স্মার্ট ফেসবুকের ব্যবহার

Now Reading
স্মার্ট ফেসবুকের ব্যবহার

ফেসবুক ব্যবহার করে না এখন এমন কোন মানুষ পাওয়া যাবে না। ফেসবুক বযবহারকারীর সংখ্যা কয়েক বিলিয়নের মত। কাজেই ফেসবুক হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বলাই যায়। এর এই মহান জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে অনেকে তাদের ন্যক্কারজনক পণ্য বা প্রকল্প আপনার টাকা খরচ করে ব্যবহার করা ফেসবুক এর বাজারে ছড়িয়ে দেয় যা আপনার হোম পেইজ ভরিয়ে দেয়া সহ আরও কত কি করছে !!

ফেসবুকের অপব্যবহার করা মোটেও উচিত নয়। কারণ এগুলোর মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহারের ইচ্ছেটাই নষ্ট হয়ে যায়। ফেসবুকে কিছু জিনিস মেনে চললে ফেসবুক অনেক শান্তির জায়গা হবে অন্যথায় এটা ব্যবহারে অনিচ্ছা প্রকাশ করবেন। কারণ কোন জিনিস একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় হওয়া ভাল। এই মাত্রা অতিক্রম করলে তা অসহ্যকর করে ফেলে। এরকম কিছু বিষয় হচ্ছেঃ

১। এটা হচ্ছে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের একটি কমন অসুখ। তারা কোন গ্রূপ খুলে ফেললেই চিন্তা করে কিভাবে তাদের সদস্য বাড়াতে পারবে। কাজেই শুরু করে যুক্ত করা। কারো ইচ্ছা জানারো দরকার পড়ে না। এটা বেশির ভাগ মানুষ এর ক্ষেত্রে ঘটে। যাদের ফ্রেন্ড লিস্টে অপরিচিত বন্ধু আছে তারা বেশি ভুগেন এই সমস্যায়। প্রায় প্রতিদিনই একটা গ্রূপে যুক্ত হয়ে যান আপনার ইচ্ছা অনিচ্ছার গুরুত্ব না দিয়েই। আপনিও নিশ্চয় চান না যে আপনি ফেসবুক ব্যবহার করার সময় আপনার নোটিফিকেশন বারে কিছুক্ষন পর পর লাল বাতি জ্বলুক তাও আবার ওই গ্রূপের এর আপডেট এর কারণে।

২।যারা নতুন ফেসবুক ব্যবহার করে তারা যখন ছবি আপলোড করে দেখা যায় তখন সাথে নজরে পরে সাথে ২০-৩০-৫০-১০০ জনকে ট্যাগ করা। শুধু নতুন রাই তো না পুরাতন ব্যবহারকারীরাও কাজটি করছে। বিষয়টি খুবই কষ্ট জনক। আপনি আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট এ যাদেরকে একেবারেই চিনেন না তাদেরকে আপনার ফটোতে ট্যাগিং করা বন্ধ করুন। যখন আপনার বন্ধুকে আপনি একটি ফটো ট্যাগ করেন তখন এমন একটি ফটো হওয়া আবশ্যক যেখানে ওই বন্ধুর ছবি আছে। অনেকে দেখা যায় মানুষকে দেখানো বা হাসানোর জন্য মজার বা এমনি কোন ফটো লিস্টের সব ফ্রেন্ড কে উদ্ধার করে ফটো তে ট্যাগ দেন। এটা অস্বাভাবিক! আপনি এই কাজ করতে গিয়ে কিছু মানুষ কে বিরক্ত করছেন নিজের অজান্তেই।

৩। অনেক মানুষ কে এমনটা করতে দেখা যায়ঃ ধরুন,সে নিজে নতুন কেনা কাপড় এর ছবি তুললেন আর তা এফবি তে শেয়ার করলেন, কিছুক্ষন পর সে নিজেই তার ছবিতে লাইক দিল। অনেকে তার নিজের ছবিতে লাইক দেয় নিউজ ফিডে  তার ছবি সবার সামনে আস্তে অথবা মানুষকে দেখাতে যে এই ছবি বেশি লাইক পেয়েছে। আপ্নি যখন নিজের ছবি শেয়ার করেন তখন স্পষ্টই আপনার কাছে তা পছন্দনীয় বলেই আপনি তা শেয়ার করলেন আর যখন আপনি নিজেই ওই ছবিতে লাইক দেন তখন আপনি লাইক পেতে ব্যাকুল যা আপনার হিনমন্নতার বহিপ্রকাশ। এমন কাজ কেও করবেন না যা অন্যদের কাছে অস্বাভাবিক।

৪। ফেসবুকে মেসেজ পাঠানো যায় যাকে অনেকে বলে থাকেন চ্যাটিং। অনেকে বার্তা প্রেরন করার সময় অনেক মানুষকে ওই বার্তাই যুক্ত করে।বার্তা প্রেরণে অনেক মানুষকে যুক্ত করা বন্ধ করুন যদি তারা আপনার ঘনিষ্ঠ না হয়। এটা করলে গ্রাহক ওই প্রেরক এর প্রতি বিরক্ত হয় এবং বার্তাকে গুরুত্ব দেয় না। যদি এমন কিছু বলার থাকে যা সবাইকে বলা প্রয়োজন তাহলে আলাদা আলাদা ভাবে সবাইকে তা প্রেরন করুন।

৫। ফেসবুক পেজ খুলেছেন তো গ্রূপের মত আবার ইনভাইটেশন পাঠানো শুরু। এভাবে মানুষকে বিরক্ত করা ছাড়া কোন কিছুই না। ফেসবুকের পেজ খোলা ভালো। তবে সেটাকে ভালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে। তবেই না এটার সঠিক ব্যবহার হবে। তবে কেনো এটা দিয়ে অন্য মানুষের চোখে বিরক্তির পাত্র হওয়া!

৭। আজকাল অ্যাপের ছড়াছড়ি ফেসবুকে। সেই সাথে নানা ধরনের গেমও দেখা যায় সেখানে। এগুলোর মাধ্যমে বাড়তি কিছু সার্ভিস পাওয়া যায় বা বোনাস পাওয়া যায়। এগুলো বিজ্ঞাপন ছাড়া আর কিছুই না। স্লো নেট এর যা অবস্থা তাতে ৮০% নেট ব্যবহারকারীর পক্ষে এইসব গেম খেলা অসম্ভব। এছাড়া এই দেশে অধিকাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী মোবাইল দিয়ে তা ব্যবহার করেন,সেখানে অ্যাপ রিকুয়েস্ট পাঠানোর আগে চিন্তা করা উচিৎ যাকে রিকুয়েস্ট পাঠালেন সে আসলে ওই অ্যাপ বা গেম খেলার মত স্পীড নেট ব্যবহার করে কিনা,তা না হলে আপনার পাঠানোটা পুরাই বৃথা।

৮। মূলত এই সাজেস্ট করার সেবা ত্খন ব্যবহার করা উচিৎ যখন আপনি এমন দুজন বন্ধুকে চেনেন যারা ফেসবুকে একে অপরের বন্ধু লিস্ট এ নাই(যদিও তারা একে অপরের বন্ধু) সেই খেত্রে। কিন্তু বর্তমানে অনেকে অপরিচিত অনেককে সাজেস্ট করে থাকেন যা অনেক  স্পামাররা করেন। এতে করে তারা ওই ভিক্টিম এর একাউন্ট এ প্রবেশের প্রথম ধাপ সম্পন্ন করে। যাকে সাজেস্ট করলেন সে মনে করতে পারে আপনি অন্য কোন উদ্দেশে এই কাজটি করছেন যদি সে আপনাকে না চিনে। অনেকেই তাই এই কাজ অন্যদের করতে বারণ করেন এবং নিজেও অপছন্দ করেন।

 ফেসবুক চালাতে কারো কোন বাঁধা নেই তবে এই জিনিসগুলো যদি এড়ানো যায় তাহলে ফেসবুকের প্রতি অতৃপ্তি চলে আসবেনা। অনেকে এভাবে অনেক সমস্যায় পড়ে যান। বিশেষ করে মেয়েরা। কাজেই অল্প কিছু জিনিস মেনে চলা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপিং- পর্ব ২ (ডিজাইন)

Now Reading
ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপিং- পর্ব ২ (ডিজাইন)

ওয়েব ডিজাইন!

ওমা সেতো অনেক কঠিন কাজ!

আমার দ্বারা হবেনা!

কিছুনা এমনই আমাদের অনেকের ধারনা। আসলে কি জানেন যতটা কঠিন ভাবছেন ডিজাইনিং ততোটা কঠিন নয়। ডিজাইন তুলনামূলক অনেক সহজ। এর জন্য দরকার আপনার মনকে স্থির করা এবং আপনাকে চিন্তা করতে হবে যে আপনি কি প্রস্তুত? আপনি যদি মনে করেন আপনি প্রস্তুত তবে আপনার দ্বারাই হবে এটা শেখা। আপনাদের সাথে আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে আমার প্রচুর আগ্রহ ছিল স্কুল থেকে। আমি শুধু খুঁজতাম কোন প্রতিষ্ঠান কত তাড়াতাড়ি শিখিয়ে দিতে পারবে। এমন সময় উত্তরায় একটা প্রতিষ্ঠান এর খোঁজ পাই যাদের একটা ব্যানার দেখতে পাই যে তারা  সপ্তাহে ওয়েব ডিজাইন শিখিয়ে দিবে। সত্যি কথা বলতে আমি কিছুই জানতাম না এ সম্পর্কে। ওখানে গিয়ে সুন্দর মত টাকা দেওয়ার পর কিছু নরমাল জিনিস শিখিয়ে বিদায় করে দেয়। আমি সুন্দর মত চলেও আসি। বুঝতে পেরেছিলাম পুরো টাকাটাই জলে গেলো আমার। বাংলাদেশে আমার মত প্রতারিত হচ্ছেন অনেক মানুষই। কিন্তু আপনারা এসকল প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিচ্ছেন কেন? কারন হচ্ছে খুঁজে খুঁজে শেখাটা অনেকটা কষ্টকর তাই। কিন্তু কষ্ট করে শেখার মাধমে যে শিক্ষাটা পাবেন সেটা আপনার জন্য কি পরিমাণে উপকারি তা সময় আপনাকে বলে দিবে। কাজেই আপনাদের জন্য আমি বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লিংক সহ আর্টিকেলটি বানাচ্ছি। আশা করছি আপনাদের একটু হলেও কাজে লাগবে।

আমি আমার ধারাবাহিক আর্টিকেলের দ্বিতীয় পর্বের এ পর্যায়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো ডিজাইনিং সম্পর্কে এবং আপনারা কিভাবে বাসায় বসে এটা আয়ত্তে আনতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইনিংয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জিনিস হচ্ছেঃ HTML, CSS, HTML5, CSS3, PHOTOSHOP BASIC, JAVA SCRIPT, JQUERY.

দরকার পড়বে ২টি সফটওয়্যার এর। নোটপ্যাড++ এবং অ্যাডোব ফটোশপ।

এখন এই নামগুলো দেখে মনে হতে পারে এগুলো আবার কি! এখন জেনে নেওয়া যাক এগুলো সম্পর্কে কিছুটা আলোচনাঃ

            HTML

HTML এর পূর্ণ রুপ HyperText Markup Language । অনেকেই এটিকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলে ভুল করে থাকবেন । এটি কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয় । এটি একটি মারকাপ ভাষা । মারকাপ এমন একটি ভাষা যা কিছু ট্যাগ ব্যবহার করে ওয়েব পেজ গঠন করে । এগুলো মানুষ পড়তে পারে । প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর মত হাবিজাবি হ-জ-ব-র-ল ভাষা না । এগুলো তে কিছু পরিচিত শব্দ ব্যবহার করা হয় । এইচটিএমএল কে ওয়েবপেজ এর কংকাল বলা হয় । এটি ওয়েবপেজ এর গঠন তৈরি করে ।

সহজে শেখার জন্য আপনাদেরকে কিছু রিসোর্স এর ব্যবস্থা করছি যার দ্বারা আপনারা অনেক সহজে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

 টিউটোরিয়াল

RR Foundation >https://www.youtube.com/user/rrfdhaka

BD Geeks> http://bdgeeks.com/videos/topics/html/

HTML Ebook> https://www.dropbox.com/s/5z4ln0ncfwus84g/html%20bangla%20ebook.pdf

W3school> https://www.w3schools.com/html/

Webcoach> http://www.webcoachbd.com/html-tutorials

Codeacademy> www.codeacademy.com

CSS

একটা সময় ছিল যখন শুধুমাত্র HTML দিয়েই একটি ওয়েব সাইটের ডিজাইন করা হতো । সে সময়ে ডিজাইন বলতে একটা ওয়েব পেজের বিভিন্ন ফন্ট এর কালার, সাইজ, টেবিলের বিভিন্ন সেলের কালার, পুরো পৃষ্ঠার ব্যাকগ্রাউন্ড কালার, এবং প্রয়োজনীয় ইমেজ সংযোজনকে বোঝানো হতো। এবং প্রতিটা পেজের প্রতিটা উপাদানের জন্যই আলাদা আলাদাভাবে কালার, সাইজ নির্ধারণ করতে হতো। যা ছিল একটা জটিল প্রক্রিয়া, এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার । বর্তমানে যদি একটা ওয়েব সাইটে ১০০০ বা এর অধিক একই ধরনের পেজ থাকে তাহলেও একটি মাত্র CSS স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে ডিজাইন সম্পূর্ণ করা হয়।

 টিউটোরিয়াল

আর আর ফাউন্ডেশন আর বিডি গিক্স এর লিঙ্ক গুলো উপরে দেওয়া আছে সেখানেই পাবেন।

Ebook> http://www.mediafire.com/file/roaic1oe4gxi4zj/CSS+bangla+e-book+by+faruk.zip

W3school> https://www.w3schools.com/css/default.asp

Webcoach> http://www.webcoachbd.com/css-tutorials

Codeacademy> www.codeacademy.com

HTML5

HTML 5 হচ্ছে HTML এর একটি নতুন ভার্সন । এতে নতুন অনেক সুবিধা যোগ করা হয়েছে । কিছু লিঙ্ক একসাথে দিচ্ছি নিচে । সেগুলো থেকেই শিখতে পারবেন ।

W3school> https://www.w3schools.com/html/default.asp

freebanglatutorial> www.freebanglatutorial.com

CSS3

CSS 3 হচ্ছে CSS এর একটি নতুন ভার্সন । এতে অনেক নতুন এবং দারুণ সুবিধা যোগ করা হয়েছে ।

W3school এর কিছু টিউটোরিয়াল দেখলে এটি পরিষ্কার হয়ে যাবে আপনার কাছে।

Photoshop

ওয়েব ডিজাইন এর জন্য ফটোশপ এ বেসিক জ্ঞান থাকা জরুরী । ছোট খাটো কাজের জন্য আপনাকে ফটোশপ জানতে হবে । তবে খুব ভালো জানা লাগবে এমন কোন কথা নয় । বেসিক শেখার জন্য রিসোর্সঃ

RR Foundation> https://www.youtube.com/user/rrfdhaka

BD Geeks> http://bdgeeks.com/category/%E0%A6%AB%E0%A6%9F%E0%A7%8B%E0%A6%B6%E0%A6%AA/

Webcoachbd> http://www.webcoachbd.com/photoshop-basic

Javascript

এটি একটি স্ক্রিপটিং ভাষা । এটিকে ব্রাউজার এর ভাষা ও বলা হয় । জাভাস্ক্রিপ্ট শিখলে আপনি চলে যাবেন ওয়েব ডিজাইন এর একটি নতুন অধ্যায় এ । ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই জাভাস্ক্রিপ্ট শিখতে হবে । নিচে শেখার কিছু পথ দিয়ে দিচ্ছিঃ

BD Geeks> http://bdgeeks.com/videos/topics/javascript/

Webcoachbd> http://www.webcoachbd.com/javascript-tutorials

W3school> https://www.w3schools.com/js/default.asp

jQuery

jQuery একটি জাভাস্ক্রিপ্ট লাইব্রেরী । জেকুয়েরি আপনার ওয়েবসাইট এ জাভাস্ক্রিপ্ট এর ব্যবহার সহজ করে দেয় । জেকুয়েরি হচ্ছে “কথা কম কাজ বেশি” টাইপ এর লেঙ্গুয়েজ । যে প্রোগ্রাম টি করতে আপনার ১০০ লাইন এর জাভাস্ক্রিপ্ট লিখতে হবে, জেকুয়েরি দিয়ে আপনি সেটা এক লাইন এ করতে পারেন । আপনি যদি জাভাস্ক্রিপ্ট পারেন, তবে জেকুয়েরি শেখা আপনার জন্য সহজ হবে । জেকুয়েরি শিখতে হলে আপনাকে এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট জানতে হবে । শেখার পথ চিনিয়ে দিচ্ছি, শেখার কাজ টুকু আপনার জন্য রইলঃ

w3schools, webcoachbd, bdgeeks.com, freebanglatutorial.com থেকে আপনারা এর যথেষ্ট ভালো মানের টিউটোরিয়াল পাবেন।

 

একটু কষ্ট করে যদি সকল কিছু কষ্ট করে আয়ত্তে আনতে পারেন তাহলে কিন্তু অনেক কাজে দিবে। তবে দেরি কেনো? আজকেই মাঠে নেমে পড়ুন।

ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপিং- পর্ব ১ (ইন্ট্রোডাকশন)

Now Reading
ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপিং- পর্ব ১ (ইন্ট্রোডাকশন)

ওয়েবসাইট শব্দটির সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। www.google.com, www.facebook.com এগুলো সব গুলোই ওয়েব সাইট। যারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে অনেক আগ্রহী তারা ওয়েব ডিজাইনিং এবং ওয়েব ডেভেলপিং সম্পর্কে কম বেশি অনেক কিছু জানেন। অনেকে আবার ওয়েব ডিজাইনিং এবং ওয়েব ডেভেলপিং এর মাঝে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। এ পর্বে আমি ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপিং সম্পর্কে খুঁটিনাটি বেসিক ধারণা তুলে ধরব। বিষয়গুলো আমি আমার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে তুলে ধরবো। আমি ৪টি খন্ডে ভাগ করেছি লেখাগুলোকে।  ইন্ট্রোডাকশন, ওয়েব ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ওয়ার্ডপ্রেস। এই পর্বটি হচ্ছে ইন্ট্রোডাকশন।

প্রথমে বুঝতে হবে ওয়েব ডিজাইন এবং ওয়েব ডেভেলপিং কি?

ওয়েব ডিজাইন

ওয়েব ডিজাইনারের কাজ হচ্ছে ওয়েব সাইট ডিজাইন করা। তার কাজ হচ্ছে ওয়েব সাইটের যাবতীয় সৌন্দর্য আরো নতুন রূপে বর্ধিত করা। ওয়েব ডিজাইন শেখা অত্যন্ত সহজ আপনি ইচ্ছা করলে মাত্র ২-৩ মাসের মধ্যে একজন ওয়েব ডিজাইনার হতে পারবেন । ওয়েব ডিজাইনারের মুল কাজ একটা সাইটের জন্য টেমপ্লেট বানানো, এখানে কোন এপ্লিকেশন থাকবেনা।যেমন লগিন সিস্টেম, নিউজলেটার সাইনআপ, পেজিনেশন, ফাইল আপলোড করে ডেটাবেসে সেভ করা, ইমেজ ম্যানিপুলেশন, যদি সাইটে বিজ্ঞাপন থাকে তাহলে প্রতিবার পেজ লোড হওয়ার সময় বিজ্ঞাপনের পরিবর্তন এগুলি এপ্লিকেশন, ওয়েব এপ্লিকেশন।এসব তৈরী করতে হয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে। ওয়েব ডিজাইনার হতে হলে আপনাকে (X)HTML এবং CSS এর পাশাপাশি Basic jQuery, JavaScript,  PHP শিখতে পারেন । নানা রকম Framework যেমন,  Bootstrap, Css Less Framework ইত্যাদি । এছাড়া, আপনাকে ফটোশপ এর কাজ জানতে হবে । কেননা, আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার হন তাহলে আপনাকে অবশ্যই সাইট এর ব্যানার, পোষ্টার এবং বিভিন্ন ধরণের বাটন তৈরি করতে হবে ।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েবসাইটের বেসিক অবয়ব তৈরি করা হয়েছে ডিজাইন দিয়ে কিন্তু তার কোন নির্দেশনা দেয়া হয়নি। কোন অর্ডার না করলে কোন ভাবেই কাজ করতে পারবেনা। এটাই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ হচ্ছে রেজিষ্টেশন করা, ওর্ডার করা, নতুন তথ্য আপডেট করা। এই ধরনের কাজ গুলো করার জন্য বিভিন্ন সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনি যদি নিজেকে একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসাবে তৈরি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট ধাপে বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজ শিখতে হবে।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েব সাইট এর জন্য অ্যাপ্লিকেশন। এখানে আপনাকে কোডিং এর মাধ্যমে নানা ধরণের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হবে ।  আপনি যদি ওয়েব ডেভেলপার হতে চান তাহলে ধৈর্য, পরিশ্রম ও মনোযোগের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য । ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে অনেক সময় প্রয়োজন । ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে আপনাকে  HTML, CSS, jQuery, JavaScript, PHP, MySQL, Java, ইত্যাদি CMS সম্পর্কে ভালো জানতে হবে । এছাড়া Server related যেমনঃ ASP, .NET, AJAX, ইত্যাদি জানতে হবে

যদিও ওনেক বেশি কিছু মনে হচ্ছে কিন্তু আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে ২ মাস এ সব বিষয় নিয়ে কাজ করেন তাহলে খুব সহজেই এ ব্যবপার গুলো কাভার করতে পারবেন। একজন ভালোমানের ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই লজিকাল ও আন্যালাইসিস করার ক্ষমতা থাকতে হবে। এছাড়াও ধাপে ধাপে কাজ করার বিষয়টা বুঝতে  হবে। বিভিন্ন ফ্রিল্যন্সিও সাইটে এর উপর প্রচুর কাজ থাকে। যারা ওয়েব ডেভেলপিং শিখে এবং ভালো মানের কাজ করতে পারে তাদের ইন্টারনেটে কাজ করার সুযোগের অভাব নেই। তারা অনেক কাজ পেতে পারে। কিন্তু এর জন্য যে পরিশ্রমের মাত্রা অনেক বেশি তা বোঝাই যাচ্ছে।

ধরুন একটি গাড়ি বানাতে হবে । এখন একজন গাড়িটি দেখতে কেমন হবে, উচ্চতা, প্রস্থ, রং, ইত্যাদি ঠিক করবে । এবং সে অনুযায়ী গাড়ি বানাবে । এখন যে গাড়ি ডিজাইন করলো এবং বানালো সে হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এবং এই গাড়ি ডিজাইন করে বানানোটা ওয়েব ডিজাইন ।

আরেকজন গাড়িতে ইঞ্জিন লাগিয়ে গাড়ির সব তার জোড়া দিয়ে ইঞ্জিন, লাইট ইত্যাদি ঠিক করে গাড়িটিকে চলার উপযোগী করে তুল্ল । গাড়িটি কিভাবে চলবে, কি চাপলে কি কাজ করবে । কোন দিকে ঘুরালে কোন দিকে ঘুরবে । ইত্যাদি সব ঠিক করলেন তিনি । এক্ষেত্রে তিনি হচ্ছেন ওয়েব ডেভেলপার । আর এই গাড়িতে প্রাণ দেয়াটাই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ।

 

অনেকেই প্রশ্ন করেন “কিভাবে শিখবো? কোথায় শিখবো? কোথা থেকে শুরু করবো?” ইত্যাদি । এটা স্বাভাবিক, এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে ।প্রথমত আপনাকে জানতে হবে আপনি যেটা শিখতে চাচ্ছেন সেটা প্রফেশনাল কাজ। কম্পিউটারের গেম খেলার মত কাজ না। তবে গেম তৈরি করার মত কাজ। কাজেই সময় এবং শ্রম যদি দিতে চান তবে আজই আপনি শুরু  করে দিতে পারবেন।

এখন অনেকেই মাথা ঘামাতে পারেন যে এতো কষ্ট করে শিখবো টাকা কতোই আর পাবো!

এর উত্তর হচ্ছে একজন ওয়েব ডিজাইনার এর গড় বেতন ৭৭,০০০ ডলার । সর্বনিম্ন বেতন ৪০,০০০ডলার এবং সর্বোচ্চ বেতন ৮৫,০০০ ডলার ।

কিছু উচ্চ বেতন প্রদানকারী দেশঃ

Philadelphia, PA: $79,717

San Francisco, CA: $79,551

New York, NY: $77,475

Predicted_Job_Growth_2018.jpg

 

আমাদের দেশের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি

মজার ব্যাপার হচ্ছে আমাদের দেশে বেশির ভাগ লোকজন কিভাবে আপওয়ার্ক নেটওয়ার্কে একাউন্ট খুলতে হবে, কিভাবে কাজ পাওয়া যেতে পারে এসব কৌশল শিখতে তৎপর অথচ কাজ তেমন একটা শেখেনি। মার্কেটপ্লেস গুলিতে একাউন্ট খোলা ফেইসবুকের মতই সহজ এরপর কয়েকটি পরীক্ষা দিয়ে প্রোফাইল সমৃদ্ধ করতে পারেন। যেকোন বিড করার (যেমন আপওয়ার্ক এ “Apply to this Job”) সময় কভার লেটার তথা আবেদনটি একটু আকর্ষনীয় করে লেখা উচিৎ। ভাল কভার লেটারের নমুনা ঐ সাইটগুলিতেই পাবেন। এগুলি খুবই অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পানির মত সহজ। এগুলি নিয়ে চিন্তা না করে আগে টেকনিকালি এক্সপার্ট হউন।

এ পর্বে কিছু বেসিক জিনিস নিয়ে আলোচনা করেছি। পরের পর্বে আরো বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিং নিয়ে নানা কথা

Now Reading
বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিং নিয়ে নানা কথা

world-university-rankings-2013-2014d.jpgএকটা শিক্ষার্থীকে শিক্ষার কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার কল্যাণে বোর্ড পরীক্ষার পরিমাণ বেড়েছে। তবে একটা শিক্ষার্থীর জীবন গড়ে দেওয়ার ধাপ হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়। প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হয়ে থাকে। তবে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার আগে অবশ্যই জানা দরকার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর অবস্থান। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যে কি পড়বে বা কোনটা নিয়ে পড়া তাদের ভালো হবে। এগুলো চিন্তা করতে করতেই তাদের অর্ধেক চুল সাদা হয়ে যায়। আবার বেশিরভাগই জানে না তারা কোন বিষয়কে পছন্দ করে? তাই অনেকে ইচ্ছা বা অনিচ্ছায় বাবা-মায়ের চেপে দেওয়া মতের সাথে একাত্ন ঘোষণা করে সারাজীবন অপছন্দের বিষয়ে বা অপছন্দের ইউনিতে মুখ বুঝে পড়াশুনা শেষ করে।

যাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তারা নিজের পছন্দ মত বিষয়ে পড়তে পারে না বা তারা কি করবে সিদ্ধান্ত নিতে পার না তাদেরকে ছাত্র হিসেবেই সারাজীবন পার করে দিতে হয়। সিস্টেমের গোলযোগ আর তথ্যের ঘাটতির কারণে এভাবে বহু ছাত্র তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে কোনদিন পৌঁছুতে পারে না। আর এভাবে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা গানিতিক হারে বেড়ে চলেছে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান জানার প্রতি আগ্রহ সব সময়ই থাকে ছাত্র এবং অভিবাবকদের মাঝে। আবার অনেকেই এ বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত নন।পৃথিবী বিখ্যাত র‍্যাঙ্কিংগুলো করে থাকে যেমনঃ টাইমস (মিডিয়া হাউস); হুরুন, কিউএস ইত্যাদি। ভারতে যেমন করে সরকার নিজে; ইন্ডিয়া টুডে ইত্যাদি।  বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে ছাত্র ও অভিবাবক জানতে পারে যে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান কেমন বা বিশ্বে এর অবস্থান কিভাবে দেখা হয়। এটা জানা তাদের খুবই দরকার।

বৈশ্বিক অবস্থান বিবেচনায় বর্তমানে চার-পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং চালু আছে। এগুলো হচ্ছে  QS “World University Ranking”; Times Higher Education World University Ranking; Academic Ranking of World Universities (ARWU); the CWTS Leiden Ranking and the Webometrics Ranking. ওয়েবোমেট্রিক্স ওয়েবভিত্তিক র‍্যাঙ্কিং। এখানে দেখা হয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আর কতগুলো প্রতিষ্ঠানের সাথে লিংক রয়েছে। তাদের ওয়েভপেইজ এ কি পরিমাণ তথ্য রয়েছে ইত্যাদি। এটা তেমন কার্যকরী র‍্যাঙ্কিং নয়।
এগুলো আবার বিভিন্ন মাপকাঠিতে ‍র‍্যাঙ্কিংগুলো করে থাকে। যেমন, ARWU’ র অন্যতম মাপকাঠি হল তাদের একাডেমিক কোয়ালিটি মানে তাদের কতসংখ্যাক অ্যালামনাই ও ফ্যাকাল্টি নোবেল প্রাইস পেয়েছে; ভালো মানের জার্নালে আর্টিকেল প্রকাশ ইত্যাদি। অন্যপক্ষে, কিউএস ও টাইমস দেখে ছাত্র-শিক্ষক সংখ্যা; ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিংক, রিসার্স ইত্যাদি। লেইডেন বিজ্ঞানকে প্রাধান্য দেয়।

 

 

ভারতে সরকারীভাবে র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয় যা অত্যন্ত বিশ্বস্ত স্থান থেকে বানানো হয়। বিদেশী ছাত্রদের টানার জন্য তারা এমন কাজ করে থাকেন। তারা এর মাধ্যমে দ্বিধাতে ভুগে না। একজন বাংলাদেশী ছাত্র দেখবে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় রেঙ্কিং এ টপ টেন-এ আছে, তখন সহজেই তিনি বাড়ির পাশে হওয়াতে ভালো মানের শিক্ষা পেতে আগ্রহ বোধ করবেন। এতে দুইটি উপকার হচ্ছে দেশগুলোর তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান বাড়িয়ে নিতে পারছে; ভাল শিক্ষার্থীকে ভাল অফারের মাধ্যমে নিজ দেশ চাকরি দিয়ে ব্রেন গেইন করছে। আর আমাদের মতো দেশ যাদের এই বিষয়ে কোনো নীতিমালা বা দূরদর্শীতা নেই তারা প্রতিনিয়ত হারাচ্ছি জাতির কিছু মেধাবী সন্তানদের।

ওভারওল র‍্যাঙ্কিং যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমও হয়, এর মানে এই নয় ঢাবির সব বিষয়ই সেরা। এক্ষেত্রে বুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সেরার আসন দখল করবে। আবার যদি সাবজেক্ট বিবেচনায় নেওয়া হয় তাহলে হয়তবা ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয় সেরা হবে তাদের আলামনাই ও ঐতিহ্যগত কারণে। কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয় বুয়েটের পরেই অনেকে শাহাজালালকে বেছে নিবে। আবার আইন বিষয়ে অনেকে চট্রগাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেবে। এগ্রি বিষয়ে বাংলাদেশ এগ্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিষয় টপে থাকবে। আবার বিদেশী ছাত্র আধিক্য ও সেশনজট সমস্যা না থাকার কারণে অনেকে হাজি দানেশ কিংবা নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিবে। এতে দেখা যাবে কোন ছাত্র আগে থেকেই পছন্দ করে রাখতে পারবে সে কি বিষয়ে পড়তে চায়, কোথায় পড়তে চায়? এতে বিশ্ববিদ্যালয় সাথে সাবজেক্টও ভূমিকা পালন করছে। আবার চাকরীদাতারাও সচেতন থাকবে কোন ছাত্র কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ে পড়াশুনা করেছে। সেই অনুযায়ী তারা ছাত্রকে চাকরীর বাজারে মূল্যায়ন করতে পারবে।

কী কী বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এই র‍্যাঙ্কিং হতে পারে? সেটা আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং  যেভাবে হয় সেই বিবেচনার সাথে দেশী কোনো কোনো জিনিস যোগ করা যেতে পারেঃ

১। ছাত্র শিক্ষক অনুপাত

২। পরিবেশ

৩। শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে তাদের বাজেট

৪। কারিকুলাম হালনাগাদ

৫। এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটি

৬। রিসোর্স

৭। সেশনজট

৮। শিক্ষাবৃত্তি

৯। অবস্থান

১০। বিদেশী শিক্ষার্থী

১১। উচ্চশিক্ষিত শিক্ষক

১২। শিক্ষকদের কতজনের আন্তর্জাতিকমানের জার্নালে কতটি পাবলিকেশন আছে

এর মাধ্যমে অভিবাবকরা জানতে পারবে যে সকল বিষয়েঃ

১। বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কোন বিষয় গুলো ভালো হবে এবং কোনগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এবং ভর্তি হওয়া কি ভুল হবে কিনা।

২। অভিভাবকদের মধ্যেও জানা থাকবে ইউনি বা সাবজেক্টের সর্বশেষ অবস্থা। এতে তারা নিশ্চিত হতে পারবেন যে তাদের সন্তানেরা সঠিক জায়গাতে গিয়েছেন।

৩। খারাপ র‍্যাঙ্কিং এর কারণে খারাপ ইউনিগুলোর বা ভালো ইউনির দুর্বল র‍্যাঙ্কিং এর বিষয়গুলোর উপর ভীষণ চাপ বাড়বে। ছাড়া প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোও খারাপ অবস্থার কারণে সরকারের নজরদারীতে আসবে। ছাত্র না পেলে মালিকপক্ষেরও ভাবতে হবে ভার্সিটি টাকা কামানোর মেশিন নয়।

 

সফলতার শীর্ষে আমিরের দঙ্গল

Now Reading
সফলতার শীর্ষে আমিরের দঙ্গল

dangal.jpgউনি বলিউডের রাজাও নন বাদশাও নন। তবে তার অবস্থান যে সেই রাজা বাদশাহের থেকে অনেক উপরে তা কার জানা নেই? ছোট বড় সকলেই তাকে চেনে মিস্টার পারফেক্টশনিস্ট নামে। হ্যা কথা বলছি আমির খানের কথা। ভারতের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ব্লকবাস্টার ৫টি মুভির ৩টি মুভি আমির খানের। দঙ্গল, পিকে এবং ধুম থ্রি বাকী দুটি সালমান খান অভীনিত বজরঙ্গী ভাইজান এবং সুলতান। ব্যবসায়িক সফলতা ব্যতিরেকে মুভির কোয়ালিটি বিচারে যদি বলিউডের সেরা দশটি চলচ্চিত্রের নাম বলতে বলা হয় তার অন্তত ৫টি মুভি হবে আমির খানের । আর বাকী সবাই মিলে ৫টি। যদি প্রশ্ন করা হয় শাহরুখ খান অভিনিত সেরা মুভি কোনটি তবে সবাই হয়তো বলবেন দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে। যদি একই প্রশ্ন আমিরখানের বেলায় করা হয়। তাহলে উত্তর হবে তার মুক্তি পাওয়া শেষ ছবিটি । অর্থাৎ এই মুহুর্তে দঙ্গল । বলিউড বাজারে এখন তিনি সবচেয়ে আস্থাভাজন নাম। যার ছবির হিট হওয়া অবশ্যম্ভাবী।

আমিরের ছবি মানেই চরম উত্তেজনা সেই সাথে দারুন কাহিনী এবং কিছু উপদেশ বানীও থাকবে। আর দক্ষ নির্মান শৈলীর কারণে মুভি হয়ে ওঠে হট কেক। তার মত মুভি বিজনেস মস্তিষ্ক এই মুহূর্তে বলিউডে ২য়টি নেই ।তিনি একটি ট্রেন্ড সৃষ্টি করেন আর অন্যরা তা অনুসরণ করতে থাকে।

আমিরের দঙ্গল ভারতে মুক্তি পায় সেই সাথে বিশ্বের নানা দেশে মুক্তি পায় আর সকল স্থানেই সফলতার সাথে ব্যবসায় করে। এর জন্য আইএমডিবি রেটিং এ বিশ্বের সেরা ১০ টা সিনেমার একটি বলে দাবি করা হচ্ছে। এর অবস্থান হচ্ছে ৬ নম্বরে। আমির খান কখনোই ছবি কতজন মানুষ দেখলো তার বিচারে মুভির শ্রেষ্ঠত্ব বিচারে বিশ্বাসী নন। তার ভাষ্যমতে যে ছবির কনটেন্ট যত সমৃদ্ধ সেটি তত সমৃদ্ধ ছবি। তাই তার প্রতিটি ছবি কনটেন্ট অসাধারণ। আর মানুষও মুখিয়ে থাকে তার অভিনীত মুভি দেখার জন্য।

দঙ্গল সম্পর্কিত প্রাথমিক তথ্য
অভিনেতা :
আমির খান (মহাবির সিং ফোগাত)
সাক্ষী তানোয়ার(মহাবির সিং ফোগাত এর স্ত্রী)
ফাতিমা সানা শেখ (গীতা ফোগাত)
সানিয়া মালহোত্রা (ববিতা কুমারী)

পরিচালক :নিতেশ তিওয়ারী
প্রযোজক : আমির খান , কিরণ রাও,সিদ্ধার্থ রয় কাপুর
সুরকার : প্রীতম

মুক্তি : ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬
নির্মাণব্যয় ₹৭৬ কোটি

মহাবীর ফোগাতের টাকা পয়সার অভাবে তার কুস্তি খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তার কুস্তির প্রতি যে ভালোবাসা ছিল সেই ভালোবাসার দ্বারা সে কিছুই করতে পারেনি জীবনে। তার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল স্বর্ণ জয়। সেই স্বপ্নটি ভেঙ্গে যায়। তার একটিও পুত্র সন্তান হয়নি। চতুর্থ সন্তানটিও যখন কন্যা হলো তিনি দারুন আশাহত হলেন। কিভাবে তাঁর স্বপ্নপূরণ করবেন ? এর মধ্যেই তার বাড়িতে নালিশ একটা ছেলেকে মেরে ভুত বানিয়েছে তার পরিবারের কেউ। ফোগাত চড়াও হলেন তার সঙ্গে বাস করা ছেলের উপর। পরে জানলেন তার দুই মেয়ে গীতা আর ববিতা এই কাজ করেছে। সেই সময়ই তার মনে স্বপ্ন উঁকিঝুঁকি দিতে থাকে তিনি মেয়েদের কুস্তিগীর বানাবেন। যেই ভাবনা সেই কাজ । গীতা ফোগাতকে কুস্তিগীর বানানোর জন্য আদাজল খেয়ে নামেন আমির। মেয়েদের প্রশিক্ষণ শুরু হয় ভোর পাঁচটায়। হানিকারক বাপু মেয়েদের কুস্তিগীর বানাতে যতটুকু নিষ্ঠুর হওয়া দরকার ততটুকু নিষ্ঠুরতা দেখাতে কার্পন্য করেননা। নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে তবেই চূড়ান্ত সফলতা লাভ করেন মহাবির ফোগাত আর বড় কন্যা গীতা।

রিভিউ ছবির চরিত্রের জন্য পরিশ্রম, প্রস্তুতি কিছু করেন বটে আমির খান৷ ছবিটা দেখবার সময় তাঁকে একজন কুস্তিগির ছাড়া অন্য কিছু মনেই হবে না৷ ঘর্মাক্ত শরীরে মাটি মেখে, ল্যাঙোট পরে আখড়ায় তাঁকে যেভাবে পাওয়া গেল, মনে হবে আসল মহাবীর ফোপটই বুঝি উপস্থিত হলেন৷ সেই পাহলুয়ানসুলভ হাঁটাচলা, লড়ে যাওয়ার খিদে আলগা চালের মস্তানি লুক, সবকিছু পাওয়া গেল তাঁর অভিনয়ে৷ ছবির মধ্যে চরিত্রটায় বাস করলেন তিনি৷এটি আমিরে জীবনে এখন পর্যন্ত করা সেরা কাজ । একজন খেলোয়ারের টানাপোড়েন, মনের ভাল থাকা-খারাপ থাকা, মুডের ফ্লাকচুয়েশন পেরিয়ে কামব্যাক করার জেদ, এটাই দর্শককে পর্দা থেকে চোখ সরাতে দেবে না৷ সেজন্য ক্যামেরাকেও ধন্যবাদ দিতে হবে৷ গীতা হিসেবে নবাগতা ফাতিমা বড় চমত্কার অভিনয় করেছেন৷ কুস্তির রিংয়ে তাঁকেও বিধ্বংসী লেগেছে৷ মহাবীর ফোগতের স্ত্রী চরিত্রতি গতানুগতিক এখানে অভিনেতার তেমন কিছুই করা সুযোগ ছিলনা । মুভিতে কিছু অত্যন্ত চমৎকার চমৎকার দৃশ্য রয়েছে। যেমন ঃ গীতার স্বর্ণ জয়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ে অবতীর্ণ। প্রতিটি লড়াইয়ে কোচ নন দর্শক গ্যালারীতে বসে থাকা বাবার বলে দেওয়া কৌশলে একের পর এক শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করতে থাকে গীতা। বাবা তার জয়ের অবশ্যম্ভাবী অংশ। কিন্তু সবচেয়ে বড় ইভেন্টে বাবার দেখা পাচ্ছেন না। বাবা কোথায় কোন হদিস নেই? এর মধ্যেই চলছে চূড়ান্ত কুস্তি। তাঁর বাবার কথা ভীশন মনে পড়ছে। প্রতিপক্ষ তাঁকে ব্যাকফুটে ফেলে দিয়েছে। এ সময় বাবার দেয়া শিক্ষা স্মৃতির মানসপটে ভেসে আসছে। বাবা তাকে এ শিক্ষাও দিয়েছেন যে বাবা সবসময় পাশে থাকতে পারবেন না।সেই সময় কিভাবে এগিয়ে যেতে হবে।ওদিকে বাবা ফোগাতকে একটি ঘরে বন্দি করে রেখেছে গীতার কোচ । সব কৃতিত্ব বাবার হয়ে যাচ্ছে এটি হতে দেয়া যাবে না তাই ঈর্ষাপরায়ন হয়ে এমন গর্হিত কাজ। ঘরে বন্দি বাবা ফোগাত খাঁচায় বন্দি পাখির মত ছটফট করছে। কিন্তু বেড় হতে পারছে না। তার ভীশন চিন্তা মেয়ে কেমন লড়ছে? ফোগাত অনন্যোপায় হয়ে স্রস্টার কাছে প্রার্থনারত। এমন সময় দূর থেকে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ভেসে আসে। মেয়ে তার স্বর্ণ জয় করেছে নিশ্চিত হন ফোগাত।

Ratings

IMDB 8.8/10

HINDUSTAN TIMES 4/5

GOOGLE USERS 95%

লগানের সমাপ্তি

Now Reading
লগানের সমাপ্তি

এক্স ম্যান অ্যাপোক্যালিপ্স এর পর পরবর্তী কিস্তি লগান। লগানে এই প্রথম বৃদ্ধ লগানের পরিচয় পাওয়া যাবে। লগানের হিলিং পাওয়ারের জন্য তার বয়স বাড়তে দেখা যায়নি এর আগে কিন্তু এই সিনেমাটির বিশেষত্ব হচ্ছে এটি যে এখানে সকল কিছু প্রায় রিয়েলেস্টিক মনে হবে।  এজন্য মানুষের মনে এটি নিয়ে উন্মাদনাও কম নেই। মানুষের আগ্রহ বোধ বেশি থাকলেই সিনেমা অর্ধেক হিট। বাকিটুকু ক্যারেক্টার আর কাহিনীর ওপর নির্ভর করে।

সিনামাটির কাস্টিং দেখে নেওয়া যাক এক নজরেঃ

হিউজ জ্যাকম্যান- লগান

পাট্রিক স্টিয়ারট – চার্লস জেভিয়ার

ডেফনি কিন- লারা

বয়ড হল্ব্রক- ডোনাল্ড পিরস

স্টিফেন মার্চেন্ট- ক্যালিবান

রিচারড ই গ্র্যান্ট- জেন্ডার রাইস

একনজরে দেখে নেওয়া যাক সিনেমার সারসংক্ষেপঃ

২০২৯ সাল।

মিউট্যান্টরা বিলুপ্তির দিকে এগোতে থাকে। ২৫ বছরের মধ্যে কোন মিউট্যান্ট জন্ম নেয় না। বার্ধক্যে নিমজ্জিত লগান যে কিনা ওল্ভারিন নামে পরিচিত টেক্সাসে শেষ সময়টুকু অতিবাহিত করছে। লগানের দ্রুত হিলিং করার ক্ষমতা কমে গিয়েছে। তার জন্য তার এখন অনেক বয়স এবং তার কংকাল তার ভেতরটাকে বিষাক্ত করে তুলছে।  লগান মিউট্যান্ট ট্র্যাকার ক্যালিবানের সাথে বসবাস করেন এবং তিনি প্রফেসর চার্লস জেভিয়ারের যত্ন নিচ্ছেন। জেভিয়ার আলঝহেইমার রোগে ভুগছেন এবং তার শক্তিশালী টেলিপ্যাথি পাওয়ার এর নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেন।  একদিন লগানের সাথে বায়োটেক কর্পোরেশনের এক নার্স যোগাযোগ করেন। তিনি লগানের সাহায্য চান লারা নামক ১১ বছরের একটি মেয়েকে নর্থ ডাকোটা এর ইডেন নামক একটি স্থানে নিয়ে যেতে বলেন। লগান অনিচ্ছাকৃত ভাবে প্রস্তাবটি গ্রহন করেন। একটা সময় গ্যাব্রিয়েল হত্যা হন এবং লগান, জেভিয়ার এবং লারা পালিয়ে যান। ক্যালিবান কে বন্দী করা হয় সেখান থেকে। ক্যালিবানকে বাধ্য করা হয় লগান দের খুঁজে বের করতে।

সাবস্ক্রাইব করে রাখুব বাংলাদেশীজম প্রজেক্টের ইউটিউব চ্যানেলে এখানে ক্লিক করে নতুন সব আপডেটের জন্য

একপর্যায়ে লগান লারার মায়ের দেয়া একটা মোবাইল পান। সেখানে একটি ভিডিও বার্তা ছিল। সেখানে লগানের জন্য কিছু কথা বলে গেছে সে। লারা হচ্ছে সেই বাচ্চাদের একজন যার জন্ম হয়েছে প্রজেক্ট “এক্স ২৩” থেকে। গ্যাব্রিয়েল অনেক বাচ্চাদের সাহায্য করেছিল। লারার তথ্য মতে লারার জন্ম হয়েছে লগানের ডিএনএ থেকে। রিভিয়ারসরা লগানদের কে ওখলামা শহরে ধরে ফেলে। জেভিয়ার সেই সময় আঘাত পায় এবং আশেপাশে যা ছিল ফ্রিজ হয়ে যায়। তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এই সময় রাস্তায় তারা দেখতে পাত যে এক কৃষক দুর্ঘটনায় পড়ে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলে। সেখানে তাদের ঘোড়াগুলো গাড়ি তেকে বেরিয়ে পড়ে। লগান এবং জেভিয়ার সেই কৃষকদের কে সাহায্য করেন। ফলশ্রুতিতে সেই কৃষক পরিবারের থেকে লগানরা একটি আমন্ত্রন পান। সেই বাসাতে ঠিক লগানের মত দেখতে আততায়ীর আক্রমণ হয়। সেই আততায়ী জেভিয়ার কে খুন করে এবং সেই কৃষক পরিবারকে খুন করে।  জেভিয়ার এর যাত্রা এ পর্যন্তই ছিল। এখন বাকি থাকলো লগান এবং লারা।

জেভিয়ার কে কবর দেয়ার পর লগান এবং লারা বেরিয়ে পড়ে ইডেনের উদ্দেশ্যে। লগান জানতে পারলো সেখানে লারার মত আরো অনেক ছেলে মেয়ে আছে যারা সেখান থেকে পালানোর জন্য প্ল্যান করে বসে আছে। তারা সেখান থেকে কানাডিয়ান সীমান্ত অতিক্রম করে যাত্রা করার পরিকল্পনা করেছে। শিশুদের সেখানে বাঁধা দেয়া হয় এবং সেখানেও লগানের মত দেখতে আততায়ী আক্রমণ করে। সেখানে লগানকে লারা একটি সিরাম দেয় যার দ্বারা লগানের হিলিং পাওয়ার পুনরায় কাজ শুরু করে দেয়। সেখানে সেই আততায়ী এবং লগানের মধ্যে চরম সংঘর্ষ হয়। সেই যাত্রায় লগানের মৃত্যু হয়। কিন্তু তার মেয়ে লারা এবং তার বন্ধুরা নিরাপদে বর্ডার ক্রস করতে সক্ষম হয়।   রিভিউঃ লগান হচ্ছে অনেক ইমোশনাল একটা সিনেমা। মানুষের এক্স ম্যান দেখার আগ্রহ অনেক আগে থেকেই তুমুল মাত্রায় ছিল। লগান সিনেমাটি নামার আগে থেকেই মানুষ বসে ছিল কবে নামবে কবে নামবে সেই আগ্রহ নিয়ে। এটা সম্পূর্ণ একটি পারিবারিক সিনেমা। আপনি চাইলে ঘরের সকলের সাথে বসে অনেক আরাম করে দেখতে পারবেন। এতে কোন সন্দেহ নেই। লগান নামার পর অনেক সাড়া ফেলে দেয়। রেটিং ও অনেক ভালো ছিল। যারা দেখেন নি দেখে ফেলতে পারেন। অনেক ভালো লাগবে।

লগানের অ্যাকশনের থেকে তার মেয়ে লারার অ্যাকশন ছিল চোখে পড়ার মত এবং তা দর্শক মনে চরম ভাবে জায়গা করে নিয়েছে। মানুষ যে ভাবে আশা করেছিল সে ভাবেই পেয়েছে কিন্তু মানুষ অনেকটা হতাশও হয়েছে বটে কারন এক্স ম্যান সিরিজটি যেটা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালে তার প্রধান আকর্ষণ লগানের মৃত্যু দেখতে হল। তবে সেজন্য অনেকে সিনেমাটি নিয়ে নানা ধরনের কথা বলেছে। কিন্তু সিনেমাটি দেখলে আপনি সত্যি অনেক ইমোশনাল হয়ে পড়বেন এবং প্রতিটি সিন আপনাকে চরমভাবে আকর্ষিত করবে। লগান সারা বিশ্বে মুক্তি পেয়েছিল একযোগে এবং বাংলাদেশেও সিনেমাটি দেখার জন্য মানুষের তুমুল আগ্রহ দেখা গিয়েছে। টিকেটের জন্য অনেক আগে থেকেই অনেক লম্বা লাইন লেগে যেতো। অনেক জায়গায় টিকেট বিক্রয় হয়েছে দ্বিগুণ দামে। কোথাও আবার এর জন্য আলাদা প্রিমিয়ারের আয়োজন করা হয়েছিল। কিছু জনপ্রিয় রেটিংঃ রোটেন টমেটো রেটিংঃ ৯২%আইজিএন রেটিংঃ ৯.৭/১০আইএমডিবি রেটিংঃ ৮.৩/১০

এটা আমার প্রথম মুভি রিভিউ। আশা করছি সামনের দিনে আরো রিভিউ দিবো। আপনাদের পছন্দের মুভি গুলোর রিভিউ পেতে কমেন্ট করে জানান।