1
New ফ্রেশ ফুটপ্রিন্ট
 
ফ্রেশ!
REGISTER

আগামী দিনে বিশ্বের এক নাম্বার দেশ হবে চীন

Now Reading
আগামী দিনে বিশ্বের এক নাম্বার দেশ হবে চীন

পশ্চিমা বিশ্বে আতঙ্কের মতো এক শক্তিশালী চীনের অর্থনৈতিক ‍উথ্থান। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি উন্নতির প্রায়স চালিয়ে যাচ্ছে সামরিক দিক দিয়েও। চীনের সামরিক সমৃদ্ধি এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তাকে ওয়াশিংটনের নিকট প্রতিদ্বন্দ্বিই বলা যেতে পারে। আগামী দিনে বিশ্বের এক নম্বর দেশ হবে চীন যদি অর্থনীতি ও সামরিক দিক দিয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র হয়ে উঠতে পারে। আসুন জেনে নিই কী কারণে অপ্রতিরোধ্য চীন?
কৃষি পণ্য উৎপাদনে চীনঃ মানুষের প্রয়োজনীয় সবুজ পণ্য ২০০০ সালের পর থেকে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন করেছে চীন। চীনের কৃষি উৎপাদন বর্তমানে বিশ্বের ২২ শতাংশ মানুষের উদরপূর্তি করছে। অথচ দেশটিতে কৃষি উৎপাদনে ব্যবহূত জমির পরিমাণ বিশ্বের মোট আবাদযোগ্য জমির ৭ শতাংশ। চাল, গম, আলু, টমেটো, জোয়ার, বাজরা, বাদাম, চা, বার্লি, তুলা, তেলবীজ, সয়াবিনসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদনে শীর্ষস্থানে রয়েছে চীন।
চীনের ‘কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাঃ এবার আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বা এআইয়ের বাজার দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে বেইজিং। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু হয়েছে দেশটির প্রায় ২০টি প্রদেশের উৎপাদনশীল কারখানাগুলোতে। প্রকাশ করা হয়েছে নীতিমালাও। গত বছর এআইয়ের ওপর ভিত্তি করে ১৫০০ নতুন কারখানা যাত্রা শুরু করেছে। গত বছর ১০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা হয়েছে এ শিল্পে। যা সাড়ে ৮ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে ২০২১ এ। গবেষণা ক্ষেত্রেও খরচ করা হচ্ছে। ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে শুধু গবেষণায় ২০১৮ সালে। যা ১০ শতাংশ ২০১৭ সালের বেশি ২০১৭ সালের তুলনায়। এছাড়াও নির্মাণ করছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স উন্নয়ন পার্ক দুই বিলিয়ন ডলার খরচ করে।
মহাকাশ অভিযানে চীনঃ এই প্রথম একটি রোবট চালিত মহাকাশযান নামিয়েছে চীন। চাঁদের যে অংশটি পৃথিবী থেকে কখনোই দেখা যায় না, সেই দূরবর্তী দিকে। চীনা বিজ্ঞানীরা চীনের মহাকাশযান চাঙ-আ ৪ চন্দ্রপৃষ্ঠে সফলভাবে অবতরণ করেছে বলে দাবি করছেন। চীনের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য এক বিরাট সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে এটিকে। ২০১১ সালে চীন তাদের মহাকাশ স্টেশন কর্মসূচি শুরু করেছে। ২০০৭ সালে চীন কোন স্যাটেলাইট মহাশূন্যে ঘুরতে থাকা ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করার ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করে। এই সক্ষমতা তাদের আগে ছিল যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়ার। সাইবার স্পেসে তথ্যের গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে চীন ২০১৬ সালে এক বিরাট সাফল্য অর্জন করে।
বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে শীর্ষে চীনঃ বিশ্বব্যাপী বাড়ছে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে। বিশ্ব বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে চালকের আসনে রয়েছে চীন, গত বছর প্রায় ১২ লাখ বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির করছে দেশটি। চীনের বিকল্প জ্বালানিসংশ্লিষ্ট নীতি বৈদ্যুতিক ট্রাক ও বাস খাতের সম্প্রসারণে সহায়তা করছে, বিশেষত শহরের বায়ুর মান নিয়ন্ত্রণে এ নীতি বেশ সহায়ক বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রবন্ধে। চীন বৈদ্যুতিক ট্যাক্সি ও সরবরাহ গাড়ি নির্মাণ করে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
সামরিক খাতে চীনঃ এ বছর প্রতিরক্ষা খাতে ১৭৭.৬১ বিলিয়ন ডলার বাজেট বরাদ্দ করেছে চীন গত বছরের চেয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করে। সামরিক খাতে বাজেট ছিল ১৭৫ বিলিয়ন ডলার ২০১৮ সালে। এর পরিমাণ অন্তত তিনগুণ বেশি প্রতিবেশী দেশ ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেটের তুলনায়। চীনের প্রতিরক্ষা বাজেট ২০০ বিলিয়নে গিয়ে ঠেকবে এই হারে বৃদ্ধি চলতে থাকলে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেটের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।
লিঙ্গ বৈষম্য কমাচ্ছে চীনঃ সমানভাবে নারী ও পুরুষের ভুমিকা দরকার। যদি উন্নয়ন করতে হয়। আর তার জন্য চীন লিঙ্গ বৈষম্য কমানোর দিকে মনযোগ দিচ্ছে। তবে তারা একটু ধীর গতিতে এগোচ্ছে লিঙ্গ বৈষম্য কমাতে। ১৪৯টি দেশের মধ্যে ২০১৮ সালে এক জরিপে লিঙ্গ বৈষম্য কমানোর দিক থেকে ১০৩তম হয়েছে চীন। চেষ্টা চালাচ্ছে তারা লিঙ্গ বৈষম্য কমাতে।

চীনের উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর চলছে চরম অত্যাচার ও নির্যাতন

Now Reading
চীনের উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর চলছে চরম অত্যাচার ও নির্যাতন

চীনে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের ব্যাপারে বরাবরই অভিযোগ করে আসছে তুরস্ক। দেশটি গত ফেব্রুয়ারিতে উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর এ নির্যাতনকে ‘মানবতার জন্য লজ্জাজনক’ বলে আখ্যা দেয়। একই সঙ্গে বন্দিশিবির বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানায় তুরস্ক। এ ছাড়া অনেক পশ্চিমা দেশ মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের কড়া নিন্দা জানায়। গত বছর জাতিসংঘ জানায়, মুসলিম জাতিগোষ্ঠী উইঘুরের ১০ লাখ মানুষকে আটক রেখেছে চীন।

এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেন, ‘সত্যি কথা, আমি ওই সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। ব্যাপারটি সম্পর্কে আমার যথেষ্ট জানা থাকলে আমি এ ব্যাপারে কথা বলতাম।’ এ ছাড়া চীনে মুসলিমদের ওপর যে নির্যাতন চালানো হচ্ছে, সে বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে বেশি কোনো খবর নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।’

চীনে মুসলিমদের ওপর কয়েক বছর ধরে চরম অত্যাচার ও নির্যাতন করছে বলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অনেক দিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে। উইঘুর মুসলিম সম্প্রদায়ের ২০ লাখেরও বেশি মানুষকে বন্দিশিবিরে আটক করে রেখেছে চীন। তবে সে ব্যাপারে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নাকি কিছু জানেন না। তিনি বলেছেন, আসলেই তিনি এ ব্যাপারে বেশি কিছু জানেন না।

চীনে কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫

Now Reading
চীনে কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫

চীনের একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। চীনের পূর্বাঞ্চলের শানডং প্রদেশে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। কিংঝউ নগরীর কর্মকর্তারা এক বিবৃতিতে জানায়, শুক্রবার রাতে একটি পার্লাইট কারখানায় এই বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণের সময় নিহত পাঁচ শ্রমিকের সকলেই কিংঝউ নগরীর ওই কারখানায় ছিল।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রাথমিক তদন্তে তরলীকৃত গ্যাসের লাইন ফুটো হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ, সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তদন্ত চলছে।’
এ ঘটনার দায়ে প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তাকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আটক করেছে বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

যুক্তরাষ্ট্র চায় চীনের আগেই চাঁদে নভোচারী পাঠাতে

Now Reading
যুক্তরাষ্ট্র চায় চীনের আগেই চাঁদে নভোচারী পাঠাতে

যুক্তরাষ্ট্র আবারও চাঁদে নভোচারী পাঠাবে, তার পরিকল্পনা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, তিনি চান মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আবারও চাঁদে নভোচারী পাঠাবে। সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদের উল্টো-পিঠে চীনের চালানো রোবোটিক মিশনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা এখন আবার একটা মহাকাশ-কেন্দ্রিক প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছি, ঠিক যেমনটি ছিলাম ১৯৬০-এর দশকে।’ খবর বিবিসির।
চাঁদে পুনরায় মানুষ পাঠানোর ব্যাপারে আগে থেকেই পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা-নাসা’র। কিন্তু পেন্স-এর ঘোষণার পর এর সময়সীমাকে আরও বেগবান করবে।
অ্যালাব্যামার হান্টসভিলের ন্যাশনাল স্পেস কাউন্সিলের সভায় দেয়া এক বক্তৃতায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আগামী ৫ বছরের মধ্যে চাঁদে আবারো মার্কিন নভোচারী পাঠানোর বিষয়টি বর্তমান প্রশাসন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নীতির মধ্যেই রয়েছে। বিশ শতকে প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদে পৌঁছাতে পেরেছিল যুক্তরাষ্ট্র, তেমনই একুশ শতকে চাঁদে মহাকাশচারী পাঠানোর ক্ষেত্রেও আমরাই হবো প্রথম জাতি।’
নাসা এবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুকে লক্ষ্যবস্তু করবে, যেটি স্থায়ী অন্ধকারাচ্ছন্ন চ্যালেঞ্জিং একটি অংশ। কিন্তু ওই অংশটি জমাট পানি বা বরফের একটি আধার, যাকে মহাকাশযানের জন্যে জ্বালানীতে রূপান্তর করতে চায় নাসা ।
১৯৬৯ সালে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করা প্রথম মানব নীল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, ‘এটা মানুষের জন্য ক্ষুদ্র পদক্ষেপ কিন্তু মানবজাতির জন্য বিশাল এক যাত্রা।’ চাঁদের বুকে হেঁটে যাওয়া প্রথম মানুষ নীল আর্মস্ট্রং-এর সেই কথার পুনরাবৃত্তি করে মাইক পেন্স বলেন, ‘পরবর্তী বিশাল পদক্ষেপের এখন এটাই সময়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মার্কিন মহাকাশচারীদের চাঁদে পাঠানোই হল এই পরবর্তী দীর্ঘ যাত্রা এবং সেখানে মার্কিন নভোচারীদের স্থায়িত্ব প্রতিষ্ঠার পর তাদের প্রস্তুতি হবে পরের গন্তব্য- মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে।’ এর জবাবে ইউএস স্পেস এজেন্সির পরিচালক জিম ব্রাইডেনস্টাইন টুইট করে জানিয়েছেন: ‘চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হল। এখন কাজ শুরুর পালা।’
গেটওয়ে নামে একটি স্পেস স্টেশন বানানো হবে প্রথমে চাঁদের কক্ষপথের কাছে ২০২৪ সালের মধ্যে। এরপর ২০২৪ সাল নাগাদ চাঁদে নভোচারী পাঠানো হবে চাঁদে- নাসার পরিকল্পনা ছিল এমনটাই। কেউ কেউ মনে করছেন যে, এই সময়ের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই চন্দ্র অভিযানের পরিকল্পনার জন্যে দরকার একটি বিশাল ভারবহনে সক্ষম রকেট, যা চাঁদের গমন এবং অবতরণের জন্যে যে বিপুল জিনিস প্রয়োজন তা নিয়ে যাবে।
নাসা এজন্যে নিজস্ব একটি লঞ্চার নির্মাণ করেছে, যা স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস) নামে পরিচিত। কিন্তু প্রকল্পটির বিলম্ব ঘটছে এবং খরচ বেড়ে চলছে। ব্রাইডেনস্টাইন প্রকল্প এগিয়ে নেবার জন্যে একটি কম শক্তিশালী বাণিজ্যিক রকেটের কথা ভেবেছিলেন। ২০২০ সালের মধ্যে মানববিহীন একটি ক্যাপসুলকে মহাশূন্যে নেবার জন্যে সেটি হতে পারে স্পেস এক্স বা বোয়িং-লকহেড মার্টিন যৌথ অংশীদার ইউনাইটেড লঞ্চ অ্যালায়েন্স দ্বারা নির্মিত রকেট।
কিন্তু মঙ্গলবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের ঘোষণার পর নাসার পরিচালক বলছেন, তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে নাসা আগামী বছরের মধ্যে একটি সফল এসএলএস উৎক্ষেপণ দিতে পারবে। লকহেড মার্টিন নির্মিত অরিয়ন ক্যাপসুল হবে মহাকাশচারীদের চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবার প্রধান মহাকাশযান। কিন্তু সেইসব কিছু বানানোর কাজই এখনো শুরু হয়নি।
মাইক পেন্স কেবল ঘোষণা দিয়েছেন তা-ই নয়, তিনি হুমকিও দিয়েছেন যে, যদি নাসা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রস্তুত হতে না পারে, তবে বাণিজ্যিক লঞ্চিং সিস্টেম বা অন্য কোনও সহযোগী সন্ধান করা হবে।

চীনে সড়কে পর্যটকদের গাড়ি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত

Now Reading
চীনে সড়কে পর্যটকদের গাড়ি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত

চীনের মধ্যাঞ্চলে হুনান প্রদেশের একটি পর্যটন বাসে আগুন লেগেছে। পর্যটকদের বহনকারী চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া অন্ততপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে হুনান প্রদেশের হানসু জেলার চাংদিতে এ ঘটনা ঘটেছে। বাসটিতে ৫৩ যাত্রী, একজন ট্যুর গাইড এবং দুইজন চালকসহ মোট ৫৬ জন ছিলেন। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের জন্য চালক দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনায় ৩০ জন আহত হবার ব্যাপরটি নিশ্চিত করেছেন চাংদির স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে হুনান প্রদেশের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা খুবই গুরুতর।
এদিকে ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা যায়, ৫৯ সিটের বাসটির ভেতরের অংশ পুড়ে কালো হয়ে গেছে। বাসটির ভেতরে থাকা কোনো উপকরণ থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূচনা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীনে প্রায়ই ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা ঘটে। ২০১৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রায় ৫৮ হাজার লোক প্রাণ হারায়।

চীনে ১১০ মিলিয়ন বছর বয়সী পাখির শরীরের ভিতরে সংরক্ষিত ডিম দিয়ে প্রথম পাখির জীবাশ্ম আবিষ্কৃত

Now Reading
চীনে ১১০ মিলিয়ন বছর বয়সী পাখির শরীরের ভিতরে সংরক্ষিত ডিম দিয়ে প্রথম পাখির জীবাশ্ম আবিষ্কৃত

শরীরের ভিতরে সংরক্ষিত ডিম দিয়ে প্রথম পাখির জীবাশ্ম আবিষ্কৃত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, “অবিশ্বাস্যভাবে সুরক্ষিত খুঁজে পাওয়া যায় ডাইনোসরগুলির সময়ে ফিরে যাওয়ার সময় পাখির প্রজনন সম্পর্কে নতুন আলো ছড়িয়ে পড়ে। উত্তর পশ্চিমা চীনে ১১০ মিলিয়ন বছর বয়সী আমানতের আবিষ্কৃত নমুনা স্কিভিজার নামে নতুন প্রজাতির প্রতিনিধিত্বকারী নমুনাটি আবিষ্কার করা হয়েছিল। এটি এন্যান্টিওর্নিথেস – “বিপরীত পাখি” নামে পরিচিত একটি গোষ্ঠীর অন্তর্গত – যা ক্রেটিসিয়াস যুগের সময় বিশ্ব জুড়ে সাধারণ ছিল এবং ডাইনোসরগুলির পাশে বসবাস করত।

কিন্তু বিজ্ঞানীরা আরও দুঃখজনক গোপন আবিষ্কার করেছিলেন – ডিমটি ‘মা পাখি’ কে হত্যা করেছে। চীনা একাডেমি অব সায়েন্সেসের ভেরেব্রাইট প্যালিওন্টোলজি ইনস্টিটিউট এবং প্যালিওথ্র্রোপোলজি (আইভিপিপি) ইনস্টিটিউটের ড. আলিদা বাইলুলুল ও ড. জিংমাই ও’কনোর নেতৃত্বে বিজ্ঞানী দলের একটি দল এটা আবিষ্কার করে।

ডা. বাইলুলুল বলেন, “নতুন জীবাশ্ম অবিশ্বাস্যভাবে ভালভাবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং এর পেটের ভিতরে ডিমটির অবশিষ্টাংশও রয়েছে।”

নমুনাটি সমতলভাবে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। মাইক্রোস্কোপের অধীনে থাকা একটি ক্ষুদ্র অংশ বের করে আনা হয় এবং বিশ্লেষনের পরে দলটি বুঝতে পারে যে এটি অস্বাভাবিক টিস্যু ডিম ছিল। ডিমসেলের ফাটল বিশদ বিশ্লেষণে জানা যায় যে এই মহিলা পাখির প্রজনন পদ্ধতি সাধারণত স্বাভাবিক আচরণে হয়না এবং এমন অনেকগুলি আকর্ষণীয় তথ্য প্রকাশ পায়। ডিমশেল স্বাভাবিক সুস্থ পাখির ডিমগুলির মতো একের পরিবর্তে দুটি স্তর নিয়ে গঠিত যা পেটের ভিতরে খুব দীর্ঘ ধরে রাখা ছিল বলে নির্দেশ করে। এই অবস্থায় জীবন্ত পাখির মধ্যে প্রায়ই চাপ ঘটে। তারপর অলঙ্কৃত ডিম একটি দ্বিতীয় স্তরে লেপ পায় বা কখনও কখনও আরো ডিমেরখোসায়। এই অস্বাভাবিকতাও সাইরোপড ডাইনোসরের পাশাপাশি অনেক জীবাশ্ম এবং জীবন্ত কচ্ছপগুলিতেও নথিভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া এভিমিয়াতে সংরক্ষিত ডিমহিলটি কাগজের পাতার তুলনায় অত্যন্ত পাতলা এবং সুস্থ ডিমগুলির সঠিক অনুপাত দেখায়নি।

ডা. বাইলুলুল মতে, এই অস্বাভাবিকতাগুলি এই মায়ের পাখির মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলে মনে করা হয়। ডিমবাঁধাই, যার ফলে দেহের ভিতরে ডিম আটকে যায় এবং মৃত্যু ঘটে, এটি একটি গুরুতর এবং প্রাণঘাতী অবস্থা যা ছোট পাখিদের চাপের মধ্য দিয়ে রাখে।

বিকৃত হওয়া সত্ত্বেও ডিমটি অত্যন্ত সুরক্ষিত। ডিম-ঝিল্লির অংশগুলি কদাচিৎ জীবাশ্মের রেকর্ডে দেখা যায় যেমন ডিমের ঝিল্লি এবং ছত্রাক যার বেশিরভাগ প্রোটিন এবং অন্যান্য জৈব পদার্থের তৈরি করে। স্ক্যানিং ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপটি প্রকাশ করে যে ছত্রাক ডিমহেলের বাইরের সর্বাধিক সুরক্ষা স্তর খনিজগুলির খুব ছোট গোলক দিয়ে গঠিত।

ডাঃ ও’কনোর বলেন, এই ধরনের কটিনাল মর্ফোলজিটি পাখির আংশিকভাবে তাদের ডিম বন্টন করার জন্য প্রত্যাশিত হয় কারণ এটি ইতোমধ্যে ইন্টিওরিনিথাইনসের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এভিমিয়ার এই মূর্তিটি খোঁজাও হাইপোথিসিসকে সমর্থন করে যে প্রতিরক্ষামূলক বৃত্তাকার একটি ছত্রাক এভিয়ান ডিমগুলির পূর্বপুরুষ অবস্থা প্রতিনিধিত্ব করে। ডিম পাড়া মহিলা পাখির কঙ্কালের খালি শূণ্যস্থানগুলির ভিতরে অনন্য হাড়ের টিস্যু পাওয়া যায় যা উন্নয়নশীল ডিমহেলের জন্য ক্যালসিয়াম জলাধার হিসাবে কাজ করে। কিছু গবেষক যুক্তি দিয়েছেন যে এই টিস্যুকে মেডেলারি হাড় বলা হয়। এটি অন্য পাখির জীবাশ্মসমূহের পাশাপাশি কিছু অ-এভিয়ান ডাইনোসর এবং পিটারোসরগুলিতে উপস্থিত। কিন্তু গবেষক দলটি জানায়, কিছু সনাক্তকরণ দ্ব্যর্থক ছিল।
ডাঃ ও’কনোর মতে, নতুন নমুনা থেকে লেগ হাড়ের একটি অংশে বিশ্লেষণের ফলে মস্তিষ্কের হাড়ের উপস্থিতি প্রকাশ পেয়েছে।

আভিমিয়া একমাত্র মেসোজোয়িক জীবাশ্ম যা প্রজনন কার্যকলাপের অতিরিক্ত রূপক প্রমাণ যা ডিম – মস্তিষ্কের হাড় সনাক্তকরণকে সমর্থন করে। এই নতুন নমুনাটি এখনও অন্যতম মেসোজোয়িক জীবাশ্মি পাখির তুলনায় আরও প্রজনন সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহকারী ক্রিয়েটিস জীবাশ্ম পাখিগুলির মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয়।

Insta360 ডিগ্রী ক্যামেরার আপডেট ভার্সন নির্মাণে অর্থায়ন রাউন্ডে মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার জোগাড়

Now Reading
Insta360 ডিগ্রী ক্যামেরার আপডেট ভার্সন নির্মাণে অর্থায়ন রাউন্ডে মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার জোগাড়

Insta360, ৩৬০ ডিগ্রী ক্যামেরা তৈরির অগ্রগামীদের মধ্যে এভারেস্ট ভেনচার ক্যাপিটাল , এমজি হোল্ডিংস এবং হুয়াজিন ক্যাপিটাল সহ চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সিরিজ সি + অর্থায়ন রাউন্ডে মাত্র ৩০ মিলিয়ন ডলার জোগাড় করেছেন।

শেনঝেন ভিত্তিক ক্যামেরা নির্মাতা তার সর্বশেষ মূল্যায়ন প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানসহ চীনের পেছনে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৃহত্তম বাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাজারগুলিতে গবেষণা ও উন্নয়ন, মার্কেটিং এবং বিক্রয়োত্তর সেবাগুলিতে নতুন তহবিল ব্যবহার করার পরিকল্পনা করে। আইডিজি ক্যাপিটাল, কুইমিং ভেন্টারস, হোম অ্যাপ্লায়েন্স মেকার সুনিং হোল্ডিংস গ্রুপ এবং ফাইল শেয়ারিং সার্ভিস জুনলেই এর কিছু অংশীদারের মধ্যে রয়েছে।

২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠাতা লিউ জিংকং কম্প্যাক্টের জন্য বাজারে একটি ফাঁক দেখেছিলেন যা উচ্চ-ডিফেন্স ৩৬০ডিগ্রি ফুটেজ শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরা ব্যবহার করে ৩৬০ ডিগ্রির ক্যামেরা তৈরি করতে শুরু করেছিল। গত কয়েক বছরে এটি চারটি প্রকারের প্রয়োজনে আচ্ছাদিত হয়েছে যা সমস্ত ধরণের চাহিদা পূরণ করে। পেশাদার এবং অপেশাদার ব্যবহারকারীদের ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরাগুলি ভার্চুয়াল বাস্তবতা সামগ্রী তৈরি করে, ক্রীড়া প্রেমীদের জন্য অ্যাকশন ক্যামেরা এবং গড় ভোক্তাদের জন্য স্মার্টফোন আনুষাঙ্গিকগুলি তৈরি করে।

সম্পূর্ণ বিপরীত লোকসানি GOPRO , যা কর্ম ক্যামেরা উল্লম্ব মধ্যে Insta360 প্রতিদ্বন্দ্বী, চীনা দৃঢ় ২০১৭ সাল থেকে লাভজনক হয়েছে এবং আগামী বছরের চীন-এ ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং জন্য ফাইল করার পরিকল্পনা নিয়েছে। কোম্পানী পরিকল্পিত প্লোটেশন সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানানোর অস্বীকার করে তবে তার কর্ম ক্যামেরা লাইনের সফলতা দুই বছরে পাঁচগুণ রাজস্ব বৃদ্ধি এবং মুনাফা অর্জনে সহায়তা করেছে।

প্রতিষ্ঠাতা লিউ জিংকং বলেন, অনেক পরিবার ভবিষ্যতে বিনোদনের জন্য ভার্চুয়াল বাস্তবতা সামগ্রী উপভোগ করতে পছন্দ করে তাই ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরাগুলির বিশাল বাজার রয়েছে। আর এই কারণেই শীর্ষ পর্যায়ের অবস্থান রাখতে প্রতি বছর ৩৬০ডিগ্রি ক্যামেরা তৈরি করছে।

কর্মক্ষমতা ক্যামেরা বাজার তুলনায় আরো পরিপক্ক। Insta360 লাইভ ব্লগিং এবং স্বল্প-ফর্ম ভিডিওগুলির একটি বৃহত্তর সামাজিক প্রবণতা চালায় যা মানের ভিডিও সামগ্রীর জন্য বিশাল চাহিদা তৈরি করেছে। স্ন্যাপ স্পেক্টাক্স থেকে স্ন্যাপ চশমাগুলির টেনসেন্টের ক্লোন থেকে ক্যামেরা বিকল্পগুলি কয়েক ডজন, ভিডিও ভাগ করার অ্যাপ্লিকেশানগুলির জন্য সামগ্রীগুলিকে খুঁজে বের করতে সহায়তা করার জন্য উপলব্ধ রয়েছে, কিন্তু লিউ এই পণ্যগুলির অনেকগুলি সমস্যা দেখেছে।

Insta360 এর ক্রীড়া ইভেন্টগুলি এবং ভ্রমণের নথিভুক্তির সর্বশেষ উত্তর একটি ক্যামেরা যা সহজে হাত দ্বারা ধরে রাখা বা পকেটে রাখা যায়। ওয়ান এক্স এ বলা হয়, গ্যাজেটটি প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ফ্রেমে 5.7K রেজোলিউশনে অঙ্কিত হয়, এমনকি চারপাশে নিক্ষিপ্ত হলেও মসৃণ স্থিতিশীলতা প্রদান করে। ক্যামেরাটি সফটওয়্যার টুলকিটের সাথে আসে যা ব্যবহারকারীদের ফুটেজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচন করে এবং সেভ করে, যা টিকটক এবং ইনস্টগ্রামকে একটি সিঞ্চে ভাগ করে তোলে।

Insta360 জনসাধারণের পরেও পশ্চাদ্ধাবন করছে এবং তার সর্বশেষ বিড একটি অ্যাড-অন লেন্স যা অবিলম্বে একটি আইফোন 360 ডিগ্রি ক্যামেরাতে পরিণত করতে পারে। ধারণাটি হল যে ব্যবহারকারীদের মৌলিক ৩৬০-ডিগ্রী অভিজ্ঞতার স্বাদ আসছে তারা উচ্চতর মডেলটিতে আপগ্রেড করতে চাইতে পারে।

হুয়াজিন ক্যাপিটালের সিনিয়র ডিরেক্টর গ্যাভিন লি বলেন, “Insta360 এর মধ্যে কাস্টিং-এজ ইমেজিং প্রযুক্তি গ্রহণের জন্য খুব কম ক্ষমতা রয়েছে এবং গ্রাহকরা আজ যে পণ্যগুলি ব্যবহার করতে চান তাতে এটিই চায়। তারা দ্রুত তাদের প্রতিযোগীদের চেয়ে আরও বেশি গতিশীল হয়ে উঠছে এবং তারা আমাদের সময় সংজ্ঞায়িত যোগাযোগের সরঞ্জামে সাহসী নতুন পন্থা গ্রহণ করছে: ক্যামেরা।”

জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারকে সমর্থন করবে চীন

Now Reading
জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারকে সমর্থন করবে চীন

পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করবে কি না তা আর মাত্র এক দিন পরই জানা যাবে। তবে আগের তিনবারের মতো এবারও চীন তাঁর পক্ষেই মত দেবে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে মাসুদ আজহারের বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা চলছে। তাঁকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না তা জানা যাবে। এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করতে জাতিসংঘে প্রস্তাব তুলেছিল ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। তবে চীন তাতে ভেটো দেয়। এদিকে নিরাপত্তা পরিষদে চলমান আলোচনায় মাসুদ আজহারের বিষয়ে তাদের কী ভূমিকা হবে তার আভাস দিয়েছে চীন। গতকাল মঙ্গলবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কেন বলেন, আগের মতো এবারও চীন দায়িত্ববোধের পরিচয় দেবে। চীন সব মত ও গোষ্ঠীকে মূল্যায়ন করতে চায়। সবার সঙ্গে কথা বলে বিষয়টির সমাধান করতে চায়।

সম্প্রতি সময়ে চীনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কং শুয়ানইউ পাকিস্তান সফর করেন। সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের আধা সামরিক বাহিনীর ৪০ জনের বেশি সদস্য নিহত হন। শুরু থেকেই ভারত এই হামলার জন্য জইশ-ই- মুহাম্মদকে দায়ী করে আসছে। পাশাপাশি অতীতের অনেক হামলার জন্যও ভারত এই সংগঠনটিকে দায়ী করছে।

ইথিওপিয়ার বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ এর সকল ফ্লাইট বাতিল করে দিয়েছে চীন

Now Reading
ইথিওপিয়ার বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ এর সকল ফ্লাইট বাতিল করে দিয়েছে চীন

ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় একই মডেলের বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে চীন। দেশটির বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ বিমানের সব ফ্লাইট বাতিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বিমান নিয়ন্ত্রক সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলোকে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ বিমানের সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সোমবার রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে।

রোববার সকালে আদ্দিস আবাবার বোল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৮ জন ক্রু-সহ ১৫৭ আরোহী নিয়ে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল বোয়িং-৭৩৭ ম্যাক্স ৮ বিমানটি। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে উড্ডয়নের ছয় মিনিট পর ৮টা ৪৪ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে রাডারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আদ্দিস আবাবা থেকে ৬২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বদিকের বিশোফতু শহরের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। সংস্থাটির মুখপাত্র বলেছেন, ইথিওপিয়া এয়ারলাইন্সের বিধ্বস্ত বিমানটির ১৪৯ আরোহী ও আট ক্রুর সবাই মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ৩৩ দেশের নাগরিক রয়েছেন। ইতোমধ্যে চীনের আট নাগরিক ওই বিমানে ছিলেন বলে জানিয়েছে চীন।

গত পাঁচ মাসে এ নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটল। এক বিবৃতিতে চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা জানিয়েছে, কবে আবার বিমান সংস্থাগুলো পুণরায় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ বিমানের ফ্লাইট শুরু করতে পারবে সে বিষয়ে তাদের অবহিত করা হবে।

সিন সিয়াওমেং প্রথম নারী রোবট হিসেবে খবর পাঠ করল

Now Reading
সিন সিয়াওমেং প্রথম নারী রোবট হিসেবে খবর পাঠ করল

নাম শিন শিয়াংমেং গোলাপি টপস ও কানে ছোট্ট দূল এবং ছোট চুলের পরিপাটি কাট ও হালকা মেকআপের মিষ্টি মুখটি দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তিনি আসলে কোন নারী নন।
রোববার বেইজিংয়ের বার্ষিক সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিনিধিদের সম্পর্কে একটি সংবাদ উপস্থাপন করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি এই সংবাদ পাঠিকা। যা ছিলো এক মিনিটের ভিডিও উপস্থাপনা। অবিকল মানুষের মতোই তাঁর মুখের অভিব্যক্তি এবং মানব সংবাদ পাঠিকার মতোই নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুকরণ করে সংবাদ পাঠ করেন বিশ্বের প্রথম এই নারী রোবট সঞ্চালিকা।
ভার্চুয়াল ক্লোন শিন শিয়াংমেং সংবাদ সঞ্চালনায় দ্বিতীয় রোবট সঞ্চালক। তার আগে তৈরি করা হয়েছিল কিউ মেংকে। মানুষের মতোই দেখতে এই দুই রোবটই নির্মাণ করে শিনহুয়া এবং কারিগরি সংস্থা সোগোই ইনকর্পোরেটেড। গত নভেম্বরে চীনের শহর উওজেহেনে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইন্টারনেট সম্মেলনে পুরুষের পোষাক পরিহিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠককে সকলের সামনে নিয়ে আসা হয়।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নানা কাজে ব্যবহারের এই বৈজ্ঞানিক সাফল্য গবেষকদের উৎসাহ যোগাচ্ছে। নজরদারি, নিরাপত্তা, চালকবিহীন গাড়ি থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৃহত্তম পরিসরের এই ব্যবহার মানুষের কর্মখাতের ওপর কোনো ধরনের প্রভাব ফেলবে কিনা তা নিয়ে ভাবছেন বিশেষজ্ঞরা। এগুলো আমাদের নানা ধরনের সুবিধা দিচ্ছে কিন্তু পরে এই সুবিধা সকলের জন্য অসুবিধার কারন না যেন হয়ে দাড়ায় তা নিয়ে ভাবাচ্ছে অনেককেই।

ফুটপ্রিন্ট লেখক লগিন