হ্যাকারদের প্রধান অস্ত্র! (Kali Linux)

Now Reading
হ্যাকারদের প্রধান অস্ত্র! (Kali Linux)

  1. যারা কম্পিউটারে ব্যাবহার করে থেকে তারা হয়ত বা Kali Linux সম্পর্কে শুনে থাকবেন। বেশিরভাগ মানুষ যারা এ সম্পর্কে শুনেছেন তারা ভাবে এটি একটি হ্যাকিং টুল যা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কারো ইনফরমেশন হ্যাক করতে ব্যাবহার করে। আসলে এটি কোনো খারাপ টুল না বরং এটি উইন্ডোজ xp বা 7 বা 8 অথবা 10 এর মত এক প্রকার অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারে ব্যাবহার হয়ে থাকে। মাটি আহার্নি,ডেভান কেয়ার্ন্স এবং রাফায়েল হার্টজগ ছিলেন এর প্রধান ডেভেলপার। এটি পরিচালনা ও অর্থদান করে “অফেন্সিভ সিকিউরিটি লিমিটেড।” এটি কম্পিউটারের পাশাপাশি এন্ড্রয়েডে ব্যাবহার করা যায়। লিনাক্স নেটহান্টার সাহায্যে কালি লিনাক্স কিছু এনড্রয়েড ডিভাইসেও চালানো যায়। কালি ব্যাবহারকারীদের কমিউনিটি ও অফেন্সিভ সিকিউরিটি সিস্টেমের যৌথ উদ্যোগে নেটহান্টার তৈরি হয়েছে।

কালি লিনাক্স শুধুমাত্র হ্যাকারদের জন্যই তৈরি কারন এখানে কিছু বিশেষ টুল’স রয়েছে যার সাহায্যে তারা কোডিং অর্থাৎ কমানন্ডের সাহায্যে কোনো ওয়েবসাইটের দূর্বল দিকগুলো বের করতে পারে যেখান থেকে তাদের (ওয়েবসাইটকে) হ্যাক করা যেতে পারে । এর একটি ভালো ব্যাবহার আছে আর এক খারাপ ব্যাবহার আছে। ভালো ব্যাবহার হল আপনি আপনার ওয়েবসাইটে বা অন্যের ওয়েবসাইটের দূর্বল দিকগুলো ধরে তাদেরকে  বলতে পারেন যে এখান থেকে তারা হ্যাক হতে পারে। আর খারাপ ব্যাবহার আপনি অন্যের ওয়েবসাইট হ্যাক করতে পারেন এবং তাদের ইনফরমেশন লিক করতে পারেন ইত্যাদি।
নরমাল উইন্ডোজে কিছু সিম্পল টুল’স থাকে যেমন  পেইন্ট, ক্যাললকুলেটর বা ওয়ার্ডপ্যাড ইত্যাদি। এই সকল টুল’স থাকার কারন আমরা উইন্ডোজ ঘরে বা অফিসে সাধারন কাজে ব্যাবহার করি। কিন্তু kail linux এ কি কি থাকে? কিসের মাধ্যমে হ্যাক করা যায়? এখানে অবশ্যই কিছু বিশেষ সফটওয়্যার থাকে। এখানে তো আর নোটপ্যাড থাকবে না কারন হ্যকাদের নোটপ্যাড লাগে না, তারা কমান্ডিং এর মাধ্যমে তাদের কাজ করে থাকে। এখানে বিভিন্ন হ্যাকিং টুল, ব্রুইফোর্স আ্যাটাক করা যায় অথবা কারোর পাসওয়ার্ড  দিয়ে কিছু করা ইত্যাদি টুল ‘স থাকে। এ সম্পর্কে কেউ বেশি কিছু বলে না কারন এর ফলে বিভিন্ন ক্রাইম হতে পারে।

কোন হ্যাকার যেন বেশি কষ্ট না করতে হয় তার জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় টুল’স এখানে বিল্ড ইন থাকে। kali Linux ইন্সটল করার পর এডভান্স হ্যাকিং শুরু করা যায়। অবশ্য উইন্ডোজেও হ্যাকিং করা যায় কিন্তু সেখানে বেশ কষ্ট হয়ে পরবে। উইন্ডোজে হ্যাকিং করতে হলে নিজে থেকে সফটওয়্যার বানিয়ে হ্যাক করতে হয়। অপরদিকে Kali Linux এ এসকল আপ্লিকেশন আগে থেকে থাকে যা ইথিকাল হ্যাকার কমিউনিটি বা লিনাক্স থেকে তৈরি। আরো যারা এডভান্সড তারা তাদের কাজের জন্য আরো কিছু সফটওয়্যার ব্যাববহার করে থাকে।
Kali Linux অপারেটিং সিস্টেম আপনি ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন। অবশ্যই লাপটপ বা কম্পিউটার  ব্যবহার করা হয়।

আমরা শুনি থাকি kali Linux এটা,সেটা আরো কত কি। মূলত এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম যা শুধু মাত্র হ্যাকারা ব্যবহার করে থাকে।

>এখন আসি Kali Linux এ কী কী সফটওয়্যার দেখতে পাই এবং এর কাজগুলো কী?

>আর এডভান্স হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এরা কেমন ভূমিকা রাখে?

*আমরা আপ্লিকেশনসে (মেনু) ক্লিক করলে দেখতে পারব। আমরা যে সকল আপ্লিকেশন দেখতে পারব তা কোনো গ্রাফিকাল আ্যাপ না। কালি লিনাক্সের প্রায় সকল আ্যাপ-ই কমান্ড ফ্রম সিস্টেমেই দেখা যায়। এখানে বেশি ছবি দেখতে পারব না। সব কিছু কমান্ড ল্যাংগুয়েজে দেখতে পারব।

১.information gathering- এই ক্যাটাগরির কিছু আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট বা সারবারের ইনফরমেশন জানতে পারব।

2.Vulnerabilities analysis- এই ক্যাটাগরির ৮ টি আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট বা সারবারের দূর্বল দিক বের করা যায়।

৩.web application analysis- এই ক্যাটাগরির ৯ টি আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো web application এর সিকিউরিটির বিশ্লেষণ করা যায়। যেমন ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা ইত্যাদি।

৪.detabase assessment- এই ক্যাটাগরির ১০ টি আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট বা সারবারের ডেটা বেস রিলেটেড কাজ করে থাকে। স্ক্যান বা ইনফরমেশন নেওয়া যায়

৫.password attack – নাম দেখে সবাই হয়ত বুঝেই গিয়েছেন এটার কি কাজ। এটা অবশ্যই illegal আ্যাপ। আমি শুধু মাত্র আপনাদের শেখার জন্য জানাচ্ছি। এই আ্যাপের সাহায্যে অন্যের পাসওয়ার্ডের উপর আ্যাটাক করা যায়।

৬.wireless attack -একি ওয়াই ফাই এ সংযুক্ত থাকলে আ্যাটাক।

৭.reverse engineering – এক অপারেশন করার মধ্য অন্য দিক কি রি-আ্যাকশন হয় তা দেখা। এটি এডভান্স ফিচার।

৮.sniffing &spoofing – বিভিন্নভাবে ধোকা দেওয়ার সিস্টেম।

৯.forensic – এটার মাধ্যমে কারো কম্পিউটারের উপর নজর রাখা যায়। এটা শুধুমাত্র হাই লেভেলের হ্যাকাররাই পারে।
*এছাড়া আরো কিছু টুল’স থাকে।

বি:দ্র: আমি শুধু মাত্র শেখার জন্য লেখেছি। কেউ দয়াকরে অসৎ কজে জন্য উৎসাহী হবেন না। যদি শিখতে চান ন্যশনাল সিকিউরিটির জন্য শিখতে পারে। আর সবথেকে বড় কথা ইথাইকাল হ্যাকিং সবক্ষেত্রে সম্মানের।

আমাদের স্যাটেলাইট ও আমাদের সুবিধা

Now Reading
আমাদের স্যাটেলাইট ও আমাদের সুবিধা

বাংলাদেশ বর্তমানে প্রযুক্তিগত দিক থেকে আস্তে আস্তে উন্নতির সোপানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। একটা সময় ছিলো যখন আমরা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু আজ অনেক প্রযুক্তিই আমাদের হাতের নাগালে চলে এসেছে এবং কিছু নব্য আবিষ্কৃত প্রযুক্তি অচিরেই চলে আসবে বলে বিশ্বাস করি। ঠিক তেমনি এক আনন্দের সংবাদ হলো বাংলাদেশ খুব শীঘ্রই ‘বঙ্গবন্ধু-১’ নামে কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ১৭ বছর আগে মহাকাশে নিজেদের কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৬-৭ বছর আগেও উন্নত দেশগুলোর কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের খবর পড়ে আমরা নিজেরা ভাবতাম, আমাদের দেশ কবে নিজেদের কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে। সেই সুভময় ক্ষন আজ আর খুব বেশী দূরে নয়। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষের কল্যানের পরিধিটাও অনেক বেড়ে যায়। উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি আমাদের নিজেদের স্যাটালাইট পাখা মেলে উড়বে এটা ভাবতেই নিজের দেশকে নিয়ে গর্বে বুক ফুলে উঠছে। আর নিজে দেশের এই রকম একটা প্রযুক্তিগত উন্নয়নের খবর একজন বাংলাদেশী হিসেবে নিজেকে গর্বে মাথা উচু করে দেয়।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের কিছু সুবিধাসমূহ ঃ বাংলাদেশে এই মুহূর্তে টিভি চ্যানেল আছে প্রায় পঁয়তাল্লিশ  টি।

ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা আই এস পি আছে কয়েকশ।

রেডিও স্টেশন আছে পনের টি এর উপরে। আরও আসছে।

তাছাড়া ভি-স্যাট সার্ভিস তো আছেই।

এমনি আরো অনেক কারনেই বাংলাদেশে স্যাটেলাইটের ব্যাবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বিটিআরসির হিসাবে,প্রতিটি টিভি চ্যানেল স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ডলার দিয়ে থাকে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু করতে পারলে দেশে শুধু বৈদেশিক মুদ্রারই সাশ্রয় হবে না, সেই সাথে অব্যবহৃত অংশ নেপাল, ভূটান এর মতো দেশে ভাড়া দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ আয় করা যাবে। কারন ৪০ টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে মাত্র ২০ টি ব্যবহার করবে বাংলাদেশ। আর বাকি ২০ টি ভাড়া দেওয়া হবে।

আমাদের দেশের টাকা এবং কষ্টার্জিত মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে।

অনেক সময় টাকা পাচার বা মানি লন্ডারিং এর মত গুরুতরো অভিযোগ ও আছে এই খাতে।

বাংলাদেশের নিজস্ব উপগ্রহ চালু  হলে ভাড়া বাবদ অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

প্রধানত নিম্নলিখিত যেসব কারনে স্যাটেলাইট এর ব্যবহারঃ

১। মহাকাশ বা জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণা

২। আবহাওয়ার পূর্বাভাস

৩। টিভি বা রেডিও চ্যানেল, ফোন, মোবাইল ও ইন্টারনেট যোগাযোগ প্রযুক্তি

৪। নেভিগেশন বা জাহাজের ক্ষেত্রে দিক নির্দেশনায়

৫। পরিদর্শন – পরিক্রমা (সামরিক ক্ষেত্রে শত্রুর অবস্থান জানার জন্য)

৬। দূর সংবেদনশীল

৭। মাটি বা পানির নিচে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে

৮। মহাশূন্য এক্সপ্লোরেশন

৯। ছবি তোলার কাজে (সরকারের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ)

১০। হারিকেন, ঘূর্ণিঝড়, প্রাকৃতিক বিপর্যয় এর পূর্বাভাস

১১। আজকাল সন্ত্রাসীরা অনেক রিমোট এরিয়া তেও স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছে।

১২। গ্লোবাল পজিশনিং বা জি পি এস

১৩। গামা রে বারস্ট ডিটেকশন করতে

১৪। পারমাণবিক বিস্ফোরণ এবং আসন্ন হামলা ছাড়াও স্থল সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য ইন্টিলিজেন্স সম্পর্কে আগাম সতর্কবার্তা পেতে।

১৫। তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিভিন্ন খনির সনাক্তকরণ ইত্যাদি

১৬। ডিজিটাল ম্যাপ তৈরি করা

উপরের বিভিন্ন কাজের জন্য অবশ্য বিভিন্ন আলাদা রকমের স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়। একটি স্যাটেলাইট দিয়েই সব কাজ হয় না। তথাপি আমাদের মত গরিব দেশের জন্য টিভি চ্যানেল আর ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচটা সাশ্রয় করতে পারাও কম না।

আশা করা যায় যে মাত্র তিন থেকে ছয় বছরেই এই স্যাটেলাইট পাঠানোর সকল খরচ উঠে আসবে।

বাংলাদেশ সরকার বঙ্গবন্ধু-১ নামে একটি স্যাটেলাইট উপগ্রহ পাঠানোর কাজ অনেক আগেই শুরু করেছে। এর জন্য ৮৫ কোটি টাকা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষজ্ঞ কোম্পানিকে প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দিয়েছে।

এই মুহূর্তে বিশ্বের ৫৫ টি দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট আছে।

বাংলাদেশ সহ ২৪ টি দেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠানোর চেষ্টা করছে। এখানে উল্লেখ্য যে ভারত ১৯৭৫ সালে Aryabhata নামের উপগ্রহ পাঠায়। আর পাকিস্থান ১৯৯০ সালে Badr-1 নামের উপগ্রহ পাঠায়। বর্তমানে এই দুইটি দেশের একাধিক উপগ্রহ আছে।

এমনকি ভিয়েতনাম, ইন্দনেশিয়া, থাইল্যান্ড, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, কলম্বিয়া, মউরিতাস, কাযাগাস্তান এর ও নিজস্ব উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট আছে।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হল-  শ্রীলংকা, আফগানিস্তান, উত্তর কোরিয়ার মত দেশ ও নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে।

সমগ্র পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে।আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো?

কিন্তু অতিব দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের ২০ টির ও বেশী দেশ আমাদের স্যাটেলাইট স্থাপনের সম্ভাব্য অবস্থান(মহাকাশে নির্ধারিত স্থান) নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

তবে সব জল্পনা কল্পনা বাদ দিয়ে, সব কিছু ঠিকঠাক মতো হলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ এ আমাদের নতুন আরোও একটি বিজয় হবে বলে আশা করছি।

শেষ পর্যন্ত এটা বলতে পারি স্যাটেলাইট বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবেই।

পরিশেষে এর সফল উৎক্ষেপণ ও সফল কার্যকারিতা কামনা করি।

র‍্যানসমওয়্যার কি এবং এর প্রতিকার

Now Reading
র‍্যানসমওয়্যার কি এবং এর প্রতিকার

প্রতিনিয়তই আমরা কম্পিউটার কিংবা মোবাইল চালাচ্ছি।ইন্টারনেট চালাচ্ছি গেইম খেলছি বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যাবহার করছি।আচ্ছা প্রায়সময়ই ত মোবাইল কিংবা কম্পিউটার ভাইরাস দারা আক্রান্ত হয়। আমরা এর থেকে বাচার জন্য কত অ্যান্টিভাইরাসই লাগাই কারো কাছ থেকে পেন্ড্রাইভ নেবার আগে জিজ্ঞাসা করে নেই যে তার কম্পিউটার এ অ্যান্টিভাইরাস আছে কিনা।অনেকে আবার ভাইরাস থেকে বাচতে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমও ব্যাবহার করেন। সে যাই হোক বিগত কয়েক দিন বড় রকমের সাইবার আক্রমন সংগঠিত হয়েছে যুক্তরাস্ট্র চীন রাশিয়ায় সহ সারা ওয়ারলড এর ৭৪টি দেশে এবং এই আক্রমনের জন্য ব্যাবহার করা হয়েছে র‍্যানসমওয়্যার নামে এক বিশেষ ধরনের ম্যালওয়্যার বাংলাদেশের মেইন্সট্রিম মিডিয়াও তার প্রচার প্রচারনার ফলে আপনি হয়ত র‍্যানসমওয়্যার নামটি শুনে আসছেন।যদি না শুনে থাকেন সমস্যা নেই এখানে বিস্তারিত ব্যাখা করা হবে।যারা মাথা চুলকাচ্ছেন যে র‍্যানসমওয়ার কি খায় না মাথা দেয় দেরি না করে তাদের জন্য তাই মূল বিষয়ে চলে যাচ্ছে।
র‍্যানসমওয়্যার কি
র‍্যানসমওয়্যার হচ্ছে একধরনের কম্পিউটার ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা আপনার ডিভাইসে(মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে) গোপনে ইন্সটল হয়ে আপনার সমস্ত তথ্য কে এনক্রিপ্টেড করে দিবে এবং আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনে তথ্য ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষট পরিমান মুক্তিপন চেয়ে বার্তা প্রদর্শন করবে ।সহজ ভাবে বলতে গেলে ধরা যাক আপনার অনুমুতি ছাড়া আপনার অজান্তে ডাকাত আপনার বাসায় ঢুকে আপনারই জিনিসপত্র চুরি করে জিনিসপত্র গুলিকে জিম্মি রেখে আপনার কাছে মুক্তিপন দাবি করছে।




টেকনিকালি এই র‍্যানসমওয়্যার ম্যালওয়্যার আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল হলে ক্রিপ্টোভাইরাল এক্সটোরশন আক্রমন পদ্ধতি ব্যাবহার করে।ক্রিপটোভাইরাল এক্সটোরশন পদ্ধতি হল তিন রাউনড এর এমন এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে পাব্লিক কি ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যাবহার করে তথ্য এনক্রিপট করা হয়।এই ক্ষেত্রে আপনি যখন এই র‍্যানসমওয়্যার দিয়ে আক্রান্ত হন তখন র‍্যানসমওয়্যার এ থাকা পাব্লিক কি দিয়ে আপনার সমস্ত তথ্য এনস্ক্রিপট হয়ে যাবে।পরবর্তীতে ধরা যাক আপনি র‍্যানসম পে করেলেন অর্থাত মুক্তি পন পে করলে আপনাকে একটি প্রাইভেট কি দেয়া হবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার তথ্য ডিক্রিপ্ট করতে পারবেন এবং আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবেন।মজার ব্যাপার হল আপনি মুক্তি পন পে করলেই যে আপনার ডাটা ফিরে পাবেন তা নাও হতে পারে।তাই ভূলেও র‍্যানসম পে করবেন না।আপনি যদি আরো ডিটেইল জানতে চান তবে এই রেফারেন্স ফলো করুন।[1]

র‍্যানসমওয়্যার এর আবিস্কারের ইতিহাস?

যেহেতু র‍্যানসমওয়্যার এর বেসিক আইডিয়া পেয়ে গেছেন তাই এবার ইতিহাসটা একটু জেনেই নিন।

প্রথম র‍্যানসমওয়্যার প্রস্তুত হয় ১৯৮৯ সালে পোপ নামক ব্যাক্তি “AIDS” নামক র‍্যানসমওয়্যার ব্যাবহার করে pc cyborg company এর কাছে মুক্তি পন দাবি করে।পরবর্তীতে তিনি আটক হন এবং নিজের ভূল মেনে নেন।এরপর ১৯৯৬ সালে Moti Yong র‍্যানসমওয়্যার এর ক্ষেত্রে পাবলিক কি এনসক্রিপশন পদ্ধতি চালু করেন। এর পর র‍্যানসমওয়্যার এর ডেভেলোপমেন্ট চলতে থাকে ২০১১ এর দিকে এর বহুল ব্যাবহার শুরু হয় এবং এর সাথে ডিজিটাল কারেন্সি তথা বিটকয়েন[5] এর ব্যাবহার শুরু হয় মুক্তিপন আদায়ের ক্ষেত্রে।[1]

র‍্যানসমওয়্যার যেভাবে আঘাত হানে?

ধরা যাক আপনি ইন্টারনেট চালাচ্ছেন হঠাত করে একটা ইমেইল আসল সাথে একটা অ্যাটাচমেন্ট আপনি অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করলেন আর সাথে সাথে আপনার কম্পিউটার এর সমস্ত ডাটা এনক্রিপ্ট হয়ে যাবে ফলে আপনি না পারবেন আপনার কম্পিউটার চালাতে না পারবেন আপনার তথ্য যেমন(ইমেজ ফাইল,ভিডও ফাইল ইত্যাদি ডাটা ফাইল) আবার ব্যাবহার করতে।আপনি তখন স্ক্রিনে দেয়া নির্দেশনা দেখবেন যাতে বলা থাকবে এত ডলার বিটকয়েন পে কর তাহলে তথ্য ডিক্রিপ্ট করা হবে।

র‍্যানসমওয়্যার থেকে বাচার উপায় কি?

কথায় আছে “prevention is better than cure” র‍্যানসমওয়্যার এর আক্রমন প্রতিহত করার জন্য আপনাকে আগেই সচেতন হতে হবে।

যেভাবে বাচবেনঃ
১>আপনার সিস্টেম আপডেটেড রাখুনঃ আপনি যেই ডিভাইস ব্যাবহার করছেন তা অ্যানড্রয়েড অথবা পিসি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার থেকে বাচার প্রথম শর্তই হল আপনার সিস্টেম আপডেটেড রাখা।( অ্যান্ড্রয়েড এর জন্য র‍্যানসমওয়্যার এত ব্যাপকভাবে ছড়ায় নি তাই আমি এখানে পিসি সমন্ধেই বলব)

আপনি উইন্ডোজ সিস্টেম ব্যাবহার করলে চেক করে নিন আপনার সিস্টেম আপডেট চালু আছে কিনা।

এর জন্য মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট এর এই গাইডালাইন টা ফলো করতে পারেন।

২>ব্যাকআপ রাখুনঃ

ডাটা ব্যাকআপ রাখা খুবই জরুরী একটি প্রক্রিয়া আপনাকে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যাকআপ রাখতে হবে মানে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন আপনার অফিস এর নথি ফাইল,পারসোনাল ছবি ও ভিডিও এর অন্য আরেকটি কপি করে তা পেন্ড্রাইভ,ডিস্ক কিংবা ক্লাউড সারভিস যেমন গুগল ড্রাইভ আই ক্লাউড এ রাখুন।[3]

২>অ্যান্টিভাইরাস এর ব্যাবহারঃভাল এন্টিভাইরাস ব্যাবহার ব্যাবহার করুন এবং তা নিয়মিত আপডেট করুন[3]।শুধু এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করলেই হবে না তা আপডেটেড রাখতে হবে।এন্টিভাইরাস কিনতে চাইলে বিটডিফেন্ডার কিংবা কেস্পারিস্কি কিনতে পারেন ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস এর মধ্যে এভাস্ট ব্যাবহার করতে পারেন।আর এন্টিভাইরাস আছে বাজারে AVTest এর অ্যান্টিভাইরাস এর র‍্যাংকিং সহ এই লিস্ট টা দেখতে পারেন।

৩>অপরিচিত কারো কাছ থেকে ইমেইল আসলে ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট না দেখে কখনো ডাবল ক্লিক করে অপেন করবেন না আগে ভাইরাস স্ক্যান চালিয়ে নিবেন।দরকার হলে ফোন করে জেনে নিন ইমেইলটি আসলেই সে পাঠিয়েছে কিনা।সবচে বেশী চেস্টা করবেন ইমেইল এর অ্যাটাচমেন্ট না ওপেন করার কারন ৯৭ শতাংশ ফিশিং ইমেইল ই এখন রেনসমওয়্যার এর অ্যাটাচমেন্ট পাঠানো হয়[7] ।

৪>এখনো যদি আপনি র‍্যানসমওয়্যার নিয়ে চিন্তিত থাকেন তবে এই লিংকে গিয়ে অ্যান্টির‍্যানসমওয়্যার[3] টা ডাউনলোড করুন।এটা আপনাকে সবধরনের র‍্যানসমওয়্যার থেকে প্রটেক্ট দিবে একবারে নতুন বা (জিরো ডে ) র‍্যানসমওয়্যার গুলির থেকেও যেমন নতুন রিলিজ হওয়া wannacry যা দিয়ে সম্প্রতি সাইবার এটাক সংগঠিত হল ।

উপরের নির্দেশনাবলী follow করলে আপনি মোটামুটি র‍্যানসমওয়্যার থেকে বাচতে পারেন।যেহেতু এটি একটি উদীয়মান সাইবার হুমকি তাই ইন্টারনেট চালানোর সময় সবসময় সর্তক থাকুন।মনে রাখবেন আপনার সবচে বড় সেফটি আপনি নিজেই নিশ্চিত করতে পারেন।

References:

1.

https://en.wikipedia.org/wiki/Ransomware

2.

lifehacker.com/ransomfree-proactively-protects-your-computer-against-r-1791429681
3
https://www.nomoreransom.org/prevention-advice.html
4
www.aljazeera.com/news/2017/05/ransomware-avoid-170513041345145.html

5
https://bn.wikipedia.org/wiki/বিটকয়েন

6
searchsecurity.techtarget.com/definition/asymmetric-cryptography

7.
https://phishme.com/ransomware-delivered-97-phishing-emails-end-q3-2016-supporti..

বিশ্বের ৭৪ টি দেশ এক যোগে ভাইরাস হামলা

Now Reading
বিশ্বের ৭৪ টি দেশ এক যোগে ভাইরাস হামলা

আপনি কি জানেন বিশ্বের ৭৪ টি দেশ এক যোগে ভাইরাস হামলা চালানো হচ্ছে লাখ লাখ কম্পিউটার অচল করে দিচ্ছে । আপনি জানেন কি করে হচ্ছে এটি কিভাবেই চাওয়া হচ্ছে মুক্তিপন কিভাবে আপনি বাচঁতে পারেন এটি থেকে ? এতখন আমি যেটির কথা বলছিলাম তা হচ্ছে রানসামওয়ার ভাইরাস ।

রানসামওয়ার ভাইরাস কি : প্রথম পরিচিত ম্যালওয়্যার চাঁদাবাজি আক্রমণ “এইডস ট্রোজান” ১৯৮৯ সালে জোসেফ Popp দ্বারা লিখিত । রানসামওয়ার এক ধরনের ম্যালওয়ার যা ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার ঢুকিয়ে দিয়ে সব কিছু লক করে দেওয়া হয় । রানসামওয়ার একটি উপায় যা খুব সহজেই সিস্টেম লক করতে পারে এবং বার্তা প্রদর্শন করে এটিকে আনলক করতে মুক্তিপন চায় । আরও আধুনিক রানসামওয়ার হিসাবে শ্রেণীভুক্ত, সংক্রমিত সিস্টেমে নির্দিষ্ট ফাইলের প্রকারের এনক্রিপ্ট করে এবং ডিস্ক্রিপ্ট থাকে ।

রানসামওয়ার ভাইরাস কিভাবে ছড়িয়ে থাকে রানসামওয়ার ই-মেল সংযুক্তি, সংক্রমিত প্রোগ্রাম এবং আপোস ওয়েবসাইটগুলির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একটি রানসামওয়ার ম্যালওয়্যার প্রোগ্রাম এছাড়াও একটি ক্রিপ্টো ভাইরাস, cryptotrojan বা cryptoworm বলা যেতে পারে।

রানসামওয়ার কি করে কাজ করে ১. [আক্রমণকারী → শিকার] আক্রমণকারী একটি কী যুগল উত্পন্ন এবং ম্যালওয়্যার সংশ্লিষ্ট সর্বজনীন কী স্থাপন করা হয়। ম্যালওয়্যার চলে যায় হয়। ২. [শিকার → আক্রমণকারী] cryptoviral চাঁদাবাজি হামলা চালায়, ম্যালওয়্যার একটি র্যান্ডম প্রতিসম কী উত্পন্ন এবং এটির সাথে শিকার ডেটা এনক্রিপ্ট করে। এটি সিম্যাট্রিক কী এনক্রিপ্ট করার জন্য ম্যালওয়ারের সর্বজনীন কী ব্যবহার করে। এই হিসাবে পরিচিত হয় সংকর এনক্রিপশন এবং এটি একটি ছোট সামঁজস্যহীন ciphertext সেইসাথে শেষ তথ্য প্রতিসম ciphertext ফলাফল। পুনরুদ্ধার রোধ করার জন্য এটি সিম্যাট্রেট কী এবং মূল প্লেইনটাইক্স ডেটা শূন্য করে। এটি ব্যবহারকারীকে একটি বার্তা দেয় যা অসিম্যাট্রিক সাইফটেক্ট এবং মুক্তিপণ দিতে হয় কিভাবে অন্তর্ভুক্ত করে। শিকার আক্রমণকারীকে অশিক্ষিত সাইফটেক্টেক্ট এবং ই-অর্থ পাঠায়। ৩. [আক্রমণকারী → শিকার] আক্রমণকারী, পেমেন্ট পায় আক্রমণকারী ব্যক্তিগত কী দিয়ে সামঁজস্যহীন ciphertext deciphers, এবং শিকার করতে প্রতিসম কী পাঠায়। শিকারটি প্রয়োজনীয় সিম্যাট্র্যাটিক কী দিয়ে এনক্রিপ্ট হওয়া ডেটা পাঠায় যার ফলে ক্রিপ্টোভাইরোলজি আক্রমণের সমাপ্তি ঘটে ।

রানসামওয়ার দ্বারা কি করে মুক্তিপনের টাকা পরিমোধ করা হয় রানসামওয়ার যখন তার কাজ করা শুরু করে দেয় তখন মনিটরে কিছু লেখা চলে আসে এবং সে কি করে টাকা দিবে তার একি নিয়ম । বেশির ভাগ সময় বিট কয়নের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হয় । আপনার মনে প্রশ্ন থাকতে পারে শুধু বিট কয়েন কেন ? সে জন্য আগেই বলে রাখি বিট কয়ন সম্পকে আমি কিছু খন পর আলোচনা করব শুধু জানিয়ে রাকে বিট কয়নের উপর কোন দেশের সরকারে কোন ধরনের হস্তক্ষেপ থাকে না তাই সব সময় এইটাই ব্যবহার করা হয় । আর অন্য কোন ভাবে টাকা নেওয়া হলে সরকার বুঝে ফেলবে এবং তাকে ধরে ফেলা সহজ হয়ে যাবে ।

রানসামওয়ার থেকে কি করে নিরাপদে থাকবেন

১. আপনার ফাইল ব্যাক আপ রাখুন

একটি রানসামওয়ার আক্রমণ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ ক্ষতি মানুষ কষ্ট হয় ফাইলের ক্ষতি, ছবি এবং নথি সহ।

সেরা রানসামওয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা একটি সম্পূর্ণ পৃথক সিস্টেমে আপনার ডিভাইসের তথ্য ও সব ফাইল ব্যাক আপ রাখা। এটি করার জন্য একটি ভাল জায়গা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত না এমন বাহ্যিক হার্ড ড্রাইভে। এর মানে হল যে যদি আপনি কোনও আক্রমণের শিকার হন তবে হ্যাকারদের কাছে আপনার কোনও তথ্য হারাবে না।

২.ইমেল, ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনের সন্দেহজনক হোন

হ্যাকারদের কাজ করার জন্য রানসামওয়ার একটি শিকার কম্পিউটারে দূষিত সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করতে হবে। এই আক্রমণ এবং এনক্রিপ্ট ফাইলগুলি আরম্ভ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

সফ্টওয়্যার জন্য সবচেয়ে সাধারণ উপায় শিকার ডিভাইসে ইনস্টল করা ফিশিং ইমেল, ওয়েবসাইট দূষিত বিজ্ঞাপন ও সন্দেহজনক অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোগ্রাম মাধ্যমে হয়।

অবাঞ্ছিত ইমেল বা ওয়েবসাইট দেখার সময় মানুষ অচেতন যখন তারা সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত কোনও অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করবেন না যা একটি অফিসিয়াল স্টোর দ্বারা যাচাই করা হয়নি এবং প্রোগ্রামগুলি ইনস্টল করার আগে পর্যালোচনাগুলি পড়ে।

৩.একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করুন

অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম কম্পিউটার সম্মুখের ডাউনলোড করা হচ্ছে থেকে রানসামওয়ার বন্ধ করতে পারবেন এবং যখন এটা জানতে পারেন।

অধিকাংশ অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম তাদের ডাউনলোড করার আগে রানসামওয়ার থাকতে পারে তা দেখতে ফাইল স্ক্যান করতে পারে। আপনি ওয়েবে ব্রাউজ করার সময় তারা দূষিত বিজ্ঞাপনগুলি থেকে গোপন ইনস্টলেশানগুলিকে ব্লক করতে পারেন, এবং ইতিমধ্যে কম্পিউটার বা ডিভাইসে থাকা ম্যালওয়ার সন্ধান করতে পারেন।

৪.সর্বদা আপডেটগুলি ইনস্টল করুন

কোম্পানি প্রায়ই রানসামওয়ার ইনস্টল করার জন্য শোষিত হতে পারে যে দুর্বলতা নিখুঁত সফ্টওয়্যার আপডেট রিলিজ তাই এটি যত তাড়াতাড়ি এটি উপলব্ধ হিসাবে সফটওয়্যারের নতুন সংস্করণ ডাউনলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

৫.মুক্তিপণ পরিশোধ করবেন না

রানসামওয়ার হামলার শিকারদের পরামর্শ দেওয়া হয় যে তারা আক্রমণকারীকে encouragement দেয় এবং ফিরিয়ে নেওয়া ফাইলগুলির ফলাফল নাও হতে পারে। ফাইলগুলি ডিক্রিপ্ট সাহায্য করতে পারে এমন কিছু প্রোগ্রাম আছে অথবা, যদি আপনি একটি ব্যাক আপ আছে, আপনি যে থেকে আপনার ডিভাইস পুনরুদ্ধার করতে পারেন।

বিট কয়েন কি

বিটকয়েন ডিজিটাল মুদ্রার একটি ফর্ম, তৈরি এবং ইলেক্ট্রনিকভাবে অনুষ্ঠিত। কেউ এটা নিয়ন্ত্রণ করে না। বিটকয়েন মুদ্রিত হয় না, ডলার বা ইউরো মত – তারা মানুষ দ্বারা উত্পাদিত হয়, এবং ক্রমবর্ধমান ব্যবসা, কম্পিউটার চলমান বিশ্বব্যাপী সব, সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে যে গাণিতিক সমস্যার সমাধান ।

কে এটা তৈরি করেছে?

একটি সফ্টওয়্যার ডেভেলপার নামক Satoshi Nakamoto প্রস্তাবিত Bitcoin, যা একটি ইলেকট্রনিক পেমেন্ট গাণিতিক প্রমাণ উপর ভিত্তি করে সিস্টেম ছিল। ধারণাটি ছিল খুব কম লেনদেনের ফি দিয়ে, যেকোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃত্বের স্বাধীন মুদ্রা উত্পাদন করা, ইলেক্ট্রনিক্যালি হস্তান্তরযোগ্য, আরো কম বা তাৎপর্যপূর্ণ।

বিটকয়েন কি উপর ভিত্তি করে?

প্রচলিত মুদ্রা স্বর্ণ বা রৌপ্য উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। থিওরিটিক্যালভাবে, যে আপনি যদি ব্যাঙ্কে একটি ডলার হস্তান্তর করেন তবে আপনি কিছু সোনার পেয়ালা পেতে পারেন (যদিও এটি আসলে অনুশীলনে কাজ করেনি)। কিন্তু বিটকয়েন সোনা ভিত্তিক নয়; এটা উপর ভিত্তি করে এর গণিত ।

সারা বিশ্বে, মানুষ বিটকয়েন তৈরি করার জন্য একটি গাণিতিক সূত্র অনুসরণ করে সফ্টওয়্যার প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন। গাণিতিক সূত্র মুক্তভাবে পাওয়া যায়, যাতে কেউ এটি পরীক্ষা করতে পারে।

সফ্টওয়্যারটিও খোলা উৎস, যার অর্থ যে কেউ এটা নিশ্চিত করতে পারে যে এটি যা অনুমিত হয় তা করে।

এটি স্বাভাবিক মুদ্রার থেকে ভিন্ন কি করে?

বিটকয়েন ইলেকট্রনিকভাবে জিনিষ কিনতে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই অর্থে, এটি প্রচলিত ডলার, ইউরো বা ইয়েনের মত, যা ডিজিটালভাবে ব্যবসা করা হয়।

যাইহোক, Bitcoin সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগত, এবং জিনিস এটা প্রচলিত টাকা আলাদা করে তোলে, যে এটি বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়। কোন একক বিটকয়েন নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করে না। এটি কিছু লোককে আরাম দেখায়, কারণ এর মানে হল যে একটি বড় ব্যাংক তাদের অর্থ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।

এর বৈশিষ্ট্য কি?

১.এটি বিকেন্দ্রিত ।

২.সেট আপ করা সহজ ।

৩.এটা বেনামী ।

৪.এটা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ।

৫.লেনদেনের ফি ক্ষুদ্রতম ।

৬. এটা দ্রুত ।

৭. এটা অসম্মানিত না ।

কে এটা ছাপে?

এই মুদ্রাটি একটি মধ্যবিত্ত ব্যাংকের ছায়ায় শারীরিকভাবে মুদ্রিত হয় না, জনসংখ্যার জন্য অযোগ্য নয়, এবং নিজের নিয়মগুলি তৈরি করে। সেই ব্যাংকগুলি জাতীয় ঋণের জন্য আরও অর্থ সঞ্চয় করতে পারে, এইভাবে তাদের মুদ্রা অবমূল্যায়ন করে।

পরিবর্তে, বিটকয়েন ডিজিটালভাবে তৈরি করা হয়, এমন লোকের দ্বারা যে কেউ যোগ দিতে পারে Bitcoins ‘হয় mined’ , একটি বিতরণ নেটওয়ার্কের মধ্যে কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহার করে।

এই নেটওয়ার্ক এছাড়াও লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ ভার্চুয়াল মুদ্রা দিয়ে তৈরি, কার্যকরীভাবে নিজস্ব পেমেন্ট নেটওয়ার্কের Bitcoin করে।

পাসওয়ার্ড, আমরা যেভাবে ব্যাবহার করি

Now Reading
পাসওয়ার্ড, আমরা যেভাবে ব্যাবহার করি

আমরা প্রতিনিয়ত একই কাজ করি তা হল আমাদের পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া। তারপর খুজে বেড়াই কিভাবে পাসওয়ার্ড ঠিক করা বা নতুন করে দেওয়া যায়। এ থেকে বোঝা যায় যে আমরা পাসওয়ার্ড নিয়ে বেশি ভাবিনা। এর গুরুত্বও আমাদের কাছে ততটা বেশি না।
আবার আমরা মাঝে মাঝে ফেসবুকে ফ্রেন্ডদের পোস্ট দেখি অথবা আমরাই মাঝে মাঝে দেই, “আমার একাউন্ট হ্যাক হয়ে গিয়েছে” । তখন আমাদের মাঝে কাঁদাই শুধু অপেক্ষা রাখে। যাই হক এখন দুটি প্রশ্ন করি
পাসওয়ার্ড কি?
কেন আমারা এটা ব্যাবহার করি?

সবার আগে ২য় প্রশ্নের উত্তরটা দিনে ভালো হয়। এর মাধ্যনেই আমারা ১ম প্রশ্নেরও উত্তর পাব।

বাস্তব জীবনের সাথে আরেকটি জীবনে আমরা বাস করি। সেটা হল ইন্টারনেটের দুনিয়াতে বা আমাদের আরেকটি পরিচয় । আমাদের বাস্তব জীবনে যেমন সবকিছু সেয়ার করি না। কিছু কিছু কথা আমাদের মধ্যে থাকে যা আমরা নিজস্ব বিষয় বলে থাকি। এছাড়া আমাদের বাইকের বা গাড়ির চাবি অথবা আমাদের ফোন আমরা সবসময় দেখে দেখে রাখি যাতে তা হারিয়ে না যায়। আমাদের মানিব্যাগের টাকা বা আমাদের বিভিন্ন আইডি আমরা সবসময় সাবধানে রাখি যাতে তা না হারায়। কিন্তু আমরা সবসময় ভুলে যাই আমার আরেটা পরিচয় অনলাইনে আছে আর ওইখানে আমাদের যে পাসওয়ার্ড আছে ওটাই আমাদের চাবি বা টাকা বা বলতে পারেন সবকিছু। আর এটাই যদি হারায় যায় তাহলে তো সব শেষ। আমি শুধু facebook বা gmail অথবা অন্য কোনো সোস্যাল একাউন্টের কথাই বলছি আপনার ব্যাংক একাউন্ট ও হতে পারে। আর এইক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
আমরা ব্যাবহার করি 123 ….. বা 256…… বা zzzzzzzz বা abc123 এইরকম সহজ পাসওয়ার্ড।
আর ভাবি “হ্যা, আমার সব কিছু নিরাপদ।” কিন্তু আসলেই কি তা? আমরা যেমন আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিস আমাদের কাছে রাখি এবং নিশ্চিত থাকি আমার জিনিসটি নিরাপদ। কিন্তু পাসওয়ার্ড তো আমাদের কাছে থাকে না। কোনো একটা সারবারে জমা থাকে। যা আমাদের হতের কাছে না। তাহলে কিভাবে আমরা এতো আরামে থাকি?
সবার প্রথমে আমি কথা বলব,

কিভাবে একাউন্ট হ্যাক হয়?
এরপর, আপনি কিভাবে আপনার পাসওয়ার্ড শক্তিশালী বানাতে পারবেন?

এভাবে কখন সম্ভব না যে একজন হ্যাকার বসল এবং আপনার একাউন্ট টার্গেট করে হ্যাক করে ফেলল। এখানে বিভিন্ন ধরনের আ্যাটাক হতে পারে। যেমন ফিসিং আ্যাটাক, আপনার কম্পিউটারে ম্যালভেয়ার আসলে সেখান থেকে যদি কোনো কিল অরগান ইন্সটল হয় তখন আপনি যা যা করবেন তা হ্যাকাররা দেখতে পারবে আর সেখান থেকে সহজেই পাসওয়ার্ড নিতে পারবে। অনেক সময় কল করে ভুলভাল বুঝিয়ে পাসওয়ার্ড বেড় করতে পারে। বুঝলাম আপনি ওখান থেকে বেচে গেলে কিন্তু আপনার পাসওয়ার্ড যদি খুব সহজ হয় তাহলে হ্যাকাররা নিদৃষ্ট সফটওয়ারের সাহায্য নিয়ে খুব সহজে বেড় করতে পারবে।

আমরা অনেক ওয়েবসাইট ও সোশাল একাউন্ট ব্যাবহার করে এবং সহজের জন্য একই পাসওয়ার্ড দিয়ে সব একাউন্ট অন করে থাকি। এখন যদি একটা একাউন্ট হ্যাক হয় তাহলে সব একাউন্ট সহজেই হ্যাক হতে পারে কারন পাসওয়ার্ড একই ব্যাবহার করা হয়েছে।

এবার আসি কিভাবে একটা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করব।
>এর জন্য কখনই সহজ ১২৩ যুক্ত পাসওয়ার্ড ব্যাবহার করা যাবে না।
>abc বা zzzz অথবা কোনো কিবোর্ড নরমাল কম্বিনেশন দিয়ে পাসওয়ার্ড দেওয়া যাবে না।
>মোবাইল নাম্বার বা কারো নাম ব্যাবহার করা যাবে না।কারন সবাই প্রথমে এটাই চেষ্টা করবে।
>যত বড় সম্ভব তত বড় পাসওয়ার্ড দিতে হবে।
>অক্ষর বড় বা ছোট সব মিশিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে।
>বিভিন্ন একাউন্ট এর জন্য আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে।
>পাসওয়ার্ড মেনেজার ব্যাবহারের করা জেতে পারে। অবশ্যই ৫ স্টার যুক্ত আপ্লিকেশন ব্যাবহার করতে হবে।
>বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লগ ইন করার সময় 2 ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যাবহার করা যেতে পারে ফলে সহজে হ্যাক করা যাবে না।

*তো মোট কথা আমার ঘরের চাবি যেমন আমি খুব নিরাপদে রাখি তেমনি আমার অনলাইন ঘরের চাবিও নিরাপদে রাখতে হবে। কে জানে কখন কথায় কিভাবে হ্যাকের শিকার হয়ে যাই।

“শাওমি রেডমি নোট 4X”- বেস্ট বাজেট স্মারটফোন?

Now Reading
“শাওমি রেডমি নোট 4X”- বেস্ট বাজেট স্মারটফোন?

স্বল্প দামে একটি ভাল স্মারটফোন কে না চায়?আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম বিশ্ববিক্ষ্যাত চাইনিজ ব্র্যান্ড শাওমির নতুন বাজেট স্মারটফোন “রেডমি নোট 4X”  এর ইন ডেপ্থ রিভিউ।

ইতিমধ্য দেশের বাজারে সারা জাগিয়ে তোলা ফোনটির মুল বৈশিষ্ট হল দামের তুলনায় এর ফিচারস সমূহ। ফোনটি দুটি ভার্সন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ৩জিবি র‍্যাম ও ৩২ জিবি রম ভার্সন এবং ৪গিবি র‍্যাম ও ৬৪ গিবি র‍্যাম ভার্সন। ফোনটি তে ব্যবহৃত হয়েছে কোয়াল্কম স্ন্যাপড্রাগন ৬২৫ প্রসেসর যা ফোনটিকে যথেষ্ট দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। ফোনটি তে রয়েছে ৫.৫ইঞ্চি স্ক্রিন যার রেজ্যুলেশনের ১০৮০*১৯২০ পিক্সেল ও পিক্সেল ডেন্সিটি ৪০১ পিপিআই। অর্থাৎ ফোনটির ডিস্প্লে যথেষ্ট ভাল। ফোনটির সিপিউ ২.০ গি .হা. অক্টাকোর প্রসেসর সম্পন্ন ও গ্রাফিক্স এ ব্যাবহৃত এড্রেনো ৫০৬। অর্থাৎ আপনি নানা হাই রেজ্যুলেশনের গেম অনায়াসে খেলতে পারবেন।

ফোনটির ব্যাক ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল ও ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। দাম তুলনায় ক্যামেরা কোয়ালিটি যথেষ্ট ভাল।ফোনটির মেমোরী ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সপান্ডেবল। অর্থাৎ ফোন স্টোরেজ নিয়ে কোন চিন্তা করার প্রয়োজন ই হবেনা আপনার।ফোনটিতে রয়েছে দ্রুত গতি সম্পন্ন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যা আপনার ফোন কে রাখবে নিরাপদ।ফোনটিতে আরও রয়েছে আই আর ব্ল্যাস্টার যা দিইয়ে আপনি আপনার ঘরের টিভি,এসি সহ নানা ইলেক্ট্রনিক ইকুইপমেন্ট কন্ট্রোল করতে পারবেন। এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে জাইরো সেন্সর,এক্সেলোমিটার সহ যাবতীয় সকল সেন্সর।

এবার আসা যাক ব্যাটারীর প্রসঙ্গে।ফোনটিতে ব্যাবহৃত হয়েছে ৪১০০ মিলি এ্যম্প. এর ব্যাটারি। যা আপনি এক চার্জ এ অনায়াসে একদিন চালাতে পারবেন।তবে ব্যাটারি টি ফাস্ট চার্জ সম্পন্ন নয় । ফোনটি ডুয়েল সিম সাপোর্টেড। তবে মেমোরী কার্ড ব্যবহার করলে তা একটি সিম এর জায়গা নিয়ে নেয়। কিন্তু বাজারে আজকাল এক ধরনের হাইব্রীড সিম স্লট পাওয়া যায় যা দিয়ে দুটি সিম ও মেমোরী কার্ড একসাথে ব্যবহার করা যায়।

এবার ফোনটির দাম প্রসঙ্গে আসা যাক। ফোনটি ৪ টি রঙ এ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে (গ্রে,গোল্ড,ব্ল্যাক ও পিংক)। গ্রে ও গোল্ড রঙ এর দাম তুলনা মুলক কম।এ দুটি রং এর মধ্যে কিনতে হলে আপনাকে গুনতে হবে ১৪ হাজার টাকা।ব্ল্যাক ও পিংক আপনি পাবেন ১৫ হাজার টাকার ভিতরে। অফিসিয়ালি ফোন দুটি বাংলাদেশের বাজারে না আসায় দামের ভিন্নতা দেখা যায়।

তাই সব কিছু মিলিয়ে সাধ্যের মধ্য সকল কিছু পেতে আপনি দেরি না করে কিনে ফেলতে পারেন ফোনটি।কেননা এই দামের ভিতরে বাজারের সকল ফোনের চেয়ে ফোনটির বিল্ড কোয়ালিটি ও পার্ফরমেন্স অন্য সকল ফোনের থেকে যথেষ্ট ভাল।

অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ইতিহাস

Now Reading
অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ইতিহাস

সংস্করণ ইতিহাস অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম Android এর রিলিজের সাথে শুরু করেন আলফা ৫ নভেম্বর, ২০০৭ প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণে । অ্যান্ড্রয়েড ১.0, সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে মুক্তি পায় অ্যান্ড্রয়েড ক্রমাগত দ্বারা বিকশিত হয় গুগল এবং ওপেন হ্যান্ডসেট এলায়েন্স ।

প্রি-বানিজ্যিক মুক্তি সংস্করণ :

Android এর উন্নয়ন 2003 অ্যান্ড্রয়েড, ইনকর্পোরেটেড, যা 200৫ সালে Google দ্বারা কেনা হয়েছিল ।

আলফা  :

বিটা সংস্করণ প্রকাশ হওয়ার আগে Google এবং OHA এর মধ্যে সফ্টওয়্যারটির কমপক্ষে দুটি অভ্যন্তরীণ রিলিজ ছিল। কোড নাম অ্যাস্ট্রো বয় এবং পানোত্সব অভ্যন্তরীণভাবে কিছু প্রাক 1.0 মাইলস্টোন জন্য ব্যবহার করা হয়।
ড্যান মোরিলেল প্রথম মাসকট লোগো তৈরি করেছে, তবে বর্তমান অ্যান্ড্রয়েড লোগো ইরিনা ব্লাক দ্বারা ডিজাইন করা হয়ে । প্রকল্প ব্যবস্থাপক রায়ান গিবসন, মিষ্টান্ন থিমযুক্ত নামকরণ স্কিম পাবলিক রিলিজ সংখ্যাগরিষ্ঠ জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড ১.৫ Cupcake শুরু ।

বিটা  :

বিটা  ৫ নভেম্বর, ২০০৭ মুক্তি পায়  যখন সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (SDK এর) ১২ নভেম্বর, ২০০৭ মুক্তি পায় । নভেম্বর ৫ তারিখ জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড এর “জন্মদিন” হিসেবে পালিত হয়।
সংস্করণ নিম্নলিখিত ক্রমে মুক্তি :
•  নভেম্বর ১২, ২০০৭: M3-rc20a (মাইলফলক 3, রিলিজ কোড 20a)
•  নভেম্বর ১৬, ২০০৭: M3-rc22a (মাইলফলক 3, রিলিজ কোড 22a)
•  ডিসেম্বর ১৪, ২০০৭: M3-rc37a (মাইলফলক 3, রিলিজ কোড 37a)
•  ফেব্রুয়ারি ১৩, 2008: M৫-rc14 (মাইলফলক ৫, মুক্তি কোড 14)
• ৩ মার্চ, ২০০৮: M৫-rc1৫ (মাইলফলক ৫, মুক্তি কোড 15)
•  আগস্ট ১৮, 2008: 0.9 বিটা
•  সেপ্টেম্বর 23, 2008: 1.0-R1

এপিআই স্তর দ্বারা সংস্করণ ইতিহাস :

অ্যান্ড্রয়েড 1.0 (API 1)
সংস্করণ : 1.0
মুক্তির তারিখ : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮
বৈশিষ্ট্য :
•  অ্যান্ড্রয়েড বাজার অনুমতি আবেদন ডাউনলোড ও আপডেটগুলির বাজার প্রয়োগের মাধ্যমে
•  ওয়েব ব্রাউজার দেখানোর জন্য, জুম এবং সম্পূর্ণ প্যান এইচটিএমএল এবং এক্সএইচটিএমএল ওয়েব পেজ – একাধিক পেজ জানালা দেখাতে ( “কার্ড”)
•  ক্যামেরা সমর্থন – তবে এই সংস্করণে ক্যামেরার রেজল্যুশন, সাদা ভারসাম্য, গুণমান, ইত্যাদি পরিবর্তন করার অপশন ইঙ্গিতও
•  হোম স্ক্রীনে একটি একক ফোল্ডারের আইকন আবেদন আইকন একটি সংখ্যা গোষ্ঠী যার ফলে ফোল্ডার
•  ওয়েব ইমেল সার্ভার, সমর্থন অ্যাক্সেস POP 3 , IMAP4 এবং SMTP এর
•  জিমেইল জিমেইল অ্যাপ্লিকেশন সাথে সিঙ্ক্রোনাইজেশান
•  Google পরিচিতিগুলি মানুষ আবেদন সাথে সিঙ্ক্রোনাইজেশান
•  Google ক্যালেন্ডার ক্যালেন্ডার আবেদন সাথে সিঙ্ক্রোনাইজেশান
•  Google মানচিত্র সঙ্গে রাস্তার দৃশ্য ব্যবহার মানচিত্র এবং উপগ্রহ চিত্রাবলী দেখতে, সেইসাথে স্থানীয় ব্যবসা খুঁজে পেতে এবং প্রাপ্ত ড্রাইভিং নির্দেশাবলী জিপিএস ]
•  Google সিঙ্ক , জিমেইল এর উপর-দ্য-এয়ার সিঙ্ক্রোনাইজেশন ব্যবস্থাপনার যার ফলে, মানুষ, এবং ক্যালেন্ডার
•  Google অনুসন্ধান , ইন্টারনেট ও ফোন অ্যাপ্লিকেশন, পরিচিতি, ক্যালেন্ডার অনুসন্ধান করার জন্য ব্যবহারকারীদের অনুমতি, ইত্যাদি
•  গুগল টক ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং
•  ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং , টেক্সট মেসেজিং , এবং MMS
•  মিডিয়া প্লেয়ার , ব্যবস্থাপনা, আমদানি ও মিডিয়া ফাইল প্লেব্যাক সক্ষম – তবে, এই সংস্করণে ভিডিও ও স্টেরিও ইঙ্গিতও ব্লুটুথ সমর্থন
•  বিজ্ঞপ্তিগুলি বিকল্প সহ বারে রিংটোন, এলইডি বা কম্পন সতর্কতা সেট করতে
•  ভয়েস ডায়ালার একটি নাম বা নম্বর টাইপ না করেই ডায়াল এবং ফোন কল স্থাপন পারবেন ]
•  ওয়ালপেপার ব্যবহারকারীকে হোম স্ক্রীন আইকন এবং উইজেটের পিছনে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ বা ছবি সেট করার অনুমতি দেয়
•  ইউটিউব ভিডিও প্লেয়ার
•  অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে রয়েছে: অ্যালার্ম ক্লক, ক্যালকুলেটর, ডায়ালার (ফোন), হোম স্ক্রিন (লঞ্চার), ছবি (গ্যালারী), এবং সেটিংস
•  Wi-Fi এর এবং ব্লুটুথ সমর্থন

অ্যান্ড্রয়েড 1.1 (API 2) :
সংস্করণ : 1.1
মুক্তির তারিখ : February  ৯, ২০০৯
বৈশিষ্ট্য :
•  যখন কোনও মানচিত্রগুলি ব্যবসার জন্য অনুসন্ধান করে তখন বিবরণ এবং পর্যালোচনাগুলি উপলব্ধ
•  স্ক্রিনফোন ব্যবহার করার সময় ডায়াল-এ-কল স্ক্রিন টাইমআউট ডিফল্ট, প্লাস ডায়ালপ্যাড প্রদর্শন / লুকানোর ক্ষমতা
•  বার্তাগুলিতে সংযুক্তি সংরক্ষণের ক্ষমতা
•  সিস্টেম সজ্জা মধ্যে marquee জন্য সমর্থন যোগ করা

অ্যান্ড্রয়েড 1.5 Cupcake (API এর 3) :
সংস্করণ : 1.1
মুক্তির তারিখ : এপ্রিল ২৭,২০০৯
বৈশিষ্ট্য :
•  কাস্টম শব্দগুলির জন্য পাঠ্য পূর্বাভাস এবং ব্যবহারকারী অভিধান সহ তৃতীয় পক্ষের ভার্চুয়াল কীবোর্ডগুলির জন্য সমর্থন
•  সমর্থন উইজেট – ক্ষুদ্র আবেদন মতামত যে (যেমন হোম স্ক্রীন হিসাবে) অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের এমবেড করা যায় এবং লাভ পর্যায়ক্রমিক আপডেট
•  ভিডিও রেকর্ডিং এবং প্লেব্যাক এমপিইজি -4 এবং 3GP ফরম্যাটের
•  ব্লুটুথ (A2DP এবং AVRCP প্রোফাইলগুলির জন্য অটো-পেয়ারিং এবং স্টিরিও সমর্থন)
•  ওয়েব ব্রাউজারে কপি এবং পেস্ট বৈশিষ্ট্যগুলি
•  পরিচিতিগুলিতে পছন্দসইগুলির জন্য দেখানো ব্যবহারকারী ছবি
•  কল লগে ইভেন্টগুলির জন্য প্রদর্শিত নির্দিষ্ট তারিখ / সময় স্ট্যাম্প, এবং কল লগ ইভেন্ট থেকে একটি পরিচিতি কার্ডে এক-স্পর্শ অ্যাক্সেস
•  অ্যানিমেটেড স্ক্রিন রূপান্তর
•  অটো-রোটেশন বিকল্প
•  নতুন স্টক বুট অ্যানিমেশন
•  এ ভিডিও আপলোড করার ক্ষমতা ইউটিউব
•  ফটোগুলি আপলোড করার ক্ষমতা পিকাসা

অ্যান্ড্রয়েড 1.6 ডোনাট (API এর 4) :
সংস্করণ : 1.1
মুক্তির তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৯
বৈশিষ্ট্য :
•  ভয়েস এবং টেক্সট এন্ট্রি অনুসন্ধান বুকমার্ক ইতিহাস, পরিচিতি, এবং ওয়েব অন্তর্ভুক্ত করা উন্নত
•  ডেভেলপারদের অনুসন্ধানের ফলাফলে তাদের সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষমতা
•  বহুভাষিক স্পীচ সংশ্লেষণ ইঞ্জিন যে কোনো Android আবেদন লেখার একটা STRING “কথা বলতে” করার অনুমতি
•  অ্যান্ড্রয়েড বাজারে অ্যাপ্লিকেশন স্ক্রিনশটগুলি দেখতে সহজ অনুসন্ধান এবং ক্ষমতা
•  দ্রুত ক্যামেরা অ্যাক্সেসের সাথে গ্যালারী, ক্যামেরা এবং ক্যামেরার সম্পূর্ণরূপে সমন্বিত
•  মুছে ফেলার জন্য ব্যবহারকারীদের জন্য একাধিক ফটো নির্বাচন করার ক্ষমতা
•  জন্য আপডেট প্রযুক্তি সমর্থন সিডিএমএ / EVDO এর , 802.1x , VPN গুলি , এবং একটি টেক্সট থেকে ভাষ্য ইঞ্জিন
•  সমর্থন WVGA স্ক্রিন রেজুলেশন
•  অনুসন্ধান এবং ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশনে গতি উন্নতি
•  প্রসারিত অঙ্গভঙ্গি ফ্রেমওয়ার্ক এবং নতুন ইথারব্লিউলার ডেভেলপমেন্ট টুল
অ্যান্ড্রয়েড 2.0 Eclair :
সংস্করণ : ২.০
মুক্তির তারিখ : অক্টোবর ২৬, ২০০৯
বৈশিষ্ট্য :
•  এক্সটেন্ডেড একাউন্ট সিঙ্ক, ই-মেইল এবং পরিচিতিগুলির সিঙ্ক্রোনাইজেশনের জন্য ব্যবহারকারীদের একাধিক একাউন্ট যোগ করতে অনুমতি দেয়
•  মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ ইমেল সমর্থন সম্মিলিত ইনবক্সের মাধ্যমে এক পৃষ্ঠা থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে ইমেল ব্রাউজ করতে
•  ব্লুটুথ 2.1 সমর্থন
•  একটি যোগাযোগ ছবির ট্যাপ করার জন্য এবং কল, এসএমএস বা ব্যক্তিটিকে ইমেল করার জন্য নির্বাচন করুন
•  সমস্ত সংরক্ষিত এসএমএস এবং এমএমএস বার্তা অনুসন্ধানের ক্ষমতা, একটি সংজ্ঞায়িত সীমা পৌঁছে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে দেওয়া একটি কথোপকথনে প্রাচীনতম বার্তা মুছে ফেলতে হবে
•  ফ্ল্যাশ সাপোর্ট, ডিজিটাল জুম, দৃশ্য মোড, সাদা ব্যালেন্স, রঙের প্রভাব এবং ম্যাক্রো ফোকাস সহ অনেকগুলি নতুন ক্যামেরা বৈশিষ্ট্য
•  ভার্চুয়াল কীবোর্ডের মধ্যে উন্নত টাইপিংয়ের গতি, স্মার্ট শব্দকোষের সাথে যা শব্দ ব্যবহারের থেকে শিখেছে এবং পরামর্শের নামগুলি প্রস্তাবনাগুলি অন্তর্ভুক্ত করে
•  বুকমার্ক থাম্বনেল, জুম-বার আলতো চাপুন এবং সহায়তা সঙ্গে ঝরঝরে ব্রাউজার UI ‘তে HTML5 এর
•  ক্যালেন্ডার এজেন্ডা দর্শন উন্নত, প্রতিটি আমন্ত্রিতার জন্য যোগদানের অবস্থা দেখানো, এবং ইভেন্টগুলি থেকে নতুন অতিথিদের আমন্ত্রণ করার ক্ষমতা
•  অপ্টিমাইজ করা হার্ডওয়্যার গতি এবং নড়াচড়া করা UI
•  আরো ভাল পার্থক্য অনুপাত সহ আরও পর্দা মাপ এবং রেজল্যুশন জন্য সমর্থন
•  উন্নত Google মানচিত্র 3.1.2
•  MotionEvent বর্গ বহু-স্পর্শ ঘটনা ট্র্যাক করতে উন্নত
•  লাইভ ওয়ালপেপারগুলির সংযোজন, হোম স্ক্রীনের ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজগুলির অ্যানিমেশনকে আন্দোলন দেখানোর অনুমতি দেয়

অ্যান্ড্রয়েড 2.2 Froyo
সংস্করণ : ২.২
মুক্তির তারিখ : মে ২০, ২০১০
বৈশিষ্ট্য :
•    গতি, মেমরি, এবং কর্মক্ষমতা অপ্টিমাইজেশন
•    অতিরিক্ত আবেদন গতি উন্নতি মাধ্যমে বাস্তবায়িত জে আই টি JIT সংকলন [59]
•    এর ইন্টিগ্রেশন ক্রোম এর V8 JavaScript ইঞ্জিনের ব্রাউজার আবেদন মধ্যে
•    সমর্থন অ্যানড্রইড ক্লাউড ডিভাইস মেসেজিং (C2DM) পরিষেবা, সক্রিয় পুশ বিজ্ঞপ্তি
•    উন্নত মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সমর্থন, নিরাপত্তা নীতি, স্বয়ংক্রিয়-আবিষ্কারের? GAL লুক-আপ, ক্যালেন্ডার সিঙ্ক্রোনাইজেশন এবং দূরবর্তী মুছা সহ
•    ফোন এবং ব্রাউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য শর্টকাটগুলির সাথে উন্নত অ্যাপ্লিকেশন লঞ্চার
•    USB টিথারিং এবং Wi-Fi হটস্পট কার্যকারিতা
•    মোবাইল নেটওয়ার্কে ডেটা অ্যাক্সেস অক্ষম করার বিকল্প
•    ব্যাচ এবং স্বয়ংক্রিয় আপডেট বৈশিষ্ট্য সঙ্গে আপডেট করা হয়েছে বাজার অ্যাপ্লিকেশন
•    একাধিক কীবোর্ড ভাষার এবং তাদের অভিধানগুলির মধ্যে দ্রুত স্যুইচিং
•    সমর্থন ব্লুটুথ -enabled গাড়ী এবং ডেস্ক ডকস
•    সংখ্যাসূচক এবং আলফানিউমেরিক পাসওয়ার্ডগুলির জন্য সমর্থন
•    ব্রাউজার অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে ফাইল আপলোড ক্ষেত্রের জন্য সাপোর্ট
•    ব্রাউজার এখন শুধুমাত্র প্রথম ফ্রেমের পরিবর্তে শুধুমাত্র অ্যানিমেটেড GIF এর সমস্ত ফ্রেম দেখায়
•    প্রসারিত মেমরি অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার জন্য সমর্থন
•    অ্যাডোবি ফ্ল্যাশ সমর্থন
•    উচ্চ সমর্থন পিপিআই যেমন চার ইঞ্চি যেমন প্রদর্শন (320 PPI পর্যন্ত), 720p পর্দা
•    গ্যালারি একটি জুম অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ছবির স্ট্যাকগুলি দেখতে দেয়

অ্যান্ড্রয়েড 2.3 জিনজার ব্রেড :
সংস্করণ : ২.৩
মুক্তির তারিখ : ৬ ই ডিসেম্বর, ২০১০
বৈশিষ্ট্য :
•  বৃদ্ধি সরলতা এবং গতি সঙ্গে আপডেট ইউজার ইন্টারফেস নকশা
•  অতিরিক্ত বড় পর্দার মাপ এবং রেজুলেশন (সমর্থন WXGA এবং উচ্চতর)
•  জন্য দেশীয় সমর্থন SIP র ভিওআইপি ইন্টারনেট টেলিফোনি
•  উন্নত নির্ভুলতা, উন্নত প্রস্তাবিত পাঠ্য এবং ভয়েস ইনপুট মোডের সাথে ভার্চুয়াল কীবোর্ডে আরও দ্রুত, আরও স্বজ্ঞাত পাঠ্য ইনপুট
•  বর্ধিত কপি / পেস্ট কার্যকারিতা, ব্যবহারকারীরা প্রেস-আটক রাখা, কপি, এবং পেস্ট দ্বারা একটি শব্দ নির্বাচন করতে সক্ষম হবেন
•  সমর্থন নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি), একটি NFC ট্যাগ কোনো পোস্টার, স্টিকার, বা বিজ্ঞাপন এমবেড পড়তে ব্যবহারকারী যার ফলে
•  নতুন অডিও প্রভাবগুলি যেমন রিভারব, সমীকরণ, হেডফোন ভার্চুয়ালাইজেশন, এবং বাশ বুস্ট
•  নিউ ডাউনলোড ম্যানেজার , ব্যবহারকারীরা ব্রাউজার, ইমেইল থেকে ডাউনলোড যেকোনো ফাইল অথবা অন্য অ্যাপ্লিকেশনে সহজ প্রবেশাধিকার প্রদান
•  ডিভাইসটিতে একাধিক ক্যামেরাগুলির জন্য সমর্থন, একটি সম্মুখ-মুখী ক্যামেরা সহ, যদি উপলব্ধ থাকে
•  সমর্থন তে WebM / তত্সহ VP8 ভিডিও প্লেব্যাক এবং এএসি অডিও এনকোডিং
•  উন্নত পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন ডিভাইস খুব দীর্ঘ জন্য জাগ্রত রাখছেন পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি আরো সক্রিয় ভূমিকা সঙ্গে
•  নেটিভ কোড উন্নয়ন জন্য উন্নত সমর্থন
•  থেকে পাল্টানো হয়েছে YAFFS করার ext4 এই নতুন ডিভাইসের
•  গেম ডেভেলপারদের জন্য অডিও, গ্রাফিকাল এবং ইনপুট বৃদ্ধি
•  সমসাময়িক গার্বেজ কালেকশন বর্ধিত পারফরম্যান্সের জন্য

অ্যান্ড্রয়েড 3.0 মউচাক :
সংস্করণ : ৩.০
মুক্তির তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১১
বৈশিষ্ট্য :
•  একটি নতুন “holographic” ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের সাথে অপ্টিমাইজ করা ট্যাবলেট সমর্থন
•  যোগ করা সিস্টেম বার, বিজ্ঞপ্তি, স্থিতি, এবং নরম ন্যাভিগেশন বোতাম, অ্যাক্সেস দ্রুত পর্দার নীচে উপলব্ধ
•  অ্যাকশন বার যোগ করা, পর্দার উপরে প্রাসঙ্গিক বিকল্প, নেভিগেশন, উইজেট, বা অন্যান্য ধরনের সামগ্রী অ্যাক্সেস প্রদান করা
•  সরলীকৃত মাল্টিটাস্কিং – সিস্টেম বারের সাম্প্রতিক অ্যাপ্লিকেশনগুলির লঘুপাত ব্যবহারকারী কাজগুলিগুলির স্ন্যাপশটগুলি দেখতে এবং দ্রুত একটি অ্যাপ্লিকেশন থেকে অপ্রত্যাশিত দেখতে পারবেন
•  বড় স্ক্রিন মাপের উপর দ্রুত, কার্যকরী এবং সঠিক টাইপিং তৈরি করে পুনরায় ডিজাইন করা কীবোর্ড
•  সরলীকৃত, আরও স্বচ্ছ কপি / পেস্ট ইন্টারফেস
•  ব্রাউজার উইন্ডোগুলির প্রতিস্থাপনের একাধিক ব্রাউজার ট্যাবগুলি, অ্যানিমেশন ব্রাউজিংয়ের অনুমতি দেয় এমন স্বতঃপূরণ এবং একটি নতুন “ছদ্মবেশী” মোড ফর্ম
•  ক্যামেরা এক্সপোজার, ফোকাস, ফ্ল্যাশ, জুম, ফ্রন্ট-ক্যামেরার ক্যামেরা, সময়সীমা এবং অন্যান্য ক্যামেরা বৈশিষ্ট্যগুলির দ্রুত অ্যাক্সেস
•  অন্যান্য ছবির জন্য থাম্বনেইলগুলিতে সহজে অ্যাক্সেসের মাধ্যমে অ্যালবাম এবং গ্যালারীতে পূর্ণ-স্ক্রিন মোডে অন্যান্য সংগ্রহগুলি দেখার ক্ষমতা
•  ব্যবহারকারীদের সহজেই সংগঠিত করা এবং পরিচিতিগুলি চিহ্নিত করতে নতুন দ্বিপ্যানিক যোগাযোগের UI এবং দ্রুত স্ক্রোল
•  ব্যবহারকারীদের একটি বা একাধিক বার্তা নির্বাচন করার অনুমতি দেয়, বার্তাগুলিকে আরও কার্যকরী দেখতে এবং সংগঠিত করার জন্য নতুন দুই-প্যানের ইমেল UI
•  হার্ডওয়্যার ত্বরণ
•  সমর্থন মাল্টি-কোর প্রসেসর
•  সমস্ত ব্যবহারকারী ডেটা এনক্রিপ্ট করার ক্ষমতা
•  HTTPS দ্বারা সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি সাধন স্টেক সার্ভার নাম ইঙ্গিত (sni)
•  ইউজার-স্পেসের মধ্যে ফাইল-সিস্টেম (ফিউজ; কার্নেল মডিউল)
•  মনোনীত, অ্যাপ্লিকেশন-নির্দিষ্ট ডিরেক্টরিগুলি ব্যতীত মাধ্যমিক স্টোরেজ (অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক সংগ্রহস্থলগুলির ডিভাইসগুলিতে মেমরি কার্ড) লিখিত অ্যাক্সেসের অনুমতি দেয় না। প্রাথমিক অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়স্থানের সম্পূর্ণ অ্যাক্সেস এখনও একটি পৃথক অ্যাপ্লিকেশন-স্তরের অনুমতির মাধ্যমে অনুমোদিত।

অ্যান্ড্রয়েড ৪.০আইসক্রিম স্যান্ডউইচ :
সংস্করণ : ৪.০
মুক্তির তারিখ : অক্টোবর ১৮, ২০১১
বৈশিষ্ট্য :
•  নতুন সঙ্গে “হোলো” ইন্টারফেসে মেজর পরিমার্জনা তে Roboto ফন্ট পরিবার
•  অ্যান্ড্রয়েড 3.x থেকে নরম বোতাম এখন ফোনগুলিতে ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ
•  একটি নতুন ট্যাবে উইজেট বিভাজক, অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে অনুরূপ পদ্ধতিতে তালিকাভুক্ত
•  একটি ড্র্যাগ এবং ড্রপ শৈলী সঙ্গে ফোল্ডার থেকে সহজ, তৈরি
•  ভয়েসমেইল বার্তাগুলিকে গতি বা গতি সঞ্চার করার ক্ষমতা সহ উন্নত ভিজ্যুয়াল ভয়েসমেইল
•  ক্যালেন্ডারে পিন-টু-জুম কার্যকারিতা
•  ইন্টিগ্রেটেড স্ক্রিনশট ক্যাপচার (পাওয়ার এবং ভলিউম ডাউন বোতামগুলি ধরে রেখে সম্পন্ন)
•  কীবোর্ডে ত্রুটি সংশোধন উন্নত
•  থেকে সরাসরি অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা লক স্ক্রীন
•  উন্নত কপি এবং পেস্ট কার্যকারিতা
•  উন্নত ধ্বনি ইন্টিগ্রেশন এবং একটানা, টেক্সট dictation যাও বাস্তব সময় বক্তৃতা
•  ফেস আনলক, একটি বৈশিষ্ট্য যা ব্যবহারকারীদের মুখের স্বীকৃতি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে হ্যান্ডসেট আনলক করতে দেয়
•  ব্যবহারকারীর ক্রোম বুকমার্কগুলির সাথে ব্রাউজারের স্বয়ংক্রিয় সিঙ্কিং
•  সেটিংসের মধ্যে ডেটা ব্যবহার বিভাগ যা ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট ব্যবহারের সীমাতে যখন সতর্কতা সেট করে তখন সেটিকে সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং সীমা অতিক্রম না করে ডেটা ব্যবহার অক্ষম করে
•  একটি অদল বদল সহ সাম্প্রতিক অ্যাপ্লিকেশান তালিকা থেকে অ্যাপ্লিকেশন শাট ডাউন করার ক্ষমতা
•  শূন্য শাটার ল্যাগ, সময়সীমা সেটিংস, প্যানোরামা মোড এবং রেকর্ডিংয়ের সময় জুম করার ক্ষমতা সহ উন্নত ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশন
•  অন্তর্নির্মিত ফটো সম্পাদক
•  নতুন গ্যালারি লেআউট, অবস্থান এবং ব্যক্তির দ্বারা সংগঠিত
•  সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ইন্টিগ্রেশন, স্ট্যাটাস আপডেট এবং হাই রেজ ইমেজগুলির সাথে রিফ্রেশড “লোকেশন” অ্যাপ্লিকেশন
•  Android বীম, একটি কাছাকাছি-ফিল্ড কমিউনিকেশন বৈশিষ্ট্য ওয়েব বুকমার্কগুলি, যোগাযোগের তথ্য, দিকনির্দেশ, YouTube ভিডিও এবং অন্যান্য তথ্য দ্রুত স্বল্প পাল্লার বিনিময়, যার ফলে
•  সমর্থন WebP ইমেজ ফরম্যাট
•  UI এর হার্ডওয়্যারের ত্বরণ
•  ওয়াই-ফাই ডিরেক্ট
•  1080p স্টক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জন্য ভিডিও রেকর্ডিং
•  অ্যান্ড্রয়েড ভিপিএন ফ্রেমওয়ার্ক (AVF), এবং টান (কিন্তু না TAP) কার্নেল মডিউল। আগে 4.0, ভিপিএন সফটওয়্যার মূলত অ্যানড্রইড প্রয়োজন।

অ্যান্ড্রয়েড 4.1 জেলি বিন :
সংস্করণ : ৪.১
মুক্তির তারিখ : জুলাই ৯, ২০১২
বৈশিষ্ট্য :
•  মসৃণ ইউজার ইন্টারফেস:
•    অ্যান্ড্রয়েড ফ্রেমওয়ার্ক দ্বারা সম্পন্ন সমস্ত অঙ্কন এবং অ্যানিমেশনে Vsync টাইমিং, অ্যাপ্লিকেশন রেন্ডারিং, স্পর্শ ইভেন্ট, স্ক্রীন কনসজিটিশন এবং ডিসপ্লে রিফ্রেশ সহ
•    গ্রাফিক্স পাইপলাইনের ট্রিপল বাফারিং
•    CPU ইনপুট বুস্ট
•    Vsync টাইমিংয়ের সাথে যোগাযোগ করুন
•  বর্ধিত অভিগম্যতা
•  দ্বি-নির্দেশমূলক পাঠ্য এবং অন্যান্য ভাষা সমর্থন
•  ব্যবহারকারী-ইনস্টলযোগ্য কীবোর্ড মানচিত্র
•  বিস্তৃত বিজ্ঞপ্তিগুলি
•  একটি অ্যাপ্লিকেশন-নির্দিষ্ট ভিত্তিতে বিজ্ঞপ্তি বন্ধ করার ক্ষমতা
•  শর্টকাট এবং উইজেটগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হোম স্ক্রীনে মাপসই নতুন আইটেমগুলিকে মঞ্জুরি দেওয়ার জন্য পুনরায় সাজানো বা পুনঃ আকার দিতে পারে
•  অ্যান্ড্রয়েড বিমলের জন্য ব্লুটুথ ডেটা ট্রান্সফার
•  ছোট স্ক্রিনগুলির ট্যাবলেটগুলি বর্তমানে ফোনগুলির দ্বারা ব্যবহৃত ইন্টারফেস লেআউট এবং হোম স্ক্রীনের একটি বিস্তৃত সংস্করণ ব্যবহার করে।
•  উন্নত ক্যামেরা অ্যাপ্লিকেশন
•  Multichannel অডিও
•  Fraunhofer FDK এএসি কোডেক অ্যান্ড্রয়েড আদর্শ হয়ে, এএসি 5.1 চ্যানেল এনকোডিং / পাঠোদ্ধারতা যোগ
•  ইউএসবি অডিও (বাহ্যিক শব্দ জন্য DACs )
•  অডিও চেইনিং (নামেও পরিচিত ফাঁকবিহিন প্লেব্যাক )
•  রুট এক্সেস প্রয়োজন ছাড়া অ্যাপ্লিকেশন ড্রয়ারের থেকে উইজেট যোগ করার জন্য অন্যান্য লঞ্চারের ক্ষমতা

অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাট :
সংস্করণ : ৪.৪
মুক্তির তারিখ : অক্টোবর ৩১,২০১৩
বৈশিষ্ট্য :
•    নীল পরিবর্তে সাদা উপাদানের সঙ্গে ঝরঝরে ইন্টারফেস
•    ক্লক আর সাহসী ঘণ্টা দেখায়; ভাবে সংখ্যা বসিয়ে পাতলা হয়। বিরাম ঘড়ি এবং টাইমার জন্য H, এম, এবং S চিহ্ন সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুধু সংখ্যার রেখে।
•    অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ক্ষমতা ন্যাভিগেশন এবং অবস্থা বার translucency ট্রিগার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ক্ষমতা “ইমারসিভ মোড” ব্যবহার করতে যখন ব্যবহারকারীর কোনো ভূমিকা বজায় রাখার গোপন ন্যাভিগেশন এবং অবস্থা বার রাখার
•    অ্যাকশন ওভারফ্লো মেনু বোতামগুলি এমনকি একটি “মেনু” কী, যা আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যান্ড্রয়েড 4.0 দ্বারা অবচিত ছিল ডিভাইসের দৃশ্যমান সবসময়।
•    অ্যাপ্লিকেশনের জন্য সীমাবদ্ধতা যখন, বাহ্যিক সঞ্চয় অ্যাক্সেস তাদের নিজস্ব ডিরেক্টরি ছাড়া
•    সহ নিম্ন স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে ডিভাইসের পারফরম্যান্সের জন্য নিখুঁতকরণ ZRam সমর্থন এবং “কম র্যাম” ডিভাইস এপিআই
•    ওয়্যারলেস মুদ্রণ সামর্থ্য
•    NFC এর হোস্ট কার্ড এমুলেশন , একটি ডিভাইস সক্রিয় প্রতিস্থাপন করতে স্মার্ট কার্ড
•    WebViews এখন উপর ভিত্তি করে ক্রোমিয়াম ইঞ্জিন (সঙ্গে বৈশিষ্ট্য সমতা Android এর জন্য Chrome 30)
•    বিজ্ঞপ্তি শ্রোতা পরিষেবার জন্য প্রসারিত কার্যকারিতা
•    উন্নয়নশীল এবং পরিচালনার জন্য পাবলিক এপিআই টেক্সট মেসেজিং ক্লায়েন্ট
•    সংগ্রহস্থল অ্যাক্সেস ফ্রেমওয়ার্ক, একটি API অ্যাপ্লিকেশান একটি সুসংগত পদ্ধতিতে ফাইল পুনরুদ্ধার করতে অনুমতি দেয়। ফ্রেমওয়ার্ক অংশ হিসাবে, একটি নতুন সিস্টেম ফাইল চয়নকারী ব্যবহারকারীদের (যেমন অনলাইন স্টোরেজ পরিষেবাগুলি অ্যাপ্লিকেশানগুলি দ্বারা উদ্ভাসিত যারা, সহ) বিভিন্ন সূত্র থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করতে পারবেন।
•    UI ‘তে পরিবর্তন এর জন্য নতুন কাঠামো
•    সেন্সর Batching, ধাপ আবিষ্কারক এবং কাউন্টার API গুলি
•    সেটিংস আবেদন এখন ডিফল্ট টেক্সট মেসেজিং এবং বাড়ি (লঞ্চার) আবেদন নির্বাচন করা সম্ভব করে
•    অডিও টানেলিং, অডিও পর্যবেক্ষণ এবং শব্দের মাত্রা enhancer
•    বিল্ট-ইন পর্দা রেকর্ডিং বৈশিষ্ট্য (প্রাথমিকভাবে ডেভেলপারদের জন্য, যেমন ব্যবহার এডিবি প্রয়োজন বোধ করা হয়)
•    দেশীয় ইনফ্রারেড ব্লাস্টার এপিআই
•    যাচাইকৃত বুট
•    প্রয়োগ SELinux- র
•    সম্প্রসারিত অভিগম্যতা API এবং সিস্টেম-স্তরীয় পরিচয়লিপি বন্ধ সেটিংস
•    অ্যান্ড্রয়েড রানটাইম (শিল্প) একটি নতুন পরীক্ষামূলক অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে চালু রানটাইম এনভায়রনমেন্ট , ডিফল্টভাবে সক্রিয় নয়, জন্য একটি প্রতিস্থাপন হিসাবে Dalvik ভার্চুয়াল মেশিন
•    ব্লুটুথ মেসেজ এক্সেস প্রোফাইল (MAP) এর সমর্থন
•    তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন দ্বারা ব্যাটারি পরিসংখ্যান অ্যাক্সেস অক্ষম
•    সেটিংস আবেদন আর বৃহত্তর পর্দার বিষয়ে ডিভাইসের একটি মাল্টি-পেইন লেআউট ব্যবহার
•    Wi-Fi এবং মোবাইল ডেটা কার্যকলাপ (টেক্সাস / হয়েছে RX) সূচকগুলোর দ্রুত সেটিংস করার জন্য অনুপ্রাণিত হই
•    ওয়েব দর্শন ব্রাউজার কম্পোনেন্ট পাঠ্য মোড়ানো অক্ষম করে

অ্যান্ড্রয়েড 5.0, Lollipop :
সংস্করণ : ৫.০
মুক্তির তারিখ : নভেম্বর ১২, ২০১৪
বৈশিষ্ট্য :
•  অ্যান্ড্রয়েড রানটাইম সঙ্গে (শিল্প) এগিয়ে অফ সময় (AOT) সংকলন এবং উন্নত গার্বেজ কালেকশন (জিসি), প্রতিস্থাপন Dalvik যে বাইটকোড সম্মিলন ব্যাখ্যা দিয়ে ট্রেস-ভিত্তিক জাস্ট-ইন-সময় (জে আই টি JIT) সংকলন
•  সমর্থন 64 বিট CPU- র
•  OpenGL ES 3.1 এবং অ্যান্ড্রয়েড এক্সটেনশন প্যাক (AEP) সমর্থিত জিপিইউ কনফিগারেশনে
•  সাম্প্রতিক কার্যকলাপগুলি আপ অ্যাপ্লিকেশন প্রতি কাজগুলো কনফিগার সর্বাধিক, অ্যাপ্লিকেশন পরিবর্তে কর্ম দিয়ে স্ক্রীণ
•  ভেক্টর অঙ্কনযোগ্য , যা সংজ্ঞা হারানো ছাড়া স্কেল
•  মুদ্রণ পূর্বরূপ জন্য সহায়তা
•  মেটারিয়াল ডিজাইন , একটি পূর্নগঠিত ইউজার ইন্টারফেস আনয়ন
•  ঝরঝরে লক স্ক্রীন, আর সমর্থন উইজেট
•  ঝরঝরে প্রজ্ঞাপন ট্রে এবং দ্রুত সেটিংস পুল ডাউন
•  প্রকল্প পশ্চিমী , ব্যাটারি জীবন উন্নত জন্য
•  অনুসন্ধান বিশেষ সেটিংসে দ্রুততর অ্যাক্সেসের জন্য সিস্টেম সেটিংস মধ্যে সম্পাদনা করা যেতে পারে
•  লক স্ক্রিন আবেদন এবং বিজ্ঞপ্তি সেটিংস শর্টকাট প্রদান করে
•  অতিথি লগইন এবং একাধিক ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট গ্রহণ করুন ফোন হিসাবে আরো ডিভাইস, উপলব্ধ।
•  অডিও ইনপুট এবং আউটপুট USB ডিভাইসের মাধ্যমে
•  তৃতীয়-পক্ষ প্রয়োগ যেমন হিসাবে বাহ্যিক সঞ্চয় যেকোনো জায়গায় অবস্থিত ডাটা পড়তে এবং সংশোধন করার ক্ষমতা পুনরায় ফিরে SD কার্ড ।
•  বিধিনিষেধযুক্ত ব্যবহারকারী ক্রিয়াকলাপের জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশনের পর্দার পিন করা।
•  সম্প্রতি ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন ডিভাইস পুনরায় চালু করার পরও মনে হয়।
•  WebViews গ্রহণ স্বাধীনভাবে মাধ্যমে আপডেট Google Play নিরাপত্তার কারণে, পরিবর্তে সিস্টেম-ব্যাপী বিক্রেতা আপডেট এর উপর নির্ভর করার
•  15 নতুন ভাষা সংযোজন: বাস্ক, বাংলা, বর্মি, চীনা (হংকং), গ্যালিশিয়, আইসল্যান্ডিক, কন্নড, কির্গিজ, ম্যাসেডোনীয়, মালায়ালম, মারাঠি, নেপালি, সিংহলী, তামিল এবং তেলুগু
•  আলতো চাপুন এবং যান ব্যবহারকারীদের দ্রুত একটি নতুন Android ডিভাইসে মাইগ্রেট করতে Google অ্যাকাউন্ট বিবরণ, কনফিগারেশন সেটিংস, ব্যবহারকারীর তথ্য এবং ইনস্টল অ্যাপ্লিকেশন স্থানান্তর করতে এনএফসি এবং Bluetooth ব্যবহার পারবেন
•  একটি টর্চলাইট-শৈলী আবেদন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, একটি ক্যামেরা ফ্ল্যাশ সমর্থিত ডিভাইসের কাজ।
•  আবেদন বিজ্ঞপ্তির জন্য ব্যবহারকারী-স্বনির্ধারিত অগ্রাধিকার।
•  Smart Lock বৈশিষ্ট্য
•  SELinux- র সব ডোমেইনের জন্য মোড প্রয়োগ মধ্যে
•  আপডেট করা হয়েছে ইমোজি
•  উন্নত অভিগম্যতা সমর্থন (যেমন সুইচ এক্সেস সমর্থন)
•  ব্লক-ভিত্তিক ওভার-দ্য-তারহীন (OTA) নতুন ডিভাইস জন্য আপডেটগুলি

Android 6.0 Marshmallow :
সংস্করণ : ৬.০
মুক্তির তারিখ : অক্টোবর  ৫, ২০১৫
বৈশিষ্ট্য :
•  অ্যাপ্লিকেশান মধ্যস্থ কীওয়ার্ড থেকে কনটেক্সচুয়াল অনুসন্ধান।
•  Doze এর মোড, যা CPU- র গতি কমিয়ে দেয় প্রবর্তন যখন পর্দা অর্ডার ব্যাটারি জীবন বাঁচাতে বন্ধ আছে
•  অ্যাপ্লিকেশান স্ট্যান্ডবাই বৈশিষ্ট্য
•  বর্ণানুক্রমে প্রবেশযোগ্য উল্লম্ব আবেদন ড্রয়ারের
•  অ্যাপ্লিকেশন সার্চ বার এবং পছন্দসই
•  দেশীয় ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার সমর্থন
•  অ্যাপ্লিকেশানগুলির মধ্যে লক্ষ্য-নির্দিষ্ট ভাগ করে নেওয়ার জন্য সরাসরি শেয়ার বৈশিষ্ট্য
•  নতুন নামকরন করা “অগ্রাধিকার” মোড “বিরক্ত করবেন না” করতে মোড
•  অ্যাপ সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের সাথে লিঙ্ক দ্রুত স্বতঃস্ফূর্ত খোলার জন্য সংযোগস্থাপন
•  একাধিক পৃষ্ঠাগুলির সাথে বৃহত্তর অ্যাপ্লিকেশন ফোল্ডার
•  পোস্ট-ইনস্টল / চালানোর সময় অনুমতির অনুরোধ
•  ইউএসবি প্রকার-সি সমর্থন
•  স্ক্রিনশট-ক্যাপচার ব্যবহারের জন্য ডেমো মোড বৈশিষ্ট্যটি
•  স্বয়ংক্রিয় সম্পূর্ণ ডাটা ব্যাকআপ এবং অ্যাপসের জন্য পুনঃস্থাপন
•  অ্যাপসের জন্য 4K প্রদর্শন মোডে
•  গ্রহণযোগ্য বাহ্যিক স্টোরেজ ইন্টারনাল স্টোরেজ মত আচরণ করে
•  এখন MIDI বাদ্যযন্ত্র জন্য সমর্থন
•  এক্সপেরিমেন্টাল মাল্টি উইন্ডো বৈশিষ্ট্য
•  অ্যাপ অনুমতি এখন সময় ইনস্টল না সম্পূর্ণ বা কিছুই রান সময়ে পৃথকভাবে মঞ্জুর করেন।

অ্যান্ড্রয়েড ৭.০ :
সংস্করণ : ৭.০
মুক্তির তারিখ : ২২ আগস্ট, ২০১৬
বৈশিষ্ট্য :
•  ইউনিকোড 9.0 ইমোজি এবং ত্বক স্বন পরিবর্তক সমর্থন (এবং একটি উপসেট অনাবৃত ICU4J API গুলি)।
•  রঙ ক্রমাঙ্কন প্রদর্শন করার ক্ষমতা
•  স্ক্রিন জুম করুন করার ক্ষমতা
•  ওভারভিউ বোতাম ডবল ট্যাপ করে অ্যাপ্লিকেশান সুইচ করার ক্ষমতা
•  যোগ করা হয়েছে জরুরী তথ্য অংশ
•  নজরে স্ক্রীনে মধ্যে “সমস্ত সাফ” বোতাম যোগ করা হয়েছে
•  আরেকটি সিস্টেম পার্টিশন, আপডেট পরার যা যখন না ব্যবহার, বিজোড় সিস্টেম আপডেটের জন্য, যার ফলে
•  স্ক্রিনসেভার ভার্চুয়াল বাস্তবতা প্ল্যাটফর্ম (ভি ইন্টারফেস)
•  উন্নত Doze এর কার্যকারিতা, যা ব্যাটারির জীবন বাড়া করার লক্ষ্যে কাজ করে
•  ফাইল ব্রাউজারে উন্নতি
•  আরো দ্রুত সেটিংসে অপশন
•  মাল্টি উইন্ডো সমর্থন, যা একটি ডেস্কটপ বিন্যাস উপর ভাসমান অ্যাপস সমর্থন
•  নিউ ডেটা সেভার মোড, কোন কোন অ্যাপ ব্যান্ডউইথের ব্যবহার কমাতে জোর করতে পারেন
•  নিউ জে আই টি JIT কম্পাইলার, 75 শতাংশ দ্রুত গতিতে একটি অ্যাপ ইনস্টলেশনের জন্য তৈরীর এবং কম্পাইল কোড মাপের একটি 50 শতাংশ হ্রাস
•  শুধু শিল্প কোড প্রোফাইলিং, এটা ক্রমাগত Android এর পারফরম্যান্সের উন্নতি করতে দেয় যা দিয়ে time (JIT) কম্পাইলার অ্যাপ্লিকেশানগুলি তারা দৌড়ালে যেমন
•  চিত্র-ইন-ছবি Android TV এর জন্য সমর্থন
•  পুনঃডিজাইন প্রজ্ঞাপন আলোছায়া, নির্দিষ্ট সেটিংস ঝটপট অ্যাক্সেস সমন্বিত
•  পুনঃডিজাইন নজরে স্ক্রীনে
•  প্রজ্ঞাপন চাদর প্রতিস্থাপিত প্রজ্ঞাপন কার্ড
•  সেটিংস অ্যাপ্লিকেশান নেভিগেশান ড্রয়ার
•  Vulkan 3D রেন্ডারিং এপিআই
•  একাধিক ডিভাইস লোকেল ।

 

কাউন্টার স্ট্রাইকঃ গ্লোবাল অফেন্সিভ বা সিএসঃগো

Now Reading
কাউন্টার স্ট্রাইকঃ গ্লোবাল অফেন্সিভ বা সিএসঃগো

উপভোগ করতে চাচ্ছেন কি একটি ভিন্ন রকমের পিসি গেম?? তাহলে এই গেমটি হতে পারে এটি একটি আপনার আগামি পছন্দের গেম।
এই গেমটি মুলত একটি এফপিএস বা ফার্স্ট পারসন শুটিং গেম। যা অনলাইনে খেলতে হবে আপনাকে। আজকে এই গেমটিকে ঘিরে এই আর্টিকেলটি।

এই গেমটি আজকের দিনে অনেক জনপ্রিয় এবং আলোচিত একটি পিসি গেম। মূলত আপনি যদি একজন পিসি গেমার হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে এই গেমটি আরো মজার মনে হবে। তার জন্য অবশ্যই কিছু কারণ রয়েছে। এই গেমটিতে আপনাকে একজন সৈনিক বা কাউন্টার টেরিস্ট হিসেবে অথবা টেরিস্ট হিসেবে খেলতে হবে।

গেমটিতে আলাদা আলাদা খেলার ধরণ রয়েছে। আপনি ইচ্ছা করলে বট বা কম্পিউটার এর সাথে খেলতে পারবেন বা অনলাইন এ মাল্টিপ্লেয়ার হিসেবে খেলতে পারবেন।রয়েছে ১০টির ও বেশি মাপ, এর মধ্যে আপনি যেটিতে ইচ্ছা খেলতে পারবেন। তা ছাড়া আপনি কম্পিটিভ ম্যাচ এ ৫ জন একত্রে একটি দল বানিয়ে খেলতে পারবেন। এমনকি আপনি বাংলাদেশী আপনার বন্ধুদের নিয়ে খেলতে পারবেন। খেলার মধ্যে ২ দলেই ৫ জন করে সদস্য থাকবে।প্রথমে একটি দল টেরিস্টের ভুমিকা নিবে এবং অপর দল কাউন্টারটেরিস্ট হিসেবে খেলবে। ১৫+১৫=৩০ টি রাউন্ড হবে। যার মধ্যে ২টি ভাগে ম্যাচটি হবে। ১৫টি রাউন্ডের পর যে রাউন্ডটি জিতবে সেই দল বিজয়ী হিসেবে খ্যাতি পাবে।

আপনি যদি ম্যাচ এর মধ্যে আপনি যদি গেম থেকে বের হয়ে যান তাহলে আপনাকে সময়ের পেনাল্টি দেওয়া হবে। যা এই গেমে বলা হয় ‘কুলডাউন টাইমআউট’ যা প্রথমের দিকে ৩০ মিনিট করে দেওয়া হয় এবং আপনার এই ম্যাচ থেকে বের হবার ঘটনাটি যদি নিয়মিত হয় তাহলে সেটি ২ ঘণ্টা,১দিন,২দিন এভাবে বাড়তে বাড়তে ৭দিন পর্যন্ত হতে পারে।

ম্যাচ থেকে আপনি পেতে পারেন ড্রপ। এই ড্রপ হল এই গেম এর সারভার থেকে আপনার খেলার উপর ভিত্তি করে কিছু গিফট। এই সকল ড্রপের বস্তু আপনি এই গেম এই শুধু ব্যাবহার করতে পারবেন।

গেমের মধ্যে আপনি আপার হাতিয়ার হিসেবে যে বন্দুক ব্যবহার করবেন সেগুলিকে আপনি আলাদা স্কিন লাগিয়ে আপনি আরও রাঙ্গিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু এই স্কিন কিনতে হবে আপনাকে যার জন্য আপনাকে পকেটের টাকা ব্যবহার করতে হবে। এই সব স্কিনের দাম আপনাকে আমেরিকান ডলারের সাহায্যে কিনতে হবে। এছাড়া এই গেমটি খেলতে আপনাকে মুলত $১৪.৯৯ উএসডি দিয়ে কিনতে হবে স্টিম মার্কেট থেকে। অথবা বাইরের অন্য মাধ্যম থেকে।
লিংকঃ
http://store.steampowered.com/app/730/CounterStrike_Global_Offensive/

এই গেম এর মাধ্যমে আপনি না না রকমের টুর্নামেন্টে যোগদান করতে পারবেন। বর্তমানে বাংলাদেশেও এই গেম এর প্রচুর ভক্ত রয়েছে এবং এই গেমের অনেক টুর্নামেন্টও অনুষ্ঠিত হয়। আপনি ইচ্ছা করলে ৫জন মিলে দল তৈরি করে এই সব টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন।

গেমটি খেলতে হলে আপনার কম্পিউটারের যে যে গুনাগুণ থাকতে হবে (মিনিমাম):
ওএসঃ উন্ডোজ ৭/এক্সপি/ভিস্তা
প্রসেসরঃ ইন্টেল কোর টু ডুও ই৬৬০০ বা এমডি ফেনম এক্স৩ ৪৭৫০ বা এর থেকে ভাল।
মেমরিঃ ২ জিবি।
জিপিউঃ ২৫৬ এম্বি।
ডাইরেক্টএক্সঃ ৯.০সি
স্টোরেজঃ ১৫ জিবি।
এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ।

আশা করি আপনাদের এই গেমটি সবার অনেক ভাল লাগবে।ধন্যবাদ।

কম্পিউটারের কিছু সমস্যা এবং সমাধান

Now Reading
কম্পিউটারের কিছু সমস্যা এবং সমাধান

আমরা বর্তমান এ কমবেশি সকলেই কম্পিউটার ব্যাবহার করি।কেউ গান শোনার জন্য ,কেউ পড়াশোনার জন্য,কেউ গেম খেলার জন্য আবার কেউ করে ব্যবসায়িক কাজ সম্পন্ন করার জন্য।আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি তারা বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখিন হই।আজ আমি আপনাদের জন্য সেসকল সমস্যা ও তার সহজ কিছু সমাধান আপনাদের জানাব ।

আপনি আপনার দাদার আমল এর কম্পিউটার ব্যবহার করেন বা নিজের বিল্ড করা হাই কনফিগ রিগ যেটাই হক না কেন সমস্যা সবারই কমবেশি হয়ে থাকে।তবে চলুন এক এক করে কিছু লিষ্ট করি সমস্যা গুলোর।

স্লো কম্পিউটার
স্লো ইন্টারনেট
বার বার কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়া
বিরক্তিকর পপআপ এ্যড আসা
ব্রাউজ করার সময় কনস্ট্যান্ট “সিকিউরিটি” সতর্কবার্তা
ওয়াইফাই থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া
ত চলুন ঝটপট জেনে নেই সমস্যা গুলোর প্রতিকার।

স্লো কম্পিউটার
প্রথমে, আপনাকে জানাতে হবে যে আপনার কম্পিউটারের কারণে ভিডিও বা ওয়েবসাইটগুলি লোড হওয়ার জন্য কিছু সময় লাগবে। তারা নেটওয়ার্ক ইন্টারফারেন্স দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। প্রোগ্রাম খোলা হলে আপনার কম্পিউটার ধীরে ধীরে ব্যবহার করা হয়, ব্যবহার করা অবস্থায় স্টল বা ফাঁকা থাকে, বা বুট আপ প্রক্রিয়াটি কয়েক মিনিটের বেশি সময় নেয়, তাহলে আপনার হাতে ধীরগতির সমস্যা হতে পারে।
এখন, একবার আপনি সেটাপ করেছেন যে কম্পিউটারই আপনার অপরাধী, মূল সন্দেহভাজনদের পরীক্ষা করুন – একটি পূর্ণ হার্ড-ড্রাইভ (HDD) এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেকগুলি প্রসেস চলছে।

আপনার অপারেটিং সিস্টেম (সাধারণত C:) হিসাবে চিহ্নিত হার্ডড্রাইভটি সম্পূর্ণ হলে, অপারেটিং সিস্টেম ফাইলগুলিকে দ্রুত রাইট করতে পারে না, যেহেতু এটি অনুসন্ধান এবং তার জন্য স্থান বরাদ্দ করতে হবে। অনুসন্ধান প্রক্রিয়া সময় লাগে, যা আপনার সিস্টেমের কর্মক্ষমতা একটি মন্থর ফলে হবে। চলচ্চিত্র, ফটো, মিউজিক বা অন্য কোনও অচিহ্নিত ফাইল মুছুন অথবা অন্য হার্ড ড্রাইভে স্থানান্তর করুন। কোনও সদৃশ ইমেজগুলি সরিয়ে ফেলার জন্য একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করুন। আপনি আর ব্যবহার করবেন না কোন প্রোগ্রাম আনইনস্টল।

বিকল্পভাবে, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অনেকগুলি প্রসেসগুলি আপনার কম্পিউটারকে ধীর করে দিবে, কারণ তাদের কম্পিউটিং শক্তি উভয়েরই দরকার, সেইসাথে দ্রুত, স্বল্পমেয়াদী মেমোরি – RAM। এটি পরিষ্কার করার জন্য, স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন,সার্চ অপসানে টাইপ করুন: msconfig এবং তারপর “স্টার্টআপ” ট্যাবে যান। এখন, আপনি একটি মাইক্রোসফট প্রসেস যা কিছু অচিহ্নিত করতে চান না আপনি কি দেখতে চান Google আপডেট, অ্যাডোবি অ্যাডাপটেটর, স্টিম ক্লায়েন্ট বুটস্ট্র্রিপ, পান্ডো মিডিয়া বুস্টার, এবং স্পটিফাই এই অবিচ্ছিন্ন হতে পারে, এবং আপনি একটি স্টার্টআপ পরে পার্থক্য বোধ করতে সক্ষম হওয়া উচিত।
তবে আরও ভাল স্পিড এর জন্য সলিড স্টেট ড্যাইভ(SSD) ব্যাবহার করা উত্তম।

স্লো ইন্টারনেট
আপনার ডাউনলোড, ব্রাউজিং এবং স্ট্রিমিং সঙ্গীত এবং ভিডিওগুলির স্ট্রিমিং হতে অনেক বেশি সময় লাগে? চেক করুন যে আপনার মন্থন প্রকৃতপক্ষে, নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত। Speedtest.net যান এবং আপনি আপনার প্যাকেজ এর গতি পেতে সমস্যা হয় কিনা দেখতে একটি পরীক্ষা চালান।

আনুমানিক গতিসম্পন্ন আইএসপি এর বিজ্ঞাপন গতি কমপক্ষে 50% হওয়া উচিত, এবং আপনার পিন 100 এর নিচে হওয়া উচিত। যদি আপনার ফলাফল এই সাথে না হয়, তাহলে আপনার ব্যান্ডউইথ হজ করা হয় বা নেটওয়ার্ক সমস্যা রয়েছে। প্রথমত, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান কোনও টরেন্ট ক্লায়েন্টগুলি নেই তা দেখতে পরীক্ষা করুন। তারা প্রায়ই ট্র্যাশকে কমিয়ে দেয় এবং ফাইলগুলি ডাউনলোড এবং আপলোড করে রাখে, যা অনেক ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করে। পরবর্তী, আপনার নেটওয়ার্ক কার্ড এর ড্রাইভার uptodate কিনা তা পরীক্ষা করুন (আপনি আপনার অপারেটিং সিস্টেম আপডেট না হলে, এই সময় হতে পারে)। পরবর্তী, আপনার মডেম বন্ধ এবং আবার চালু করার চেষ্টা করুন। যদি এটি কোন চালু / বন্ধ বোতাম না থাকে, তবে এটি পুরোপুরি আনপ্লাগ করুন এবং পুনরায় প্লাগ করুন।

যদি এইরকম কেউ সাহায্য না করে, তাহলে আপনার আইএসপি কল করুন এবং তাদের বলুন তাদের সমস্যা আছে, এবং তাদের এটি ঠিক করতে দিন।

বার বার কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়া
এটি শুধুমাত্র একটি উইন্ডোজ আপডেটের সিরিজ ফলাফল হতে পারে, যা বেশ কয়েকবার রিবুট প্রয়োজন হয়। একবার দেখুন এবং দেখুন যদি পুনর্সূচনা প্রক্রিয়া “আপডেট করা উইন্ডোজ” উল্লেখ করে, যদি তা-ই হয় তবে কিছু ধৈর্য ধরুন, এটি মূল্যবান।

এখন, আরেকটি কারণ যান্ত্রিক হতে পারে – আপনার কম্পিউটার অদ্ভুত শব্দ তৈরি করছে? এটা অস্বাভাবিক গরম? যদি আপনার কম্পিউটারটি নতুন না হয়, তাহলে বাক্সের ভিতরে জমা হওয়া ধুলো পরিষ্কার করতে হবে। কম্পিউটারটি পরিষ্কার করার পরে সমস্যাটি যদি চলতে থাকে তবে ভাইরাস স্ক্যান চালান এবং একটি ম্যালওয়্যার স্ক্যান চালান।

একবার আপনি এই সমস্ত পরীক্ষার নিঃশেষ হয়ে গেলে, আপনার কম্পিউটারকে একটি বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।

বিরক্তিকর পপআপ এ্যড আসা
আপনি যদি ইন্টারনেট ব্রাউজ না করেন, তবে এখনও পর্যন্ত পপআপ বিজ্ঞাপন পাওয়া যাচ্ছে, এটি সম্ভবত “অ্যাডওয়্যারের” নামে পরিচিত ম্যালওয়্যারের একটি ফর্ম। এই স্নিকি প্রোগ্রাম যা থেকে পরিত্রাণ পেতে চতুর হতে পারে। একটি ভাইরাস স্ক্যান এবং একটি ম্যালওয়্যার স্ক্যান রান, এবং “(বিজ্ঞাপনদাতার নাম) অ্যাডওয়্যারের অপসারণ” জন্য অনলাইন অনুসন্ধান – আপনি একটি সমাধান খুঁজে পেতে সক্ষম হওয়া উচিত।

ব্রাউজ করার সময় কনস্ট্যান্ট “সিকিউরিটি” সতর্কবার্তা
যদিও এটি সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যাগুলির মধ্যে একটি হতে পারে, এটি ঠিক করার জন্য অবিশ্বাস্যভাবে সহজ। আপনার কম্পিউটারের ঘড়ি সঠিক সময় এবং তারিখ দেখায় তা পরীক্ষা করুন। এটি না হলে, ঘড়ির উপর ডান-ক্লিক করুন এবং ম্যানুয়ালি সংশোধন করতে “তারিখ এবং সময় সেটিংস পরিবর্তন করুন” নির্বাচন করুন।

ওয়াইফাই থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া
বিভিন্ন কারণে (রাউটার, কম্পিউটার, আইএসপি) বেতার সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদি আপনার Wi-Fi সংকেত দুর্বল হয় তবে এটি সংযোগ বিচ্ছিন্নতা ও মন্থন হতে পারে, তাই নিশ্চিত করুন আপনি যে রেঞ্জে আছেন এবং সুন্দর সার্ভিস পেয়েছেন ।পরবর্তী আপনার কম্পিউটারের ওয়্যারলেস অ্যাডাপ্টারের আপ-টু-ডেট ড্রাইভারগুলি পরীক্ষা করে দেখুন। এই কাজ কেউ যদি, আপনার আইএসপি কল এবং তারা সাহায্য করতে পারেন কিনা দেখতে।

আসা করি আপনারা এই তথ্যের মাধ্যমে উপকৃত হবেন।ধন্যবাদ।।

VPN কি? এটা কি নিরাপদ?

Now Reading
VPN কি? এটা কি নিরাপদ?

আমরা মাঝেমধ্যেই vpn ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু vpn সম্পর্কে  বেশি কিছু জানি না। শুধু মাত্র এটা জানি যে vpn হল অন্য কোনো দেশের ইন্টারনেট সারবারের সাথে সংযুক্ত হয়ে ওই দেশের ইন্টারনেটের তথ্য ব্যাবহার করার পদ্ধতি। এর উদাহরণ হল, ধরুন আমাদের দেশে facebook বন্ধ রয়েছে। এখন আমি যদি facebook এ লগ ইন করার চেষ্টা করি তাহলে তা পারব না। কারন, আপাতত আমাদের দেশের জন্য facebook বন্ধ আছে। এতে বুঝা যায় যে ইন্টারনেট বুঝতে পারে আমরা কোন দেশে আছি। এর কারন আমি যে IP address  ব্যাবহার করি তার মাধ্যমে আমাদের সারবারকে facebook ব্যাবহারের জন্য বার্তা পাঠাই। তখন আমাদের সারবার আমার জন্য facebook এর কাছে একই IP address এ বার্তা পাঠানোর কথা।  যেহেতু আমাদের দেশের জন্য facebook বন্ধ রয়েছে তাই সেই বার্তা সারবার আর পাঠায় না। ফলে আমরা facebook ব্যাবহার করতে পারি না।

কিন্তু vpn দিয়ে তা সহজে করতে পারি। এখানে আমি আমাদের দেশের সারবারে কোনো বার্তা না পাঠিয়ে সকল বাধা অতিক্রম  অন্য কোনো দেশের সারবারে বার্তা পাঠাই যেখানে facebook অন রয়েছে। ফলে ওই সারবার ভাবে যে আমি ওই দেশেই রয়েছি। ফলে ওই দেশের সারবার ব্যাবহার করে আমরা facebook চালাতে পারি। প্রকৃতপক্ষে আমরা আমাদের দেশের সারবার এবং সরকারকে ফাকি দিয়ে এ কাজ করে থাকি।

এখন প্রশ্ন হল, vpn কি নিরাপদ?
অবশ্যই, কারন আমরা আমাদের wifi zone তৈরি করলে ভাবি যে এখন আমরা নিরাপদ। কারন, এখানে আমরা পাসওয়ার্ড দিয়ে নিরাপদ ব্যাবহার করার চেষ্টা করি। কিন্তু যখন আমরা ইন্টারনেট ব্যাবহার  করি তখন আমাদের উপর সহজেই নজর রাখা যেতে পারে। এটা হলে পারে আমাদের সারবার অথবা আমাদের সরকারের মাধ্যমে। আবার যদি কোনো হ্যাকার আমাদের  নেটওয়ার্ক এর মধ্যে থাকে তাহলে আমাদের প্রাইভেসি প্রশ্নের মধ্যে পরে যেতে পারে।

vpn দিয়ে আমরা অন্য দেশের সারবারের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য ব্যাবহার করি তাই আমাদের সারবার বা সরকার অথবা কোনো হ্যাকার আমাদের প্রাইভেসি নষ্ট করতে পারে না। ফলে আমরা নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যাবহার করি।

Page Sidebar