চলুন ঘুরে আসি কার্বনিফেরাসের যুগ থেকে

Now Reading
চলুন ঘুরে আসি কার্বনিফেরাসের যুগ থেকে

তাবুতে রাত কাটীয়েছেণ কখনো ?
তাবুতে ঢুকতে হয় লাইট নিভিয়ে , না হয় রাজ্যের পোকা মাকড় তাবুর ভেতর ঢোকার চেষ্টা করে । রাত ১০টা ১১ টার পর সব মানুষের কোলাহল ণীশ্চুপ হয়ে যায় , জঙল মুখরিত হয় ঝিঝি পোকা , মশা-মাছি আর নাম না জানা বিভিন্ন পশু পাখির শব্দে । আমার অভিজ্ঞতায় জঙলে তাবুতে শুয়ে থাকা অবস্থায় কি যেনো একটা পা ছূয়ে গীয়েছীলো, শুকরের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম , এই এক্সপেরিয়েন্স যে জংগলে রাত কাটায়নি তাকে বূঝানো যাবেনা।
ধরে নিলাম যাচ্ছি আমাজনের জঙ্গলে, ধরে নেন বেশ বড়সড় , শক্তপোক্ত একটা তাবুতে রাত কাটাচ্ছেণ , জাগূয়ার ঢুকতে পারেনা এমন শক্ত,রাত ২টার দিকে , প্রাক্রিতিক কাজ করার জন্য বাইরে যাবেন , টর্চ জ্বালালেন , শুরু হলো আতংক।
তাবুর দরজার উপর দারিয়ে , ৮ চোখ মেলে ডেবডেব করে তাকিয়ে আছে ১ ফুট চউড়া , সারা গা লোমে ঢাকা Goliath bird eating spider .
গোলিয়াথ বার্ড ইটীং ট্যাঁরান্টূলা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মাকড়শা গুলোর একটা । প্রায় ১১ ইঞ্চি চওড়া এর রোমশ শরিরের ওজণ ১৭৫ গ্রামের মত,যদিও পাখী এর স্বাভাবিক খাবারের মধ্যে পড়ে না । মাঝে মাঝে শখ করে ১-২টা পাখী ধরে খায় । তাই এর নাম হয়েছে বার্ড ঈটীং ট্যাঁরটুনাল । পোকামাকড়দের মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো এটলাস ম্থ আর কুইন আলেকজান্দ্রিয়ের বার্ড ঊঈং প্রজাপতি । এরা দুজনই প্রায় ১ ফূট চউরা । এদিকে পিপড়ার রেকর্ড ২ ইঞ্ছি , বাট বিলিভ মি ঐ ২ ইঞ্চি লম্বা পিপড়ার সামনে আপনি পড়তে চাইবেন না । আর মধ্য আমেরিকার ৪ ইঞ্চি লম্বা জায়ান্ট তেলা পোকা আমাড় বাথরুমে উড়াঊরি করুক আমি কক্ষণো সেটা চাইবনা ।
আমাদের খুব ভাগ্য ৩-৪ ফূট মাকড়শা আমাদের বাসার দেয়ালে বসে থাকেনা । ৭ -৮ ফুট চ্যাড়া বাথ্রুমে কিরবির করেনা । কেনো পোকামাকড় বড় হয়ণা ? সবসময় কী এরা ছোট ছীলো ?
লেটস মিট কার্বনি ফেরাস ।
পোকামাকড় , মাকড়ষা রা নিঃষ্বাষ ণেয় ট্রাকিয়ার সাহায্যে , কোণো লাংস নাই তাদের । চামড়্রার ছোট ছোট ছীদ্র দিয়ে বাতাস শরীরে ঢূকে , তারপর সেটা বাতাসের চাপে শরিরে ছড়ীয়ে ্যায় । পোকা যত বড় হয় , অক্সিজেনের চাহিদা মেটাণোর জন্য তার ট্রাকিয়া গুলো আরো বেশি করে মোটা হয় ।একটা সাইজের পর এত বেশি ট্রাকীয়া হয়ে ্যাবে ্যে ট্রাকিয়াকে জায়গা দিতে হলে হ্বদপিন্ড, পাকস্থলি , ব্রেইন এগুলোকে একটা একটা করে শরীর থেকে ফেলে দিতে হবে ,পোকা টাঈ ছোটই থাকে , বেশি বড় হয়না ,এখন বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান ২১% এর মত , থ্যাঙ্কস টু এয়ার পলিউশন , এই অক্সিজেনওঁ
কার্বন ডাই অক্সাইডের জন্য জায়গা করে দিচ্ছে । অনেক অনেক দিন আগে , প্রায় ৩০ কোটী বছর আগে এমনটা ছীলনা । বাতাসে অক্সিজেনের পরিমান ছিলো ৩৩% এর মত । পোকাদের জন্য রীতিমত স্বর্গরাজ্য ।
চলূন ঘুরে আসি কার্বনিফেরাসের দুনিয়া থেকে ।
প্রায় ৩৬ থেকে ২৯ কোটী বছর আগের সময়কালকে দুনিয়ার ইতিহাস এ কার্বনিফেরাস পিরিয়ড বলা হয় । এটা অনেক অনেকদিন আগের কথা । মাত্র চার হাজার বছর আগে কোণো একটা দ্বীপে দুনিয়ার শেষ ম্যাম্থটি বেঁচে ছিলো । ডাইনোসর টি রেক্সের শেষ হূঙ্কার শোণা ্যায় সাড়ে ছয় কোটী বছড় আগে । আড় হাটি হাটী পা পা করে প্রথম , ছোট ছোট আদিম ডাইনোসর রা দুনিয়াতে আসে ২২কোটী বছর আগে । তারওঁ ৭-৮ কোটী বছর আগে দুনিয়াতে চলছিল কার্বনিফেরাস ।
সে সময় দুনিয়ার একটা গাছেও ফুল ছিলোনা , ফল ছিলনা । কোথাও কোন পাখি ছিলনা , ম্যামাল ছিলনা । মাছেরা প্রথম মাটীতে উঠে এসে উভচর হয়ে তখন দুনিয়াতে ঘুরে বেরাচ্ছে । সে যুগে সারা দুনিয়াতে ছিলো বিশাল বিশাল রেইন ফরেস্ট । সোয়াম্প ফরেস্ট বললে আরো ভালো হয় । কার্বনিফেরাসের ফার্ন গাছগুলো মাটীর নিচে যেয়ে , ফসিল হয়ে , শেষে কয়লায় পরিণতি হয়ে আজকে সারা দুনিয়ার
চাহিদা মেটাচ্ছে । তাই এই সময়কালকে বলা হয় কার্বনিফেরাস পিরিয়ড ।

অসফল হওয়ার কারন

Now Reading
অসফল হওয়ার কারন

আমাদের এই পৃথিবীতে সকল মানুষই সফল হতে চায়। আমাদের পৃথিবীতে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কাজ করে, সকলেই সকলের কাজে সফল হতে চায়। কিন্তু সকলেই সফল হতে পারে না। কিছু মানুষ সফল হয়, আর বেশির ভাগ মানুষই ব্যর্থ হয়।

HABITS CAN MAKE YOU,, HABITS CAN BREAK YOU. অভ্যাস হচ্ছে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা আপনাকে সফলতার উচ্চ শিখরে পৌছে দিতে পারে, আবার আপনাকে ধবংস করে দিতে পারে। আমরা সাধারণত টিভিতে, বিভিন্ন পত্রিকায়, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সফল ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা করতে দেখি, বা শুনি। সেইখানে সফল ব্যক্তিদের বিভিন্ন অভ্যাস নিয়েও আলোচনা করতে দেখা যায়। কিন্তু যারা ব্যর্থ বা অসফল তাদের নিয়ে তেমন আলোচনা করতে দেখা যায় না। অসফল ব্যক্তিদের ব্যর্থতার কারন কি বা তাদের অভ্যাস গুলো নিয়ে তেমন আলোচনা করা হয় না। তাই আজ আমরা আলোচনা করব কোন কোন খারাপ অভ্যাসের জন্য অসফল ব্যক্তিরা সফল হতে পারেন না।

তারা কখনো কল্পনাও করে নি যে তারা ধনী হতে পারবেঃ আসলে আমাদের অনেকেরই মানসিকতা এমনই হয়। আর অনেক সময় আমাদের মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, বেশি টাকা পয়সা ভালো নয়, বড় স্বপ্ন দেখা উচিত নয়, ক্ষমতা অনুযায়ী স্বপ্ন দেখা উচিত। আমি বলব না টাকাই স্ব সুখের মূল, কিন্তু টাকা আমাদেরকে সফল হতে সাহায্য করে। আর টাকা যদি খারাপ হত তাহলে অল্প টাকার জন্য আমরা দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা কাজ করতাম না।

Procrastination ( ঢিলেমি করা ): আমাদের সমাজে বেশির ভাগ মানুষ বেশি বেশি বলে থাকেন। যেমন, আমি এইটা পারি, আমি ওইটা করব ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবে তারা কিছুই করেন না, বাস্তবে তারা শুধু ভাবতে থাকেন। আসলে তারা কোন কিছু নিয়ে কোন পরিকল্পনা করে না, কোন সিদ্ধান্ত নেন না, তারা শুধু মাত্র বলতে থাকেন।
শুধুমাত্র চিন্তা করলে হবে না, আপনার চিন্তাকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। শুধু কোন পরিকল্পনা করলেই হবে না, সেটা আপনাকে বাস্তবে রুপ দিতে হবে, আজকে করব কালকে করব বললে হবে না, করে ফেলতে হবে।

তারা শেখা বন্ধ করে দেয়ঃ কেউ যদি তাদের কে কিছু বলে তারা, এমন ভাব দেখায় যে তারাই সব কিছু জানে। তারা ভাবে কোন কিছু না জানা থাকলে, তাদের ভাব নষ্ট হবে। তাই তারা কোন কিছু না জানলেও এমন ভাব দেখায় যে তারা সব কিছুই জানে। এই পৃথিবীতে তাদের আর কিছু অজানা নেই। তারা সব বিষয়ে সব জান্তা। তারা কারো থেকে কিছু শিখতে চায় না।
কিন্তু একটা মানুষের কাছে সমস্ত কিছুর জ্ঞান থাকা সম্ভব নয়। আমরা অনেকে ভাবি যে আমি অনেক পড়াশুনা করেছি, আমি সব কিছু জানি, কিন্তু সময়ের সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হতে থাকে, তাই সময়ের সাথে সাথে নিজেকে পরিবর্তন করা উচিত। নিত্য নতুন জ্ঞানে সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। পৃথিবীর সকল সফল ব্যক্তিরা নিজেদেরকে সময়ের সাথে সাথে সবসময় আপডেট রাখেন।

টিভি দেখাঃ সফল ব্যক্তিরা টিভি দেখেন নিজেদের প্রয়োজনে। তারা নিজেদের কাজের সাথে জড়িত এমন খবর, মুভি বা অন্যান্য অনুষ্ঠান দেখেন। অপ্রয়োজনে তারা টিভি দেখে সময় নষ্ট করেন না। কিন্তু আমাদের মাঝে অনেকই আমরা অযথা টিভি দেখে সময় নষ্ট করি। যা একেবারেই উচিত না। টিভি এমন ভাবে দেখতে হবে, যাতে আমরা কিছু শিখি, আমাদের জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, আমরা আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে সেই জ্ঞান কাজে লাগাতে পারি।

সঠিক খাবার না খাওয়াঃ মানুষ বেঁচে থাকার জন্য খাবার খেতেই হবে। আর এই খাবার আপনি জীবনে অসফল হওয়ার একটি কারন হতে পারে। আপনি যদি এমন খাবার খান যেগুলো আপনাকে মোটা করবে, অলস করে দিবে, তাহলে আপনি সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করতে পারবেন না। আপনি তখন শুধু অলসতা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করবেন। কিন্তু জাঙ্ক ফুড জাতীয় খাবার আপনাকে শুধু অলসই করে দিবে। আর আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন, আর সুস্থ হওয়ার উপায় খুজে বেড়াবেন। তার সাথে আপনি সফলতা থেকে আস্তে আস্তে দূরে সড়ে যাবেন। আপনি যে কোন সফল ব্যক্তির দিকে তাকালে দেখবেন তারা তাদের খাবারের উপর বিশেষ নজর দেন এবং গুরুত্ব সহকারে এই বিষয়টি খেয়াল রাখেন। তারা সবসময় এমন খাবার খান যেটা তাদেরকে সবসময় সুস্থ রাখে।

একটানা কোন কাজ না করাঃ অসফল ব্যক্তিরা কখন একটানা কাজ করে না। আর সফল ব্যক্তিরা একটানা কাজ করে। সফল ব্যক্তিরা কোন কাজ মাঝ পথে কখন ফেলে রাখে না।

সাহারা মরুভূমির আয়তন বৃদ্ধি পেতেই থাকবে

Now Reading
সাহারা মরুভূমির আয়তন বৃদ্ধি পেতেই থাকবে

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ এবং আয়তনের দিক থেকে ৩য় বৃহত্তম মরুভূমির নাম সাহার মরুভূমি। যেখানে বৃষ্টিপাতের হার বছরে ১০ ইঞ্চির কম হয়ে থাকে, সেখানকার এলাকা গুলোকে মূলত মরুভূমি বলা হয়। এই সংজ্ঞা অনুযায়ী আর্কটিক এবং এন্টার্কটিকা মরুভূমি হওয়ার শর্ত পূরণ করে। সাহারা মরুভূমির স্থান এই দুই মরুভূমির পরেই। ভুলবশত “পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মরুভূমি” হিসেবে অনেক সময় উল্লেখ করা হয় সাহারা মরুভূমিকে।
সাহারা শব্দের উৎপত্তি ঘটেছে আরবি শব্দ শাহারা থেকে। শাহারা অর্থ মরুভূমি। সাহারা অর্থের আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় শ্রেষ্ট মরুভূমি। সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ৩১% অংশ জুড়ে অবস্থিত। এর আয়তন ৯ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার বা ৩,৫০০,০০০ বর্গমাইল। আর যদি বছরে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হওয়া এলাকাগুলোকে যোগ করা হয়, তাহলে সাহারার মোট আয়তন দাঁড়াবে ১১ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটারে বা ৪,২০০,০০০ বর্গমাইলে। যুক্তরাষ্ট্রের আয়তনের প্রায় সমান সাহারা মরুভূমির মোট আয়তন। সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত। উত্তর আফ্রিকার অনেকটা অংশ জুড়েই মরুভূমিটির রাজত্ব। এই মরুভূমিল পূর্বে লোহিত সাগর, উত্তরে মেডিটেরিয়ান সাগর এবং পশ্চিমে আছে আটলান্টিক সাগর এবং দক্ষিণে এই সীমানা ধরা হয়েছে সাহেল পর্যন্ত।
বালির রাজ্য হলেও সাহারা মরুভূমির এমন কিছু অংশ রয়েছে যেখানে তৃণভূমি এবং কিছু পর্বতমালা রয়েছে। বালির সমুদ্র এবং পাথুরে মালভূমি দিয়ে গঠিত এই মরুভূমি। বালিয়াড়ি, বালির সাগর, পাথুরে মালভূমি, শুষ্ক উপত্যকা, শুষ্ক হ্রদ ও নুড়ি প্রান্তরের সৃষ্টি হয় বাতাস এবং হাল্কা বৃষ্টিপাতের কারণে। এছাড়া বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু পর্বতমালা, কতগুলো আগ্নেয়গিরি, মরুভূমির বালির নীচ থেকে উঠে আসে। সাহারা মরুভূমিতে এমনও কিছু এলাকা আছে যেখানে কখনো কখনো বছরে একবারও বৃষ্টি হয় না। সাহার মরুভূমির সবচেয়ে অনুর্ববর অঞ্চল হচ্ছে মধ্য সাহারা।
মরুভূমি হলেও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ভিত্তিক বিচিত্র জীভজগৎ নিয়ে এই মরু অঞ্চল। উদ্ভিদ জগতের প্রায় ২৮০০ প্রজাতির বৃক্ষের উপস্থিতি লক্ষণীয় সাহারা মরুভূমিতে। সাহারার স্থানীয় উদ্ভিদ এই সংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ। মধ্য সাহারায় ৫০০ প্রজাতির গাছ রয়েছে যা এলাকার বিশালতার কাছে সামান্যই বটে। প্রাণীকুলও বেশ সমৃদ্ধ এই মরুভূমিতে। এই মরুভূমিতে বেশ কয়েক প্রজাতির প্রাণীর বসবাস রয়েছে। তার মধ্যে শিয়াল অন্যতম। বেশ কয়েক প্রজাতির শিয়াল রয়েছে এই মরুতে। ফেনেক ফক্স, পেল ফক্স এবং রুপেলস ফক্স এদের মধ্যে অন্যতম। দরকাস গাযেল নামক হরিণও রয়েছে এই মরুতে। যা অনেক দিন পর্যন্ত পানি পান না করেও বেঁচে থাকতে পারে। এই হরিণ গুলোও রয়েছে সাহারা মরুভূমিতে।
ডেথস্টকার বিছা মরুভূমির আরেক স্থানীয় বাসিন্দা।প্রায় ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয় এরা। অনেক বেশি পরিমাণে এজিটক্সিন এবং সাইলাটক্সিন থাকে এই বিছার বিষের মধ্যে। যা অত্যন্ত বিপদজনক। এক দংশনে স্বাস্থ্যকর পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে এই বিষাক্ত বিছার বিষ।সাহারান সিলভার অ্যান্ট সাহারা মরুভূমির উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে এবং শিকারির কবল থেকে বাঁচার জন্য দিনে কেবল ১০ মিনিটের জন্য এরা আস্তানা থেকে বের হয়। সাহারা মরুভূমিতে সাধারণত পালিত পশু হিসেবে বিবেচ্য ড্রমেডেরি উট এবং ছাগলের দেখা মেলে। দ্রুত গতি এবং সহ্য ক্ষমতার জন্য এই দুই জাতের পশু যাযাবরদের কাছে জনপ্রিয়।
বিজ্ঞানীদের মতে বর্তমান সাহারা প্রায় ১০% বৃদ্ধি পেয়েছে ১০০ বছর আগের সাহারার তুলনায়। এর পেছনে বিশ্ব উষ্ণায়নের অবদান কিছুটা হলেও দায়ী বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। এই মরুভূমির বিশালত্বর হওয়ার আরেকটা কারণ হচ্ছে খরা এবং বৃষ্টিপাতের হার অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার কারণ। বৃষ্টি না হওয়ার কারণে এবং খরা বেড়ে যাওয়ায় এর আয়তন দিনের পর দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন সাহারা মরুভূমির আয়তন বাড়তেই থাকবে, কমবে না কখনো।

চমকপ্রদ কিছু আবিষ্কার, যা প্রত্যেকটি দেশে থাকা উচিৎ

Now Reading
চমকপ্রদ কিছু আবিষ্কার, যা প্রত্যেকটি দেশে থাকা উচিৎ

পৃথিবীতে এমন কিছু আবিষ্কার রয়েছে যা আমাদের পূর্ববর্তী অবস্থার পরিবর্তন করে দিয়েছে। যে সকল আবিষ্কার কিছু বুদ্ধিমত্তা এবং ক্রিয়েটিভিটির সাথে করা হয় তাকে ইনোভেশন বলা হয়। আজকে এমন কিছু চকমপ্রদ আবিষ্কার নিয়ে আলোচনা করব যা পৃথিবীর সমস্ত দেশে থাকা উচিৎ। খুব সম্ভবত এমন জিনিস আপনি এর আগে কোথাও দেখেননি। এসব নতুন নতুন ইনোভেশন আমাদের জীবন যাত্রা আরো সহজ করছে। আজকে আমরা এমন কিছু অত্যাধুনিক চোখ ধাঁধাঁনো কিছু ইনোভেশন সম্পর্কে জানবো।
ভারত এবং বাংলাদেশের সাথে সাথে আরো কয়েকটি দেশে জনসচেতনতার অভাব একটি বড় ধরনের সমস্যা। এখানকার মানুষ রাস্তায় যেখানে সেখানে যখন তখন মলমূত্র ত্যাগ করে। সরকারি ভাবে এসব পরিষ্কার করতে অনেক টাকা ব্যায় হয়। মানুষ এসব কিছু থেকে ঠেকানোর জন্য সরকার জরিমানার ব্যবস্থাও করে থাকে। যাতে মানুষ জরিমানার ভয়ে এসব থেকে দূরে থাকে। কিন্তু এটায় যথেষ্ট নয়। তাই কাউন্সিল অথোরিটি একটা উপায় বের করেছে। এটার জন্য এক ধরনের পেইন্ট করা জরুরি। এটা যেমন তেমন পেইন্ট নয়। এটা হল পানিরোধক পেইন্ট। যা যেসব দেয়ালে লোকজন মূত্র ত্যাগ করে সেসব দেয়ালের মূত্র সেসব লোকদের দিকে ফিরে আসে। যা এসব লোকদেরকে উচিৎ শিক্ষা দেয়। মজার কথা হল এই পেইন্ট কোন দেয়ালে করা হইছে তা বুঝা যায় না। তাই এরপর থেকে যারা এসব করবে তাদের আর বাড়ি ফিরে যাওয়ার মত অবস্থা থাকবে না।

পার্কের ব্যাঞ্চে বসে রিলেক্স করতে অনেক মজা লাগে। কিন্তু কিছুক্ষন আগে যদি বৃষ্টি হয়ে থাকে তবে ব্যাঞ্চে বসলে পেন্ট ভিজে নোংরা হয়ে যায়। এ সমস্যাটাকে দক্ষিন কোরিয়া অনেক সিরিয়াস ভাবে নিয়েছে। তারা এমন ভাবে ব্যাঞ্চ বানিয়েছে যে, ব্যাঞ্চ ভিজা থাকলে ব্যাঞ্চের হ্যান্ডেল ধরে একটু ঘুড়ালেই ব্যাঞ্চের শুকনো প্রান্ত উপরে উঠে আসবে এবং ভিজা প্রান্ত নিচে চলে যাবে। আর আপনি আরামে বসে সুন্দর প্রকৃতির দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।

টোকিও জাপানের খুবই সুন্দর একটি শহর। এখানকার চকমপ্রদ আলোকসজ্জা, এখানকার সংস্কৃতি, এখানকার খাবার খুবই বিখ্যাত। টোকিও পৃথিবীর সেরা ছুটি কাটানো মত একটি জায়গা। কিন্তু খুবই কম টুরিস্ট ২২ মিটার নিচের গভির আন্ডারগ্রাউন্ড সুপার স্ট্রাকচারের কথা জানে। আন্ডারগ্রাউন্ড সুপার স্ট্রাকচার ১০ তলা বিল্ডিং এর সমান গভির। আর সাড়ে ৬ কিলোমিটার টার্নেলের মধ্যে এ সকল চেম্বার রাখা আছে। যা ইঞ্জিনিয়ারিং এর খুব ভাল একটি নমুনা। একে বলা হয় মেট্রোপলিটন এরিয়া আউট আন্ডারগ্রাউন্ড চ্যানেল। এত বড় নাম ওয়ালা স্ট্রাকচার টোকিওতে পথ বানানোর জন্য উদ্যেগ নেওয়া হয়। এটা ১৯৯২ সালে শুরু করা হয় এবং ২০০৬ সালে এটা বানানো সম্পূর্ণ হয়। এটা বানানোর কারণ হল এটা যেন শহরকে যেকোন তুপানের হাত থেকে বাঁচাতে পারে। কারণ টোকিওতে প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে থাকে। আর এই স্ট্রাকচার প্রাকৃতিক দূর্যোগ হতে টোকিওকে রক্ষা করে। যদি এমন কিছু হয় তাহলে এর কারণে তৈরি হওয়া শহরের সম্পূর্ণ পানি মাটির তলার ট্যাংকের মধ্য দিয়ে চলে যায়। এই ট্যাংক এত বড় যে, এর মধ্যে আস্ত তাজমহল রাখলে তা সেইটাও এই ট্যাংকের গভিরে হারিয়ে যাবে।

দক্ষিণ কোরিয়াতে এমন কিছু সিটি রয়েছে যেখানকার রোড বৃষ্টির পানি দিয়ে রোডকে পরিষ্কার করে দেয়। যদি কখনো বৃষ্টি আসে, তাহলে সম্পূর্ণ পানি হাইড্রলিক ট্যাংকে ভরে যায়। আর এসব পানি দিয়ে আবার সেসব রোডকে পরিষ্কার করা হয়।
অস্ট্রোলিয়া কয়েকটি শহরের নদীর পানিকে পরিষ্কার রাখার জন্য একটি জিনিয়াস ফিল্টারিং সিস্টেম চালু করেছে। পানির বর্জপদার্থ পানিকে পানি দূষণ থেকে মুক্ত রাখে। এটা করার জন্য কোন রকেট সাইন্স ব্যবহার করেনি। বড় বড় পানির ড্রেনের আগে সিম্পল নেট লাগিয়েছে। যা পানির মধ্য থাকা বর্জকে রোধ করে। এটা অনেক সহজ এবং সস্তা একটি পন্থা। এটা যখন পরীক্ষা মূলক ভাবে করা হয় তখন মাত্র শহরের দুইটি জায়গায় করা হয়। মাত্র ৬ মাসের মধ্যে ৩৭০ কিলোমিটার এই দুইটা নেটের মাধ্যমে সংরক্ষন করা হয়। এবং এটা থেকে বুঝা যায় যে, কখনো কখনো ছোট সমস্যা দিয়ে অনেক বড় বড় সমাধান হয়ে যায়।

সফল হতে চাও?

Now Reading
সফল হতে চাও?

ভালবাসা, সন্মান টাকা দিয়ে ক্রয় করা যায় না এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু আমরা মধ্যবর্তী পরিবারের মানুষ জানি টাকাই আমাদের সুখ এনে দিতে পারে। কারন মধ্যবর্তী পরিবারের মানুষগুলো সবসময় টাকার সংকটে পরে। কিন্তু আমরা দেখি আমাদের সমাজের বা দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির মানুষরাই সন্মান পায়। তাই আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে ধনী ব্যক্তি হওয়া যায়। বুড়ো বয়সে কিভাবে ধনী ব্যক্তি হওয়া যায় তা নিয়ে আজ আমরা আলোচনা করবো না, আমরা আজ আলোচনা করবো কিভাবে অল্প বয়সে ধনী ব্যক্তি হওয়া যায়। অনেকই বলতে পারেন অল্প বয়সে ধনী ব্যক্তি হওয়া যায় না, কিন্তু আমাদের দেশে, পাশের দেশ ভারতে এবং পুরো পৃথিবীতে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে রয়েছে এর উধারন, যারা অল্প বয়সেই ধনী হয়েছেন। আর তারা যদি পারে তাহলে আমাদের পক্ষেও সম্ভব।

আমাদের সবার মধ্যেই বুদ্ধি আছে, আমাদের সবার মাঝেই পরিশ্রম করার ক্ষমতা আছে, তাই আমরা চাইলেও সফল হতে পারি। প্রথমে আমাদের একটি নির্দিষ্ট একটি পরিকল্পনা থাকতে হবে। তারপর মানুষের জন্য কি করা যায় তা খুজে বের করতে হবে। যারা অল্প বয়সে ধনী হয়েছেন, তাদেরই দেওয়া কিছু পরামর্শ আজ আপনদের সাথে বলব। যেগুলো অনুসরণ করলে আমরাও হয়তো অল্প সময়ের মধ্যেই ধনী ব্যক্তি হতে পারবো।

SET YOURS GOALS AND DISCOVER YOUR MOTIVATIONS: যে কোণ কিছু শুরু করার আগে আমাদের মাথায় রাখতে হবে যে, ধনী হওয়ার রাস্তাটা এত সহজ নয়। আপনার রাস্তায় অনেক বাধা আসবেই। সেই জন্য আপনাকে সবসময় উৎসাহিত থাকতে হবে এবং থাকার চেষ্টাও করতে হবে। কারন আপনার খারাপ সময় আসলেও আপনি যেন আপনার আশা হারিয়ে না ফেলেন। এবং আপনি আপনার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে পারেন। সামনে আপনি আপনাকে কোথায় দেখতে চান সেটা যেন আপনার মাথায় থাকে। বড় বড় স্বপ্ন দেখতে ভয় পাবেন না। যদি আপনি এখন ১০০ বা ২০০ টাকা উপার্জন করেন তাহলে দিনে ১০০০ টাকা উপার্জন করার স্বপ্ন দেখতেও ভয় পাবেন না। কারন আপনি যখন বড় বড় কোন স্বপ্ন দেখবেন, সেটা পূরণ করার কোন না কোন উপায় আপনার মাথায় আসবেই।

SPLIT YOURS GOALS INTO SHORT TERM GOALS: বড় বড় স্বপ্ন পূরণ করার আশা অবশ্যই দরকার, এবং নিজের মধ্যে সেই আত্মবিশ্বাসও থাকতে হবে। কিন্তু আপনার সবপ্নগুলো সত্যি করতে হলে, আপনাকে আস্তে আস্তে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। মানে আজ আপনি যদি দিনে ১০০ টাকা উপার্জন করেন তাহলে আপনাকে ভাবতে হবে কাল আপনি ১১০ টাকা কিভাবে উপার্জন করবেন। এটা ভাবা যাবে না যে আজ আমি ১০০ টাকা উপার্জন করলাম আর কালই আমাকে ১০০০ টাকা উপার্জন করতে হবে। কারন সেটা কখনই সম্ভব না। আর আমাদের মাথার মধ্যে মস্তিষ্কও এত তারতারি কাজ করে না। আজ ১০০ টাকা, কাল ১১০ টাকা, এরপর ১২০ টাকা এইভাবেই আপনাকে ১০০০ টাকার দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এবং অল্প অল্প টাকা জমাতে হবে। যারা অল্প সময়েই ধনী ব্যক্তি হয়েছেন তারা এই ভাবেই অনুসরণ করেছেন।

STUDY THE LIVES OF SUCCESSFUL PEOPLE: যে সকল ব্যক্তি সফল হয়েছেন, সে আপনার আশেপাশের মানুষ হক, আপানার দেশের মানুষ হক, বা অন্য দেশের মানুষ হক, সে যেখানকার মানুষই হক তারা কিভাবে সফল হয়েছেন সেটা আপনাকে জানতে হবে। তাই তাদের জীবন কাহিনি জানতে হবে। কারন সেখান থেকে আপনি অনেক উৎসাহ পাবেন। তাদের জীবনী যখন আপনি জানবেন তখন আপনার মনে হবে তারা যেহেতু পেরেছে, তাহলে আপনিও পারবেন।
তাছাড়া আপনার আত্মীয়ের মধ্য কোন বড় সফল ব্যক্তি থাকলে বা আপানর আশপাশে কোন সফল ব্যক্তি থাকলে তাদের সাথে কথা বলুন, তারা কিভাবে সফল হয়েছেন জানুন, তাহলে আপনি তাদের অভিজ্ঞতাকে আপনার কাজে লাগাতে পারবেন।

WORK TOWARDS GETTING A GREAT JOB: যদি আপনার কাছে ভালো একটা চাকুরী না থাকে তাহলে ভালো একটা চাকুরী খোঁজার চেষ্টা করুন। ধনী ব্যক্তি হতে হলে আপনার কাছে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আসতে হবে। মানে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আপনি উপার্জন করতে হবে। আর চাকুরী করার ক্ষেত্রে নিজের কাজটি মনোযোগ দিয়ে ভালোবেসে করতে হবে। তা না হলে আপনি সফল হতে পারবেন না।

আয়নার মত স্বচ্ছ ঝিল

Now Reading
আয়নার মত স্বচ্ছ ঝিল

বর্তমানে আমরা আমাদের পরিবেশ নিয়ে অনেক ভীত। কারন বিজ্ঞানীরা বলছেন আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য খুবই ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে। যার ফলে বেড়ে গেছে বন্যা, ভূমিকম্প, জলচ্ছাস, প্রচুর গরম ইত্যাদি। আর দিন দিন আমাদের পৃথিবীর সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু তার মধ্যেও পৃথিবীতে এমন কিছু জলাশয় আছে যেগুলো দেখতে কাঁচের মত স্বচ্ছ। আজকে এই রকম কিছু জলাশয় সম্পর্কে আপানদের জানবো।

সাবাঃ এই জলাশয়টি মালেশিয়ায় অবস্থিত। মালয়েশিয়ার দক্ষিণ প্রান্তে একটি আইল্যান্ডে অবস্থিত। এই স্থানটি ড্রাইভারদের জন্য পছন্দের একটি স্থান। কারনে এইখানে পানির উপর থেকে নীচে সব কিছু খুব সুন্দর ভাবে দেখা যায়। যদি আপনার কখন ড্রাইভ করতে ইচ্ছে করে কিন্তু আপনি জলে নামতে ভয় পান, তাহলে এই জায়গা আপনার জন্য একদম উপযোগী। কারন আপনি এইখানে জলে না নেমেও জলের নিচের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

পুপু সাপ্রিংসঃ বছরে বেশির ভাগ বসন্তে চাঁদরে মাখা সাউথ আইল্যান্ডের ঠিক প্রান্তে এই পুপু সাপ্রিংস ঝিল রয়েছে। এটি নিউজিল্যান্ডে অবস্থিত। এটি প্রকৃতির এক চমৎকার সৃষ্টি। এই লেকটি প্রতি সেকেন্ডে ১৪০০ লিটার পরিষ্কার জল নির্গত করে। মানুষ বলে এই জল পরিষ্কার পানির মধ্যে অন্যতম। যখন আপনি পুপু সাপ্রিংস এর জল দেখবেন তখন আপানর কাছে এই জল পরিষ্কার মনে হবে না, কারন এইখানের একপাশের জল আপনি ব্রাউন দেখবেন। কিন্তু এই রং জলের রং না, এই রং জলের নিচের মাটির রং।

জুজাইগু ভেলিঃ চীনের উত্তরে একটি জাতীয় উদ্যান আছে। যার নাম জুজাইগু। এই উদ্যানের পরিবেশ খুবই সুন্দর। এইখানে রয়েছে সুন্দর সুন্দর গাছপালা। আরও এইখানে রয়েছে ১০৮ টি লেক। এই লেক গুলো বিভিন্ন রং এর। বিভিন্ন রং এর হলেও প্রতিটি লেকের পানি খুবই স্বচ্ছ। কিন্তু এই জলে সাঁতার কাটা নিষেধ। এমনকি ঐ সব ঝিলে মাছের খাবার খাওয়ানো নিষেধ।

কনিকগেছি লেকঃ যদি আপনি ভাসমান অবস্থায় জাহাজ বা বোটের সাথে ছবি তুলতে চান তাহলে আপনি একবার অস্ট্রলিয়ার বডারের কাছে কনিকগেছি লেকে ঘুরে আসবেন। এই লেকটি জার্মানির সবচেয়ে পরিষ্কার লেক। এই জলে তেল জাতীয় কিছু ব্যবহার করা হয় এমন কোন নৌকা বা কিছু চলতে দেওয়া হয় না। যাতে এই লেকের পানির সচ্ছতা নষ্ট না হয়।

লেক মারজুরিঃ ক্যালিফোর্নিয়া পাহাড়ে ঘেরা এই লেক দেখে আপনার মনে হবে এই লেকটি আর্টিফিশিয়াল। কারন এই লেকের পানি এতটাই স্বচ্ছ। এই ঝিল আগ্নেগীরির বিস্ফড়নের ফলে তৈরি হয়েছে। ভয় পাওয়ার কোন কারন নেই , বিস্ফড়নের ঘটনা অনেক বছর আগে ঘটেছে। যখন পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্বও ছিল না।

ক্রেটার লেকঃ উৎপত্তি অনুসারে এই লেক পৃথিবীর সবচেয়ে স্বচ্ছ লেক গুলোর মধ্যে অন্যতম। এই জলের রং এতটাই স্বচ্ছ যে আপনি ১৪০ ফুট উপরে দাড়িয়েও আপনি নিচ পর্যন্ত দেখতে পারবেন। যদিও বা এই লেকের গভীরতা প্রায় ২০০০ ফুট। এই ঝিলটিও আগ্নেগীরির বিস্ফড়নের ফলে তৈরি হয়েছিল।

রিও ছুছুরিঃ যখন সাউথ আমেরিকার নদীর কথা আসে, তখন সবার প্রথমেই অ্যামাজন নদীর কথা মনে পরে। কিন্তু অ্যামাজন নদীই সেখানে মূল আকর্ষণ নয়। ব্রাজিলের আইল্যান্ডে অবস্থিত রিও ছুছুরি নদীটি প্রকৃতির এক অনন্য সৃষ্টি। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পরিষ্কার নদী। যারা এই নদীটিকে নিজের চোখে দেখেছেন তারা অনেক ভাগ্যবান। এই ঝিলে মাছের পাখনা নাড়ানোটাও দেখতে পারবেন।

জেনি লেকঃ এই লেকটি আমেরিকায় অবস্থিত। এই লেকটিও আগ্নেগীরির বিস্ফড়নের ফলে তৈরি হয়েছিল। এই লেকটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৬৮০ ফুট উপরে অবস্থিত। লেকটি ১২ হাজার বছর আগে সৃষ্টি হয়েছিল। এই লেকে মটর বোট চালানো যায়। তাই ভ্রমণকারীরা খুবই ভালভাবে এই লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে।

বিশ্বের হিংস্র কিছু নারী

Now Reading
বিশ্বের হিংস্র কিছু নারী

নারীর হৃদয় মানে কোমল হৃদয়। এই কোমলতায় যখন হিংস্রতা এসে জায়গা করে নেয় তখন ব্যাপারটি কতটা ভয়াবহ হবে একবার কল্পনা করে দেখেছেন? অনেকের হইতো গায়ের লোম শিউরে উছেছে এতক্সনে। আজ জনবো সেসব নারীর কথা, যাদের হৃদয়ে কোমলতার কোন ছায়া নেই বরং সেখানে জায়গা করে নিয়েছে হিংস্রতা।

ক্যাথরিন নাইটঃ ভদ্রমহিলা জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৫ সালে। ক্যাথরিন হল প্রথম অস্টেলিয়ান নারী যাকে প্যারল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। কারণ সেখানে মৃত্যুদন্ডের বিধান ছিলনা। মূলত তিনি যা করেছেন তার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস হল- ক্যাথরিন নাইট পারিবারিক কোন এক ঝামেলায় তার প্রথম স্বামীর সব দাঁত উপরে ফেলে দেন। একই কারণে তার দ্বিতীয় স্বামীর সামনে তার আট সপ্তাহ একটি কুকুরের জিব্বা কেটে নেন এবং পরে কুকুরের চোখ উঠান। এর কয়েক মাস পরে তিনি একটি গোপন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এ্বং তার সাথে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তিনি ঐ ব্যাক্তিটিকে ৩৭ বার চুরিকাঘাত করে খুন করেন। এর ক্যাথরিন ঐ ব্যক্তির মৃতদেহের চামড়া ছাড়িয়ে তা ঝুলিয়ে রাখেন নিজের বেডরুমের দরজার হুকের সাথে। এছাড়াও মৃতদেহ থেকে মাথা কেটে নিয়ে স্যুপ রান্না করে বাচ্চাদের জন্য রেখে বাইরে চলে যান তিনি। কিন্তু বাচ্চারা বাড়ী ফেরার আগেই পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে।

ইরমা গ্রেসঃ ভদ্র মহিলা ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ছিলেন হিটলারের রাভেন্সব্রুক ক্যাম্পের সুপারভাইজার। এরপর সেখান থেকে বদলী হয়ে আসেন আউসুইটয ক্যাম্পে। সেখানে তিনি দায়িত্ব পান ৩০ হাজার বন্দি ইহুদী নারীর। তার কাজের মধ্যে ছিল পোষা কুকুর দিয়ে নারী হত্যা, বিকৃত যৌনাচার, লাইন ধরে নারীদের দাঁড় করিয়ে গুলি প্র্যাকটিস, অবাধ্য বন্দীদের গ্যাস চেম্বারে প্রেরণ। তার এই রকম হত্যাজজ্ঞের জন্য তিনি Bitch of Belsen নামে ব্যাপক পরিচিতি পান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তার মৃত্যু কার্যকর করা হয়।

ইস কচঃ এই মহিলা ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন কার্ল কোচের স্ত্রী। স্বামীর ক্ষমতা ছাড়াও তিনি নিজে ছিলেন বুচেনওয়ার্ল্ড কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের সুপারভাইজার। সেই সুবাদে সেখানকার বন্দীদের মধ্যে যাদের শরীরে ট্যাটু আঁকা থাকতো তাদের, আর যাদের চামড়া সুন্দর তাদের আলাদা করে রাখতেন। তারপর যাদের শরীরে ট্যাটু থাকতো তাদের খন করে ট্যাটুটি চামড়া সহ কেটে সংরক্ষন করতেন। শুধু তাই না শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রতঙ্গও তিনি সংগ্রহ করতেন। তবে তার সবচেয়ে প্রিয় শখ ছিল সুন্দর চামড়া ওয়ালা বন্দীদের হত্যা করে তাদের শরীরের চামড়া দিয়ে কুশন কভার, সাইড ল্যাম্প, বালিশের কভারসহ অন্যান্য জিনিস বানানো। ১৯৪৭ সালের ৩০ শে জুন তার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়। কুখ্যাত এই মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয় ১৯৪৩ সালের ২৪ শে আগস্ট। কিন্তু প্রমাণের অভাবে ছাড়া পেয়ে যান। পরবর্তীতে ১৯৪৫ সালের ৩০ শে জুন আমেরিকান সৈন্যরা তাকে আবার গ্রেফতার করে। শুরু হয় তার বিচার। এবার তার কুকৃর্তির প্রমাণ পাওয়া যায়। আর পাওয়া যায় তার সেই মানুষের চামড়ার তৈরি জিনিসপত্র। জেলে থাকাকালীন ১৯৬৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয় এই বিকৃত মস্তিষ্কের মহিলা।

বেলে গুনেসঃ ১৮৫৯ সালে আমেরিকায় জন্ম নেন। বেলে গুনেস ছিলেন উচ্চতায় ৬ ফুট এবং তার ওজন ছিল প্রায় ৯১ কেজি। তিনি একে একে খুন করেন তার দুই স্বামী এবং সন্তানদের। স্বামী-সন্তান ছাড়াও আরও প্রায় ডজনখানেক মানুষকে তিনি বিভিন্ন সময় হত্যা করেন। এসব হত্যা করার কারন অন্য কিছু নয়, ইন্সুরেন্স পলিসি আর বিশাল টাকার লোভ। স্বামী-সন্তানদের হত্যা করে ইন্সুরেন্স পলিসির টাকার জন্য আর বিভিন্ন সম্পর্কে জড়িয়ে আরও যাদের হত্যা করেন তাদের টাকা আর সম্পত্তি হাতানোই ছিল মূখ্য কারণ। আর তাই আমেরিকান ক্রিমিনাল ইতিহাসে তার নাম দেয়া হয় Bluebeard হিসেবে।

ম্যারি এন কটনঃ এই ভদ্রমহিলা ১৮৩২ সালে জন্মগ্রহন করেন। ম্যারি তার দুই স্বামী, একটা বয়ফ্রেন্ড, একটা ফ্রেন্ড, ১২ টা সন্তানসহ প্রায় ২১ জনকে খুন করে আর্সেনিক বিষ খাইয়ে। পরে ব্যাপারটা ধরা পরলে ১৮৭৩ সালে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

ধৈর্য একটি মহৎ গুন

Now Reading
ধৈর্য একটি মহৎ গুন

শুরুতেই কুরআনের একটি আয়াত দিয়ে শুরু করবো,
আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু না কিছু দিয়ে পরীক্ষায় ফেলবোই: মাঝে মধ্যে তোমাদেরকে বিপদের আতঙ্ক, ক্ষুধার কষ্ট দিয়ে, সম্পদ, জীবন, পণ্য-ফল-ফসল হারানোর মধ্য দিয়ে। আর যারা কষ্টের মধ্যেও ধৈর্য-নিষ্ঠার সাথে চেষ্টা করে, তাদেরকে সুখবর দাও। [আল-বাক্বারাহ ১৫৫]

আসলে ধৈর্য কি? ধৈর্য আমাদের জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা সাধারণ ভাবে বুঝি ধৈর্য অর্থ অপেক্ষা করা, বা নিজেকে নিয়ন্ত্রন করা ইত্যাদি। অনেকের কাছে ধৈর্যের অর্থ অনেক রকম হতে পারে। যেমন-

ধৈর্যের একটি অর্থ কোন কিছুতে তাড়াহুড়া না করা, ভালো কিছুর জন্য তাড়াহুড়া না করা, ভালো কোন ফল পেতে বিলম্ব হলে হতাস হয়ে না পরা।

ধৈর্যের আরেকটি অর্থ হচ্ছে কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য পুরনের জন্য সকল বাধা বিপত্তি সাধরে গ্রহণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া।
দুঃখ-বেদনা, ভরাক্রান্ত ও ক্রোধান্বিত না হওয়া এবং সহিষ্ণু হওয়াও ধৈর্যের একটি অর্থ।
ধৈর্যের এক অর্থ হচ্ছে, সকল প্রকার ভয়ভীতি ও লোভ-লালসার মোকাবেলায় সঠিক পথে অবিচল থাকা, শয়তানের উৎসাহ প্রদান ও নফসের খায়েশের বিপক্ষে নিজের কর্তব্য সম্পাদন করা।

ধৈর্য ধরে কাজ করলে আপনি অবশ্যই আপনি সাফল্য পাবেন। কারন কথায় আছে সবুরে মেওয়া ফলে। কিন্তু আমরা অনেকই অল্পতেই ধৈর্য হারিয়ে হতাশ হয়ে পরি। ধৈর্য না থাকলে দীর্ঘ মেয়াদি কোন কাজ করা সম্ভব নয়। ভালো কিছু করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্যশীল হতে হবে। ধৈর্য সব মানুষের মধ্যেই থাকে কারো কম আর কারো বেশি। ধৈর্য শক্তি কম থাকলে মানুষ খুব দ্রুতই রেগে যায়। কথায় আছে রেগে গেলেনত হেরে গেলেন।

এক ব্যক্তি নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন। তিনি তার গাড়িটি পানি দিয়ে পরিষ্কার করছিলেন, আর তার ৬ বছরের ছেলেটা ধাতব কিছু দিয়ে গাড়িটিতে কিছু লিখছিলেন। লোকটি যখন তার ছেলেকে গাড়িটিতে কিছু লিখতে দেখলেন, তখন তার মেজাজ খুবই খারপ হয়ে গেল, কারন গাড়িটি ছিল একদমই নতুন। তখন লোকটি রাগ করে তার হাতে থাকা একটি বস্তু দিয়ে তার ছেলের হাতে একটি আঘাত করলেন। রাগের মাথায় লোকটি খেয়াল করেন নি যে, তিনি তার হাতে থাকা যে বস্তুটি দিয়ে ছেলের হাতে আঘাত করেছেন সেটি ছিল একটি লোহার পাইপ। যাইহোক ছেলেটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। লোকটি তার ছেলের বেডের পাশে বসে কাঁদছিল। কারন ঐ পাইপটির আঘাতে ছেলেটির হাতের চারটি আঙ্গুল ভেঙ্গে যায়। তারপর ছেলেটি তার বাবার দিকে তাকিয়ে বলে, বাবা আমি আর গাড়িতে কখন লিখবনা, আমার আঙ্গুল গুলো কি আবার ফিরে পাবো বাবা। বাসায় ফিরে লোকটি পুরো গাড়িটা ভেঙ্গে ফেলে। তারপর ক্লান্ত হয়ে বসে পরে সে, এবং গাড়িতে তার ছেলের লেখাটি দেখতে পায়। যেখানে লিখা ছিল I love you dad. পরদিন সেই বাবা ভীষণ কষ্টে আত্মহত্যা করে। তার নিথর দেহর পাশে একটা চিরকুট ছিল, যাতে লিখা ছিল- ANGER AND LOVE HAVE NO LIMITS. THE CHOICE IS YOURS!

রাগের প্রধান কারণই হল ধৈর্য হারা থাকা। তাই আজ কিভাবে ধৈর্য বাড়ানো যায় তার কিছু উপায় সম্পর্কে আমরা জানবো-

মেডিটেশন (ধ্যান) করুনঃ মেডিটেশন বা ধ্যান ধৈর্য বাড়ানোর কার্যকরী একটি উপায়। ধ্যান মানুষের মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে। তাদের ভঙ্গিকে ধীর স্থির করে, আর এটা হচ্ছে ধৈর্য শক্তি বৃদ্ধির প্রধান লক্ষণ। মেডিটেশন বা ধ্যান করলে আত্ম নিয়ন্ত্রন বৃদ্ধি পায়। ফলে মানুষ চট করে রেগে উঠে না। এছাড়া ভালো মন্দ বিচারের ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ধ্যান করুন দেখবেন আপানর ধৈর্য শক্তি অনেকটাই বেড়ে গেছে।

তুলনা করবেন নাঃ অন্যের সাথে কখনই নিজের তুলনা করবেন না। অন্যরা কি করল তাতে নজর না দিয়ে নিজের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। আপনার প্রত্যেকটি কাজের জন্য একটি লক্ষ্য হবে আর সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আপনাকে কাজ করতে হবে।

মেনে নিতে শিখুনঃ আপনি যেটা আশা করবেন তাই সবসময় হবে তা কিন্তু নয়, তাই যে কোন কিছু মেনে নিতে শিখুন। মানুষ সবচেয়ে বেশি ধৈর্য হারিয়ে ফেলে যখন তিনি হতাশ হয়ে পরেন। আর এই হতাশা আসে যখন আপনি যেটা আশা করেছেন সেটা না পান। তখন আপনি হতাশ হয়ে পরেন। আর তারপর ধৈর্য হারান। আমাদেরকে বুঝতে হবে জীবনের সব আশা পূরণ হবে না।

ডাইরি লিখা এবং বই পড়ার অভ্যাসঃ ডাইরি লিখা ধৈর্য শক্তি বাড়ায়। কারন ডাইরি লিখতে ধৈর্য শক্তি লাগে। একই ভাবে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই অভ্যাস দুইটি আপনি গড়ে তুললে আপানর ধৈর্য শক্তি অনেক বেড়ে যাবে।

ফুকুশিমা পরমাণু দুর্যোগ!

Now Reading
ফুকুশিমা পরমাণু দুর্যোগ!

ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক দুর্যোগ। ২৬ এপ্রিল ১৯৮৬ চেরনোবিল দুর্যোগ এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক ইভেন্ট স্কেলে লেভেল ৭ ইভেন্ট শ্রেণীবদ্ধকরণের পর ফুকুশিমা একমাত্র দুর্যোগ যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর পারমাণবিক ঘটনা ছিল।

১১মার্চ ২০১১ তারিখে তোহোকু ভূমিকম্পের পর সুনামিটি শুরু হয়েছিল। ভূমিকম্পের পরপরই সক্রিয় চুল্লি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের স্থায়ী বিভাজন প্রতিক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। যাইহোক, পরবর্তী সুনামি জরুরী জেনারেটরদের প্লাবিত করে যা পাম্পগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে যা হ্রাস তাপ উত্তোলনের জন্য চুল্লীগুলিকে ঠান্ডা করে।

কুল্যান্ট ক্ষতির কারণে তিনটি পরমাণু মৃত্তিকা, হাইড্রোজেন-এয়ার বিস্ফোরণ, এবং ইউনিট ১,২ এবং ৩ এর মধ্যে তেজস্ক্রিয় পদার্থের মুক্তি ১২ এবং ১৫ মার্চের মধ্যে ঘটে। কুল্যান্ট ক্ষতিটি সম্প্রতি গ্যাসের রিঅ্যাক্টর-৪ সম্প্রসারিত জ্বালানি পুলের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যা ১৫মার্চ তারিখে তাপমাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে, নতুনভাবে যোগ করা জ্বালানী রডগুলির ক্ষয়ক্ষতির কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু এক্সপোজারে উষ্ণ হয়নি।

৫ জুলাই, ২০১২ তারিখে জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক দুর্ঘটনাজনিত তদন্ত কমিশন (এনএআইআইআইসি) এর জাতীয় খাদ্য পাওয়া গেছে যে দুর্ঘটনার কারণগুলি আগে থেকেই অবহিত করা হয়েছে এবং উদ্ভিদ অপারেটর টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টিইপিসি) মৌলিক নিরাপত্তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ঝুঁকি মূল্যায়ন হিসাবে প্রয়োজনীয়তা, সমান্তরাল ক্ষতি ধারণকারী প্রস্তুতি, এবং evacuation পরিকল্পনা উন্নয়নশীল। ১২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে টিইপিসিও প্রথমবার স্বীকার করেছিল যে এটি পারমাণবিক উদ্ভিদের বিরুদ্ধে মামলা বা বিক্ষোভের ভয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

ভূমিকম্প থেকে দুই [TEPCO] কর্মী আহত হয়ে মারা গেছেন। পারমাণবিক বিকিরণের প্রভাব সম্পর্কিত জাতিসংঘের বৈজ্ঞানিক কমিটির একটি প্রতিবেদন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দুর্ঘটনার পরে জন্মগ্রহণকারী শিশুগুলিতে গর্ভপাত, মৃতপ্রায় বা শারীরিক ও মানসিক ব্যাধিগুলির কোনও বৃদ্ধি ঘটেনি। ১৭১,০০০ এরও বেশি বহিরাগতরা এখনও পর্যন্ত বাড়ি ফিরে আসতে পারেনি।

উদ্ভিদ ব্যবস্থাপনা অনুমান উভয়ই এলাকাগুলিকে দূষিত করতে প্রভাবিত করতে পারে । উদ্ভিদ নির্মূলকরণের চলমান তাত্ক্ষণিক পরিচ্ছন্নতা প্রোগ্রামটি ৩০ থেকে ৪০ বছর সময় লাগবে। এটি স্থূল মাটি বাধা, seeping ভূগর্ভস্থ পানি দূষণ প্রতিরোধ করার জন্য একটি প্রচেষ্টা, তা দ্বারা সংগৃহীত জল চিকিত্সা করা হয় এবং ট্রাইটিয়াম ব্যতীত সমস্ত তেজস্ক্রিয় উপাদান মুছে ফেলা হয়।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে, TEPCO রিমোটর-র নিয়ন্ত্রিত ক্যামেরা দ্বারা রিঅ্যাক্টর ২ এর ভিতরে নেওয়া ছবিগুলি প্রকাশ করে যা চুল্লির প্রাথমিক সংবহন জাহাজের চাপের পাত্রের নীচে ২ মিটার (৬.৫ ফুট) প্রশস্ত গর্ত।দেখায়। যা চাপের পাত্র থেকে রক্ষা পাওয়ার কারণে জ্বালানী দ্বারা সৃষ্ট হতে পারে, যা মৃত্তিকা / ম্যাগ-থ্রুর দ্বারা সংক্রমণের এই স্তরটির মাধ্যমে ঘটেছিল। ২১০ ইউনিট প্রতি ঘণ্টায় বিকিরণ মাত্রা পরবর্তীতে ইউনিট ২ কন্টেনারমেন্ট পাত্রের ভিতরে সনাক্ত করা হয়। অপ্রচলিত ব্যয়বহুল জ্বালানীটি সাধারণত ২৭০ এসভি / এইচ এর মান, বিজ্ঞাণী দের ধারণা কোনো শিল্ডীং ছারাই ১০ বছর পর ঠান্ডা বন্ধ হয়ে যাবে ।

ফুকুশিমা দাইইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মূলত জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) দ্বারা নির্মিত এবং টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (টিইপিসি) দ্বারা রক্ষণাবেক্ষণ করা ছয়টি পৃথক উষ্ণ জল চুল্লী গঠিত। ১১ মার্চ ২০১১ তে তোহোকু ভূমিকম্পের সময়, পুনঃ-জ্বালানী প্রস্তুতির জন্য রেক্ট্যাক্টর ৪,৫ এবং ৬ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, তাদের ব্যয় করা জ্বালানী পুল এখনও শীতল প্রয়োজন ।

ভূমিকম্পের পরে অবিলম্বে বিদ্যুৎ উৎপাদক প্রতিক্রিয়া ১,২ এবং ৩ স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি স্থিরভাবে সুরক্ষিত পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রণ রডগুলি সন্নিবেশ করে তাদের স্থায়ী বিভাজন প্রতিক্রিয়াগুলি বন্ধ করে দেয়, যা SCRAM হিসাবে উল্লেখ করা হয়, যা চুল্লির স্বাভাবিক চলমান অবস্থার অবসান ঘটায়। যেহেতু চুল্লি তাদের নিজস্ব কুল্যান্ট পাম্প চালানোর জন্য শক্তি উৎপন্ন করতে অক্ষম ছিল, তাই ডিজেল জেনারেটর অনলাইনে ইলেক্ট্রনিক্স এবং কুল্যান্ট সিস্টেমে বিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য ডিজাইন করেছিল। সুনামির প্রতিক্রিয়া ১-৫ এর জন্য জেনারেটর ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত এইগুলি সাধারণত পরিচালিত হয়। রিঅ্যাক্টর৬ ঠান্ডা করার দুটি জেনারেটর অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং পার্শ্ববর্তী রিঅ্যাক্টর ৫কে তাদের নিজস্ব চুল্লির সাথে ঠাণ্ডা করার জন্য পরিষেবাতে চাপ দেওয়া যথেষ্ট ছিল, অত্যধিক চুল্লি সহ্য করার ফলে অন্যান্য চুল্লী ভোগান্তি ভোগ করে।

কিন্তু জুলাই ২০১৬ তে TEPCO জানায় যে বরফ প্রাচীরটি প্রবাহিত এবং অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় পানির সাথে মেশানো থেকে ভূগর্ভস্থ পানি রোধে ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করে একটি স্থূল মাটি বাধা তৈরি করা হয়েছিল। ধ্বংসস্তূপের চুল্লি ভবনগুলির ভেতরে, তারা “হিমায়িত প্রাচীরের সাথে ভূগর্ভস্থ পানি বন্ধ করার ক্ষেত্রে টেকনিক্যালি অসমর্থ”।

২০১৮ সালে ফুকুশিমা দুর্যোগ এলাকায় ভ্রমণের জন্য যাত্রা শুরু হয়।

ইংরেজি ভাষা

Now Reading
ইংরেজি ভাষা

আমরা সাধারণত বাংলায় কথা বলি। কারন বাংলা আমাদের মাতৃভাষা। আমাদের জন্মের পর থেকেই এই ভাষা শুনে আমরা অভ্যস্ত তাই এই ভাষাটা আমরা বড় হওয়ার সাথে সাথে শিখে ফেলি, এবং এই ভাষাতেই কথা বলি। এবং আমাদের বাংলাদেশর মানুষ বাংলা ভাষাতেই কথা বলতে সাচ্ছন্দ বোধ করি।

তাই আমরা হয়তো অনেকেই ভাবি আমাদের চাকুরির ইন্টার্ভিউ গুলো যদি বাংলাতে হত ভালো হত। কারন আমাদের এখন চাকুরী বাজারে ভালো কোন চাকুরির ইন্টার্ভিউ নেওয়া হয় ইংরেজির মাধ্যমে। কারন ইংরেজি হচ্ছে আন্তর্জাতিক ভাষা। আর সারা বিশ্বে সকল কাজকর্মে ইংরেজি ভাষাটাই ব্যবহার করা হয়।

কিন্তু আমরা সাধারণত ইংরেজি ভাষাটায় সাচ্ছন্দ বোধ করি না। আর অনেক সময় দেখা যায় আমাদের অনেক ভালো ভালো চাকুরী আমাদের হাত থেকে চলে যায় কারন আমরা ইংরেজিতে দক্ষ নই।

অন্য কারো থেকে ইংরেজি ভাষাটা শোনার পর আমরা বুঝতে পারলেও, আমাদের মূল সমস্যা হয় বলতে গিয়ে। অন্য কারো সামনে যখন আমরা ইংরেজি বলতে যাই তখন আমরা আটকে যাই। আর আমরা যখন অন্য কারো সাথে ইংরেজি বলতে যাই তখন আমরা খুব সচেতন হয়ে পরি, কিছুক্ষণের জন্য একটু ঘাবড়ে যাই। তাই এখানে আমাদের আসল সমস্যা হল, আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব।

আর ইংরেজির এই সকল সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের দেশে এবং অনলাইনে অনেক কোচিং সেন্টার, শিক্ষক আছেন যারা আমাদের এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করে থাকেন। আর এই সকল শিক্ষক আমাদের সাধারণত প্রথমে গ্রামার শিক্ষা দেন যেমন কোনটা noun, কোনটা varb, তারপর tense ইত্যাদি। যেটা আমরা সবাই শিখেও ঠিক মত ইংরেজি বলতে পারি না। আসলে এই সমস্যার সমাধান পেতে হলে আমাদের আগে জানতে হবে এই সমস্যার মূল কারন কি। আমরা কেন ইংরেজি ভাষাটা শিখতে পারছি না।

আচ্ছা আপনি একটু চিন্তা করে দেখেন, আপনি যখন আপনার মাতৃভাষায় কথা বলেন তখন আপনি চিন্তাও করেন মাতৃভাষায়। কিন্তু আপনি যখন ইংরেজি ভাষায় কথা বলেন তখন যে কথাটা ইংরেজি ভাষায় বলেন সেটা আগে বাংলা ভাষায় চিন্তা করে তারপর সেটাকে আবার ইংরেজিতে চিন্তা করে বলেন। আর এটাই আমাদের ইংরেজিতে সাবলীল কথা বলার ধরনটাকে নষ্ট করে দেয়।
আমাদের মস্তিষ্কে আমাদের দৈনিন্দন কাজের সাথে মিল আছে এমন কিছু শব্দ যুক্ত থাকে, ঠিক তেমনি ইংরেজি শব্দও যুক্ত থাকে। কিন্তু বাংলা ভাষার শব্দ গুলো আগে আমরা চিন্তা করে ফেলি, পরে সেটার ইংরেজি চিন্তা করি। যেমন
আপনি কোন গাছের দিকে তাকালে, আপনার মাথায় যে শব্দটি আগে আসবে সেটি হল গাছ, এরপর আসবে tree. কারন এটা আমাদের অভ্যাস যে আমাদের মাথায় আগে মাতৃভাষাটিই আসে।

আর এই অভ্যাসটা যদি আমরা পরিবর্তন করতে পারি তাহলে বাংলা ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষা করতে আমাদের মস্তিষ্কে যে সময়টা ব্যয় হয় সেটা আমরা বাচাতে পারি। আর তখনই আমরা সাবলীল ভাবে ইংরেজিতে কথা বলতে পারব।
তাহলে এইখানে যেই বিষয়টা উঠে এসেছে সেটা হল আমাদের অভ্যাস।

আপনি একটু চিন্তা করে দেখুনতো ছোট বেলায় আপনি আপনার মাতৃভাষাটা কিভাবে শিখেছিলেন? আর সেই কৌশল গুলো যদি এখানেও প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে আপনি খুব সহজেই ইংরেজি ভাষাটাও শিখে ফেলতে পারবেন।

আপনি যদি একটু খেয়াল করে দেখেন আমাদের মাতৃভাষা শেখার কৌশল ছিল দুইটি।
১। Observation ( পর্যবেক্ষণ )
2।Practice ( অনুশিলন )

Observation ( পর্যবেক্ষণ ): প্রতিটি বাচ্চাই হল খুব ভালো পর্যবেক্ষক। তাদের কোন কাজ থাকে না, তাই তারা পুরো সময়টাই তাদের আশেপাশে ঘটে যাওয়া সবকিছু খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে, এবং সেগুলো করার চেষ্টা করে। প্রথম বার হয়তো তারা ফেল করে, তারপর আবার চেষ্টা করে, আবার ফেল করে, আবার চেষ্টা করে, এই ভাবে তারা বিভিন্ন কিছু শিখে ফেলে।

কিন্তু আপনি কিভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন কারন আপনার আশেপাশে যারা বসবাস করে তারা সবাই বাংলা ভাষায় কথা বলে। তাই আপনি ইংরেজি মুভি দেখতে পারেন, ইংরেজি নিউস দেখতে পারেন, এইভাবে আপনি অনেক বেশি ইংরেজি শব্দ শিখতে পারবেন এবং কিভেবে কথা বলতে হয় সেটা শিখতে পারবেন।

2।Practice ( অনুশিলন ): অনুশিলন করার একটা উপায় হচ্ছে আপনি প্রতিদিন ডায়েরি লিখতে পারেন। কারন ডায়েরি লিখতে আপনাকে ভাবতে হবে আর এটা আপনাকে ইংরেজি শিখতে সাহায্য করবে। অন্য আরেকটা উপায় হল আপনি নিজে নিজে আপনার মনের সাথে ইংরেজিতে কথা বলার অনুশিলন করা।

Page Sidebar