5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

কোনটা সংস্কৃতি এবং কোনটা অপসংস্কৃতি?

Now Reading
কোনটা সংস্কৃতি এবং কোনটা অপসংস্কৃতি?

Social Site গুলোতে তোলপাড় করে সচেতন বাঙালি ও শ্রোতা প্রমাণ করার ক্ষুদ্র প্রয়াসে অসাধারণ যুক্তির প্রকাশ এক এক জনের। কিন্তু জানা আছে কি? কোনটা প্রকৃত সংস্কৃতি আর কোনটা অপসংস্কৃতি? আপনার বিবেচনায় নয়। প্রকৃতপক্ষে সেটা সঠিক ঐটার কথা বলছি। শুরুতেই মেটাল নিয়ে কিছু কথা বলবো। দেশের হাজারো Metal Head হেড এর জানা উচিত এই Genre টি ধার করা। বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতির সাথে মেটালকে সংযুক্ত করা কোনো মতেই উচিত নয়। তবে এটা কি অপসংস্কৃতি? কে বলেছে অপসংস্কৃতি? আপনি মেটাল, ডেথ মেটাল ইত্যাদি পছন্দ করতেই পারেন এটা আপনার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।কিন্তু এই বিষয়টি বাংলা সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয়। বিদেশি সংস্কৃতি এটা। তবে এটাকে অনেক জনের কাছে অপসংস্কৃতি লাগলেও বলাটা নিত্তান্তই বোকামি। কারণ আমার পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রা অন্য মুসলিম দেশের কাছে অপসংস্কৃতি মনে হলেও আমাদের কাছে কিন্তু ঠিকই সংস্কৃতির একটি প্রধাণ অংশ এটি। ধর্মের ইস্যু টানছি না। অর্থাৎ অপসংস্কৃতি বলে হেয় করা উচিত নয়। অন্যদিকে এদেশের বাসায় বাসায় চলতে থাকা হিন্দি সিরিয়াল ও গানগুলো সংস্কৃতির অংশ বলে যুক্তি প্রদান করে মূর্খের পরিচয় দিবেন না। এর ক্ষেত্রেও উপরের লাইন গুলোই প্রযোজ্য। আপনি হিন্দি গান পছন্দ করতে পারেন। তবে ভুলে যাবেন না এটা আপনার সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ নয়।
এখন সবার মনে একই প্রশ্ন তাহলে প্রকৃতপক্ষে কোনটি সংস্কৃতি আর কোনটি অপসংস্কৃতি? আপনি যে নিজের দেশের গান,পোশাক,জীবনযাত্রাকে ছোট বলে বিদেশে সংস্কৃতিকে এদেশের অংশ বলে যাচ্ছেন, আপনি অর্থের লোভে একটি প্রজন্মকে অন্য দেশের সংস্কৃতি দ্বারা পরিচালনা করছেন, এটাই হলো অপসংস্কৃতি।
আর যেখানে ইন্ডিয়ান গায়কদের কনসার্ট বিনা সমস্যায় সম্পন্ন হয় সেখানে রাজনৈতিক আন্তর্জাতিক মানের ও বিশ্ব খ্যাত ব্যান্ডগুলোকে নিয়ে এনে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টি ঠিকই হতাশার। আইন সবার ক্ষেত্রে সমান জানা ছিল আমার। এখানে সামান্য সার্থ আদায়েরফাঁকে নষ্ট হলো দেশের ভাবমূর্তি।
পরিশেষে একটি লাইন বলা উচিত মনে হলো, পরসংস্কৃতি চর্চা অপেক্ষা নিজ সংস্কৃতির উন্নতি কামনা করাটাই শ্রেয়।

Depression

Now Reading
Depression

একলা থাকাটা কোনো অর্জন নয়।কেউ একলা থাকতে চায় না।যে একা কাটিয়ে দেয় পুরোটা বিকাল, একসময় সেও কিনা কারো জন্য বসে ছিল অপেক্ষায়। আর সম্ভব হয়নি সময়ের সাথে লড়াই করার। হার মানাটাই যেখানে উত্তম সেখানে অধমের মূল্য কেউ বুঝে না।একলা থাকাটা বিরক্তিকর হলেও জোর করে বলে দেয় ভালো আছি।হঠাৎ জন্ম নেয়া ভয়ে হারিয়ে যায় একটি প্রাণ।তবুও প্রার্থনা যদি তার ইচ্ছা ভুলে করেও বাস্তবতায় পা দেয়।মিথ্যা চিন্তাগুলো যদি সত্য হয়ে যায়,বাতাসে উড়ে চলা শব্দ যেন সত্যিকার অর্থে রূপ পায়।

“Depression” হবে কেন এই বয়সে? বাক্য গুলা শুনতে থাকা ব্যক্তিটি একটু হেসে আবার বসে রয়। সব কিছু বয়সের উপর ফেলে যুক্তি প্রদানকারী জানে না দুঃখ ও অভিজ্ঞতা বয়স বিবেচনা করে না। দুঃখ দিয়ে জোর করে ঠেলে দেয়া হয় কঠিন অভিজ্ঞতায় যা বহন করার জন্য সে প্রস্তুত নয় সে। ভুল হলে সংশোধন করা বেয়াদবি যে সমাজে সেখানে আমার লেখা নিষিদ্ধ হবে এটাই স্বাভাবিক। ‘ছোট মুখে বড় কথা’ যখন ব্যাসবাক্যে তখন বেয়াদব থেকে একটু হাসি ফোটানোকেই সার্থকতা ভেবে চলি।সুখের সন্ধানেই সুখ আসে না যদি সুখ একটি পাত্রে আটকে থাকে। সে পাত্রের সামান্য জল যার কাছে অমৃত, তার কাছে অন্য সুখ মৃত। যার কাছে আটকে আছে সব সুখ সেই তাকে শিখিয়ে দেয় একলা থাকা। অতিরিক্ত অপমানে জন্ম নেয় তোমাদের ভাষায় আরেকটি ” Lifeless” ব্যক্তি।

অপমানগুলোকে সমাধী দিয়ে আবার যেতে চাওয়া ব্যক্তি একলা জীবনে জীবন্ত লাশ হয়ে উঠে।কেউ আবার স্বাভাবিক থাকার চেষ্টায় মুখোশ পড়ে নেয়। সাধারণ মুখোশ নয়,একটি হাস্যজ্জ্বল প্রাণবন্ত ব্যক্তির মুখোশ।মুখোশের ওপারে লুকিয়ে থাকে শিকলের ছায়া পড়া চেহারাটি। স্বীকার করতে চায় না,দঃখ তার কাছে লজ্জার বস্তু হয়ে উঠে,তবে তার সাথে চলতে থাকা আরও মুখোশধারীকে সে দেখতে পায়না।সে আত্মকেন্দ্রীক নয়,ঝাপসা হয়ে উঠা চোখের আঁড়ালে পড়ে থাকে পৃথিবীর অর্ধেকটা।বাকি অর্ধেকটা দেখা হয়না Depression এ ভুগতে থাকা ব্যক্তিটি। প্রশ্ন উঠে,বড় বড় কথা বলা হল তবে এখন একটু সমাধান বের করে দেখাও।সম্ভব নয়,কিন্তু কিছু অভিজ্ঞতা লিখে গেলাম।

লিখে যাওয়া প্রতিটি শব্দ হলো এক একটি অভিজ্ঞতার বিন্দু জল। যে জল কেবল বেড়েই চলে।যখন সমুদ্র হয়ে উঠবে, বুঝতে হবে জীবনের দৌড় শেষ প্রায়। লোভনীয় বাক্যে আকৃষ্ট হয়ে নিজের সমস্যা তুলে ধরলেই সমাধান হয় না।যার সুখ যেখানে আটকে আছে সেই পারে তাকে প্রকৃত সুখ এনে দিতে। সেই পারে একলা চলা ব্যক্তির হাসি ফিরিয়ে দিতে।বলে লাভ নেই। সবার সৌভাগ্য হয় না। ধন্যবাদ আপনাকেও। হয়তো আপনিও কারো সুখের কারণ। হয়তোবা আপনিও লুকিয়ে রেখেছেন কারো সুখ নিজের কাছে।একদিন আপনিও তাকে ধাক্কা দিয়েও থাকতে পারেন বর্তমান অন্ধকার বিলাসী কোনো ব্যক্তিকে। মিথ্যা বলছি না। পাঁচটা মিনিট নিজেকে সময় দিলেই পেয়ে যাবেন উত্তরগুলো ও কিছু অংক। সমাধান করে নিলে হয়তো বেঁচে যাবে কারো প্রাণ “Depression” থেকে।বেঁচে থাকুক প্রতিটি জীবন “প্রকৃতপক্ষে”।