থৈ থৈ চট্টগ্রামের করুন অবস্থায় একটি বিশেষ প্রশ্ন

Now Reading
থৈ থৈ চট্টগ্রামের করুন অবস্থায় একটি বিশেষ প্রশ্ন

চট্টগ্রাম এখন একটি নোংরা পানির আস্ত সুইমিং পুল। গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতের ৩/৪ ঘন্টার বৃষ্টিপাতে প্রিয় শহরটি রুপ নিয়েছে ভেনিস নগরীতে, তবে পার্থক্য একটাই – ভেনিসের পানি তাদের গর্ব, আর চট্টগ্রামের আটকে যাওয়া এই পানি চট্টগ্রামের দুঃখ। চীনের দুঃখ হোয়াংহ নদী আর চট্টগ্রামের দুঃখ বৃষ্টি – হোক সেটা হালকা বা ভারী।

সেহরী খাওয়ার পর যখন গা-টা একটু বিছানায় এলিয়ে দিলাম, তখন খবর আসল “স্যার, আপনার অফিস পানির নীচে”। দৌড়ে গেলাম আর দেখলাম আসলেই অবস্থাটা কতটা শোচনীয়। ভোর ৬ টায় সেই পানি এখনও নামেনি। বিশ্বাস না হলে আমার ফেসবুক ভিডিওটি দেখে নিন।

এই মহুর্তে বুধবার রাত ১১ টা, যখন আমি এটি লিখছি এবং সকালের সেই পানি নামার কোন নাম গন্ধ নেই। বিদ্যুৎ নেই টানা ২১ ঘন্টা হয়ে গেল। আর সেই সাথে আবারো শুরু হলো ভারি বর্ষন। গতকালের বর্ষনের পানি কিন্তু এখনও যায়নি। গর্বের সাথে রয়ে গেছে আর চট্টগ্রামকে “সৌন্দর্যমন্ডিত” করছে। আর নতুন বৃষ্টিতে পানি আরো বাড়তে যোগ হচ্ছে। তো এখন আমরা কোথায় যাব?

চট্টগ্রামে নগর পিতা বাছাইয়ের প্রাককালে সবসময় সকল নগর পিতা হতে ইচ্ছুক ব্যাক্তিবর্গ একটা ওয়াদাই করেন, সেটি হলো, চট্টগ্রামের পানি নিস্কাসন ব্যবস্থাকে একেবারে ঠিক করে ফেলা। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদাই থেকে যায়, রেজাল্ট আর পাওয়া যায় না। সারাবছর অনেক কিছু বলা হলেও রেজাল্ট সব পানির নীচে চাপা পড়ে যায়। এই রোজার মাসে মানুষের দুর্ভোগ যেন এই কারনে আরো ১০ গুন বেড়ে গেছে। বেড়ে যাওয়াটাই নরমাল ব্যাপার।

এখন কথা হলো, কবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। ধরে নিলাম আমি বিশ্বাস করি সবার ওয়াদাগুলো বা নির্বাচনী ইশতেহার গুলো। কিন্তু কতদিন সেই বিশ্বাসের সাথে বসবাস করব? কিছু একটা তো চোখে দেখা দরকার তাই না? তাই যারা নগর চালান, তাদের উদ্দেশ্যে একখানা বিনীত আবেদন করছি, দয়া করে আমাদের অর্থাৎ চট্টগ্রামবাসীদের কি কোন তারিখ দিতে পারবেন? সেটা যখনই হোক না কেন। পারবেন কি? যেমন ২০১৯ সালের মার্চ মাসের ১২ তারিখ চট্টগ্রামের পানি আটকে যাওয়ার সমস্যা আর থাকবে না। পারবেন এরকম কিছু দিতে? বিশ্বাস করেন, এতটুকু একটা পারফেক্ট তারিখ যদি দেন, তাহলে ততদিন পর্যন্ত এই কষ্ট মেনে নিতে রাজি আছি। কোন সমস্যা নেই। আমরা আছি আপনার সাথে। আমার ভাই, তোমার ভাই, মেয়র ভাই, মেয়র ভাই – এই স্লোগানে গলা ফাটিয়ে ফেলব কথা দিলাম। শুধু একটা সত্যিকারের তারিখ দিন।

জানিনা আজ রাত চট্টগ্রাম বাসীর কেমন যাবে। বেশীরভাগ এলাকায় কোন বিদ্যুৎ নেই। ঘরে পানি। রোযার মাস। বাইরে যেতে পারছে না কেউ। গরম। আবার বৃষ্টি, আরো পানি। কই যাবে হতভাগা চট্টগ্রামবাসী। ডিজিটাল বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। আর বাণিজ্যিক রাজধানীর যদি এই হাল হয়, তবে কি করবে মানুষ? একটি তারিখ দিন। সত্যিকারের তারিখ, যে তারিখে চট্টগ্রামের এই সমস্যা সমাধান হবে। আর কিছু চাই না। আর না দিলে, তাও কিছু করার নাই। সাধারন মানুষের আর কিই বা করার আছে।

PS: পোস্টের কিছু ছবি আমার নিজেরই তোলা, আর কিছু ছবি নেয়া হয়েছে সাজ্জাদ মামুন ভাইয়ের কাছ থেকে।

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইউটিউব যুদ্ধ এবং তার পরিণতি

Now Reading
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইউটিউব যুদ্ধ এবং তার পরিণতি

গত বেশ কদিন ধরে বাংলাদেশের অনলাইনে চলছে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে এক বিশাল যুদ্ধ যেখানে জড়িয়ে আছে ইউটিউবার তাহসীন, বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট বা নাহিদরেইন্স এবং আরো একটি পক্ষ যারা ছিল অশ্লীলতার পক্ষে। যুদ্ধের মাত্রাটা প্রথমে ছোট থাকলেও গত কদিনে যারা ফেসবুক বা ইউটিউবে ছিলেন তারা ধারনা করতে পেরেছিলেন শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে গড়িয়েছে।

সবকিছু মিলে এই ব্যাপারটা প্রায় শেষের পর্যায়ে এবং ভালর জয় হয়েছে। কিন্তু কিছু কাজ এখনো বাকী আছে। এটি নিয়ে বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের ভিডিও বার্তা নীচে দেয়া হলো।  আশা করি দেখে নিবেন।

অশ্লীলতার পক্ষে যারা আছে… (১ম পর্ব)

Now Reading
অশ্লীলতার পক্ষে যারা আছে… (১ম পর্ব)

সাত কোটি  (এখন ১৭ কোটি) সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী,রেখেছ বাঙালি করে মানুষ করনি – কথাটা দিয়েই শুরু করলাম ফুটপ্রিন্টের প্রথম লেখাটা। করার পেছনে যথেষ্ট কারনও আছে। শুরু করার আগে কিছু ফ্যাক্টস। জানেন কি? আমাদের দেশে অশ্লীলতার পক্ষে আন্দোলন হয়? ধর্ষনের পক্ষেও লোক কথা বলে? পুত্রের ধর্ষককান্ডে পিতা গর্বিত বোধ করে? এই ফ্যাক্টস গুলো যদি না জেনে থাকেন, তাহলে বলতে হয় “বোকার স্বর্গে বাস করছেন আপনি। বের হয়ে আসুন সেই জগত থেকে, এখনই।

অশালীনতা, অশ্লীলতা – এই ব্যাপারগুলো আসলে কোথা থেকে আসে? ধরুন আপনার সদ্য টিনেজ বয়স পার করা সন্তান, বয়স ধরেন ১৯/২০, সেই ছেলে যদি হয় অশ্লীলতার আইকন অথবা একই ঘরানার মানুষদের দলপতি বা সেনাপতি, তাহলে সেই ছেলের এই হালের জন্য আসলে দায়ী কে হবেন? পরিবেশ নাকি আপনি অর্থাৎ তার বাবা-মা? অতিরিক্ত আদরে নষ্ট করে ফেলেছেন নিজের প্রিয় সন্তানকে? আর সেই নষ্টের জন্য কি আপনি গর্বিত হবেন নাকি ব্যাথিত হবেন? অবশ্য ব্যাপারটা সম্পূর্ন আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। আর এটিও নির্ভর করবে আপনার বাবা-মা আপনাকে কিভাবে গড়ে তুলেছেন।

পরিবার…… খুব গুরুত্বপূর্ন একটি ইন্সটিটিউশন। যেখানে একাডেমিক শিক্ষা হয়তো দেয়া হয় না কিন্তু ভাল মানুষ হবার সমস্ত বেসিক আসে পরিবার থেকে। আপনি হতে পারেন কোটি টাকার মালিক,  কিন্তু আপনার নষ্ট করে গড়ে তোলা সেই সন্তানই একদিন আপনাকে ডুবিয়ে মারবে। হয় ভাতে, না হয় ইজ্জতে।

কারা আছে অশ্লীলতার পক্ষে? আমাদের দেশে অশালীনতা, অশ্লীলতার পক্ষে আছে অনেকেই! নিয়মিত সাপোর্ট করে এমনকি এধরনের গ্রুপ আছে, কর্পোরেট আছে, আছে বিশাল টিম, তাদের সেনাপতি, আছে লিলিপুট সাইজের “মাস্টারমাইন্ড” যারা বুক ফুলিয়ে এই বাংলার রাস্তায় রাস্তায় হেটে বলে বেড়ায় “তাদের নগ্ন কাজে তাদের পরিবারের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সাপোর্ট। রীতিমত গর্বে গর্বিত। এদের আবার আছে অগনিত শুভাকাঙ্খী। এরা আবার নিজেদের সমাজের এলিট শ্রেনীর লোক মনে করেন এবগ্ন হয়তো সেটিও। আসলে এলিট শ্রেনী বলতে কি আসলে কি বোঝায়? একটু হালকা টাকা পয়সা থাকা নাকি সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া। নীতি থাকা, বিবেক থাকা। কোন ধরনের সন্তান আপনার পছন্দ? যে সন্তানকে টাকা দিয়ে শিখিয়েছেন কিভাবে নষ্ট হতে হয় এবং কিভাবে বংশ পরিচয় শেষ করতে হয় নাকি সেই সন্তান আপনার পছন্দ যাকে নিয়ে আপনি সত্যিকারের মানুষ হবার গর্ব করতে পারেন।

কিন্তু, দুঃখের বিষয় এই যে, আজকাল নষ্ট হয়ে যাওয়া ছেলেকে নিয়েই অনেক মানুষের অনেক বেশী গর্ব। কয়েকদিন ধরে খেয়াল করলাম বাংলাদেশের অনলাইন বা ইন্টারনেট বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে অশ্লীলতার দাপট। মাস ছয়েক আগে বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট কিছু ফেসবুক গ্রুপের পেছনে উঠে পড়ে লেগেছিল অনলাইন পর্ন ভিডিও বন্ধ করার জন্য। সেসময় গ্রেফতারও করা হয়েছিল অনেককেই। মনে করেছিলাম, যাক কাজ হয়েছে। এবার আর এমন হবে না। কিন্তু বিধি বাম। আসলে এগুলো আরো বেশী ছড়িয়েছে। ফেসবুক ছেড়ে এখন ইউটিউবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে এগুলো বাংলাদেশের মান-সম্মান নষ্ট করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। নষ্ট হচ্ছে ভাবমূর্তি। ইউটিউব ছেয়ে গেছে নোংরা ভিডিওতে। ফেসবুকও। এসব করছে একদল চ্যাংড়া ছেলের দল যারা নিজেদের “ইউটিউবার” বলে দাবী করে। তারা তাদের এই অশ্লীলতাই পক্ষে সর্বদা সোচ্চার। তাদের আবার একটা কমিউনিটিও আছে যাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্মতি দিয়ে আসছে তাদের অভিভাবকগন। একটা টিভি চ্যানেলেরও নাম শোনা যাচ্ছে। যাও হোক, প্রথম সারির কয়েকটা টিভি চ্যানেল ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন টিভি চ্যানেল অন্তত আমার দেখা হয় না। তাই এ নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নেই।

তবে আমার ব্যাথাটা অন্য জায়গায়। সেটি হলো, আমি আপনাদের জিজ্ঞেস করতে চাই, আপনি কি নিশ্চিত আপনার সন্তান সুপথে আছে? আপনি কি ১০০% নিশ্চিত? হয়তো উপরে উপরে মনে হতেই পারে, ভেতরে হয়তো আরেক। হয়তো মহা দাপটে অশ্লীলতার স্লোগান গাইছে আপনার ছেলে। হয়তো ইভটিজিং করছে বা করছে ধর্ষন। হয়তো আপনার অনেক টাকা কিন্তু আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলের তো শেষ রক্ষা হলো না। অন্যদের যে হবে তার কি কোন গ্যারান্টি আছে? বাংলাদেশে অশ্লীলতা, অশালীনতা, কুরুচিপূর্ন কন্টেন্ট অনলাইনে ছড়িয়ে যারা এখন বাংলাদেশে “বাহবা” কুড়াচ্ছে, জানেন তাদের বয়স কত? ১৭-২০ বছরের মধ্যেই। যে বয়সে তাদের স্কুল-কলেজ বা ভাল কোন ইউনিভার্সিটিতে পড়ার কথা, সে বয়সে তারা অশ্লীলতার স্লোগান গেয়ে তাদের পিতা-মাতা, পরিবার এবং বংশকে গর্বিত করে তুলছে সেই সাথে দেশকে একেবারে তলায় নামি আনছে। এরাই কিন্তু দেশের ভবিষ্যত। এরাই ভবিষ্যতে হবে দেশের নেতা, বা বড় ব্যবসায়ী বা সিনেমা মেকার বা কোন টিভি চ্যানেলের মালিক। এইসব অশিক্ষিত এবং অনেক ক্ষেত্রে কুশিক্ষিত মানুষগুলোর কাছ থেকে তখন আপনারা কিই বা আশা করবেন? ওয়েল, বি রেডি মাই ফ্রেন্ডস, বিকজ, থিংস আর এবাউট টু গো ডার্টি। এরা নিজেদের অশ্লীলতার কারিগর মনে করে, অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে উলটো তাদের গালমন্দ করে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আচ্ছা, তাদের বাবা-মা বা অভিভাবকরা কি সাপোর্ট করে? যেভাবে তারা বলে? গতকাল দেখলাম এক ইউটিউবার যে কিনা অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কথা বলে বেশ নাম কামিয়েছে, তাকে নাকি জীবন নাশের হুমকি সহ অনেক কিছু দেয়া হয়েছে। আমার কথা হলো, এই ব্যাপারগুলো আসলে খুব ওপেনলি হচ্ছে অর্থার পাবলিকলি ফেসবুকে হচ্ছে। তাহলে প্রশাসন কোথায়? যারা হুমকি দেয়, তারা খুব গর্ব করে বলে সরকার নাকি তাদের পকেটে, মন্ত্রীরা নাকি কথায় উঠে বসে আর প্রশাসন নাকি তাদেরই। এমনকি তারা পারলে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকেও বেচে দেয়। তাদের বাবার অনেক টাকা, তাদের রেডিও চ্যানেল, টিভি চ্যানেল আছে। সেই চ্যানেলে “ভুয়া” খবর ছাপিয়ে তারা যা খুশী তাই করতে পারে। আমার কথা হলো, এরা যদি প্রকাশ্যে এসব করতে পারে তবে গোপনে তারা কত ধরনের ক্রাইম করে? তাহলে কি তারা এসবের ভয় দেখিয়ে অসহায় নারীদের ধর্ষন করে আপন জুয়েলার্সের মালিকের সুপুত্রের মত? খুন করে? অত্যাচার করে ? আমি যতটুকু জানি, যে টাকা এবং যে বাবার নাম ফাটিয়ে এরা চলে, তারা অন্তত সরকারী পর্যায়ে অতটা গুরুত্বপূর্ন কেউ না।

এই ব্যাপারটি নিয়ে একটি মিটিং -এ আলাপের ছলেই কথা বলছিলাম কয়েকজন প্রবীন নেতার সাথে। আসলে তাদেরই একটি কথা থেকে ব্যাপারটা উঠে এসেছে। ইচ্ছে হলো, একটু ঘেটে দেখি আসলেই পর্দার আড়ালে কি আছে? আসলেই কি এরা এতটাই ক্ষমতা বান? নাকি ফাকা কলসী? তাই জিজ্ঞেস করলাম একজন প্রিয় নেতাকে – নাম শুনে উত্তরে যা বললেন তার সরামর্ম অনেকটা এরকম “যখন সরকার ক্ষমতায় থাকে, আশে পাশে অনেক কুকুর ঘেউ ঘেউ করে কিন্তু সবার আওয়াজ গুরুত্বপূর্ন না যত জোরেই ঘেউ ঘেউ করুক না কেন”। কথাটা শুনেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়লাম। আসলে আজকাল তো কত কিছুই হয়। ডিগ্রী ছাড়া ডাক্তার, মাইক ছাড়া ভাষন আর তলা ছাড়া কলসী। আসলে একজন আদার ব্যাপারীকে যদি হঠাত করে একটি জাহাজের মালিক বানিয়ে দেয়া হয়, তাহলে একটু হম্বিতম্বি তো করবেই।

অত্যন্ত দুঃখ লাগে যখন দেখি বাংলাদেশের একটা জেনারেশন কেমন জানি হয়ে যাচ্ছে। পড়েলেখা করে যেসময়ে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবার কথা, সেসময়ে কি করছে। শেষ মেষ কি হবে? হয়তো এদের ড্রাইভারের কোয়ালিফিকেশনও তাদের চাইতে বেশী হবে। এরা যখন বড় হবে, তখন এরা হীনমন্যতায় ভুগবে নিজেদের এসব নষ্টামির কারনে। কখন যে এরা সুপথে আসবে?

এই লেখাটি একটি সিরিজের অংশ মাত্র। সবে মাত্র পর্ব ১।  আরো বেশ কটি পর্ব আসবে যেখানে এক এক করে বাংলাদেশের একটি অশ্লীল সমাজকে সবার সামনে তুলে ধরা হবে। যেখানে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করা হবে এই ব্যাপারে এবং সেই সাথে হতে পারে, অশ্লীলতার বিরুদ্ধে একটি আন্দোলন। না, ফেসবুকে না, আন্দোলন হবে রাস্তায়। বাংলাদেশের কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যারা এধরনের অশ্লীলতাকে প্রমোট করছে, সাপোর্ট করছে এবং তার বড়াই করছে। কিন্তু, বাংলাদেশে এমন আরো অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা এগুলো বিপক্ষে। তারাও আমাদের সাথে সামিল হবেন সেই আন্দোলনে। সেখানে থাকছে নন্দিত তরুন নেতৃত্ব, প্রগতিশীল ব্যবসায়ী সমাজ, প্রিয় কিছু রাজনৈতিক মুখ, একেবারে ক্ষুদ্র থেকে বড় হওয়া বাংলাদেশের বিশাল কোন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ীদের কোন সংগঠন – মোট কথা খাটি দেশপ্রেমিক। এবার হয়তো সুবিচার হবে, সুপথে আসবে। এসব বিপথে যাওয়া নরকের কীট বা তাদের অনুসরনকারীদের যারা নিজেদের ফাকা কলসী বলে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে ইতিমধ্যে বয়সের ফুল ফোটার আগেই।

এর পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। থিংস আর এবাউট টু গেট এ বিট ডার্টি।

দোষ কি শুধুই তাহসানদের?

Now Reading
দোষ কি শুধুই তাহসানদের?

গতকাল ফুটপ্রিন্টে একটি আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছিল “নাটকে ন্যাকামোপনা কবে শেষ হবে”– এই শিরোনামে যেখানে ফুটপ্রিন্টের একজন রেগুলার লেখক এবং সম্ভবত সবেচেয়ে জনপ্রিয় লেখক (এই সপ্তাহে) ফেরদৌস সাহেব বাংলাদেশের অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে লিখেছেন। অত্যন্ত ভাল এবং বিশ্লেষন ধর্মী সেই পোস্টে তিনি তাহসান সহ আরো কজন অভিনেতার কিছু প্রফেশনাল দুর্বলতা সামনে তুলে এনেছেন। ফেরদৌস সাহেবের সেই পোস্টের প্রেক্ষিতে অর্থাৎ একটি ডিস্কাসন জবাব হিসবেই আমার এই লেখাটা দিচ্ছি।

অনেক সময় নিয়ে পুরো পোস্টটি পড়ার পর আমি সব পয়েন্টই ধরতে পেরেছি লেখক যা বোঝাতে চেয়েছেন। খুব ভাল একটা কম্প্যারিজনও দেখিয়েছেন পুরোনো দিনের নাটকের সাথে আজকের নাটকের। এবং আমি উক্ত লেখকের সাথে একমত, বাংলাদেশের টিভি-নাটকের এখন যাচ্ছেতাই অবস্থা। তবে, কিছু পয়েন্ট নিয়ে আমি কথা বলতে চাই আমি নিজে একজন ছোটখাটো ফিল্ম মেকার হিসেবে, অন্তত সেই লাইনেই আমার পড়ালেখা বা কার্যকলাপ।

উনার পোস্টটি মূলত বাংলাদেশের বিখ্যাত গায়ক এবং এখন অভিনেতা তাহসানকে নিয়ে। যেখানে তাহসানের “একঘেয়ে” অভিনয়ের কথা বলেছেন বার বার। গায়ক হতে, অভিনেতা হতে মেধার দরকার আছে এটা আমি মানি। কিন্তু, ফেরদৌস সাহেব, একটা ব্যাপার খেয়াল করলে দেখতে পারবেন, পৃথিবীর বিখ্যাত সব অভিনেতাদের কিন্তু অভিনয়ে হাতেখড়ি ক্যাজুয়াল অভিনয় থেকেই। অনেকেই আজ বিশ্ব সেরা অভিনয় শিল্পী কোন ধরনের অভিনয়-ডিগ্রী ছাড়াই। অনেকেই আবার উঠে এসেছেন একেবারে ক্ষুদ্র লেভেল থেকে আর আজ অস্কার মাতাচ্ছেন। শিল্প জিনিষটা আসলে কোন ডিগ্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বিশেষ করে অভিনয় শিল্প। ব্যাপারটা অভিজ্ঞতার উপরেই অনেক বেশী নির্ভরশীল। অভিনয় করতে হলে মঞ্চে গিয়ে শিখতে হবে আগে এরকম কোন কথা নেই।

ফেরদৌস সাহেব আরো একটি বিশাল পয়েন্ট মিস করে গেছেন। সেটি হলো, একজন অভিনয় শিল্পীর প্রকৃত অভিনয় ফুটিয়ে তোলার মূল কাজটা থাকে একজন ডিরেক্টর। এটা আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। ডিরেকশনের উপরে অনেক কিছু নির্ভর করে। তাহসানরা যে ধরনের অভিনয় করে থাকেন, বা যে ধরনের নাটক করে থাকেন, এই নাটকগুলো তো উনাদের লেখা না। উনারা তো ডিরেকশনে যান না। উনারা যেরকম অভিনয় করার সেরকমই করেন। যদি ডিরেক্টর বলে “TAKE OK” তাহলে OK। তাহলে এখানে শিল্পীদের কি দোষ? যদি কোন পরিচালক তাদের কাজকে বা সেই সিন-কে “ওকে” শট বলে দেন, তার মানে তাহসানদের কাজ ফুরিয়ে গেছে কারন ডিরেক্টর যেমন চেয়েছে তেমন পেয়েছে। আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা এটা, কারন এ পর্যন্ত প্রচুক শর্টফিল্ম বানিয়েছি দেশে-বিদেশে। আমি যা চাই একজন পরিচালক হিসেবে সেটাই কিন্তু ফাইনাল। এখন আমার সেটের কোন একজন অভিনেতা যদি বলেন যে “ভাই, ভাল লাগলনা, টেক টা আবার নেন” তাহলে আমি হয়তো আবার নেব অথবা নিব না, এটা সম্পূর্ন আমার বা যেকোন ডিরেক্টরের ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এখন তাহসানদের “ন্যাকামো” মূলক অভিনয়ে যদি তাদের পরিচালক সন্তুষ্ট থাকে তাহলে বেচারা অভিনেতাদের দোষ কি? ডিএসএলআর ক্যামেরাধারী শত শত নাট্য-নির্মাতা বাংলাদেশের অলিতেগলিতে ঘুরে বেড়ায় যারা বছর খানেক আগে ক্যামেরা কি বা লেন্স কি সেটাই জানতো না। এখন এরাই যদি নাটক বানায়, তাহলে অভিনেতাদের কাছ থেকে আপনি কি আশা করতে পারেন? একজন ডিরেক্টরের কাজ হলো অভিনেতা সহ তার পুরো শুটিন্ত ইউনিট থেকে সেরাটা বের করে আনা কিন্তু বাংলাদেশে সেটা হচ্ছে কোথায়?

এখন আপনি যুক্তি দিতে পারেন, তাহলে তাহসানরা এদের নাটক করে কেন? কেন করবে না? আর কোন অপশন না থাকলে তারা কি হাত গুটিয়ে বসে থাকবে? খারাপের মধ্যে যেটা সবচেয়ে কম খারাপ সেখানে কাজ করবে। এর চাইতে তারা আর বেশী কিইবা করতে পারে? অনেক বছর আগে বাংলাদেশে ভাল নির্মাতারা ছিলেন যেমন হুমায়ুন আহমেদ, হানিফ সংকেত বা আরো অনেকেই। এখন তারা নেই বা থাকলেও নাটকে নেই। কেন নেই জানেন? কারন মার্কেটটা ছোট। এখানে নাটকের বাজেট ২ লাখ টাকা মানে অনেক কিছু। সেই ২ লাখ টাকা বাজেটের নাটকে আপনি কি আশা করবেন?

বাংলাদেশের অভিনেতারা অনেক কম অর্থ উপার্জন করেন। অনেক কম। যেকোন দেশের চাইতে অনেক গুন কম। নাটকের বাজেটই যদি হয় ২ লক্ষ টাকা, তাহলে কত টাকা আর্টিস্টকে দিবেন আর কত টাকা মেকিং এ দিবেন? এত কম টাকায় বাংলাদেশের একজন অভিনয় শিল্পীর সারা মাসে অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করতে হয়। তা না হলে অনেকেরই পোষাবেনা।এখন একটা নাটক বানান, ভাল একটা বাজেট দেন – নূন্যতম ১০-১৫ লক্ষ টাকা, তাহসানের মত শিল্পীদের ভালভাবে পেমেন্ট করেন এবং সাথে এটাও বলে দেন যে আপনাকে সময় বেশী দিতে হবে কারন আপনি সেরাটাই চান – দেখেন কি হয়। তাহলে উনাদের মাসে ১৪টা নাটকে অভিনয় করে এক্সসটেড হতে হবে না। মাসে ২/১ বার অভিনয় করলেই হবে এবং পুরো ক্রিয়েটিভিটি আপনারা দেখতে পারবেন তখন। এর আগে যদি বাংলাদেশের অভিনয় শিল্পীদের যদি এভাবে মূল্যায়ন করা হয় তাহলে সেটা অন্যায় হবে।

এখন আপনি চাইলে উলটো আমাকে প্রশ্ন করে বসতে পারেন, যে নাহিদ, আপনি কেন তাহলে বানান না এত বড় বড় কথা যখন বলছেন। আমার উত্তর হলো, আমার মেইনস্ট্রিম নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই। কোন কালে ছিল না। এখানে কিছু দূষন আছে যেগুল আমার পছন্দ না। তাই আমি একটু দূর দিয়ে যায়। এটা আমার প্রথম লজিক। আর ২য়, হ্যা, আমি তৈরী করব যদি আমি আমার নাটক বা সিনেমায় আমার অভিনেতাদের পুরোপুরি মুল্যায়ন করতে পারি। আপনি আমাকে ২-৩ লাখ টাকা বাজেট দিয়ে “টাইটানিক” বানাতে বললে হবে না। কারন আমি যদি বানাই, তাহলে আমি নিশ্চিত করব আমার শিল্পীদের কাছ থেকে যেন সেরাটা বের করে আনতে পারি এবং আমার সেই শুটিং পর্ব উত্তরার মামার বাড়িতে ২ দিনের টানা শুটে শেষ হবে না। আমার সময় লাগবে বানাতে ভাল কিছু। আর সেসময়টাতে আমি আমার শিল্পীদেরও টিমে চাইব। এখন ২ লাখ টাকা একটা নাটকের বাজেটে তাহসানদের মত অভিনেতাদের আমি কিভাবে বলি আমাকে ১ সপ্তাহ সময় দিতে? এটা তো ঘোরতর অব মূল্যায়ন। যদি কোন প্রডিওসার বা টিভি চ্যানেল এসে আমাকে বলে, নাহিদ, এই নেন, আপনার এই নাটকের জন্য আপনাকে ২০ লক্ষ টাকা বাজেট দেয়া হলো তখন দেখেন সেই নাটক কি হয় আর সেই অভিনেতার পারফরম্যান্স কি হয়? কিন্তু এরকম কেউ নেই। সবাই কমের উপর দিয়ে যাবে। ক্রিয়েটিভিটির মূল্য আসলে যাদের কাছে থাকার কথা, তাদের কাছে কম টাকায় বেশী প্রোডাকশনের মূল্য বেশী। তাই মেইনস্ট্রিম থেকে আমি হাজার মাইল দূরে। এর চাইতে ইউটিউব ভিডিও তৈরি করে আরও বেশীও উপার্জন করা যায়।

আমার এত কথার সরামর্ম হলো, এখানে শিল্পীদের এক তরফা দোষ দিয়ে কোন লাভ নেই। যারা ডিরেকশনে আছে, যারা গল্প লিখছে তাদের আগে ফিল্টার করতে হবে বা ধরতে হবে। তাদের বানানোর যোগ্যতা পরিমাপ করতে হবে। ডিএসএলআর ক্যামেরা আর একটা প্রাইম লেন্স লাগিয়ে একটু ন্যারো ডেপথ অব ফিল্ডে (সোজা বাংলায় ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার) টাইপের মেকার হয়ে লাভ নেই। মেকারদের সিনেমাটোগ্রাফি বুঝতে হবে, এম্বিয়েন্ট বুঝতে হবে, অভিনয়ের ভাষাটা বুঝতে হবে, গল্পের ওজন বুঝতে হবে। একজন অভিনয় শিল্পী তো আর নাটকটি লিখেন না বা তাহসান তো ডিরেক্টরকে গিয়ে স্ক্রিপ্ট দিয়ে আসেন না। উনি উনার অভিনয়টা করে যান যেরকম ডিরেক্টর বলবে। যদি ডিরেক্টর বলে “ওকে” তাহলে “ওকে”। সেই নাটক খারাপ লাগলে, একঘেয়েমি লাগলে ডিরেক্টরকে গিয়ে ধরেন। আর আজকাল ঘরে ঘরে ডিরেক্টর আছে। যার কাছে ক্যামেরা আছে, সেই এখন ডিরেক্টর, ফিল্ম মেকার। কতজনকে ধরবেন বলেন। তাহসানের ভাল নাটকও আছে কিন্ত। সেদিন এক ছোট ভাই ইনবক্সে লিঙ্ক করেছিল “দূরবীন” নামের একটি নাটক, ইউটিউবে আছে, বেশ ভাল ছিল। পরে বুঝলাম প্রডিওসার বিদেশী তাই। কাজ ভাল ছিল কারন কাজ করার স্কোপ ভাল ছিল।

যাই হোক, আমার এই লেখাটা একটা ডিসকাসন মাত্র। আমি কিছু পয়েন্ট নিয়ে কথা বলতে চেয়েছিলাম এবং বলেছি। ফেরদৌস সাহেবের লেখাটা যথেষ্ট ইনফরমেটিভ ছিল এবং উনার পয়েন্টগুলো বেশ ভাল ছিল। কিন্তু, কিছু পয়েন্ট ফেরদৌস সাহেব মিস করে গেছেন যেগুলো আমি তুলে ধরলাম। আশা করি একটা বড় ছবি ফুটে উঠবে এর মাঝে। মিডিয়াকে ঠিক করতে হলে মিডিয়া যারা চালায় তাদের ঠিক করতে হবে অথবা অল্টারনেটিভ মিডিয়া খুজতে হবে। এটাই হলো মোদ্দা কথা।

 

২০৫০ সালের বাংলাদেশ!

Now Reading
২০৫০ সালের বাংলাদেশ!

সারা পৃথিবী জুড়েই নানা ধরনের প্রেডিকশন হয়ে থাকে যে অমুক সালে কেমন হবে পৃথিবী বা তমুক সালে পৃথিবীতে কি হবে? চিন্তা জন্মে, কেমন হবে ২০৫০ সালের বাংলাদেশ? পড়ে থাকবে কি গরীব দেশের কাতারে নাকি উঠে আসবে বাঘের মত?

বাংলাদেশে বর্তমান উন্নয়নের দিকে একটু নজর দিলে মনে হয় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে খুব জোর গতিতেই। আবার মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাবারও যোগাড় হয়। তবে এই মুহুর্তে দেশের উন্নতি নিয়ে আমরা একটা মিক্সড ফিলিং এ আছি, যার কারন হলো নানা জায়গায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে আর যখনই উন্নয়ন কর্মকান্ড চলে তখনই আমাদের মাথা খারাপ হয়ে যায় কারন জ্যাম, ধুলাবালি, পানি আটকে যাওয়া, বন্যা বেড়ে যাওয়া, লোডশেডিং আরো কত কি। যতদিন না শেষ হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ভাবতে থাকি এসব। এটাই নিয়ম। ২০৫০ সালের বাংলাদেশ কেমন হবে – এই বিষয়টিই নিয়েই আমাদের আজকের ভিডিও। ভিডিওটি নীচে দিয়ে দিলাম । দেখা যাক, আমাদের প্রেডিকশন ঠিক হয় কিনা।

ভরপুর অশ্লীলতা, চাটুকারিতা, শর্টকার্ট মেন্টালিটি

Now Reading
ভরপুর অশ্লীলতা, চাটুকারিতা, শর্টকার্ট মেন্টালিটি

১৮+ যদি হয় কোন ভিডিওর টাইটেল তাহলে কথায় নেই। হুমড়ি খেয়ে পড়বে মানুষ তা দেখার জন্য। এধরনের মানুষের সংখ্যা মিলিয়ন। কিছুই জানিনা, কিন্তু ভাব করব সব জানি, প্রফেশনালিজম নেই কিন্তু প্রফেশনাল বিজনেস কার্ড আছে। হঠকারিতা বা চাটুকারিতা তো এখন সিভি-তে দেয়ার মত ব্যাপার। সাহিত্য চর্চা করবেন? তো খুব অল্প সময়ে বেশী পাঠিক কিভাবে পাওয়া যাবে? হাউ এবাউট রাইটিং চটি?

লজিক ছাড়া কি কিছু বলা হয়েছে উপরের অংশটাতে? কিন্তু এগুলো এখন বাস্তব। উপরে উঠার শর্টকাট সিঁড়ি খুঁজতে গিয়ে আমরা করি না এমন কোন কাজ নেই। আর এভাবেই খুব খারাপ ধরনের একটা ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের একটা জেনারেশন। তারা তো নিজেরাই সেপথে যাচ্ছে সেই সাথে নিয়ে যাচ্ছে অগণিত সঙ্গী সাথী। আমার নতুন ভিডিওটা একটু দেখুন। নীচে জুড়ে দিলাম। দেখা শেষ হলে মন্তব্য করে জানান আপনার এই ব্যাপারে মতামত কি? আপনাদের মতামত অসম্ভব গুরুত্বপূর্ন এবং বিশ্বাস করুন, এভরিথিং কাউন্টস। এসব বদলাতে আপনাদেরই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে হবে।

ফুটপ্রিন্ট সাইটের অসাধারন রেস্পন্স

Now Reading
ফুটপ্রিন্ট সাইটের অসাধারন রেস্পন্স

আমি ঠিক করেছি, এই সাইটে আমি শুধু আমার নিয়মিত ভিডিও ব্লগ গুলো সাবমিট করব। আর এই ভিডিও গুলো মূলত আমাদের এই ফুটপ্রিন্ট সাইটের নানা ব্যাকগ্রাউন্ড ইনফরমেশন ডেভলপমেন্ট নিয়ে কথা বলব। এভাবে করে হয়তো এই সাইটের ইউজার এবং লেখকদের সাথে আমার যোগাযোগটা আরও ভাল থাকবে। তাই আজকের ব্লগ ভিডিওটিও দিলাম যেখানে আমাদের এই সাইটের প্রথম ৪৮ ঘন্টার সফলতার কথা বলা আছে।

এই সাইটে নতুন আর কি কি ফিচার চান কমেন্টে জানাতে পারেন। আমরা এগুলো সংযোজন করার চেষ্টা করব।