5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER
টপ টেন
Heat Index

সুপ্রীম কোর্টের রেকি…

Now Reading
সুপ্রীম কোর্টের রেকি…

“আমার বিচার তুমি করো
তোমার বিচার করবে কে?”

গত ৭ই এপ্রিল উচ্চ আদালতে যাই আদালতের বিচার প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ অনুধাবনের জন্য। যেই আদালত প্রাঙ্গন সকল অন্যায় অবিচার থেকে এ দেশের নাগরিকদের মুক্তি দিয়ে আসছে তার কী হাল সেটা দেখাও অনেকটা জরুরী হয়ে পড়েছিল। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ইমরান আজাদ স্যারের প্রেষণায় উচ্চ আদালতে যেয়ে সেখানকার প্রাত্যহিক কর্মদিবসের হালচাল ও পরিবেশ সম্পর্কে পুরোটা না হলেও কিঞ্চিত অভিজ্ঞতা লাভ করেছি। সেটাই চেষ্টা করেছি এই ভ্রমণ বৃত্তান্তে উল্লেখ করার।

৬ই এপ্রিল সন্ধ্যে বেলা থেকেই কাপড় চোপড় (সাদা শার্ট ও প্যান্ট) ভাঁজ করা শুরু করি। মনের মধ্যে কেমন যেন উত্তেজনা কাজ করছিলো, জীবনে প্রথমবার উচ্চ আদালত দর্শনে যাব। যে গেইট একটা সময় রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় দেখতাম সেই গেইট দিয়ে প্রবেশ করার উত্তেজনা ও রোমাঞ্চ দুইই আমাকে পেয়ে বসলো আগের রাতে! হয়তো প্রত্যেক ভ্রমণের পূর্বেই এরকম হওয়াটা একটা ধর্ম। খুব ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে যাই। সকালের ক্লাসের জন্য প্রস্তুতি নিয়েই একদম সেজেগুজে বেরিয়ে পড়ি। ক্লাস শেষেই রওনা দিই আদালতের উদ্দ্যেশ্যে বন্ধু আবু বকরকে নিয়ে। বন্ধু বকরের চোখে আমি বেশ আগ্রহ দেখলাম আদালতে ভ্রমণ করা নিয়ে, যদিও তার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে, কিন্তু বন্ধুর সাথে এই অভিজ্ঞতা একদমই সতেজ, প্রাণবন্ত।

ঠিক ১২ টার দিকে আমরা দুই বন্ধু আদালতের গেইটের কাছে এসে পৌঁছাই। কিছুটা সাহস, চঞ্চলতা ও কৌতুহল নিয়েই প্রথম পা মাড়াই ভেতরে। বিভুতিভূষণ মার্কা পারিপার্শ্বিক অনুভুতি না আসলেও আদালত চত্বরের শুরুর ফাঁকা ময়দান ও গাছপালা দেখে আমার প্রাণের ক্যাম্পাস বিইউপির কথা মনে পড়ে গেলো। সে যাই হোক অত্যন্ত অনুসন্ধানী চোখ নিয়েই একদম ঢুকতে লাগলাম। সামনে যত কোলো কোর্ট ও গলায় সাদা ব্যান্ড ওয়ালা মানুষ দেখতে পেয়েছি অবশ্যই তারা বিজ্ঞ আইনজীবী, তাদের চোখের দিকে তাকিয়েছি, বুঝার চেষ্টা করেছি আগামী কয়েকবছর পর আমার কী পরিস্থিতি হবে? সে যাই হোক অতি আবেগে অতি ভবি-দর্শন করে ফেলেছিলাম। বন্ধু বকরের তাগিদে আবার বাস্তবে ফিরে এসে ঝটপট কয়েকটি স্থিরচিত্র তুলে নিয়েছি। যার প্রমাণ প্রথম পৃষ্ঠায় দ্রষ্টব্য। আদালত সম্পর্কে ছোটকালে যে ধারণা হয়েছে ও বইপত্র পড়ে যে বুঝ হয়েছে তা পরখ করার লোভ সামলে রেখেই শুরুতেই পূর্ব নির্ধারিত দুই সিনিয়র আইনজীবীর সাক্ষাতে যাই। পুরোনো আদালত ভবনের ১১০ ও ১১১ নাম্বার রূমে যেয়ে প্রথম কোন আইনজীবীর চেম্বারে ঢুকার পরম অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম। আইনের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র হয়ে এই প্রথম আদালতে যাওয়া ও কোন আইনজীবীর চেম্বারে যাওয়া রীতিমত অপরাধ। এই অপরাধের গ্লানি মাথায় নিয়েই এই ভ্রমণ বৃত্তান্ত লেখার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছি।

যে দুজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে দেখা করেছি তারা দুজনিই বাংলাদেশের প্রতিযশা আইনজীবী । তাদের আন্তরিক অভ্যর্তনা আমাদের দুই বন্ধুকে খুবই আভিভূত করেছে। তাদের থেকেই আদালতের কিছু নিয়মকানুন জেনে নিলাম। কীভাবে এজলাশে ঢুকতে হবে, কয়টায় এজলাশ বসবে। উল্লেখ্য উক্ত সাক্ষাতে তখন আদালতে মধ্যাহ্ণ ভোজের বিরতি চলছিলো। এরপর কয়টায় আবার এজলাশ এ বিচারাকাজ শুরু হবে জেনে নিলাম। আরো কিছুক্ষণ উক্ত দুই বিজ্ঞ আইনজীবীর চেম্বার মন্ত্রমুগ্ধের মত চেয়ে বের হয়ে আসলাম। উদ্দ্যেশ্য আদালতের জাদুঘর ভ্রমণ। আমাদের ভাগ্য এতই খারাপ ছিলো যে সেদিন অনিবার্য কারন বশত জাদুঘর বন্ধ ছিলো। তাই কিছুটা মনোক্ষুন্ন হয়ে এদিক ওদিক পায়চারি করতে লাগলাম। স্বভাব বশে মানুষজনের চোখ-মুখের দিকে তাকাচ্ছি, বুঝতে চাচ্ছি শুরুতেই উল্লেখ করা গানের লাইনের মত! সকলের চোখে মুখে বিরক্তি, ক্লান্তি ও হতাশা। বাড়িয়ে বা অতিরঞ্জিত করে কিছু লিখছি না, উচ্চ আদালতে যতগুলা মামলা এখনো চলমান সেসবের ভার সইবার সক্ষমতা এই ন্যায়-বিচারকদের নেই। তাই সকলের ভোগান্তি, ক্লান্তি, বিরক্তি।

মধ্যাহ্ণ বিরতির পর যথানিয়মে আদালতের কাজ আরম্ভ হলে দুই বন্ধু একটি মামলার বিচারকাজ দেখার জন্যে ঢুকে পড়ি। ঢুকার সময় “জুনিয়র এপ্রেন্টাইস“ বলতে হয়েছিলো তখন আবার ভবি-দর্শনে যেয়ে দেখতে পেলাম বিরাট এক সিনিয়ার বিজ্ঞ আইনজীবীর জুনিয়র এপ্রেন্টাইস হিসেবে প্র‍্যাক্টিস করছি! তবে এজলাশের ভেতরকার ভৌতকাঠামো দেখে প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মাঝে আটকে গেলাম। সিনেমা ও বইতে দেখেছি ও জেনেছি কাঠগড়ার কথা, যেটা কিনা আমাদের অত্যাধুনিক মুট কোর্ট রুমেও আছে সেটা নেই! কিছুতেই মেলাতে পারছিলাম না। কপালগুণে পেছনে বসার ফলে কিছুই শুনতেও পাচ্ছিলাম না বুঝতে পারা তো আরো দূরের বিষয়। কাউকে যে ইনিয়ে-বিনিয়ে জিজ্ঞেস করবো সেটাও সাহসে কুলোচ্ছে না। বন্ধু বকর যথেষ্ট বিরক্ত পোষণ করছে ভেতরকার পরিস্থিতি নিয়ে। যেহেতু সে অভিজ্ঞ এসবের দর্শনে তাই সে তেমন ভাব দেখাচ্ছে না কিন্তু আমি তো যা দেখি তাতেই মুগ্ধ। তবে বেশিক্ষণ এজলাশে বসে থাকার ধৈর্য্য হয় নি। বের হয়ে হঠাৎ করে মনে পড়লো সেই বহুল আলোচিত থেমিস দেবীর কথা! ভাষ্কর মৃণাল হকের সেই ক্রন্ধন চেহারা এখনো চোখে ভাসছে, যে রাতে তার এই অদ্ভুত সৃষ্টি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল! যেই ভাবা সেই কাজ হাজির হলাম দেবীর সম্মুখে। সত্যি বলতে টিভিতে যতটা পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন মনে হয়েছে বাস্তবে তা দেখে মৃণাল হকের জন্য করুণা হতে লাগলো। এসে যদি দেখতে পান তার এই সৃষ্টির প্রতি অনাদর তাহলে তার কেমন যে লাগবে! একটা আত্মনিয়ন্ত্রিত স্মমুখ চিত্র (সেলফী) তুলতে বন্ধু বকর বাধ্য করলো অপারগতা প্রকাশ করতে না পেরে মোবাইলের সামনে দাড়িয়ে গেলাম! থেমিস দেবীর দর্শন শেষ করতে করতে ভাবতে লাগলাম আর কই যাওয়া যায়। তার মধ্যেই গাড়ি পার্কিং এ প্রচুর গাড়ি দেখে উচ্চ-আদালতে প্র‍্যাক্টিস করার লোভ তীব্র ভাবে ঝেঁকে বসলো। সে যাই হোক, বন্ধু বকরের উৎসাহে কিছুক্ষণ আদালত প্রাঙ্গনে পায়চারি করলাম। এনেক্স ভবনের যে উপরতলার দু-বিল্ডিং এ যাওয়ার করিডোর টিভিতে সবসময় দেখায়, সেখানটায় গেলাম, তাও কপালগুণে কোন সাংবাদিক ছিলো না। বন্ধু বকর সান্তনা দিলো এই বলে “আজ হয়তো কোন বড় মামলার রায় টায় নেই”। এইটাই মেনে নিলাম। কিন্তু শরীরের ধকল মেনে নিতে পারলাম না আর। স্থির করলাম, অনেক হয়েছে পায়চারি। এইবার সময় কেটে পরার। আল্লাহ তা’লা তৌফিক দিলে এই জায়গাতেই স্থায়ী জীবিকা নির্ধারণের আধার বানাতে হবে তখন যতক্ষণ ইচ্ছা ততক্ষণ থাকব। বন্ধু বকরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “হাকিম চত্বরে” খাওয়ানোর লোভ দেখাতেই বেরিয়ে পড়লাম চত্বরের উদ্ধ্যেশ্যে। আর এইভাবেই ইতি ঘটলো আমার সম্মুখ ধারণা অর্জনের প্রথম উচ্চ আদালত ভ্রমণ।

শুরুতে যেরকম সেচ্চাচারিতাভাবে শুরু করেছিলাম, শেষটা সেভাবে পারছি না। কারন এই উচ্চ আদালতই হলো আমাদের শেষ আশ্রয় স্থল। অন্তত এইখানে আমার অধিকার নিয়ে চিন্তা করার মানুষ প্রচুর। এই উচ্চ আদালত এখনো সচল আছে বলেই দেশটা এখনো বখে যায় নি। দেশের পতাকা উচ্চাসীন হয়ে উড়ছে আজও। উচ্চ আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা যারা ন্যয়বিচার পায় তারাও নাকি স্বীকার করে না অনেকসময়! আমি অকৃতজ্ঞ নই।

আমাদের দেশের সকল প্রয়াত ও জীবিত বিচারপতি, বিজ্ঞ আইনজীবী, আদালত কর্মকর্তা/কর্মচারী সকলের প্রতি এই ক্ষুদ্র মানবের কৃতজ্ঞতা ও বাদান্যতা। আমাদের বিচার বিভাগ নিয়ে অনেক প্রশ্ন অনেক সমালোচনা তবুও এটি আমাদেরই তো। এটি এদেশের একটি আলাদা প্রত্যঙ্গ যা ছাড়া দেশটি পঙ্গু হয়ে যেতো। সকল চড়াই উৎড়ায় পার করে ইনশাল্লাহ আমাদের বিচারবিভাগ আরো মসৃণ হবে গতিশীল হবে এবং এখানে আগত সকল মানুষের চোখে একটা স্বস্তি থাকবে। সেইটা দেখার জন্য, বিচার করার জন্য আবারো আসবো।

This post has been demonetised because the same post was published in other websites/blogs. 

দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক চালু করছে…

Now Reading
দক্ষিণ কোরিয়া নিরাপত্তার জন্য বিশ্বের প্রথম 5G নেটওয়ার্ক চালু করছে…

দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বের প্রথম দেশব্যাপী 5G মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করেছে। তিনটি শীর্ষ টেলিকম সরবরাহকারী – এসকে টেলিকম, কেটি, এবং এলজি ইউপ্লাস – তাদের 5G সেবা শুরু করে। হাইপার-ওয়্যার্ড দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন প্রযুক্তিগত দক্ষতার জন্য একটি খ্যাতি অর্জন করেছে এবং সিওল 5G রোলআউটকে অগ্রাধিকার দিয়েছে কারণ এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে হতাশার জন্য উদ্দীপিত করতে চায়। তবে মার্কিন মোবাইল ক্যারিয়ার ভেরাইজন তার 5G পরিষেবাকে প্রাথমিকভাবে জোরপূর্বক দক্ষিণ কোরীয় সরবরাহকারীরা দেরিতে রাতের প্রবর্তনের জন্য সংগঠিত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এক অনুষ্ঠানে ভেরাইজন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ও মিনিয়াপলিসে তার 5G সেবা চালু করতে শুরু করে।
কিন্তু ইয়নহ্যাপের মতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই ঘণ্টা আগেই এটি চালু হয়েছিল।

“এসকে টেলিকম ঘোষণা করেছে যে কোরিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী ৬জন সেলিব্রিটিদের জন্য 5G সেবা সক্রিয় করেছে,” দেশের বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়।
কে-পপ ব্যান্ড EXO এবং অলিম্পিক আইস স্কেটিংয়ের নায়ক কিম ইউ-না-এর দুইজন সদস্য সেলিব্রিটি বিশ্বের প্রথম 5G স্মার্টফোনের গ্রাহক ছিল।

সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সেবাগুলি শুক্রবার থেকে পাওয়া যাবে। পূর্ববর্তী লঞ্চ তারিখ যখন স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের প্রথম উপলব্ধ স্মার্টফোন গ্যালাক্সিS10 5G চালু করে।
গত বছর ১২ টি শহরে তার 5G E নেটওয়ার্কের নামকরণকারী প্রতিদ্বন্দ্বী মার্কিন ক্যারিয়ার এটি অ্যান্ড টি তার প্রতিদ্বন্দ্বী লেনিভোর মটো Z3 স্মার্টফোনের সাথে ভেরাইজন এর সিস্টেমটি কাজ করবে যদিও এটি 5G সিস্টেমের তুলনায় ধীর এবং এটি সম্পূর্ণরূপে পঞ্চম প্রজন্ম কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 5G স্মার্টফোনের নিকটবর্তী তাৎক্ষণিক সংযোগ নিয়ে আসবে যা 4G থেকে ২0 গুণ বেশি দ্রুত। ব্যবহারকারীরা এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে পুরো সিনেমা ডাউনলোড করতে পারবেন।
লন্ডনের ভিত্তিক গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোটের মতে, ২০৩৪ সালের মধ্যে স্ব-ড্রাইভিং যানবাহনগুলির মতো ডিভাইসগুলির ভবিষ্যতের বিকাশের জন্য প্রযুক্তিটি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সুবিধাগুলিতে ৫৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আনতে পারে।

চীনের মালিকানাধীন টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ে থেকে 5G সমাধান এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সহযোগী ও প্রধান অর্থনীতির চাপ সৃষ্টি করেছে যার ফলে প্রযুক্তিগত ব্যাকডোর 5G-সংযুক্ত ইউটিলিটি এবং অন্যান্য উপাদানগুলিতে বেইজিং অ্যাক্সেস সরবরাহ করতে পারে এমন নিরাপত্তা ঝুঁকিগুলি উদ্ধৃত করে। হুয়াওয়ে কর্তৃক নিবন্ধিত ১,৫২৫ 5G পেটেন্ট সহ চীনা প্রতিষ্ঠানগুলি মোট ৩,৪০০ পেটেন্টের মালিকানাধীন মোট বিশ্বে এক তৃতীয়াংশের বেশি, তথ্য বিশ্লেষণ সংস্থা আইপ্লেটিকসের মতে। দক্ষিণ কোরিয়া পরবর্তীতে আসে যার ২৫০ টি পেটেন্ট রয়েছে এবং মার্কিন সংস্থাগুলির ১,৩৬৮ টি পেটেন্ট রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনে ‘অ্যান্টার্কটিকার সর্বশেষ জঙ্গলে সতর্কতা’

Now Reading
জলবায়ু পরিবর্তনে ‘অ্যান্টার্কটিকার সর্বশেষ জঙ্গলে সতর্কতা’

অ্যান্টার্টিকার মাঝখানে উন্মুক্ত শিলা জুড়ে ভাঁজ করা এবং প্রায় পাঁচ মিলিয়ন বছর আগে মহাদেশে বেড়ে যাওয়া ছোট্ট ছোট্ট শামুকের সন্ধান পাওয়া সম্ভব। এই উদ্ভিদ উপাদানটি দেখা অনেক কিছু নয় তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে কার্বন নির্গমনগুলি যদি অচেনা থাকে তবে জলবায়ু পরিবর্তন আমাদের গ্রহণ করতে পারে সে সম্পর্কে বিশ্বকে সতর্ক করে দিতে হবে। এটি তাপমাত্রার দ্বারা চিহ্নিত ছিল যা আজকের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উষ্ণ ছিল, সম্ভবত বিশ্বব্যাপী ২-৩ ডিগ্রী। এর শর্তগুলি কুমেরু মহাদেশের মাঝখানেও উদ্ভিদ বৃদ্ধির অনুমতি দেয়। বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই অক্সাইড পরিমাণটি আজকের মতোই একই রকম – বাতাসে প্রতি মিলিয়ন অণুর জন্য প্রায় ৪০০ টি CO2 অণু প্রয়োজন।
প্রকৃতপক্ষে, প্লীওসিন পৃথিবীর ইতিহাসে শেষ সময় ছিল যে বাতাসটি গ্রীন হাউস গ্যাসের একই ঘনত্ব বহন করেছিল।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গ্রান্টহাম ইন্সটিটিউট থেকে প্রফেসর মার্টিন সিগার্ট বলেন, “তাপমাত্রা বর্তমানে প্লিওসিনের চেয়ে কম হতে পারে কিন্তু এটি কেবল সিস্টেমের মধ্যে একটি ল্যাগ থাকার কারণে হয়। যদি আপনি বাড়িতে ওভেন রাখেন এবং এটি ২০০ সেন্টারে স্থাপন করেন তবে তাপমাত্রা অবিলম্বে পর্যায়ে পৌঁছবে না। এটি কিছুটা সময় নেয় এবং এটি পৃথিবীর জলবায়ুর সাথে একই। যদি আপনি প্রতি পিপিএম ৪০০ এ CO2 এর স্তর রাইট আপ করেন তবে এটি রাতারাতি একটি ভারসাম্য পাবে না। এতে 300 বছর বা আরো কিছু সময় লাগতে পারে।”

অ্যান্টার্কটিকা উপকূলে ডুবে যাওয়া এই কাদাগুলি জীবাশ্ম জীবাণু ধারণ করে যার ভূ-রসায়নটি প্রাচীন তাপমাত্রা এবং গ্রহের বরফের সম্ভাব্য পরিমাণ পুনর্নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা সন্দেহ করছেন যে প্লিওসিনে সমুদ্রের মাত্রা ১০- ২০ মিটার বেশি এবং এটি ইঙ্গিত দেয় যে বরফের শীটগুলিও খুব ভিন্নভাবে দেখা উচিত।
ইম্পেরিয়ালের প্রফেসর টিনা ভ্যান ডি ফ্লায়ার্ট বলেন, “গ্রীনল্যান্ড আইস শীট প্রায় ৭ মিটার। সম্ভবত এটি সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে।
আমাদের কাছে ছোট্ট পশ্চিম আন্টার্কটিক আইস শীট রয়েছে যা প্রায় ৫ মিটার। সম্ভবত এটিও সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে। এবং তারপরে আমাদের কাছে পূর্ব আন্টার্কটিকার বড় অংশ রয়েছে। এর কিছু অংশ রয়েছে যা লোকেরা দীর্ঘসময় ধরে স্থিতিশীল বলে মনে করেছে। এটি অবশ্যই একটি মহাদেশের মাঝখানে উদ্ভিদের উপস্থিতি ব্যাখ্যা করতে পারে যেখানে শুধুমাত্র শৈবাল এবং জলাভূমি বেঁচে থাকতে পারে।

২০৩০ সালের মধ্যে CO2 মাত্রা ৪০% বা তার চেয়েও কমিয়ে আনা হবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে শূন্য নিয়ে আসা হবে। এটি একটি বিশাল উদ্যোগ কিন্তু এটি অসম্ভব নয়।

একজন ব্রাজিলীয়ান ডিজেকে কারাগারে দন্ডিত করা হয়েছে

Now Reading
একজন ব্রাজিলীয়ান ডিজেকে কারাগারে দন্ডিত করা হয়েছে

২৪ বছর বয়সী রেনান দা পেনা একজন ব্রাজিলীয় মজার ডিজে এবং বিতর্কিতভাবে রিও ডি জেনিরোয়ের সবচেয়ে বড় মজার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। গত সপ্তাহে আপিল আদালত রেনানকে “মাদক পাচারের সাথে সহযোগিতার” জন্য ছয় বছর আট আট মাস কারাদণ্ড দেয়। একটি পূর্ববর্তী সাজা প্রমাণের অভাবের জন্য রেনানকে নির্দোষ মনে করেছিল কিন্তু পাবলিক প্রসিকিউটর তাতে আপিল করেছিলেন। ব্রাজিলের সুপ্রীম কোর্টের সামনে এই নতুন কারাদন্ড আপিল করার সময় রেনানের আইনজীবীরা তাকে মুক্ত থাকার জন্য আদালতের অনুমোদন চেয়েছিলেন। ফোলাহ ডি এস পাওলো অনুসারে, তার কারাগারের আদেশ এখনো জারি করা হয়নি। এই বড় ব্রাজিলিয়ান মজার সেলিব্রিটির শাস্তিতে দেশব্যাপী বর্ণবাদ এবং মজার পার্টিগুলির অপরাধমূলক সম্পর্কে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

অ্যাক্টিভিস্ট রুল সান্তিয়াগো, যিনি তার প্রথম কারাদন্ডের সময় রেনানের পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন যে, একই প্রক্রিয়াতে মাদক পাচারকারী সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জ করা হয়েছে এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তির সাথে মিলিত। শুনানির সময় রুল বলেন, সাক্ষী গণিতক দেখানো হয়েছে রেনানের ফেভেলা ড্রাগ ব্যবসায়ের সাথে কিছুই নেই।
রেনানের কারাগারের সাজার পরে তার বন্ধু এবং সমর্থকরা “Deixa Eu Dançar” (লেট মি ডান্স) নামক একটি ওয়েবসাইটে একত্রিত হয় যেখানে তারা প্রসিকিউটর ও বিচারকদের দ্বারা আর্গুমেন্ট উদ্ধৃত করে এবং তাদের নিষ্ক্রিয় করার চেষ্টা করে।
উদাহরণস্বরূপ, আদালতের সাজায় বলছে যে রেনানের সঙ্গীত “মাদক পাচারের উল্লাস” ওয়েবসাইট তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছে
এটি কেবল দৈনন্দিন জীবন প্রকাশ করার একটি ফেভেলা।

প্রসিকিউশন দ্বারা উত্থাপিত একটি বিষয় রেনানের হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা যেখানে তিনি রাস্তার কথা বলে পুলিশ সেখানে ঘুরে বেড়ায়। ওয়েবসাইটটি যুক্তি দেয় যে এটি ফেভেলা বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায়শই পাস করার জন্য একটি সাধারণ ধরনের তথ্য যাদের প্রায়ই পুলিশ দ্বারা অপব্যবহার করা হয়। রুল বলেছেন যে সশস্ত্র সংঘাত ঘটতে পারে এমন এলাকাসমূহ এড়াতে লোকেদের জন্য তথ্যটি উপকারী। রুলের টুইট করা সর্বশেষ ভিডিওগুলির একটিতে দেখা যাচ্ছে যে পুলিশ কর্মকর্তা একজন বন্দুকধারীর সাথে নিরবচ্ছিন্নভাবে গুলি চালাচ্ছে এবং পাশাপাশি হুমকি দিয়ে বলছে, “আপনি পরবর্তী হবেন।”

বিচারকদের দ্বারা উত্থাপিত আরেকটি বিষয় হল রেনান জনসমক্ষে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। ওয়েবসাইটটি প্রতিক্রিয়া জানায় “আপনার জীবনে যে ভুলগুলি ঘটেছে সেগুলি সত্ত্বেও আপনি বড় হয়েছেন এমন কারো মৃত্যুর জন্য শোক করা কোনও অপরাধ নয়।”
1980 এর দশকে রিও ডি জেনেরোর বস্তিগুলিতে ফাঙ্ক কারিওকা একটি বাদ্যযন্ত্রের রীতি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 1970-এর দশকে ব্রাজিলিয়ান ফঙ্ক মূলত সস্তাতে উত্পাদিত হয়েছিল স্যাম্পলড বিটস এবং সুরের সীমাবদ্ধ সংখ্যা যা প্রায় প্রতিটি গানে প্রদর্শিত হবে। ফাঙ্ক দলগুলি ব্রাজিলের বিভিন্ন সামাজিক ক্লাস থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে আকৃষ্ট করে এবং বহু মিলিয়ন ডলারের শিল্প চালনা করছে।

সাম্বার মতো কয়েক দশক আগেও সাদা অভিজাতরা এবং পুলিশ ও বিচার বিভাগ প্রৈতিশীলতার সাথে ধারাটিকে দৃঢ়ভাবে বিবেচনা করে। রিও ডি জেনেইরোতে রাষ্ট্র ও শহর আইন রয়েছে যা রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসাবে ফাঙ্ককে স্বীকৃতি দেয়। তবে এই ফঙ্ক দৃশ্যের সাম্প্রতিক অপরাধমূলক তরঙ্গ থামছে না।

কুকুর গন্ধ অনুভব করে হৃদরোগ সনাক্ত করতে পারে

Now Reading
কুকুর গন্ধ অনুভব করে হৃদরোগ সনাক্ত করতে পারে

মানুষ দীর্ঘ পরিচিত যে কুকুরের গন্ধ অনুভব করা তার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। কুকুররা তাদের অনুপস্থিত মানুষকে খুঁজে বের করতে, অবৈধ মাদকদ্রব্য এবং এমনকি ম্যালেরিয়া এবং ক্যান্সারের মতো রোগের জন্য স্ক্রীন খুঁজে পেতে সহায়তা করে। এখন বিজ্ঞানীরা বলছেন যে কুকুররা তাদের আঘ্রাণ প্রতিবেদনে নতুন প্রতিভা যুক্ত করেছে। তা হচ্ছে হৃদরোগের সনাক্ত করা। একটি ছোট গবেষণায় দেখা গেছে যে মৃগীরোগের জীবাণুগুলির সময় মানুষ একটি স্বতন্ত্র গন্ধ নির্গত করে এবং কিছু কুকুরকে প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে সে গন্ধ চিনার। এই সপ্তাহে বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনগুলিতে প্রকাশিত একটি নতুন পত্রিকায় গবেষকরা দেখিয়েছেন যে প্রশিক্ষিত পরিষেবা কুকুর ৬৭ থেকে ১০০ শতাংশেরও বেশি জায়গায় জীবাণুমুক্ত গন্ধ চিহ্নিত করতে পারে। সুগন্ধি পরীক্ষার সময় কিছু কুকুরের সঠিকতার হার ছিল ১০০%।

গবেষকরা বলেছিলেন যে তাদের গবেষণায় প্রথম দেখা যায় যে জীবাণু মানুষের শরীরের গন্ধে সনাক্তযোগ্য পরিবর্তন ঘটায় এবং কুকুরদের এটি সনাক্ত করার জন্য তাদের শক্তিশালী আবেগ ব্যবহার করার জন্য প্রশিক্ষিত করতে হবে। বিশ্বজুড়ে ৬৫ লাখ মানুষ মৃগীরোগের সাথে বসবাস করছে। তাদের সুন্দর জীবনযাপনের জন্য নতুন আশা নিয়ে এসেছে কুকুরের সতর্কতা। অনেক মানুষ যারা হৃদরোগে ভোগান্তিত কুকুরগুলি তাদের অবস্থার কিছু দিক পরিচালনা করতে সহায়তা করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সামুদ্রিক রোগ সনাক্ত করার জন্য কুকুরদের ক্ষমতার সমর্থনে সামান্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে।

গবেষণায় তিনটি মহিলা কুকুর এবং মিশ্র প্রজাতির দুটি পুরুষ কুকুর রয়েছে। ক্যানিনগুলি আশ্রয়স্থল থেকে গৃহীত হয়েছিল এবং ইন্ডিয়ানাপলিসের ভিত্তি করে একটি পরিষেবা কুকুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মেডিকেল মুট দ্বারা রোগ সনাক্তকারী বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রশিক্ষিত হয়েছিল।
ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অফ রেনেসে গবেষণার প্রধান লেখক ও ড.অ্যামেলি কাতালা বলেছেন, কুকুরদের জীবাণু সনাক্তকরণ ক্ষমতাগুলি ঘাম নমুনাগুলি ব্যবহার করে পরীক্ষা করা হয়েছিল যা আগে কখনও উন্মোচিত হয়নি। পাঁচটি মহিলাদের থেকে বিভিন্ন ধরনের মৃগীরোগের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল যেমন বিশ্রাম, ব্যায়াম, এবং জীবাণুমুক্ত থাকার সময়।
ঘামের নমুনা ধাতু ক্যানের মধ্যে স্থাপন করা হয় এবং গবেষকরা দেখেছেন যে কুকুর সঠিকভাবে বাজেয়াপ্ত নমুনা অনুষ্ঠিত করে বাছাই করতে পারে কিনা। সমস্ত কুকুর সুবাস পরীক্ষায় পারদর্শী কিন্তু কিছু কুকুর হৃদরোগ সনাক্তকরণে একটি নিখুঁত স্কোর করেছে।

কাতালা বলেন, “সব কুকুর অত্যন্ত সফল ছিল কিন্তু তাদের মধ্যে একটি একটু কম সঠিক ছিল যা তাকে পরবর্তীতে প্রশিক্ষণের প্রোগ্রামে পৌঁছানোর এবং কম প্রশিক্ষণ দেওয়ার কারণে হতে পারে। তিনি আরও বলেছেন যে কিছু কুকুরেরও অন্যদের তুলনায় কেবল গন্ধের অনুভুতির ওপর ভাল ধারণা থাকতে পারে।
কাতালার গবেষণায় বলা হয়েছে যে জীবাণুগুলি স্বাক্ষরযুক্ত গন্ধ উৎপন্ন করে যা বিভিন্ন ধরনের মৃগীরোগের সাথে মিলিত হয় এবং যে গন্ধ কুকুরদের মধ্যে পার্থক্যযোগ্য। তবে এটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণ করে না যে, কুকুররা তাদের নাকগুলি ব্যবহার করে আসন্ন জালিয়াতি বুঝতে পারে।

সর্বাধিক শ্বাস এবং শরীরের গন্ধ স্বাভাবিক কিন্তু কখনও কখনও তারা একটি স্বাস্থ্য সমস্যা সংকেত করতে পারেন। কাতালা বলেন যে ওষুধের লক্ষ্যগুলি চিকিৎসা পরিস্থিতি সনাক্ত এবং নির্ণয় করার জন্য একটি আক্রমণকারী এবং খরচ কার্যকর উপায় হতে পারে। এটি শুধুমাত্র কুকুর নয় যারা এই রোগ গন্ধ অনুভব করতে পারে। এছাড়া মানুষও এখন সুপার ঘ্রাণশক্তি দিয়ে রোগ নিরিময় করতে পারে। সবচেয়ে সুপরিচিত সুপার ঘ্রাণশক্তির মধ্যে একজন হল জয় মিলনে যিনি পার্কিনসন রোগের গন্ধ অনুভব করতে পারেন।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে পাকিস্তান ও মালয়েশিয়ার সক্রিয় কর্মীরা অনলাইন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি

Now Reading
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে পাকিস্তান ও মালয়েশিয়ার সক্রিয় কর্মীরা অনলাইন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি

মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানের নারীবাদী কর্মীরা ৮ মার্চ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে জনসাধারণে তাদের অংশগ্রহণের দ্বারা অনলাইন হতাশা সৃষ্টি করে। বিশ্ব জুড়ে নারী সংগঠন জাতিসংঘের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত অনুষ্ঠানে জনসভায় সমাবেশ, মিছিল এবং শিক্ষা অনুষ্ঠান আয়োজন করে। শিক্ষা, শ্রম অধিকার এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের মতো বিষয়গুলির পাশাপাশি এই জনসমাগমগুলির মধ্যে অনেকেই যৌন সহিংসতা এবং নারী ও এলজিবিটিকিউআই-এর লোকেদের হয়রানি নিরঙ্কুশ বার্তাগুলিকে শক্তিশালী করে তুলেছে।
এই শেষ বার্তাগুলি অন্য কিছুর চেয়েও বেশি অনলাইনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তানে ডিজিটাল রাইটস ফাউন্ডেশনের অনলাইন হেরেসমেন্ট হেল্পলাইনটি অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে উচ্চ সংখ্যক কল পেয়েছে যারা যৌন সহিংসতা, মৃত্যু এবং অ্যাসিড আক্রমণের হুমকি পেয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন নারী দিবসের মার্চের ফটো এবং প্রোফাইলগুলি ব্যাপকভাবে চ্যাট গ্রুপ এবং সোশ্যাল মিডিয়া পৃষ্ঠাগুলিতে ভাগ করা হয়েছিল যাতে তাদের অপব্যবহার লক্ষ্য করা যেতে পারে। কেউ কেউ অচেনা এমনকি পরিবারের সদস্য এবং নিয়োগকর্তাদের দ্বারা হুমকি ও নির্মমভাবে পীড়ন হয়েছিল।
দেশটির স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দাতুক সেরি মুজাহিদ ইউসুফ রাওয়া বলেন, “ইসলামের ধর্মের ভুলগুলোকে রক্ষা করার জন্য গণতান্ত্রিক স্থানকে অপব্যবহার করায় “নারী দিবসের অভিযানের অভিযোগে অনলাইন ভিট্রিয়লকে আরও বেশি চাপ দেওয়া হয়েছে। ১৪ মার্চ তারিখে পুলিশ ঘোষণা করেছে যে সাত নারী দিবসের সংগঠক রাজপথে এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ আইন লঙ্ঘনের জন্য তদন্ত করছে।

পাকিস্তানি রাজধানী ইসলামাবাদে বসবাসকারীরা ২৩শে মার্চ পাকিস্তান দিবস উদযাপনের জন্য একটি সামরিক প্যারেডের সাথে মিলেছে এমন একটি নেটওয়ার্ক শাটডাউনের কারণে কয়েক ঘন্টা ধরে মোবাইল ফোন পরিষেবা ব্যবহার করতে পারেনি । তারিখটি ১৯৪০ সালের রেজোলিউশনের বার্ষিকী চিহ্নিত করে যা ব্রিটেন থেকে পাকিস্তানের স্বাধীনতার ভিত্তি হয়ে উঠেছিল। ২০১৮ সালে ইসলামাবাদ হাই কোর্ট ইচ্ছাকৃতভাবে নেটওয়ার্ক শাটডাউন অবৈধ বলে ঘোষনা করলেও আপিল আদালত এই সিদ্ধান্তে থাকার অনুমতি দেয়। তখন থেকে কর্তৃপক্ষ অ্যাক্সেস কাটাতে বেশ কয়েকবার নিরাপত্তা উদ্বেগ আহ্বান করেছে।

ইউরোপের পাঁচ মিলিয়নেরও বেশি লোকের আবেদন সত্ত্বেও জনসাধারণের মিছিলের মাধ্যমে – ইউরোপীয় সংসদ ২৬শে মার্চ অনেক দূর্বল ইইউ কপিরাইট নির্দেশিকা অনুমোদন করেছে। নির্দেশিকাটি সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে বাধ্য করে যে YouTube- র মত ইন্টারনেট প্ল্যাটফর্মগুলি কপিরাইট সুরক্ষিত সামগ্রী আপলোড ব্লক করার জন্য আইনগুলি চালু করতে বাধ্য করে যা কার্যকরভাবে প্রধান ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির “পূর্বানুমান সেন্সরশিপ” এর সিস্টেমকে কার্যকর করে। নির্দেশিকাটি অন্য উৎসের কয়েকটি শব্দের বেশি উদ্ধৃত করতে চাইলে মুনাফার মিডিয়া আউটলেটগুলিতে কল করতে হবে যা সেই উৎসগুলির লেখক বা অধিকারধারীদের ফি দিতে হবে। জোটের ইউরোপীয় ডিজিটাল রাইটস (ইডিআরআই) এর একজন সিনিয়র নীতি উপদেষ্টা ডিয়েগো নারানজো বলেছেন যে, “নির্দেশটি বিশেষ করে আর্টিকেল 13, ইইউ এবং বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ফিল্টার এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেন্সরশিপ প্রক্রিয়াগুলির জন্য একটি বিপজ্জনক উদাহরণ স্থাপন করে।”

মোজাম্বিকের প্রদেশের Cabo Delgado এর ছোট গ্রামগুলিতে সহিংস হামলার প্রবণতা সম্পর্কে রিপোর্ট করার সময় গ্রেপ্তার হওয়া মোজাম্বিক সাংবাদিক যিনি বিনা বিচারে ৭০ দিনেরও বেশি কারাগারে কাটান। কর্তৃপক্ষগুলি “জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘন” এবং “কম্পিউটারাইজড ডিভাইসের মাধ্যমে অবাধ্যতার উদ্দীপনার” আমাদে আবুবাকারকে অভিযুক্ত করেছে তবে এখনও আনুষ্ঠানিক অভিযোগগুলি জারি করেনি। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ৩২ বছর বয়সীকে সামরিক বাহিনীতে সংক্ষিপ্তভাবে আটক করা হয়েছিল। পরে তিনি মোজাম্বিকান বার অ্যাসোসিয়েশনের কাছে বলেছিলেন যে তাকে অত্যাচার করা হয়েছে এবং খাবার অস্বীকার করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ তাকে আদালতে হাজির করতে অস্বীকার করেছে অথবা প্রতিরক্ষা দল তার অস্থায়ী মুক্তির জন্য অনুরোধ করে দ্বিতীয় অনুরোধ দিয়েছে ।

ভিয়েতনামের অত্যন্ত বিধিনিষেধযুক্ত সাইবারসিকিউরিটি আইনের সমালোচনামূলক একটি স্থানীয় অ্যাক্টিভিস্টকে ফেসবুক পোস্টগুলির জন্য দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল যার জন্য ইন্টারনেট কোম্পানিগুলি দেশের ভিতরে তাদের তথ্য সঞ্চয় করতে এবং রাষ্ট্রের আদেশ অনুসারে সামগ্রী সরাতে থাকে। লে মিন প্রো-গণতন্ত্রের গ্রুপ হিয়েন ফ্যাপের একজন সদস্য এবং মুক্ত অভিব্যক্তি প্রকাশের পক্ষে একজন স্পষ্ট বক্তা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, তিনি ছয়জন সক্রিয় কর্মী এবং ব্লগার যারা বর্তমানে সরকারের প্রতি শান্তিপূর্ণ বিরোধিতা চালিয়ে আসছে ।

সিঙ্গাপুরের ফেসবুক ব্যবহারকারী এডমুন্ড ঝং আইন ও গৃহ বিষয়ক মন্ত্রী কে. শানমুগামকে একটি ডিম নিক্ষেপ করতে চান এমন একটি মন্তব্য পোস্ট করার জন্য পুলিশ তদন্তের আওতায় রয়েছেন। ২0 বছর বয়সী জাতীয় ভদ্রমহিলা এই মন্তব্যটি একটি চ্যানেল নিউজ এশিয়া ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন যে অস্ট্রেলিয়ান কিশোরীদের একটি রক্ষণশীল সেনেটরকে ডিম ছুঁড়ে দিয়েছে : “আমি কে শানমুগামকে এটা করতে চাই। আমি শপথ করছি। তিন দিন পরে ঝংকে পুলিশি নোটিশ পেয়েছিল যে তাকে দোষী কোডের ধারা 267C এর অধীনে “সহিংসতার উত্সাহিত করার জন্য একটি ইলেকট্রনিক রেকর্ডের যোগাযোগ” করার অপরাধে তদন্ত করা হচ্ছে। দোষী সাব্যস্ত হলে ঝংকে জরিমানা অথবা পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাগারের সাজা হতে পারে।

একটি নতুন #MeToo মেক্সিকান সামাজিক মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে……

Now Reading
একটি নতুন #MeToo মেক্সিকান সামাজিক মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে……

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভূত হওয়ার প্রায় দেড় বছর পর #MeToo আন্দোলন বিশ্বব্যাপী ম্লান হত্তয়ার কোন লক্ষণ দেখা যায়নি। ২৩শে এবং ২৪শে মার্চ থেকে চলচ্চিত্র, শিল্প, শিক্ষা, এবং প্রচার মাধ্যমের মহাবিশ্বের যৌন নির্যাতনের অভিযোগগুলি বেড়েছে মেক্সিকো টুইটারে। যার ফলে আরো বেশি নারী যোগদান করছে এবং তাদের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছে।
আনা গ জিঞ্জেলেজের একটি টুইট দ্বারা এই ঢেউকে লাঞ্ছিত করে যার মধ্যে তিনি “মহিলাদের দীর্ঘ তালিকা” শারীরিকভাবে হামলার একজন বিখ্যাত সাংবাদিককে অভিযুক্ত করেছিলেন যাদের মধ্যে একজন তার বন্ধুর বন্ধকীর অংশ ছিল। তার টুইটটি হ্যাশট্যাগে জন্ম দিয়েছে #MeTooEscritoresMexicanos (#MeTooMexicanWriters) এবং শীঘ্রই অনুরূপ হ্যাশট্যাগগুলি অনুসরণ করে #MeTooMexicanFilm, #MeTooMexicanMusicians, #MeTooMexicanAcademics, #MeTooMexicanJournalists, #MeTooMexicanTheatre, #MeTooMexicanArtists, #MeTooMexicanActivists এবং অন্যান্য। অনেকদিন পরে, @ মাইটফিলমএমএক্স বা @ মাইট থিয়েমেএমএক্সের মতো বেনামী অ্যাকাউন্টগুলি উৎসাহিত নারীকে DM এর মাধ্যমে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

নারী সাংবাদিক সমষ্টিগত PUM – পেরিওডিসটাস ইউনিডাস মেক্সিকানস বা মেক্সিকান মহিলা সাংবাদিক ইউনাইটেড ইংরেজিতে হ্যাশট্যাগ #MeTooMexicanJournalists চালু করেছে যেখানে তারা একটি জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেছে যাতে দেখানো হয়েছে যে ৪৩ শতাংশ মহিলা সাংবাদিক সাক্ষাত্কার করেছেন অন্তত একবার তাদের উত্স দ্বারা হয়রানি করা হয়। লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী হ্যাশট্যাগগুলির সাথে যোগাযোগ করেছেন তারপর থেকেই কিছু কংক্রিট প্রভাব তৈরি হয়েছে। রিফর্মার অপারেশন ডিরেক্টর একটি জাতীয় সংবাদপত্র বহিস্কার করেছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, অনলাইন মিডিয়া চিলাঙ্গোর দুইজন সাংবাদিককে বহিস্কার করা হয়েছে আর তৃতীয়জন অভ্যন্তরীণ তদন্তাধীন রয়েছে।
উইকিপলিটিক নেটওয়ার্ক, সুশীল সমাজের স্বাধীন রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য সংগঠনগুলির একটি দল যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তাদের তিন সদস্যকে বহিষ্কার করে।

২০০৭ সালে আমেরিকার সক্রিয় কর্মী তারানা বুড়ক #MeToo আন্দোলন শুরু করে। তবে মার্কিন মিডিয়াতে কয়েকটি বিশিষ্ট অভিনেত্রী দ্বারা হলিউড প্রযোজক হার্ভে ওয়েইনস্টাইনের যৌন আক্রমণের অভিযোগে ২০১৭ সালে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।


মেক্সিকোতে অন্যান্য অনলাইন প্রচারাভিযান এবং লাতিন আমেরিকাতে আরো বিস্তৃতভাবে নারীর বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করেছে। কিছু উদাহরণের মধ্যে রয়েছে #MiPrimerAcoso (#MyFirstAssault), #SiMeMatan (#IfTheyKillMe) এবং #AquíTambiénPasa (#ItAlsoHappensHere)।
হ্যাশট্যাগ মহিলাদের দ্বারা একাধিক ধরনের সহিংসতার দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করে। জাতিসংঘের নারীদের মতে, দশজন মেক্সিকান নারীদের অন্তত ছয় জনই তাদের জীবনে কমপক্ষে একবার সহিংসতার একটি পর্বের সম্মুখীন হয়েছে। ৪১.৩ শতাংশ যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছে এবং ২০১৮ সালের মধ্যে মেক্সিকোতে প্রতিদিন ৯ জন নারী মারা গিয়েছে।

অস্ট্রিড লোপেজ মেন্ডেজ, একটি দীর্ঘ পোস্ট লিখেছেন যেখানে তিনি একটি বিখ্যাত মেক্সিকান লেখক দ্বারা হয়রানি সম্পর্কে জানান। তিনি সেসব মহিলাদের জন্য সহানুভূতি দেখায় যারা একই অভিজ্ঞতার শিকার ছিলেন- “নীরবতা কখনও কখনও ব্যাথা সামলানোর একমাত্র উপায় হয়ে উঠে। কিন্তু কখনও কখনও বা আবার সামান্য একটুই আমাদের মহিলাদের কথা বলতে এবং আমাদের কি আঘাত করেছে তা বলতে শিখিয়ে দেয়। এই কারণে যারা এই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন তাদের এটাই বলব যে আপনারা একা নন।”

Ana G. Gonzalez টুইটারে থ্রেড নিয়ে কিছু চিন্তা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের সব ধরনের সহিংসতার সাথে একই রকম আচরণ না করে সতর্ক হতে হবে। হ্যাশট্যাগগুলির মাধ্যমে করা অভিযোগগুলির মধ্যে যৌন নির্যাতন অন্তর্ভুক্ত নয় বরং আরো প্ররোচিত করে অন্যান্য ধরণের হয়রানিও।”
একটি দেশে যেখানে ৯০% অপরাধের বেশিরভাগি কর্তৃপক্ষকে কখনও জানানো হয় না #MeToo প্রচারাভিযানগুলি সমাজের জন্য মেক্সিকোতে নারীদের ন্যায়বিচারের অভাব সনাক্ত করার সুযোগ হতে পারে।

ব্রাজিলে ৩০ মিলিয়ন মানুষ আপাতদৃষ্টিতে মরুভূমিতে থাকার মত বসবাস করছে……

Now Reading
ব্রাজিলে ৩০ মিলিয়ন মানুষ আপাতদৃষ্টিতে মরুভূমিতে থাকার মত বসবাস করছে……

২০১৮ সালের ১ডিসেম্ব ব্রাজিলের বৃহত্তর সাও পাওলোর উত্তর অংশে অবস্থিত ফ্রাঙ্কো দো রোচা অঞ্চলে একটি ভারী বৃষ্টি বন্যা হয়। যার ফলে রাস্তা অবরোধ করা হয়েছে, ব্যবসা বন্ধ রয়েছে। শহরটিতে বন্যার সময় পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কীভাবে কাজ করছে তা জানা কঠিন ছিল। তাছাড়াও তথ্য খোঁজার অসুবিধার একটি ব্যাখ্যা আছে। ফ্রাঙ্কো দো রোচা বর্তমানে কেবল দুটি নিউজ আউটলেট আছে। একটি সাম্প্রতিক আটলাস দা নোটিসিয়া দ্বারা একটি “খাঁটি মরুভূমি” হিসাবে বিবেচিত হয় এবং একটি গবেষণা যা ব্রাজিলীয় শহরগুলির মিডিয়া আউটলেটগুলির পরিমাপকে পরিমাপ করে। প্রজোর পরিচালিত এই গবেষণাটি ২০১৭ সাল থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছর এটি প্রকাশ করেছে যে ব্রাজিলের ৩০ মিলিয়ন লোকের কোনো স্থানীয় মিডিয়া কভারেজ নেই।

ব্রাজিলের জনসংখ্যা ২০৯ মিলিয়ন। বৃহত্তর সাও পাওলো শহরের চারপাশে বিস্তৃত অঞ্চলে যার মধ্যে ৩৯ টি শহর রয়েছে তার জনসংখ্যার ২১,৫ মিলিয়ন। বৃহত্তর সাও পাওলোতে ১মিলিয়নেরও বেশি মানুষ তাদের শহরকে ঢেকে রাখে এমন কোনও নিউজ আউটলেট ঝুঁকির সম্মুখীন। কমপক্ষে ১০ টি পৌরসভাতে সর্বাধিক দুটি মিডিয়া আউটলেট রয়েছে যা স্থানীয় সংবাদগুলি জুড়ে দেয়। তিনটি শহরে কোনও সংবাদপত্র নেই: দক্ষিণপূর্ব ভার্গেম গ্রান্ডে পলিস্তা (৫০ হাজার অধিবাসী), পশ্চিমে পিরাপোরা ডো বম জেসস (১৮ হাজার) এবং পূর্বের (৩১ হাজার অধিবাসী) বারিটিবা মিরিম।

বিরিটিবা অঞ্চলে এমন স্থান রয়েছে যা পুরোপুরি “মরুভূমি” নয় তবে কাছাকাছি। শহরটিতে কোন সংবাদপত্র নেই। কাছাকাছি ১৮৭ হাজার বাসিন্দাদের একটি পৌরসভা ফেরেরাজ দে Vasconcelos, অনুরূপ পরিস্থিতি। এটিরও শুধুমাত্র দুটি সংবাদপত্র আছে। বিকল্প সামাজিক মিডিয়া উপর খবর অনুসরণ করা হয়। এক স্থানীয়র উক্তি, “আমি সাধারণত [কাছাকাছি শহরগুলিতে অবস্থিত] অঞ্চলের সংবাদপত্রের পৃষ্ঠাগুলি অনুসরণ করি এবং টিভি সেনেরিওর মতো ফেরেরাজের পৃষ্ঠাগুলি অনুসরণ করি।


এই পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে এমন এক ফ্যাক্টর বৈষম্য যা যোগাযোগকে প্রভাবিত করে। বৃহত্তর সাও পাওলোতে মোট ১০০০টিরও বেশি তথ্যচিত্র রয়েছে। তবে এদের মধ্যে ৭৬ শতাংশ রাজধানীতে অবস্থিত। অন্যান্য ২৪ শতাংশ অঞ্চলের ৩৮ টি অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে পড়েছে যা এর অধিবাসীদের ৪০শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে।

মানুষের মন্তব্যের মাধ্যমে এই জিনিসগুলি সম্পর্কে জানতে পারা যায়। ফ্রাঙ্কোর বাসিন্দা মারসিয়া পেরেরা কার্ডোসা ব্যাখ্যা করেছেন, “এখানে ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যায় তবে অন্যান্য আউটলেটগুলি পাওয়া কঠিন। যদি এখানে শহর সম্পর্কে রেডিও বা টেলিভিশন চালু করা হয় তবে ভালো হবে।”

১৮টি মুখোশযুক্ত ৫২০ মিলিয়ন বছর বয়সী ওল্ড সাগরের দৈত্য……

Now Reading
১৮টি মুখোশযুক্ত ৫২০ মিলিয়ন বছর বয়সী ওল্ড সাগরের দৈত্য……

একটি নতুন জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছে যা ১৮ টি তাঁবুর মুখ দিয়ে একটি প্রাচীন সামুদ্রিক প্রাণী। যা একটি জেলিটিন ক্যান্সারের উৎস সম্পর্কে একটি আধুনিক দিনের রহস্য সমাধান করতে সাহায্য করেছে। পূর্বে অজানা “সমুদ্র দৈত্য” যেটিকে বিজ্ঞানীরা খেতাব দিয়েছেন ডাইহুয়া সানকিয়নিং। ৫১৮ মিলিয়ন বছর আগে এক বিশাল জীবনযাপন করেছিল বর্তমান চীনে। বিলুপ্ত প্রাণীটি আধুনিক কম্বল জেলির সাথে বেশ কয়েকটি শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য ভাগ করে নেয় যা সামুদ্রিক জলাশয়ের সমুদ্রের মধ্য দিয়ে সাঁতার কাটা চুলের মতো লোহা দ্বারা পূর্ণ তথাকথিত কং সারি ব্যবহার করে। ব্রিটেনের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটির প্যালিওবায়োলজিস্ট জ্যাকব ভিন্দারের গবেষণায় দেখা গেছে যে এই নতুন প্রজাতিটি যৌগিক জেলির দূরবর্তী আপেক্ষিক হতে পারে।

জ্যাকব ভিন্দার লাইভ বিজ্ঞানে বলেন, “জীবাশ্মের সাথে আমরা বিজোড় জঙ্গল জেলিগুলি থেকে উদ্ভূত যা খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছি এবং যদিও আমরা এখন দেখাতে পারি যে তারা খুব বুদ্ধিমান জায়গা থেকে এসেছিলন তবে এটি তাদের কম অদ্ভুত করে তোলে না।” তবে এই আবিষ্কারে একটি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ড. সানকিয়নিং আবিষ্কারটির চিত্তাকর্ষক, এটি বলার পক্ষে কঠিন যে এই প্রাচীন প্রাণীটির বংশবৃদ্ধির অংশ কী কম্বল জেলি তৈরি করে। কেলি ডুন বলেন, “ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তুতন্ত্র ও বিবর্তন জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক যারা এই গবেষণায় জড়িত ছিলেন না। এছাড়াও আমি অত্যন্ত সন্দেহজনক আঁকা সিদ্ধান্ত নিয়ে।”

চীনের ইউনান ইউনিভার্সিটির সহকর্মীদের পরিদর্শনকালে ড.সানকিয়নিগ জীবাশ্ম জুড়ে এসেছিলেন। বিজ্ঞানীরা সেখানে তাদের অসংখ্য সংগ্রহের জীবাশ্ম দেখিয়েছিলেন যার মধ্যে রয়েছে রহস্যময় প্রাণী যার নাম পরে ডাইহুয়া সানকিয়নিগ দেওয়া হয় যা সহ-গবেষক জিয়াংসুয়াং হাউ, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জীববিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন। ইউনান অঞ্চলের দাই উপজাতিটির নাম জনাব; “হুয়া” মানে ম্যান্ডারিনের ফুল এবং ক্রুটারের ফুলের মতো আকৃতিকে বোঝায়। ড. সানকিয়নিং এর টেম্বাকলে বেশ পালকীয় শাখাগুলি বড় সিলারি চুলের সারিযুক্তস যা সম্ভবত এটি শিকারে সহায়তা করতে পারে। ভিন্দারের মতে, এই চুলগুলি তার মনোযোগ দখল করে নিয়েছে কারণ আমরা শুধুমাত্র কম্বল জেলিগুলিতে বড় সিলেয়া খুঁজে পাই। ” সাঁতার কাটতে কম্বল জেলিগুলি তাদের নেত্রলোম সরায় যা পরে সুন্দর অনুপ্রেরণার ঝিকিমিকি রং ছড়ায়।


তাছাড়া ড. সানকিয়নিগ জীবাশ্মটি অন্যান্য জ্ঞাত প্রাচীন প্রাণীদের মধ্যে একটি অনুরূপ সাদৃশ্য বহন করে যার মধ্যে রয়েছে জিয়াঙ্গুয়াঙ্গিয়া, ১৮ টি তাঁবুর সঙ্গে আরেকটি প্রাচীন প্রাণী এবং টিলিপের মত সমুদ্র প্রাণী ডিনোমাইস্কাস এবং সিফুসউইকাম।

গবেষকরা পূর্বে ভাবা হয়েছিল যে জিয়াংআয়াঙ্গিয়া একটি সমুদ্রের অ্যানিমেন ছিল কিন্তু এটি আসলে “জঙ্গি জেলি শাখার অংশ” গবেষণার সহ-গবেষক পেয়ুন কং, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালিওবায়োলজি এর অধ্যাপক বলেন। গবেষকরা বলেন, এই গবেষণায়ও একটি শক্তিশালী ঘটনা ঘটেছে যে কম্বল জেলিগুলি কোরাল সমুদ্র অ্যানিমেন এবং জেলিফিশ সম্পর্কিত হয়।
কিন্তু সবাই এই বিশ্লেষণ সঙ্গে সম্মত হয় না। ডন তার গবেষকগণকে ড.সানকিয়নিং এবং তার প্রস্তাবিত আত্মীয়দের বিস্তারিত বিবরণের জন্য প্রশংসা করেন যদিও এই প্রাণীগুলির মধ্যে এমন কিছু শারীরিক আকার রয়েছে যা তারা কীভাবে সম্পর্কিত হতে পারে তা দেখতে চ্যালেঞ্জিং। এটা সম্ভব যে টিউলিপ দেখানো ডিনোমিস্কাস এবং সিফুসাইটিম প্রাণীর একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। ডুন বলেন, এটা দেখতে কঠিন যে কীভাবে এই প্রাণীটি অভ্যন্তরীণভাবে পরিণত হবে।

একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের ওপর জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ

Now Reading
একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের ওপর জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ

জাতিসংঘ প্রতিবছরের ৯ ডিসেম্বরকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে । বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হচ্ছে ২০১৫ সাল থেকেই। তাই কূটনীতিকেরা মনে করেন নতুন করে গণহত্যা দিবস হিসেবে ২৫ মার্চের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। শুধু ২৫ মার্চ নয়, এমন পরিস্থিতিতে একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের ওপর জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ।
তাঁরা গণহত্যার স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক। রুয়ান্ডা, আর্মেনিয়া ও লিখটেনস্টাইন এসব দেশের সঙ্গে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে। এই তিনটি দেশেই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে।

একাত্তরের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে দুই বছর ধরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ বিষয়টি তুলে ধরছে বলে জানা গেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। এরই অংশ হিসেবে একাত্তরে গণহত্যার প্রসঙ্গটি তোলেন ২০১৭ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের দিল্লি ও ভুটানের থিম্পু সফরের সময়। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে গণহত্যার স্বীকৃতি আদায়ে বাংলাদেশকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন। ২০১৭ সালের জুলাইয়ে ঢাকা সফরের সময় একই রকম আশ্বাস দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা।
২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণার ব্যাপারে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাব তোলেন জাসদের সাংসদ শিরীন আখতার। আলোচনার পর প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়। সংসদের প্রস্তাবে আন্তর্জাতিকভাবে এই দিবসের স্বীকৃতি আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়।
গতকাল ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন কূটনীতিকদের ব্যর্থতার কারণে ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসেনি।
এখন পর্যন্ত কোনো দেশের পার্লামেন্টে বাংলাদেশের গণহত্যা নিয়ে আলোচনা বা বিশেষ প্রস্তাবের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জনসমক্ষে আনার পরিবর্তে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া।
২৫ মার্চের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য জাতিসংঘ এবং নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) যাওয়ার সুযোগ আছে বলে মনে করেন মুক্তিযুদ্ধের গবেষকরা। বাংলাদেশকে যথেষ্ট প্রামাণ্য দলিল উপস্থাপন করতে হবে, যদি এই দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরতে হয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, ২৫ মার্চ তো আমরা গণহত্যা দিবস পালন করছি। জাতীয়ভাবে যে দিনটি পালন করছি, সেটা আন্তর্জাতিকভাবে পালনের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়কে সংবেদনশীল করার জন্য আমাদের কাজ করে যেতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

Page Sidebar