কয়লা যেভাবে গেল..!

Now Reading
কয়লা যেভাবে গেল..!

কয়লা নিয়ে ময়লা ঘাঁটাঘাঁটি কম হচ্ছেনা তারপরও আসল রহস্য উন্মোচিত হচ্ছেনা। এদিকে আবার শোনা যাচ্ছে, যে পরিমাণ কয়লা গায়েব হয়েছে পরিমাণে নাকি তা আরো বেশি। দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে প্রায় দেড় লাখ টন কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার খবরে সরগরম গোটা দেশ। এদিকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলও দারুণ বিপাকে। তাদের ভাষ্য কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া সাময়িক বন্ধ হওয়াতে কয়লা গায়েব হওয়ার বিষয়টি নজরে আসে। প্রক্রিয়াটি নাকি বেশ কয়েক বছরের ব্যবধানেই কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতসারেই সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে সংশ্নিষ্টদের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বলছে, প্রকৃত দুর্নীতির মাত্রা নাকি আরও বেশি। ভিন্ন কৌশলে আরও লক্ষাধিক টন কয়লা অবৈধভাবে বিক্রি করা হয়েছে। তার মানে দাড়ায়, যে পরিমাণ কয়লার কথা বলা হচ্ছে আদতে তা দ্বিগুণ পরিমাণ গায়েব হয়েছে। ভাবছেন কিভাবে? কয়লা খনির ভূগর্ভে জমে থাকা পানি পাম্পের সাহায্যে অনবরত খনির বাইরে নিস্কাশন করা হয়। আর এই পানি এসে জমা হয় কয়লা খনির ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে যেখানে কয়লার ডাস্ট (ক্ষুদ্রাকৃতির কয়লা) জমা হতে থাকে। এই ক্ষুদ্রাকৃতির কয়লা পুনরায় শুকিয়ে জমা করা হয় কোল ইয়ার্ডে, যার কোনো প্রকৃত হিসাব সংরক্ষণ করা হয় না। ওয়াটার ট্রিটমেন্টে বছরে প্রায় ১৬ থেকে ২০ হাজার টন কয়লা উৎপাদন করা হয় যা কাগজে কলমে হিসেব রাখা হয়না। গত ৭-৮ বছর ধরে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট থেকে ডাস্ট কয়লা জমা করা হচ্ছে যার পরিমাণ দাড়ায় সোয়া লাখ থেকে দেড় লাখ টন।  এই হিসাব বহির্ভূত কয়লা কোল ইয়ার্ড থেকে আবার অবৈধভাবে বিক্রি করে দেওয়া হয় খনির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যোগসাজশে। সুতরাং ভাবুন কি ভয়াবহ অবস্থা এই খাতে…!

তবে আশার কথা হচ্ছে, বিষয়টির সমাধানে সরকারের স্বদিচ্ছার অভাব নেই। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নিজেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। বরখাস্ত হয়েছেন খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী হাবিব উদ্দিন আহমেদ, বদলী করা হয়েছে কোম্পানি সচিব ও মহাব্যবস্থাপক আবুল কাশেম প্রধানীয়াকে ও সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন আরো দুই কর্মকর্তা। এ ঘটনায় ইতিমধ্যে এই ৪ কর্মকর্তাসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতর, পেট্রোবাংলা ও অন্যান্য সংস্থার সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। এ নিয়ে একটি ভিডিও দেখুন নিচের লিংকে…

[youtube https://www.youtube.com/watch?v=HkcC_mT9q58&w=560&h=315]

শ্রাবণের বৃষ্টি ধারায় হয়তোবা আস্ত সব কয়লা গেল ক্ষয়ে..!

Now Reading
শ্রাবণের বৃষ্টি ধারায় হয়তোবা আস্ত সব কয়লা গেল ক্ষয়ে..!

বর্তমান সময়ের আলোচিত বিষয়ের অন্যতম হচ্ছে কয়লা গায়েব এর বিষয়টি। কয়লা এ আর এমন কি জিনিস? কচকচে কালো আর আগুনে পোড়াইলে ছাই। এ নিয়ে মাতামাতির কি আছে? আমারো যে এ ব্যাপারে এমনি এমনি আগ্রহ জন্মেছে তা কিন্তু নয়। আমি ভাবছি এত বিপুল পরিমাণ কয়লা সরাতে কি পরিমাণ ট্রাক লেগেছে এবং সময়ও বা কতটুকু লেগেছে! দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির ডিপো থেকে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা গায়েব হয়ে গেল যা কিনা কর্তৃপক্ষের অজ্ঞাতসারে। কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে কয়লা যাবে কোথায়? কৌতূহল বশত বার কয়েক মনে সন্দেহ দেখা দিল, শ্রাবণের বৃষ্টিতে তা ধুয়ে কিংবা ক্ষয়ে যায়নিতো? কয়লা কোন  পথে ক্ষয়েছে বা গেছে তা খোঁজার জন্য কমিটি হয়েছে বটে। কিন্তু প্রশ্ন খোঁজার পদ্ধতি কি? আদৌ কি এ কয়লা ডিপোতে ফিরে আসবে? ডিপোর নথিপত্রের হিসাব অনুযায়ী, খনি হতে উত্তোলন করার পর কয়লা যেখানে স্তূপাকারে রাখা হয় সেই জায়গায় কয়লা থাকার কথা প্রায় দেড় লাখ টন। এর বিপরীতে সেখানে কয়লা পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ছয় হাজার টনের কাছাকাছি। অর্থাৎ প্রায় এক লাখ ৪২ হাজার টন মত কয়লা হাওয়া, এর কোনো হদিসই নেই। গায়েব হয়ে যাওয়া এই কয়লার বাজার মূল্য প্রায় ২২৭ কোটি টাকা। উত্তোলন করা কয়লার প্রধান গ্রাহক হলো বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এদিকে কয়লার অভাবে দেশের একমাত্র এই কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বন্ধ হওয়ার জোগাড়। দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক এ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি সচল রাখতে এবং এর পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদনে গড়ে প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার টন কয়লা প্রয়োজন হয়।

যেটা নিয়ে শুরুতে আমার আগ্রহ তৈরি হয়েছে তা হল এর পরিমাণের ব্যাপকতা। সাধারণত কয়লা পরিবহণে যে ট্রাক ব্যবহার করা হয় তা দিয়ে এই প্রতি ট্রাকে ১০ টন করে হলেও, কমপক্ষে ১৪ হাজার ট্রাকের প্রয়োজন হবে ১ লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা পরিবহনের জন্যে। তার মানে দাড়ায় এই বিপুল পরিমান কয়লা একদিনে লোপাট হয়নি হয়েছে দিনের পর দিনে।

যেভাবে ধরা পড়েছে কয়লা লোপাটের বিষয়টিঃ

বড়পুকুরিয়ার এই কয়লা খনিটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার পরবর্তীতে কখনোই খনির কোল ইয়ার্ড (কয়লা মজুদ কেন্দ্র) খালি হয়নি। অর্থাৎ একদিকে খালি হলেও পুনরায় তা খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ভরাট হয়ে যেত। এদিকে খনির কূপে উত্তোলনযোগ্য কয়লার মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং যন্ত্রপাতি সংস্থাপন ও স্থানান্তর জনিত কারণে গত ২৯ জুন থেকে বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। পুনরায় কয়লা উত্তোলন শুরু হবার কথা রয়েছে আগস্ট মাসের শেষের দিকেই। এদিকে উৎপাদন বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কোল ইয়ার্ডে বিপুল পরিমাণ কয়লার ঘাটতি পড়ে যায়। খনি কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা এতদিন তা সমন্বয় করেনি এবং কোল ইয়ার্ড খালি না হওয়ায় বিষয়টি ধরাও পড়েনি। কোল ইয়ার্ডে নতুন মজুদ যোগ না হওয়ায় এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতির বিষয়টি ধরা পড়ে যায়। আর বিষয়টি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পেট্রোবাংলাকে জানালে কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার বিষয়টি জনসম্মুখে আসে। খনি হতে উত্তোলিত কয়লার সবচেয়ে বড় গ্রাহক বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র হলেও স্থানীয় ইট ভাঁটা এবং বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, চা বাগান ও অন্য ব্যবহারকারীরাও কয়লা কিনে থাকে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের অনুসন্ধানী রিপোর্ট বলছে, খনির কয়লা বিপননের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ইটভাটা মালিকদের কাছে কয়লা বিক্রিতে অধিক সাছন্দ্য বোধ করেন। এর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি টন কয়লা বিক্রি হয় ১১ হাজার টাকা দরে বিপরীতে ইটভাটায় কয়লা বিক্রি হয় প্রতি টন ১৭ হাজার টাকায়। জানা যায় কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী কর্মকর্তারা বিক্রয়ের লভ্যাংশের উপর কমিশন পান ফলে বেশি দামে কয়লা বিক্রিতে কমিশনও বেশি পাওয়া যায়। তাই খনির কয়লা বিপনন কর্মকর্তাদের কাছে ইট ভাঁটাই কয়লা বিক্রির উত্তম ক্ষেত্র। বিশেষ করে ইট তৈরির সিজনে খনির এই বিপনন কর্মকর্তারা দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা না করেই অধিক হারে ইট ভাঁটায় কয়লা বিক্রি করে থাকেন। কথা হচ্ছে তাও ঠিক থাকত অথবা মেনে নেয়া যেত যদি সরকারী নথিতে আদৌ তা বিক্রি হিসেবে উল্ল্যেখ থাকত। কিন্তু কাজীর গরু খাতায়ও নেই আবার গোয়ালেও নেই। বিভিন্ন প্রাপ্ত সুত্রে জানা যায়, নিয়ম অনুযায়ী কয়লা ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতা টাকা জমা দিয়েই কর্তৃপক্ষ হতে দুই কপি ডিও (বিলি আদেশ) প্রাপ্ত হয়ে থাকেন। যার একটি ডিও কয়লা ইয়ার্ডে জমা দেওয়ার পর সে অনুযায়ী ক্রেতা কয়লা সরবরাহ পেয়ে থাকেন। আর জোচ্চুরি করার সুযোগটা থাকে এখানেই। স্থানীয় সিন্ডিকেট এবং কয়লা বিপননকারী কর্মকর্তাদের যোগসাজশে তৈরি করা হয় দুই রকম ডিও। যার একটিতে পরিমাণে দেখানো হয় কম এবং অন্যটি বেশি। স্বাভাবিকভাবেই কারো বুজতে অসুবিধা হবেনা যে, কম পরিমাণ ডিওটাই সরকারি নথিপত্রে উল্ল্যেখ করা হয়। বাকী যে ডিওটি থাকে সেটি হচ্ছে জাল ডিও যেটি ডিপোর ক্লিয়ারেন্স হিসেবে দেখানো হয়। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, সরকারি ডিওতে ১০ টন কয়লা উল্লেখ থাকলেও জাল ডিওতে অাদেশ থাকে ৫০ টন কিংবা তারও অধিক কয়লা সরবরাহের। আর এভাবেই হয়ত লোপাট হয়ে গেল ১৪ হাজার ট্রাকে ধারণ সম্পন্ন এক লাখ ৪২ হাজার টন কয়লা। তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ দয়া করে আবার বলবেন না যেন, কয়লা উড়ে গেছে কিংবা শ্রাবণের বৃষ্টি ধারায় ক্ষয়ে গেছে। এমন দায়সাড়া বক্তব্য বা রিপোর্ট জনগণের প্রত্যাশার ধারে কাছেও নেই।

ক্রিকেটার নাসিরের গোপন ভিডিও ফাঁস প্রসংগে

Now Reading
ক্রিকেটার নাসিরের গোপন ভিডিও ফাঁস প্রসংগে

ক্রিকেটার নাসির প্রসংগ

খেয়াল করে দেখলাম, একটা গ্রুপ আছে, যারা বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নামানোর জন্য কোন না কোন ফন্দি করতে থাকে সবসময়। বিশেষ করে নারী ঘটিত কেলেঙ্কারী সাজিয়ে ধান্ধা করা অথবা একটু জনপ্রিয় হওয়া বা লাইম লাইটে আসা।

ফেসবুকে দেখলাম বাংলাদেশের জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে এখন আবারো সেই খেলা চলছে। অতীতে এক খুনী মামলার আসামী যাকে সবাই “শুভা” বলে চিনে, তিনি এখন লাইভে এসে নানা ধরনের কথিত “রেকর্ড”, “গোপন” ভিডিও ফাস করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন। আমি চিন্তা করি তাদের আসলে উদ্দেশ্যটা কি? তাও আবার খুনের মামলায় জেল খাটা আসামী।

হ্যা, মানুষ একটি ফেইম পাবার জন্য সবকিছু করে কিন্তু তাই বলে নিজেদের এভাবে বিক্রি করে দিতে হবে? তাও আবার জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে এসব? এসবের মানে তো পুরো বাংলাদেশকে অপমান করা। এরা তো আসলে দেশদ্রোহী।

শুনা কথায় কান দিতে নেই। চিলে কান নিয়ে গেছে বলে আমরা সবাই দৌড়ের উপরে থাকি কিন্তু আসল ঘটনা কখনও জানার চেষ্টা করি না। দয়া করে শোনা কথায় মুখরোচক সব ফেসবুক পোস্ট-লাইভ ভিডিওতে কান দিবেন না। দেশের সম্মানটা বজায় রাখুন।

ক্রিকেটার নাসিরের জন্য আসলেই খারাপ লাগছে কারন কোথাকার কে একটা খুনী মামলার আসামী একটা লাইভে আসল আর দুনিয়ার আজেবাজে কথা বলল অমনি পুরো দেশের অনলাইন সিটিজেন তার উপর ভিত্তি করে নাসিরের ক্যারেক্টার মার্ডার করতে লাগল।

আর সেই খুনী মামলার আসামী – শুভা বা সুবহা বা খাবা কে বলছি – ফেইম সিকার আজকাল সবাই, তবে বুঝে শুনে জায়গা মত ফেইম খুজো। যেকোন কারনে বাংলাদেশকে কেউ অপমান করলে আমরা কখনও চুপ করে থাকি না। কবর থেকে খুজে বের করে এনে সত্যটাকে হাজির করি।

আর সকল অনলাইনে ২ নাম্বার উপায়ে ফেইম খোজার বান্দাদের বলছি, প্লিজ ভাই ও বোনেরা, ফেইম পাবার অনেক উপায় আছে – নিজেকে বিক্রি করে দিয়ে সেই ফেইমের কোন দাম নাই। কেজির দরে কেনা যায় সেই ফেইম আর ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া যায়।

Don’t worry Nasir, we are with you in this and we will make sure nobody can leech on you for Fame.

Cheers.

প্রসংগ চট্টগ্রামের ডাক্তার বনাম সাংবাদিক

Now Reading
প্রসংগ চট্টগ্রামের ডাক্তার বনাম সাংবাদিক

ডাক্তার যখন কসাই, সাংবাদিক যখন সাংঘাতিক…… আম জনতা কি?

আমের দামও কম না!

এবার থাম!

কোন কিছুই জাস্টিফায়েড না। মারামারি কর, কাঁদা ছোড়াছুড়ি কর – সব রোগীকে আরও রোগী বানাও – ব্যাপার না। সবাই একেবারে দেশ উদ্ধার করে ফেলছে।

যখন ডাক্তারদের ধর্মঘট চলছে একজন বা হাজার রোগী তার চিকিতসা অধিকার হারাচ্ছে। রাষ্ট্র তোমাদের ডাক্তারের লাইসেন্স দিয়েছে রোগীদের চিকিতসা করার জন্য, রাজনীতি না।

সাংবাদিকতার লাইসেন্স আছে কিনা জানিনা কারন আজকাল ঘরে ঘরে অনলাইন পত্রিকা চলে। কিন্তু, তাদেরও অধিকার নাই, অন্য হাজারো রোগীর চিকিতসা অধিকার হরন করার।

দোষ যে করেছে তাকে ধর, তাকে জেলে ঢোকাও। আইনের পথে যাও, আইন না থাকলে আইন বানাও সংসদে।

তু তু মে মে করে কিছু আসবে না। কে কি করে উলটে ফেলবে? কেউ ধোয়া তুলসী পাতা না – সুযোগ পেলে সবাই ব্যবসা করে নেয়। শুধু এক একজনের ধরন এক এক রকম।

যত খেলাই খেলো, সাধারন মানুষ এবং যত হাজারো রোগী সাফার করছে, ওদের ক্ষতিপূরন কে দিবে? সাংবাদিক নাকি ধর্মঘটে থাকা ডাক্তার? এটার জবাব দাও আগে।

একজন রোগী ভুল চিকিতসায় মারা গেছে, এরকম আগেও হাজারবার হয়েছে, কোনদিন দেখলাম না সাংবাদিকদের এগিয়ে এসে আন্দোলন করতে উলটো হাসপাতালের পক্ষে গেছে তাদের স্টেটমেন্ট। বুঝলাম এবার শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে এবং চেপে ধরার চেষ্টা চলছে কিন্তু তার মানে এই না যে আরো হাজারো রোগিকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিবে পরিস্থিতি খারাপ করে দিয়ে।

আর ডাক্তার যখন কসাই হয়ে যায় তখন রোগীর জীবনের মূল্য কমে যায়। যদি কসাই না হয়ে থাকেন তাহলে এসব সস্তা রাজনীতি ছেড়ে হাসপাতালে ফিরে যান আর রোগীদের সেবা করেন। রাষ্ট্র আপনাদের লাইসেন্স দিয়েছে রোগী বাঁচানোর জন্য, রাজনীতির জন্য না।

এন্ড অফ স্টোরি।

বিপদ আসতে পারে যেকোন সময়ে !

Now Reading
বিপদ আসতে পারে যেকোন সময়ে !

বিপদ হতে পারে যেকোনো সময়ে – যে কারো সাথে। আম্যাডের বিবেক আমাদের হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে আবার অনেক সময় সারাজীবনের কান্না হয়ে যেতে পারে। ক্ষণিকের আনন্দ যেমনি কেড়ে নিতে পারে যেকারো প্রাণ আবার সেই মানুষটি হতে পারে আমাদের আপন কেউ। বাকী অংশ নীচের ভিডিওটিতে আছে – দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন বলা হল এই কথা।

জঙ্গি দমন পরবর্তী মাদক নির্মূলেও কঠোর হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

Now Reading
জঙ্গি দমন পরবর্তী মাদক নির্মূলেও কঠোর হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

জঙ্গি দমনের পর সরকার তথা রাষ্ট্র এবার মনযোগী হয়েছে মাদক নির্মূলে। এ বছর অন্তত তিনটি বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর মাদকের শিকড় উপড়ে ফেলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্তা ব্যাক্তিগণ।

গণভবনের এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন “আমরা যেমন জঙ্গিবাদকে দমন করেছি। আমরা অঙ্গীকার করেছি, এই মাদক থেকে দেশকে উদ্ধার করব।” তিনি আরো বলেছেন, “আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করছেন যে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। মাদকের জন্য একেকটা পরিবার যে কষ্ট পায়, যেভাবে একেকটা পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়…। কাজেই এবার মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান। আমরা সমস্ত আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং র‌্যাবকে আমরা বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছি। যেখানেই মাদক, সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সেই কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়ে লেখাপড়া শিখবে, সুন্দর জীবন পাবে, সুন্দরভাবে বাঁচবে। তারা কেন বিপথে গিয়ে নিজের জীবন ও পরিবারকে ধ্বংস করবে?”

সমাজের বিভিন্ন স্তরে মাদক এর ছোবল গ্রাস করে নিয়ে গেঁড়ে বসেছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এ বিষয়ে বলা হচ্ছে। সম্প্রতি র‌্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক চক্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে র‌্যাব ও পুলিশের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এই অভিযানে গত ১মাসে নিহতের সংখ্যা ১০০ এরও অধিক ছাড়িয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাষ্যতে বন্দুকযুদ্ধে এখন পর্যন্ত ঠিক কতজন নিহত হয়েছে তার কোন হিসেব নেই। এসব অভিযানে বিভিন্ন পরিমাণে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের কথাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে। পুলিশ এবং র‍্যাব সূত্রগুলো বলছে,তারা তাদের স্ব স্ব বাহিনীর তালিকা নিয়ে অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু অন্য আরেকটি সূত্র বলছে সমন্বিত তালিকার মাধ্যমেই অভিযান চলছে। এদিকে মাদক বিরোধী যুদ্ধে বিনা বিচারে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো তাদের পক্ষ সমর্থন করে বলছে মাদক ব্যবসায়িদের প্রতিরোধের মুখেই কেবল তারা অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। তাছাড়া যেসব মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ আছে। বাংলাদেশ সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। যেকোন মূল্যেই মাদকের উৎসকে উৎপাটন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

অন্যদিকে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দফতর ‘অফিস ফর ড্রাগস এন্ড ক্রাইম’ (ইউএনওডিসি) বলেছে, বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর তারা গভীর মনযোগ রাখছে এবং মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মানবাধিকার ভিত্তিক কৌশল অবলম্বনের জন্য সব সদস্য দেশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।

হঠাৎ করেই বেড়ে গেল বাংলাদেশ থেকে ভারতে জ্বালানি তেল পাচার!

Now Reading
হঠাৎ করেই বেড়ে গেল বাংলাদেশ থেকে ভারতে জ্বালানি তেল পাচার!

ভারতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছনোর পর প্রতিবেশীদেশ বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের ডিজেলের দামে অনেকটাই ব্যবধান তৈরি হয়ে গেছে। ফলশ্রুতিতে সীমান্ত এলাকায় ডিজেলের চোরাচালান পূর্বের চেয়ে হটাত করেই আবার বেড়ে গেছে। যদিও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ দাবি করছে ডিজেল পাচারের ঘটনা এখনও তেমন করে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছয়নি। এদিকে এই চোরাচালানের ফলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এর মধ্যেই বিপুল রাজস্ব হারানোর সম্ভাবনা করছে। তাই তারা সীমান্ত এলাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে গুরুত্ব দিয়ে মনিটরিংও শুরু করেছে। এদিকে ভারতের অর্থনীতিবিদদের মতে, ভারত যতদিন না জ্বালানি তেলে শুল্ক ও করের পরিমাণ কমাচ্ছে ততদিন তেল এই পাচারের সমস্যা থেকেই যাবে।

ভারতে ডিজেলের দাম এখন প্রায় প্রতিদিনই পুরনো রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে যা দেশের গর রেকর্ডে সর্বকালীন বেশি। বাংলাদেশের সাথে লাগোয়া সীমান্তবর্তী ভারতের আসাম বা পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ৭১ রুপিতে, যা বাংলাদেশের ৮৮ টাকার সমান। তার বিপরীতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ডিজেলের দাম মাত্র ৬৫ টাকা লিটার অর্থাৎ টাকার হিসেবে ভারতে প্রায় ২৩টাকা বেশি হিসেবে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। আর এই কারণেই সীমান্ত এলাকা দিয়ে পাচার হয়ে যাচ্ছে ডিজেল সহ অন্যান্য জ্বালানি এবং হঠাৎ করেই তৎপর হয়েছে চোরাকারবারীরা। গবেষকদের মতে পাশাপাশি দুটো দেশে জ্বালানির দামে এতটা তারতম্য থাকলে স্মাগলিং ঠেকানো বেশ মুশকিল। যেহেতু সীমান্তও নিশ্ছিদ্র নয়, সেখানে জ্বালানি চোরাচালান সহজেই করা যায়। বস্তুত বাংলাদেশ বা আরও অন্যান্য সার্ক দেশে জ্বালানি পাচারের এই সমস্যাটা বারবার ঘটছে , পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে যদি জ্বালানির মূল্যের এই ফারাকটা থাকে তবে চোরা পথে পাচারও ঘটবে। আশার কথা হচ্ছে- হয়তো তারা বিরাট কোনও স্কেলে করতে পারবে না, অর্থাৎ ট্যাঙ্কার বা লড়িতে করে হয়তো তেল পাচার করা যাবে না – কিন্তু ছোট ছোট মাপে এটা পাচার হবেই।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বা বিপিসি-র শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাদের ভর্তুকি দেওয়া ডিজেল যে ভারতে পাচার হয়ে যাচ্ছে তারা এই সমস্যা সম্পর্কে অবহিত। বিপিসির ভাষ্য, “বাংলাদেশ সরকার প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় বাইশ-তেইশ টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। এখন সীমান্ত এলাকার পাম্পগুলোতে ডিজেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে কি না তাও বলা মুশকিল। তবে তারা তাদের সকল তেল কোম্পানিকে আদেশ দিয়েছে তারা যেন ওখানকার সব পাম্পে ভাল করে যাচাই-বাছাই করে তার পরেই তেল দেয়।” এদিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তারা বলেছেন তা হল- “বেনাপোল বা বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে শত শত ট্রাক আসে মাল নিয়ে তারা ট্যাঙ্ক প্রায় খালি করে বাংলাদেশে ঢোকে আর ফিরে যাওয়ার সময় ট্রাকের ট্যাঙ্ক পুরোটাই ভর্তি করে নিয়ে যায়। চোখের সামনে প্রতিদিন এভাবে একশো থেকে দেড়শো ট্রাক সস্তার ডিজেল পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে।

বিএসএফ দাবি করছে, ফেন্সিডিল বা গরুর মতো অত সহজে এই দাহ্য পদার্থটি পাচার করা যায় না। তারা বলছে ভারতে ডিজেলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেশি হলেও এই মার্জিনটা তত লোভনীয় নয়। তারা হয়ত তাদের স্বপক্ষে বক্তব্য দিতেই পারে, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যেকার চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্ত দিয়ে ছোট ছোট জ্যারিকেন বা কন্টেনারে করে ডিজেল পাচারের ঘটনা সম্প্রতি খুব বেড়ে গেছে। একদিকে ডিজেলে বাংলাদেশের ভর্তুকি অন্যদিকে ভারতে বসানো শুল্ক। সবমিলিয়ে ডিজেল এখন চোরাকারবারিদের অন্যতম লাভের হাতিয়ার।
ভারতের বিজেপি সরকার ২০১৪ পরবর্তী এ পর্যন্ত মোট ৯বার জ্বালানি তেলের ওপর এক্সাইজ ডিউটি বাড়িয়েছে বিপরীতে কমিয়েছে মাত্র ১বার। বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ বর্ডারে জ্বালানি তেলের সহজলভ্যতা রোধ করে কঠোর নজরদারি বাড়ানো, অন্যথা রাষ্ট্র হারাবে তার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।

শেষ পর্যন্ত পর্ন তারকার পিছনে টাকা খরচের কথা স্বীকার করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

Now Reading
শেষ পর্যন্ত পর্ন তারকার পিছনে টাকা খরচের কথা স্বীকার করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট

অবশেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করে নিলেন পর্ণ তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে তিনি তার আইনজীবীর মাধম্যে টাকা দিয়েছেন। বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল ট্রাম্প এবং স্টর্মি অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন। স্টর্মি গণমাধ্যমে সেটা স্বীকার করে নিলেও বরাবরের মত তা প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমনকি ট্রাম্পের নির্বাচনের মুহূর্তেও এই খবরটা চাউর হয় যাতে তাকে বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হয়। বেশ কবছর ধরেই যেন মুখে কলুপ এঁটে বসেছিলেন ট্রাম্প।কিন্তু এদিকে থলের বিড়াল বের হয়ে গেল,পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে আইনজীবীর মাধ্যমে কত টাকা দিয়েছিলেন সেটি আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রকাশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্যা অফিস অফ গভর্নমেন্ট এথিকস বলছে, মিস্টার ট্রাম্প তার আর্থিক বিবরণীর ফাইলে এ সংক্রান্ত তথ্য সন্নিবেশিত করেছেন। হোয়াইট হাউজ এর তরফ থেকে বলা হচ্ছে স্বচ্ছতার স্বার্থেই ফাইলে একটি ফুটনোট দিয়ে এটিকে তালিকায় রাখা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার আইনজীবী মাইকেল কোহেনকে ২০১৬ সালের নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য যে অর্থ দিয়েছিলেন তার পরিমাণ এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলারের মধ্যে। কিন্তু মি: ট্রাম্প কোনভাবেই স্টর্মিকে এক লাখ ত্রিশ হাজার ডলার দেয়ার বিষয়টি পূর্বে কখনো স্বীকার করেননি। পরবর্তীতে মার্কিন আইনজীবী মাইকেল কোহেন স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে ব্যাক্তিগত ফান্ড থেকে টাকা দেয়ার কথা স্বীকার করেন। মি: কোহেনের এ সম্পর্কিত কাগজপত্র ইতোমধ্যেই এফবিআই তদন্তের জন্য জব্দ করেছে। এদিকে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে ট্রাম্প কিংবা কোহেনের টাকা লেনদেনের বিষয়টি এখন স্বীকার না করেও উপায় নেই। স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে দেয়া অর্থের বিষয়টি আইনগত সমস্যার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে, আর এমন শংকা থেকেই ট্রাম্প তার হিসেব বিবরণীতে তা যুক্ত করেছেন। অন্যথা এটিকে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে একটি অবৈধ ব্যয় হিসেবে বিবেচনা করা হত।

ট্রাম্পের এই গোপন কীর্তিকলাপ ফাঁস করে দেন মিস ড্যানিয়েলস, তার প্রকৃত নাম স্টিফেন ক্লিফোর্ড। তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৬ সালে একটি হোটেল কক্ষে ডিনারের আমন্ত্রণ জানিয়ে মি: ট্রাম্প তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। এই অভিযোগের বিপরীতে মি: ট্রাম্প বরাবরই সেটি প্রত্যাখ্যান করে আসছিলেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছিল ট্রাম্পের আইনজীবী কোন কারন ছাড়াই বা কেন স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ দিতে যাবেন। গত এপ্রিল মাসে মি: ট্রাম্প বলেছিলেন তার আইনজীবী মাইকেল কোহেন ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে কোন অর্থ দিয়েছিলেন কিনা সেটি তার জানা নেই। কিন্তু সেই অর্থ দেয়ার বিষয়টি এবার আনুষ্ঠানিকভাবেই প্রকাশ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পাকিস্তানিরা এইবার চুরি করল আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গানের বাঁশির সংস্করণ

Now Reading
পাকিস্তানিরা এইবার চুরি করল আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গানের বাঁশির সংস্করণ

এবার পাকিস্তানিরা চুরি করল বাংলাদেশের অসম্ভব জনপ্রিয় রক ব্যান্ড শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর গানের মিউজিক। এলআরবি ব্যান্ডের অন্যতম ‘সেই তুমি’ গানটির বাঁশির সুরের সংস্করণ সম্প্রতি কোন রকম অনুমতি ছাড়াই পাকিস্তানের একটি তথ্যচিত্রের ওপর ব্যবহার করা হয়েছে। ফেইসবুকে ‘বিজম্যাক্স টিভি’ নামের একটি পেজ থেকে প্রচারিত ৫৬ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ‘ইয়ে হ্যায় পাঞ্জাব, মেরা পাঞ্জাব নামে’ পোস্ট করা একটি প্রমোশনাল টিজারে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের প্রকৃতি, সমাজ ব্যবস্থা তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে দেখানো হয়েছে সায়রা শাহরুজ নামের এক তরুণীর জীবনধারাও।

‘ক্রসস্টিচ’ নামের একটি পাকিস্তানি পোশাক প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপনী টিজারটিতে ব্যাকগ্রাউণ্ড মিউজিক হিসেবে গানটির বাঁশির সংস্করণকে হুবহু নকল করে ব্যবহার করেছে। আর গোটা টিজারটিতে ব্যাকগ্রাউণ্ড মিউজিক হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে এলআরবি ব্যান্ডের “সেই তুমি” গানটির বাঁশির সুরের সংস্করণ, এই সুরটা প্রতিষ্ঠানটি নিজেরা তৈরি না করে আবার সম্পূর্ণ কপি করেছে। ইফতেখারুল আনামের বাজানো ‘সেই তুমি’ গানটির ফ্লূয়েট ভার্সনটি রাকিবুল ইসলাম রনি ইউটিউবে আপলোড করেন ২০১৬ সালের ৫ জুলাই। সেই ফ্লূয়েট ভার্সনটি ব্যবহার করেছে ‘ক্রসস্টিচ’ নামের পাকিস্তানি প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিজ্ঞাপনী টিজারের ব্যাকগ্রাউণ্ড মিউজিকে। টিজারটিতে কোন রুপ ক্রেডিট না দেয়াতে বিস্মিত হয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু সহ তার লাখো ভক্ত। আগামী ২২ মে তথ্য চিত্রটির পূর্ণাঙ্গ প্রচার হবে, এখন দেখার পালা তারা ক্রেডিট লাইনে এলআরবি’র প্রতি কোন সন্মান জানায় কিনা!

বাংলাদেশের সাথে আবারো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করল মিয়ানমার

Now Reading
বাংলাদেশের সাথে আবারো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করল মিয়ানমার

মিয়ানমার বাংলাদেশকে ক্রমাগত চাপ দিচ্ছে তাদের কারাগারে আটক ৮৩জন বাংলাদেশীকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে। তারা আদৌ বাংলাদেশী কিনা তা প্রকাশ না করে কিংবা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তা যাচাই বাচাইয়ের সময় দিতেও নারাজ। গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে এই ৮৩ জন কারাবন্দীকে ফেরত নিতে মিয়ানমার কয়েক দফা চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। এরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকার চেয়েছিল বিজিবি ও মিয়ানমারের বিজিপি এর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে এসব রাজনৈতিক বন্দীদের চিহ্নিত করে যেন তাঁদের ফেরত আনা যায়। মিয়ানমার তাঁদের সীমান্ত পয়েন্ট দিয়েও এসব বন্দীদের প্রত্যাবাসনে আগ্রহী নয়। এখন মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এই বন্দীদের বোঝা উল্ল্যেখ করে জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত বিমান করে ফেরত নিতে চাপ দিচ্ছে। মিয়ানমার সরকার তাদের প্রেরিত চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে, রাখাইন রাজ্যের কারাগারে আটক বাংলাদেশীদের মুক্তি দিয়ে রাজধানী ইয়াঙ্গুনে স্থানান্তর করতে তাদের আর্থিক খরচ ও অন্যান্য সহযোগিতা বাড়তি বোঝার মত। আটক বাংলাদেশীদের বিমানে ফিরিয়ে দিতে ইয়াঙ্গুন হাইকমিশনের আর্থিক সামর্থ্য অপর্যাপ্ত। তাই বাংলাদেশকে নিজ উদ্যোগেই এসব বন্দীদের কালক্ষেপণ না করে বিমানে ফিরিয়ে নিতে হবে।

মিয়ানমারের এমন অবন্ধুত্বসুলভ আচরণে হতাশ এবং ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ সরকার। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের এই আচরণকে ঔদ্ধত্যমূলক ও সুপ্রতিবেশীসুলভ নয় বলে জানিয়েছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে তাদের ১১লাখ রোহিঙ্গা নাগরিককে মানবিক কারণে বাংলাদেশ নিজ ভূখণ্ডে সাময়িক স্থান দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মিয়ানমারের অনুরোধে বাংলাদেশ বন্ধুত্বের নিদর্শন স্থাপন করতে গিয়ে তাদের নাগরিককে ক্ষমা করে দিয়েছে।  সমুদ্রপথে অবৈধ উপায়ে মালয়েশিয়া কিংবা থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটককৃতদের নাম ও পরিচয় বাংলাদেশের কাছে পাঠানোর রীতি অনুসরণ করত মিয়ানমার যেটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও একইভাবে অনুসরণ করা হয়। কিন্তু এবারের মিয়ানমারের তোড়জোড় পূর্বের সকল উদাহরণকে ছাপিয়ে উদ্দেশ্যমূলক মনে করছে বাংলাদেশ।

সূত্রমতে, বাংলাদেশের কারাগারে মিয়ানমারের প্রায় দেড়শ বন্দী রয়েছে, সে বিষয়ে তারা নির্বিকার। তাদের বন্দীদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে কোন আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছেনা। তাদের এহেন আচরণে বাংলাদেশও সেইসব বন্দীদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে বলবে।

১৯৮০ সালের সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশ আটক অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সময়ে বিনিময় বা হস্তান্তর করেছে। অনেক সময় বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া দুইদেশের জেলেরা ভুলবশত একে অন্যের সীমানায় প্রবেশ করে আটক হত। পরে দুই দেশের সমতা ও আলাপের ভিত্তিতে বন্দী বিনিময় বা হস্তান্তর হত। কিন্তু হটাত মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যু পরবর্তীতে বাংলাদেশের সাথে অবন্ধুত্বসুলভ আচরণ করে যাচ্ছে।