ফেসবুক

Now Reading
ফেসবুক

পোষ্টটি শুরু করার আগে বলে নিচ্ছি এখানে কাউকে উদ্দেশ্য করে এ পোষ্টটি লেখা হয়নি। এ পোষ্টে বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে। আসুন শুরু করা যাক।

আমরা ছোট বড় কম বেশি সবাই ফেসবুক সম্পর্কে জানি। হয়ত আমরা ফেসবুক সম্পর্কে সবাই ভাল  কিছু জানি আবার খারাপও। প্রত্যেকটা কর্মের দুটি দিক হয় ভাল খারাপ। ফেসবুকের ও এমন দুটি দিক রয়েছে আসুন তাহলে দেখি প্রথমে আমরা ফেসবুকের উপকারিতা  জেনে  নেয়।

ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সত্যি ফেসবুক আমাদের যোগাযোগকে খুব সহজ করে তুলেছে। আমারা এ ফেসবুকের মাধ্যমে খুঁজে পায় আমাদের অনেক পুরানো বন্ধুদের এবং নতুন অনেক বন্ধু। আমরা মুহুর্তের মধ্যে সারা দেশে খবর ছড়িয়ে দিতে পারি। খুব কম খরচে আমরা সবার সাথে যোগাযোগ করতে পারি। ফেসবুকে অধিক মানুষ থাকায় বর্তমানে ভিবিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় এ ফেসবুকে আর অধিক হারে ক্রেতা পেয়ে থাকে সে প্রতিষ্ঠান। আর এভাবে একটি প্রতিষ্ঠান সবার কাছে পরিচিত হতে পারে। এখন বর্তমানে ফেসবুক দিয়ে মানুষ আয় করছে তারা ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রচার করে আর এখন লাইভ ভিডিও এর মাধ্যমে ফেসবুক টাকা দিয়ে থাকে। আরও অনেক উপকারিতা আছে যা বলে শেষ হবে না। এক কথায় বলা যায় ফেসবুক আশায় সামাজিক যোগাযোগ আগের থেকে অনেক দ্রুত হয়ে ওঠেছে।

এবার আসুন দেখা যাক ফেসবুক মানুষকে কিভাবে ক্ষতি করেছে। আসলে বলতে গেলে ফেসবুক আপনাকে ক্ষতি করছে না। আপনি ফেসবুককে ব্যবহার করছেন এমন ভাবে যাতে আপনার ক্ষতি হচ্ছে। আগে ছোট বাচ্চারা সকালে ঘুম থেকে ওঠে আরবি পড়ত নাহলে বাংলা  পড়ত কিন্তু এখন সকালে ঘুম থেকে তারা আগে দেখে মোবাইলটা কোথায় আছে আর ছড়িয়ে স্ট্যাটাস  শুভ সকাল বন্ধুরা। আর ইনবক্স এ দেখে কয়টা এস এম এস আসছে। প্রতিটা কাজে বাধা হয়ে পরছে অনেকের এ ফেসবুক। এর জন্য কিন্তু ফেসবুক দায় নয়, আপনি নিজেই দায় আপনি যা করেন না কেন আপনাকে অবশ্যই সময়টা ভাগ করে নিতে হবে। আপনি দিনের ২৪ ঘণ্টা থেকে যদি ৯-১০ ঘণ্টা ফেসবুকে দেন তাহলে আপনার বাকি কাজ গুলো কোন সময়ে করবেন? আমাদের আশেপাশের অনেক বয়স্ক মানুষেরা বলে যে এ ছেলে/মেয়েটা ফেসবুক ব্যবহার করে খুব খারাপ। এ ধারনা সম্পুর্ন ভুল। আপনার ভুলের জন্য কেন একটি মাধ্যমকে দায়ী করবেন। মনে রাখবেন ফেসবুক আপনাকে ব্যবহার করছে না আপনি ফেসবুককে ব্যবহার করছেন। তাই বলছি ভাই প্রত্যেকটা জিনিসের সঠিক ব্যবহারই তার উপকারিতা এর বেশী হলে এটা বিপরীত হতে পারে।

আমরা সামাজিক মাধ্যমগুলো ব্যবহার করার জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ আশা করি আমি নিচে আপনাদের সেগুলো দিতে পেরেছি।

১। প্রথমে আপনাকে যে আইডিটা খুলতে হবে অবশ্যই আপনি যেন আপানার জন্য রিয়েল একটা আইডি খুলেন।

২। প্রয়োজনীয় সকল তথ্য অবশ্যই যেন সঠিক তথ্য দেন। এতে আপনার আইডিটা নিরাপদ থাকবে।

৩।  আপনি যে ছবিটা দিবেন অবশ্যই যেন আপনার নিজের ছবি হয়। আর সচ্ছল ও পরিষ্কার যেন হয়।

৪। আপনার সকল সঠিক তথ্য দিয়ে আপনি আপনার আইডিটা খুলবেন।

সব কিছু মেনে আপনি যখন আইডিটা খুলবেন এতে আপানার এবং অন্য বন্ধুদের উপকারিতা হবে। আপনাকে চিনতে আপনার অন্য বন্ধুরা সক্ষম হবে।

আশা করছি আপনারা সবাই ফেসবুকের সঠিক ব্যবহার করবেন এবং আপনার আশেপাশের সকল ব্যবহারকারীদের ও সাবধান করে দিবেন যেন তারা অবশ্যই সকল সঠিক তথ্য দিয়ে একটি রিয়েল আইডি খুলে।

আর অবশ্যই আমরা যেন সকল সামাজিক মাধ্যমের সঠিক ব্যাবহার করি, আর দিনের সম্পূর্ন সময়টা সামাজিক মাধ্যমে না দিয়ে আমরা আমাদের কাজে সময়টা ব্যয় করি সেখান থেকে কিছু সময় খুঁজে নেওয়া উচিৎ সামাজিক মাধ্যমের জন্য। আর হ্যাঁ যদি এমন হয় যে আপনি সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে আয় করছেন আপনার কাজ হচ্ছে সামাজিক মাধ্যম থেকে আয় করা তাহলে আমি বলব তারা যেন ঐ মাধ্যমে জড়িয়ে থাকে কারন এটা আপনাকে সফল করছে। তবে আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন আপনার কোন ক্ষতি না হয়। সেভাবে আপনি সামাজিক মাধ্যমকে গুছিয়ে নিবেন। এতে করে সঠিক ব্যবহার হবে সামাজিক মাধ্যমগুলোর। অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন সামাজিক  মাধ্যম যেন আপনার কোন কাজে কোন সমস্যা না আনে। আপনি সেই সময়টা ব্যয় করুন যতটুকু আপনার দরকার হয়।

এতে কিন্তু আপনার কোন ক্ষতি হবে না। আমি আগেও বলেছি যে সব কিছুর সঠিক ব্যবহার আপনাকে সফলতা এনে দিতে পারে। মনে রাখবেন ফেসবুক আমাদের ব্যবহার করছে না, আমরা ফেসবুক ব্যবহার করছি। তাই ফেসবুককে সঠিক ব্যবহার করা আমাদের উচিৎ। আর আমাদের পরিবারের ছোট বাচ্চারা যারা এখনো স্কুলে পড়ছে তারা যেন এখন এসব সামাজিক মাধ্যমে জড়িয়ে না পরে, এতে তাদের লেখাপড়ার কোন ক্ষতি হতে পারে । যদি তারা একবার সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন আর আপনি তাদের আপনার আওতায় আনতে পারবেন না। তাই আমাদের উচিৎ নজর রাখা যেন স্কুলে থাকা অবস্থায় যেন কেউ সামাজিক মাধ্যম না ব্যবহার করে।

আমার এ পোষ্টটি কারও যদি খারাপ লাগে মার্জনার চোখে দেখবেন। আসলে একটু ভেবে দেখেন আমাদের সমাজে এমনি কিছু ঘটনা ঘটছে।

ধন্যবাদ আপনাকে আমার পোষ্টটি পড়ার জন্য।

জীবনে সফল হওয়ার কিছু কথা

Now Reading
জীবনে সফল হওয়ার কিছু কথা

আমরা সবাই চাই জিবনে কোনো না কোনো ভাবে সফল হতে। যারা কখনো চেষ্টা করতে অক্ষম তারাও চেষ্টা করি জিবনে সফল হতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কি আমরা সবাই সফল হতে পারি? হয়ত পারি না। আমরা সবাই সচরাচর  একটা কথা বলে থাকি যে, আমরা যদি কিছু একটা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে  সেটা আমাদের কপালের দোষ দিয়ে থাকি এই যে আমার কপালে এটা ছিল না তাই কাজটা  হয়নি বা করতে  পারিনি। প্রথমত আমাদের এ ব্যবহারটা ত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কিছু না কিছু করার জন্য একটা প্রতিভা থাকে। প্রথমত আমাদের সেটা বেড় করতে হবে যে আপনার কাছে কোন প্রতিভাটা আছে যা আপনি ভাল জানেন। যা দিয়ে আপনি সফল হতে পারবেন। ধরে নিন আপনি কম্পিউটারের একটি প্রোগ্রাম জানেন,  আপনি মাইক্রসোফট অফিস এর সম্পর্কে সব জানেন। খুব ভাল জানেন আপনি এটা, আর আপনি তার সাথেও টাইপ ও জানেন ভাল। আসুন তাহলে দেখা যাক আপনি কিভাবে এর মাধ্যমে সফল হতে পারবেন সেটা আপনাকে জানিয়ে দেয়।  ১। আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে শুধু ডাটা এন্ট্রির কাজ করা হয় আবার অফিস প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্যও। আপনি সে সকল প্রতিষ্ঠানে চেষ্টা করে দেখতে পারেন হয়ত আপনার জিবনে ঐ চেষ্টাটা আপনার সফলতার একটি কারন।

২। আপনি যদি অফিস প্রোগ্রামটা খুবভাল জানেন তাহলে আপনি একটা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করতে পারেন এতেও আপনি আপনার সফলতা খুঁজে পেতে পারেন। এতে আপনার সম্মানও বাড়বে।

৩। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক ICT প্রশিক্ষণ অনেক স্থানে দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

৪। আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ, আপনি কাজ খুঁজছেন কিন্তু পাচ্ছেন না সেই ক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে আপনি চাইলে আপনি একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর একটি কোচিং সেন্টার খুলতে পারেন। অথবা কিছু বিজ্ঞাপন দিতে পারেন এতে করে আপনি ভাল ছাত্র/ছাত্রি পাবেন। হয়ত এটা একটা মাধ্যম হতে পারে আপনার সফলের।

আমাদের দেশে এখনো অনেক মানুষ দেখা যায় যারা কাজ করবে করবে বলে কিন্তু করা আর হয় না। আমি এটা শিখব কিন্তু যদি সেটা না শিখার জন্য আমরা প্রস্তুত না হয়ে বলি আমি এটা শিখব তাহলে হতে দেখবেন আপনার আর এ কাজটা শিখা নাও হতে পারে। কারন আপনি যা শিখতে বা জানতে চান আপনাকে সে কাজে লেগে থাকতে হবে হয়ত আপনার সফলতার একটি মাধ্যম হতে পারে আপনার শিক্ষাটি। আপনি যাই করবেন আগে আপনাকে খুঁজে বেড় করতে হবে যে আপনি কি পারেন যা আপনার থেকে ভাল আর কেউ পারে না আর আপনাকে ঐটা নিয়ে নেমে পরতে হবে আপনার জীবনকে সফল করতে। আমাদের সব কিছুর মুলে রয়েছে সময় আর সময়টা যদি আপনি ঠিকমত মেনে না চলতে পারেন কোন কাজে আপনি সাফল্য নাও পেতে পারেন। আপনি যা করবেন যেন আপনার সময়টা হাতে থাকে।

আপনাকে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ধরুন আপনার বয়স এখন ২৫ মানে জীবনের ২৫ টা বছর আপনি ফেলে আসেছেন হয়ত আগামি ২৫ বছর আপনি নাও থাকতে পারেন। অথবা আপনি সফল হয়েছেন তখন যখন আপনার বয়স ৫০ তখন কি আপনার জীবনটাকে অনুভব করতে পারবেন? হয়ত না। তাই আপনাকে আপনি দুর্বল হওয়ার আগে নিজিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে চেষ্টা করুন। আপনি আজ থেকে ৭ দিন সময় নিন এই জন্য যে আপনি কি করলে আপনি সঠিক সময়ের মধ্যে নিজেকে সফল করতে পারবেন। এমন কিছু আছে যা আমি পারি না আপনি ভাল পারেন। তাই এ জন্য আমারা একটা বাড়ি বানানোর আগে ইঞ্জিনিয়ারের কাছে যাই কেন? কারন তারা আমার থেকে ঐ বিষয়টা ভাল বুঝবে তাই তাদের কাছ থেকে একটা পরিকল্পনা আনতে আমার যায়। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কিন্তু সবকিছুর অধিকারী বানাইনি তাই তো আমরা একে অপরের কাছে নির্ভরশীল। তাহলে আপনি আজকে  খুঁজে বেড় করুন আপনার মধ্য থেকে যে আপনি কোন বিষয়টা ভাল জানেন আর আজ থেকে লেগে জান সেই বিষয় সম্পর্কে। যদি আপনরা সংকুচ মনে হয় তাহলে ঐ সম্পর্কে যে ভাল জানে তার থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারেন। এতে আপনার জানা আরও বেড়ে যাবে এবং ঐ বিষয় সম্পর্কে আপনি অগ্রসর হতে পারবেন।

সবাই চাই জীবনে সফল হতে কিন্তু সবাই হয় কি? না। তারাই হতে পারে যারা জীবনের সাথে যুদ্ধ করে গেছে।

হয়ত আমর কথা সবার ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু একটু ভেবে দেখেন তো আপনি আপনার ভবিষ্যৎ জীবনটা কিভাবে কাটাতে চান, তাহলে বুঝতে পারবেন। আসুন তাহলে আজ থেকে চেষ্টা করি জীবনকে সফল করতে। ভাই জীবনে চেষ্টা করলে সব পারা যায়। আপনিও পারবেন আমিও পারব। আপনার যদি সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন তাহলে আমাকে জানান যে আপনি কি জানেন, আর আমি চেষ্টা করব আপনাকে ঐ বিষয় সম্পর্কে কিছু জ্ঞান দিতে।

আশা করি সবার আমার লেখাটি ভাল লাগবে, প্রয়োজনের মূহুর্তে আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমর ফেসবুক এর লিংটি আমি দিয়েছি।

https://web.facebook.com/profile.php?id=100007853170577

ধন্যবাদ সবাইকেআমরা সবাই চাই জিবনে কোনো না কোনো ভাবে সফল হতে। যারা কখনো চেষ্টা করতে অক্ষম তারাও চেষ্টা করি জিবনে সফল হতে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কি আমরা সবাই সফল হতে পারি? হয়ত পারি না। আমরা সবাই সচরাচর  একটা কথা বলে থাকি যে, আমরা যদি কিছু একটা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে  সেটা আমাদের কপালের দোষ দিয়ে থাকি এই যে আমার কপালে এটা ছিল না তাই কাজটা  হয়নি বা করতে  পারিনি। প্রথমত আমাদের এ ব্যবহারটা ত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কিছু না কিছু করার জন্য একটা প্রতিভা থাকে। প্রথমত আমাদের সেটা বেড় করতে হবে যে আপনার কাছে কোন প্রতিভাটা আছে যা আপনি ভাল জানেন। যা দিয়ে আপনি সফল হতে পারবেন। ধরে নিন আপনি কম্পিউটারের একটি প্রোগ্রাম জানেন,  আপনি মাইক্রসোফট অফিস এর সম্পর্কে সব জানেন। খুব ভাল জানেন আপনি এটা, আর আপনি তার সাথেও টাইপ ও জানেন ভাল। আসুন তাহলে দেখা যাক আপনি কিভাবে এর মাধ্যমে সফল হতে পারবেন সেটা আপনাকে জানিয়ে দেয়।

১। আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে শুধু ডাটা এন্ট্রির কাজ করা হয় আবার অফিস প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্যও। আপনি সে সকল প্রতিষ্ঠানে চেষ্টা করে দেখতে পারেন হয়ত আপনার জিবনে ঐ চেষ্টাটা আপনার সফলতার একটি কারন।

২। আপনি যদি অফিস প্রোগ্রামটা খুবভাল জানেন তাহলে আপনি একটা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করতে পারেন এতেও আপনি আপনার সফলতা খুঁজে পেতে পারেন। এতে আপনার সম্মানও বাড়বে।

৩। আমাদের দেশে বর্তমানে অনেক ICT প্রশিক্ষণ অনেক স্থানে দিয়ে থাকে। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

৪। আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ, আপনি কাজ খুঁজছেন কিন্তু পাচ্ছেন না সেই ক্ষেত্রে আপনাকে যা করতে হবে আপনি চাইলে আপনি একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর একটি কোচিং সেন্টার খুলতে পারেন। অথবা কিছু বিজ্ঞাপন দিতে পারেন এতে করে আপনি ভাল ছাত্র/ছাত্রি পাবেন। হয়ত এটা একটা মাধ্যম হতে পারে আপনার সফলের।

আমাদের দেশে এখনো অনেক মানুষ দেখা যায় যারা কাজ করবে করবে বলে কিন্তু করা আর হয় না। আমি এটা শিখব কিন্তু যদি সেটা না শিখার জন্য আমরা প্রস্তুত না হয়ে বলি আমি এটা শিখব তাহলে হতে দেখবেন আপনার আর এ কাজটা শিখা নাও হতে পারে। কারন আপনি যা শিখতে বা জানতে চান আপনাকে সে কাজে লেগে থাকতে হবে হয়ত আপনার সফলতার একটি মাধ্যম হতে পারে আপনার শিক্ষাটি। আপনি যাই করবেন আগে আপনাকে খুঁজে বেড় করতে হবে যে আপনি কি পারেন যা আপনার থেকে ভাল আর কেউ পারে না আর আপনাকে ঐটা নিয়ে নেমে পরতে হবে আপনার জীবনকে সফল করতে। আমাদের সব কিছুর মুলে রয়েছে সময় আর সময়টা যদি আপনি ঠিকমত মেনে না চলতে পারেন কোন কাজে আপনি সাফল্য নাও পেতে পারেন। আপনি যা করবেন যেন আপনার সময়টা হাতে থাকে।

আপনাকে একটা কথা মনে রাখতে হবে, ধরুন আপনার বয়স এখন ২৫ মানে জীবনের ২৫ টা বছর আপনি ফেলে আসেছেন হয়ত আগামি ২৫ বছর আপনি নাও থাকতে পারেন। অথবা আপনি সফল হয়েছেন তখন যখন আপনার বয়স ৫০ তখন কি আপনার জীবনটাকে অনুভব করতে পারবেন? হয়ত না। তাই আপনাকে আপনি দুর্বল হওয়ার আগে নিজিকে স্বাবলম্বী করে তুলতে চেষ্টা করুন। আপনি আজ থেকে ৭ দিন সময় নিন এই জন্য যে আপনি কি করলে আপনি সঠিক সময়ের মধ্যে নিজেকে সফল করতে পারবেন। এমন কিছু আছে যা আমি পারি না আপনি ভাল পারেন। তাই এ জন্য আমারা একটা বাড়ি বানানোর আগে ইঞ্জেনিয়ারের কাছে যাই কেন? কারন তারা আমার থেকে ঐ বিষয়টা ভাল বুঝবে তাই তাদের কাছ থেকে একটা পরিকল্পনা আনতে আমার যায়। আর আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে কিন্তু সবকিছুর অধিকারী বানাইনি তাই তো আমরা একে অপরের কাছে নির্ভরশিল। তাহলে আপনি আজকে  খুঁজে বেড় করুন আপনার মধ্য থেকে যে আপনি কোন বিষয়টা ভাল জানেন আর আজ থেকে লেগে জান সেই বিষয় সম্পর্কে। যদি আপনরা সংকুচ মনে হয় তাহলে ঐ সম্পর্কে যে ভাল জানে তার থেকে কিছু পরামর্শ নিতে পারেন। এতে আপনার জানা আরও বেড়ে যাবে এবং ঐ বিষয় সম্পর্কে আপনি অগ্রসর হতে পারবেন।

সবাই চাই জীবনে সফল হতে কিন্তু সবাই হয় কি? না। তারাই হতে পারে যারা জীবনের সাথে যুদ্ধ করে গেছে।

হয়ত আমর কথা সবার ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু একটু ভেবে দেখেন তো আপনি আপনার ভবিষ্যৎ জীবনটা কিভাবে কাটাতে চান, তাহলে বুঝতে পারবেন। আসুন তাহলে আজ থেকে চেষ্টা করি জীবনকে সফল করতে। ভাই জীবনে চেষ্টা করলে সব পারা যায়। আপনিও পারবেন আমিও পারব। আপনার যদি সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন তাহলে আমাকে জানান যে আপনি কি জানেন, আর আমি চেষ্টা করব আপনাকে ঐ বিষয় সম্পর্কে কিছু জ্ঞান দিতে।

আশা করি সবার আমার লেখাটি ভাল লাগবে, প্রয়োজনের মূহুর্তে আপনারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমর ফেসবুক এর লিংটি আমি দিয়েছি।

https://web.facebook.com/profile.php?id=100007853170577

ধন্যবাদ সবাইকে