কিম জং–ন্যামের খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত দোয়ান থি হুয়ং-এর বিরুদ্ধে মামলা চলবে

Now Reading
কিম জং–ন্যামের খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত দোয়ান থি হুয়ং-এর বিরুদ্ধে মামলা চলবে

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের সৎভাই কিম জং–ন্যামের খুনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাচ্ছেন না ভিয়েতনামের নারী দোয়ান থি হুয়ং কারণ তাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ। এর আগে ওই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর মুক্তি পেয়েছেন ইন্দোনেশীয় নারী সিতি আইশা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আইশার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলে আদালত তাঁকে মুক্তি দেন।

ইন্দোনেশীয় নারী সিতি আইশা ও ভিয়েতনামের নারী দোয়ান থি হুয়ংয়ের বিরুদ্ধে উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং–উনের সৎভাই কিম জং–ন্যামকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। ২০১৭ সালে আইশা কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কিমের মুখে বিষাক্ত তরল ভিএক্স নার্ভ এজেন্ট মেখে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

সিতি আইশা ও থি হুয়ং খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তাঁরা টেলিভিশনের একটি কৌতুক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন—এমনটি ভেবেছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। এটি যে বিষাক্ত পদার্থ তা জানতেন না। উত্তর কোরিয়ার গোয়েন্দাদের জালে ফেঁসে গিয়েছিলেন তাঁরা।

ন্যামকে হত্যার উদ্দেশ্যে ‘এ কাজ করা হয়নি তা সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাওয়ায়’ সিতি ও থি হুয়ংয়ের বিরুদ্ধে মামলাটি তুলে নেওয়া হবে বলে তাঁদের আইনজীবীরা আশাও প্রকাশ করেছিলেন। আইশাকে মুক্তি দেওয়ার পর থি হুয়ং মুক্তি পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

কুয়ালালামপুরের আদালত থেকে জানিয়েছেন, হুংয়ের চেয়ে সিতির বিরুদ্ধে কম সাক্ষ্য পাওয়া গেছে বলে মনে হয়েছে। বিচারের সময় হুয়ংরের বিরুদ্ধে শক্ত কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজে কিমের মুখে হাত রেখে তাঁকে পালাতে দেখা গেছে। আইশাকে ওই ঘটনায় অস্পষ্টভাবে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালাতে দেখা যায়।

আদালতে আরজি গৃহীত না হওয়ার খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন হুয়ং। প্রায় দেড় বছর ধরে এ মামলা চলছে। আইশাকে মুক্তি দেওয়ার পর থেকে ভিয়েতনামের পক্ষ থেকে হুয়াংকে মুক্তি দিতে চাপ বাড়ানো হচ্ছে। এ নিয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

কিম জং ন্যামের খুনের মামলা থেকে মুক্তি পেল সিতি আইশা

Now Reading
কিম জং ন্যামের খুনের মামলা থেকে মুক্তি পেল সিতি আইশা

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সৎভাই কিম জং ন্যামের খুনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর মুক্তি পেয়েছেন ইন্দোনেশীয় নারী সিতি আইশা।

২০১৭ সালে আইশা কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে কিমের মুখে বিষাক্ত তরল ভিএক্স নার্ভ এজেন্ট মেখে দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। তিনি ও তার সহঅভিযুক্ত, ভিয়েতনামের ডন থী হুং খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তারা টেলিভিশনের একটি কৌতুক অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন এমনটি ভেবেছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। দুইজন বলেছিলেন, টেলিভিশনের কৌতুক অনুষ্ঠানের দৃশ্যায়ন হচ্ছে মনে করে ন্যামের মুখে ওই পদার্থ মাখিয়ে দিয়েছিলেন তারা এটি যে বিষাক্ত পদার্থ তা জানতেন না।

ন্যামকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করা হয়নি তা সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাওয়ায় সিতি ও ডনের বিরুদ্ধে মামলাটি তুলে নেওয়া হবে বলে তাদের আইনজীবীরা আশাও প্রকাশ করেছিলেন। একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডে পর্যবেক্ষরা স্তব্ধ হয়ে পড়েছিলেন এবং ঘটনাটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শীর্ষ খবরে পরিণত হয়েছিল।

মামলার কৌঁসুলিরা কোনো কারণ না দেখিয়েই খুনের অভিযোগ বাদ দেওয়ার অনুরোধ করেন। বিচারক তাদের অনুরোধ অনুমোদন করে এবং সিতি আইশাকে মুক্তি দেন তবে খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেও আইশা বেকসুর খালাস পাননি। কারণ হুংয়ের চেয়ে সিতির বিরুদ্ধে কম সাক্ষ্য পাওয়া গেছে বলে।

মুক্তি পাওয়ার পর তাকে তখনই লিফট দিয়ে নামিয়ে আদালতের বাইরে অপেক্ষমাণ ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসের একটি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয়। খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিলেও সিতিকে বেকসুর খালাস দেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন আদালত।

আদালত জানিয়েছেন, বিচারে মামলাটি ইতোমধ্যে একটি ‘প্রিমা ফেইসি কেস’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেওয়া যাবে না এবং নতুন প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে ফের ডাকা হতে পারে।

Page Sidebar