আপনি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হবেন কেন?

Now Reading
আপনি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হবেন কেন?

আমার এই আর্টিকেলটি কিভাবে সতর্কতার সাথে ফেসবুক ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের একটি অন্যতম সেরা মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক মানুষ তার দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি দিনের প্রায় সিংহভাগ সময় এই ফেসবুকেই অতিবাহিত করে আর যার কারণে এটি সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম সেরা মাধ্যম হিসেবে রূপ ধারণ করেছে মানুষ এখন কিবা না করে ফেসবুকে নিত্যনতুন সব আপডেট ফেসবুককে এখন আরো বেশি জনপ্রিয় করে তুলছে

ফেসবুকে মানুষ তার পোষ্ট আপলোডের মাধ্যমে নিজের মনের ভাব তার ফেসবুক বন্ধুদের সুন্দর করে জানিয়ে দিচ্ছে এছাড়াও বিভিন্ন ফেসবুক বন্ধুত্ব গড়ে উঠছে এই ফেসবুকে মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি যা করে তা হচ্ছে সেলফি আপলোড দেয়া আর এটি এখন ফেসবুকবাসীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়মানুষ যা কিছু করছে তার সেলফি তুলেই এখন ফেসবুকে পোষ্ট করছে এবং তার ফেসবুক বন্ধুদের জানাচ্ছে সারা বিশ্বে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০০ মিলিয়ন ছবি পোষ্ট করা হচ্ছে শুধুমাত্র ফেসবুকে ফেসবুক সংস্থার মতে প্রতিদিন গড়ে ১.১৫ বিলিয়ন মানুষ একসাথে ফেসবুকে একটিভ হিসেবে থাকে।প্রতিদিন ১.২৮ বিলিয়ন ইউজার ফেসবুকে লগ ইন করে।  এছাড়াও মানুষ তাদের ভাব বিনিময়ের জন্য ফেসবুকে চ্যাটিং করে যেটা বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি পন্থা ভাব বিনিময়ের ফেসবুকের নিত্যনতুন সব ফিচার মানুষকে ফেসবুক নেশায় নেশাগ্রস্থ করে তুলছে ফেসবুকের সবচেয়ে আধুনিক আপডেট হচ্ছে ফেসবুকে লাইভ ভিডিও এছাড়াও মানুষ বিভিন্ন রকমের অ্যাক্টিভিটিও ফেসবুকে শেয়ার করতে পারছে মানুষ সময় কাটানোর সবচেয়ে সেরা পথ হিসেবে বেঁছে নিয়েছে এই ফেসবুককেই বিভিন্ন পেজ এর পোষ্ট পড়ে, দেখে এবং শেয়ার করার মাধ্যমে মানুষ তার অবসর সময় কাটচ্ছে

এবারে মূল কথায় আসি ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা,  এটা আবার কি!  আপনি আশ্চর্য হতেই পারেন তবে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই আপনাকে অবশ্যই ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে আমাদের চারপাশে নিত্যনতুন খবর শুনতে পাওয়া যায়, যেগুলো ফেসবুককে ঘিরে ইদানিং ফেসবুকে আইডি হ্যাক এর অনেক কথা শুনতে পাওয়া যায় তাই আপনাকে  এক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে আপনার আইডির পাসওয়ার্ড অবশ্যই আপনার এমন ভাবে নির্ধারণ করতে হবে যাতে করে তা অন্য মানুষের বোধগম্যের বাইরে থাকে

এতক্ষণ যে কথা গুলো বললাম তা ছিল প্রথম ধাপের কথা ফেসবুক ব্যবহারে আপনি মোটামোটি স্বাধীন আপনি পোষ্ট,  ছবি আপলোড করছেন যা পুরোপুরি স্বধীনতায় কিন্ত আপনি কি আপনার এই স্বাধীনতার সঠিক ব্যবহার করছেন? প্রশ্ন থাকলো আপনার বিবেকের কাছে পুরো আর্টিকেলটি পড়ে তারপর আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন আশা করি

যেহেতু ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম তাই ধরুণ এটি একটি চার রাস্তার মোড়ধরুণ আপনাকে বাক প্রদানের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে আপনি যা ইচ্ছা তাই বলতে পারবেন এখন যদি আপনাকে একটি চার রাস্তার মোরে মাইক দিয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলতে বলা হয় তখন আপনি কি বলবেন? এটাই আপনার ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতাকারণ একটি চার রাস্তার মোরে আপনি যখন মাইক ব্যবহার করে কিছু একটা বলবেন তখন মোরের আশেপাশের সব মানুষ তা শুনবে সে হোক পরিচিত অথবা অপরিচিত তাই আপনি যা ইচ্ছা তাই বলতে চাইবেন না বা বলতে পারবেন না ঠিক মুহূর্তে ফেসবুকে কোন কিছু পোষ্ট করাও ঠিক এমন এখানে আপনাকে সবাই দেখছে শুনছে তাই আপনার যা ইচ্ছা করছে তাই আপনি ফেসবুকে লিখতে পারেন না বা যেমন ছবি আপনার ইচ্ছা হচ্ছে তাই আপলোড করতে পারেন না  আপনি অবশ্যই পরবর্তীতে সতর্ক থাকবেন এইসব ক্ষেত্রে কারণ যদি আপনি অসাবধানতা বশত কোন রকমের অপ্রিতিকর কিছু ফেসবুকে পাবলিশ করেন তাহলে পরবর্তীতে সেটাই আপনার সম্মানহানিকর কিছু ঘটাতে পারে

এবার ধরুণ আপনি প্রায় সেলিব্রিটি রকমের একজন মানুষ এবং আপনার আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছে যারা সুযোগ পেলেই আপনার ক্ষতি করবে এমন অবস্থা গুলোয় আপনি কখনো আগে থেকে সতর্ক থাকতে পারবেন না তাই আপনাকে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে এমন অবস্থায় আপনি ফেসবুক সেলিব্রিটি তাই আপনার যা ইচ্ছা তাই পোষ্ট ছবি শেয়ার করতে পারেন না মনে রাখবেন আপনাকে যেকোন সময় কেউ ক্ষতি করতে পারে তাই এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকে যেসব এক্টিভিটি ফেসবুকে সাধারণত সবসময় দিয়ে থাকেন সেসব ক্ষেত্রে একটু সচেতনতা বাড়ান আপনি জার্নি করছেন তাই বলে আপনাকে ট্রাভেলিং টু অ্যক্টিভিটি দিতে হবে না

আপনি ফেসবুকে চেক ইন অক্টিভিটি সচরাচর ব্যবহার করে থাকেন এই চেক ইন এর অর্থ হচ্ছে আপনি মুহূর্তে ঠিক কোথায় আছেন তা নিশ্চিত করা আপনি অবশ্যই চেক ইন ব্যবহারে সতর্ক থাকবেন আগেই বলেছি যে কোন সময় যে কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারে তাই আপনি চেক ইন ব্যবহার করলে অবশ্যই সেটা ফেসবুকে সবাই জানবে এবং বুঝবে যে মুহূর্তে আপনি কোথায় আছেনতাই নিজেকে সবসময় নিরাপদ রাখতে ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক হোনহতেই পারে অনেক অজানা বিপদ থেকে আপনি বেঁচে গেলেন

বর্তমানে ফেসবুক একটি ভাইরাসে পরিণত হয়েছেযে ভাইরাসের নেশায় মানুষ তার অনেক মূল্যবান সময় অপচয় করে চলেছেমার্ক জুকারবার্গ নিজেও দৈনিক মাত্র ১৭  মিনিট ফেসবুক ব্যবহার করেনতিনি নিজেও বলেছেন ফেসবুক ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে এবং বলেছেন সতর্ক থাকতেআশা করি আমার একটা প্রশ্নের উত্তর আপনার বিবেক খুঁজে পেয়েছেসবার সাবধানতার কামনা ভালো থাকার শুভেচ্ছা জানাই

Wi-Fi কে হটিয়ে যখন Li-Fi

Now Reading
Wi-Fi কে হটিয়ে যখন Li-Fi

আমরা সবাই Wi-Fi সম্পর্কে জানি। হয়ত বা Wi-Fi এর মাধ্যমে এই আর্টিকেল পড়ছি অর্থাৎ যে ইন্টারনেট ব্যাবহার করছি তা Wi-Fi এর সাথে সংযুক্ত । কিন্তু এখন একটি নতুন প্রযুক্তি চলে এসেছে যার নাম Li-Fi বা Light Fidelity. এই ধরনের নাম থেকে এইটুকু বোঝা যায় যে এর সাথে আলোর (Light) সম্পর্ক আছে। এই প্রযুক্তির প্রতিষ্টাতা Professor Harald Hass ২০১১ সালে প্রথম Li-Fi এর ধারনা প্রদান করেন।

আমরা জানি Wi-Fi তে ডেটা অর্থাৎ ইন্টারনেট রেডিও ওয়েভের আকৃতিতে চলাচল করে । আর Li-Fi তে যে ডেটা যাবে তা আলোর মাধ্যমে চলাচল করবে। ধরি আমি কোনো ফাইল কোথাও পাঠাব তাহলে তখন আমার ডিভাইস থেকে আলোক রশ্মি বের হবে এবং তা নিদৃষ্ট ডিভাইসে (balb) মাধ্যমে যেখানে পাঠাব সেখানে চলে যাবে। অর্থাৎ সম্পূর্ণ কাজ বা যোগাযোগই হবে আলোর মাধ্যমে। Wi-Fi তে ফাইল পাঠানোর সময় আমার মডেম বা রাউটার রেডিও ওয়েব ছাড়ে। তখন আমি আমার মোবাইল বা কম্পিউটারে সেই সিগনাল ধরি এবং ইন্টারনেট ব্যাবহার করি। এখন Li-Fi তে ডিভাইস হিসেবে স্মার্ট LED লাইট এর ব্যাবহাব দেখতে পাব। লাইট ইন্টারনেটকে আলো রশ্মি রূপে ছাড়বে। তখন সেই আলোক রশ্মি আমাদের ডিভাইসে এসে পরবে আর আমরা ইন্টারনেট ব্যাবহার করে পারব। এখানে ডেটা বা ইন্টারনেট আলোতে ঘুরাঘুরি করবে। এই টেকনোলোজি VLC বা visible light communication কনসেপ্টে তৈরি। এখন প্রশ্ন আসে,

VLC কি?

উত্তর:- আমি কোন LED balb এ নিদৃষ্ট ইনপুট পাওয়ার দিলে আউটপুট ও নিদৃষ্ট থাকবে। এখন যদি ইনপুটে কিছু পরিবর্তন করলে আউটপুটেও পরিবর্তন হবে। আমি যত তাড়াতাড়ি ইনপুট পরিবর্তন করব ঠিক তত তাড়াতাড়িই আউটপুট পরিবর্তন হবে। এর মাধ্যমে আমি যোগাযোগ করতে পারব কারন এখানে সব জায়গায় একই রকম অর্থাৎ সুস্থিতি পাওয়ার দেখতে পাই। অর্থাৎ ডেটা সুস্থিত ভাবে চলাচল করবে।

এছাড়া ধরা যাক আমি আমার টিভি দেখার সময় রিমোটের সাহায্যে চ্যানেল পরিবর্তন করি। আমি রিমোটের কোনো বাটনে চাপ দিলে সেই কমান্ড IR balb এর মাধ্যমে টিভির রিসিভারে পৌছায় তখন চ্যানেল পরিবর্তন হয়ে যায়। লাই-ফাই তে ঠিক একই রকম টেকনোলোজি ব্যাবহার করা হবে এখানে শুধু সিগনাল  অনেক গুলো যাবে।

এখনে লাইটের তারের সাথে ইন্টারনেটের লাইন  সংযুক্ত থাকবে। ফলে ইন্টারনেট তারের দ্বারা লাইটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরবে আর যে লাইটের নিচে থাকবে তার হতে থাকা ডিভাইসটিতে ইন্টারনেট যুক্ত হয়ে যাবে।  অর্থাৎ লাইটের আলো যত দূর যাবে ইন্টারনেট ও তত দূর থাকবে। এখানে লাইটের সাথে অবশ্যই পাওয়ার ড্রাইভার সংযুক্ত থাকতে হবে। এখন আবার আরেক টা প্রশ্ন,

এক লাইটের আলো থেকে অন্য আলোতে গিলে ইন্টারনেট কানেকশন কি নষ্ট হয়ে যাবে?

উত্তর:- অবশ্যই না। কারন প্রতিটি লাইট যা একই IP Address হলে তারা পরস্পরের সাথে একটি ব্যান্ড তৈরি করবে যার ফলে আপনি এর রুমের লাইট থেকে অন্য রুমের লাইটের নিচে গিলে ইন্টারনেট কানেকশন নষ্ট হবে না।

এখন Li-Fi এর কিছু উপকারীতা সম্পর্কে কথা বলব,

১.ডেটা সিকিউর থাকবে। কারন Wi-Fi এর মত ডেটা দেওয়াল পার করতে পারে না। এটা এক ক্ষেত্রে অসুবিধাজনক।
২.স্পিড Wi-Fi এর তুলনায় অনেক বেশি যা প্রায় ১০০ GB/s. এছাড়া এর ব্যান্ডউইথড ও প্রায় ১০০০০ গুন বেশি। এতে আমরা একসাথে অনেক গুলো সিগনাল অপারেট করতে পারব।
৩.সিগনাল নষ্ট হয় না। Wi-Fi এ সিগনাল চারদিকে ছড়িয়ে পরে ফলে বেশির ভাগ সিগনাল নষ্ট হয়। অপরদিকে Li-Fi একটি লাইট। এটাকে যেইদিক মন চায় আমি সেইদিকে তা নিতে পারি ফলে সিগনাল ওয়েস্ট হয় না।
৪.এতে কোন তেজস্ক্রিয় সিগনাল থাকে না। Wi-Fi রেডিও ওয়েভ সিগনাল ছড়ায় তা আমাদের স্বাস্থ্যে ক্ষতি করে যা লাই-ফাই করে না কারন আলো তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।

এছাড়া লাই-ফাই সম্পর্কে কিছু ভূল ধারনা যা আমারা করি বা শুনে থাকি,

১.লাই ফাই, ওয়াই ফাই থেকে ১০০ গুন বেশি। যা ভূল ধারনা। লেটেস্ট ওয়াই ফাই ভার্সনে ৭ জিবি /স পর্যন্ত স্পিড আর লাই ফাই ১০০ জিবি/স স্পিড পাওয়া যায়।

২.মুভি ১ সে ডাউনলোড হবে। যা ভূল ধারনা। কারন যদিও আপনার ইন্টারনেট অনেক বেশি স্পিডি হয় তবু এমন কোন সারবার নাই যেখানে ১ সেকেন্ডে মুভি নামানো সম্ভব।

কীভাবে এর ব্যবহার হতে পারে?

১.স্ট্রট লাইটে ব্যাবহার করা যায়। ফলে অনেক অনেক মানুষ আলোর সাথে ইন্টারনেটের সুযোগ পাবে।
২.ল্যাপটপ বা কম্পিউটার বা মোবাইল নিজেদের সাথে যুক্ত হতে পারে।
৩.বিভিন্ন নিউক্লিয়ার গবেষণাকেন্দ্রে ব্যাবহার করতে পারি যেখানে ওয়াই ফাই ব্যবহার করা যায় না। এখানে Li-Fi ব্যাবহার করতে পারব কারন আলো কোনো রেডিয়েশন না।
৪.প্লেনে ব্যবহার করতে পারি।
৫.পানির নিচে (ডুবুরী দের জন্য) ব্যাবহার কতে পারি যা Wi Fi এর মাধ্যমে সম্ভব না।
৬. MRI স্ক্যানে ব্যাবহার করা যায় কারন সেখানে ওয়াই ফাই ব্যবহার করা যায় না তেজস্ক্রিয়তার কারনে।
ইত্যাদি।

ইন্টারনেটের ইতিহাস

Now Reading
ইন্টারনেটের ইতিহাস

১৯৫০-এর দশকে ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের গঠন শুরু হয়। প্রাথমিক ধারণা প্যাকেট নেটওয়ার্কিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ও ফ্রান্সে বিভিন্ন কম্পিউটার বিজ্ঞান ল্যাবরেটরিজ মধ্যে সম্ভূত। ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট প্যাকেট নেটওয়ার্কের সিস্টেমের জন্য চুক্তি যত দ্রুত হিসেবে উন্নয়নসহ ১৯৬০, ভূষিত যেটি ARPANET ।
কম্পিউটার এর মাধ্যমে প্রথম বার্তা বিজ্ঞান অধ্যাপক লিওনার্ড Kleinrock এর পরীক্ষাগার থেকে যেটি ARPANET উপর পাঠানো হয়েছিল ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস এঞ্জেলেস স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে ।

প্যাকেট সুইচিং

যেটি ARPANET নেটওয়ার্ক NPL নেটওয়ার্কের , CYCLADES , মেরিট নেটওয়ার্ক , টিমনেট এবং টেলিনেট , বিভিন্ন ব্যবহার ১৯৬০ এবং ১৯৭০ এর দশকে উন্নত ছিল যোগাযোগ প্রোটোকল হিসেবে । ডোনাল্ড ডেভিস প্রথমে প্যাকেট সুইচড নেটওয়ার্ক পরিকল্পিত করে ন্যাশনাল ফিজিক্স ল্যাবরেটরি ইউ কে, যা প্রায় দুই দশক ধরে যুক্তরাজ্য গবেষণার জন্য একটি টেস্টবেড হয়ে ওঠে। ARPANET প্রকল্পের জন্য প্রোটোকল উন্নয়ন নেতৃত্বে হিসাবে কাজ করে ইন্টারনেট ওয়ার্কিং , যা একাধিক পৃথক নেটওয়ার্ক কে যুক্ত করার কাজ করে।
ARPANET অ্যাক্সেস ১৯৮১ সালে সম্প্রসারিত হয় যখন জাতীয় বিজ্ঞান ফাউন্ডেশন (এনএসএফ) গড়ে তুলেছিল কম্পিউটার সায়েন্স নেটওয়ার্ক (CSNET) ।
১৯৮২ সালে, ইন্টারনেট প্রোটোকল স্যুট (টিসিপি / আইপি) ARPANET- এ প্রমিত নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল হিসাবে চালু করা হয়েছিল । গোড়ার দিকে ১৯৮০ সালে এনএসএফ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়,জাতীয় সুপারকম্পিউটিং কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা গড়ে তুলছে । বাণিজ্যিক ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারীরা (আইএসপি) ১৯৮০ এর দশকের শেষভাগে উঠতে শুরু করেছিল । আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক সংস্থার মাধ্যমে ইন্টারনেটের অংশে লিমিটেড প্রাইভেট সংযোগগুলি ১৯৮৯ এবং ১৯৯০ সালের শেষের দিকে কয়েকটি আমেরিকান শহরগুলিতে আবিষ্ট হয়,এবং এনএসএফএনএইট ১৯৯৫ সালে নিষিদ্ধ ছিল, বাণিজ্যিক ট্র্যাফিক বহন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহারের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞা অপসারণ করে।
১৯৮০ সালে ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী টিম বার্নার্স-লি সুইজারল্যান্ডে CERN এ গবেষণা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফলে একটি তথ্য সিস্টেমের মধ্যে হাইপারটেক্সট নথি, নেটওয়ার্কে কোনো নোড থেকে অ্যাক্সেসযোগ্য লিঙ্ক তৈরি করে।

1990-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বৈদ্যুতিন মেল, তাত্ক্ষণিক বার্তা প্রেরণ, ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) টেলিফোন কলগুলির মাধ্যমে ভয়েস, দ্বিপথ ইন্টারেক্টিভ, সহ সংস্কৃতি, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তির উপর বিপ্লবী প্রভাব রয়েছে। গবেষণা এবং শিক্ষা সম্প্রদায় বিকাশ এবং এই ধরনের এনএসএফ খুব উচ্চ গতিতে দাঁড়া নেটওয়ার্ক সার্ভিস (vBNS), Internet, এবং জাতীয় LambdaRail উন্নত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে চলেছেন।
ডেটার পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে উচ্চ এবং উচ্চতর গতিতে প্রেরিত হয় 1-Gbit / সেকেন্ড এ অপারেটিং 10 Gbit / সেকেন্ড, বা আরো বেশি ।

প্রিকার্সর (precursors)
তথ্য যোগাযোগের ধারণা – একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক মাধ্যম যেমন রেডিও বা বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে দুটি ভিন্ন স্থানগুলির মধ্যে ডাটা প্রেরণ – প্রথম কম্পিউটারের প্রবর্তনটি পূর্বাভাস দেয় । এই ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলি সাধারণত দুইটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের নির্দেশ দেয়। টেলিগ্রাফ সিস্টেম ও টেলেক্স মেশিন যোগাযোগ এই ধরনের প্রথম প্রিকার্সর বিবেচনা করা যেতে পারে। ১৯ শতাব্দীর মধ্যে টেলিগ্রাফ প্রথম পুরোপুরি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল।

ডেটা ট্রান্সমিশন এবং তথ্য তত্ত্বের মৌলিক তাত্ত্বিক কাজটি ক্লড শ্যানন, হ্যারি নুইউইচ, এবং র্যাল্ফ হার্টলি দ্বারা ২0 শতকের প্রথম দিকে তৈরি করা হয়েছিল ।

প্রাথমিক কম্পিউটারগুলির একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং দূরবর্তী টার্মিনাল ছিল। প্রযুক্তি উদ্ভাবন হিসাবে, নতুন সিস্টেমের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব (টার্মিনালগুলির জন্য) বা উচ্চ গতির (স্থানীয় ডিভাইসের ইন্টারকানেকশন জন্য) যোগাযোগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যা মেইনফ্রেম কম্পিউটার মডেলের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। এই প্রযুক্তিগুলি দূরবর্তী কম্পিউটারগুলির মধ্যে ডেটা (যেমন ফাইল) বিনিময় করা সম্ভব করেছে যাইহোক, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট কমিউনিকেশন মডেল সীমিত ছিল, যেহেতু এটি কোনও দুটি অবাধ সিস্টেমের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের অনুমতি দেয়নি; একটি শারীরিক লিঙ্ক প্রয়োজন ছিল। কৌশলগত এবং সামরিক ব্যবহারের জন্যও প্রযুক্তিটি অনিরাপদ বলে বিবেচিত ছিল কারণ শত্রুর আক্রমণের ক্ষেত্রে যোগাযোগের জন্য কোন বিকল্প পথ ছিল না।
ওয়াইড-এরিয়া নেটওয়ার্কিং এর উন্নয়ন

সীমিত ব্যতিক্রম ছাড়া, নিকটতম কম্পিউটারের স্বতন্ত্র ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত টার্মিনাল থেকে সরাসরি সংযুক্ত করা হয়, সাধারণত একই বিল্ডিং বা সাইটে। এই ধরনের নেটওয়ার্ক স্থানীয়-এলাকা নেটওয়ার্ক (LAN) হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। এই সুযোগ, ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WANs) নামে পরিচিত তার পরেও নেটওয়ার্কিং, ১৯৫০ সময় নির্গত এবং ১৯৬০ সময় প্রতিষ্ঠিত হয়ে ওঠে।
বোল্ট বেরানেক ও নিউম্যান, ইনকর্পোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে। সি। লিক্লাইডার, জানুয়ারী ১৯৬০ এর জানুয়ারি মাসে ম্যান-কম্পিউটার সিম্বিয়াসিসের একটি বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক প্রস্তাব করেছিলেন:
যেমন [কম্পিউটারের] এর একটি নেটওয়ার্ক, ওয়াইড-ব্যান্ড যোগাযোগ লাইন তথ্য স্টোরেজ এবং আহরণ এবং [OTHER] মিথোজীবী ফাংশন অপেক্ষিত অগ্রগতি সঙ্গে একসঙ্গে অধুনাতন লাইব্রেরি ফাংশন [যা প্রদান করা] এর দ্বারা একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকবে ।

আগস্ট ১৯৬২ সালে লিক্লিদার এবং ওয়েলডেন ক্লার্ক পত্রিকা “অন-লাইন ম্যান-কম্পিউটার কমিউনিকেশন” প্রকাশ করেন যা একটি নেটওয়ার্ক ভবিষ্যতের প্রথম বিবরণ ছিল।অক্টোবর 1962 সালে লিকলিডার ম্যান্ডেট পরস্পর সম্পর্কিত বা সংযুক্ত শাইয়েন মাউন্টেন এ প্রতিরক্ষা প্রধান কম্পিউটারের ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট পেন্টাগন এবং এসএসি এইচকিউ সঙ্গে নবপ্রতিষ্ঠিত ইনফরমেশন প্রসেসিং প্রযুক্তি অফিস (IPTO) DARPA সংক্রান্ত মধ্যে পরিচালক হিসেবে জ্যাক Ruina দ্বারা ভাড়া করা হয়েছে।সেখানে তিনি কম্পিউটার গবেষণা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার DARPA সংক্রান্ত মধ্যে একটি অনানুষ্ঠানিক গ্রুপ গঠন করে।

নতুন প্রযুক্তি Augmented Reality (AR)

Now Reading
নতুন প্রযুক্তি Augmented Reality (AR)

Virtual Reality ( VR) এর পরের ধাপ হল Augmented Reality যাকে সংক্ষেপে AR বলা হয়। ১৯৯০ সালে শুরুর দিকে এর যাত্রা শুরু হয়। এটি VR এর থেকে বেশি উন্নত ও এর দামও বেশি এবং অনেক অনেক বেশি মজাদার। VR এ আমরা সম্পূর্ণ কাল্পনিক জগতে থাকি এবং AR এর মাধ্যমে আমরা

এই বাস্তব জগতে কাল্পনিক বস্তুকে আনতে পারি। আরো সহজে বলা যায়,বাস্তব জগতে থেকে নতুন কিছু তৈরি করার নাম AR অথবা কল্পনা এবং বাস্তবতা একত্রে মিলে যা সৃষ্টি হয় তাকেই Augmented Reality বলে। বর্তমানে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ‘নাসা’ তাদের বিভিন্ন কাজে এর ব্যাবহাব করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এডভান্স যুদ্ধ বিমানে এর ব্যাবহার রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানি এই প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা করছে। এছাড়া আইফোন ৮ এ এই প্রযুক্তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।*এখন উদাহরণে আসি, ধরুন আমি একটা টেবিল কিনব। কিন্তু আমি জানিনা আমার রুমে কোন ডিজাইন  ভালো লাগবে।

AR এর সাহায্যে আমি আমার ফোনের ক্যামেরায় বা নির্দিষ্ট চশমায় ঠিক একই মাপের একটি টেবিল দেখাবে। এতে আমি আমার রুমে কাল্পনিক ভাবে টেবিল বসিয়ে দেখতে পারি কোন ডিজাইন ভালো লাগবে।আবার আমি যদি কোন গেমস খেলি Augmented Reality এর মাধ্যমে আমি আমার প্রতিপক্ষের ফাইট করতে পারব। কিন্তু এই ফাইট হবে এই বাস্তব জগতে। হতে পারে আমার সামনের দেওয়াল ভাঙে এক যোদ্ধা আসল এবং যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। VR এর মত চোখ আটকে না অর্থাৎ বাস্তবতা দেখার সাথে নতুন কিছু উপভোগ করা। এখানে আমরা সব দেখতে পাই এবং আমাদের দেখার মধ্যেই চারপাশ থেকে ভার্চুয়াল ভাবে সব তৈরি হবে।এছাড়া আমরা সবাই pokemon go গেমস খেলেছি। এখানেও AR এর  ব্যাবহার হয়েছে। আমরা যখন পোকিমন ধরার জন্য ক্যামেরা অন করি তখন আমরা যেখানেই থাকি সেখানে পিকাচু চলে আসে। তখন আমরা ক্যামেরার ডিসপ্লে থেকে পোকিবল নিক্ষেপ করে পিকাচু কে ধরতে পারি।AR technology এর সাহায্যে কিছু মজার কাজ করা যায়। গুগোল,  লেনেভো ফোনের camera তে কিছু মজার ফিচার আ্যাড করেছে। যেমন ক্যামেরা অন করলাম এবং একটা গাছের চারা লাগালাম। এরপর পানি দিলাম। সূর্যের আলোতে চারা বড় হয়ে গাছে পরিনিত হল। অথাবা ডায়নাসর আমার সামনে এসে হাটছে অথবা বসে আছে ইত্যাদি।>কোন ডিভাইসের মাধ্যমে আমরা AR ব্যাবহার করতে পারব?
→google glass:-  গুগল চশমা হল চশমার মত চোখে পরে থাকার উপযোগী খুব  হাল্কা কম্পিউটার যা গুগল কোম্পানির একটি নতুন গবেষণা উদ্ভাবন। এটাতে AR এর প্রাথমিক সব ফিচার দেওয়া হয়েছে।

Microsoft hololens:- ‘Project Baraboo’ এর আওতায় এই প্রযুক্তি গবেষণা করা হয়। এটি সব থেকে বেশি জনপ্রিয় হয় উইন্ডোজ মিক্সড রিয়েলিটির মাধ্যমে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যাবহারের ফলে। এর মধ্যে অনেক বেশি এবং উন্নত সব ফিচার দেওয়া আছে যা গুগল গ্লাস এ নাই। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত নয় অর্থাৎ শুধু মাত্র ডেভেলপার বা ইঞ্জিনিয়ার অথবা টেক রিভিউয়ার যারা আগে অর্ডার দিয়েছে তারাই পাবে। এর মুল্য প্রায় ৩০০০$ যা অনেক বেশি।

sony smart eye glass:-  AR technology তে সনির বিশেষ ভুমিকা রয়েছে। মাইক্রোসফট হলোলেন্সের মত এটাও AR এর কিছু এডভান্স ফিচার রয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন প্রিমিয়াম স্মার্ট ফোনেও AR থাকে। যেমন সনির কিছু প্রিমিয়াম ফোনে ক্যামেরার সাথে AR অপশন থাকে যার মাধ্যমে ক্যামেরায় AR এর বিভিন্ন ইফেক্ট দেখতে পাওয়া যায়।*আমারা AR technology তে আর কী কী  যুক্ত করতে পারি? অর্থাৎ ভবিষ্যতে আর কি কি নতুন আসতে পারে বলে আমি মনে করি ?

→ AR technology এর অগ্রগতি দেখার মত। প্রথমে শুধুমাত্র গেমস থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে সকল স্তরে এর ভূমিকা দিন দিন বেড়েই চলছে। এখন আমরা একটু ভাবনার জগতে যাই।> কোনো জায়গা খুঁজতে এর ব্যাবহার হতে পারে। অর্থাৎ ক্যমোরা অন করার সাথে সাথে আমরা দেখতে পারব ভালো কাপড়ের দোকান কোথায় বা ভালো রেস্টুরেন্ট কোনটা।>বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন গবেষণাতে অনেক সাহায্য করতে পারে। অর্থাৎ কোন কিছু নিয়ে ভাবার সাথে সাথে  তা স্ক্রিনে দেখাতে পারবে। ফলে সেই গবেষণার ফল কেমন হবে তা সহজে জানা যাবে।>পুলিশ অন্যরুপধারি ক্রিমিনালকে AR এর মাধ্যমে আসল রুপে আনতে পারবে।> চশমাতে AR ব্যাবহার হলে আমরা আমাদের দৈনিক সকল কাজের কথা রিমাইন্ডারের মাধ্যমে মনে রাখতে পারব.

সব মানুষের নাম তাদের মাথার উপর লেখা দেখাবে ফলে নাম ভুললে খুব সহজে মনে।>দুরের জিনিস যতটুকু দেখতে ইচ্ছে করবে বড় করে দেখতে পারব। অর্থাৎ সংক্রিয় ভাবে বড় বা ছোট হবে।> একা একা থাকলে যার সাথে ইচ্ছা তার সাথে পাশাপাশি কথা বলতে পারব। বলতে পারেন ভিডিও কলের মাধ্যমেই।>আমরা অবহাওয়ার অবস্থা জানতে পারি।>যেকোনো অজানা কিছুকে ক্যামেরা বা বিশেষ চশমার সাহায্যে জানতে পারি।>চিকিৎসা ক্ষেত্রে এটির ব্যাবহার হতে পারে।>এর সবথেকে বড় কাজ হতে পারে কাজ বিল্ডিং বানাতে। বিল্ডিং বানানোর সময় ওয়ার্কারদের মথায় AR ডিভাইস থাকে যার ফলে তারা সহজে বুঝতে পারে কোথায় কতটুকু রড বা সিমেন্ট লাগবে। ইত্যাদি।

স্মার্টফোন বাজারে শাওমি মি-৬ এর হানা

Now Reading
স্মার্টফোন বাজারে শাওমি মি-৬ এর হানা

স্মার্ট ফোন নির্মাতা শাওমি, বরাবরেই তারা তাদের প্রোডাক্ট দিয়ে বাজারে আলোচনায় এসেছে। এবারো তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিছুদিন আগে শাওমি তাদের বহুল প্রতিক্ষিত ফোন এমআই৫ সকলের কাছেই খারাপ বা সমালোচিত ছিলো কারন ফোনটি ডিজাইন বা ফিচার এর কিছু সমস্যা ছিলো ।

সব বাধা দূরে রেখে এবার তারা এমআই৬ নিয়ে এসেছে । ফোনটি ডিজাইন থেকে শুরু করে সব কিছুই আগের এমআই৫ বা ৫এস এর তুলনায় অনেক ভালো ।
মি৫ এ আগের মতো ব্যাক পার্টের জন্য বিরক্ত হবেন না কারন এবারে মি৬ এ ব্যাক পার্ট টা প্রায় সামসাং এস৭ এর মতো ভালো মানের গ্লাস দিয়ে তৈরী । কিন্তু এ ফোনটি ওজন একটু বেশি আগের ফোন গুলোর থেকে,বেশ কিছু দিন ব্যবহার করলে সে সমস্যা মনে হবে না ।
এ ফোনটির মাধ্যমে শাওমি তাদের প্রথম ওয়াটার প্রফ ফোন আনলো তাদের এই ফোনটি বেশ ভালো ভাবেই ওয়াটার থেকে ফোনটি বাচাঁতে পারবে ।

চলুন এবার দেখা যায় এ ফোনটির ফিচার গুলোঃ

শাওমি মি৬ এ তারা ৫.৫ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে ব্যবহার করেছেন যার  রেজোলেশন ১০৮০*১৯২০ পিক্সেল ।

ডিসপ্লের সব কিছুই খুব ভালো যেমন কালার,কনটেস্ট সব কিছুই ছিলো একদম পারফেক্ট ।

মি৬ এর প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে QualComm SnapDragon 835

Octa Core(4*2.45 GHz Kryo & 4*1.9 kryo)

গ্রাফিক্স এর জন্য GPU ADRENO 540

৭.১ এন্ডোয়েড ভার্শন রয়েছে এ ফোন টি তে ।

এছাড়া ফোনটি তে ৬ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি বা ১২৮ জিবি রোম এর অপশন পাবেন কিন্তু এ ফোন এ কোনো এক্সা এসডি কার্ড লাগানোর জায়গা নেই ।

এছাড়া এ ফোনটি তে ফাস্ট ফিঙ্গার প্রিন্ট ব্যবহার করা হয়েছে যা অন্য সব ফিঙ্গার সেন্সর এর থেকে ভালো।

এ ফোন এর লাইড স্পিকার খুব ভালো মানের এখানে গান বা যেকোনো সাউন্ড কোয়ালিটি পারফেক্ট ।

এবার চলুন ক্যামেরা দিকে যাওয়া যাক

এ ফোন টিতে প্রাইমারি দুটি ক্যাম ব্যবহার হয়েছে

Primary :Dual 12 MP (27mm,f/1.8>52mm,f/2.6)

Secondary : 8MP ,1080P

 

এ ফোনটির ক্যামেরা মানসম্মত । আর এ ফোনটির লো লাইট এর ছবি অনেক ভালো ।

আর এ ক্যামেরার পোর্টেট মোড এর ছবি ব্যাকগ্রাইন্ড এ Blur মোটামুটি মানসম্পূর্ণ ।

আর ফোনটিতে ৩৩৫০এমএইচ নন রিমুভাল ব্যাটারি ব্যবহৃত হয়েছে । ফাস্ট চার্জার তো রয়েছেই।

কিন্তু সব ভালোর মধ্যে সমস্যা তো থাকবেই এ ফোনটির অন্যতম একটি সমস্যা হচ্ছে এ ফোন এ কোনো মাইক্রোফোন এর পোর্ট নেই।আইফোন এর মতো ।

মাইক্রোফোন ব্যবহারের জন্য মাইক্রোফোন এডোপ্টার লাগবে যা শাওমি ফোন এর সাথে দিয়ে দিবে ।

যাই হোক ফোনটি সব কিছু মিলিয়ে বেশ ভালো একটি ফোন।

এর বর্তমান বাজার মূল্য ৪০০০০-৪২০০০ টাকার মতো যদি কারো কিনার ইচ্ছা থাকে তাহলে কিছু দিন অপেক্ষা করুন দাম কমে যাবে ।

কিভাবে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াবেন দেখে নিন এক নজরে!!

Now Reading
কিভাবে ওয়াই-ফাইয়ের গতি বাড়াবেন দেখে নিন এক নজরে!!

১৷রাউটারের লোকেশন পরিবর্তন করেঃ

ওয়াই-ফাই সংযোগের গতি বাড়ানোর সহজ উপায় হল রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন বা অবস্থানের মাঝে সমন্বয় রক্ষা করা৷ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাউটার বাড়ির ভিতরে আসা ইন্টারনেট তারের খুব কাছাকাছি রাখা হয়৷ যা উচিত নয়৷ পাশাপাশি বেশিরভাগ রাউটারের অ্যান্টেনার অবস্থান ঠিক করে রাখা হয় না৷ ফলে অ্যান্টেনার থেকে সব দিকে সংকেত পাঠানো ও রিসিভ করা সম্ভব হয় না৷ তাই রাউটারকে এমন স্থানে রাখা উচিত যেখান থেকে রাউটার সবদিকে সংকেত পাঠাতে পারে বা সংকেত রিসিভ করতে পারে৷

 

২৷একটি ওয়্যারলেস রিপিটার যোগ করা:

রাউটারে নেটওয়ার্কের পরিসীমা বাড়াতে একটি ওয়্যারলেস রিপিটারের সাহায্য নিতে পারেন ব্যবহারকারী৷ এই রিপিটার রাউটার ও সংযুক্ত ডিভাইসের মধ্যে একটি সেতু হিসাবে কাজ করবে৷ বাজারে এমন অনেক ভালো ভালো রিপিটার পেয়ে যাবেন কম দামে৷

৩৷ওয়্যারলেস রাউটারের সামনে একটি উন্নত অ্যান্টেনা যোগ করা:

কখনও রাউটারের অবস্থান পরিবর্তন করে ইন্টারনেটের গতি উন্নত বাড়ানো সম্ভব হয় না৷ এই ক্ষেত্রে কর্মক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অ্যান্টেনা পরিবর্তন করা যেতে পারে৷ যদি একটি রাউটারের চারপাশে অনেক দেওয়াল বা অনেক বাধা থাকে তবে সেক্ষেত্রে একটি এক্সটারনাল অ্যান্টেনা রাউটারের সামনে বা সঠিকভাবে ব্যবহার করে রাউটারের কার্যক্ষমতা বাড়ানো যেতে পারে৷

৪৷ব্যাকগ্রাউন্ডের ডেটা ডাউনলোড বন্ধ করতে হবে:

একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের গতি অনেক সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা একাধিক কাজের জন্য স্লো হতে পারে৷ ব্যবহারকারী কম্পিউটার, ট্যাবলেট, বা ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে যদি একাধিক ট্যাব একসঙ্গে চলতে থাকে তবে ইন্টারনেটের গতি কমতে বাধ্য৷ তাই ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন বা ট্যাব বন্ধ করলে ইন্টারনেটের স্পিড বাড়বে৷

সপ্নের স্যাটেলাইট ও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি

Now Reading
সপ্নের স্যাটেলাইট ও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি

আমরা সকলেই জানি যে আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে আমাদের আরও একটি বিজয় হতে যাচ্ছে।
তা হলো মহাকাশ বিজয় অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট এর উৎক্ষেপন।
আমাদের মতো দেশের জন্য এটি একটি বিরাট পাওয়া।

আমরা সকলেই জানি যে স্যাটেলাইট হতে আমরা কয়েকটি সুবিধা পাবো।
যেমন,
১। দেশের অর্থ দেশেই থাকবে
.

২। আবহাওয়া এবং সামরিক ক্ষেত্রে উন্নতি হবে।
.
৩। স্যাটেলাইটে ভাড়া দিয়ে উপার্জন হবে।
.
৪। আরব-কাজাখ থেকে ইন্দোনেশিয়া-মালয়েশিয়া-ফিলিপাইন পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এর রেঞ্জ। ভাড়া দেয়া যাবে এসব দেশকেও।
.
৫। নতুন করে ১০০ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।
.
৫। মাত্র ৬-৭ বছরের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু
স্যাটেলাইট লাভজনক প্রকল্পে পরিণত হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো আমরা কি এর ঝুকি টা ভেবে দেখেছি?

চলুন না ঝুকি গুলো একটু দেখে নেয়া যাক।

১। পৃথিবীর যত দেশই স্যাটেলাইট উড়িয়েছে তারা প্রত্যেকেই ইনিশিয়াল স্যাটেলাইট নিজের অক্ষরেখায় উড়িয়েছে। বাংলাদেশ অবস্থান করছে ৮৬-৯১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখায়। সে হিসেবে বাংলাদেশ এ অবস্থানেই স্যাটেলাইট পাওয়ার কথা। কিন্তু ৮৮-৯১ এ রাশিয়ার দুটি সহ মোট চারটি স্যাটেলাইট
রয়েছে। তাই এখানে স্থান পাওয়া সম্ভব না। কিন্তু ৮৬-৮৮ ডিগ্রি খালি থাকার পরও
মহাকাশ সংস্থা আইটিইউ বাংলাদেশকে স্লট দেয় নি। বাংলাদেশ চেষ্টা করে ১০২ ডিগ্রিতে। সেখানে রাশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া আপত্তি জানায়। বাংলাদেশ চেষ্টা করে ৬৯ ডিগ্রিতে। সেখানে একই আপত্তি করে চীন,
সিঙ্গাপুর,মালেশিয়া সহ আরো কয়েকটি দেশ।অবশেষে বাংলাদেশ স্থান পায়  ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখায়।
প্রশ্ন হচ্ছে ৯০ ডিগ্রির বাংলাদেশকে ১১৯.১
ডিগ্রির স্যাটেলাইট কতটা নিখুঁতভাবে
কাভার করবে?

২। বাংলাদেশের বিভিন্ন চ্যানেল বা
বেসরকারি কোম্পানী কি বলা মাত্রই
নিজের স্যাটেলাইট থেকে সেবা গ্রহণ
করবে?
সেবার মান বিদেশী স্যাটেলাইট থেকে
উন্নত হবে এই নিশ্চয়তা কে দেবে?

৩। আমরা বিদেশে সেবা দিয়ে ৫০ মিলিয়ন
ডলার আয়ের স্বপ্ন দেখছি। কিনবে কারা?
ভুটান, নেপাল, মায়ানমার, আরব কিংবা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। আমরা নিজেরা এখনো সম্পূর্ণ রূপে ভারত নির্ভর। সে জায়গায় ভারত বা চীন বাদ দিয়ে নেপাল,ভুটান আমাদের কাছে থেকে সেবা নেবে এটার নিশ্চয়তা কি?

আর যদি কেউ কিনতেই যায়, ভারত চীন
তাদের ব্যবসার লসকে নিশ্চয়ই নীরবে মেনে নেবে না।

৪। বলা হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অগ্রীম
১৬৫২ কোটি টাকা দেবে। প্রশ্ন হচ্ছে তারা
কি দিতে বাধ্য?
১৫% সাফল্যের সম্ভাবনার একটা প্রজেক্টে
অগ্রীম টাকা দেয়ার কোন যৌক্তিকথা
আছে?
সেবা নেয়ার আগেই কোন বেসরকারি
প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নেয়ার রেওয়াজ
বিরল। আর বাংলাদেশের মতো দেশে কে এত টাকা দেয়ার রিস্ক কে নেবে?

৫।বাংলাদেশ একটি বিশাল ঋন এর মধ্যে পড়ে যাবে।

৬।মহাকাশে পাঠানো স্যাটেলাইট এর মধ্যে ৪২% স্যাটেলাইট ই নিজস্ব কক্ষপথে যেতে ব্যার্থ হয়েছে। কক্ষপথে যেয়ে ঠিকঠাক মতো কাজ করেছে মাত্র ১৫% স্যাটেলাইট। আমরা কি সেই ১৫% এর মধ্যে একজন হতে পারবো?

৭। আবার বাংলাদেশ সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশী জানি।  আমরা জানি এই দেশে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার আসবে।
স্যাটেলাইটটি বঙ্গবন্ধুর নামে উৎক্ষেপন করা হচ্ছে। প্রশ্ন হলো সরকার এর বদল ঘটলে আবারো হাজার কোটি টাকা দিয়ে এই নাম পরিবর্তন করা হবে না তার কি নিশ্চয়তা আছে।

৮। একটা স্যাটেলাইট ভাঙতে পারে, কক্ষচ্যুত
হতে পারে। সেটাকে আবারো রিকোভার করার ক্ষমতা কি বাংলাদেশের আছে?

৯। ২০ টি দেশ আমাদের কাজে সায় দেয় নি। আমারা জানি যে  স্যাটেলাইট যুদ্ধও বিরল ঘটনা নয়। ২০০৭ এ চীন আমেরিকার একটি স্যাটেলাইট
নামিয়ে দেয়, আমেরিকা পরের বছরেই
চীনের একটি নামায়। সম্ভাবনা অতি অল্প হলেও ভারত-চীন নিজের স্বার্থে আমাদের স্যাটেলাইট নামাবে না এটা কে বলতে পারে?

১০। কাজ দেয়া হয়েছে বিদেশী
কোম্পানীকে। বিদেশী কোম্পানী কর্তৃক
দেশের সম্পদ লুট বা নষ্টের ইতিহাস অনেক।

১১। সর্বশেষ খুব সহজ স্বাভাবিক প্রশ্ন, নিজেরা স্যাটেলাইট তুললে যদি এতই সুবিধা তবে কেন মাত্র ৪০ টি ( বা ৫৮) দেশ স্যাটেলাইট তুলল?

ইউরোপের সবকটা দেশ বা উত্তর-দক্ষিণ
আমেরিকার সবকটা দেশ কেন তুলল না?
তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা নিশ্চয়ই
বাংলাদেশের চেয়ে ভালো।

অর্থাৎ প্রশ্ন কিন্তু এখনো থেকেই যাচ্ছে।

তবে এতো সব ঝুকি থাকা সত্ত্বেও স্যাটেলাইটটি আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে এই আশাই করি।

বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন

Now Reading
বাংলাদেশে প্রযুক্তির উন্নয়ন

সভ্যতার শুরু থেকেই জ্ঞান, প্রযুক্তি ও বানিজ্যের মাধ্যমে মানুষ তাদের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য সর্বদা সংগ্রাম করেছে। কিছু সভ্যতা, সমাজ বা জাতি প্রধানত নতুন প্রযুক্তির উন্নয়ন বা বিদ্যমান ব্যক্তিদের উন্নতি, তাদের জ্ঞান ও বাণিজ্য প্রসারিত করে এবং অন্যদের তুলনায় দক্ষ। তারা তাদের লক্ষ্য এবং আকাঙ্খার পৌঁছানোর মধ্যে উদ্ভাবনী, কঠোর পরিশ্রমী এবং নিয়মানুবর্তিত হয়েছে।

নওলোলিথিক বিপ্লব, মেসোপটেমিয়া, মিশরীয়, সিন্ধু, প্রাচীন অতীত বা রোমীয় চীনা সংস্কৃতি, গ্রীক, ইসলামিক অগ্রগতি বা ইউরোপ / আমেরিকার শিল্প / বৈজ্ঞানিক বিপ্লব বা পূর্ব-পূর্বের সাম্প্রতিক শিল্পিক অলৌকিক ঘটনাগুলি জাপান, কোরিয়া, চীন ও ভারত – সব একটি সাধারণ থ্রেড আছে যেমন তারা সব নতুন প্রযুক্তি বিকশিত হয়েছে। তারা বিভিন্ন প্রযুক্তির নেতৃত্বে এবং আমাদের কল্পনা এক্সপ্লোর পরিচালনা প্রযুক্তির সীসা এবং বিকাশ অবিরত।

এই প্রবন্ধে আমি প্রযুক্তি উন্নয়নের মূল উপাদানগুলির কিছু স্পর্শ করব এবং বাংলাদেশে তাদের বাস্তবায়নের কাঠামো, শর্তাবলী এবং সম্ভাবনার অনুসন্ধান করব।

প্রযুক্তি কি?

সাধারনভাবে বলতে গেলে প্রযুক্তিটি “জানেন কি” বা “সরঞ্জাম এবং কৌশল” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় প্রকৃতপক্ষে, প্রযুক্তিটি জুড়ে দেয়: “জানো কীভাবে”, “জানো কি”, “জানো-কোথায়” এবং “জানো-কখন”। প্রযুক্তির জটিলতার উপর বা প্রযুক্তি উন্নয়নের কোন পর্যায়ে কী শুরু হয়, যেমন: উপাদান, মানুষ এবং মেশিন। পণ্য জীবনচক্র, বুদ্ধিবৃত্তিক অধিকার, বাজারজাতকরণ এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা।

প্রযুক্তি উন্নয়ন একটি ‘ভিন্ন বা নতুন’ তৈরির কল্পনার সাথে একটি নিয়মানুগ এবং নিয়মানুবর্তিত পদ্ধতি যা একটি বিদ্যমান পদ্ধতি, পণ্য বা অ্যাপ্লিকেশানকে বিদ্যমান বা উন্নত করে, যা অবশেষে ব্যবহারকারীর জীবনকে আরও ভাল, সহজতর বা তার চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে ।

আমরা প্রায়ই মনে করি প্রযুক্তি উন্নয়ন কিছু মৌলিক বা সম্পূর্ণ নতুন কিছু হতে হবে। মৌলিক নতুন প্রযুক্তিগুলি কয়েকটি এবং দূরবর্তী-মধ্যবর্তী। বেশিরভাগ প্রযুক্তি উন্নয়ন মৌলিক বা ইতিমধ্যে বিদ্যমান প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন এবং অ্যাপ্লিকেশন। একটি ভাল উদাহরণ লেজার হয়। লেজার প্রযুক্তি উন্নয়ন মৌলিক এবং সর্বপ্রথম ১৯০০  সালে ম্যাক্স প্ল্যাংক দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়, আইনস্টাইন দ্বারা অনুমিত, যিনি ১৯৭১ সালে একটি প্রক্রিয়া প্রস্তাব করেন। এর পরে অনেক কাজ সম্পন্ন হয় এবং অনেকগুলি লেজারের আবির্ভাব ঘটেছে, এর মধ্যে: শিল্প, চিকিৎসা, সামরিক, যোগাযোগ, মুদ্রণ, আইন প্রয়োগকারী, বিনোদন, প্রসাধনী ইত্যাদি এবং এখনও গণনা করা। প্রযুক্তি উন্নয়নের একটি সহজ উদাহরণ একটি আলু-পিলার (potato-peeler) বা ক্যান-ওপেনার বা সৌরশক্তিচালিত সেল-ফোন চার্জার হবে।

১৯৪৮ সালের আগে বাংলাদেশ মসলিন, সিল্ক, পাট এবং চা ইত্যাদির মতো কিছু টেকনোলজি / শিল্প ছিল। ১৯৪৮-২৭ সালে শিল্প-ভিত্তিক দেশটি শুরু করার জন্য কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠিত হয়, কিন্তু অন্যান্য দেশের তুলনায় এটি কোনও মাপকাঠি প্রভাব সৃষ্টি করেনি। ১৯৭২ সাল থেকে বেসরকারি উদ্যোগগুলি আমাদের বর্তমান শিল্প-ভিত্তিক কিছু মূলধারার পথ তৈরি করেছে, যা মূলতঃ কৃষি, মৎস্য / হাঁস, বস্ত্র, ফার্মাসিউটিক্যালস, নির্মাণ ইত্যাদি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই শিল্প জ্ঞান অর্জন করেছে এবং অন্য কোথাও উপলব্ধ প্রযুক্তির প্রয়োগ করেছে। কিছু ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং রপ্তানি পূরণ করেছে।

সৃষ্টিশীলতা একটি সংস্কৃতি তৈরি করা হচ্ছে :

একটি সংস্কৃতি এবং পরিবেশ তৈরি হয় শুধুমাত্র একটি সমাজের জন্য উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন। এটি একটি অনন্য ধারণা এবং উদ্যোক্তা দক্ষতা যেমন অ্যাডিসন, সিমেন্স, মাইক্রোসফট, অ্যাপল ইত্যাদি । সাধারণত, এই ধরনের ধারণা এবং প্রাথমিক প্রযুক্তির একটি ‘বরফ-বল (snow-ball) ‘ প্রভাব রয়েছে এবং নতুন উদ্যোগের উদ্রেককারী শিল্প জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রকৃতপক্ষে, সমাজের ধারণাগুলি বজায় রাখার এবং জনসংখ্যার ক্ষমতায়ন করার একটি অবস্থানে থাকতে হবে।

প্রাথমিকভাবে প্রথম ১০ বছরে, একটি শিশু তার উদ্বেগ, সাহস, শৃঙ্খলা এবং তার চিন্তাধারা বাস্তবায়নের জন্য সুসঙ্গত দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশ করে। এই সময় যখন শিশু শিখেছে: “হ্যাঁ, আমি এটা করতে পারি!” উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা বজায় রাখতে (প্রত্যেক মানুষের মধ্যে কিছু অনন্য এবং উদ্ভাবনী অবদান রয়েছে), পরিবার / সমাজ / শিক্ষা ব্যবস্থার এই দিকটি উন্নীত করা প্রয়োজন। তিনি বয়ঃসন্ধিকালে পরিণত হয়েছেন, ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সমাজকে সচেতন হতে হবে, প্রতিভা চিনতে হবে এবং তার স্বপ্ন, ধারণা বা অনন্য চিন্তা বজায় রাখতে সহায়তা করব। উদাহরণস্বরূপ এবং অনুশীলন দ্বারা এটি সবচেয়ে ভাল উপায়: ‘হ্যাঁ, আপনি এটা করতে পারেন! আসুন দেখি কিভাবে আমরা এগুলি প্রয়োগ করতে পারি। ‘ এবং কথোপকথন থেকে ‘নেতিবাচকতা’ গ্রহণ বা কিশোর দিকে ধাক্কা, খাবে এবং যেখানে সে আরামদায়ক বোধ করবে না।

উদ্ভাবনী চিন্তা কেবল অভিজ্ঞ / বয়স্ক ব্যক্তির নয়। না, এটি জনসংখ্যার কোন শ্রেণীভুক্ত। বিপরীতভাবে, বিশ্বের বেশিরভাগ উদ্ভাবনী চিন্তাশীল / উদ্যোক্তা দক্ষতা ৪০ বছর বয়সের কম বয়সী তরুণদের কাছ থেকে এসেছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত উত্স ও সামাজিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে জনসংখ্যার বিস্তৃতি থেকে এসেছে। উদ্ভাবন জীবনের কোন দিককে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে: বিজ্ঞান, প্রকৌশল, অর্থনীতি, রাজনীতি, সাহিত্য অথবা কেবলমাত্র দৈনন্দিন জীবনের কোনও দিক উন্নত করতে বা আমাদের যে কোনও সমস্যার সমাধান করতে।

বাংলাদেশে প্রত্যেক পরিবারকে তাদের সন্তানদেরকে বিশ্বাসের সাথে ক্ষমতায়ন করার জন্য সরঞ্জাম ও শিক্ষা থাকতে হবে যাতে তারা যা স্বপ্ন দেখে তা বুঝতে পারে, যা তারা অর্জন করতে চায় এবং সমর্থন করতে পারে। শিক্ষার্থীদের আদর্শ-শিক্ষণ প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসাবে সৃজনশীলতা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরঞ্জামগুলি থাকা দরকার, যাতে শিক্ষার্থীরা ‘সমাজের সৃজনশীল ভবিষ্যতের’ মধ্যে উন্নীত হতে পারে। সুবিধাবাদী হিসাবে থাকতে হবে এবং একটি সংগঠন গড়ে তোলার জন্য সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে যেখানে প্রতিটি সংগঠন, তাদের বয়স বা পটভূমির নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিক তাদের সৃজনশীলতা বাড়াতে পারে যা দৈনন্দিন জীবনের, কর্মক্ষেত্রে, ব্যবসায়ে বা সমাজে অগ্রসর হয়। সৃজনশীলতা এবং স্বপ্ন কখনোই সীমাবদ্ধ হবে না।

প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিবেশ তৈরি:

উদ্ভাবন একটি সংস্কৃতি তৈরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রকৃতির সৃজনশীল হতে ব্যক্তি সাহায্য করে এবং সমাজের অনন্য ধারনা জন্য একটি বৃহত্তর ভিত্তি প্রদান করে। কিন্তু প্রযুক্তির বিকাশের জন্য পরিবেশ তৈরি করতে তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, উপকরণ, মেশিন, প্রক্রিয়াকরণ পরামিতি, অপারেটরদের দক্ষতা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, বাজার ও পণ্য জীবনচক্র, আইন ও বুদ্ধিবৃত্তিক অধিকার, প্রতিযোগিতার আওতায় বিশেষ প্রযুক্তি সংক্রান্ত জ্ঞান এবং নির্দিষ্ট শেখার প্রয়োজন। একটি সাধারণ ‘প্রযুক্তিবিদ ‘উপরের বেশিরভাগের জ্ঞান অর্জন করে এবং প্রযুক্তির প্রভাব, কারণ ও প্রভাবকে বোঝায়।

সাধারণত একটি জটিল প্রযুক্তির বিকাশের জন্য, মৌলিক গবেষণা, শিল্প গবেষণা, উন্নয়ন এবং প্রকৌশল প্রয়োগ করা প্রয়োজন। তারা বিভিন্ন এবং পৃথক সুবিধার মধ্যে রাখা হয়। এটি একটি একক ব্যক্তি বাড়িতে বা একটি গ্যারেজ মধ্যে সম্পন্ন করা যেতে পারে প্রথম যেমন অ্যাডিসন বা অ্যাপল এর স্টিভ জবস। প্রযুক্তির উন্নয়নে বিভিন্ন সুবিধার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হয় কিনা বা প্রথমে বাড়িতে সম্পন্ন করা হয় কিনা তা মূলত ‘ধারণা’, ‘সংকল্প’ এবং ‘শৃঙ্খলা’ হয় যতক্ষণ না এটি সম্পন্ন, বাস্তবায়িত এবং গুণিত হয়।

বৃহত্তর প্রযুক্তি উন্নয়ন ‘শ্রেষ্ঠত্ব কেন্দ্র’ জন্য মৌলিক ও ফলিত গবেষণা জন্য উৎস। এই কেন্দ্রগুলি বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বা বিষয়বস্তুর অনেক মৌলিক দিকগুলি আবিষ্কার করে, বিশেষ করে শিল্প ও বাস্তব অ্যাপ্লিকেশানে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই কেন্দ্রগুলো প্রায়ই বিশ্ববিদ্যালয় বা জাতীয় ল্যাবরেটরিগুলিতে থাকে, যেখানে ‘বিশেষজ্ঞদের’ মৌলিক দিকগুলির গবেষণা এবং সমাধান করার জন্য কাজ করে। প্রতিযোগিতার, পরিপূরক এবং ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য দুই বা ততোধিক ধরনের সুযোগসুবিধা লাভ করা উচিৎ।

শিল্পকৌশল গবেষণা অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের দ্বারা একটি শিল্প পরিবেশে সম্পন্ন করা হয় যারা প্রোটো-প্রকারগুলি (ডিজাইন, ফর্ম-ফিট-ফাংশন, সম্ভাব্যতার ইত্যাদি) এবং বৃহদাকার অপারেশন (উৎপাদন,প্রক্রিয়া, খরচ মানসম্পন্ন, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা ইত্যাদি) আগে প্রমিত উৎপাদন এবং / এবং বিপণন।

বাংলাদেশ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণামূলক সুযোগসুবিধা, পাশাপাশি কিছু শিল্পের ভিত্তিও রয়েছে। ‘প্রযুক্তি উন্নয়নের’ উৎপাদনের জন্য, এটি সর্বোপরি যে ‘সুযোগের কেন্দ্র’ এই সুযোগসুবিধার মধ্যে তৈরি করা হয়, জ্ঞান ভিত্তিক ও দক্ষতার সাথে শুরু হয় যা বর্তমানে পাওয়া যায় এবং তারপর এইসব সুযোগসুবিধাগুলি যেহেতু তারা ‘বিশ্ব-শ্রেণি’ হয়ে ওঠে তা রূপান্তর করে। এই কেন্দ্রগুলিকে শিল্পের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে, যার ফলে শিল্পগুলির ‘বুদ্ধিবৃত্তিক অধিকার’, নির্দিষ্ট কারণ / কারণগুলি সমর্থন করার জন্য উৎপাদনের অধিকার /

প্রযুক্তি, বানিজ্যিক ও বানিজ্য :

সাধারণত প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নতুন পণ্য, প্রক্রিয়া, পণ্য ও পরিষেবা বাড়ে, যা পরিবর্তে উদ্যোক্তা ও বাণিজ্য উন্নীত কী হবে।সরকার এই অত্যাবশ্যক প্রয়োজনীয়তা প্রদানের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে: স্থিতিশীলতা, নিয়ম ও বিধিনিষেধ, অভ্যন্তর-গঠন (যোগাযোগ, ইউটিলিটি, ইন্টারনেট ইত্যাদি)। তাদের কাজটি সহজতর হিসাবে সম্পাদিত এবং উদ্ভাবন, প্রযুক্তির উন্নয়ন, উদ্যোক্তা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা। বৃহত্তর মাপের ‘শ্রেষ্ঠত্বের কেন্দ্র’ তৈরিতে সরকারের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে কিছু শিল্পের ব্যতিক্রম ছাড়া বাংলাদেশের প্রধানত একটি ট্রেডিং সোসাইটি রয়েছে। উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং ‘বৃহত্তর মানুষ’ আধুনিক সরঞ্জাম বা নতুনত্ব এবং প্রযুক্তি উন্নয়ন জন্য অত্যাবশ্যক প্রয়োজনীয়তা ও অ্যাক্সেস প্রয়োজন। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপকে জোর দেওয়া ও উন্নীত করা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি বাণিজ্য জাতির একটি প্রযুক্তিগত ভিত্তিক জাতির মধ্যে রূপান্তরিত করা ভাল ও দীর্ঘস্থায়ী প্রযুক্তিগত নেতৃত্বের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

টেকনোলজিস বাংলাদেশ ;

কোন সন্দেহ নেই যে উদ্ভাবকেরা তাদের স্বপ্নগুলোকে অনুসরণ করছে। সমগ্র জাতিকে উদ্ভাবক ও নতুনত্বকে সমর্থন করার জন্য প্রয়োজন, যাতে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও পরিষেবাগুলি দ্রুত হারে বিকশিত হতে পারে।

– বর্তমান শিল্পগুলিকে নিজস্ব প্রোডাক্ট, প্রসেস এবং সেবাগুলির মধ্যে উদ্ভাবনের জন্য তাদের নিজস্ব প্রজেক্টে উচ্চ মানের ‘রিসার্চ, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ সুবিধা স্থাপন করতে হবে। তারা তাদের ক্ষেত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট ‘এক্সেলেন্সেস সেন্টার’ গড়ে তোলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এবং গবেষণার সুবিধার সাথে ক্রমাগতভাবে কাজ করার প্রয়োজনও নয় বরং এইসব সুযোগসুবিধাগুলিকে ‘বিশ্ব শ্রেণী’ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন। পরিবর্তে রিসার্চ সুবিধাগুলির দ্বারা প্রচুর পরিমাণে ফলন / কৃতিত্বের সাথে পাইপ লাইন পূরণ করতে হবে যা শিল্প দ্বারা ব্যবহার করা যেতে পারে। এই সুস্থ ‘ধাক্কা এবং টান’ অনেক প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত উন্নয়নে বাংলাদেশ প্রদান করবে। তাদের মূল-দক্ষতা / প্রযুক্তি সনাক্ত এবং নতুন পণ্য প্রযোজ্য প্রয়োজন। একটি নির্দিষ্ট প্রযুক্তি এবং অঞ্চলের / বিশ্বের মধ্যে একটি নেতৃস্থানীয় স্বীকৃতি অর্জন করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী ভিউ প্রয়োজন

– প্রযুক্তি অভিবাসনের গবেষণাটি দেখিয়েছে যে পণ্য ও পরিষেবাটি প্রযুক্তি নেতা এবং সর্বোত্তম ‘ওভার-সব খরচ’ (দক্ষতা, শ্রম, গুণমান, স্থায়িত্ব ইত্যাদি) অনুসরণ করে। হিসাবে জাতি বা পণ্য ‘উন্নত অবস্থা’ ‘উন্নত অবস্থা’ অতিক্রম, তারা সাধারণত ব্যয়বহুল বা / এবং প্রযুক্তির অগ্রবর্তী মধ্যে থাকা ব্যর্থ। এই ঘটনাটি বাংলাদেশকে পণ্য ও সেবার সন্ধান করার সুযোগ প্রদান করে, যা অন্য দেশে প্রযুক্তিভিত্তিক আউট-ডেট এবং ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (পোশাক, জুতা, সাধারণভাবে উত্পাদন), জার্মানি (জাহাজ নির্মাণ, ক্যামেরা ইত্যাদি), জাপান (ইলেকট্রনিক্স, কার ইত্যাদি) এ দেখা গেছে। কোরিয়া, চীন, ভারত, মালয়েশিয়ার, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড এবং অন্য কোথাও প্রযুক্তিগতভাবে পুরানো এবং ব্যয়বহুল হবে পণ্য ও সেবার জন্য ‘শিল্পের শিল্প’ প্রযুক্তি প্রস্তুত, বাস্তবায়ন, বিকাশ বা অর্জন করা প্রয়োজন।

– ছাত্রছাত্রীদের একত্রিত করে ইনস্টিটিউটের পরিবর্তে দূরবর্তী স্থান থেকে শিক্ষার্থী / শিক্ষার্থীদের জ্ঞানকে দূরবর্তী শিক্ষা লাভ করতে পারে। লক্ষ্য হলো মানুষকে এমন স্থান যেখানে লোকেদের কাছে জ্ঞান পাওয়া যায় এমন জায়গায় লোকেদের কাছে দূর্লভ জায়গা থেকে জ্ঞান আনতে হয় যেমন ভাল সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলিতে। বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এবং তার গ্রাম / শহর অত্যন্ত যোগ্য শিক্ষকদের আকৃষ্ট করার অবস্থানে নেই, দূরবর্তী শিক্ষার জন্য আদর্শ। এটি কেবল জনসংখ্যার 95% নবায়ন করতে সক্ষম হবে না, বরং শিক্ষার অগ্রগতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং জ্ঞানকে ছড়িয়ে দিবে, যার ফলে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্যোক্তাগুলিতে লাফ দিবে।

– দৈনিক জীবন চ্যালেঞ্জ: রান্নাঘর, ক্ষেত্রের বা কর্মক্ষেত্রে, উদ্ভাবনের জন্য অনেকগুলি উৎসের উৎস প্রদান করতে পারে। এটা অত্যাবশ্যক যে ব্যবহারকারীদের সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য গৃহীত হয়, নতুন পণ্য এবং প্রযুক্তি উন্নয়নশীল করে জীবনকে সহজ এবং দক্ষ করে তুলতে বর্তমানে উর্বর দেশগুলিতে তৈরি করা বেশিরভাগ পণ্য, পাশাপাশি, অন্যান্য দেশে এবং সারা পৃথিবীতে বিক্রি করা হয় সস্তা কিন্তু ‘ফর্ম, মাপসই এবং ফাংশন’ বা গুণগতভাবে পর্যাপ্ত নয়। বাংলাদেশে এর উদ্যোক্তাদের কেউ কেউ এর সমস্যা হতে পারে।

হ্যাকারদের প্রধান অস্ত্র! (Kali Linux)

Now Reading
হ্যাকারদের প্রধান অস্ত্র! (Kali Linux)

  1. যারা কম্পিউটারে ব্যাবহার করে থেকে তারা হয়ত বা Kali Linux সম্পর্কে শুনে থাকবেন। বেশিরভাগ মানুষ যারা এ সম্পর্কে শুনেছেন তারা ভাবে এটি একটি হ্যাকিং টুল যা ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কারো ইনফরমেশন হ্যাক করতে ব্যাবহার করে। আসলে এটি কোনো খারাপ টুল না বরং এটি উইন্ডোজ xp বা 7 বা 8 অথবা 10 এর মত এক প্রকার অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারে ব্যাবহার হয়ে থাকে। মাটি আহার্নি,ডেভান কেয়ার্ন্স এবং রাফায়েল হার্টজগ ছিলেন এর প্রধান ডেভেলপার। এটি পরিচালনা ও অর্থদান করে “অফেন্সিভ সিকিউরিটি লিমিটেড।” এটি কম্পিউটারের পাশাপাশি এন্ড্রয়েডে ব্যাবহার করা যায়। লিনাক্স নেটহান্টার সাহায্যে কালি লিনাক্স কিছু এনড্রয়েড ডিভাইসেও চালানো যায়। কালি ব্যাবহারকারীদের কমিউনিটি ও অফেন্সিভ সিকিউরিটি সিস্টেমের যৌথ উদ্যোগে নেটহান্টার তৈরি হয়েছে।

কালি লিনাক্স শুধুমাত্র হ্যাকারদের জন্যই তৈরি কারন এখানে কিছু বিশেষ টুল’স রয়েছে যার সাহায্যে তারা কোডিং অর্থাৎ কমানন্ডের সাহায্যে কোনো ওয়েবসাইটের দূর্বল দিকগুলো বের করতে পারে যেখান থেকে তাদের (ওয়েবসাইটকে) হ্যাক করা যেতে পারে । এর একটি ভালো ব্যাবহার আছে আর এক খারাপ ব্যাবহার আছে। ভালো ব্যাবহার হল আপনি আপনার ওয়েবসাইটে বা অন্যের ওয়েবসাইটের দূর্বল দিকগুলো ধরে তাদেরকে  বলতে পারেন যে এখান থেকে তারা হ্যাক হতে পারে। আর খারাপ ব্যাবহার আপনি অন্যের ওয়েবসাইট হ্যাক করতে পারেন এবং তাদের ইনফরমেশন লিক করতে পারেন ইত্যাদি।
নরমাল উইন্ডোজে কিছু সিম্পল টুল’স থাকে যেমন  পেইন্ট, ক্যাললকুলেটর বা ওয়ার্ডপ্যাড ইত্যাদি। এই সকল টুল’স থাকার কারন আমরা উইন্ডোজ ঘরে বা অফিসে সাধারন কাজে ব্যাবহার করি। কিন্তু kail linux এ কি কি থাকে? কিসের মাধ্যমে হ্যাক করা যায়? এখানে অবশ্যই কিছু বিশেষ সফটওয়্যার থাকে। এখানে তো আর নোটপ্যাড থাকবে না কারন হ্যকাদের নোটপ্যাড লাগে না, তারা কমান্ডিং এর মাধ্যমে তাদের কাজ করে থাকে। এখানে বিভিন্ন হ্যাকিং টুল, ব্রুইফোর্স আ্যাটাক করা যায় অথবা কারোর পাসওয়ার্ড  দিয়ে কিছু করা ইত্যাদি টুল ‘স থাকে। এ সম্পর্কে কেউ বেশি কিছু বলে না কারন এর ফলে বিভিন্ন ক্রাইম হতে পারে।

কোন হ্যাকার যেন বেশি কষ্ট না করতে হয় তার জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় টুল’স এখানে বিল্ড ইন থাকে। kali Linux ইন্সটল করার পর এডভান্স হ্যাকিং শুরু করা যায়। অবশ্য উইন্ডোজেও হ্যাকিং করা যায় কিন্তু সেখানে বেশ কষ্ট হয়ে পরবে। উইন্ডোজে হ্যাকিং করতে হলে নিজে থেকে সফটওয়্যার বানিয়ে হ্যাক করতে হয়। অপরদিকে Kali Linux এ এসকল আপ্লিকেশন আগে থেকে থাকে যা ইথিকাল হ্যাকার কমিউনিটি বা লিনাক্স থেকে তৈরি। আরো যারা এডভান্সড তারা তাদের কাজের জন্য আরো কিছু সফটওয়্যার ব্যাববহার করে থাকে।
Kali Linux অপারেটিং সিস্টেম আপনি ফ্রি ডাউনলোড করতে পারবেন। অবশ্যই লাপটপ বা কম্পিউটার  ব্যবহার করা হয়।

আমরা শুনি থাকি kali Linux এটা,সেটা আরো কত কি। মূলত এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম যা শুধু মাত্র হ্যাকারা ব্যবহার করে থাকে।

>এখন আসি Kali Linux এ কী কী সফটওয়্যার দেখতে পাই এবং এর কাজগুলো কী?

>আর এডভান্স হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এরা কেমন ভূমিকা রাখে?

*আমরা আপ্লিকেশনসে (মেনু) ক্লিক করলে দেখতে পারব। আমরা যে সকল আপ্লিকেশন দেখতে পারব তা কোনো গ্রাফিকাল আ্যাপ না। কালি লিনাক্সের প্রায় সকল আ্যাপ-ই কমান্ড ফ্রম সিস্টেমেই দেখা যায়। এখানে বেশি ছবি দেখতে পারব না। সব কিছু কমান্ড ল্যাংগুয়েজে দেখতে পারব।

১.information gathering- এই ক্যাটাগরির কিছু আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট বা সারবারের ইনফরমেশন জানতে পারব।

2.Vulnerabilities analysis- এই ক্যাটাগরির ৮ টি আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট বা সারবারের দূর্বল দিক বের করা যায়।

৩.web application analysis- এই ক্যাটাগরির ৯ টি আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো web application এর সিকিউরিটির বিশ্লেষণ করা যায়। যেমন ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা ইত্যাদি।

৪.detabase assessment- এই ক্যাটাগরির ১০ টি আ্যাপ আছে। এর সাহায্যে যেকোনো ওয়েবসাইট বা সারবারের ডেটা বেস রিলেটেড কাজ করে থাকে। স্ক্যান বা ইনফরমেশন নেওয়া যায়

৫.password attack – নাম দেখে সবাই হয়ত বুঝেই গিয়েছেন এটার কি কাজ। এটা অবশ্যই illegal আ্যাপ। আমি শুধু মাত্র আপনাদের শেখার জন্য জানাচ্ছি। এই আ্যাপের সাহায্যে অন্যের পাসওয়ার্ডের উপর আ্যাটাক করা যায়।

৬.wireless attack -একি ওয়াই ফাই এ সংযুক্ত থাকলে আ্যাটাক।

৭.reverse engineering – এক অপারেশন করার মধ্য অন্য দিক কি রি-আ্যাকশন হয় তা দেখা। এটি এডভান্স ফিচার।

৮.sniffing &spoofing – বিভিন্নভাবে ধোকা দেওয়ার সিস্টেম।

৯.forensic – এটার মাধ্যমে কারো কম্পিউটারের উপর নজর রাখা যায়। এটা শুধুমাত্র হাই লেভেলের হ্যাকাররাই পারে।
*এছাড়া আরো কিছু টুল’স থাকে।

বি:দ্র: আমি শুধু মাত্র শেখার জন্য লেখেছি। কেউ দয়াকরে অসৎ কজে জন্য উৎসাহী হবেন না। যদি শিখতে চান ন্যশনাল সিকিউরিটির জন্য শিখতে পারে। আর সবথেকে বড় কথা ইথাইকাল হ্যাকিং সবক্ষেত্রে সম্মানের।

আমাদের স্যাটেলাইট ও আমাদের সুবিধা

Now Reading
আমাদের স্যাটেলাইট ও আমাদের সুবিধা

বাংলাদেশ বর্তমানে প্রযুক্তিগত দিক থেকে আস্তে আস্তে উন্নতির সোপানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। একটা সময় ছিলো যখন আমরা শুধু প্রযুক্তি ব্যবহারের স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু আজ অনেক প্রযুক্তিই আমাদের হাতের নাগালে চলে এসেছে এবং কিছু নব্য আবিষ্কৃত প্রযুক্তি অচিরেই চলে আসবে বলে বিশ্বাস করি। ঠিক তেমনি এক আনন্দের সংবাদ হলো বাংলাদেশ খুব শীঘ্রই ‘বঙ্গবন্ধু-১’ নামে কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে। আজ থেকে প্রায় ১৭ বছর আগে মহাকাশে নিজেদের কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। ৬-৭ বছর আগেও উন্নত দেশগুলোর কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণের খবর পড়ে আমরা নিজেরা ভাবতাম, আমাদের দেশ কবে নিজেদের কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করবে। সেই সুভময় ক্ষন আজ আর খুব বেশী দূরে নয়। প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষের কল্যানের পরিধিটাও অনেক বেড়ে যায়। উন্নত দেশগুলোর পাশাপাশি আমাদের নিজেদের স্যাটালাইট পাখা মেলে উড়বে এটা ভাবতেই নিজের দেশকে নিয়ে গর্বে বুক ফুলে উঠছে। আর নিজে দেশের এই রকম একটা প্রযুক্তিগত উন্নয়নের খবর একজন বাংলাদেশী হিসেবে নিজেকে গর্বে মাথা উচু করে দেয়।
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের কিছু সুবিধাসমূহ ঃ বাংলাদেশে এই মুহূর্তে টিভি চ্যানেল আছে প্রায় পঁয়তাল্লিশ  টি।

ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা আই এস পি আছে কয়েকশ।

রেডিও স্টেশন আছে পনের টি এর উপরে। আরও আসছে।

তাছাড়া ভি-স্যাট সার্ভিস তো আছেই।

এমনি আরো অনেক কারনেই বাংলাদেশে স্যাটেলাইটের ব্যাবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।

বিটিআরসির হিসাবে,প্রতিটি টিভি চ্যানেল স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ডলার দিয়ে থাকে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট চালু করতে পারলে দেশে শুধু বৈদেশিক মুদ্রারই সাশ্রয় হবে না, সেই সাথে অব্যবহৃত অংশ নেপাল, ভূটান এর মতো দেশে ভাড়া দিয়ে প্রতি বছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ আয় করা যাবে। কারন ৪০ টি ট্রান্সপন্ডারের মধ্যে মাত্র ২০ টি ব্যবহার করবে বাংলাদেশ। আর বাকি ২০ টি ভাড়া দেওয়া হবে।

আমাদের দেশের টাকা এবং কষ্টার্জিত মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে।

অনেক সময় টাকা পাচার বা মানি লন্ডারিং এর মত গুরুতরো অভিযোগ ও আছে এই খাতে।

বাংলাদেশের নিজস্ব উপগ্রহ চালু  হলে ভাড়া বাবদ অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

প্রধানত নিম্নলিখিত যেসব কারনে স্যাটেলাইট এর ব্যবহারঃ

১। মহাকাশ বা জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণা

২। আবহাওয়ার পূর্বাভাস

৩। টিভি বা রেডিও চ্যানেল, ফোন, মোবাইল ও ইন্টারনেট যোগাযোগ প্রযুক্তি

৪। নেভিগেশন বা জাহাজের ক্ষেত্রে দিক নির্দেশনায়

৫। পরিদর্শন – পরিক্রমা (সামরিক ক্ষেত্রে শত্রুর অবস্থান জানার জন্য)

৬। দূর সংবেদনশীল

৭। মাটি বা পানির নিচে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে

৮। মহাশূন্য এক্সপ্লোরেশন

৯। ছবি তোলার কাজে (সরকারের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ)

১০। হারিকেন, ঘূর্ণিঝড়, প্রাকৃতিক বিপর্যয় এর পূর্বাভাস

১১। আজকাল সন্ত্রাসীরা অনেক রিমোট এরিয়া তেও স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছে।

১২। গ্লোবাল পজিশনিং বা জি পি এস

১৩। গামা রে বারস্ট ডিটেকশন করতে

১৪। পারমাণবিক বিস্ফোরণ এবং আসন্ন হামলা ছাড়াও স্থল সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য ইন্টিলিজেন্স সম্পর্কে আগাম সতর্কবার্তা পেতে।

১৫। তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিভিন্ন খনির সনাক্তকরণ ইত্যাদি

১৬। ডিজিটাল ম্যাপ তৈরি করা

উপরের বিভিন্ন কাজের জন্য অবশ্য বিভিন্ন আলাদা রকমের স্যাটেলাইট ব্যবহার করা হয়। একটি স্যাটেলাইট দিয়েই সব কাজ হয় না। তথাপি আমাদের মত গরিব দেশের জন্য টিভি চ্যানেল আর ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচটা সাশ্রয় করতে পারাও কম না।

আশা করা যায় যে মাত্র তিন থেকে ছয় বছরেই এই স্যাটেলাইট পাঠানোর সকল খরচ উঠে আসবে।

বাংলাদেশ সরকার বঙ্গবন্ধু-১ নামে একটি স্যাটেলাইট উপগ্রহ পাঠানোর কাজ অনেক আগেই শুরু করেছে। এর জন্য ৮৫ কোটি টাকা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশেষজ্ঞ কোম্পানিকে প্রাথমিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দিয়েছে।

এই মুহূর্তে বিশ্বের ৫৫ টি দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট আছে।

বাংলাদেশ সহ ২৪ টি দেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠানোর চেষ্টা করছে। এখানে উল্লেখ্য যে ভারত ১৯৭৫ সালে Aryabhata নামের উপগ্রহ পাঠায়। আর পাকিস্থান ১৯৯০ সালে Badr-1 নামের উপগ্রহ পাঠায়। বর্তমানে এই দুইটি দেশের একাধিক উপগ্রহ আছে।

এমনকি ভিয়েতনাম, ইন্দনেশিয়া, থাইল্যান্ড, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন, কলম্বিয়া, মউরিতাস, কাযাগাস্তান এর ও নিজস্ব উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট আছে।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হল-  শ্রীলংকা, আফগানিস্তান, উত্তর কোরিয়ার মত দেশ ও নিজস্ব স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে।

সমগ্র পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে।আমরা কেন পিছিয়ে থাকবো?

কিন্তু অতিব দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের ২০ টির ও বেশী দেশ আমাদের স্যাটেলাইট স্থাপনের সম্ভাব্য অবস্থান(মহাকাশে নির্ধারিত স্থান) নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

তবে সব জল্পনা কল্পনা বাদ দিয়ে, সব কিছু ঠিকঠাক মতো হলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখ এ আমাদের নতুন আরোও একটি বিজয় হবে বলে আশা করছি।

শেষ পর্যন্ত এটা বলতে পারি স্যাটেলাইট বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবেই।

পরিশেষে এর সফল উৎক্ষেপণ ও সফল কার্যকারিতা কামনা করি।

Page Sidebar