5
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
 
 
 
 
ফ্রেশ!
REGISTER

নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে

Now Reading
নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে

চলতি সপ্তাহে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র মালিকদের সংগঠন কাউন্সিল অব লাইসেসন্ড ফায়ারআর্ম ওনার্স সরকারের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটির অস্ত্র আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ওই হামলায় ৫০ জন নিহত ও ৪২ জন আহত হন।

নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের সামরিক ধাঁচের আধা স্বয়ংক্রিয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র পুলিশের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ ধরনের অস্ত্র জমা না দিলে এর মালিককে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব অস্ত্র জমা দিতে হবে। নতুন আইনে এ বিধান যোগ করা হচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স বলেছেন, অস্ত্র আইন সংশোধনের বিল ইতিমধ্যে পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হয়েছে। এ ধরনের আইন করার জন্য কয়েক মাস সময় লেগে যায়। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন বলেছেন, আইনটি খুব জরুরি। ১১ এপ্রিল নাগাদ এই সংশোধনী পাস হবে। তিনি বর্তমানে চীন সফরে আছেন।
যে বিলটি পার্লামেন্টে আনা হয়েছে তা পাস হলে নাগরিকদের সামরিক ধাঁচের আধা স্বয়ংক্রিয় ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিষিদ্ধ হবে। তবে এরপরও নিউজিল্যান্ডের কৃষক এবং শিকারিরা যে বন্দুক ব্যবহার করে থাকেন তা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকতে পারে। এ ছাড়া পয়েন্ট টু টু আধা স্বয়ংক্রিয় বন্দুক এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকতে পারে।

আইন সংশোধনের যে প্রস্তাব আনা হয়েছে তাতে শটগান এবং আধা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এই অস্ত্র জনসমক্ষে ব্যবহার করলে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। এ ছাড়া গ্রেপ্তারে বাধা সৃষ্টি করলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। আধা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বিক্রি, সরবরাহ, তৈরি, আমদানি করলে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

অস্ত্র আইন কঠোর করতে নিউজিল্যান্ডে চলছে নানাধরনের কর্মসূচি

Now Reading
অস্ত্র আইন কঠোর করতে নিউজিল্যান্ডে চলছে নানাধরনের কর্মসূচি

নিউজিল্যান্ডে অস্ত্র আইন কঠোর করতে মন্ত্রিপরিষদ নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যাসিনদা আডের্ন। ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে গত শুক্রবারে সন্ত্রাসী হামলার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনা হবে। বর্ণবাদী ওই হামলায় অর্ধশত মোসলমান নিহত হন। হামলাকারী অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক খ্রিষ্টান জঙ্গি ব্রেন্টন টারান্ট একটি সেমি অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে নির্বিচারে গুলি চালায়। জঙ্গি হামলাকারী যে ধরণের সেমি অটোমেটিক অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছিল দেশটির মন্ত্রী পরিষদ সে ধরণের অস্ত্রের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে সম্মত হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সন্ত্রসী টারান্টের অস্ত্রটি ছিল বৈধ এ কারণেই তার গুলি কিনতে কোনো অসুবিধা হয়নি।

সেদিনই বিষয়টি নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এর আগে কয়েকবারই অস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনতে চাইলেও সেটি শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। কিন্তু এই ভয়াবহ ঘটনার পর তড়িঘড়ি আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নিউজিল্যান্ড সরকার।
দুই মসজিদে হামলায় নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে ক্রাইস্টচার্চের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে এখনো স্বজনদের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর শুরু হয়নি। বুধবার নাগাদ পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে হামলাকারী ব্রেন্টন টারান্টের দুটি বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে সেখানকার পুলিশ। এপ্রিলের পাঁচ তারিখে টারান্টকে আবার আদালতে হাজির করা হবে।

Page Sidebar