ফুটপ্রিন্টে লেখালেখি করার নিয়ম কানুন

Now Reading
ফুটপ্রিন্টে লেখালেখি করার নিয়ম কানুন

বাংলাদেশীজম ফুটপ্রিন্ট ফ্রি-ল্যান্সিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যদি আপনি অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে প্রথমেই আপনাকে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। একাউন্ট খুলতে হলে এই সাইটের একেবারে উপরে ডানদিকে দেখতে পাবেন রেজিস্টার এবং লগিন করার লিঙ্ক। একাউন্ট খুলার পরেই আপনি লেখালেখি শুরু করতে পারবেন। আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক একাউন্ট দিয়ে লগিন করতে পারবেন রেজিস্টের আইকনে ক্লিক করার পর।

একাউন্ট খোলার পর লগিন ঠিক মত হলে, উপরের মেনুবারে “পোস্ট সাবমিট করুন” লিঙ্কে ক্লিক করলেই পোস্ট সাবমিশন করার পেজ চলে আসবে। পোস্ট সাবমিট করার নিয়মঃ

  • আপনার পোস্টের একটি ভাল টাইটেল বা হেডলাইন থাকতে হবে।
  • আপনার পোস্টটির মূল অংশটি অর্থাৎ বিবরনটি কমপক্ষে ৭০০ শব্দের হতে হবে। আপনি চাইলে আপনার পোস্টের সাথে ছবি যংযোজন করতে পারেন। ছবি সংযোজন করার ক্ষেত্রে অন্যজনের ছবি বিনা অনুমতিতে সাবমিট করতে পারবেন না।
  • আপনার পোস্টের সাথে অবশ্যই একটি “ফিচার ইমেজ” থাকবে হবে যা আপনি পোস্ট সাবমিশন পেজে পাবেন। এই ছবিটি অবশ্যই আপনার পোস্টের সাথে রিলেটেড হতে হবে এবং ছবিটি নূন্যতম ১০০০ পিক্সেলের হতে হবে। ঘোলা বা অস্পস্ট ছবি দিলে আপনার পোস্টটি পাবলিশ করা নাও হতে পারে।
  • পোস্ট সাবমিট করার পর, আপনার পোস্টটি পেন্ডিং অবস্থায় থাকবে যা আমাদের একজন এডমিন পড়ে দেখবেন এরপর পাবলিশ করবেন অথবা রিজেক্ট করবেন। গাইডলাইনের বাইরে হলে আপনার পোস্টটি রিজেক্ট করা হবে এবং আপনি সেই পোস্টের জন্য কোন টাকা পাবেন না।

গাইডলাইন – নিয়ম কানুনঃ

  • ফুটপ্রিন্ট সাইটে কোনভাবেই কোন ধর্মকে আঘাত করে কোন পোস্ট সাবমিট করা যাবেনা। যেকোন ধর্ম বিষয়ক কোন পোস্ট ফুটপ্রিন্টে দেয়া যাবে না আর এর কারন হলো, আমাদের সেই অভিজ্ঞতা নেই ধর্ম সম্পর্কে যেকোন মন্তব্য সঠিক নাকি ভুল।
  • প্রতিটি পোস্ট নূন্যতম ৭০০ শব্দের হতে হবে। সাবমিট করার আগে অবশ্যই আপনার বানান চেক করে নিবেন। যদি ভুল বানানে আপনার পোস্ট পাবলিশ হয়ে যায়, তাহলে সেটি পরিবর্তন করার আর কোন উপায় থাকবেনা। ৩টির বেশী বানান ভুল থাকলে সেই পোস্টের অর্ধেক টাকা কেটে নেয়া হবে পেনাল্টি হিসেবে।
  • অন্য কোন সাইট বা পত্রিকা বা সোর্স থেকে কপি পেস্ট করা যাবে না। যদি নকল করে কোন পোস্ট দেয়া হয় তাহলে উক্ত একাউন্ট ব্যান করে দেয়া হবে এবং ভবিষ্যতে আর কোনদিন এই সাইটে অর্থ উপার্জনের সুযোগ পাবেন না।
  • রাজনীতি বিষয়ে পোস্ট দেয়ার সময় অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারের তথ্য প্রযুক্তি আইন মেনে চলতে হবে।
  • কোন ধরনের বিজ্ঞাপনী পোস্ট বা লিঙ্ক পোস্ট করা যাবে না বা কোন পন্য বা স্থানকে প্রমোট করা হয় এধরনের পোস্ট রিজেক্ট হয়ে যাবে।
  • শিক্ষামূলক, প্রযুক্তি বা বিজ্ঞান বিষয়ক পোস্ট দেয়ার সময় যেকোন তথ্যের রেফারেন্স পোস্টের নীচে সংযুক্ত করে দিতে হবে।
  • কোন ধরনের সংবাদ মূলক বা ব্রেকিং নিউজ টাইপের পোস্ট দিতে হলে অবশ্যই সংবাদটির সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে।
  • আমাদের এই সাইটে আপনার আইপি এড্রেস ট্র্য্যাক করা হবে সুতারাং কোন ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড বা সাইবার ক্রাইম আইনে কোন ধরনের পোস্ট যদি বেআইনী বলে গন্য করা হয়, তবে প্রশাসনকে আপনার ট্র্যাকিং ডাটা আমরা নিজ দায়িত্বে পৌছে দেব।
  • ফটো-স্টোরি বিভাগে কোন পোস্ট দেয়ার সময় অবশ্যই নিজের তোলা ছবি দিয়েই দিতে হবে। অন্যের তোলা ছবি যদি দেয়া হয় তাহলে সেই পোস্ট রিজেক্ট করা হবে।
  • যেকোন ধরনের পোস্ট বাংলাদেশীজম প্রজেক্ট কর্তৃপক্ষ ডিলিট, এডিট এবং পরিবর্তন করতে পারবে যেকারো অনুমতি ব্যতীত।
  • আপনার সাবমিট করা কোন পোস্ট যদি অনলাইনে আর কোথাও সাবমিট করা হয় তাহলে ফুটপ্রিন্ট সাইটে আপনার সেই পোস্টটি ডিলিট করে দেয়া হবে এবং এই পোস্টের জন্য আপনি কোন অর্থ উপার্জন করতে পারবেন না।
  • যেকোন সময়ে বাংলাদেশীজম এই সাইটের নিয়ম কানুন পরিবর্তন, পরিমার্জন এবং পরিবর্ধন করতে পারবে।
  • আপনার পোস্ট আপনার নামেই থাকবে সুতারাং আপনার পোস্ট করা কোন বিষয় যদি কোন ধরনের আইনী সমস্যা সৃষ্টি করে তবে সেই সমস্যার দায়ভার আপনাকেই নিতে হবে।

বাংলাদেশীজম ফুটপ্রিন্ট সাইটে লেখালেখি করে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। পাবলিশ হওয়া প্রতিটি পোস্ট বা আর্টিকেলের জন্য আপনাকে পেমেন্ট করা হবে। প্রতিটি পোস্টের জন্য নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা থাকবে যা প্রতিমাসে আপনাকে দেয়া হবে।

কত টাকা উপার্জন করতে পারবেন?

প্রতিটি পোস্টের জন্য পাবেন ৭০ টাকা। 

  • ৭০০ শব্দ বা তার বেশি এর কমপক্ষে ১০ টা পোস্ট প্রথমে সাবমিট করতে হবে এরপর একাউণ্ট মনিটাইজ হবে।
  • সাবমিট করা পোস্ট নির্ভুল হতে হবে। 
  • পোস্ট অবশ্যই অথেনটিক হতে হবে।
  • পোস্টে কোন পরিসংখ্যান বা কোন তথ্য দেয়া হলে সেটার অবশ্যই রেফারেন্স দিতে হবে।
  • ১১ নং পোস্ট থেকে আপনার মনিটাইজেশন এনাবেল করে দেয়া হবে এবং পূর্বের পাবলিশ / এপ্রুভ হওয়া পোস্টের পেমেন্টগুলো জমা হবে। 
  • অবশ্যই ন্যাশনাল আইডি কার্ড সাবমিট করতে হবে। ন্যাশনাল আইডি কার্ড না থাকলে বার্থ সারটিফিকেট এর স্ক্যান কপি সাবমিট করতে হবে। (ইমেইল – [email protected])
 বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ 
  • সাবমিট হওয়া কোন পোস্টের সাথে যদি অন্য কোন পোস্টের সম্পুর্ন সাদৃশ্য খুজে পাওয়া যায় তবে সেই পোস্ট সহ পুর্বের সকল পোস্ট ডিমোনিটাইজ সহ আইডি ব্যান করে দেয়া হতে পারে। 
  • সাবমিট হওয়া কোন পোস্টের সাথে যদি অন্য কোন পোস্টের কোন প্রকার সাদৃশ্য খুজে পাওয়া যায় তবে সেই পোস্ট  ডিমোনিটাইজ সহ পুর্বের ৩ টি পোস্ট ডিমোনিটাইজ করে দেয়া হবে। 
নতুন নিয়মে কিভাবে সফল ভাবে অর্থ উপার্জন করবেনঃ
  • এমন পোস্ট সাবমিট করবেন যা আসলে মানুষ পড়তে চায় এবং যেসব পোস্টের ভ্যালু অনেকদিন থাকবে।
  • ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে কেস স্টাডিস
  • পোস্ট পাবলিশ হলে পোস্ট গুলো নানা প্রোফাইল বা ফেসবুক পেজে বা গ্রুপে নিজ দায়িত্বে শেয়ার করা কারন যত বেশী শেয়ার হবে তত বেশী মানুষ পড়বে।
পেমেন্ট ও প্রসিডিউর 
  • মনিটাইজেশন এনাবেল হবার পর আপনার নাম পেমেন্ট এর উপযুক্ত হবে।
  • প্রত্যেক অথেনটিক-নির্ভুল পোস্টের জন্য ৭০ টাকা করে পাবেন এবং সাইটে আপনার মোট পোস্ট যখন ১০০টি হবে, এরপর থেকে আপনি প্রতি আর্টিকেলে পাবেন ১৫০ টাকা করে। 
  • আপনার একাউন্টে নূন্যতম ১০০০ টাকা জমলে বিকাশের মাধ্যমে আপনাকে সেই ব্যালেন্স পাঠিয়ে দেয়া হবে।
 পোস্ট ডিমোনিটাইজড বা আনপেইড হবার কারন
  • ৫টির অধিক বানান ভুল থাকলে সেই পোস্ট থেকে কোন টাকা পাবেন না।
  • কপি করা পোস্ট হলে ডিমোনিটাইজ হয়ে যাবে।
  • পর পর ২ বার চুরি করা কোন আর্টিকেল পোস্ট করলে আপনার একাউন্ট সবসময়ের জন্য বন্ধ করে দেয়া হবে।

How you will get paid

  • Bank Deposit or Bkash
  • You have live in Bangladesh to get paid. Our international payment system soon will be arrived. But until then, its only for Bangladeshis.
  • Payments are being send every month from 23rd to 27th. Payment of January will be made on February 25th or February’s payment will be paid on March 25th.

বাংলাদেশীজম ফুটপ্রিন্টে উপার্জিত অর্থ আপনার কাছে পৌছাবে যেকোন দুটি উপায়ে।

১। ব্যাঙ্ক ডিপোজিটের মাধ্যমে।

ফুটপ্রিন্ট সাইটে রেজিস্টার করার পর আপনাকে একাউন্ট নাম্বার পাঠিয়ে দিতে হবে আমাদের ইমেইলে – [email protected] এ। মনে রাখবেন, ইমেইল পাঠানোর সময় অবশ্যই আপনার পুরো নাম, ঠিকানা, আপনার এই সাইটের ইউজার নেম এবং বিকাশ নম্বর অথবা ব্যাঙ্ক একাউন্টের বিবরনী পাঠিয়ে দিবেন। প্রতিমাসেই আপনাকে আপনার ফুটপ্রিন্ট একাউন্টের একটি স্টেটমেন্ট পাঠানো হবে যেখানে আপনি দেখতে পারবেন আপনার উপার্জিত অর্থের পরিমান। ব্যান, ডিলিট বা রিজেক্ট হয়ে যাওয়া কোন পোস্টের জন্য কোন ধরনের পেমেন্ট আপনি পাবেন না।

২। বিকাশের মাধ্যমে।

টাকা কখন পাঠানো হবে?

আপনার একাউন্টে জমা হওয়া টাকা প্রতিমাসের ২৭ তারিখে পাঠানো হবে। তবে আপনার একাউন্টে নূন্যতম ব্যালেন্স ১০০০.০০ টাকা হতে হবে। এর আগে পাঠানো হবে না। আপনি যদি এই মাসে রেজিস্টার করেন, তাহলে আপনার টাকা পাঠানো শুরু হবে তার পরবর্তী মাস থেকে। যদি ধরি এখন জানুয়ারী মাসের ৮ তারিখ আপনি শুরু করেছেন। তবে আপনার প্রথম পেমেন্ট পৌছাবে ফেব্রুয়ারীর ২৭ তারিখে।

 

যদি আপনি ফুটপ্রিন্টার হয়ে থাকেন বা নতুন ফুটপ্রিন্টার হতে চান তবে আমাদের ফেইসবুক গ্রুপ এ জয়েন করুন এবং আমাদের ফেইসবুক পেইজ ফলো করুন।

ফুটপ্রিন্ট ফেইসবুক গ্রুপ লিংক – https://www.facebook.com/groups/bangladeshism.footprint/

ফুটপ্রিন্ট ফেইসবুক পেইজ লিংক – https://www.facebook.com/footprint.pr/

 

” যে কোন সময় যে কোন সিদ্ধান্ত পরবর্তনের অধিকার ফুটপ্রিন্ট কর্তৃপক্ষ রাখে।  “

 

কিভাবে ফুটপ্রিন্ট প্লাটফর্মে লেখালেখি করবেন?

Now Reading
কিভাবে ফুটপ্রিন্ট প্লাটফর্মে লেখালেখি করবেন?

আপনি যদি আমাদের পেজে প্রথম ঢুকে থাকেন তাহলে আপনার যা যা করণীয় আছে, বা কিভাবে আপনি এখানে ব্রাউজ করবেন বা কিভাবে আপনি এখানে নতুন আইডি বানাবেন তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

আপনি যদি আমাদের এখানে লিখালিখি করতে চান যদি আপনি নতুন হয়ে থাকেন তবে প্রথমে আপনাকে একটি নতুন আইডি খুলতে হবে। কোথায় খুলবেন তা নিচের ছবিতে দেয়া হল।

যদি আপনি রেজিস্ট্রেশনে ক্লিক করেন তাহলে এমন একটি পেজ আসবে।

এটাই হচ্ছে আমাদের রেজিস্ট্রেশন ফরম। এখানে আপনি আপনার নাম দিবেন, প্রথম নাম এবং শেষ নাম। এরপর দিবেন আপনার ব্যাবহার করা Email টি। যেন আপনার পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও যেন ভেরিফিকেশন কোডের মাধ্যমে সেটি পুনরায় Reset করতে পারেন।

যদি আপনি আইডি খুলে থাকেন তবে এখানে গিয়ে লগইন করতে পারবেন।

এবার আপনি পোস্ট করার আগে আমাদের কিছু গাইডলাইন আছে যা এই ‘গাইডলাইনে‘ ক্লিক করলে পাবেন এবং এই গাইডলাইন গুলো ফলো করে আপনাকে পোস্ট করতে হবে। নাহয় আপনার পোস্ট সাবমিট হবে না, অর্থাৎ আপনার পোস্টটি আমাদের এই সাইটে আসবে না।

এখানে আপনি চাইলে আপনার পোস্ট সাবমিট করে টাকা পেতে পারেন এ ক্ষেত্রে আপনাকে আমাদের ‘পেমেন্ট এবং প্রসিডিওরে‘ গিয়ে আমাদের নিয়ম কানুন গুলো ফলো করতে হবে।

এরপর আসুন পোস্ট কিভাবে সাবমিট করবেন। যদি আপনি পোস্ট “সাবমিট করুনে” ক্লিক করেন তবে এরকম একটি পেজ ওপেন হবে।

এবার দেখবেন একটি বারের উপর Post Title লেখা আছে। এখানে আপনি আপনার পোস্টের টাইটেলটি লিখবেন। এমন টাইটেল দিবেন যেন পাঠকের ইচ্ছা হয় পোস্টটি পড়তে।

এরপর দেখা যাবে ‘Category’  এখানে আপনি আপনার পোস্টটি কিসের উপর লিখছেন সেটা দিবেন, যেমন ধরুন আপনি কোন মোবাইল বা টেকনোলোজি নিয়ে লিখছেন, এক্ষেত্রে আপনাকে ‘টেক রিভিউ’ তে সিলেক্ট করতে হবে, ধরুন কোন গল্প লিখেছেন তবে ‘সাহিত্য কথা’ সিলেক্ট করুন। এভাবে আপনার পোস্টটি কিসের উপর লিখছেন তা এখানে Category তে সিলেক্ট করবেন।

 

এরপর আসবেন ‘Post Description’ এখানে আপনার পোস্টটির বিবরণ হবে।

এরপর ধরুন আপনি আপনার পোস্টের বিবরণের মাঝে আপনি ছবি দিতে চাচ্ছেন, এক্ষেত্রে আপনাকে কোথায় ছবি দিবেন সেখানে সিলেক্ট করে Post Description এর নিচে লেখা ‘Insert Photo’ তে ক্লিক দিইয়ে আপনার ছবিটী সিলেক্ট করুন।

এরপর আছে ‘Featured Image’ এখানে হবে আপনার পোস্টেটির মুল ছবি। যা দিয়ে পুরো পোস্টটির একটি ধারনা থাকবে ঐ ছবিতে। এবং এই ক্ষেত্রে এটি আপনারে মুল ছবি হবে।

এরপর আছে ‘Tags’.  এটির মানে হচ্ছে বন্ধ করা যদিও। তবে আমরা এটির সাথে অনেক আগে পরিচিত হয়েছি। যা আমরা ফেসবুকে ব্যাবহার করে থাকি। আমরা অনেক সময় #(হ্যস ট্যগ) ব্যাবহার করি, এটির মানে হচ্ছে #(হ্যস ট্যগ) এর পর যে ওয়ার্ড টা লেখা হবে তা জেন খুঁজলে সহযেই পেয়ে যায়। এখানেও ঠিক তেমন। পোস্ট থেকে এমন কিছু ওয়ার্ড ব্যাবহার করুন যেন পাঠকরা পড়তে এসে আপনার পোস্টটি সার্চ করতে চাইলে যেন সেটি খুঁজে পায়।

এরপর Did you check for Spelling Error? এ ঠিক চিহ্ন দিয়ে পোস্টটি সাবমিট করুন।

আমাদের গাইডলাইনের নিয়ম মেনে পোস্ট করলে অবশ্যই পাবলিশ করা হবে।

 

যেভাবে ভালো আর্টিকেল লিখবেন

Now Reading
যেভাবে ভালো আর্টিকেল লিখবেন

আমার এই আর্টিকেলটি আমি বাংলাদেশীজম ফুটপ্রিন্টের সকল ফুটপ্রিন্টারদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি।

প্রথমেই বলে রাখা ভালো, ফুটপ্রিন্ট হলো বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ফ্রিল্যান্সিং সাইট যেখানে যেকোনো বাংলাদেশী ঘরে বসেই লেখালেখির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। প্রায় এক মাস হতে যাচ্ছে এটির বয়স। অনেক লেখা আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেক লেখক খুব ভালো লিখছেন।

ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার ফেসবুকে অনেক মেসেজ পেয়ে থাকিঃ “কিভাবে ভালো লিখতে পারি? একটু হেল্প চাই”- এই টাইপের। কারণ, অনেকেই তাদের লেখালেখি শুরু করেছেন এই ফুটপ্রিন্ট দিয়েই; আমি বলছিনা যে ফুটপ্রিন্টে লেখালেখি করে আপনি মিলিয়নিয়ার হয়ে যাবেন, কিন্তু গাইডলাইন মেনে নিয়মিত লেখালেখি করলে আর আপনার লেখা পাবলিশ হলে অন্তত নিজের হাত খরচটা সহজেই তুলতেই পারবেন।

আজকের এই আর্টিকেল লেখার মূল উদ্দেশ্য হলোঃ

১। ফুটপ্রিন্টাররা যেন আরো ভালো লেখা লিখতে পারেন

২। নির্ভুল বানানে আরো উন্নত ভাষায় ও লেখার মাঝে যুক্তিখন্ডনে আরো বেশি পারদর্শী হতে পারেন

৩। তাদের লেখার মান যেন প্রোফেশনাল লেভেলে আসতে পারে, এছাড়াও

৪। সাবলীল ভাষায় যুক্তিসম্পন্ন লেখা উপহার দিতে পারেন।

আমি ব্যক্তিগতভাবে সব সময় একটা কথা বলে থাকি আমার ফুটপ্রিন্টার বন্ধুদের উদ্দেশ্যে; সেটি হলঃ

“ভালো লেখা লিখতে হলে কিছু ভালো বই পড়তে হয়, ভালো চিন্তায় মগ্ন হতে হয়; কিছু ভালো মানুষের সাথে মিশতে হয়, সমাজ আর চারপাশকে বুঝতে শিখতে হয়”

আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাচ্ছি মূল টপিকেঃ

১। কোন বিষয়ের উপর লিখবেন সেটি নির্ধারণ করাঃ

কি নিয়ে লিখবেন, সেটি প্রথমেই ঠিক করে নেয়া উচিত। যেমনঃ আপনার মাথায় এলো, আপনি মিউজিক বা গান-বাজনা নিয়ে কিছু লিখবেন; এখন, গান-বাজনার ব্যাপ্তি তো অনেক বড়, তাহলে এর কোন সাইড নিয়ে লিখবেন? বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে লিখতে পারেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যান্ড দল নিয়ে, তাদের জনপ্রিয় গান, এলব্যাম, ব্যান্ডের জনপ্রিয় লাইন-আপ- ইত্যাদি প্রসঙ্গে। আপনাকে অবশ্যই সঠিক বিষয়বস্তু প্রথমেই নির্ধারণ করে নিতে হবে। আপনি আপনার লেখার টপিক বা বিষয়বস্তু সম্বন্ধে কিছু পয়েন্ট আউট করে রাখতে পারেন যা লেখার ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

২। পূর্বপ্রস্তুতি বা পূর্বজ্ঞান থাকাঃ

লেখা শুরু করার আগে কিছুটা পূর্বপ্রস্তুতি কিংবা পূর্বজ্ঞান থাকা প্রয়োজন। যা আপনাকে পুরোদমে লিখতে সাহায্য করবে; লেখার মূল টপিক অনুযায়ী যুক্তিসঙ্গত লেখা লিখতে সহায়ক হবে। যেমনঃ কিছুদিন আগে আমি ড্রোন বিষয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম এই শিরোনামেঃ “যদি বাংলাদেশের ড্রোন বিমান থাকতো!”। তো, এই ড্রোনের ব্যাপারে আমার জ্ঞান খুব একটা ছিলোনা বললেই চলে, আমি কি করলাম? আমি ড্রোন এর ব্যাপারে সময় পেলেই পড়াশুনা করতাম। এটি কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, কিভাবে আকাশে উড়ানো হয়, কোন ধরণের ড্রোন কোন কাজে ব্যবহার করা হয়, এমনকি এটি কিভাবে তৈরী করা হয়। এছাড়াও ড্রোন নিয়ে ইউটিউবে ভিডিও দেখেছিলাম প্রচুর।

সুতারাং, কোন কিছু শূণ্য জ্ঞান নিয়ে না লেখাটাই শ্রেয়।

৩। পাঠকদের চাহিদা বুঝে লেখাঃ

আপনার লেখাটি কোন ধরণের পাঠকের কাছে পৌছাচ্ছে, কোন বয়সী, কোন দেশী, তারা কেমন লেখা আশা করে – সব মিলিয়ে পাঠকের কথা , তাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে লিখতে হবে। যেহেতু, আপনি বাংলাদেশীজম এর একটি প্রজেক্ট থেকে লিখবেন, সুতরাং অবশ্যই এটি মাথায় রাখতে হবে বাংলাদেশের মানুষ কোন ব্যাপারটিকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

৪। শব্দশৈলী ও নির্ভুল বানানে মনোযোগী হওয়াঃ

শব্দশৈলীকে একটা আর্টিকেলের প্রাণও বলা যেতে পারে। কারণ, লেখাতে আপনার শব্দ নির্বাচন যত বেশি সাবলীল হবে, প্রাণোচ্ছল হবে, আপনার পাঠকদের কাছে আপনার লেখা তত বেশি আকর্ষণীয় হবে। যেমন, আমার এই লেখাতে আমি বঙ্কিমচন্দ্রের পুরোনো লেখার মত এমন কোনো শব্দের ব্যবহার করছি না, যা কিনা মানুষের জ্ঞানের বাইরে, আবার, এমন কোনো শব্দও ব্যবহার করছিনা যা পড়তে খুব খারাপ শোনায়। আপনার লেখার ভাষাগত দিক নির্ভর করে শব্দশৈলীর উপরে।

এছাড়াও শুদ্ধ বানান প্রকাশ করবে আপনার সেই ভাষার উপর দক্ষতা। শুদ্ধ বানান লিখতে অবশ্যই নিজস্ব জ্ঞান থাকাটা অত্যাবশ্যকীয়। বানানের ব্যাপারটা গড়ে ওঠে সেই প্লে-গ্রুপ বা ক্লাস ওয়ান পরবর্তী সময় থেকেই। যারা স্কুল আর কলেজে বাংলা বানানের প্রতি সমীহ দেখায়নি, তারা তো বাংলা বানান ভুল করবে- এটাই স্বাভাবিক। যারা বানান ভুল করেন, তাদেরকে বলছি, বানান সন্দেজনক মনে হলে বাংলা অভিধান কিংবা অভ্র টাইপিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন। আপনার বন্ধু বা কাছের কারো সাহায্যও অনেক বড় ভূমিকা পালন করতে পারে বানান শুধরানোর ব্যাপারে। এটি অবশ্যই একদিনে ঠিক হবেনা, কারণ, ভুলের ব্যাপারটা একদিনে গড়ে ওঠেনি; তাইনা? সুতরাং ধৈর্য ধরে চেষ্টা করতে থাকুন।

৫। বাক্যে সঙ্গতি ঠিক রাখা ও যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহারঃ অনেক লেখাতে আমি দেখেছি, বাক্যের সঙ্গতি ঠিক থাকেনা, মানে বাক্য মেলাতে পারেনা ঠিক মত। যা কিনা লেখাকে পাঠকের কাছে জটিল করে তোলে এবং পাঠক সেই লেখা পড়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই বলি কি, একটা পূর্ণ বাক্য লেখার পরে সেই বাক্যটি ভালো করে পড়ে দেখবেন। এছাড়াও যতি চিহ্নের সঠিক ব্যবহার না হলে লেখার সঙ্গতি এমনিতেই হারিয়ে যাবে। সঠিক স্থানে যতি চিহ্নের ব্যবহার আপনার লেখার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ।

৬। সমসাময়িক বা ট্রেন্ডিং ব্যাপারগুলোতে প্রাধান্য দেয়াঃ শুধুমাত্র টাকার জন্য লিখে গেলে শুধু টাকাই পাবেন। টাকার দিকে মনোযোগী হয়ে গেলে দেখবেন, আপনার লেখা পাঠকপ্রিয়তা পাচ্ছেনা। একজন লেখকের লেখা কিন্তু তখনই সার্থক হয়, যখন তার সেই লেখা পাঠকপ্রিয় হয়, সমাজ কিংবা দেশে আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়। তাই সময় ও চারপাশের পরিস্থিতি বুঝে, সমাজ ও দেশের অবস্থা বুঝে ট্রেন্ডিং ব্যাপারগুলোতে মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন এবং সেইসব বিষয় নিয়ে লেখার চেষ্টা করুন; তাতে করে আপনার লেখাও পাঠকপ্রিয় হবে ফলে আপনার মনের উপর তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে আরো ভালো এবং আকর্ষণীয় কিছু লেখার আগ্রহ পাবেন সামনের সময়গুলোতে।

৭। লেখা শেষে কয়েকবার লেখাটি মনোযোগ সহকারে রিভাইজ দেয়াঃ যে এই কাজটি মনোযোগ সহকারে করতে পারবে, তার লেখাটাই সেরা হবে; বিশ্বাস করুন, আমি নিজের কথাই বলি, আমি জানি, আমার লেখাতে বানান ভুল কিংবা কোন প্রকার শব্দ বা বাক্যগত ভুল হয়না, কিন্তু তারপরেও লেখা শেষে বা সাবমিট করার পূর্বে মিনিমাম ৪ থেকে ৫বার রিভাইজ দিই, কারণ অভ্র তে টাইপ করার সময় লেখা এদিক সেদিক হবেই, হতে বাধ্য, ঠিক এই বাক্যটি লেখার সময় ৩বার সমস্যায় পড়তে হয়েছে আমাকে। তাই আপনাদেরকেও বলছি, লেখা শেষে বারবার রিভাইজ দেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

সবশেষে- খুব গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকরী একটি উপায় বলে দিচ্ছি ভালো আর্টিকেল বা লেখা লিখতে। এর চাইতে বড় ঔষধ মনে হয়না আর আছে; এটি আপনাকে ভালো আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি সাহায্য করবে এবং সব সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। কি, কবিরাজি স্টাইলে কথা বলে ফেললাম নাতো?

সেটি হলোঃ

আপনাকে প্রচুর পরিমাণে ভালো বই ও দৈনিক পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

উপরের এই ঔষধের ব্যাখ্যাতে আমি যাবোনা। কারণ, এর ব্যাখ্যা খুজেঁ বের করাটা আপনাদেরই কাজ। এই সু-অভ্যাসটি গড়ে তুলে লেখালেখি করতে থাকুন, বিশ্বাস করুন, আগামী তিন মাসের মাথায় আপনিই আমাকে লেখকদের গ্রুপে কিংবা আমার ফেসবুকের ইনবক্সে নক করে বলবেন, “ডাক্তার ভাই, আপনার ঔষধে আমার কাজ হয়েছে! আমার লেখা এখন সকল প্রকার জীবাণুমুক্ত!” হাহাহা, একটু মজা করলাম; কিন্তু সত্যটাই বললাম।

আমি ছোটবেলা থেকেই প্রচুর বই পড়ি, দৈনিক পত্রিকা না পড়লে আমার খাবার যেন হজমই হতো না; না, আমাকে পিটিয়ে আমার বানান শুদ্ধ করাতে হয়নি কাউকে, নিজের থেকেই ছোটবেলা থেকে শুদ্ধ বানান শিখে বড় হয়েছি, কারণ আমি ভুল বানান সহ্য করতে পারতাম না; আর লেখনী ভালো হয়েছে সাহিত্যের বই পড়াতে। আমার মা কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা সাহিত্যের প্রথম ব্যাচের ছাত্রী, সেখান থেকেই তার অনার্স-মাষ্টার্স, তাই হাতের কাছেই ছোট বয়সে অনেক বড় মাপের লেখকদের বই পেয়েছিলাম, তেমন বুঝতাম না তখন কিন্তু কিসের এক অজানা আগ্রহে পড়ে যেতাম, পরে বই পড়া আর লেখালেখিটা নেশার মত হয়ে উঠেছিল। আর নিজের ব্যাপারে বলতে চাচ্ছিনা। এই পর্যন্তই থাক।

এগারোশো শব্দের বেশি এই লেখাটি শুধুমাত্র আপনাদের উদ্দেশ্যেই লেখা। আশা রাখি, আমার এই লেখা আপনাদের একটু হলেও উপকারে আসবে। আর আপনাদের উপকারে এলেই তবে আমার স্বার্থকতা !

আজ থেকেই তাহলে শুরু হোক নতুন উদ্যোমে লেখালেখি……….

Page Sidebar