন ও রাশিয়ার পাল্টা চ্যালেঞ্জ

MP Comrade

বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন

Rakib Islam

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy