ভিন্ন লুকে রংবাজে হাজির শাকিব খান

Now Reading
ভিন্ন লুকে রংবাজে হাজির শাকিব খান

রংবাজ এমন একটি সিনামা যার শুরু হয়েছিল সমলোচনা ও আলোচনা দিয়ে। রংবাজ নিয়ে কম আলোচনা হয় নি। রংবাজ কে কেন্দ্র করেই শাকিব-অপুর বিয়ের খবর মিডায় আসে। আসে তাদের সন্তান আব্রাহাম খান জয়ের নাম। মিডিয়া পাড়া গরম ছিল এনিয়ে। তারপরও রংবাজ থেমে থাকেনি। এরপর আবার আসে বাধা। তাহল কলকাতার অভিনেতা রজতব দত্ত কে নিয়ে। ওয়ারক পার্মিট ছাড়া সে কিভাবে কাজ করে এদেশে। যদিও এনিয়ে আইনতো ভাবে কিছু করার আগেই রজতব দত্তের অংশের শুটিং শেষ করে ফেলে। এরপর আসে শাকিব খানের নিষেধাজ্ঞা। এফডিসি থেকে নিষিদ্ধ করার পরও শাকিব খান কে নিয়ে শুটিং কয়ায় নিষিদ্ধ হয় রংবাজের পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। পরবর্তিতে শাকিব এর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও। নিষেধাজ্ঞা  বহাল থাকে রনির। এভাবেই একপর এক বাধাকে টপকে শুরু হয় রংবাজের নতুন যাত্রা। পাল্টে যায় মুক্তির তারিখ, পাল্টে যায় পরিচালক । নতুন পরিচালক হয় আবদুল মান্নান। কিন্তু এত কিছুর পরও থামাতে পারে নি রংবাজকে। রংবাজ এগিয়ে গিয়েছে তার নিজের গতিতে। হাজার বাধা পেরিয়ে আসচ্ছে কোরবানির ঈদে মুক্তি পাবে রংবাজ ।

দুদিন আগে মুক্তি পেল রংবাজের ট্রিজার। তাদের অনলাইন পার্টনার লাইভ টেকনোলজি এই ট্রিজার টি অনলাইনে মুক্তি দেয় ।

কি ছিল এই ট্রিজারে ?

পুরো ট্রিজারের দেখা গিয়েছে শাকিব খানের শরীর ভরতি ট্যাটু। কানে ছিল দুল। হেয়ার স্টাইল ছিল অন্য রকম। শাকিব ছাড়া এ ছবির বাকি চরিত্র গুলোর লুক ও ড্রেস আপ ছিল অন্য রকম।  যা আগে কোন বাংলা মুভি তে দেখা যায় নি। শাকিব খানের কেরিয়ারের আগে কোন মুভিতে এরকম লুকে দেখা যায় নি। বাংলাদেশে এরকম মুভি আগে দেখা যায় নি। এই মুভির প্রতিটি চরিত্র ছিল অন্যরকম। বলা যায় যে এই মুভি টা হবে শাকিব খানের অন্যতম সেরা মুভি। মুভিটি তে কলকাতার বিখ্যাত কোম্পানি শ্রী ভিক্টর লগনি করেছে। তারা এই প্রথম বাংলাদশের মুভিতে লগনি করল।

রংবাজের গল্প লিখেছে পেলে এবং সংলাপ লিখেছেন পেলে ও আব্দুল জহির।  সম্পূর্ণ মৌলিক গল্পের মুভি । মুভি তে দেখা যায় সাল্লু ( শাকিব খান ) এর মা           ( নতুন ) চায় যে তার ছেলে রংবাজ হবে  বংশের নাম উজ্জ্বল করবে, সে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রংবাজ হবে। সাল্লু সেই কথা রাখে। সে হয় রংবাজ । কিন্তু সে বুবলির ( বুবলি ) প্রেমে পড়ে হয়ে যায় প্রেমবাজ । এগুলাই দেখা যায় ট্রিজারে। এ ছবির ভিলেন হল অন্যরকম ভিলেন ( অমিত হাসান ) । সে হল রবিন্দ্রপ্রেমি ভিলেন। খুন খারাপি যাই করুক তার মুখে থাকে রবিন্দ্রনাথের কবিতা। পুরো গল্প যান্তে হলে হলে গিয়ে মুভিটি দেখতে হবে।

মুভির গান গুলোর লোকেশন অসাধারন। এই প্রথম বাংলাদেশের মুভির শুটিং হয় সুইজারল্যান্ড ও ইতালি। ট্রিজারে গান গুলোর অংশ বিশেষ দেখে বুজা যাচ্ছে যে, গান গুলো হবে অনেক সুন্দর। গানগুলো লিখেছেন প্রাসেন ও ঋদ্ধি। গানগুলোর সংগীত পরিচালক স্যাভি, গান গেয়েছেন অরিজিৎ সিং, সান ও অংকিত ।

ফাইট সিন গুলো ছিল অসাধারণ। রংবাজের ফাইট ডিরেক্টর হলঃ জুদ রামু।

বুলির ৪র্থ মুভি এটি। বুলির অভিনয় আগের চেয়ে উন্নত মনে হল ট্রিজার দেখে। এছাড়া নতুন এর অভিনয় ছিল দেখার মত। একজন রংবাজের মার যেই রূপ হয় উচিৎ নতুন কে সেই রুপেই দেখা গেছে। এছাড়া কাজি হায়াতের কমেডি চরিত্র ভাল ছিল। চিকন আলীর একবারে ভিন্ন একলুক। যা আগে দেখে নি কেউ। রংবাজের শুটিং থেকে ডাবিং সবেই শেষ।

রংবাজে  এখন মুক্তির অপেক্ষায়। রংবাজ নিয়ে দর্শকের আগ্রহের শেষ নেই। এই রংবাজ একমাত্র মুভি যেখানের প্রত্যেকটি চরিত্র লুক থাকবে আলাদা। আর সেই লুক গুলায় আগে কেউ তাদের দেখেনি। পরিচালক তার মন দিয়ে ও মেধা দিয়ে করেছে। এই ছবির জন্য শাকিব তার হেয়ার স্টাইল পরিবর্তন করেছে।

এই মুভি নিয়ে যা যা হয়েছে,

এই মুভির প্রথম নাইকা হবার কথা ছিল অপু বিশ্বাসের। কিন্তু না না জামেলার কারণে হয় নাই। এখন নাইকা বুবলি। শাকিব খান নিষদ্ধ হবার পর তাকে নিয়ে মুভি বানানোর জন্য নিষদ্ধ রনি। আসলো নতুন পরিচালক মান্নান। এই মুভি দিয়ে বাংলাদেশের মুভিতে লগনি শুরু করল কলকাতার বিখ্যাত প্রোডাকশন শ্রী ভিক্টর। এই মুভিতেই প্রথম কোন রবীন্দ্র প্রেমী ভিলেন দেখা যাবে।

রংবাজে শাকিব খান,

এর আগে আমরা শাকিব খান বিভিন্ন লুকে দেখেছি। শাকিব খান এর আগে সন্ত্রাসী চরিত্রে অভিনয় করেছে । কিন্তু রংবাজে এ এক ভিন্ন শাকিব। কারণ এই প্রথম তাকে দেখা যাবে এই লুকে। গা ভরতি ট্যাটু, থ্রি-কোয়াটার জিন্স, লং গ্যাঞ্জি, গোলায় এক গোছা চেন। এই ধরণের লুকে শাকিব খান আগে দেখা যায়নি এবং কি আগে কোন নায়ক কে এই লুকে দেখা যায় নি বাংলা মুভিতে। যারা মনে করে শাকিব খানের লুক শুধু কলকাতার পরিচালকরা পরিবর্তন তাদের বলছি রংবাজ দেখুন। তাহলে বুঝবেন এদেশের পরিচালকরাও তার ভিন্ন লুক আনতে পারে ।

শাকিব বুবলি জুটির ৪র্থ মুভি এটি। এর আগে বসগিরি, শুটার ও অহংকার মুভিতে অভিনয় করে এই জুটি। আগের ঈদে এই জুটির বসগিরি সিনামাটি ভালই সারা পায়। তাই রংবাজ টিম আসা করছে, যে  এই মুভিও দর্শক সারা পাবে। তাই তো ট্রিজারের শেষে রংবাজ দেখার আমন্তন যানান শাকিব।

শুভ কামনা রইল রংবাজের জন্য।

জীবন চলমান

Now Reading
জীবন চলমান

ভাইয়ার বদলীর সাথে সাথে আমারা সবাই মিলে চলে আসি ঢাকায়। আমারা ঢাকার মিরপুরে থাকি। আমার প্রথম প্রথম অনেক কষ্ট হয় এখান কার পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে। এ শহরের অলি-গলি সব অচেনা মনে হত প্রথমে। আমি ঢাকা কলেজে ভর্তি হই। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারে ঢাকা কলেজ থেকে ইংরেজিতে পড়ছি। নতুন কলেজ নতুন বন্ধু , তাই সবার সাথে মিলে খাকতে প্রথমে একটু কষ্ট হচ্ছিল। তবে আস্তে আসেÍ সব টিক হয়ে যায়। আমার পরিবারে আছে বাবা-মা ও আমার সব কিছু আমার ভাইয়া। ভাইয়ার নাম মামুন, তার পড়ালেখা শেষ, এখন একটি বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করে। আব্বু আমাদের দোকানে বসে। আমাদের একটি কম্পিউটারের দোকান রয়েছে। আমরা ঢাকা এসে দোকান দেই।

এক দিন কলেজের শহিদ মিনারের সামনে বসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ এমন সময় দেখি এক মেয়ে। যার চুলগুলো বাতাসে উড়তেছিল। তার চোখ দুটিছিল খুব মায়াবি। আমি প্রথম দেখে প্রেমে পওে যাই। আমি আমার পাসে থাকা এক বন্ধুকে জিজ্ঞাস করি যে মেয়েটি কে। সে আমাকে বলে যে, মেয়েটি আমাদের কলেজে নতুনভর্তি হয়েছে। ক্লাসে স্যার আমাদের সাথে ওর পরিচয় করিয়ে দেয়। তখন যানতে পারি যে ওর নাম মিলি। কলেজ শেষে বাসের জন্য দাড়িয়ে আছি। আর মনে মনে মিলির কথা ভাব ছিলাম। হঠাৎ কে যেন আমাকে বললো, হায়! আপনি আমাদের কøাসের না। আমি গলা শুনে, তাকিয়ে দেখি এযে মিলি। উত্তর দেই, হ্যা! আমি আপনাদের ক্লাসের। আমি মিলি,মিরপুর – ০৬ থাকি। আমি মিলিন, আমিও মিরপুর – ০৬ থাকি। তাই নাকি তাহলে এক সাথে যাওয়া যায়। জি! যাও যেতে পারে। বাস চলে আসলো। বাসে উঠে, দুজনে পাসা পাসি বসলাম। আমি এই প্রথমবাসে কোন মেয়ের পাসে বসলাম। পুর রাস্থা দুজনে কথা বলতে বলতে আসলাম। কথার এক পর্যায় জানতে পারলাম যে, ও আমার বাসার গোলিতেই থাকে। ৪টা৩০ এ বাসে উঠসি আর ৬টায় মিরপুর আসলাম।

মিরপুর ১১নং বাস্টান থেকে বাসায় আসলাম একসাথে। তার পর মিলি ওর বাসায় চলে যায় আর আমি আমার বাসায়। বাসায় ফিওে সরাসরি আমার রুমে চলেযাই এবং সুয়েসুয়ে ওর কথা ভাবতে থাকি। হঠাৎ করে আম্মু এসে আমাকে বলে, কি রে তোরকিহয়েছে? কিছু না তো মা। তাহলে তুই ঘরে ঢুকার পর তোকে এত ডাকলাম তুই সারাদিলিনা যে। ও তাহলে মনে হয় আমি সুনি নাই। মা বলে, ওহ আচ্ছা খেতে আয়। আসা মা তুমি যাও আমি আসছি। আমি দুপুওে খাওয়া শেষে একটা ঘুম দেই। বিকাল বেলা প্রতিদিনের মত রাস্তাদিয়ে হাটতে বের হই। হঠাৎ দেখি মিলি দাড়িয়ে আছে। আমি ওকে ডাক দিয়ে বলে কি হাঠতে বের হয়েছো। হ্যা! ও বললো। ওহ তাহলে চলো একসাথে যাওয়া যায়। পুর বিকাল আমরা ঘোরা ঘোরি করি। সন্ধার সময় আমি বাসায় আসার আগে মিলির সাথে কথা হয় কাল আমার একসাথে কলেজে যাব। এর পর আমি বাসায় চলে আসি, মিলিও বাসায় চলে যায়। আমি বাসায় সুধু আন-মনে মিলির কথা ভাবতে থাকি। ৯টার দিকে আব্বু আসে ও তার কিছু কখন পর ভাইয়া আসে। আমরা একসাথে রাতের খাবার খাই। খাবার টেবিলে বসে আব্বু বলে তার এক পুরানো বন্ধুর সাথে দেখা হয়েছে, সে নাকি আমাদের এই এলাকাতে থাকে। তার পর ১১টার দিকে ঘুমাতে যাই। পরের দিন ঘুম ভাঙ্গে মিলির ফোনে। আসলে আমি কিছুটা আলসে টাইপের তো, তাই ওকে ফোন দিতে বলছিলাম। তাই ও আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তাড়াতারি ঘুম থেকে উঠে বের হয়। আচ্ছা! আমি দুই মিনিটের মধ্যে আচ্ছি। তাড়াতারি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেসহয়ে, কোন রকম নাস্তা খেয়ে বের হয়ে যাই। বের হয়ে দেখি মিলি আমার জন্য বসে আছে।

আমি আসতেই, তোমার এত দেরি কেন? আসলে ঘুম খেকে উঠতে দেরি হইছে, আচ্ছা চলো। এরপর কলেজের উদ্দেশে আমরা রওন দেই। আমি আজ মিলিকে বলেই দিব যে আমি ওকে ভালবাসি। কিন্তু আমি কোন চ্যান্স পেতেছিলাম না। সারা রাস্তা আমরা গল্প করতে করতে যাই। কলেজে এসে আমি ওকে বলি, তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে। মিলি বলে, আছা বল। এখানে না পুকুর পাড়ে চল। আছা চল! পুকুর পাড়ে এদিন কেউ ছিল না। কি বলবে বল? মিলি আমি তোমাকে ভালবাসি। হা হা হা হা হা! হাসছো কেন মিলি? হাসি থামিয়ে, দেখ আমরা ভাল বন্ধু এরচেয়ে বেশি কিছু এখন সম্ভাব না। কেন? এর কোন উত্তর নেই। এর মধ্যে ওর বান্ধবি আসলে ও চলে যায়। আমি ভাবি ওর মনে হয় অন্য কোথাও রিলেশন আছে। কলেজ ছুটি শেষে মিলির সবচেয়ে কাছের বান্ধবি জঁই কে জিজ্ঞাস করি ওর কোন রিলেশন আছে কিনা । জঁই আমাকে বলে না । এর আমি মিলিকে সাহস করে বলতে যাব তখনেই মিলি এসে আমাকে বলে ফারহান তোমার কোন কাজ আছে ? না! কেন ? কি হয়েছে মিলি বল। আওে কিছু না ! কাল এক বাসায় দাওয়াতে যাব তাই আম¥ু গিফট কিনতে বলছে। ওহ! আছা চল। এর পর আমি আর মিলি গিফট কিনতে যাই। আমরা একটা রেস্টুরেন্টে যাই । সেখানে বসে আমি মিলি কে বলে দেই যে আমি ওকে ভালবাসি ।

মিলি সাথে সাথে উত্তর না দিয়ে বলে পরে যানাবে। আমি আশায় থাকি! এর পর আমরা বাসায় চলে আসি। কাল ভাইয়ার জন্মদিন তাই ১২টা পর্র্যন্ত সজাগ ছিলাম। টিকরাত ১২টার দিকে আমি ভাইয়ার রুমে যাই ও ভাইয়া কে শুভেচ্ছা যানাই। আমার পর আব্বু ও আম্মু এসে শুভেচ্ছা যানায়। আমি বলি ভাইয়া কাল পার্টি চাই। আব্বু বলে হবে হবে। কাল একসাথে দুইকাজ সারবো। আম্মু বলে, আর একটা কাজকি? আব্বু বলে, মামুনের জন্য একটা মেয়ে দেখেছি। আমার বন্ধুর মেয়ে। আব্বু ছবি দেখি। আরে মিলন এত তারা হুর কি আছে, কাল আসবে তখন দেখবি। আচ্ছা! ভাইয়া বলে, আছা তোমরা এখন যাও। এরপর আমরা চলে আসি। আমার কিছুতেই ঘুম আসছে না। আমি সুধু মিলির কথা ভাবছি। কাল কি ও আমাকে হ্যা বলে দিবে। শুধু নাচিদার(নাচিকেতা) গান শুনতে শুনতে কখন যে আমি ঘুমিয়ে এ যাই, নিজেও যানি না। পরের দিন ঘুম ভাঙ্গে মিলির ফোনে। আসলে আমি কিছুটা আলসে টাইপের তো, তাই ওকে ফোন দিতে বলছিলাম। তাই ও আমাকে ফোন দিয়ে বলে, তাড়াতারি ঘুম থেকে উঠে বের হয়। আচ্ছা! আমি দুই মিনিটের মধ্যে আচ্ছি। তাড়াতারি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেসহয়ে, কোন রকম নাস্তা খেয়ে বের হয়ে যাই। বের হয়ে দেখি মিলি আমার জন্য বসে আছে। এরপর আমার একসাথে কলেজে যাই। আমি ওর কাছে উত্তর যান্তে চাইলে। মিলি বলে কাল দিবো। ওহ! কলেজ থেকে বাসায় আসতে আসতে বিকাল ৫ টা বাজে। ভাইয়ার জন্মদিনের পার্টি থাকায় ভাইয়া ও আব্বু আজ বাসায় তাড়াতারি চলে আসে। আমার প্রিয় বন্ধু রহিম ও আসে। টিক ৮টার দিকে সব মেহমান চলে আসে। আম্মু আব্বুকে বলে, তোমার বন্ধু কই? এর মধ্যে দেখি মিলি ও তার পরিবার। আমি অবাক হয়ে যাই। দেখি আব্বু আম্মু কে বলছে কাল যার কথা বলছে, এ হল সে। আমি আর মিলির সামনে যাই না। আমি ভাইয়া কে গিয়ে বলি, ভাইয়া ঐ দেখ সেই মেয়ে। তোর পছন্দ হয়েছে ভাইয়া বলে, হ্যা!। আমার মনে একটা ঝর বয়ে গেল। হঠাৎ আমি আর মিলি সামনা সামনি হয়ে যাই। মিলি তুমি এখানে, আমার এক বন্ধুর ভাইয়ের জন্মদিন। ওহ! তোমার সাথে আমার জরুলি কথা আছে। ওকে! এরপর ভাইয়া কেক কাটে। সবাই খাওয়া দাওয়া শেষ করে চলে যায়। আব্বু বলে কাল আমরা ওদের বাসায় গিয়ে, আংটি পরাই আসবো। আমি বলি, আব্বু আমিকাল যেতে পারবো না, কাল আমার একটা পরীক্ষা আছে। আছা! এর পর আমি আমার রুমে চলে যাই। আমার মন খুব খারাপ আমি কী করবএখন। তারপর সিদ্ধানÍ নেই আমি ভাইয়ের জন্য ভালোবাসা কোরবান করব। পরেদিন সকালে মিলি আমাকে ফোনকরে নিচে আসতে বলে। আমি এদিন না খেয়ে বের হয়ে যাই। মিলির সাথে দেখাকরি ও আমরা দুজন মিলে এক রেস্টুরেন্টে যাই। মিলিবলে, আমার বিয়ে টিক হয়েগেছে, আজ আমাকে দেখতে আসবে এবং বিয়ের দিন ঠিক করতে আসবে, সো বুঝতেই পারছো তোমার উত্তর না। ওহ! তো বিয়ের জন্য শুভ কামনা । আমার বিয়েতে তোমার দাওয়াত তুমি আসবে কিন্তু। হ্যা! আসবো। এর কিছু কখন পর ও চলে যায়। আমি বাসায় ফিরে যাই রাত ১০টায়। বাসায় এসে যানতে পারি এ মাসের ২২ তারিকে ভাইয়ার বিয়ে টিক হয়েছে। আমি মনেমনে বুঝতে পারি যে এভাবে এখানে থাকা সম্ভাব না। তাই আমি বিয়ের আগের দিন এ বাসা ছেরে বিদেশ চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু ভাইয়া বলে তুই আমার বিয়ে না থাকলে আমি বিয়ে করবোই না। বাবা বলে পড়ালেখার জন্য বাহিরে যাবি বিয়ের পরে যা। সবার কথা আর বিশেষ করে ভাইয়ার কথা ভেবে বিয়ের পরের দিন যাবার সিধান্ত নেই।

বিয়ের হবার পর মিলি যখন আমাদের বাসায় আসে, তখন আমাকে দেখে অবাক হয়। ভাইয়া ওর সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দেয়। আমি ভাইয়ার সব কিছু! বিদেশে পড়ালেখার জন্য কাল চলে যাব। আচ্ছা ভাবি আসি, দোওয়া কর আমার জন্য। আচ্ছা! এখন ঘুমাতে যা। আমি চলে আসি আমার রুমে। পরের দিন সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গে আমার ঘড়ির অ্যালামে। দেখি সকাল ৬ টা বাজে। আমি ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে, যাবার জন্য তৈরি হই। এরপর সাদে বসে চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ মিলি দেখি সাদে আসছে। আমার কাছে এসে মিলি বলো, দেখ মিলন আমি সব ভুলে গেছি তুমিও ভুলে যাও। এর পর ভাইয়া আমাকে ডাকলে আমি নিচে চলে আসি। আমাকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত আমার পরিবারের সবাই পৌছে দিয়ে যায়।

৫ বছর পর আমি দেশে ফিরি । আমাকে নিতে এয়ারপোর্ট ভাইয়া, ভাবি ও তাদের ছেলে আসে। ৫ বছরে সবেই বদলে যায়। আমিও সব ভুলে ব্যাপারটাকে মেনে নেই। সব কিছু টিক হয়ে যায়। এভাবেই মানুষের জীবন চলমান কোন কিছুতেই থামেনা।

মাশরাফির ফেরার ম্যাচে জয় পাবে কি বাংলাদেশ?

Now Reading
মাশরাফির ফেরার ম্যাচে জয় পাবে কি বাংলাদেশ?

কি ভাবছেন অবসর ভঙ্গে ফিরছে? না। আইসিসির দেয়া এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আজকের ম্যাচ দিয়ে ফিরছেন। নিষেধাজ্ঞার কারণে ত্রিদেশীয় সিরিজের ১ম ম্যাচ খেলতে পারেনি। ২য় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশের ওয়ান ডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি। আজ বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩ঃ ৪৫ মিনিটি খেলা শুরু হবে । গতকাল ডাবলিনের ক্লনটার্ফ ক্রিকেট ক্লাব মাঠের নেট প্র্যাকটিসে করেছেন বোলিং অনুশীলন। আজ একাদশে পরিবর্তন একটাই তাহল, মাশরাফি ইন। কিন্তু বাদযাবে কে? তাসকিন অথবা রুবেল বাদ যাবে আজ । মাশরাফি আগের বার এই নিউজিল্যান্ডের সাথে খেলতে গিয়ে চোট পায়। তাদের সাথে হোয়াইয়ট ওয়াস হয়ে আসে। তবে এবার মাশরাফিরা হারাতে চায় নিউজিল্যান্ডকে। মাশরাফি মনে করে সবাই তাদের প্রাপ্য টা দিলে ম্যাচে জয় পাওয়া কঠিন হবে না। তবে আবহাওয়া ও সবুজ পিচ টা বাধা হতে পারে। টস জয় পাওয়া টাওয়া অনেক বড় বেপার। টসে জিতলে আগে ব্যাটিং নিতে হবে। কারণ এই মাঠে আগে যারা ব্যাট করে তারাই জয় পায়। তাছাড়া পিচে ঘাস বেশি, যার ফলে পরে ব্যাট করাটা কষ্টকর হবে। দলের সবাই তাদের প্রাপ্য টা খেলেই জয় আমরা পাব। তামিম, সাকিব, রিয়াদ, মুসফিক তাদের অভিগতা দিয়ে ভালকিছু উপহার দিতে পারলেই জয় পাব। মাহমুদুল্লাহ যদি কাল ৭৯ রান করতে পারে তাহলে ৩০০০ রানের মালিক হবে। সাকিব মিরাজের স্পিনটাও পেস নির্ভর উইকেটে কাজে লাগতে পারে। তাছাড়া তিন জন পেসার তো আছেই। তারা যদি তাদের কাজ গুলো টিক ভাবে করতে পারে তাহলেই হবে। মুস্তাফিজের খারাপ সময় যাচ্ছে। সেও ফিরতে মরিয়া হয়ে আছে। মুস্তাফিজ তার চেনা রূপে ফিরতে চায়। প্রথম ম্যাচে বৃষ্টির কারণে দেখা হয় নাই বোলাদের। তাই এই ম্যাচেই হতে পারে বোলাদের পরীক্ষার জন্য। ম্যাচ টি বাংলাদেশের হতে হলে তিন বিভাগেই ভাল করতে হবে। বোলিং, ব্যাটিং, ফিল্ডিং এই সব গুলোতেই ভাল করতে হবে। একাদশে নাসির আর ইমরুল কে চান্স দেয়া দরকার। সাথে তাসকিন কে বসিয়ে রুবেল কে দলে রাখা প্রোয়জন। কারণ অচেনা কন্ডিশনে অভিগতার প্রোয়জন থাকে। যার প্রমান আমরা প্রথম ম্যাচে পেয়েছি। তাছাড়া সৌম্য কিছু দিন ধরে রান পাচ্ছে না। তাই তার যায়গায় ইমরুল কে নেয়া যায়। মোসাদ্দেক হোসেন ও মেহিদি নতুন তাই তাদের যেকোন একজনের যায়গায় নাসির কে নেয়া যায়। তাসকিন কে বসিয়ে রুবেল কে একটা চান্স দেয়া দরকার, কারণ রুবেল এই কন্ডিশনে ভাল বোল করে। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মনে রাখতে হবে সবুজ ঘাসে বোল সুইং করে। তাই প্রথমে সেট হয়ে নিতে হবে। ভুল শটগুলো এরাতে হবে। আমাদের ভুল থেকে শিক্ষতে হবে। বারবার এক ভুল করলে চলবে না। বাজে শট ও এসেই রাফ খেলা এগুলো বাদ দিতে হবে। আগে ব্যাট করলে ৩০০ প্লাস রান টার্গেট দিতে হবে। আর বোল করলে ২৫০ এর মধ্যে আটকাতে হবে তাইলেই জয় পাওয়া টা সহজ হবে। বোলারদের যে ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব বেশি। তাদের রান করতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। সিনিয়ার পেলেয়ারদের দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। সবাই সবাইর বেষ্ট টা দিলেই জয় পাওয়া যাবে। কোন ভাবেই মিস ফিল্ড করা যাবে না। আজকের এই ম্যাচ জয় দিয়ে বাংলাদেশ সিরিজের ভালো অবস্থানে যেতে চায়। অন্য দিকে নিউজিল্যান্ডও জয় দিয়ে সিরিজ নিজেদের এগিয়ে রাখতে চায়। তাই আজকের ম্যাচ হবে চ্যালেঞ্জিং । কেউ কাউ কে ছেড়ে কথা বলবে না। তবে আশা করি জয় বাংলাদেশের হবে।

আসুন দেখেনেই বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের শেষ ৫ ম্যাচের রেজাল্ট: 

বাংলাদেশ : L-W-L-L-L

নিউজিল্যান্ড : W-L-W-L-W

ম্যাচে নজর থাকবে যাদের উপর:

তামিম ইকবাল, মাহমুদুল্লাহ । নিউজিল্যান্ডের জন্য এই দুজনেই হতে পারে ভয়ংকর। ১ম ম্যাচে তামিম মাহমুদুল্লার ব্যটেই বাংলাদেশ ভাল সংগ্রহ করে। সবুজ উইকেটেও তারা যে কতোটা দক্ষ তা আয়ারল্যান্ড ভালোই টের পেয়েছে। তাছারা মাহমুদুল্লার একটি সেঞ্জুরি এই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।

নিউজিল্যান্ডের মিচেল সান্টনার উপর। ত্রিদেশীয় সিরিজের ২য় ম্যাচে আয়ারল্যন্ডের বিপক্ষে একাই ৫ উইকেট নেয়। নিউজিল্যান্ডের এই বাম হাতি বোলাররি হতে পারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাধা।

মাঠের ইতিহাস :

এই মাঠের পরিসংখ্যান হিসাবে দেখা যায় যারা আগে ব্যাট করে তারাই জয় পায়। ত্রিদেশীয় সিরিজের ২য় ম্যাচেও নিউজিল্যান্ড আগে ব্যাট করে জয় পায়। তাই টস টা বর কারণ হতে পারে এই ম্যাচে।

বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কি হতে পারে?

বৃষ্টি হতে পারে প্রতিপক্ষ। বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাব্য না আছে। তাছাড়া পেস সহায়গ পিসে ভয়ংকর হতে পারে মিচেল সান্টনার বাম হাতি স্পিন। তার স্পিন বোল খুবেই ভয়ংকর। সবুজ ঘাসে ব্যাট করতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভালোই বেগ পেতে হবে। তবে সেট হয়ে গেলে বড় স্কোর করা যেতে পারে। মাঠ ছোট তাই ৩০০ আপ স্কোর হয়াতা স্বাভাবিক । পেস বোলাররা সুইং পাবে ভালোই। তাই দেখে বুঝে খেলতে হবে।

দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ :

নিউজিল্যান্ড : লূক রনচি (উইকেটকিপার), টম ল্যাথাম (অধিনায়ক), জন জর্জ ওয়ার্কার, রস টেলর, নীল ব্রুম, জেমস নিশাম, কলিন মুনরো, স্কট কোগলেলিজন, মিচেল সেনানিয়ার, শেথ রান, অ্যাড মিল্ন / ইশ সোদি

বাংলাদেশ : তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সাব্বির রহমান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটকিপার), সাকিব আল হাসান, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন/নাসির হসেন, মেহিদি হাসান, মাশরাফি মুর্তজা (অধিনায়ক), মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল/তাসকিন

ঢালিউডের স্টাইল আইকনের গল্প

Now Reading
ঢালিউডের স্টাইল আইকনের গল্প

ঢালিউডের স্টাইল আইকন বলা যায় সালমান শাহ কে। সালমান শাহ বাংলা চলচিত্রের ইতিহাসের অংশ। আজও তার স্টাইল ফলো করে অনেকে। ব্যক্তিগত ভাবেই সালমান শাহ খুব সৌখিন মানুষ ছিল। তার প্রকৃতি নাম শাহরিয়ার চৌধুরি ইমন। চলচিত্র পারায় সালমান শাহ নামেই পরিচিত। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে চলচিত্রে আগমন সালমান শাহার। নিজের প্রথম ছবি দিয়েই আলোরন সৃষ্টি করে। তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে সে ২৭ টি ছবিতে অভিনয় করে যার সবগুলোই হিট। আজ যানবো তার সম্পর্কে ।

জন্ম

সালমান শাহ ১৯৭১ সালে ১৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের সিলেট জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। তিনি পরিবারের বড় ছেলে।

পারিবারিক জীবন

সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ তাঁর মায়ের বান্ধবীর মেয়ে সামিরা হককে ভালোবেসে বিয়ে করেন। সামিরা হক ছিলেন একজন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ী। তিনি সালমানের কিছু চলচ্চিত্রে তাঁর পোশাক পরিকল্পনাকারী হিসেবে কাজ করেন।

শিক্ষা

১৯৮৭ সালে তিনি ঢাকার ধানমন্ডি আরব মিশন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। পরে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট ও ধানমন্ডির মালেকা সায়েন্স কলেজ থেকে বিকম পাস করেন।

চলচ্চিত্রে সাফল্য

তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র জহিরুল হক ও তমিজউদ্দিন রিজভী পরিচালিত তুমি আমার চলচ্চিত্রটি ব্যবসাসফল হয়। পরিচালক জহিরুল হক চলচ্চিত্রটির কিছু অংশ নির্মাণ করার পর মারা যান। পরে তমিজউদ্দিন রিজভী বাকি কাজ শেষ করেন। এই চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মত তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর।পরে তার সাথে জুটি বেধে একে একে সুজন সখি (১৯৯৪), বিক্ষোভ (১৯৯৪), স্বপ্নের ঠিকানা (১৯৯৪), মহামিলন (১৯৯৫), বিচার হবে (১৯৯৬), তোমাকে চাই (১৯৯৬), স্বপ্নের পৃথিবী (১৯৯৬), জীবন সংসার (১৯৯৬), চাওয়া থেকে পাওয়া (১৯৯৬), প্রেম পিয়াসী (১৯৯৭), স্বপ্নের নায়ক (১৯৯৭), আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭), বুকের ভিতর আগুন (১৯৯৭) সহ মোট ১৪টি ছবিতে অভিনয় করেছেন।সবকটি ছবি ব্যবসাসফল হয়।

সালমান শাহ কেন জনপ্রিয়

১৯৮৫ সালে বিটিবির আকাশ ছোয়া নাটক দিয়ে তার অভিনয় যাত্রা শুরু। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমানের কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবি দিয়ে তার যাত্রা শুরু চলচিত্রে। ৯০ এর দশকে তিনি বাংলা চলচিত্রে নিয়ে এসে ছিল আলাদা কিছু স্টাইল। যা বর্তমান বিশ্বে এখন ব্যবহার হয়। তার অভিনয়ের কোন তুলনা হয় না। নায়ক রাজ রাজ্জাক স্যার বলে ছিলেন আমার পর কেউ যদি ইন্ডাস্ট্রিতে এক নাম্বার পজিসনে যায় সেটা সালমান শাহ । তিনি একমাত্র নায়ক যার ২৭ টি সিনামাই হিট। আজও তার অভাব কেউ পূরণ করতে পারেনি। ২৭ টি সিনামার মধ্যে ১৪ টি সিনামা ছিল শাবনূরের সাথে। সালমান-শাবনূর জুটি তখন খুব জনপ্রিয় ছিল। সালমান শাহার তখন কার স্টাইলের কাজেও যেতে পারবে না বর্তমান তারকারা। সালমান শাহ যেকোন চরিত্রের সাথে নিজেকে মানিয় নিতো। তার অভিনিত সেরা ছবি স্বপ্নের টিকানা। যা আয় করেছিল ১৯ কোটি টাকা। সালমান শাহ তার স্টাইলের কারণে আজ বেঁচে আছে মানুষের মাঝে। যখন বলিউড হিরোদের এখন কার স্টাইল সালমান শাহার কপি। তখন মনে হয় সে মরেনি আজও বেঁচে আছে। সালমান শাহার মৃত্যুর খবর শুনে অনেক তরুন তরুনী সুইসাইড করে। আজ সালমান শাহার স্টাইল ফলো করে তরুনরা। সালমান ছিল বাংলা চলচিত্র নক্ষত্র। যার ফলে আজও উজ্জ্বল হয়ে আছে। সালমান শাহার অভিনিত সবগুলো ছবি হিট হয়েছে। সালমান শাহ মানি অন্য কিছু ছিল তখন। ৯০ দশকের সেই সময় সালমান শাহ যেন ধুমকেতু হয়ে এসেছে। এই কিছু দিন আগের কথা। ২০১৪ সালে বলিউডের আশিকি টু চলচ্চিত্রের নির্মাতা শুটিং সেটে নায়ক আদিত্য রায় কাপুরকে চরিত্র বুঝিয়ে দিতে গিয়ে বলছিলেন, “তোমাকে আমি বাংলাদেশের প্রয়াত নায়ক সালমান শাহর লুকে চাই। সালমানের স্টাইলগুলো ফলো করো। ” পরবর্তীতে সালমান শাহ অভিনীত কিছু সিনেমার ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয় আদিত্যকে। এ খবর ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। শুধু তাই না তার মাথায় কাপুর বাধার স্টাইওল টা জনপ্রিয় ছিল খুব। তখন তার দেখা দেখি হাজার তরুন এই স্টাইওল করতো। তিনি ছিলেন তরুনদের স্টাইওল আইকন। তার স্টাইলগুলো আজও অনুকরণ করা হয়। ঢালিউড থেকে বলিউড সব যায়গায় আজ তার স্টাইল। আজ যেই সব স্টাইল করা হয়, তা সালমান শাহ ২০ বছর আগে করে গেছে। সালমান শাহ ছিলেন সব যায়গায় জনপ্রিয়। তার এই অভিনয় দেখে শাহরুক খান তাকে দাওয়াত দিয়ে নেয়। সালমান শাহ দেখা করতে গেলে শাহরুক খান তার দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে ছবির সুটিং এর ফাকে তার সাথে দেখা করে। ঢালিউড এর বর্তমান সুপারস্টার শাকিব খানও সালমান শাহ কে আইডল মানে। তার সিনামায় আসা সালমান শাহ কে দেখে। এইসব কারণেই তারকা থেকে সাধারন মানুষ সবার কাছে সালমান শাহ জনপ্রিয়।

মৃত্যু 

খুব অল্প বয়সে আমরা তাকে হারিয়েছি। সালমান শাহার মৃত্যু নিয়ে আজও রহস্য রয়েগেছে। বলা হয় সুইসাইড করেছে। কিন্তু আসলে তা কেউ মানে না। সবার ধারনা তাকে খুন করা হয়েছে। সালমান শাহার মৃত্যুতে ঢালিউডে শোক নেমে আসে। তার অভাব আজও কেউ পূরণ করতে পারেনি।

সালমান শাহ অমর হয়ে আছে তার কর্মে। আমরা তোমায় ভুলবো না কখনো। ঢালিউডের স্টাইল আইকন, বরপুত্র, যুবরাজ। তুমি হয়তো অন্য কোন দেশে জন্মালে তোমার নামে মমের মূর্তি থাকতো। তোমার মূল্য আমরা দিতে পারিনি। আজ বুঝেছি কি হারিয়েছি। 

বাংলাদেশের অভিষেক ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত ।

Now Reading
বাংলাদেশের অভিষেক ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত ।

নিশ্চই ভাবছেন বাংলাদেশের অভিষেক তো অনেক আগেই হয়েছে। তাহলে আজ কিভাবে। আজ আয়ারল্যান্ডের “Malahide Cricket Club Ground” মাঠে বাংলাদেশের অভিষেক ম্যাচ ছিল । আর এই দিকে সাকিবের ৫০ তম ম্যাচ ছিল বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসাবে। ম্যাশ আজকের ম্যাচ খেলতে পারবে না কারণ স্লো ওভার এর কারণে সে এক ম্যাচ নিশিদ্ধ। আর তাই সাকিব আজ অধিনায়ক।

এই মাঠের রেকর্ডঃ

ত্রিদেশীয় সিরিজের সবগুলো ম্যাচ এই মাঠে হবে। আয়ারল্যান্ড এই মাঠে প্রথম খেলা হয় ২০১৩ সালে । সেই ম্যাচে ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জয় লাভ করে। এই মাঠের রেকর্ড অনুযায় দেখা যায় যারা আগে বোলিং করে তারাই জয় লাভ করে। আগে ব্যাটিং করে জয় লাভ করেছে ৩ বার। এই মাঠে দলীয় সব্বোর্চ রান শ্রীলংকার ৩৭৭ রান । দলীয় সর্বনিম্ন রান আয়ারল্যান্ডের ৫৬ রান। এই মাঠে ব্যক্তিগত সব্বোর্চ রান সারজিল খানের ১৫২ রান। এই মাঠে সেরা বোলিং ফিগার ইমাদ ওয়াসিমের। ইমাদ ওয়াসিম ১৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেয়।

আজ কের ম্যাচের পিচ ছিল বোলিং পিচ। ঘন সবুজ উইকেট । তার মধ্যে বৃষ্টি। যার ফলে উইকেট পুরো বোলারদের জন্য প্লাস পয়েন্ট করে দেয় ।

ম্যাচ রিপোর্ট ঃ

টসে জিতে বোলিং এর সিদ্ধান্ত নেয় আয়ারল্যান্ড দলের অধিনায়ক। প্রথম থেকেই বৃষ্টি বাদ হয়ে আসছিল । টস সময় মত হলেও বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরু হতে ২৫ মিনিটের মত লেট হয়। আজকের শুরুটা বাংলাদেশ ভাল করতে পারেনি। বাংলাদেশের উইকেটের পতন টা ছিল এরকমঃ ১-৮, ২-৯, ৩-৪৭, ৪-৭০। ৪র্থ উইকেটের পতনের পর ৫ম উইকেটে দলের ব্যাটিং বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে মাহমুদুল্লাহ ও তামিমের ব্যাটে। তামিম ৮৮ বলে অপরাজিত ৬৪ রান এবং মাহমুদুল্লাহ ৫৬ বলে অপরাজিত ৪৩ রান। এই দুইজনের ব্যাটে ৬৭ রান আসে। এর আগে দলীয় ৮ রানে ব্যক্তিগত ৫ রানে চেজের বলে আউট হয় সৌম্য সরকার। এরপর দলীয় ৯ রানে চেজের বল তুলে মারতে গিয়ে শূণ রানে আউট সাব্বির। এর তামিম মুশফিক মিলে কিছুটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু দলীয় ৪৭ রানে ম্যাকার্থিকে বলে ১৩ রানে আউট হয়। অধিনায়ক সাকিব এবং তামিম ৪র্থ উইকেটে ২৩ রান যোগ করে। দলীয় ৭০ রানে চেজের বলে ১৪ রানে আউট হয় অধিনায়ক সাকিব। দলের এই অবস্থায় তামিম ও মাহমুদুল্লাহ মিলে বিপর্যয় যখন কাটিয়ে উঠে তখনেই বাধা হয়ে আসে বৃষ্টি। ৩১.১ ওভারের খেলা হয়। বাংলাদেশের দলিয় রান তখন ৪ উইকেটে ১৫৭ রান। বৃষ্টির কারণে খেলা আজ আর হয়না । দুই আম্পায়ার আজকের ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষনা করে।

ম্যালাহাইডে বৃষ্টির রাজত্ব

বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরু হতে ২৫ মিনিতের মত লেট হয়। এর পর খেলা শুরু হলে ৩১.১ ওভারের মাতায় আবার বৃষ্টি শুরু যার ফলে খেলা বন্ধ হয়ে যায় । ৩ ঘণ্টার বেশি সময় সময় অপেক্ষা করে বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে দশটার দিকে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার।

বৃষ্টিতে খেলা শুরু হতে দেরি

টস হয়েছে নির্ধারিত সময়েই, কিন্তু গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির জন্য শুক্রবার ডাবলিনের ম্যালাহাইডে ঠিক সময়ে খেলা শুরু করা যায়নি। বাংলাদেশ সময় বিকাল পৌনে চারটায় খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ২৫ মিনিট লেট করে সেই খেলা শুরু হয় চার টা দশ মিনিটে।

বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ

বাংলাদেশ ইনিংসের ৩১.১ ওভারে বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ রয়েছে। ৩১.১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৫৭/৪। সে সময় তামিম ইকবাল ৬৪ ও মাহমুদউল্লাহ ৪৩ রানে অপরাজিত। এর আগে টসের পর বৃষ্টি নামায় খেলা নির্ধারিত সময়ের ২৫ মিনিট পরে শুরু হয়।

বাংলাদেশের একাদশ

আজকের একদশ টা ছিল দেখার মত। অভাব ছিল শুধু ম্যাশের । বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মোসাদ্দেক হোসেন, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।

ছয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস সাকিবের

ত্রিদেশীয় সিরিজে তিন ম্যাচ জিতলে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আত্মবিশ্বাসী, চার ম্যাচের তিনটিতে জিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলতে পারবেন তারা। ছয় নম্বরে থাকা শ্রীলঙ্কার চেয়ে দুই পয়েন্টে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ (৯১)।

তামিমের অর্ধশতকঃ

দলের বিপদের সময় আবারও জ্বলে উঠেছেন তামিম ইকবাল। দেশসেরা ওপেনার ব্যাটসম্যান পেয়েছেন নিজের ৩৫তম অর্ধশতক। ম্যাকার্থিকে চার হাঁকিয়ে পঞ্চাশে পৌছান তামিম। ৭৬ বলের ইনিংসে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের এটি সপ্তম বাউন্ডারি। ২৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ১৪১/৪। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে তামিম গড়েছেন ৭১ রানের জুটি। তামিম ৫৪ ও মাহমুদউল্লাহ ৩৭ রানে ব্যাট করছেন।

তামিম-মাহমুদউল্লাহর অর্ধশত রানের জুটিঃ

বাংলাদেশের ১ম ৫০রানের জুটি আসে ৫ম উইকেটে, তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে। ৭০ রানে চার ব্যাটসম্যান ফিরে যাওয়ার পর জুটি বেধেছেন দুই জন। এই জুটি টা ছিল বাংলাদেশের প্লাস পয়েন্ট । ২১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১০৭/৪। তামিম ৫৯ বলে ৩৮ ও মাহমুদউল্লাহ ২৪ বলে ২২ রানে ব্যাট করছেন।

বাংলাদেশের একশ

২১তম ওভারে নিজেদের রান তিন অঙ্কে নিয়ে গেছে বাংলাদেশ। আশা হয়ে টিকে থাকা তামিম ইকবালের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ।

উইকেট ছুড়ে এলেন সাকিব

বরাবরে মত আজও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেনি সাকিব। কাট করে পিটার চেইসকে চমৎকার এক চার হাঁকালেন সাকিব আল হাসান। পরের বলে একটু ঝুঁকি নিয়ে এল আরেকটা চার। ৩য় বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে। আবার চড়াও হতে গেলেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। ঠিক মতো পারলেন না, সহজ ক্যাচ গেল উইকেটরক্ষক নায়াল ও’ব্রায়েনের কাছে। দুটি চারে ১৬ বলে ১৪ রান করে সাকিব ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের স্কোর ৭০/৪।
ফিরে গেলেন মুশফিক

সবেই তামিম ইকবালের সঙ্গে গড়ে উঠছিল জুটি। আস্থার সঙ্গে খেলে চাপটা সরিয়ে নিচ্ছেলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু তার বিদায়ে চাপটা আবার ফিরে এসেছে বাংলাদেশের ওপর। ম্যাকার্থিকে আগের ওভারের প্রথম দুই বলে চার হাঁকিয়ে বোলিংয়ে স্বাগত জানিয়েছিলেন মুশফিক। পরের ওভারে অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে প্রথম স্লিপে উইলসনকে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি। ১৭ বলে তিনটি চারে মুশফিক ১৩ রান করে ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের স্কোর ৪৭/৩।

বাজে শটে আউট সাব্বির
প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ এক শতক করা সাব্বিরের রানের খাতাই খুলতে পারেননি। চেইসের ওপর চড়াও হতে গিয়ে আকাশে তুলে দিয়ে ফিরেন টপ অর্ডার এই ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানায় লেগে থার্ড ম্যানে আসা ক্যাচ দুই হাতে জমান মারটাগ।

শুরুতেই সৌম্যর বিদায়
সৌম্যের ব্যাট যেন রান পাচ্ছেই না। চেইসের আগের শর্ট বলটা না খেলে ছেড়ে দিয়েছিলেন সৌম্য । পরের বার গেলেন বলের ওপরে, ঠিকমতো খেলতে পারলেন না। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে জমা পড়লো উইকেটরক্ষক নায়াল ও’ব্রায়েনের হাতে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:

বাংলাদেশ: ৩১.১ ওভারে ১৫৭/৪ (তামিম ৬৪*, সৌম্য ৫, সাব্বির ০, মুশফিক ১৩, সাকিব ১৪, মাহমুদউল্লাহ ৪৩*; চেজ ৩/৩৩, ম্যাকার্থি ১/৪৬)।

ম্যাচের ফলাফলঃ কের ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হইছে ।

ডাবলিনে শেষ হাসি বৃষ্টির

তামিম ইকবাল-মাহমুদউল্লাহর দারুণ জুটি থামানো বৃষ্টির বাধায় ভেসে গেছে ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের প্রথম ওয়ানডে।তিন ঘণ্টার বেশি সময় সময় অপেক্ষা করে বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে দশটার দিকে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার।রোববার একই ভেন্যুতে মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ড-নিউ জিল্যান্ড। আগামী বুধবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে সেই ম্যাচে ফিরবেন নিয়মিত অধিনায়ক ম্যাশ।