ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জ এর টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে।

Now Reading
ঘুরে আসুন সুনামগঞ্জ এর টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে।

আমাদের বাংলাদেশে অনেক সুন্দর সুন্দর দর্শনীক স্থান আছে তা আমরা কেও তেমন তা জানি না। গত বছর এর ডিসেম্বরের শেষ এর দিকে একদিন গুগল এ সার্চ করি আমাদের দেশের  কিছু সুন্দর সুন্দর tourish spot. হঠাৎ করে চোখে পরলো টাঙ্গুয়ার হাওর এর ছবি। কি অপুরুপ তার দৃশ্য। সবুজ পাহাড় নিচে নীল জলরাশি। ঠিক তার পর এর দিন এক বন্ধু কে নিয়ে plan করলাম তাঙ্গুর হাওরে ঘুরতে যাওয়ার তো সে দিন সন্ধ্যায় শুক্রাবাদ  থেকে Green Line এর টিকেট কাটলাম দুইটি সিলেটের। দীর্ঘ ৮ ঘণ্টার journey করার পর সিলেতে পউছালাম।

সেখান থেকে সুনামগাঞ্জ এর বাস এ উঠেবসলাম। ২ ঘণ্টা পর সুনামগাঞ্জ এ পউছানর পর   সেখানে একটি হোটেল থেকে সকাল এর নাশতাটা করেফেলি। টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। তাই আমরা তাহিরপুর এর  পউছানর পর ৫০০ টাকা দিয়ে ১টি speed boat ভাড়া করি। তারপর আমরা পুরো টাঙ্গুয়ার হাওর ঘুরে বেরাই। একদম ছবির মতো তার দৃশ্য। কিন্তু  বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকাগুলোতে যতবার গিয়েছি, একটা দীর্ঘশ্বাস পড়েছে। কারণ, সিলেট-নেত্রকোণা বেল্ট সহ প্রায় সীমান্ত এলাকাগুলোতেই সব পাহাড়গুলো ভারতীয়দের দখলে। যাই হোক এখন বলি টাঙ্গুয়ার হাওর এর কিছু পরিচিতিঃ

টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরণা) এসে মিশেছে এই হাওরে।[৩] দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ গ্রামগঞ্জ ও কৃষিজমি।[১] একসময় গাছ-মাছ-পাখি আর প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের আধার ছিল এই হাওর। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গুয়ার হাওরকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখনই অবসান হয় দীর্ঘ ৬০ বছরের ইজারাদারির। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে ২০ জানুয়ারি এই হাওরকে ‘রামসার স্থান’ (Ramsar site) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। হাওর এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন, সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড সরকারের মধ্যে ২০০১ খ্রিস্টাব্দে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের ৯ নভেম্বর থেকে হাওরের নিয়ন্ত্রণ নেয় জেলা প্রশাসন।[৪]

শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে কমে গেলে এখানকার প্রায় ২৪টি বিলের পাড় (স্থানীয় ভাষায় কান্দা) জেগে উঠলে শুধু কান্দা’র ভিতরের অংশেই আদি বিল থাকে, আর শুকিয়ে যাওয়া অংশে স্থানীয় কৃষকেরা রবিশস্য ও বোরো ধানের আবাদ করেন। এসময় এলাকাটি গোচারণভূমি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে নিমগ্ন হাওরের জেগে থাকা উঁচু কান্দাগুলোতে আশ্রয় নেয় পরিযায়ী পাখিরা —রোদ পোহায়, জিরিয়ে নেয়। কান্দাগুলো এখন (২০১২) আর দেখা যায় না বলে স্থানীয় এনজিও ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুঁতে দেয়া হয়েছে বাঁশ বা কাঠের ছোট ছোট বিশ্রাম-দণ্ড।

তো এই ছিল আমার ভ্রমণ কাহিনি আপনাদের কাছে আমার একটি অনুরোদ আপনারা বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার আগে নিজের দেশটি একবার ভাল করে ঘুরে দেখেবেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের খুঁটিনাটি

Now Reading
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের খুঁটিনাটি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরমধ্যে একটি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কি বিশ্ববিদ্যালয় নাকি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্বর্গ তার উত্তর আমি আজও পাইনি। আপনি যখন\ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে রাস্তা দিয়ে হাঁটবেন, তখন মনে হবে কোনো এক গাছের নিচে বসে ঘুমিয়ে\ পড়তে। প্রায় সব রাস্তার দুইপাশে সারি সারি গাছ। ভরদুপুরেও এসব রাস্তায় ছায়া থাকে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের তৃতীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়। চলুন জেনে নেয়া যাক চট্টগ্রাম

বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
আচার্যঃ রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্যঃ ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী
শিক্ষার্থীঃ ২৭০০০ (প্রায়) ছেলেঃ ১৭০০০(প্রায়) মেয়েঃ ১০০০০(প্রায়)
শিক্ষকঃ ৭০০(প্রায়)

অবস্থানঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে হাটহাজারী থানায় অবস্থিত।

শুরুর কথাঃ বিংশ শতাব্দীর শুরু দিকে চট্টগ্রামে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় না থাকায় চট্টগ্রামের মানুষ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুভব করে। ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় সম্মেলনে মওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামবাদী সভাপতির ভাষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি’ নির্মাণের কথা উপস্থাপন করেন। পরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াং পাহাড়ে কিছু জমি কিনেন। ১৯৪২ সালে নূর আহমদ বঙ্গীয় আইন পরিষদে চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক দাবি পেশ করেন। ষাটের দশকে তৎকালীন পাকিস্তানের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬০-১৯৬৫) প্রণয়নকালে চট্টগ্রামে একটি ‘বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ১৯৬২ সালের নির্বাচন প্রচারনায় ফজলুল কাদের চৌধুরী এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাধারণ প্রতিশ্রুতি দেন। এবং পরবর্তীকালে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মঞ্জুর করা হয়। ১৯৬৪ সালের ২৯ আগস্ট পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।

একাডেমিক কার্যক্রমঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭টি অনুষদে ৫২টি বিভাগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ এবং অন্তর্গত বিভাগসমূহ হলো-

  • কলা ও মানববিদ্যা অনুষদঃ
  • আরবি বিভাগ
  • ইংরেজি বিভাগ
  • ইতিহাস বিভাগ
  • ইসলামিক ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
  • ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
  • দর্শন বিভাগ
  • নাট্যকলা বিভাগ
  • পালি বিভাগ
  • ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ
  • ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ
  • বাংলা বিভাগ
  • ভাষা ও ভাষাতত্ত্ব বিভাগ
  • সঙ্গীত বিভাগ
  • সংস্কৃতি বিভাগ
  • আধুনিক ভাষা ইন্সিটিউট

জীব বিজ্ঞান অনুষদঃ

  • উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ
  • প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ
  • প্রাণীবিদ্যা বিভাগ
  • ফার্মেসী বিভাগ
  • ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ
  • মনোবিজ্ঞান বিভাগ
  • মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ
  • মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ

ব্যাবসায় প্রশাসন অনুষদঃ

  • একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ
  • ফাইন্যান্স বিভাগ
  • ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্স বিভাগ
  • ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগ
  • মার্কেটিং বিভাগ
  • ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ
  • সেন্টার ফর বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন
  • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদঃ

  • কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
  • ফলিত পদার্থবিদ্যা, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ

আইন অনুষদঃ

  • আইন বিভাগ

বিজ্ঞান অনুষদঃ

  • পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ
  • রসায়ন বিভাগ
  • গণিত বিভাগ
  • পরিসংখ্যান বিভাগ

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদঃ

  • লোক প্রশাসন বিভাগ
  • রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ
  • অর্থনীতি বিভাগ
  • সমাজতত্ত্ব বিভাগ
  • নৃবিজ্ঞান বিভাগ
  • যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
  • সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট
  • সেন্টার ফর এশিয়ান স্টাডিজ
  • পুলিশ সায়েন্স ও ক্রিমিনোলোজি বিভাগ
  • উন্নয়ন গবেষণা বিভাগ

ইন্সিটিউটসমূহঃ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬টি ইন্সিটিউট রয়েছে। ইন্সিটিউটগুলো হলঃ

  • ইনস্টিটিউট অব এডুকেশান, রিসার্স এ্যন্ড ট্রেনিং
  • আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট
  • নস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিশ
  • চারুকলা ইন্সিটিউট
  • সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট
  • ইনস্টিটিউট অব ফরেষ্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস

গবেষণা কেন্দ্রসমূহঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। গবেষণা কেন্দ্রগুলো হলঃ

  • নজরুল গবেষণা কেন্দ্র
  • ইনস্টিটিউট অব এডুকেশান, রিসার্স এ্যন্ড ট্রেনিং
  • ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চ
  • সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট
  • গণিত ও ভৌত বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র

লাইব্রেরীঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী। এবং দেশের অন্যতম সেরা ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। ১৯৬৬ সালে মাত্র তিনশ(৩০০) বই নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও এই লাইব্রেরীর বর্তমান সংগ্রহ সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন(৩.৫) লক্ষ। যার মধ্যে রয়েছে বিরল বই, জার্নাল, অডিও-ভিজ্যুয়াল উপাদান, পান্ডুলিপি এবং অন্ধদের জন্য ব্রেইল বই।

আবাসিক হলসমূহঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমানে সর্বমোট ১২টি আবাসিক হল রয়েছে। যার মধ্যে ৮টি ছাত্র হল ও ৪টি ছাত্রী হল। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে ১টি হোস্টেল রয়েছে

ছাত্র হলঃ

  • আলাওল হল
  • এ.এফ.রহমান হল
  • শাহজালাল হল
  • সোহরাওয়ার্দী হল
  • শাহ আমানত হল
  • শহীদ আব্দুর রব হল
  • মাস্টারদা সূর্যসেন হল
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল

ছাত্রী হলঃ

  • শামসুন্নাহার হল
  • প্রীতিলতা হল
  • দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হল
  • জননেত্রী শেখ হাসিনা হল

ছাত্রাবাসঃ

গোবিন্দ গুণালংকার ছাত্রাবাস

ক্যাফেটেরিয়াঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশকয়েকটি ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। যারমধ্যে চাকসু ক্যাফেটেরিয়া ও আইটি ক্যাফেটেরিয়া অন্যতম।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারঃ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য রয়েছে একটি মেডিকেল সেন্টার। শিক্ষক ও কর্মচারীদের পরিবারের সদস্যদের জন্যও রয়েছে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা। এখানে ১১ জন চিকিৎসক ও ৪ টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।রাজনৈতিক চর্চাঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি রয়েছে রাজনৈতিক চর্চার সুযোগ। যেকোনো শিক্ষার্থী চাইলেই এসব রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যোগ দিয়ে নিজ নিজ রাজনীতির চর্চা করতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট উল্লেখযোগ্য।

শাটল ট্রেনঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যাতায়াত ব্যাবস্থার কথা মনে করলেই সবার আগে মনে পড়বে শাটল ট্রেনের কথা। ১৯৮০ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য এই শাটল ট্রেন চালু করা হয়। ১০টি বগি বিশিষ্ট দুইটি শাটল ট্রেনে প্রতিদিন প্রায় দশ হাজার(১০০০০) শিক্ষার্থী যাতায়াত করে থাকে। বর্তমানে ট্রেন দুইটি দৈনিক সাত(৭) বার যাতায়াত করে থাকে।জাদুঘরঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে তিনটি(৩) জাদুঘর রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর, প্রাণীবিদ্যা জাদুঘর, সমুদ্র সম্পদ জাদুঘর।

স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্যঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে স্মরণ স্মৃতিস্তম্ভ, বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভ, স্বাধীনতা স্মৃতি ম্যুরাল ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।কৃতি শিক্ষার্থীঃ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস(পিএইচডি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। তাছাড়াও একুশে পদক বিজয়ী সাহিত্যিক হুমায়ুন আজাদ, চিত্রশিল্পী মুর্তজা বশীর প্রমুখ এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন।

আশা করছি এই লেখাটি আপনাদের ভালো লাগবে এবং কিছু তথ্য জানতেও সাহায্য করবে। লেখাটি কেমন লাগলো নিচে মন্তব্য করে আমাকে জানাতে পারেন। আর অবশ্যই সময় পেয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে আসতে পারেন। —- ধন্যবাদ।

আমরা কি দিতে পেরেছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ ??

Now Reading
আমরা কি দিতে পেরেছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ ??

বঙ্গবন্ধু আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের সাথে,কিভাবে বসেছে দেখেন সবাই।মনে হচ্ছে আমেরিকা আমাদের ছোটভাই।
আসলে বঙ্গবন্ধু থাকলে হয়তো সবদেশ আমাদের ছোট ভাই থাকতো।বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

কেন হত্যা করা হয়েছিলো প্রান প্রিয় নেতাকে ,যে মানুষটা লক্ষ মানুষের মনে বসবাস করতো ,যে মানুষটা আমাদের দেশের মানুষের কষ্টে তিনিও কাদতেন ।আমরা কি দিয়েছি প্রতি বছর সম্মান দেওয়ার জন্য তার জন্মদিনে তার কবরে ফুল , এই কি শেষ আমাদের কাজ । আমাদের নেতা আমাদের একটি মুক্তি দেশে দিয়ে গিয়েছে । এখন আমাদের দরকার আমাদের নেতার সেই সপ্নো গুলো পূর্ন করা । যে নেতাকে আমরা আদর্শ মানি তিনি নিজে বলেছে ধর্ষণ হওয়া ঔ মেয়ের বাবা জায়গাতে আমার নাম লিখে দাও। এমন নেতার দেশে কি করে ধর্ষন হয় আমার প্রশ্ন …..?

এখনো আমরা আমাদের প্রিয় নেতার স্বপ্ন গুলো পূর্ন করতে পারি নি। কেন …………?

কারন এখন যারা বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু আদর্শ মেনে চলে বলছে আসলে তারা কেউ বঙ্গবন্ধুকে আদর্শ মানে না । যদি মানতো দেশে খুন হতো না । আমাদের মন্ত্রীরা দুর্নীতি করতো না ।আমরা এখনো কোন সমস্যা ঠিক ভাবে সমাধান করতে পারি নাই কেন …….?কারন আমরা আমাদের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কথা মতো চলতে পারি নাই । এখন আমাদের দেশের রক্ষরাই আমাদের ক্ষতি করছে । যে মানুষটা সবকিছু ছিলো এই দেশের মানুষকে নিয়ে এই দেশের উন্নতি নিয়ে সেই মানুষটা আজ আমাদের পাশে নেই থাকলে হয়তো আমরা সারা পৃথিবীতে মাথা উচু করে দাড়াতে পারতাম । ছবিটা দেখলে মনে বড় আশা জাগে আবার পরেই ভাবি এই নেতা তো আমাদের মাঝে নেই । এই সেই নেতা যার জন্য স্বাধীনতা পেলাম যে আমাদের সব দিয়েছে । তার জীবনটাও আমরাই নিয়েছি ।

আমি আওয়ামী লীগকে কিছু কথা বলতে চাই আপনার যদি বলেন আপনারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আদর্ষ মেনে চলেন তাহলে আপনার মিথ্যা বলেন । কেন আপনারা এখনো আমাদের প্রেয় নেতার খুনিদের ফাঁসি দিতে পারেন নাই এটা কি আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা না …..? দেশে আওয়ামী সরকার থাকার পরেও কেন হত্যা হবে ,কেন ধর্ষণ হবে , কেন দুর্নীতি হবে। কেন এই দেশের পুলিশরা ঘুষের টাকা খেয়ে মামলা ধামাচাপা দিবে । কেন বা ভারত আমাদের কে আমাদের পানি দিবে না । কেন তাদের কথা আমাদের শুনতে হবে ।

আওয়ামী লীগ এখন বঙ্গবন্ধুকে আদর্শ না তারা আদর্শ মানে দুর্নীতিকে ,ক্ষমতাকে । যে আমাদের বিজয়ের মহানায়ক তার কথা ভুলে যাই আমরা ,তার দেওয়া পথ ছেড়ে আমরা অন্য পথে চলি হয়তো তাই আমাদের দেশ এখনো এতো পিছিয়ে পড়েছে ।আমরা যদি আমাদের দেশকে উন্নত দেশ হিসাবে দেখতে চাই তাহলে আমাদের বিজয়ে নেতা আমাদের প্রান প্রিয় নেতার কথা এবং দেখানো পথে চলতে হবে ।

প্রতিটা সরকারকে কোন কাজ করার আগে ভাবতে হবে এই জায়গাতে আমাদের নেতা থাকলে কি করতেন ……..? তিনি যে কাজটা করতেন আমাদের সরকার যদি ঠিক ঔ ভাবে চলে তাহলে আমরা একদিন পৃথিবী শ্রেষ্ঠ দেশ হয়ে উঠবো ।আমাদের কোন দুখ থাকবে না ।

আমাদের ক্ষমা করবেন স্বাধীনতা এতো বছর পরও আমারা আপনাকে আপনার স্বপ্নের দেশ করে দিতে পারি নি । আমরা পারিনি দেশকে দুর্নীতিকে মুক্ত করতে পারি নি দেশকে ভালবাসতে । পারি নি আপনার হত্যাকারীদের ফাঁশি দিতে । আমরা পারি নি দেশের নারীদের নিরাপত্তার দিতে । আমরা পারিনি প্রতিটা ধর্ষণকারী বিচার করতে ।

এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের মানুষকে আহ্বান জানাই, আপনারা যেখানেই থাকুন, আপনাদের সর্বস্ব দিয়ে দখলদার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত প্রতিরোধ চালিয়ে যান। বাংলাদেশের মাটি থেকে সর্বশেষ পাকিস্তানি সৈন্যটিকে উৎখাত করা এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের আগ পর্যন্ত আপনাদের যুদ্ধ অব্যাহত থাকুক(wikipedia) ক্ষমা করে দেন আমাদের আমরা ্এখনো আপনার সপ্নের বাংলাদের তৈরি করতে পারিনি।

বাংলাদেশের সুন্দর ১০ টি দর্শনীয় স্থান

Now Reading
বাংলাদেশের সুন্দর ১০ টি দর্শনীয় স্থান

পাহাড়ে-আহারে, নদীতে নৌকা ভ্রমণ, সবুজের মাঝে জ্যোৎস্নার খেলা, এমনকি মেঘের রাজ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলার মতো চোখ জুড়ানো পর্যটন স্থান রয়েছে এই বাংলাদেশে । অপরূপ সৌন্দর্যের এই দেশের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক তাই ঘুরে বেড়ানোর জন্য প্রতিবছর ভিড় জমিয়ে থাকেন বাংলাদেশে।

১.কক্সবাজার:
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত বিশ্বসেরা সমুদ্রসৈকত। পাহাড়ঘেরা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকত। ভ্রমণপিপাসুদের জন্য কক্সবাজার আদর্শ জায়গা। এ ছাড়া এখানে অনেক প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে

২.সেন্টমার্টিন:
সেন্টমার্টিন হলো বিশ্বের অন্যতম প্রবাল দ্বীপ। অপূর্ব সুন্দর জায়গা সেন্টমার্টিন। সেন্টমার্টিন দ্বীপ ডাবের জন্য বিশেসভাবে বিখ্যাত। আপনি সেন্টমার্টিনে পাবেন সুমিষ্ট ডাবের পানি আর শাঁস ।

৩.রাঙামাটি:
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা রাঙামাটি। কাপ্তাই লেকের বুকে ভেসে থাকা ছোট্ট এর জেলা শহর আর আশপাশে সর্বত্রই রয়েছে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় স্থান। এখানকার জায়গাগুলো বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সাজে। তবে বর্ষার সাজ একেবারেই অন্যরূপ।

Rangamati

৪.খাগড়াছড়ি:
সৃষ্টিকর্তা অপার সৌন্দর্যে সাজিয়েছেন খাগড়াছড়িকে। এখানে রয়েছে আকাশ-পাহাড়ের মিতালি, চেঙ্গি ও মাইনি উপত্যকার বিস্তীর্ণ সমতল ভূভাগ ও উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতা। যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান। খাগড়াছড়ি পুরোপুরি পাহাড়ি এলাাকা । এখানে আপনি ঝুলন্ত ব্রীজ, আলুটিলা রহস্যময় গুহা, রিছাং ঝরনা এবং পাহাড়ি অদ্ভুত সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন ।

খাগড়াছড়ি

৫.দীঘিনালা বিহার:
দীঘিনালা উপভোগ বিহার, সাজেক ভেলী যাওয়ার পথে অবস্থিত খুব সুন্দর এবং শান্ত – স্নিগ্ধ একটি জায়গা । এর ভিতরে প্রবেশের পর, আপনি দুটি মন্দির দেখবেন। একটিতে বুদ্ধের একটি বড় মূর্তি আছে এবং অন্যটিতে রাঙ্গামাটি বিহারের ভান্তে নামের এক স্থানীয়র দুটি মূর্তি আছে।

Dighinala-Bon-Bihar

৬.সিলেট:
বাংলাদেশের যে কয়েকটি অঞ্চলে চা-বাগান পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। সিলেটের চায়ের রং, স্বাদ এবং সুবাস অতুলনীয়। রূপকন্যা হিসেবে সারা দেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং।

Jaflong-Sylhet

৭.বিছানাকান্দি:
সিলেটের পর্যটন স্বর্গ। দেশের সীমান্তঘেরা পাথরের বিছানা ও মেঘালয় পাহাড় থেকে আসা ঠাণ্ডা পানি । পাশেই পাহাড়ি সবুজের সমারোহ। ছোট বড় পাথরের ওপর দিয়ে ছুটে আসা স্বচ্ছ পানির স্রোতধারা বিছানাকান্দিতে সৃষ্টি করেছে এক মনোরম পরিবেশ।
Bisanakandi

৮.সাজেক:
রাঙামাটিতে এর অবস্থান হলেও যেতে হয় খাগড়াছড়ি হয়ে। খাগড়াছড়ি শহর থেকে দীঘিনালা, তারপর বাঘাইহাট হয়ে সাজেক। পুরো রাস্তাটাই অপূর্ব, আশপাশের দৃশ্যও মনোরম। পথের দুই পাশে লাল-সবুজ রঙের বাড়ি ও পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে জমে ওঠে মেঘের মেলা ।

৯.রঙরাং পাহাড়:
রঙরাং পাহাড়ের চূড়ায় না উঠলে রাঙামাটির সৌন্দর্য অপূর্ণ থেকে যাবে। পাহাড়ের কোলঘেঁষে বয়ে গেছে মোহনীয় কর্ণফুলী। কর্ণফুলীর পাশে বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলায় এর অবস্থান। চারপাশের এমন সব সৌন্দর্য চোখের সামনে চলে আসবে যদি রঙরাং চূড়ায় উঠতে পারেন!

১০.বান্দরবানের বোল্ডিং খিয়াং:
বান্দরবানের মংপ্রু পাড়ায় ঝরনাটির অবস্থান। দুই বিশাল পাহাড়কে পাহারায় রেখে পাথুরে জলের ধারা বয়ে দিচ্ছে এই ঝরনা। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতেই বদলে যাবে দৃশ্যপট। ঝরনাগুলো পুরো এলাকাকে ছড়িয়ে দিচ্ছে সাদাটে কুয়াশার চাদরে।

এই কৃষির হাত ধরে বাংলাদেশের অগ্রগতি…আর কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে ..!

Now Reading
এই কৃষির হাত ধরে বাংলাদেশের অগ্রগতি…আর কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে ..!

কৃষি প্রধান এই দেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তিই কৃষি পণ্য উৎপাদন।কৃষি আজ মানুষের ধার প্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে তার ভোগ্য পণ্য তেমনিতে দেশের অর্থনীতি সচল রাখছেI

কৃষিকার্য প্রচলনের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের পুরনো। আধুনিক পর্যায়ে এসে কৃষির উন্নয়ন ও উত্তরণ বহুমূখী জলবায়ু , সংস্কৃতি এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। সবধরনের কৃষিকাজই উপযুক্ত কলা-কৌশল প্রয়োগ ও ভূমির উপযুক্ততা নিরূপণপূর্বক ব্যবহার উপযোগী ফসল বপনের উপর নির্ভর করে। প্রয়োজনে সময়ে সময়ে ফসল বৃদ্ধিকল্পে প্রয়োজনীয় সেচও প্রয়োগ করতে হয়।

তাই আমারা চাচ্ছি শিক্ষিত তরুন সমাজকে কৃষিতে আগ্রহী করার নিমিত্তে উক্ত সেক্টরের সফল ব্যাক্তিদের সাফল্যগাথাঁ প্রতিবেদন প্রচার করা হচ্ছে। আমরা চাচ্ছি আমাদের মেধাবী তরুনরা শুধু চাকরির পিছনে না ছুটে কৃষিতে অবদান রাখুক, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করুক, কৃষি ব্যাবসা বানিজ্যে মেধা খাটিয়ে সমাজে ব্যাবসায়ী হিসাবে আত্নপ্রকাশ করুক। তাই কৃষি শিল্পে কিছু করার আগ্রহ নিয়ে যারাই চিন্তা-ভাবনা করছেন তাদের সাফল্য আসবেই !..

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কিছু তথ্য

Now Reading
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কিছু তথ্য

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একটি অন্যতম সেরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিবছর লাখ-লাখ শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য ভর্তি যুদ্ধে অংশ নিয়ে থাকে। কিন্তু সুযোগ পায় খুবই কম সংখ্যক শিক্ষার্থী। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ আবাসিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। চলুন জেনে নেয়া যাক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

আচার্যঃ রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্যঃ ড. ফারজানা ইসলাম
ডীনঃ৬
শিক্ষার্থীঃ ১৭০০০ (প্রায়)

ইতিহাসঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মূলত ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন এর নাম ছিল জাহাঙ্গীরনগর মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা শহরের মুঘল আমলের নাম “জাহাঙ্গীরনগর” থেকে এই নামকরণ করা হয়। ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন করেন। প্রথম ব্যাচে ১৫০ জন ছাত্র নিয়ে ৪ টি বিভাগ চালু হয়; বিভাগগুলো হচ্ছে অর্থনীতি, ভূগোল, গণিত এবং পরিসংখ্যান।

ক্যাম্পাস ও আয়তনঃ ঢাকার সাভারে প্রায় ৬৯৭.৫৬ একর এলাকা নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস একটি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম। প্রতিবছর শীতকালে দেশের বাইরে থেকে অতিথি পাখি এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসে। অতিথি পাখি দেখতে সারাদেশ ও দেশের বাইরে থেকে পর্যটক আসে এখানে।
শহীদ মিনারঃ বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু শহীদ মিনারটি অবস্থিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর উচ্চতা ৭১ ফুট ও ব্যাস ৫২ ফুট।

ভাস্কর্যঃ
সংশপ্তকঃ বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের সামনে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য সংশপ্তক। এর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান । এই ভাস্কর্যে এক পা ও এক হাত হারিয়েও এক সংশপ্তক মুক্তিযোদ্ধা বিজয়ের হাতিয়ার উর্ধে তুলে ধরেছেন।
অমর একুশেঃ সমাজবিজ্ঞান ভবনের সামনে রয়েছে ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ভাস্কর্য অমর একুশে। এর স্থপতি শিল্পী জাহানারা পারভীন।

মাঠঃ খেলাধুলার জন্য রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় মাঠসহ প্রায় ১০-১২ টি মাঠ। বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর শিক্ষার্থীদের খেলার জন্য রয়েছে এই মাঠগুলো। তাছাড়াও রয়েছে টেনিস কোর্ট, ভলিবল মাঠ, হ্যান্ডবল মাঠ ইত্যাদি। ইনডোর খেলার জন্য আছে ইনডোর স্টেডিয়াম।

ব্যায়ামাগারঃ শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ব্যায়ামাগার। দিনের সবসময় খোলা থাকে এটি।

ক্যাফেটেরিয়াঃ কম খরচে খাবারের জন্য রয়েছে ক্যাফেটেরিয়া। একসাথে ৬০ জনের খাবারের ব্যাবস্থা আছে এই ক্যাফেটেরিয়ায়। দিনের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন খাবার পাওয়া যায় এখানে।
বটতলাঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে খাবারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় জায়গা হল এই বটতলা। এখানে ঘরোয়া পরিবেশে বিভিন্ন খাবার রান্না ও পরিবেশন করা হয়। কমপক্ষে ১৮-২০ ধরণের ভর্তা পাওয়া যায় বটতলায়। একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে। আপনি চাইলে মাত্র ২০-২৫ টাকার মধ্যে ভরপেট ভাত খেতে পারবেন এখানে।

অনুষদসমুহঃ
বর্তমানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ টি অনুষদের অধীনে ৩৫ টি বিভাগ রয়েছে।

গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদঃ

  • কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগ
  • গণিত বিভাগ
  • পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
  • পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ
  • পরিসংখ্যান বিভাগ
  • ভূতাত্বিক বিজ্ঞান বিভাগ
  • রসায়ন বিভাগ
  • কলা ও মানবিকী অনুষদঃ

দর্শন বিভাগ
ইংরেজি বিভাগ
ইতিহাস বিভাগ
নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ
বাংলা বিভাগ
সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যায়ন ‍বিভাগ
চারুকলা বিভাগ
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক অনুষদঃ

অর্থনীতি বিভাগ
নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ
নৃবিজ্ঞান বিভাগ
লোকপ্রশাসন বিভাগ
সরকার ও রাজনীতি বিভাগ
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদঃ

ফিনান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ
মার্কেটিং বিভাগ
অ্যাকাউন্টিং ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগ
ব্যবস্থাপনা বিভাগ
জীববিজ্ঞান বিষয়ক অনুষদঃ

উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ
প্রাণিবিদ্যা বিভাগ
জীবপ্রযুক্তি ও জিন প্রকৌশল বিভাগ।
ফার্মেসী বিভাগ
প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগ
অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগ
জনস্বাস্থ্য ও তত্ত্ব
আইন অনুষদঃ

আইন বিভাগ

আবাসিক হলসমূহঃ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট হল সংখ্যা ১৫ টি, এর মধ্যে ছাত্রদের জন্য ৭টি এবং ছাত্রীদের জন্য ৮টি হল রয়েছে।

ছেলেদের হলঃ
১.আল বেরুনী হল
২.মীর মশাররফ হোসেন হল
৩.শহীদ সালাম-বরকত হল
৪.আ. ফ. ম. কামালউদ্দিন হল
৫.মওলানা ভাসানী হল
৬.বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল
৭.শহীদ রফিক-জব্বার হল

মেয়েদের হলঃ
১.ফজিলাতুন্নেসা হল
২.নওয়াব ফয়জুননেসা হল
৩.প্রীতিলতা হল
৪.জাহানারা ইমাম হল
৫.বেগম খালেদা জিয়া হল
৬.শেখ হাসিনা হল
৭.বেগম সুফিয়া কামাল হল
৮.বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেসা হল

ধন্যবাদ। সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।

চলন বিল বাংলাদেশের একটি সুবৃহৎ জলাভূমি

Now Reading
চলন বিল বাংলাদেশের একটি সুবৃহৎ জলাভূমি

বাংলাদেশ । অপরুপ সুন্দর্য ও সম্ভাবনার অপর একটি নাম।কিন্তু আমাদেরই হয়ত সেটা বোঝার সামান্ন বুদ্ধিটা নেই।সে জন্যই হয়ত নিজের মতৃভূমির সৌন্দর্য আমরা অবলৌকন করতে পরি না।পৃথীবির অন্যতম সবুজ বনানীর এ দেশ বাংলাদেশ।আজ আমি আপনাদের জানাব এমনই একটি স্থান এর নাম। আর তা হল বাংলাদেশ অন্যতম বৃহৎ জলাভূমি “চলনবিল” সম্পর্কে।

চলন বিল বাংলাদেশের একটি জলাভূমি। এটি একটি বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বিষণ্নতা, চরিত্রের সমাধি, সমৃদ্ধ উদ্ভিদ এবং প্রাণীর সাথে। চালান বিলের মধ্যে চল্লিশটি নদী এবং অন্যান্য জলপথে প্রবাহিত হয়।

চলন বিলটি নিম্ন আত্রাই উপত্যকায় বিস্তৃত নিম্নভূমির এলাকা, নাটোর জেলার সিংড়া ও গুরুদাসপুর উপজেলা, পাবনা জেলার চটমোহর, ভঙ্গুরার ও ফরিদপুর উপজেলা এবং সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ ও তারাশ উপজেলাগুলিতে বিস্তৃত। বর্ষার সময় একটি ধারাবাহিক জলের দেহ গঠন করতে বিভিন্ন চ্যানেল দ্বারা একে অপরের সাথে যুক্ত একটি সিরিজ গঠিত। যদিও মৃত্তিকা এলাকা বিস্তৃত জলের দেহে ঘন জলীয় গাছপালা দিয়ে প্রসারিত করে যতদিন যমুনা বর্ষার সময় বন্যার পানিতে ডুবে থাকে, ততক্ষণ শীত মৌসুমে এটি শুকিয়ে যায় এবং এই অঞ্চলের কেন্দ্রীয় অঞ্চলে পানির প্যাচ ছেড়ে যায়।

চালান বিল দ্রুত সিলটিং আপ হয়। অতীতে এটি প্রায় ১০৮৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা আচ্ছাদিত হলেও এটি ১৯০৯ সালে ৩৬৮ বর্গ কিলোমিটারে কমে গিয়েছিল, এর মধ্যে সারা বছর ধরে মাত্র ৮৫ কিলোমিটার জলপ্রবাহিত ছিল। এটি থেকে মাত্র ২৬ কিলোমিটার সঙ্কূচিত হয়েছে।

বাংলায় নদী ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হল নদীগুলির দ্বারা পরিচালিত নদীগুলির বৃহত অংশ। এটি পলি যা জমির সৃষ্টি করেছে এবং শত শত বছর ধরে এটি নির্মাণের মাধ্যমে এটি বাসযোগ্য করেছে।এটি গুরুর মাটি, যা জমি সারানো হয়, কিন্তু নদীটি যে প্রকৃতির সবচেয়ে উপকারী উপহার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, নদী সমস্যাগুলির অধিকাংশই এখন বাংলার জনগণের মুখোমুখি হয়েছে। পুরাতন নদী চ্যানেলের মোহনায় জমাট বাঁধের ফলে তারা পরিবর্তিত হতে বাধ্য হয়, নতুন এলাকার উন্নয়নে সহায়তা করে পরিত্যক্ত এলাকায় সমস্যার সৃষ্টি করে।

গঙ্গার নদী থেকে পানির প্রধান আয়তন ১৬ শতকের পদ্মা চ্যানেলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। পদ্মা সেতুর নীলনকশা উত্তর বঙ্গের দক্ষিণাংশের অংশ নির্মাণে সাহায্য করেছে। এটি কল্যান বিলের চারপাশে বিষন্নতার অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা। ১৭৮৭ সালে তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত এই অঞ্চলটি সক্রিয় ছিল। এই অঞ্চলটি তিস্তা ব্যবস্থার উত্তরে উত্তরে জমির মধ্যে অবস্থিত ছিল এবং এটি দক্ষিণে পদ্ম দ্বারা সক্রিয় ছিল।

তবে, বিষণ্ণতা তৈরির জন্য আরেকটি ব্যাখ্যা আছে। শতাব্দী ধরে পদ্মা সেতু বদলাচ্ছে। ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে বেন ভেং বক্রের মানচিত্রের মধ্যে পদ্মার প্রধান চ্যানেল ফরিদপুর-বাখরগঞ্জের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দেখা যায়, তবে আরেকটি সম্ভাব্য পূর্বের চ্যানেলের প্রস্তাবও রয়েছে। মেঘনা মেটানোর আগে রাজশাহী, চলন বিল, ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার রামপুর বোয়ালিয়ায় এই চ্যানেল চালানো হয়। সেই সময়ে যমুনা প্রকৃতপক্ষে অস্তিত্বহীন ছিল এবং ব্রহ্মপুত্র তার পুরানো চ্যানেলের মাধ্যমে প্রবাহিত হতো।

১৯৪৫ সালে পাওয়া একটি আনুমানিক হিসাব পাওয়া যায় যে, প্রায় ৪৭ টি নদী এবং অন্যান্য জলপথ চলাচল বিলের মধ্যে প্রবাহিত হয়েছিল, এটি ১৫৪৭ বর্গমিটার (৪০১০ কিলোমিটার) এর একটি জলপ্রবাহ। অনেকগুলি জলপথের জন্য রাস্তাঘাটের পাশাপাশি এটি দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে প্রবাহিত অনেক নদীগুলির উৎপত্তি হিসাবে অবদান রাখে যা অবশেষে পদ্মা বা যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়। ১৯০০-এর দশকের প্রথম দিকে, পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বাংলার রেলওয়ের নির্মাণকাজ এবং কলকাতায় সাঁওতাহার-বগুড়া শাখার লাইন নির্মাণের মাধ্যমে চালান বিলটি শুরু হয়। রেলপথ নির্মাণের কারণে বাধা সৃষ্টির কারণে এই এলাকার পানির নিষ্কাশন ব্যবস্থাগুলির প্রাকৃতিক প্যাটার্নটি বিধ্বস্ত হয়, যেহেতু এই কম জমিতে রেলপথ বাঁধের উপর নির্মিত হবে।

বিল এর তীরে ঘন ঘন কাশ, বাবলা, নাল, ঢোল কলমি, সিমুল, এবং খেজুর খেজুর দিয়ে আবৃত। ব্যাঙের সাতটি প্রজাতি এবং এক প্রজাতির ঘোড়াটি অ্যাম্বিবিজ্ঞান প্রজাতির প্রতিনিধিত্ব করে। চলন বিলের মোট ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপের মধ্যে রয়েছে দশটি কচ্ছপ এবং কচ্ছপ, নয়টি লেজার এবং বিভিন্ন সর্প প্রজাতি। ১২ টি পরিবার থেকে ২৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী রয়েছে।

চালান বিলটি আশেপাশের কৃষিজমিতে কীটনাশক ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব ভোগ করেছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় ১৯৪২ সাল থেকে কীটনাশক ব্যবহারের ছয়গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একই সময়ে কল্যান বিলের মাছের জনসংখ্যা অর্ধেক হয়েছে। বিলের উপর নির্মিত একটি ২৫ কিলোমিটার হাইওয়ে দুটি বিভক্ত হয়ে যায় এবং তাদের আন্দোলনকে ব্যাহত করে মাছের প্রজনন ঘটাচ্ছে। বাণিজ্যিক overfishing, গ্রিল এবং টানা নেট এবং অন্যান্য ধ্বংসাত্মক মাছ ধরা মাছ জনসংখ্যা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

তবে আমাদের প্রকৃতি রক্ষা করা আমাদের একটি কর্তব্য।আর সেই কর্তব্যে অবহেলা করলে তার ফল টাও আমাদেরই ভোগ করতে হবে।

ধন্যবাদ।