আমরা কখন শিখব?

Now Reading
আমরা কখন শিখব?

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো আমাদের একটি উদ্ধৃতি মনে করিয়ে দেয় “ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা হল যে মানুষ ইতিহাস থেকে শিখতে পারে”। দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার ধারাবাহিক পুনরাবৃত্তি শত শত নির্দোষকে হত্যা করে আমাদের আশ্চর্য করে তুলে, আমরা কি প্রতিরোধ করতে পারিনি অতীতে ঘটে যাওয়া একই ঘটনা থেকে আমরা যদি শিক্ষা নিয়ে থাকি তাহলে এই দুর্যোগগুলো কেন চলেছে ?

২০১০ সালে, পুরাতন ঢাকার নিমতলীতে আগুনে ১২২ জন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল, আমরা ভাবলাম ভবিষ্যতের ঘটনাগুলো প্রতিরোধ করার জন্য স্টেকহোল্ডারদের যথেষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে। ২০১৯ সালের শুরুতেই পুরান ঢাকায় আরেকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, রাসায়নিক পদার্থের অবৈধ স্টোরেজের একই যুক্তিসঙ্গত কারণ, এবং ৭০ জন মানুষের মারাত্মক অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।
খুব বেশিদিন আগে না আমাদের স্কুলে যাওয়া শিশু রাস্তার দুর্ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকার রাস্তায় নেমে আসে শিক্ষার্থীরা। কর্তৃপক্ষের জন্য দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে আশা করি যা রাস্তায় সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা কমিয়ে দেবে। সংবাদপত্রগুলোতে রাস্তায় নৃশংস মৃত্যুর খবর দেখে নিজেকে খুব অসহায় লাগে, আমাদের কি করনিয় কিছুই নেই?
এই অসাধারণ আন্দোলনের পর, কিছু সপ্তাহের জন্য জিনিসগুলি আরও ভালো লাগে, তবে “স্বাভাবিকতার” দিকে ফিরে যাওয়ার জন্য বেশি সময় নেয়নি। রানা প্লাজা দুর্ঘটনাজনিত কারণে আমরা ঢাকায় নির্মাণের অসম্পূর্ণতায় ফিরে যাওয়ায় সচেতন হইনি। তবুও, একাধিক মারাত্মক ঘটনা সত্ত্বেও, আমরা সঠিক বিল্ডিং কোডগুলি অনুসরণ করার বিষয়ে এখনো উদ্বিগ্ন হব না।
বনানীতে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে আবারও আলো জ্বলছে। কিন্তু সম্ভবত একটি সীমিত সময়ের জন্য, এবং আমরা শীঘ্রই তা ভুলে যাব। অবশ্যই বলতে চাই যে একটি জাতি হিসাবে, আমাদের স্মৃতি এমনকি একটি সোনারফিশ চেয়ে খারাপ। আমরা স্বীকার করেছি যে মারাত্মক ঘটনা ঘটবে, যে বিশাল মিডিয়া কভারেজ অনুসরণ করবে, টেলিভিশনের টক শোগুলি “হওয়া উচিত। এর পর সবকিছুই নীরব হয়ে যাবে। যতক্ষণ না আমরা অতীত থেকে শিখছি এবং সিস্টেমের ত্রুটিগুলি সমাধান করছি সেই অভিজ্ঞতাটি ব্যবহার করে থাকি, ততক্ষণ পর্যন্ত সবকিছু ঘটতে থাকবে, সবচেয়ে দুঃখজনক ভাবে প্রিয়জনকে হারাতে থাকবে।

হঠাৎ সেন্ট মার্টিনে বিজিবি মোতায়েন!

Now Reading
হঠাৎ সেন্ট মার্টিনে বিজিবি মোতায়েন!

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কর্মীদের গতকাল সেন্ট মার্টিন দ্বীপে “ভারী অস্ত্র” দিয়ে চোরাচালান পরীক্ষা এবং বঙ্গোপসাগরের ছোট্ট দ্বীপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছিল। গতকাল বিজিবি সদর দফতর থেকে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থাপনা সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করে। তবে ২২ বছর পর সরকার বিজিবির সদস্যদের নিয়োগের জন্য কী নির্দেশ দিয়েছে তাও বলা হয়নি।
সরকারের নির্দেশ অনুসারে বিজিবিকে দক্ষিণ সেন্ট্রাল পয়েন্ট, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ভারী অস্ত্র দিয়ে পুনর্বহাল করা হয়েছে। 1997 সাল পর্যন্ত বিজিবি তার নিরাপত্তার জন্য দ্বীপে নিয়োজিত ছিল। দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় বিন্দু পাহারা দেওয়ার জন্য সরকার বিজিবিকে পুনরায় বরাদ্দ দিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু মিয়ানমারের পুলিশের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শাফেঈনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন ১১ সদস্যের বিজিবি প্রতিনিধি মিয়ানমার সফরকালে মিয়ানমারের একটি উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। মায়ানমারের রাজধানী নয়াপিডাউতে শুরু হওয়া পাঁচ দিনের সম্মেলন বাংলাদেশে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্য প্রবাহ বন্ধ এবং সন্ত্রাসবাদ ও দমন নিষিদ্ধকরণ সম্পর্কিত মতামত নিয়ে আলোচনা করবে।
ঢাকার বিজিবি সূত্র জানায়, কক্সবাজারসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের পাশাপাশি আধা সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা গতকাল সকালে দ্বীপটিতে টহল শুরু করে।

সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারের সরকারী ওয়েবসাইটগুলি সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে তার অঞ্চলের অংশ হিসেবে দেখায়। বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুইবার ঢাকায় মায়ানমারের দূতকে আহ্বান জানিয়েছে – গত বছরের অক্টোবরে এবং ফেব্রুয়ারি মাসে এবং মায়ানমারের দাবির বিরুদ্ধে দৃঢ় প্রতিবাদ জানিয়েছে। মিয়ানমারের প্রতি “জোরালোভাবে কথিত” প্রতিবাদ নোটে মন্ত্রণালয়ও তৎক্ষণাৎ সংশোধনমূলক ব্যবস্থা দাবি করেছে এবং দায়িত্ব নেয়ার জন্য নয়াপিডোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ও মিথ্যা দাবিগুলি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ ইস্ট এশিয়া উইংয়ের মহাপরিচালক দেলোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মিয়ানমারের সরকারি ওয়েবসাইটগুলি যা সেন্ট মার্টিন দ্বীপকে তাদের অঞ্চল হিসাবে দেখায় গত বছর অক্টোবরে বাংলাদেশ প্রতিবাদ করার কয়েক মাস পর অব্যাহত ছিল। কিন্তু একই মাসে মিয়ানমারের সরকারি ওয়েবসাইটগুলিতে আবারও মিথ্যা দাবি করা হয়েছিল। গত বছর ৬ই অক্টোবর বাংলাদেশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানায়।

জবাবে মায়ানমার ২১শে অক্টোবর একটি নোট লিখেন যে, প্রতিষ্ঠানটি সেন্ট মার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে মিথ্যাভাবে উল্লিখিত সমস্ত লিঙ্কও মুছে ফেলেছে।” কিন্তু মহান উদ্বেগের সাথে বাংলাদেশ কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেছেন যে মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনসংখ্যা বিভাগের ওয়েবসাইটে উন্নত ইন্টারেক্টিভ মানচিত্র (www.dop.gov.mm), মায়ানমারের মতো সেন্ট মার্টিন দ্বীপের জনসংখ্যা এবং ভূমি টাইপের অনুরূপ তথ্য গ্র্যাডিয়েন্টগুলিও চলতে থাকে।

আজও বাতিল ক্লাস ও পরীক্ষা, বন্ধ শাটল ট্রেন।

Now Reading
আজও বাতিল ক্লাস ও পরীক্ষা, বন্ধ শাটল ট্রেন।

চার দফা দাবী আদায়কে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) পুলিশের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগের একাংশের ডাকা ছাত্র ধর্মঘট চলাকালে রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। লাগাতার অবরোধের দ্বিতীয় দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষাসমূহ স্থগীত রয়েছে।

জানা গেছে, শিক্ষক বাস না আসায় এবং শাটল ট্রেন না চলার কারণে স্থগিত করা হয়েছে মার্কেটিং,লোক প্রশাসন,মেরিন সায়েন্স,নৃ-বিজ্ঞান,পদার্থবিজ্ঞান, ইতিহাস সহ আরো কিছু বিভাগের পরীক্ষা। এছাড়াও শাহ আমানত হলের সামনে রাস্তা বন্ধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা।

ধর্মঘটের অংশ হিসেবে রোববার সকালে ছাত্রলীগের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয় এবং শাটল ট্রেনের লোকোমাস্টারকে তুলে নিয়ে যায়। ফলে দুর্ভোগে পড়েন শিক্ষার্থীরা।আজ সকাল থেকেও কোনো ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়নি।

মালেশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৫ বাংলাদেশী

Now Reading
মালেশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৫ বাংলাদেশী

মালেশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ৫ বাংলাদেশী সহ কমপক্ষে ১১জন নিহত হয়েছেন,আহত হয়েছেন আরো ৩৪ জন।

স্থানীয় সময় রোববার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন এমএএস কার্গো কমপ্লেক্সের কাছে এ দুঘর্টনাটি ঘটে।মালয়েশিয়ার নিলাই থেকে বিমানবন্দর অভিমুখে যাত্রাকালে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানা যায়।
মালয়েশিয়ার পুলিশ জানায়, নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি শ্রমিক। তারা হলেন- মো. রাজিব মুন্সী (২৬), মো. সোহেল (২৪), আল আমিন (২৫), মোহিন (৩৭) ও গোলাম মোস্তফা (২২)।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন সাতজন বাংলাদেশি শ্রমিক । তারা হলেন- মো. নাজমুল হক (২১), মো. রজবুল ইসলাম (৪৩), ইমারন হোসাইন (২১), জাহিদ হাসান (২১), শামীম আলি (৩২), মোহাম্মাদ ইউনুস (২৭) ও মো. রাকিব (২৪)। আহতদের পুত্রজায়া ও সারদাং হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনা কবলিত লোকদের উদ্ধারে ফায়ার ও উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন।

৭৯ জন মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতা গ্রেপ্তার হলেন রাজধানীতে

Now Reading
৭৯ জন মাদক সেবনকারী ও বিক্রেতা গ্রেপ্তার হলেন রাজধানীতে

গতকাল বুধবার সকাল ছয়টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে ডিএমপির বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের হেফাজত হতে ২১৮৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০৬১ গ্রাম ১৪৩২ পুরিয়া হেরোইন, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম গাঁজা, ২৪ ক্যান বিয়ার, ৬ লিটার দেশী মদ ও ৯৮ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ। পুলিশ আরো বললেন, সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৮টি মামলা রুজু হয়েছে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সাথে শুরু হয়েছে বুড়িগঙ্গা পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Now Reading
অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানের সাথে শুরু হয়েছে বুড়িগঙ্গা পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তীরে চলছে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। এই অভিযান এক মাসের বেশি সময় ধরে চলছিল। সেই সাথে দখলদারদের মাধ্যমে নদীর জায়গা ভরাট করা এবং মাটি অপসারণের কাজও চলছে। একইসাথে এবার বুড়িগঙ্গা পরিচ্ছন্নতা অভিযানও শুরু হয়েছে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী গতকাল বুধবার সদরঘাটের লালকুটি এলাকায় বেলচা হাতে নিয়ে বুড়িগঙ্গার তীরে জমে থাকা নানা ধরনের বর্জ্য সরানোর কাজে নেমে পড়েন। সেই সাথে তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য কর্মকর্তারাও তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করেন। পরে হাতলওয়ালা জালের মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী নৌকায় চড়ে নদীর ভেতর থেকে ভাসমান বর্জ্য, প্লাস্টিকের বোতল-পলিথিন এসব বস্তু তুলে আনেন এবং এভাবেই শুরু হয় পরিচ্ছন্নতা অভিযানের কার্যক্রম।

দুর্ভাগ্য আমাদের নদীকে বাঁচানোর জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। নিজেদের দায়িত্ব থেকে নদীকে দূষণমুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করলেন প্রতিমন্ত্রী। পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ধেধন উপলক্ষে সদরঘাটে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এবার আগুনে খিলগাঁওের কাঁচাবাজারের অর্ধশত দোকান পুড়লো

Now Reading
এবার আগুনে খিলগাঁওের কাঁচাবাজারের অর্ধশত দোকান পুড়লো

আগুন লাগাটা যেন নিত্যদিনের বিষয়ে পরিণত হয়েছে আমাদের দেশে। রাজধানীর বনানী, গুলশান, ডেমরা, গাউছিয়া মার্কেট ও তোপখানা রোডে ট্রপিক্যাল টাওয়ারের পর এবার আগুন লাগল খিলগাঁও বাজারে। খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে কামারপট্টি বাজারে বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অর্ধশতাধিকের বেশি দোকান পুড়ে গেছে রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে।

প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা করার পর ফায়ার সার্ভিসের ১৬টি ইউনিট সোয়া ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রন আনতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে কামারপট্টি বাজারের আগুন ভোর সোয়া ৫টায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে মন্তব্য করেন ফায়ার সার্ভিস সংশ্লিষ্টরা। এখনো পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

এর আগে গত ২৮ মার্চ ২৬ জন নিহত ও ৭১ জন আহত হন বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায়। এরপর আবার আগুন লাগে ৩০ মার্চ গুলশান-১ ও ২ নম্বর এলাকায়। ১ এপ্রিল রাজধানীর ডেমরা ও গাউছিয়া মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর পর দিন তোপখানা রোডে ট্রপিক্যাল টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

চলছে ৯টি পাটকলে শ্রমিকদের টানা ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘট

Now Reading
চলছে ৯টি পাটকলে শ্রমিকদের টানা ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘট

শ্রমিকরা ৭ থেকে ৯ সপ্তাহের মজুরি না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খুলনার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের শ্রমিকরা ৭২ ঘণ্টার ধর্মঘট ও প্রতিদিন চার ঘণ্টা করে সড়কপথ-রেলপথ অবরোধের কর্মসূচি পালন করছেন, বকেয়া মজুরি পরিশোধ এবং মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ৯ দফা দাবিতে।
আজ বুধবারও চলছে ৯টি পাটকলে শুরু হওয়া টানা ৭২ ঘণ্টার শ্রমিক ধর্মঘট। ৯ দফা দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত ৯টি পাটকলে শুরু হয়েছিল ৭২ ঘন্টার শ্রমিক ধর্মঘট। সেই সঙ্গে পাটকল শ্রমিকরা আজ বুধবার খুলনা-যশোর মহাসড়ক এবং রেলপথ অবরোধ করে রেখেছেন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। তারা নতুন রাস্তা মোড়ে অবস্থান নিয়ে খুলনা-যশোর মহাসড়ক, নতুন রাস্তা মোড় থেকে সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সড়ক, বিআইডিসি সড়ক এবং রেলপথ অবরোধ করে রেখেছেন। এ ছাড়াও শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল, টায়ারে আগুন জ্বেলে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও সমাবেশ করছেন।
সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি ও উৎপাদনশীলতা কমিশন-২০১৫ সুপারিশ বাস্তবায়ন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের পি এফ গ্র্যাচুইটি ও মৃত শ্রমিকের বিমার বকেয়া প্রদান, টার্মিনেশন, বরখাস্ত শ্রমিকদের কাজে পুনঃবহাল, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও স্থায়ী করা, পাট মৌসুমে পাটক্রয়ের অর্থ বরাদ্দ, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিলগুলোকে পর্যায়ক্রমে বিএমআরই করাসহ নয় দফা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছিল বলে মন্তব্য করেন আন্দোলনরত শ্রমিক নেতারা। কিন্তু আমাদের দাবিগুলো এখনও বাস্তবায়ন না হওয়ায় আমরা রাজপথে আবার নামতে বাধ্য হয়েছি।
শ্রমিকরা ৭ থেকে ৯ সপ্তাহের মজুরি না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে মন্তব্য করেন এ বিষয়ে পাটকল শ্রমিক নেতা সোহরাব হোসেন। তিনি আরো বলেন তারা তাদের সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ, ঘর ভাড়া দিতে পারছেন না। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তারা আন্দোলনে নেমেছেন বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন , অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে

Now Reading
প্রধানমন্ত্রীর ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন , অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে

কিছুদিন পরপর আমাদের দেশে অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটছে। এবং এর ফলে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সাথে অনেক মানুষ নিহত হচ্ছে। তাই অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে ১৫টি অনুশাসন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে তিনি এসব অনুশাসন দেন। মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম।
অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুশাসনগুলো হলো-
১. ফায়ার সার্ভিসের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে হাইরাইজ বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে এবং অগ্নিদুর্ঘটনা এড়ানোর পরামর্শগুলো মানা হচ্ছে কিনা সেগুলোর নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।
২. ভবনগুলোর অগ্নিনিরোধক সিস্টেম বা ক্লিয়ারেন্স প্রতি বছর নবায়ন করতে হবে। আবাসিক ও বাণিজ্যিক সব ভবনের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
৩. বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ করতে হবে এবং এর কোনও ব্যত্যয় সহ্য করা হবে না।
৪. বিভিন্ন ভবন বা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ফায়ার ড্রিল করতে হবে এবং এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
৫. অগ্নিকাণ্ডের সময় ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণের কোনও উপায় আছে কিনা তা খুঁজে বের করতে হবে। কারণ আগুনে পোড়ার চেয়ে ধোঁয়ার কারণেই বেশি নিহতের ঘটনা ঘটে।
৬. রাজধানীতে প্রায়ই পানির অভাবে আগুন ঠিকমতো নেভানো যায় না। এজন্যই আগুনের কথা মাথায় রেখে রাজধানীতে পর্যাপ্ত জলাশয় ও জলাধার তৈরি করতে হবে।
৭. রাজধানীর আশপাশের লেকগুলো সংরক্ষণ করতে হবে।
৮. অগ্নিকাণ্ড বা অন্যান্য দুর্ঘটনায় ২৩ তলা পর্যন্ত পৌঁছানোর উপযোগী লেডার/লম্বা সিঁড়ি তিনটি আছে ফায়ার সার্ভিসের। এর সংখ্যা বাড়াতে হবে।
৯. বাসাবাড়ি, অফিস বা বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করতে হবে চারপাশে দরজা-জানালাসহ এবং শত ভাগ ফায়ার এক্সিট নিশ্চিত করতে হবে।
১০. বৈদ্যুতিক দরজা পরিত্যাগ করে অন্য দরজা লাগাতে হবে যাতে বিদ্যুৎ না থাকলে বা দুর্ঘটনার সময় তা খোলা যায়।
১১. ভবনের চারপাশে জাল লাগানো সিস্টেম থাকতে হবে। কেউ যাতে ওপর থেকে পড়ে মারা না যায় সেজন্য এই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১২. হাসপাতাল ও স্কুলে অবশ্যই বারান্দা রাখতে হবে যেন কোনও দুর্ঘটনার সময় মানুষ আশ্রয় নিতে পারে।
১৩. ইন্টেরিয়র ডিজাইনাররা জায়গা বাঁচাতে ভবনের ভেতর সব জায়গা বন্ধ করে ডিজাইন করে। এরকম কোনও ডিজাইন করা যাবে না। মানুষ যেন অবাধে যাতায়াত করতে পারে সেই ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১৪. দুর্ঘটনার সময় মানুষ যাতে লিফট ব্যবহার না করে সেজন্য সচেতনতা বাড়াতে হবে।
১৫. যে কোনও ভবনে আশা-যাওয়ার জন্য একাধিক দরজা রাখতে হবে। ভবনে প্রবেশের একটা দরজার সিস্টেম পরিহার করতে হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব আরো জানান, মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে গণপূর্তমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২৪টি টিম রাজধানীর প্রতিটি ভবন পরিদর্শন করবে। ভবনগুলোতে অগ্নিদুর্গটনা এড়াতে নিরাপত্তামূলক পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে কিনা তা তারা দেখবে। তারা প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেবে।

কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে

Now Reading
কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে

কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা নিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িবহর হাসপাতালে প্রবেশ করে।
এর আগে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়িবহর রওনা হয়।
এদিকে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে বের করায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় কারাগার, পুরান ঢাকা, আলিয়া মাদরাসা চত্বরসহ আশপাশের এলাকায় কয়েকস্তরের নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্রী শহীদ মিনার রোড, শাহবাগসহ আশপাশের সড়কেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সব ধরনের যান চলাচল শিথিল করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে যে সড়ক দিয়ে সাবেক এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আসা হচ্ছে সেই সব সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় পুলিশের সাজোয়া যানও দেখে গেছে। শাহবাগ চত্বরে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‍্যাব-পুলিশ।
এর আগে গত ১০ মার্চ খালেদা জিয়াতে বিএসএমএমইউতে আনার সকল প্রস্ততি থাকলেও তাকে আনা হয়নি। সেদিন বিএসএমএমইউ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আব্দুল্লাহ আল হারুন জানান, যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করায় খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে পারেনি কারা কর্তৃপক্ষ। ’

Page Sidebar