একটি মেয়ের গুনাবলী এবং বিবাহ সম্পর্কে মানুষের বর্তমান ধারনা

Now Reading
একটি মেয়ের গুনাবলী এবং বিবাহ সম্পর্কে মানুষের বর্তমান ধারনা

বিয়ে আসলে  একটি মানুয়ের ভাগ্য নির্ধারিত একটি বিষয়। অনেকে বিয়ে করে সম্পত্তির লোভে আবার অনেকে প্রেম-ভালবাসা করে নিজে নিজেই কাজী অফিসে গেয়ে বিয়ে করে ফেলে । শুনতে হাস্যকর হলেও ঘটনাটা সত্য এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই।

একটি মেয়ের কোন কোন গুনাবলী দেখে আপনি মেয়েটিকে বিয়ে করতে পারেন যেমন মেয়েটি সুন্দর কিনা, আচার-ব্যাবহার ভাল কিনা। কম কথা বলে লাজুক স্বভাবের মেয়ে মেয়ে কি না । কিন্তু একটি মেয়ে খুব বেশী সুন্দরী হলেও তার আচার-ব্যাবহার ভাল নাও হতে পারে। আবার একটি কুৎশিত মেয়ের স্বভাব চরিত্র অনেক ভাল হতে পারে। কিন্তু ভুলেও আপনি কুৎশিত মেয়েকে বিয়ে করবেন না এটাই স্বাভাবিক কারন কুৎশিত মেয়ে তো আপনার ভালই লাগে না, তাহলে কেন আপনি বিয়ে করবেন? বিয়ে তো আর খেলা না। আপনার হয়ত ভাল লাগে খুব সুন্দরী না হলেও মোটামুটি মুখের গঠন ভাল মানে মোটামুটি সুন্দর এবং স্লিম এবং আচার ব্যাবহার ভাল এমন একটি মেয়ে। আর আচার ব্যাবহার কিছুটা  খারাপ বা দুষ্ট প্রকৃতির হলেও বিয়ের পরে তা পরিবর্তন করে নেওয়া সম্ভব।

একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার না করে পারলাম না। আমি একজন লোককে চিনি ‍যিনি তার ছেলেকে বিয়ে দিয়েছিলেন মেয়ের সম্পত্তি দেখে অর্থ্যাৎ মেয়ের পাঁচ তলা বাড়ি আছে। কিন্তু লোকটি মেয়েটিকে দেখেই নাই। সুধু ছবি দেখছে। ছেলে বেকার বা কম বেতনের চাকুরী করে ৫০০০ টাকা বেতন পায়, তার মানে ছেলে হবে ঘর জামাই । আবার ছেলেটি বোকা সোকা টাইপের তথ্যাৎ কিছুই বুঝেনা না। সে না  দেখল মেয়ে না দেখল বংশ পরিচয় শুধু জানলো মেয়ের ৫ তলা একটি বাড়ি আছে।  ফ্লাটের লোভে তড়িঘরি করে বিয়ে করে ফেলল। আরো একটি জিনিস মেয়ের শারিরীক গঠনও ভাল না মানে রোগা হালকা পাতলা অসুস্থ মেয়ে যা হোক মেয়েটি আবার জব ও করে ৪০০০০ টাকা বেতন পায়। সে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াশুনা করেছে। যা শুনে ছেলের বাবা তো আরো আগ্রহী। কিন্তু যা আসলে দেখা দরকার তা নাদেখেই অনেকটা জোর করে বিয়ে দিয়ে দিলো। যা হোক  বিয়ের পর শুরু হলো আসল সমস্যা, সংসারে অশান্তী কারন ছেলে আর মেয়ের মধ্যে কোন ভাবেই মিলে না। আসলে মেয়ে কথা বলে অন্য ছেলের সাথে মানে তার আগের বয় ফ্রেন্ড এর সাথে জামাইকে পাত্তা দেয় না। রাত বারোটা বাজেলে শুরু হয় কথা আর কথা সেই কথা যেন আর থামে না। বৃষ্টির মত চলতেই থাকে।  প্রতিদিন এমন ঘটনা দেখতে দেখতে ছেলের মেজাজ যায় বিগড়ে গভীর রাতে দেয় মেয়ের বুকে লাথ্থি আর যা খেয়ে মেয়ে লাফ ‍দিয়ে ভাগে। দুই সংসারের মাঝে শুরু হয় ভয়ংকর সমস্যা। ছেলেপক্ষ আর মেয়ে পক্ষের লাখ লাখ টাকা খরচ হওয়ার পাশাপাশি টেনশনে দুই পরিবারের কপালে ভাঁজ পরে। ছেলে মেয়ে কাঁদলে আবার পরিবারের লোকরা ছেলে মেয়েকে বুঝায় যাতে তারা আবার নতুন করে সংসার শুরু করে। আবার কেউ কেউ বলে তোমাকে আবার ভাল দেখে বিয়ে দিয়ে দিব। এত লাইফ রিস্ক আছে ডিভোর্স হওয়া ভাল। বাস্তবে আসলে তাই হয় অনেকদিন চোখের আঁধারে থাকতে থাকতে মনের আঁধারে চলে যায় আর ফিরে আসে না।

এই রকম ডিভোর্সের ঘটনা আমাদের দেশে প্রতিনিয়তই ঘটছে। এই ধরনের ঘটনাকে রুখতে হবে। কিন্তু কিভাবে? ছেলের বাবাদের আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। বিয়ের আগে ছেলেকে উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে হবে এবং ছেলে ভাল চাকুরী বা ব্যাবসা না করা পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া ঠিক না । কারন শুধু বিয়ে করলেই হবে না বিয়ে করতে হলে ছেলের হাতে টাকা থাকতে হবে অথবা অভিভাবকদের টাকা দিতে হবে। বাবার সাথে একসাথে থাকতে  না পারলে অথ্যাঁৎ বাসা ছোট হলে আলাদা বাসা ভাড়া নিয়ে মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে আসতে হবে।

 

কোন অবস্থায়ই মেয়ের বাড়িতে ছেলে দিনের পর দিন থাকা ঠিক হবে না এতে আশেপাশের লোকজন নানা কথা বলে যার ফলে মেয়ে কষ্ট পায় । ছেলের বাবাকে এটা বুঝতে হবে যে ঘর জামাই থাকা ঠিক না । মেয়ে নামাজী হলে ভাল তবে মেয়েকে আস্তে আস্তে বুঝাতে পারেন নামাজের জন্য এবং এর ফলাফল কি তা জানান হঠাৎ নামাজের জন্য চাপ দিয়েন না। চাপাচাপি করলে যেকোন বিষয়েই শুধু নামাজ বলে কথা না অন্য যে কোন বিষয়েই হিতে বিপরীত হতে পারে। বোরকা না পড়লেও কিছুটা ঢেকে চলা ভাল যেমন অনেক মেয়ে স্কার্ফ পরে বা বড় ওড়না ব্যাবহার করে।

যা হোক মেয়ে বা ছেলে দেখার জন্য যে জিনিষগুলো দেখা দরকারঃ

১. ছেলে বা মেয়েকে শিক্ষিত হতে হবে।

২. ছেলে বা মেয়ে বেশী সুন্দরী হওয়ার দরকার নাই মোটামুটি সুন্দরী হলে চলবে।

৩. মেয়ে পক্ষ বেশী গরীব না হওয়াই ভাল কারণ গরীব হলে তো আপনাকে মেয়ের পরিবারকে উল্টা টাকা দিতে হতে পারে।

৪. মেয়ের শারীরিক গঠন স্লিম হলে ভাল হয় বেশী মোটা হলেও সমস্যা আবার বেশী রুগ্ন হলেও সমস্যা।

৫. মেয়ের সাথে কিছু দিন ঘুরে দেখতে পারেন, তবে ব্যাভিচার করবেন না। মেয়ে কি কি খেতে পছন্দ করেন জিজ্ঞাসা করুন আর মেয়ের বয় ফ্রেন্ড আছে কিনা জিজ্ঞাসা করতে পারেন। একই ভাবে ছেলের অন্য কোন জায়গায় পছন্দ আছে কিনা জানতে চান।

৬. মেয়ের উচ্চতা আপনার সাথে মিলে কিনা দেখতে পারেন।

৭. ছেলে বা মেয়ে বেশী রাগী হলে সমস্যা আছে তাই আপনি চিন্তা করে কাজ করবেন।

৮. বেশী বড়লোক ছেলে বা মেয়েকে বিয়ে করা ঠিক না। আপনিও যদি বড়লোক হন তাহলে সমস্যা নাই অথ্যাঁৎ সমানে সমান।

৯. বিয়ে করতে কি পেলাম আর কি  পেলাম না সেটা চিন্তা করবেন না। ঘুষ নিয়ে বিয়ে করবেন না তার মানে ঘুষ দিবেন ও না নিবেন ও না, লোভ এড়িয়ে চলুন।

১০. ছেলে বা মেয়ে স্মার্ট হতে পারে তবে বেশী স্মার্ট ও ভাল না।

১১. মেয়ের সাথে ছেলের বয়সের পার্থক্য কমপক্ষে ৫ বছর রাখতে চেষ্ঠা করবেন। অথ্যাৎ ছেলেকে অবশ্যই কমপক্ষে ৫ বছর বড় হতে হবে বা মনের মিল হলে সমান ও হতে পারে।

১২. মেয়েকে আপনি কতটা পছন্দ করেন আর ছেলে আপনাকে কতটা পছন্দ করে সেটা দেখাও জরুরী।

১৩. একই পরিবারের ভীতরে বিয়ে না করাই ভাল। তবে অনেকে বিয়ে করে সমস্যা হয় না। যেমন চাচাতো ভাই, মামাতো ভাই ইত্যাদী। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

১৪. ছেলে লম্বা হলে ভাল হয় তাহলে বংশগত ভাবে বাচ্চাকাচ্চা ও লম্বা হতে পারে।

১৫. ছেলের বয়স বেশী হলে সমস্যা আছে তাই অভিভাবকরা বসে ঠিক করুন কার বয়স কত এবং আঠারোর কম কিনা?

১৬. রাগী ছেলে হলেও সমস্যা কারণ রাগী ছেলে হলে জীবনে অশান্তি নেমে আসতে পারে। যদিও আমাদের দেশের বেশীর ভাগ ছেলের মাথা গরম। অনেক ক্ষেত্রে রাগও দরকার আছে।

১৭. পরস্পর বুঝাপড়া হলেই বিয়ে করা উচিৎ।

আশাকরি আপনি কিছুটা ধারনা পেলেন এখন সিদ্ধান্ত আপনার হাতে আপনি কি করবেন।

 

Love-Marriage-1.jpg15

কিভাবে ১০০ বছর বা তার বেশী বছর পর্যন্ত বাঁচা যায়

Now Reading
কিভাবে ১০০ বছর বা তার বেশী বছর পর্যন্ত বাঁচা যায়

১০০ বছর বাঁচা বর্তমান যুগের একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার কারন বাংলাদেশের বিশেষ করে ঢাকার যে অবস্থা গাড়ির ধোঁয়া, বিষাক্ত ময়লাযুক্ত খাবারপানি, খাবারে ভেজাল ইত্যাদী মানুষের আয়ুকে অনেক কমিয়ে দিয়েছে।

তবুও আমি আপনাদের সামনে কিছু টিপস দিলাম যা মেনে চললে আপনি হয়তবা ১০০ বছর বাঁচতেও পারেন।

১. প্রথমতঃ আপনার মুভমেন্ট বাড়ান। প্রতিদিন সকালে অথবা বিকালে ১ ঘন্টা করে হাঁটুন;

হাঁটার নিয়ম হলো আপনি একটি ট্রাউজার পরুন, ধুলা-বালি বা গাঁড়ির ধোঁয়ার জন্য মাস্ক পড়তে পারেন, একটি কেইডস পড়লে ভাল হয় আর হাটাহাটির জন্য টি-শার্ট পড়লে ভাল। পারতপক্ষে খালি জায়যায় হাটতে বেড়িয়ে যান। প্রথম ৩০ মিনিট হাটার গতি কম রাখুন এবং পরবর্তী ৩০ মিনিট একটু জোড়ে হাটুন।

২. দ্বিতীয়তঃ সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। আপনি যদি কিছু সময় হাসতে পারেন তাহলে বলতে পারেন আপনার ব্যায়াম কিছুটা হয়ে গেল।

৩. তৃতীয়তঃ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে আদায় করুন এবং মনে রাখবেন নামাজ অতি উত্তম ব্যায়াম এবং এটা বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত। শুধু ফরজ নামাজ না পরে সব নামাজ পরুন যেমন ফরজ, সুন্নত এবং পারলে নফলও পড়তে পারেন।

৪. কোন বিষয়ে টেনশন করবেন না কারন মানুষ যখন টেনশন করে বা অতিরিক্ত রাগ হয় তখন শরীরের এবং মনের উপর এর বিরুপ প্রভাব পরে। অনেক সময় সংসার জীবনেও নেমে আছে অশান্তির কালো ছায়া।জীবনে প্রয়োজন নেই এই রকম চাপ থেকে নিজেকে দুরে থাকুন।

৪. বিয়ের বয়স হয়ে গেলে এবং নিজে স্ববলম্বি হলে বিয়ে করে ফেলুন। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, একজন বিবাহিত মানুষ শিংহের চেয়েও দীর্ঘ সময় বেশী বেঁচে থাকে।

৫. ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখুন। ওজন বেশী হলে সব কাজগুলো কষ্টকর হয়ে যায় যেমন বসলে আর উঠতে ইচ্ছা করেনা, কেমন যেন শরীর ভারী ভারী লাগে।

৬. ধুমপান ও মদ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা এখনই পরিহার করুন এবং অন্যকে এর থেকে বিরত থাকতে উপদেশ দেন। আপনার পাশে কেউ ধুমপান করলে তার কাছ থেকে সরে দাড়ান কারন অন্যের সিগারেটের ধোঁয়া নেওয়া আর নিজে খাওয়া অনেকটা সমান কথা।

৭. বিশুদ্ধ পানির জন্য সরাসরি টেপের পানি না খেয়ে ফিল্টারের বিশুদ্ধ পানি পান করুন।

পানি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ফিল্টারে ভরেও খেতে পারেন।

৮. মাংস জাতীয় খাবার যেমন গরুর মাংশ, খাশির মাংশ কম খান এবং তার পরিবর্তে  ফল-মুল ও সবজী বেশী খান। চর্বিযুক্ত খাবার একটু কম করে খান এবং বিশুদ্দ পানি একটু বেশী করে পান করুন। পানি কুসুম গরম করে লেবু দিয়ে খেলে ভাল কাজ হয়। আমরা যেটা করি তা হলো সকালে কম খাই কিন্তু আসলে সকালেই বেশী খাওয়া দরকার আর একই রকমভাবে রাতে কম খাওয়া দরকার। অনেকে রাতে রুটি খায় আবার অনেকে রাতে একটু বেশী খায় যা উচিৎ নয়। কারন রাতে খাবার পরই আমরা বেশীরভাগ সময়ে ঘুমাতে যাই।ফলে কোন মুভমেন্ট না হওয়ার কারনে খাবার হজম হয়না।

৯. যাদের বয়স কম তারা জিমেও যেতে পারেন। কারন আমাদের প্রতিটি মাশল গড়া যায় এবং এর জন্য আপনি ইন্সট্রাকটরের পরামর্শ অনুযায়ী জিমেও যেতে পারেন। তবে যারা জিমে যাবেন তারা জিমে যাওয়া কখনও ছাড়বেন না। অথবা যদি জিমে যাওয়া কঠিন মনে হয় তাহলে বাসায় একটি ব্যায়াম করার সাইকেল কিনে অথবা রানিং মেশিন কিনে বাসায় বসেই ব্যায়াম করতে পারেন।

১০. মনের আনন্দের জন্য আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে কথা বলুন, হাসি ঠাট্টা করতে পারেন।

১১. অবসর সময়ে আপনি ব্রিজ, দাবা, কেরাম ইত্যাদী খেলতে পারেন যা আপনার মনকে প্রফুল্ল রাখবে।

১২. সমাজের সবার সাথে ভাল ব্যাবহার করতে হবে এবং আচার-আচরনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে যেমন সময়ের কাজ সময়ে করতে হবে, হঠাৎ রাগ করা যাবে না, বড়দের শ্রদ্ধা করতে হবে এবং ছোটদের ভালবাসতে হবে তবেই আপনি হবেন একজন দ্বায়িত্ববান মানুষ। নিজেকে আপডেট রাখতে পেপার পড়া এবং বাসায় বসে টিভি দেখা ছাড়াও বর্তমান সকল বিষয়ে সাধারন জ্ঞান থাকতে হবে। এজন্য আপনি প্রতি মাসের প্রফেসরস কারেন্ট এফেয়ার্স কিনতে পারেন।

১৩. মারামারি, ঝগড়াঝাটি থেকে নিজেকে ১০০ হাত দুরে রাখুন কারন ঝগড়া এবং মারামারি টেনশনের উৎস।

১৪. সমসময় একটি কাজের মধ্যে থাকতে চেষ্টা করুন তাহলে আপনার সময়টা ‍বৃথা যাবে না। কারন সময় হচ্ছে বুলেটের মত যা একবার গেলে আর ফেরত আসেনা। তাই একে ১০০% কাজে লাগাতে হবে।

১৫. আমরা এখান থেকে সামান্য কিছু পথ যেতেই রিক্সা ব্যাবহার করি কিন্তু আমরা যদি রিক্সা ব্যাবহার না করে হেটেই যেতে পারি সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুটা ব্যায়ামও হবে এবং শপিংও হয়ে যায়।

১৬. মোবাইলে দীর্ঘ সময় কথা বলা ঠিক না কারন মোবাইলের তরঙ্গ মানুষের ব্রেনে প্রতিনিয়ত আঘাত করছে তাই অবশ্যই এর পার্শ প্রতিক্রিয়া আছে। তাই এখন থেকেই সাবধান হোন। মোবাইলে কম কথা বলুন মানে প্রয়োজনীয় কথা বলে রেখে দিন।

১৭. যাদের বয়স একটু বেশী তাদের সম্পূর্ণ বডি চেকআপ করাটা জরুরী যেমন ব্লাড টেষ্ট করে দেখা দরকার যে ব্লাডের উপকরণের মাত্রা ঠিক আছে কিনা, কিডনি ঠিক আছে কিনা, ব্লাড পেশার আছে কিনা, ডায়বেটিস হয়েছে কিনা নাকি বর্ডার লাইনে আছে এবং হার্ট ঠিক আছে কিনা যদি কোন সমস্যা মনে হয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।article-0-19EC6F36000005DC-112_306x423.jpg

জিমে না গিয়ে বাসায় ব্যায়াম করে শরীর ১০০% ফিটনেস রাখার উপায়

Now Reading
জিমে না গিয়ে বাসায় ব্যায়াম করে শরীর ১০০% ফিটনেস রাখার উপায়

বাসায় বসে জিমের সুবিধা পেতে হলে আপনাকে একটু কষ্ট করতে হবে। কিছু জিনিস আপনাকে কিনতে হবে যেমন ১ সেট ডাম্বেল যার ওজন হতে পারে আপনার সহনীয় পর্যায়ের, একটি টুল ব্যাবহার করতে পারেন যাতে আপনি শুয়ে ব্যায়াম করতে পারেন আর স্কাইশপ থেকে পেট কমানোর জন্য ডিক্লাইন ট্রাইএঙ্গেল শেপের একটি ডিক্লাইন বেঞ্চ কিনতে পারেন। ব্যায়াম করার জন্য একটি আলাদা রুম হলে ভাল হয়। বেশীরভাগ তরুনদের টার্গেট থাকে বাইসেপ বা হাতের উপরের পেশী বানানো এবং তারপরই টার্গেট থাকে ট্রাইসেপ মানে হাতের পিছনের পেশীকে সুন্দর দৃশ্যমান করা। পাশাপাশি চেষ্ট মানে বুকের, ফোর আর্মস মানে কুনুই এর সামনের অংশের ব্যায়াম, পরবর্তীতে কাঁধের, পায়ের, পিঠেরও ব্যায়াম করে থাকে । কিন্তু সবার আগে আপনার ওজন কমানো দরকার এটা আপনাকে মনে রাখতে হবে।

যে কোন ব্যায়াম করার শুরুতে আপনাকে ওয়ার্ম আপ করতে হবে । ওয়ার্মআপ মানে শরীরকে একটু মুভমেন্ট বা নড়াচড়া করা যেমন হাটা, দৌড়ানো, বুক ডন, দুই হাত সামনে রেখে একবার ডানে ঘুরানো আর একবার বামে ঘুরানো তবে প্রথম অবস্থায় আস্তে আস্তে করবেন বেশী জোড়ে করতে যাবেন না, মাথা একবার ডানে আর একবার বামে ঘুরানো,  পায়ের গোড়ালী মেঝের সাথে মিলিয়ে উঠাবসা করা ইত্যাদী। এই নরমাল মুভমেন্ট বা নড়াচড়া যদি আপনি প্রতিটি ৫ মিনিট করে করেন তাহলে দেখবেন আপনি হালকা কিছুটা ঘেমেছেন সেটাকেই আমি বলছি ওয়ার্মআপ বা শরীর গরম করা যা অনেকেই করতে চায় না কিন্তু খুব বেশী জরুরী একটি বিষয়। এর পর আপনি ওয়েট নিতে পারেন  প্রাথমিক অবস্থায় ২ কেজী নিতে পারেন পরবর্তীতে আপনি আস্তে আস্তে বাড়াতে পারেন। যেমন প্রথম মাসে ২ কেজী দিয়ে করে মাসেলগুলোকে একটিভ করুন। দ্বিতীয় মাসে অথবা সম্ভব হলে তৃতীয় মাস থেকে আপনি ওজন বাড়াতে পারেন খুব আস্থে আস্তে যেমন ২ কেজী থেকে ২.৫ কেজী এবং পরবর্তী সময়ে ৫ কেজীও নিতে পারেন কোন সমস্যা নেই। কিন্তু মনে রাখবেন আপনি যতটুকু ওজন নিতে পারেন ততটুকুই নিবেন। তার বেশী নেওয়ার দরকার নাই। কারো সাপোর্ট নিয়ে ব্যায়াম করাটা গ্রহনযোগ্য নয় কারন সাপোর্ট হয় আপনি আজ পেলেন কিন্তু পরে নাও পেতে পারেন।

যাদের সকালে ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস আছে তাদের জন্য সকালে কমপক্ষে্ ৪৫ মিনিট হাটা এবং সম্ভব হলে দৌড়ানো যা অত্যন্ত ভাল একটি ব্যায়াম। এর জন্য কোন বয়সের সীমাবদ্ধতা নেই তার মানে যেকোন বয়সের ছেলে অথবা মেয়ে সকালে হাটতে পারবেন। কিন্তু যারা অফিস করেন তাদের জন্য অনেক সময় সকালে ঘুমথেকে উঠে হাটতে যাওয়াটা অনেক সময় কঠিন হতে পারে। অনেকের আবার বাহিরে হাটাবার মত যায়গা নাই যার কারনে বাসায় বসে কিছু ব্যায়াম করার চেষ্টা করেন যেমন উঠাবসা করা, নি হাই মানে একই জায়গায় দৌড়ানোর মত ব্যায়াম,  বুক ডন করা ইত্যাদী।

যাদের সকালে হাটতে যাওয়া সম্ভব না তারা রাতে হাটতে যেতে পারেন। ৪৫ মিনিট হাটা মানে কিন্তু অনেক  ব্যায়াম তর্থ্যাৎ আপনার ওয়ার্মআপ হয়ে গেল এখন যদি আপনি চান বাসায় জিমের ব্যায়ামগুলো করে নিবেন। তাহলে আপনাকে বাসায় এসেই প্রথমে ১০ বার করে দুইসেট পুশ আপ বা বুকডন করে নিতে পারেন। এই ব্যায়ামের সাপোর্টের জন্য আপনি ব্যাবহার করতে পারেন কোন টুল অথবা হাতের দুইপাশে দুটি চেয়ার । আপনার ওজন যদি বেশী হয় সেক্ষেত্রে আপনার পুশআপ ব্যায়ামটি একটি টুলের উপর সাপোর্ট নিয়ে করতে হবে, মেঝেতে ব্যায়াম না করাই ভাল কারন আপনি যখনই ফ্লোরে ব্যায়াম করবেন তখন আপনার শরীরের সম্পূর্ন ওজন হাতের উপর পড়বে যা অনেক সময় আপনার হিতে বিপরীত হতে পারে। আপনার ঘাড়ে ব্যাথা হতে পারে, বুকে মাশল পেইন হতে পারে, হাত মচকাতে পারে তাই খুব সাবধানে ইন্সট্রাকটরের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করতে হবে। আপনি ব্যায়াম করার সময় ফ্যান চালাবেন না, পর্যাপ্ত পানি বোতলে রাখুন। মিউজিক চালিয়ে ব্যায়াম করতে পারেন। যার ফলে আপনার ব্যায়াম করার সময় উৎসাহ পাবেন এবং আপনার মনে হবে যে আপনি জিমে বসেই ব্যায়াম করছেন এবং ব্যায়ামের গতি বাড়বে।

পেটের মেদ কমানোর কিছু ব্যায়াম নীচে দেওয়া হলোঃ

প্রথমে আপনাকে ওয়ার্ম আপ করে নিতে হবে তারপর নিম্নলিখিত ব্যায়ামগুলো করুন।

প্রথম ব্যায়ামঃ

আপনার টার্গেট যদি হয় মেদ কমানো তাহলে আপনার কিছু ব্যায়াম করতে হবে যেমন বেডের উপর শুয়ে দুই পা উপরে তুলুন আবার নামান কিন্তু সম্পূর্ণভাবে না নামিয়েই দুই পা আবার উপরে উঠান এভাবে ৪০ বার করুন।

দ্বিতীয় ব্যায়ামঃ

ফ্লোরে সোজা হয়ে দাড়ান এবং তার পর দুই হাত বাঁকা করে সামনে নীচের ফ্লোর/মেঝেতে ধরার চেষ্টা করুন। এইভাবে মোট ৪০ বার করুন।

তৃতীয় ব্যায়ামঃ

সোজা হয়ে দাড়ান এরপর হাত দুটি শরীরের একবার ডানে ঘুরান আর একবার বামে ঘুরান কিন্তু শরীর ও মাথা সোজা রাখতে হবে শুধু পেটের অংশটি ঘুরবে। এভাবে ১০০ বার করুন।

চতুর্থ ব্যায়ামঃ

২.৫ কেজী ওজনের ১টি ডাম্বেল দুই হাত দিয়ে ধরে সামনে তুলুন এবং তারপর উপরে উল্লেখিত তৃতীয় ব্যায়ামের মত করে একবার ডানে ঘুরান আর একবার বামে ঘুরান। মনে রাখবেন প্রথম অবস্থায় আস্তে আস্তে ঘুরাবেন।

পঞ্চম ব্যায়ামঃ

২.৫ কেজী ওজনের ডাম্বেল দুইটি দুই হাত দিয়ে ধরে সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং তারপর উপরে উল্লেখিত দ্বিতীয় ব্যায়ামের ন্যায় করুন। এভাবে ৪০ বার করতে থাকুন।

 

৬ষ্ঠ ব্যায়ামঃ

এই ব্যায়াম টি ১ম ব্যায়ামের মত। শুধুমাত্র  এক্ষেত্রে শুয়ে পা সোজা না রেখে হাটু ভাজ করে উপরে রাখতে হবে। তারপর দুই হাত মাথার পিছনে নিয়ে মাথাটি উপর  দিকে তুলার চেষ্টা করুন যতদুর সম্ভব। এতে ‍দেখবেন আপনার পেটে অনেকটা চাপ পড়ছে। এই ব্যায়ামটি ১০০ বার করুন।

Standing Forward Bend Yoga(1).jpg

জিমে প্রথম ব্যায়াম করতে হলে কি কি ধরনের ব্যায়াম করা যায় এবং তার সময়সীমা কতটুকু

Now Reading
জিমে প্রথম ব্যায়াম করতে হলে কি কি ধরনের ব্যায়াম করা যায় এবং তার সময়সীমা কতটুকু

ব্যায়াম করলে শরীর থেকে অনেক ঘাম ঝড়ে আর সেই জন্য আপনাকে মাঝে মাঝে পানি খেতে হবে। আর সেই মেশিনে শুবেন সেখানে একটি তোয়ালা ব্যাবহার করা জরুরী কারন অনেক ছেলেই এই মেশিনে শুয়ে ব্যায়াম করে। আর ড্রেস এর জন্য ব্যাবহার করবেন শর্ট প্যান্ড বা ট্রাউজার যাতে করে আপনার ব্যায়াম করতে সুবিধা হয়। এর একটি বিষয় যে, আপনাকে একটি কেইডস্ পড়ে ব্যায়াম করলে আপনার জন্য ভাল হবে। এটা কিছুটা সেফটির মত কাজ করে পাশাপাশি আপনার ব্যামের গতি বাড়ায়।

নিচে ষ্টেপ বাই ষ্টেপ ব্যামের নামসহ কতবার করতে হবে তা আলোচনা করা হলোঃ

  • জগিং মোট ২০০ ষ্টেপস, সময়টা আপনার উপর নির্ভর করে;
  • সাইক্লিং মোট ৩ মিনিট;
  • ক্রস ট্রেইনার cross trainer একটি মেশিন যেটা অনেকটা জিমে পাবেন অনেকটা দৌড়ানোর মত;
  • বার সাইড টুইষ্ট মানে আপনি প্রথম অবস্থায় লাঠির মত একটি জিনিস নিয়ে কাধের উপরে রেখে ডানে বামে ঘুরানো যেটা আপানি করতে পারেন ২০ *৩ সেট =৬০ বার;
  • ডাম্ব সাইড বেন্ডঃ প্রথম অবস্থায় দুই হাতে দুইটি ২ কেজী ওজনের ডাম্বেল নিয়ে একবার ডান হাত নিচে নিবেন আর একবার বাম হাত নিচে নিবেন। এটা পেটের পেশী সুন্দর করার ব্যায়াম। এটা করতে হবে ২০ *৩ সেট =৬০ বার;
  • ফ্রন্ট বেন্ড মানে মাথা ঝুঁকিয়ে হাটুর সাথে লাগানো এবং এটাও পেটের এবং শরীর ওয়ার্মআপের একটি ব্যায়াম। এটা করতে হবে মাত্র ২০ বার;
  • পুশ আপ মানে বুকডন যেটা আপনি কোন বেঞ্চের সাপোর্ট নিয়েও করতে পারেন বা মেঝেতেও করতে পারেন তবে মাথা বেশী উঁচু করা দরকার নাই আবার বেশী নিচু করারও দরকার নাই। এটা করতে হবে ১৫ *৩ সেট =৪৫ বার; তবে বেশী হাপিয়ে গেলে কম করলেও চলবে। আস্তে আস্তে বাড়াবেন;

Flat-Dumbbell-Press.jpg

  • ফ্লাট ডাম্বেল প্রেস আর আর ডাম্বেল ফ্লাই এর জন্য একটি ছোট টুল দিয়েই করা যায়। ফ্লাট ডাম্ব প্রেস এর জন্য আপনাকে একটি টুলে শুতে হবে। তারপর বসে নিচ থেকে দুটি ডাম্বেল নিয়ে উপরের ছবির মত হাত একবার উপরে নিবেন আর একবার উপরে নিবেন। ডাম্বেলটি বুক পর্যন্ত নামাবেন আর হাত সোজা উপরে উঠাবেন। এটা করতে হবে ১৫ *৩ সেট =৪৫ বার
  • ডাম্বেল ফ্লাই বা সাইকেল ফ্লাই অনেকটা একই রকম । ডাম্বেল সাইকেল ফ্লাই অনেক কঠিন একটি ব্যায়াম তাই এই ব্যায়ামের জন্য ওজন কমিয়ে নিবেন। এটা হাত ঘুরিয়ে উপরে তুলতে হয় এবং নামাতে হয়। এই ব্যায়ামটি হচ্ছে চেষ্ট বা বুকের একটি ব্যায়াম যা বুকের পেশীকে সুন্দর করে।এটা করতে হবে ১৫ *৩ সেট =৪৫ বার
  • এর পর আপনি করতে পারেন ডিক্লাইন ডাম্বেল প্রেস অথ্যাৎ এর জন্য লাগবে নিচের ছবির মত একটি ঢালু বেঞ্চ।এই ব্যায়ামটি আপনাকে করতে হবে ঠিক ফ্লাট ডাম্বেল প্রেসের মত। তাই নতুন করে আর বলার প্রয়োজন নেই। বুকের মাশলগুলোকে আরো ভালমত একটিভ করতে এই ব্যায়াম এর প্রয়োজন। তবে বেশী কঠিন মনে হলে না করাই ভাল। নীচে ডাম্বেল রাখার সময় সাবধানে রাখবেন যাতে হাতের পেশীর উপর বেশী চাপ না পড়ে। প্রথম অবস্থায় বেশী ভারী ডাম্বেল ব্যাবহার করা উচিৎ নয়। তাই প্রথমে কম ওজন দিয়ে ব্যায়াম করা ভাল। এটা করতে হবে ১৫ *৩ সেট =৪৫ বার
  • ফ্লাট ডাম্বেল ফ্লাই এর মত আপনি আরো একটি ব্যায়াম করতে পারেন ডিক্লাইন ডাম্বেল ফ্লাই। উপরে ফ্লাট ডাম্বেল ফ্লাই কিভাবে করতে হয় তা বলা হয়েছে তাই এখানে নতুন করে বলা্র মত কিছু নাই। শুধু একটি বলার কথা যে ব্যায়ামটি করার সময় ডানে বামে দেখে নিবেন যেন কারো সাথে আপনার হাত ধাক্কা না খায় এবং ডাম্বেল রাখার সময় সাবধানে রাখবেন।
  • ডাম্বেল সাইড রেইজ একটি কাঁধের ব্যায়াম। তবে এই ব্যায়াম করার সময় আপনাকে সাবধানে করতে হবে যাতে আবার ইনজুরি না হন। ডাম্বেল নেওয়ার পর হাতের কুনুই একটু ভাজ করে নিবেন। হাটুটিও একটু ভাজ করে নিতে পারেন। তারপর হাতদুটি আস্তে আস্তে উপরে উঠাবেন ।এটা করতে হবে ১৫ *৩ সেট =৪৫ বার
  • অল্টানেট  ফ্রন্ট রেইজ যেটা আপনার একহাত আস্তে আস্তে উপরে উঠাবেন এবং আস্তে আস্তে নামাবেন একই রকমভাবে অন্য হাত উঠাবেন এবং নামাবেন। আপনি ছবির জন্য গুগল বা ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন।এটা করতে হবে ১৫ *৩ সেট =৪৫ বার।

 

বাংলাদেশের ক্রিকেটে উন্নতির ইতিহাস

Now Reading
বাংলাদেশের ক্রিকেটে উন্নতির ইতিহাস

বাংলাদেশ বর্তমানে ক্রিকেটে ভালই উন্নতি করেছে। অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান বর্তমানে খুব ভাল বল করছে। অন্য দিকে সাকিবের সাথে স্পিনার হিসাবে ভালই করছে মেহেদী মিরাজ।  টেষ্ট ক্রিকেট ভালই খেলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ তাই  অনকে খেলায় তার দুর্দান্ত ব্যাটং দেখে মুগ্ধ হতে হয়। যা হোক বাংলাদেশকে জিততে হলে যা করতে হবে বলি, বাজে শর্ট খেলা যাবে না, যার ফলে ক্যাচ আউটের সম্ভনা থাকে। ব্যাট করার সময় পার্টনারকে সাপোর্ট দিতে হবে এবং তাকে সতর্ক করতে হবে যেনো কোন অবস্থাতে দ্রুত রান করার জন্য অপজিট স্ট্যাম্প থেকে আগেই দৌড় না দেয়।

মেহেদী মিরাজ বলিং এর পাশাপাশি ব্যাটও ভালই করে।  খেলায় ভাগ্য ভাল ও হয় আবার খারাপও হয় সবারই  তবে  সবচেয়ে ভাল খেলে মুশিফিকুর রহিম এবং সে জিনিয়িাস একটি প্লেয়ার। মাঝমোঝে সাব্বির কোন একটি শর্টে ভুল করে বসে তবে বড় কথা হল  সে ভাল খেলে। অষ্ট্রেলিয়ার সাথে খেলায় দুর্ভাগ্যজনক ভাবে বল কোথায় যায় না দেখেই দৌড়াতে শুরু করে কিন্তু বল গিয়ে ব্যাটিং স্ট্যাম্পের অপজিট স্ট্যাম্পে গিয়ে লাগে এবং সে আউট হয়। আউটটা দেখার মত। যা হোক বাংলাদেশ যা ভুল করেছে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাক তাই আমরা চাই। বাংলাদেশ অনেক কিছু ইতোমধ্যে শিখেছে এবং আরো শিখতে হবে। গতবারের খেলায়,   অষ্ট্রেলিয়া যখন ব্যাটিং শুরু করে তখন সৌভাগ্য জনক ভাবে একটি উইকেটও পেয়ে যায়  বাংলাদেশ । গুড জব বাংলাদেশ, মনে হচ্ছে বাংলাদেশ জিতবে।

মেহেদী ১ম বারের মত তখোনো মানে ডে ২ তেও  ভালই বল করছে। আউট হতে হতে হচ্ছে না। হঠাৎ দেখি সবাই খুব উচ্ছসিত, কি ব্যাপার দেখিতো। যা হোক দেখলাম অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান দুই হাত দুইদিকে প্লেনের মতো দেখাতে দেখাতে সামনে দৌড়াচ্ছেন তার মানে বাংলাদেশ ২য় উইকেট শিকার করল, অজি ব্যাটস ম্যানদের হতাশ মনে হলো। বর্তমানে অষ্ট্রেলিয়ার রান এসেছে মোট ২৮ এবং ২ টি উইকেট তাদের হারাতে হয়েছে। ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্মিথ খেলছেন। স্মিথ নতুন নেমেছে ব্যাটিং করার জন্য। মুশফিক একটি স্ট্যাম্প আউট করার সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে তা হয়ে উঠে নাই। ডেভিড ওয়ার্নার ভাল রান করতে পারেন । কাজেই বাংলাদেশের এখন টার্গেট ওয়ার্নারকে আউট করা।

যেটা অনেকটা কঠিন কাজ কারন অজিরা বাংলাদেশে বলিং কৌশল প্রায় বুঝে ফেলেছিল। অষ্ট্রেলিয়ার ৭ উইকেটের পতন হলেও ভয় আছে, কারন তারা যেকোন সময় দাবার গুটি পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।  সেটা ছিল তখনকার সময়ের বর্তমান চিত্র কিন্তু সে চিত্র বাংলাদেশের বোলাররা যেকোন সময় পরিবর্তন করতে পারে। টেষ্ট ক্রিকেটে রানের থেকে উইকেট এর গুরুত্ব অনেক বেশী। সেই দিনকার খেলা কোন দিকে গড়ায় সেটা বুঝা মুশbangladesh-england-pictured-rahman-celebrates-taking-teammates_a2f70eba-49b0-11e7-88f6-6a3facb665a5.jpgকিল তবে ওয়ার্নার যতক্ষন আছে ভয় তত বাড়ছে। অনেকটা ভয়ংকর হয়ে উঠছেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার ব্যাক্তিগত রান এখন ৫০।

মোস্তাফিজ মাঝে মাঝে ভাল খেলে । সে বল করছে কিন্তু কি কারনে যেন সেই সময়ে  কাজ হচ্ছিল না। আসলে তারও পারফরম্যান্স ততটা ভাল হচ্ছেল না যদিও পরের খেলায় সে ঘুরে দাড়ায়। বর্তমানে বাংলাদেশের যে কয় জন প্লেয়ার আছেন তার মধ্যে তামিম, সাকিব, সাব্বির এবং মুশফিক এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ তুলনামূলক ভাবে ভাল ব্যাট করে। শুধু তাই নয় তাদের এই সাহসীকতার কারনে অনেক সময় ম্যাচ ও জিতে যায়।

যাহোক আমি  আর্টিকেল লিখছি  ৩০ আগষ্ট ২০১৭ ইং সকাল ১০ঃ৩০ মিনিট এর সময়কার কথা।  ডেভিড ওয়ার্নার তখন ৯৯ রান করে ফেলেছে এবং স্মিথ করেছ ২৯ রান।  তার কিছুক্ষণ পরেই দেখি ওয়ার্নারের একটি চার এর মার এবং সাথে সাথে ওয়ার্নার লাফিয়ে উঠে হেলমেট খুলে এবং ব্যাট ঘুরিয়ে জানান দিল তার ১০৩ রান হয়েছে। আর তারা বুঝেছিল তাদের আর  হারানোর চিন্তা ও করতে পারবে না। অবশ্য তখনও বলা যাচ্ছিল না শেষ পর্যন্ত কি হয় এবং সিদ্ধান্ত হবে আসলে সেদিনের বাংলাদেশের বোলিং পারফরম্যান্সের উপর। সবার একটি জিনিস খেয়াল করছেন, সেই দিন  কিন্তু আকাশে আর মেঘ নেই। তার মানে বৃষ্টি হবে না। সেই  সকালে  আমরা দেখলাম আকাশে কটকটা রোদ।  প্রথম দিকে যেভাবে ভাবছিলাম বাংলাদেশ জিতবে কিন্তু এখন মনে হচ্ছে হারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ । ওয়ার্নার এবং স্মিথ দুরন্ত গতিতে ব্যাট চালাচ্ছেন।  মেহেদী মিরাজ চেষ্টা করছেন উইকেট নেয়ার কিন্তু সফল হতে পারছেন না। এর কারন হিসাবে আমার মনে হয় তারা আমাদের বোলিং কৌশল ধরে ফেলেছেন, তাই নতুন করে আর কোন ভুল তারা করছেন না। খুব সতর্ক হয়ে খেলছেন। সাকিবের বলে মুশফিক স্ট্যাম্প আউট করার চেষ্টা করছেন। কারন বাংলাদেশের বোলারদের এখন টার্গেট যেভাবে হোক উইকেট নেওয়া।

তাই তাদেরকে ভাল বোলিং করার পাশাপাশি স্ট্যাম্প আউট, ক্যাচ আউট, রান আউট ইত্যাদীতে মনোযোগ দিতে হবে। এই মাত্র ডেভিড ওয়ার্নার আউট হয়েছেন ১১২ রান করে। সাকিব আল হাসানের বলে তিনি এলবিডব্লিউ হন। সেই দিনের খেলায় যদি অষ্ট্রেলিয়ার কয়েকটি উইকেট পড়ে যায় তাহলেই একমাত্র সম্ভব হতো বাংলাদেশের ম্যাচে ঘুরে দাড়ানোর এছাড়া সম্ভব না। যাহোক শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ড্র হয়। দুই অধিনায়ক ট্রফি ভাগাভাগি করে নেন। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত জিততে পারে নি তবে বাংলাদেশ ভাল খেলে প্রথম বার জিতেছে এবং পরের বার হেরে খেলা ড্র হয়।

ইন্টারভিউ বোর্ডের নিয়ম কানুনসহ কিছু কমন প্রশ্ন এবং উত্তর

Now Reading
ইন্টারভিউ বোর্ডের নিয়ম কানুনসহ কিছু কমন প্রশ্ন এবং উত্তর

১. ইন্টারভিউ বোর্ডে সাধারণত প্রথম প্রশ্ন হয় যে, আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?

 পদবী  যদি হয় প্রোগ্রামার তাহলে উত্তরটি হতে পারে নিম্নরুপঃmaxresdefault.jpg

আমার নাম মোঃ কামরান আকমল, আমি ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  গনিতে অনার্স  এবং মাষ্টার্স সম্পন্ন করেছি। এর পাশাপাশি  আমি  কোন ভাল প্রতিষ্ঠান থেকে ১ বছরের জাভা প্রোগ্রামিং কোর্সে প্রফ্রেশনাল  ডিপ্লোমা  কোর্স সম্পন্ন করেছি। আমি মনে করি আমি প্রোগ্রামার হিসাবে ভাল। প্রোগ্রামিং এর পাশাপাশি আমি টুকিটাকি নেটওয়ার্কিং ও পারি।  আমি বই পাড়তে এবং ফুটবল খেলা দেখতে পছন্দ করি।

প্রশ্নকর্তা প্রথমত জানতে চায় যে এই পদবীর জন্য আপনার ইন্টারেষ্ট বা আগ্রহ আছে কিনা এবং আপনার জ্ঞানের গভীরতা কতটুকু। এর পাশাপাশি আপনার আচার ব্যাবহার এবং কথাবার্তা ও তারা দেখে থাকেন ।  আপনার অন্য কোথাও চাকুরীর অভিজ্ঞতা আছে কিনা। চাকুরীর অভিজ্ঞতা থাকলে আপনার বেতন বাড়বে। এবং আপনার চাকুরী হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়। আর অভিজ্ঞতা না থাকলে চাকুরী ক্ষেত্রে কেউ নিতে চায় না। তবে আপনার যদি যোগ্যতা থাকে এবং ইন্টারভিউয়ার  যা জানতে চায়  সবই আপনি পারেন তাহলে তারা আপনাকে সিলেক্ট করতে পারে।  সমস্যা হয় শুধু বেতনের ক্ষেত্রে তবে অনেক সময় বেতন সার্কুলারে আগে থেকেই বলা থাকে।

আপনার সিভিটা সুন্দর গোছানো হতে হবে। এলোমেলো হলে চলবে না।  বানান ভুল করা যাবে না। দরকার হলে অভিজ্ঞ লোকদের দিয়ে আপনার সিভি পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।

আপনি স্মার্ট কিনা নাকি স্যান্ডেল পড়ে প্যান্ট ইং ছাড়া ইন্টারভিউ বোর্ডে হাজির হন। তারমানে ইন্টারভিউ দিতে হলে আপনার নির্দিষ্ট পোষাক পড়তেই হবে। প্যান্ট  ইং  এবং আয়রন করতেই হবে। চুল বড় রাখা যাবে না। চোখে চোখ রেখে  ষ্পষ্টভাবে কথা বলতে হবে। প্রশ্ন কর্তা কি প্রশ্ন করে তা আগে বুঝতে হবে। বুঝতে না পারলে আবার জিজ্ঞাসা করুন।   ফ্রেশারদের ক্ষেত্রে ওভার স্মার্ট না হওয়াই ভাল। তবে ইন্টারভিউ বোর্ডে ভয় পাবেন না। মুখে হাসির একটি ভাব রাখবেন। ইন্টারভিউ এর সময় অন্যরা কি পড়ে আসে সেটা দেখেন কারন সবাই যদি টাই পড়ে তাহলে আপনিও টাই পড়তেই পারেন এবং সেখানে ওভার স্মার্ট হওয়ার কোন কারন নেই।

উল্টাপাল্টা প্রশ্ন বা উত্তর করবেন না। যা প্রশ্ন করে ঠিক সেই উত্তরটি করুন। তবে প্রশ্ন করলে চুপ করে থাকবেন না। উত্তর না জানলে বলুন স্যার এখন আমি উত্তরটি দিতে পারব না আমাকে অন্য প্রশ্ন করুন।

আর পদবী যদি হয় মার্কেটিং তাহলে উত্তরটি হতে পারে নিম্নরুপঃ

আমার নাম মোঃ কামরান আকমল, আমি ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  মার্কেটিং বিষয়ে  অনার্স  এবং মাষ্টার্স সম্পন্ন করেছি। আমি পড়াশুনার পাশাপাশি মার্কেটিং  এ আমার অনেক ঝোঁক ছিল তাই আমি মার্কেটিং এর উপর ১ বছর মেয়াদী প্রফেশনাল ডিপ্লোমা অর্জন করি। এছাড়াও আমি পরবর্তীতে  মেজর মার্কেটিং নিয়ে আইবিএ  থেকে এমবিএ  ডিগ্রী সম্পন্ন করি। আমি দর্শণীয় স্থান ঘুরতে পছন্দ করি।

২. পরবর্তীতে প্রশ্নকর্তা আপনাকে প্রশ্ন করতে পারে যে আপনার আশানুরুপ বেতন কত চান?

উত্তরটি একজন ফ্রেশারের জন্য যে রকম হবে, একজন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন

প্রার্থীর ক্ষেত্রে উত্তরটি  ভিন্ন হবে।

যদি ফ্রেশার হন তাহলে উত্তরটি হবে অনেকটা এই রকম যে, আমি আপনার কোম্পানীতে এই পদবীর বেতনের রেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চাই। আমি মনে করি আমার যোগ্যতা অনুযায়ী কোম্পানী আমার বেতন নির্ধারন করবে। তবে আমি বেতনের থেকে বেশী গুরুত্ব দেই আপনাদের সাথে কাজ করার সুযোগ পাওয়াকে  কারন আপনার কোম্পানী একটি মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানী এবং সেক্ষেত্রে আমি আপনার প্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে আগ্রহী এবং একজন ফ্রেশার হিসাবে আমি মনে করি আমার বেতন হওয়া উচিৎ ২০,০০০ টাকা/মাস।

 ৩. কেন আপনি আমাদের সাথে কাজ করতে চাচ্ছেন?

আমি মনে করি আমি যে পদবীর জন্য আপনার কোম্পানীতে আবেদন করেছি  তা আমাকে প্রফ্রেশনাল হতে শেখাবে। আপনার কোম্পানী একটি রিপুটেড কোম্পানী এবং আমি আপনার কোম্পানীতে যোগদান করে ক্যারিয়ার ডেভেলপম্যান্ট করতে আগ্রহী।

৪. আপনার কয়েকটি স্ট্রেন্থ এবং উইকনেস বলেন?

স্ট্রেন্থ বা বিশেষ গুনাবলী গুলো নিম্নরুপঃ

  • আমি সময়মত কাজ করতে পছন্দ করি। যে কাজ যে সময়ের মধ্যে করতে বলা হয় সেই কাজ আমি সেই সময়ে সম্পন্ন করতে আপ্রান চেষ্টা করি।
  • আমি সাহসী।
  • আমি চাপ সহ্য করতে পারি।
  • আমি সবার সাথে খুব সহজে মিশতে পারি সে হতে পারে আমার সিনিয়র বা কলিগ।
  • আমি নতুন কিছু শিখার ব্যাপারে খুবই আগ্রহী এবং আমি কাজ করতে ভালবাসি।

উইকনেস বা দুর্বলতা সমূহ হলো নিম্নরুপঃ

  • আমি খুবিই সহজ সরল এবং আমি সহজেই মানুষের কথা বিশ্বাস করি এবং এটা আমার দুর্বলতা।
  • আমি খুবই ইমোশনাল।

৫. আগামী ৫ বছর পর আপনি আপনাকে কোন যায়গায় দেখতে চান?

আগামী ৫ বছর পরে আমি আমাকে সিনিয়র প্রোগ্রামার  অথবা সিনিয়র সিষ্টেম এডমিন হিসাবে দেখতে চাই। পরবর্তীতে আমি প্রোজেক্ট ম্যানেজার হওয়ার ইচ্ছা আছে।

৬. আমাদের কোম্পানী সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন?

আমি ইন্টারনেটে আপনাদের ওয়েবসাইট সম্পর্কে জেনেছি যে, আপনার এই কোম্পানীতে ইআরপি নিয়ে কাজ হয়। তাছাড়াও এখানে ই-কমার্স ও অন্যান্ন সেলস সিষ্টেম সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট করা হয়েছে। আমি দেখলাম আপনার অনেক ভাল ভাল ক্লাইন্ট আছে।আপানার কোম্পানী অফার করে নেটওয়্যার্কিং এবং ই-কমার্স সার্ভিস। অনেক সফটওয়্যার বিদেশে রপ্তানীও হয়েছে। তার মানে বিদেশের অনেক কাজও আপনাদের কোম্পানীতে হয়।

 

 

বাংলাদেশের কোন কোন যায়গায় বেড়াতে যাওয়া যায়।

Now Reading
বাংলাদেশের কোন কোন যায়গায় বেড়াতে যাওয়া যায়।

বসুন্ধরা সিটি শপিং মল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিং মলগুলোর  মধ্যে একটি। কিছু কেনাকাটা করতে যেয়ে হঠাৎ একদিন দেখলাম আটতলায় একটি বড় লাইন। ছোট্ট সোনামনিদের ভীড় সাথে অভিভাবকরাও আছেন। সবাই শুধু টিকিট কাটছে আর একটি পার্কে ঢুকছে। সোনামনিরা যেন কোন বাঁধা মানছে না অভিভাবকের হাত ছেড়ে সবাই ব্যাস্ত বিভিন্ন খেলনায় হাত দেওয়ার জন্য এবং রাইডে উঠার জন্য। সেই খেলনা কোন বাচ্চদের খেলনা নয় বরং বিভিন্ন ধরনের রাইড বলতে পারেন যেমন নাগরদেলা, বাম্পার কার, ঘোড়া  ইত্যাদী। রাজধানীর বৃহত্তম থিম পার্ক বলতে আমরা বুঝি “টগি ওয়াল্ড” যেখানে শিশুদের মনমাতানো আনন্দ দিয়ে থাকে। এই পার্কটির ঠিকানা হলো কাওরান বাজারটি পার হলে যে কাউকে বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স কোন দিকে জিজ্ঞাসা করলেই দেখায় দিবে। কেউ যদি বাসএ যেতে চান তাহলে তাকে নামতে হবে ফার্মগেট পার হয়ে কাওরান বাজারে। তার পর ২ মিনিট হাটলেই বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের লিফটের ৮ এ পাবেন টগি ওয়াল্ড। বিনোদনকেন্দ্রটিতে সবসময় থাকে একঝাঁক শিশুর প্রাণোচ্ছল উপস্থিতি যা অন্য কোথাও দেখা যায় না। এই থিম পার্কটির মোট আয়তন হচ্ছে ৩৭ হাজার বর্গফুট। কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে জানা গেল এই পার্কে আছে বাম্পার কার, মিনি টাওয়ার, জাইরোস্কোপ, লিটল প্লেনসহ মোট ১৫ টি রাইড এবং ৪৩ টি গেমস। এছাড়াও আছে কিডস বোলিং যা খেলতে লাগে ২০০ টাকা এবং ভিআইপি বোলিং এর মত খেলা যা খেলতে লাগে ৩০০ টাকা যা  বাংলাদেশের অন্য কোন থিম পার্কে নাই। এছাড়াও একটি পার্টি রুম ও আছে যেখানে ৫০ জন শিশু একসাথে খেলতে পারে।

পার্কে ঢুকতে হলে আপনার খরচ হবে জনপ্রতি ৫০ টাকা।  প্রতিটি রাইডে উঠতে আপনার খরচ হবে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা যা তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশী। তবে আপনি যদি বাথরুম দেখেন তাহলে আপনার ভাল লাগবে। বাথরুমগুলো খুবই অত্যাধুনিক এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন যা ছোট্ট সোনামনিদের জন্য বাথরুম করতে কোন সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। প্লে-গ্রাউন্ডে আপনি আপনার বাচ্চাকে ৩০ মিনিট এর জন্য রাখতে পারবেন।  এছাড়াও সেখানে আছে বিশাল ফাষ্টফুড মার্কেট যেখানে আপনি মোটামুটি সবধরনের উন্নত মানের ফাষ্টফুড পাবেন যেমন ফ্রাইড চিকেন, ফ্রেঙ্চ ফ্রাই ইত্যাদী যা শিশুদের জন্য খুবই পছন্দনীয় এবং আকর্ষণীয়।

এখানে আপনি জন্মদিনের পার্টিসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান এর আয়োজন করা যাবে। এই পার্কটি আসলে নির্মান হয়েছে থাইল্যান্ডের একটি বিখ্যাত পার্কের আদলে। ঢাকা শহরের শিশুরা আসলে সমসময় চার দেওয়ালের ভীতরেই থাকে, খেলে। খেলার জন্য তেমন কোন যায়গায় নাই। সেক্ষেত্রে এই ধরনের পার্ক আসলে শিশুদের অনেক বেশী আনন্দ দিবে। আনন্দ উপভোগ করতে কেনা চায় বিশেষ করে শিশুদের জন্য এই ধরনের একটি থিম পার্ক একটি মাইলফলক। চার বছরের বাচ্চাদের জন্য আছে টডলার প্লে জোন যা তাদেরকে অনেক আনন্দ দেয়। বড়দের জন্য ও বিভিন্ন ধরনের রাইড এবং গেমস আছে যা আসলেই উপভোগ্য। এছাড়াও এই পার্কে আছে ইন্দ্রোনেশিয়ার বিখ্যাত কাবাব চেইন আউটলেট।

নিম্নে টেবিলে দেখানো হলো যে এই থিম পার্কটি কবে খোলা থাকে আর কবে বন্ধ থাকেঃ

দিন খোলা না বন্ধ? সময়
শনিবার খোলা থাকে দুপর ১২টা থেকে রাত ৯ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
রবিবার খোলা থাকে
সোমবার খোলা থাকে
মঙ্গলবার বন্ধ থাকে বন্ধ থাকে
বুধবার খোলা থাকে দুপর ১২টা থেকে রাত ৯ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার খোলা থাকে
শুক্রবার খোলা থাকে যেমন সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা আবার ২ টা থেকে রাত ৯ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

 

আরো বেশী যদি আনন্দ পেতে চান তাহলে আপনাকে আরো কিছু বিখ্যাত পার্কে যেতে পারেন যেমন যমুনা ফিউচার পার্ক, ফ্রান্টাসী কিংডম, বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, আর যদি ঢাকার বাহিরে খোজেন তাহলে যেতে পারেন দিনাজপুরের সপ্নপুরী এবং সিলেটের ড্রিমল্যান্ড পার্ক। এই সব পার্কে বড় ছোট সবাই আনন্দ পাবে তবে বড়রা একটু বেশী আনন্দ পাবে।

নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ন মোবাইল নম্নর বা ফোন নম্বর দেওয়া হলোঃ

যমুনা ফিউটার পার্ক, ঠিকানাঃ ক-২৪৪, কুড়িল, প্রগতি এভিনিউ, ঢাকা। – +৮৮০৩৮৯৪৫৫৮০০৩, ০১৯৩৭৪০০২০৫

ফ্রান্টাসী কিংডম – জামগড়া, আসুলিয়া, সাভার, ঢাকা। ফোন নম্বরঃ ০২-৭৭৯০৮১৬-১৯

বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক –  শ্রীপুর, গাজীপুর। ফোন নম্বর –  ০১৭১২০২২৮১।  এটা আসলে একটি চিড়িয়াখানার মত। পার্কটি মঙ্গলবার বন্ধ থাকে আর অন্যান্ন পার্ক খোলা থাকে প্রতিদিনই সকাল ৯টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত। টিকিটের দাম জনপ্রতি ৫০ টাকা। পার্কিং কারপ্রতি ৬০ টাকা। আর রাইড জনপ্রতি ১০০ টাকা ।

নন্দন পার্কটিও ইয়ং ছেলে মেয়েদের জন্য অনেক ভাল সেখানে অন্যান্ন পার্কে যা থাকে তা তো আছেই এর পাশাপাশি আছে ওয়াটার কিংডম যেখানে সবাই গোছল করে , নাচানাচি করে এবং বিভিন্ন রাইডে চড়ে খুব মজা পায়। নন্দন পার্কের মোবাইল নম্বরে আপনি বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন নম্বরটি হচ্ছে ০১৭৫৫৬৬৭৭০৩

ধারে কাছে যদি আপনি যদি কোন শিশুপার্ক চান তাহলে আপনি যেতে পারেন বিমান বন্দর জাদুঘর । পার্কটি ঢাকা আগারগাঁও, আইডিবি ভবনের বিপরীতে অবস্থিত। এই পার্কটি অনেক সুন্দর, খরচ ও হাতের নাগালে । পার্কটিতে প্রবেশফি মাত্র ২০ টাকা আর প্রতিটি রাইডের জন্য খরচ পাড়বে ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত যা সাধারন জনগনের হাতের নাগালে পার্কটিতে ছোটদের পাশাপাশি বড়দের ও ভাল ভাল রাইড আছে। পার্কটি শুক্রবার ও শনিবার সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এবং অন্যান্ন দিন দুপর ২টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রবিবার বন্ধ থাকে।

maxresdefault.jpg

চাকুরীর ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিৎ এবং ইন্টারভিউ বোর্ডের করণীয় কাজ কি কি ?

Now Reading
চাকুরীর ইন্টারভিউ বোর্ডের প্রস্তুতি কেমন হওয়া উচিৎ এবং ইন্টারভিউ বোর্ডের করণীয় কাজ কি কি ?

চাকুরী পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেটা হতে পারে সরকারী বা বেসরকারী যে কোন চাকুরীই এখন পাওয়াটা যেন সোনার হরিনের মত। প্রতিটি সেক্টরে প্রতিটি পদের জন্য হাজার হাজার আবেদনপত্র   নেওয়া হয় এবং তার মধ্য হতে তিন/ চার জন বা একজন হয়ত চাকুরীটি পায়। তো আজ আমি আপনাদের বলব কিভাবে আপনি চাকুরীর জন্য প্রস্তুতি নিবেন, যাতে করে আপনি আপনার সোনার হরিণটাকে ধরতে পারেন এবং তার জন্য কি কি করণীয় পদক্ষেপ আপনাকে নিতে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণী।

আপনাকে প্রথমে প্রচুর পড়াশুনা করতে হবে।  অর্থ্যাৎ আপনি যে বিষয়ে ইন্টারভিউ দিবেন, সে বিষয়ে আপনার আপনার আরো বেশি জানতে হবে এবং আপনার পরিস্কার একটি ধারনা থাকতে হবে। সেই জন্য  আপনাকে বই, নোটবুক এবং যদি পারেন ইন্টারনেট দেখে বেশি বেশি জ্ঞান আহরণ করতে হবে।

আপনি যে সিভি অর্থ্যাৎ বায়োডাটা বানাবেন সেটা হতে হবে সাজানো ফুলের মত। তার মানে ধরেন প্রথমে থাকবে সুন্দর একটি হাস্যজ্বল ঝকঝকে কালার ছবি। তার পর থাকতে পারে আপনার কিছু ব্যাক্তিগত তথ্যাদী যেমন আপনার নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং ঠিকানাটা  অবশ্যই হতে হবে বর্তমান ঠিকানা। সিভি যতটা সম্ভব ছোট হয় ততই ভাল তবে প্রয়োজনীয় তথ্যাদী থাকতে হবে। চাকুরী দাতারা দেখতে চান যে, আপনি কতটা দক্ষ এবং সেই জন্য সিভিতে আপনি যে কাজগুলো পারেন এবং ইতিপূর্বে করেছেন সেই সব কাজের তালিকা সংক্ষেপে দিতে হবে।

তারপরে আপনি দিতে পারেন আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার টেবিল ফরমেটে বিবরণী যেমনঃ কোথায় পড়াশুনা করেছেন? কবে পাশ করেছেন? রেজাল্ট কি? ইত্যাদী কারন চাকুরীদাতার জানা প্রয়োজন যে আপনি কতটা শিক্ষিত । এর পরে চাকুরী দাতা জানতে চায় আপনার কোন চাকুরীর অভিজ্ঞতা আছে কিনা। আপনি যদি ফ্রেশার হন সেক্ষেত্রে আপনি শুধু লিখবেন আপনি কি কি পারেন। আপনার পরিকল্পনা কি অর্থ্যাৎে আপনি কোম্পানীর জন্য কি ধরনের কাজ করতে চান এবং নিজে কি কি কাজ করেছেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরণী।

আর আপনি যদি অভিজ্ঞ হন তাহলে সিভিতে উল্লেখ করতে হবে যে, আপনার কত বছর অভিজ্ঞতা আছে, কোন কোন বিষয়ে আপনি পারদর্শী এবং আপনি কোন কোম্পানীতে কাজ করেছেন তার একটি পরিস্কার বিবরণী। উল্লেখ্য যে, যখন আপনি যখন কোন ডেটা দিবেন তখন সেটা টেবিল ফরমেটে দিলে চাকুরীদাতাদের জন্য দেখতে সুবিধা হয়। এর বাহিরে আপনি আপনার কাজের তালিকা বুলেট ফরমেটে ও দিতে পারেন। এ জন্য আপনি বিডি জবস সাইটের নির্দেশাবলীও দেখতে পারেন বা গুগলের সাহায্য নিয়ে সিভি ডাউনলোড করে দেখতে পারেন।

আপনি সিভিতে আপনার পার্সোনাল/ব্যাক্তিগত তথ্য ও দিতে পারেন। যেমনঃ আপনার নাম, বাবার নাম, মোবাইল নম্বর প্রয়োজনে ২টি, ই-মেইল, আপনার বর্তমান ঠিকানার পাশাপাশি আপনার স্থায়ী ঠিকানাও ‍ুদিতে পারেন। আপনার সিভির শেষ অংশে রেফারেন্স ব্যাবহার করতে পারেন যা অতী জরুরী একটি  বিষয় এবং যার রেফারেন্স দিবেন তাকে অবশ্যই জানিয়ে রাখবেন যে স্যার আমি আপনার নাম, পদবী, ফোন নম্বর সিভিতে দিয়েছি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ফোন আসলে যেন তিনি বলেন আমি তাকে চিনি, সে অনেক ভাল ইত্যাদি।  পারিশেষে স্ক্যান করা ডিজিটাল সিগনেচার অথবা অরিজিনাল সিগনেচারও সিভেতে  দিতে পারেন।

ইন্টারভিউ দেওয়ার আগে আপনার পড়াশুনার  প্রস্তুতি ভাল নেওয়ার পাশাপাশি আরো কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমনঃ আপনার আয়রন করা জামা কাপড়, ঘড়ি, মোবাইল, কাগজ, ২টি কলম যাতে করে একটি কলম শেষ হলেও অন্য কলমটি আপনার ব্যাকআপ হিসাবে কাজ করে।

আপনি একটি সুন্দর টাই  এবং কোটও রেডি রাখতে পারেন। তবে অনেকে কোট না পড়ে শুধু টাই পরেন। অনেকে মনে করে কোট পড়লে চাকুরীদাতারা ইন্টারভিউতে ওভার স্মার্ট মনে করতে পারেন তাই কোটটি এডিয়ে চলতে পারলে ভাল। এছাড়াও গরমের সময় আপনি কোট পড়লে ঘেমে যাবেন। তবে সবাই যদি কোট টাই পরে তাহলে আপনি পড়তে পারবেন না কেন ? পদবী যদি বড় হয় সেক্ষেত্রে পরতে পারেন। অর্থ্যাৎ আপনাকে পরিস্থিতি বুঝে কাজ করতে হবে। আইটি পদের জব হলে আপনার প্রজেক্টটি আপনি পেন ড্রাইভে অথবা ডিভিডিতে রাইট করে নিতে পারেন। অনেকের প্রজেক্ট গুলো নেটে আপলোড করে ও দেখাতে পারেন। অথবা আপনি গুগল ড্রাইভে প্রজেক্ট রেখেও দেখাতে পারেন।

ইন্টারভিউ বোর্ডে যাওয়ার কমপক্ষে ১/২ ঘন্টা আগে আপনার সঠিক লোকেশনে পৌঁছাতে হবে এবং তার জন্য আপনার ঘড়ি দেখে বাসা থেকে বের হতে হবে। আপনি সঠিক সময়ে যেতে পারেন কিনা সেটাও ইন্টারভিউ এর একটি অংশ। আপনাকে যখন তারা ডাকবে ঠিক তখনই আপনার যেতে হবে। দেরী করলে মোটেও চলবে না। ইন্টারভিউ এর আগের দিন আপনি সেই কোম্পানীতে একদিন যেয়ে তাদের ড্রেসকোড দেখতে পারেন। কোম্পানীতে কর্মরত লোকজনের সাথে কথা বলে দেখতে পারেন যে কোম্পানীটি কেমন এবং সেলারি কেমন দেয় ইত্যাদী।

ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢুকবার আগে অবশ্যই আপনার মোবাইল ফোন অফ রাখতে হবে। অনুমতি নিয়ে সালাম দিয়ে আদবের সাথে ইন্টারভিউ বোর্ডে ঢুকতে হবে। তারা বসতে বললে বসবেন। তারা যদি বাংলায় প্রশ্ন করে তাহলে বাংলায় উত্তর দিবেন আর তারা যদি ইংরেজীতে প্রশ্ন করেন তাহলে ইংরেজিীতে উত্তর দিবেন কিন্তু তার আগে একটু প্রস্তুতি নেওয়া দরকার । আর ইংরেজী না পারলে বলবেন আপনি ইংরেজী বুঝছেন কিন্তু বলতে একটু সমস্যা আছে। বাংলাতে প্রশ্ন করলে আমার জন্য উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

আপনি প্রাথমিক ভাবে সে সকল প্রশ্নের উত্তর আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন সেই প্রশ্নগুলো হলোঃ

আপনার নিজের সম্পর্কে বলুন, আপনি কেন আমাদের সাথে কাজ করতে চাচ্ছেন। অর্থ্যাৎ আপনাকে তাদের/কোম্পানীর সাইট থেকে তাদের সম্পর্কে আগে থেকে জানতে হবে। তারা কিকি কাজ করে তাদের কোম্পানীতে কত জন লোক আছে। কার পদবী কি এবং কোম্পানীর মালিকের নাম কি ইত্যাদী।

আপনি যদি কোন প্রশ্নের উত্তর না জানেন তাহলে বলবেন সঠিক উত্তরটি আমার জানা নেই তবে বর্তমান ইন্টারনেট থেকে জেনে আপনাদের জানাতে পারবো। যদি লিখিত পরীক্ষা হয় তাহলে আপনাকে জানতে হবে এর পর ইন্টারভিউ আজকেই হবে কিনা এবং পরীক্ষার ফলাফল কবে দিবে ইত্যাদী। বেতনের কথা বললে বলবেন আমি আসলে জানতে চাই আমার পদের জন্য আপনাদের কোম্পানীতে কত বেতন দেওয়া হয়।  একবারে কম বেতন বলবেন না আবার অনেক বেশী বেশী বেতন ও চাবেন  না। আবার এইরকম ও বলা ঠিক হবে না যে আপনারা যা দেন তাই। তখন ওনারা আপনাকে হয়তো বলবে আমরা যদি প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা দেই তাহলেও কি আপনি চাকুরী করতে  রাজি আছেন?  ইন্টারভিউ শেষে সবাইকে সালাম দিবেন।

জিমে ব্যায়াম করা জরুরী কিন্তু কিভাবে শুরু করা উচিৎ?

Now Reading
জিমে ব্যায়াম করা জরুরী কিন্তু কিভাবে শুরু করা উচিৎ?

বাস্তবে ব্যায়াম বলতে শারীরিক পরিশ্রমকেই বুঝি্ যা হতে পারে বাসায় অথবা জিমে । বাসাতে ব্যায়াম করাটা একটু কঠিন কারন প্রতিটি জিনিসের একটি পরিবেশ লাগে, আর সে পরিবেশ হতে পারে জিমে । জিমে ব্যায়াম করার জন্য আপনাকে কয়েকটি জিনিস মেনে চলতে হবে। প্রথমতঃ ওয়ার্ম আপ (শরীরকে গরম করা) যা আপনার অতি জরুরী একটি বিষয়। ব্যায়ামের শুরুটা হওয়া উচিৎ খুবই হালকা ব্যায়াম। যেমন সাইক্লিং বা ওয়াকিং বা রানিং বেশী জোড়ে নয় অথবা উঠা বসার মত ব্যায়াম। আমি আপনাকে প্রথমে পুশ আপ বা বুক ডন করতে বলব না কারনে হঠাৎ বুকডন করলে আপনার ঘাড়ে ব্যাথা হতে পারে অথবা কাঁধে ব্যাথা হতে পারে অথবা হাত মচকাতে পারে যার প্রমান আমি নিজেই যদিও আমার বয়স একটু বেশী। বিশেষ করে ফ্লোরে বুক ডন বা পুশ আপ পরে করলেও চলবে আগে ওজন কমান । আসলে জিমে ব্যায়ামের জন্য উপযুক্ত বয়স হচ্ছে ১৮ থেকে ৪০ । তবে এর বেশী বয়সে ক্ষেত্রে রুটিন মাফিক ব্যায়াম করতে পারেন।

ওজন কমাতে হলে আপনাকে দৌড়াতে হবে সেটা রানিং মেশিন দিয়েও হতে পারে অথবা পার্কেও হতে পারে। দড়ি লাফ ও দিতে পারেন । ব্যায়াম করার জন্য সবচেয়ে ভাল সময় হচ্ছে সকাল তবে যারা সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারেন  না অথবা অফিস করেন তাদের জন্য সবচেয়ে ভাল সময় হচ্ছে সন্ধ্যা যদিও সারাদিন কাজ করে অনেক ক্লান্ত লাগে, কোন কিছু অতিরিক্ত কাজ করাটা অনেক কঠিন মনে হয়। কিন্তু ইচ্ছা থাকলে সবই সম্ভব।

আপনি জিম এ যেতে পারেন কোন সমস্যা নেই কিন্তু প্রথমে গিয়েই ভারী কোন ওজন নিবেন না তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে । সবসময় ইন্সট্রাক্টরের রুটিন অনুযায়ী ব্যায়াম করবেন। আপনি জিমে গেলে দেখবেন খুব ভাল ফিগার, স্লিম বডি এবং খুব ভাল বাইসেপ যাকে আমরা বাহির হতে দেখি হাতের পেশি শক্তি হিসাবে কিন্তু আপনি কি জানেন তার এই বডি বানাতে কত সময় লাগেছে । সেকি প্রতিদিন মাংশ খায় কিনা প্রশ্ন করে দেখতে পারেন । আসলে সে দেখবেন মাংশ কম খায় আর ফলমূল এবং সবজী বেশী খায়। ভাত কম খায় আর সবজী বেশী খায়। এভাবে অনেক রুটিন মেনে চলে বিধায় তার ফিটনেস অনেক সুন্দর।

আপনি প্রথমে ৩ মাস তিন কেজী ওয়েট নিতে পারেন আপনার চেষ্ট, বাইসেপ এবং ট্রাইসেপের জন্য। কিন্তু আপনি মনে রাখবেন বাংলাদেশের বেশীর ভাগ জিম এ ইন্সট্রাক্টররা ঠিক মত দেখে না যদিও সব জায়গায় একই রকম হয় না। তবে আপনাকে তাদের বেশী বেশী প্রশ্ন করতে হবে। কোন ব্যায়াম কিভাবে করতে হবে তা ইন্সট্রাক্টররা দেখিয়ে দিবেন এবং সেটা ওনাদের দ্বায়িত্ব  । আপনাকে যে রুটিন তারা দিবেন ঠিক সেই ব্যায়ামটি আপনাকে করতে হবে। অন্যেরা কি ব্যায়াম করে তা আপনি শুধু দেখতে পারেন কিন্তু ভুলেও করবেন না । করলেই আপনার উপর বিপদ নেমে আসতে পারে, এমনটি আপনার রগ ছিঁড়ে বা হাড়গোড় ভেঙে হসপিটালে ভর্তি হতে পারেন। তাহলে আপনার জিমে গিয়ে লাভ না হয়ে বরং ক্ষতি হলো। আর এর জন্য আপনিই দ্বায়ি ।

মানুষের অনেক ধরনের টার্গেট থাকে যেমন কেউ মনে করেন আমি বডি বিল্ডার হব আবার কেউ মনে করেন আমি সুন্দর টেষ্ট বানিয়ে বন্ধুদের দেখাব আর কেউ মনে করেন আমি মাস্তানী করব। শক্তি হলেই শক্তির প্রয়োগ করতে হবে এটা ঠিক নয় তাছাড়াও সবসবয় মনে রাখবেন পেশী শক্তিই আপনার আসল শক্তি না। আসল শক্তি হলো বুদ্ধি করে ঠান্ডা মাথায় কাজ করা এবং বলা।

যাদের বয়স কম তাদের বলি হয়ত শুনতে ভাল লাগবে না তা হচ্ছে আপনি জিমে যাবেন ব্যায়াম করবেন ঠিক আছে কোন সমস্যা নাই কিন্তু পড়াশুনাটা ভাল মত করুন। কারন জিমে যাওয়ার সময় আপনি জীবনে অনেক পাবেন কিন্তু পড়াশুনা করার সময় আপনি হয়ত আর নাও পেতে পারেন।

যাহোক মানুষ ভুল করে এবং সেই ভুল হতে শিক্ষা গ্রহন করে আবার ব্যাস্ত সময় পার করে এটাই মানুষের জীবনের ইতিহাস।  জিমে ব্যায়াম করতে হলে আপনাকে কমপক্ষে ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম করতে হবে । আপনাকে কিছু জিনিস সঙ্গে রাখতে হবে তা হলো একটি বড় বা মাঝারী সাইজের বোতলে এক বোতল বিশুদ্ধ খাবার পানি, একটি বড় তোয়ালা এবং একটি বা দুইটি টি  শার্ট কেন তা বলি, একটি টি শার্ট  আপনি পরে ব্যায়াম করবেন আর একটি আপনি ব্যায়ামের পর পড়ে বাসায় ফিরে আসবেন কারন  প্রথম ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার পর আপনার শরীরে ঘাম হবে এর তার জন্যই দুটি টি শার্ট এবং একটি হ্যান্ড গ্লাপস থাকলে ভাল হয় যাতে আপনি যে ওজন তুলবেন সেই  হ্যান্ড গ্লাপসটি আপনার সাপোর্ট হিসাবে ব্যাবহার হতে পারে।

যাদের পেট বড় অথ্যাৎ চর্বি জমেছে তাদের জন্য কিছু পেটের ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন সাইক্লিং, জগিং, ফি হ্যান্ডেএক্সারসাইজ মানে সহজ ব্যামগুলো করতে পারেন। জিমে আপনি আপনার বন্ধুর সাথে পাল্লা দিয়ে ব্যায়াম করার দরকার নাই । একজন হয়ত বললো কিভাই শুধু সাইক্লিং আর জগিং ই করবেন আর কিছু করবেন না । আপনি উত্তরে শুধু হাসবেন  এবং বলবেন সময় হলেই করব কোন রিয়াক্ট করবেন না বা তাদের মত ব্যায়াম করতে যাওয়ার দরকার নাই।

একটি কথা খুব দরকারী যে, যাদের শরীর গঠনের জন্য ব্যায়াম করছেন এবং টার্গেট হচ্ছে বডি বিল্টার হবেন তাদের কিন্তু বেশী খেতে হবে শুধু সবজি খেলে পেশী হবে তবে সেই রকম দৃশ্যমান হবে না যেটা মানুষ চায় । পরিশেষে বলতে চাই আপনার জিমে যেতেই হবে এমন কোন কথা নাই তবে চাইলে আপনি হয়ত একদিন বড়  বডিবিল্ডার হতে ও পারেন । তবে খুব সাবধান আমি বারবার বলছি কারো সাহায্য নিয়ে ব্যায়াম করবেন না যা অনেকেই করে যেমন ওয়েটটি তুলতে পারছেন না আপনি ডাক দিলেন এই ভাই একটু ধরেন তো,  আপনি যতটুকু ওজন নিতে পারবেন বলে মনে করেন ঠিক ততটুকু নিবেন তার বেশী নয়।

কোম্পানীর জন্য নতুন কনসেপ্ট পেপার মানে নতুন প্রকল্প তৈরীর কৌশল

Now Reading
কোম্পানীর জন্য নতুন কনসেপ্ট পেপার মানে নতুন প্রকল্প তৈরীর কৌশল

নতুন একটি কনসেপ্ট বা ধারনা দেয়া প্রকঅফিসারদের কাজ। অফিসে নতুন নতুন কাজ বা প্রকল্প দিতে পারলে ম্যানেজমেন্ট আপনার উপর খুশি হতে পারে। কারন নতুন কিছু করাই তরুনের কাজ। কাজটাকে কাজ হিসাবে না নিয়ে খেলা হিসাবে নেওয়া যায়।

যাহোক এখন শুরু করা যাক। প্রথমে একটি এক্সিকিউটিভ সামারী থাকে। এক্সিকিউটিভ সামারীতে থাকে  প্রজেক্টটি কি হবে মানে প্রকল্পের কাজটি কি এবং কি কারনে এই প্রজেক্টটি দরকার। কেন আমি প্রজেক্টটি বানাব এবং এই প্রকল্পের সল্পমেয়াদী এবং ভবিষ্যৎ সম্ভবনা কি হবে ইত্যাদী ইত্যাদী।

এখন ধরে নিলাম আমার উপরের সব বিষয় এর উত্তর পেয়ে গেলাম। এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে।

এখন আমরা যেটা করতে পারি তা হলো প্রকল্পসন্মন্ধে বিস্তারিত আলোচনা এবং সমালোচনা। যেমন প্রজেক্টটি কি? প্রকল্পএর লোকেশন কোথায় হবে এবং প্রকল্পের ভীতরে কি কি জিনিস বা প্রযুক্তি প্রয়োজন হবে ইত্যাদী।

প্রকল্পের টার্গেট  জনগোষ্ঠী কারা এবং তাদের বয়স কত বছর এবং তারা ছেলে না মেয়ে তা সম্পর্কে কিছু আলোচনা করা দরকার। যদি শিক্ষা বিষয়ক কিছু হয় তা হলে তাদের পাশের হারটাও জানা দরকার।  এই প্রকল্পশুরু করলে সরকারের নির্ধারিত নীতিমালা মেনে চলতে হবে কিনা তাও জানা দরকার।

প্রজেক্টটি শিক্ষা প্রকল্প ও হতে পারে। যদি শিক্ষা বিষয়ক হয় তাহলে জানতে হবে প্রতি বছর কত জন ভর্তি হয়, পাশের হার কত এবং ড্রপআউট এর হার কত তাও জানা দরকার।  সেই সংখ্যা গত পাঁচ বছরের হিসাব ও হতে পারে।  ড্রপ আউট কিন্তু পরীক্ষায় ফেল এর কারনেও হতে পারে। অথবা পড়াশুনা ছেড়ে চলে যাওয়াও হতে পারে।

প্রকল্পটি যদি শিক্ষা বিষয়ক হয় তাহলে পাশ করার পর চাকুরীর নিশ্চয়তা আছে কিনা। চাকুরী দেয়ার দ্বায়ীত্ব কার এবং চাকুরীর গ্যারান্টি কত টুকু তাও বিস্তারিত আলোচনা করা দরকার। মানে প্রকল্পের ফলাফল কি হবে তার একটি ওভারভিউ দিতে পারলে ভাল হয়।

প্রকল্প এর নির্দেশনা এবং পদ্ধতি বা নিয়ম কানুনগুলো পর্যায়ক্রমে দিতে হবে। যেমনঃ প্রথমে থাকবে প্রকল্পের নাম, তারপর থাকবে প্রকল্পের দাতা সংস্থা কারা অথবা কিভাবে কার থেকে  টাকাটা নিব। পরবর্তীতে দিতে হয় এই প্রকল্পটি দাঁড়ালে কারা সুবিধা হবে অথ্যাৎ আমাদের লক্ষ্য অনুযায়ী সুবিধাভোগকারীরা টাকা পাবে কিনা তার নিশ্চয়তা। এর পর দিতে হবে আমাদের লক্ষ্য অনুযায়ী জনসংখ্যাবৃদ্ধির হার একই রকমভাবে  আগামী ৫ বছরের হিসাব পর পর আলোচনা করা থাকলে ভাল হয়। পরবর্তীতে থাকতে পারে কোন কোন খাতে টাকা দিতে হবে অথবা প্রকল্পের খাতওয়ারী খরচের হিসাব দিতে হবে।  কতদিন পর পর টাকা কত দিতে হবে তার একটি হিসাব থাকতে পারে।

প্রজেক্টটি চালু রাখতে হলে কি কি দরকার এবং তার পরিমান কত তারও একটি ধারনা দিতে হবে। শিক্ষা প্রকল্পহলে পরীক্ষায় কত পেতে হবে বা কত পেলে আমাদের প্রকল্পে চলমান থাকবে তার একটি ধারনা থাকা দরকার।

প্রতি বছর প্রকল্প চালানোর জন্য কত লোকবলের প্রয়োজন তা পরিষ্কার ভাবে বলা থাকতে হবে। প্রকল্পে সফলতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং তাকে মোকাবেলা করতে হলে প্রকল্পের সফল হবে কিনা তার একটি পরিস্কার গাইডলাইন থাকতে হবে। তা না হলে প্রকল্পসফল হওয়াটা  কঠিন হবে।

প্রকল্পসফল হতে হলে দরকার  সঠিক সিদ্ধান্ত এবং একতা বদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া আরো দরকার কঠোর পরিশ্রম এবং সাহস।  যেকোন প্রকল্পদাড় করাতে বাজেট দরকার আর দরকার একটি সঠিক সিদ্ধান্ত তথ্যাৎ ব্যতীক্রম পদক্ষেপ, সঠিক নীতিমালা এবং কাজ এর পরিকল্পনা।

শিক্ষামূলক কোন প্রকল্পহলে দেখা দরকার শিক্ষার নীতিমালা সরকারী নীতিমালার সাথে মিলছে কিনা। প্রকল্পের কাজ কি এবং প্রকল্পের সাথে কে কে যুক্ত আছেন বা করা ভবিষ্যতে থাকবেন এবং যে জনবল আমরা নিয়োগ দিয়েছি তারা ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করা আশু প্রয়োজন আর তা না হলে প্রকল্পকরে খুব একটি লাভ হবে না। প্রজেক্টটি মানুষের কল্যানের জন্য হলে আসল মানুষ লাভবান হচ্ছে নাকি অন্যের পকেটে টাকা চলে যাচ্ছে তাও দেখা দরকার।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা যে সারাংশ পেলাম তা হলো নিম্নরুপঃ

প্রথমে থাকে একটি প্রকল্পের সারাংশ সেখানে বিস্তারিত থাকে প্রকল্পের বিস্তারিত বিবরণী।   প্রকল্পের বিষয়বস্তু সহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে কারা সুবিধা পাবে এবং প্রকল্প করে কি লাভ হবে তার বিস্তারিত বিবরণ প্রথম অংশে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। তার পরে হয় প্রকল্প বাস্তবায়ন এলাকাসমূহ এবং কোন এলাকায় কি কাজ হবে তার বিস্তারিত বিবরণী সাথে কে কোন কাজ করবে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণী টেবিল আকারে দিলে ভাল হয়।

আরো থাকতে পারে প্রজেক্টের পারফরম্যান্স এবং গত পাঁচ বছর এ শিক্ষা ক্ষেত্রে পাশের হার অন্যান্য ক্ষেত্রে সম্ভবনার ক্ষেত্র। কোন কোন ক্ষেত্রে কোঠা আছে কিনা এবং সরকারী নীতিমালা আছে কিনা তাও দেখা দরকার।  সাথে থাকতে পারে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা মানে করে আসলে লাভ হবে নাকি ক্ষতি হবে তার আলোচনা। কি কি কারনে প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করা দরকার এবং প্রকল্পের প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিট এ কত টুকু সময়ের ভিতরে কার কি কাজ তা বিস্তারিত ভাবে থাকা উচিৎ।  প্রজেক্ট এ প্রতি বছর কাজগুলো সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা এবং সময় মত কাজ হচ্ছে কিনা তা থাকা বেশি জরুরী।

সবশেষে, প্রজেক্ট হলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশী হচ্ছে কিনা তা থাকা অত্যাবশ্যক।